Tag: West Bengal

West Bengal

  • SSC Scam: চাকরি বাতিল প্রসঙ্গে সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা! মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে আইনি  নোটিশ

    SSC Scam: চাকরি বাতিল প্রসঙ্গে সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা! মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে আইনি নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি বাতিল (SSC Scam) প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে ‘মন্তব্য’ করায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠাল ‘আত্মদীপ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। মুখ্যমন্ত্রীকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন দিল্লির আইনজীবী সিদ্ধার্থ দত্ত। নোটিসে তিনি জানিয়েছেন, দেশের শীর্ষ আদালতের রায় সকলকেই মেনে নিতে হবে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এই রায় কার্যকর করবেন না বলেই দাবি ওই আইনজীবীর। তাঁর হুঁশিয়ারি, মুখ্যমন্ত্রী যদি নিজের মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান, তা হলে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে।

    নোটিশে কী বলা হয়েছে

    নোটিশে দাবি করা হয়েছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার মন্তব্যের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃত, পরিকল্পিত ভাবে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রতি অবমাননা করেছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, আইনগতভাবে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বাস্তবায়ন করবেন না। যা স্পষ্টতই একটি ইচ্ছাকৃত কাজ। মুখ্যমন্ত্রী যে বক্তব্য রেখেছেন, তা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল। তিনি তাঁর বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন মমতা। আইনি নোটিসে বলা হয়েছে, নেতাজি ইন্ডোরের সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলার জন্য… একটা চক্রান্ত চলছে… একটা পরিকল্পনা চলছে। ৯, ১০, ১১, ১২-তে যাঁরা শিক্ষক, গেটওয়ে অফ হায়ার এডুকেশন তৈরি করছেন, তাঁরা অন্যদের খাতা দেখছেন, তাঁদের মধ্যে গোল্ড মেডেলিস্ট আছেন। তাঁদের জীবনেও ভাল রেজাল্ট ছিল। তাঁদের সবাইকে চোর বলে দিচ্ছেন। সবাইকে অযোগ্য বলে দিচ্ছেন। এই বলার অধিকার আপনাকে কে দিল? আমি সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছি।’’

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    ২০১৬ সালের এসএসসির সম্পূর্ণ প্যানেল সম্প্রতি বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যার জেরে চাকরিহারা প্রায় ২৬ হাজার জন। এই পরিস্থিতিতে চাকরিহারাদের একাংশকে নিয়ে নেতাজি ইন্ডোরে সভা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ‘‘আমি এই রায় মানতে পারছি না।’’ মুখ্যমন্ত্রীকে আদালত অবমাননার যে নোটিস পাঠানো হয়েছে, তাতে নেতাজি ইন্ডোরের সভায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতার কিছু অংশ তুলে দেওয়া হয়েছে। নোটিসে লেখা হয়েছে, গত ৭ এপ্রিলের ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘কারও চাকরি কাড়ার এই অধিকার কারও নেই। আমাদের প্ল্যান— এ রেডি, বি রেডি, সি রেডি, ডি রেডি আর ই রেডি। এই কথা বলার জন্য আমাকে জেলে, হ্যাঁ, ভরে দেওয়া হতে পারে। কিন্তু আই ডোন্ট কেয়ার (আমি পরোয়া করি না)। আপনারা আপনাদের কাজ করুন। কে আপনাদের আটকাচ্ছে? সুপ্রিম কোর্ট? সে ক্ষেত্রে মনে রাখবেন যা-ই বিকল্প হোক, আমরা করব।’’ এরপরই দেশের শীর্ষ আদালতকে অবমাননার দায়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ও নবান্নে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

  • Mohan Bhagwat: “ভারত মাতা কি জয় বললেই সংঘের শাখায় স্বাগত,” বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “ভারত মাতা কি জয় বললেই সংঘের শাখায় স্বাগত,” বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শাখায় সব ভারতীয়কে স্বাগত জানানো হয়। একমাত্র শর্ত হল শাখায় যোগ দিতে আসা প্রত্যেকের ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলতে কোনও দ্বিধা থাকবে না এবং গেরুয়া পতাকাকে শ্রদ্ধা করতে হবে।” রবিবার বারাণসীতে কথাগুলি বললেন আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। চারদিনের সফরে বারাণসীতে গিয়েছেন সরসংঘচালক।

    ভারত মাতা কি জয় (Mohan Bhagwat)

    এদিন তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন লাজপত নগর কলোনির একটি শাখায়। সেখানে তিনি বর্ণ বৈষম্য দূর করে একটি শক্তিশালী সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। পরিবেশ, অর্থনীতি এবং অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা করছিলেন সংঘপ্রধান। তখনই একজন স্বয়ংসেবক জানতে চান, মুসলমানরা কি সংঘের শাখায় যোগ দিতে পারবেন? তারই উত্তরে ভাগবত বলেন, “যারা ভারত মাতা কি জয় স্লোগান ও গেরুয়া ঝান্ডাকে শ্রদ্ধা করে, শাখা তাদের সবাইকে স্বাগত জানাবে।”

    শাখায় সবাই স্বাগত

    ভাগবত বলেন, “যদিও ভারতীয়দের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন ছিল, তাদের সংস্কৃতি একই ছিল। তাই ভারতের সমস্ত ধর্ম, সম্প্রদায় ও বর্ণের মানুষ শাখায় স্বাগত।” লাজপত নগরের ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আগে শনিবার সন্ধ্যায় ভাগবত কাশীর বৈদিক পণ্ডিতদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। সেখানে তিনি তাঁদের ভারতকে বিশ্বগুরু বানানোর লক্ষ্যে কঠোর পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করেন।

    ‘হিন্দু’ যে কোনও উপাসনা পদ্ধতি নয়, তা নানা সময় বলতে শোনা গিয়েছে ভাগবতকে। চলতি বছরের শেষের দিকে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসেছিলেন তিনি। সেই সময় পূর্ব বর্ধমানের তালিতের সাইয়ের ময়দানে ‘মধ্যবঙ্গ প্রদেশের একত্রীকরণ’ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন সরসংঘচালক। সেই সময় ‘হিন্দু’ শব্দের সংঘীয় ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন (Mohan Bhagwat), “হিন্দু কোনও উপাসনা পদ্ধতি বা কোনও সম্প্রদায় নয়। হিন্দু হল ভারতীয়দের পরিচয়।” ভাগবত বলেন, “ভারতের নানা প্রান্তে নানা ভাষা, নানা রীতি, নানা সম্প্রদায়, নানা খাদ্যাভ্যাস। কিন্তু তবুও তাদের মধ্যে একটা সাংস্কৃতিক মিল রয়েছে। একটা অভিন্ন সংস্কৃতি। এটাই (RSS) ভারতের স্ব-ভাব। আর এর নামই হিন্দুত্ব।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই যে কোনও হিন্দুই সংঘের শাখায় স্বাগত বলে ভাগবত (Mohan Bhagwat) জানিয়েছেন।

  • Ram Navami: “প্রেতাত্মাদের রামের নাম সহ্য হয় না,” নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা সজল ঘোষের  

    Ram Navami: “প্রেতাত্মাদের রামের নাম সহ্য হয় না,” নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা সজল ঘোষের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমী (Ram Navami) উৎসব উপলক্ষে ব্যাপক উন্মাদনা রাজ্যে। রবিবার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রচুর মিছিল বেরনোর কথা। এদিন মধ্য হাওড়ার রামরাজাতলায় রামনবমীর শোভাযাত্রা (BJP) বের হয়। এই শোভাযাত্রার পুরোভাগে ছিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।

    অস্ত্র মিছিলের পক্ষে সওয়াল সজলের (Ram Navami)

    রামনবমীতে অস্ত্র মিছিলের পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। বলেন, “কোনও কোনও সময় ধর্মকে রক্ষা করতে অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে।” তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “মানুষের মনে দাঙ্গার বীজ বপন করে দেওয়া হয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করেই তিনি বলেন, “তোষণের রাজনীতিই ওঁর কাল হবে। প্রেতাত্মাদের রামের নাম সহ্য হয় না।” এদিন সকালে মধ্য হাওড়ার কদমতলা এলাকা থেকেও একটি মিছিল হয় রামনবমী। মিছিল আসে রামরাজাতলায়, রামমন্দির পর্যন্ত।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ?

    রামনবমীতে অস্ত্র নিয়ে বেরলে কোনও সমস্যা নেই বলেই মনে করে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “রামনবমীতে অস্ত্র নিয়ে বেরবো, এতে সমস্যা কোথায়…ভগবান রামের ছবি তো অস্ত্র ছাড়া হয় না। ভগবান অস্ত্র নিয়ে না বেরলে এত রাক্ষসকে মারলেন কীভাবে?” তিনি বলেন, “নতুন রাক্ষসরা অস্ত্র দেখে ভয় পাচ্ছে। ভয় পাওয়ার কারণ নেই। বিনা কারণে অস্ত্র বেরোবে না।” তিনি বলেন, “রামের নামেই মুক্তি। তাই সকলে জয় শ্রীরাম বলুন। রামনবমী হলে অনেকের বুক দুরদুর করে। যাদের বুক দুরদুর করে, তারা যেন রাস্তায় না বের হয়।” দিলীপ বলেন, “রামের ইচ্ছেতেই এই জাগরণ।”

    অন্যদিকে, রামনবমী (Ram Navami) উপলক্ষে এদিন দেড় কোটি হিন্দুকে রাস্তায় নামার ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ছোটবড় মিলিয়ে এদিন রাজ্যে প্রায় আড়াই হাজার শোভাযাত্রা বের হওয়ার কথা। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ব্যাপক পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংবেদনশীল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে ১০ পুলিশ জেলা ও পুলিশ কমিশনারেটকে। এই সব এলাকার দায়িত্বে থাকছেন ২৯ জন আইপিএস। বড় মিছিলগুলির ওপর নজরদারি চালানো হবে ড্রোন দিয়ে। বিশেষ কন্ট্রোল রুম থেকে পরিস্থিতি তদারকি (Ram Navami) করবেন খোদ এডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামিম (BJP)।

  • Anti Hindu Attacks: শুধু মার্চেই ৮ জায়গায় হামলা! মমতা জমানায় এপার বাংলায়ও বাড়ছে মন্দির-মূর্তি ধ্বংসের ঘটনা

    Anti Hindu Attacks: শুধু মার্চেই ৮ জায়গায় হামলা! মমতা জমানায় এপার বাংলায়ও বাড়ছে মন্দির-মূর্তি ধ্বংসের ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের ঢেউ আছড়ে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও (Anti Hindu Attacks)! এখানেও নির্বিচারে ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের (West Bengal) মন্দির-বিগ্রহ। বিরোধীদের অভিযোগ, এ রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এই হিংসা নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছে। হিন্দুদের উপাসনালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং হামলার ঘটনা ঘটছে। যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ মালদার মোথাবাড়ি। অভিযোগ, সেখানে পুলিশ গিয়ে হিন্দু মহিলাদের বলছেন শাঁখা-পলা খুলে ফেলতে, কালো কাপড়ে মুখ ঢাকতে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণ নীতি, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা এবং হিংসা মোকাবিলায় ব্যর্থতার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চেই এ রাজ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে আটটি। এই তালিকায় রয়েছে মোথাবাড়িও। আসুন, দেখে নেওয়া যাক গত মাসে কোথায় কোথায় আক্রান্ত হয়েছে হিন্দুদের দেবালয়।

    বারুইপুরে মূর্তি পোড়ানোর অভিযোগ (Anti Hindu Attacks)

    ৭ মার্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর শহরে মা শীতলার মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। পরে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। খবরে প্রকাশ, শেখ ইন্দু নামে এক ব্যক্তি মূর্তিটি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, মূর্তিটি পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। যে মন্দিরে মূর্তিটি ছিল, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেটিও। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত শেখকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাকে নিয়ে যায়। এদিনই এক ট্যুইট-বার্তায় বারুইপুর পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তি বহিরাগত। তার মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা রয়েছে। ওই ট্যুইটে তাকে অসুস্থ মস্তিষ্কের ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    নওদায় হিন্দুদের দোকান ও সম্পত্তি ভাঙচুর

    এর ঠিক দুদিন পরেই মুর্শিবাদের (West Bengal) নওদায় হিন্দুদের দোকান ও সম্পত্তির ওপর হামলা হয়। গত ৯ মার্চ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা ব্লকের পাটিকাবাড়ি বাজারে হিন্দুদের দোকান ও সম্পত্তিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, “কয়েক ঘণ্টা আগে, অপরাধীরা মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা ব্লকের পাটিকাবাড়ি বাজারে হিন্দুদের দোকান ও সম্পত্তি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়।” তিনি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও মুখ্য সচিবের হস্তক্ষেপ চেয়ে দ্রুত শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুভেন্দু বিএসএফ মোতায়েনের দাবিও জানান। তিনি বলেন, “যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে আমি অনুরোধ করব, মাননীয় রাজ্যপালকে বিএসএফ পার্সোনাল মোতায়েনের অনুরোধ করুন, যাতে শীঘ্রই আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা যায়।”

    বসিরহাটে কালী মন্দিরে হামলা

    এই ৯ মার্চ উত্তর ২৪ পরগনার (Anti Hindu Attacks) বসিরহাট শহরের শাঁখচূড়া বাজারে একটি কালী মন্দিরে হামলার খবর প্রকাশিত হয়। এক্স হ্যান্ডেলে এ নিয়ে একটি পোস্ট করেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার পরেই ঘটনাটি আসে প্রকাশ্যে। তিনি জানান, হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা শাহানূর মণ্ডলের নেতৃত্বে ওই মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে। এর ঠিক কয়েক ঘন্টা পরেই পুলিশের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়, এই ঘটনায় কোনও সাম্প্রদায়িক ব্যাপার নেই। কালী মূর্তি ভাঙচুরের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে।

    নন্দীগ্রামে মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর

    ১৪ মার্চ পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের কামালপুরের একটি হিন্দু মন্দিরে দেবদেবীর মূর্তি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টের মাধ্যমে ঘটনাটি জনসমক্ষে আনেন। ওই পোস্টে ভাঙচুর করা মূর্তির একটি ভিডিও-ও জোড়া ছিল। মালব্যর অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি পূজা ও রাম নারায়ণ কীর্তন সহ্য করতে না পেরে মন্দিরে ভাঙচুর চালায় এবং মূর্তির অবমাননা করে। তিনি পরিস্থিতির গুরুত্বও তুলে ধরেন। পোস্টের ওই ভিডিওয় দেখা যায়, এক ব্যক্তি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলছেন যে তারা কিছুই (West Bengal) করছে না। ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভাঙচুর করা মূর্তির ভিডিও যিনি বানাচ্ছিলেন, একজন পুলিশ অফিসার তাঁকে ভয় দেখাচ্ছেন।

    শিরোনামে মোথাবাড়িও

    ২৭ মার্চ মোথাবাড়ি গ্রামে ব্যাপক হিংসা হয়। অভিযোগ, মুসলিম জনতা হিন্দুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িগুলিকে টার্গেট করেছিল (Anti Hindu Attacks)। বিজেওয়াইএম নেতা অচিন্ত্য মণ্ডলের শেয়ার করা একটি ভিডিও-সহ প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এক হিন্দু মহিলা ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, “মুসলিমরা হিন্দুদের বাড়িঘর ধ্বংস করেছে।ভয়ে আমরা লুকিয়েছিলাম।” তাঁর অভিযোগ, বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করার পর টাকা-পয়সা ও জিনিসপত্রও লুট করা হয়েছে। তিনি বলেন, “পুলিশ তাদের প্রাণ নিয়ে দৌড়েছে। তারা আমাদের বাঁচায়নি।”

    আর এক হিন্দু মহিলার দাবি, তাঁদের ধর্মীয় পরিচয় গোপন করতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের শাঁখা-পলা খুলে হিজাবের মতো মাথা ঢাকতে হচ্ছে। আমরা অনিচ্ছা সত্ত্বেও তা করতে বাধ্য হচ্ছি।” তাঁর অভিযোগ, নারীদের অপহরণ ও নির্যাতন করা হচ্ছে। হিন্দুদের বাড়ি লক্ষ্য করে অবিরাম পাথর ছোড়া হচ্ছে। হিন্দু নারীরা কোনও দাবি মানতে না চাইলে শিশুদের অপহরণ ও হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

    ঝাউবোনায় হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    ২৯ মার্চ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডেলে কয়েকটি ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করে মুর্শিদাবাদের ঝাউবোনায় হিন্দুদের (Anti Hindu Attacks) ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, হিন্দুদের মালিকানাধীন সুপারি বাগানে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং দোকান লুট করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলিকে তিনি জিহাদি মবস দ্বারা সংঘটিত হিংসা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ট্যুইট-বার্তায় তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণ নীতির অধীনে হিন্দুদের ওপর আর একটি ভয়ঙ্কর হামলা! মোথাবাড়ি হাঙ্গামার পর জিহাদি মবস ঝাউবোনা, নওদা (মুর্শিদাবাদ)-এ সন্ত্রাস ছড়িয়েছে। অন্ধকারের আড়ালে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে হিন্দুদের সুপারি বাগানে আগুন ধরিয়ে দেয়, ঝাউবোনা ও ত্রিমোহিনী বাজারের দোকান লুটপাট করে এবং নিরীহ হিন্দুদের আক্রমণ করে।”

    দক্ষিণ দিনাজপুর মন্দিরে ভাঙচুর

    ৩০ মার্চ সুকান্ত ফের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের কেশবপুর গ্রামের একটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবিগুলিতে দেখা গিয়েছে, মন্দির চত্বরে শীতলা মায়ের মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, “দক্ষিণ দিনাজপুরের (West Bengal) জাহাঙ্গিরপুর অঞ্চলের কেশবপুরে শ্রী শ্রী শীতলা মায়ের মন্দিরের ধ্বংসস্তূপ দেখুন। রাতের আড়ালে মন্দিরটি ভাঙচুর করা হয়েছে। মায়ের মূর্তিটি এমনভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে যা বাংলাদেশের মৌলবাদী জিহাদিদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় (Anti Hindu Attacks)।”

  • Waqf Bill Protest: ওয়াকফ বিলের প্রতিবাদে অবরুদ্ধ পার্কসার্কাস, আন্দোলনের নেপথ্যে তৃণমূলের ভোট-অঙ্ক?

    Waqf Bill Protest: ওয়াকফ বিলের প্রতিবাদে অবরুদ্ধ পার্কসার্কাস, আন্দোলনের নেপথ্যে তৃণমূলের ভোট-অঙ্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ও রাজ্যসভা – সংসদের উভয় কক্ষেই পাশ হয়ে গিয়েছে ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Bill Protest) ২০২৫। সেই বিল পাশ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুসলমানদের একটা বড় অংশ। অথচ, এই বিলের প্রতিবাদেই শুক্রবার পার্কসার্কাসে হল মিছিল। শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ওয়াকফ সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে মুসলিম অধ্যুষিত পার্ক সার্কাসের দখল কার্যত চলে গিয়েছিল মুসলিমদের বিভিন্ন সংগঠনের হাতে। পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টস অবরুদ্ধ করেন বিক্ষোভকারীরা।

    ‘শক্তিপরীক্ষা’ (Waqf Bill Protest)

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রবিবার রামনবমী (Ramnavami)। তার আগে বস্তুত ‘শক্তিপরীক্ষা’ করে নিল মুসলিম সংগঠনের আড়ালে তৃণমূল। বছর ঘুরলেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্যের শাসক দল ওয়াকফ বিল তাস খেলে দিয়ে মুসলিম ভোটকে ঘাসফুলের ঝুলিতে ফেলতে চাইছে। এটা সম্ভব হলে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ফের একবার গদি নিশ্চিত হয়ে যাবে তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    জমায়েতের পিছনে তৃণমূলের ‘মস্তিষ্ক’!

    শুক্রবার জুম্মাবার। সেদিনই জমায়েতের পিছনে তৃণমূলের ‘মস্তিষ্ক’ কাজ করছে বলে ধারণা ভোট বিশেষজ্ঞদের। যদিও এদিনের সমাবেশে কোথাও তৃণমূলের নাম ছিল না, ছিল না তৃণমূলের কোনও সংগঠনের ব্যানার কিংবা ফেস্টুন। তবে পার্ক সার্কাসের ওই জমায়েতে দেখা গিয়েছে তপসিয়া, কসবা, তিলজলা এবং বেকবাগান এলাকার তৃণমূল নেতাদের। তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতা বলেন, “হয়তো দলের সরাসরি নির্দেশে কোনও কর্মসূচি পালিত হয়নি। কিন্তু রামনবমীর আগে এমন জমায়েত উত্তেজনা প্রশমনের বদলে বাড়াতেই সাহায্য করবে (Waqf Bill Protest)।”

    ইদের দিনে রেড রোডে নমাজ আদায়ের জমায়েতে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি নমাজ আদায়ও করেন। ওই জমায়েতেই তিনি বলেছিলেন, ‘কাউকে গন্ডগোল করতে দেবেন না।’ তার পরেও জুম্মাবারে যেভাবে শক্তিপ্রদর্শন হল, তাতে অশান্তির আশঙ্কা করছে তৃণমূলেরই একাংশ।

    ২০২৩ সালে রামনবমীর মিছিলে হামলা হয়েছিল হাওড়ায়। সেদিন মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ছাদ থেকে ইট-পাটকেল-বোতল ছোড়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। অশান্তি হয়েছিল হুগলির শ্রীরামপুর-সহ আরও কয়েকটি জায়গায়। এবারও সেই সব স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে অশান্তির আশঙ্কা করছে প্রশাসনেরই একাংশ (Ramnavami)। তার আগে পার্কসার্কাসে যেভাবে ব-কলমে জমায়েত করল তৃণমূল (!), তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন প্রশাসনেরই বড় কর্তারা (Waqf Bill Protest)।

  • Abhijit Gangopadhyay: ২৬ হাজার চাকরি বাতিল! ‘‘উনি জোচ্চুরি করেছেন’’, মমতাকে তুলোধনা অভিজিতের

    Abhijit Gangopadhyay: ২৬ হাজার চাকরি বাতিল! ‘‘উনি জোচ্চুরি করেছেন’’, মমতাকে তুলোধনা অভিজিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ২৬ হাজার জনের চাকরি বাতিল নিয়ে হাইকোর্টের রায়কেই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Abhijit Gangopadhyay) নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee)। গতকাল বৃহস্পতিবার বিজেপি সাংসদকে ডাংগুলি কটাক্ষ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। এনিয়ে মমতাকে তুলোধনা করলেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিজেপি সাংসদ দাবি করেন, জোচ্চুরি করেছেন মমতা। এরপাশাপাশি, মমতার পদত্যাগ করা উচিত বলেও মনে করেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট প্রায় ২৬,০০০ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। প্রায় ১ বছর পরে গতকাল বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল হাইকোর্টের সেই রায়কেই বহাল রাখল শীর্ষ আদালত। ভারতের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানিয়েছে, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া জালিয়াতিতে কলঙ্কিত হয়েছে।

    কী বললেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)

    তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘ওই ভদ্রমহিলা আসলে জোচ্চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গিয়েছিলেন। ব্যাপক জোচ্চুরি করেছিলেন। ধরা পড়ে গেছেন। সুপ্রিম কোর্টও বলেছে এখানে ব্যাপক দুর্নীতি আছে। আমি তো মনে করি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ত্যাগ করা দরকার। আমাদের নেতা শুভেন্দু অধিকারীও বলেছেন। আমাদের দফা এক দাবি এক মমতার পদত্য়াগ। মমতা যদি তাড়াতাড়ি পদত্যাগ করেন তো ভালো নাহলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাড়াতাড়ি তাঁকে ছুড়ে ফেলে দেবে। এদের দুর্নীতির জন্য় এত ছেলের সর্বনাশ হয়ে গেল। কিছু ছেলে যারা সঠিকভাবে চাকরি পেয়েছিল তাদেরটাও গেল। অথচ এটা আলাদা করা যেত। এটা আজও আলাদা করা যায়। আমরা ক্ষমতা পাই তাহলে আমরা করে দেখিয়ে দিতে পারি।’’

    এত বড় ধাক্কা এর আগে তিনি পাননি

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে বিজেপি সাংসদ (Abhijit Gangopadhyay) বলেন, ‘‘এত বড় ধাক্কা এর আগে তিনি পাননি। তিনি বলতে চেয়েছিলেন কৌশল যেটা ছিল সাড়ে ৫ হাজার ৬ হাজারের মতো চাকরি কেনার বিষয়টি ধরতে পেরেছিলাম। আমার রায়ে তাদের বাদ দিয়েছিলাম। তারপর তাঁকে যারা অ্যাডভাইস দিলেন কিছু প্রাক্তন জজ আছেন আরও কয়েকজন আছেন তাদের নাম বলতে চাই না এখন, তারা অ্যাডভাইস করলেন আপনি যারা ঠিকভাবে চাকরি পেয়েছেন আর টাকা দিয়ে পেয়েছেন তাদের জটটা ছাড়াবেন না। এতে বাধ্য় হবে সকলের চাকরি রেখে দিতে। কিন্তু তারা তো জানেন না যে কী পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে। আমাদের নেতা শুভেন্দু বাবু বলেছেন এদের এখনও ধরা যায়। কারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। এটা সুপ্রিম কোর্ট ধরা পড়েছেন।’’

    নবান্ন থেকে কী বলেছিলেন মমতা?

    প্রসঙ্গত সুপ্রিম কোর্টের রায় বের হওয়ার পরেই মমতা বলেছিলেন, ‘‘প্রথম হাইকোর্টে যিনি এই জাজমেন্ট দিয়েছিলেন তিনি এখন জুডিশিয়ারি ছেড়ে বিজেপির সাংসদ হয়েছেন। সম্ভবত না, সত্যিই হয়েছেন! সাম গাঙ্গুলি না ড্যাংগুলি! আমি ঠিক জানি না তাঁর আসল নামটা! পরে জেনে নেব! আজ তাঁরা কোন মুখে বড় বড় কথা বলেন? তাঁদের দায়বদ্ধতা নেই? দায়বদ্ধতা ছিল না? আমি বিশ্বাস করি, এটা বিজেপি করিয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায় প্রথম সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)।

    যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করা সম্ভব

    প্রাক্তন বিচারপতির (Abhijit Gangopadhyay) কথায় ‘‘সেগ্রিগেশন (আলাদা ) করা সম্ভব তো ! আমি আজও এখানে দাঁড়িয়ে বলছি, সেগ্রিগেশন করা সম্ভব। আমরা ক্ষমতায় আসব, সেগ্রিগেশন করে দেখিয়ে দেব। উনি তো রেকর্ড লুকিয়ে ফেলতে পারবেন না। সে-রেকর্ড হাইকোর্টের কাছে আছে। আমার বেঞ্চেই তো ছিল সেই রেকর্ডগুলো। আমার উপরে ওনার এত রাগ একটাই কারণে, ওনার জোচ্চুরিটা প্রথম ধরেছিলাম আমি।’’

    সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে কী বললেন বিজেপি সাংসদ

    গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দেয়, সেই সম্পর্কে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মত হল, ‘‘আমি আমার জয় হিসেবে দেখছি না। দুর্নীতির পরাজয় হিসেবে দেখছি। পশ্চিমবঙ্গে এবার দুর্নীতি করার আগে দুবার ভাববে।’’ যাঁরা যোগ্যভাবে চাকরি পেয়েছিলেন তাঁদের জন্যও আশ্বাসবাণী শুনিয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি। এক্ষেত্রে  অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মত, ‘‘দুশ্চিন্তা করবেন না। বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বিজেপি আপনাদের জন্য নিশ্চয়ই কিছু একটা করবে।’’

  • Teachers Recruitment Case: বাতিল ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Teachers Recruitment Case: বাতিল ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের রায়ই বহাল রইল সুপ্রিম কোর্টে (Teachers Recruitment Case)। বাতিল হয়ে গেল রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষকের চাকরি। বৃহস্পতিবার ২০১৬ সালের এসএসসিতে নিয়োগের পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। বলল, পুরো প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা হয়েছে। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। ২৬ হাজার চাকরি বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানিয়েছে, তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, যাঁরা অন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালে এসএসসির মাধ্যমে স্কুলের চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা চাইলে পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারবেন।

    ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ (Teachers Recruitment Case)

    ২০১৬ সালের এসএসসির শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। দীর্ঘ শুনানির পর সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়াই বাতিল করে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর ফলে বাতিল হয়ে গিয়েছিল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। গত ১০ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে শেষ হয়েছিল এই মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট যে তালিকা প্রকাশ করে, তাতে বলা হয়েছিল, বৃহস্পতিবার সকালে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সেই মতোই ঘোষণা করা হল রায়।

    যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব হয়নি

    ঘোষিত রায়ে বলা হয়েছে, যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব হয়নি। ২০১৬ সালের এসএসসি পেয়ে যাঁরা চাকরি করছিলেন, তাঁরা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্যতা পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু না হওয়া পর্যন্ত সবাই বেতন পাবেন (Teachers Recruitment Case)।ফেব্রুয়ারিতেই এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল। তবে রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল শীর্ষ আদালত। বুধবার জানানো হয়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সেই মতোই ঘোষিত হয় রায়।

    সিবিআইয়ের বক্তব্য

    সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের বক্তব্য ছিল, এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে (Supreme Court)। অনেকে সাদা খাতা জমা দিয়েই চাকরি পেয়েছেন। তাই ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের এই মামলায় হাইকোর্টের রায় বহাল থাকা উচিত। রাজ্য সরকারের তরফে আদালতে জানানো হয়, এতজন শিক্ষকের চাকরি এক সঙ্গে বাতিল করা হলে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিলের রায়ে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বালিল করে রায় দিয়েছিল। যাঁরা মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছিলেন, যাঁরা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের বেতন ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের চার সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ হারে সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে বলা হয়েছিল (Teachers Recruitment Case)।

    মামলায় নানা জটিলতা

    হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করে রাজ্যের শিক্ষা দফতর, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। দফায় দফায় মামলা করেন চাকরিহারারাও। প্রাথমিক শুনানির পরে গত বছরের ৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ চাকরি বাতিলের নির্দেশের ওপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল (Supreme Court)। চাকরি বাতিলের এই মামলায় নানা জটিলতা ছিল। এর মধ্যে অন্যতম হল যোগ্য ও অযোগ্যদের বাছাইয়ের সমস্যা। কারা যোগ্য, অযোগ্যই বা কারা, সেটা কীভাবে বাছাই করা হবে, সেই প্রশ্নের উত্তরও মেলেনি। শুনানির শেষ দিন পর্যবেক্ষণে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, এই মামলায় আসল তথ্য জানা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেহেতু আসল উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট উদ্ধার করা যায়নি। তাই কোন ওএমআর শিটকে আসল বলে ধরে নেওয়া হবে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসএসসিকে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, ‘র‌্যাঙ্ক জাম্প’ ও প্যানেল-বহির্ভূত নিয়োগের তথ্য তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু ওএমআর শিট কারচুপির তথ্য কমিশনের কাছে নেই (Teachers Recruitment Case)।

    নিয়োগ দুর্নীতির ‘স্পনসর’ খোদ রাজ্য সরকার!

    গত ২৭ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জিজ্ঞেস করেছিল নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে কিনা। নতুন করে পরীক্ষা নিতে হলে কী কী সমস্যা হতে পারে, তাও জানতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই সময় প্রধান বিচারপতির এজলাসে মূল মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানিয়েছিলেন, যাঁরা চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের ফের নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। সেই সময় তিনি নিয়োগের পুরো প্যানেলই (Supreme Court) বাতিল করতে সওয়াল করেছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, এই দুর্নীতি এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে কেউ অবৈধ নিয়োগ খুঁজে বের করতে না পারে। এত বড় নিয়োগ দুর্নীতির ‘স্পনসর’ খোদ রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, যে পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে, তা এখন আর শুধরে নেওয়ার অবকাশ নেই তাই নতুন করে পরীক্ষার কথাও বলা হয়েছে (Teachers Recruitment Case)।

  • Mithun Chakraborty: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! এক হোন হিন্দু বাঙালিরা, আহ্বান মিঠুনের

    Mithun Chakraborty: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! এক হোন হিন্দু বাঙালিরা, আহ্বান মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! হিন্দু বাঙালিরা এক হোন। ঠিক এই ভাষাতেই হিন্দু ঐক্যের (Hindu Unity) আহ্বান জানালেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। বৃহস্পতিবার রাজ্যে বিজেপির একটি দলীয় কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। এই সভায় যোগদান করে হিন্দু বাঙালিদের উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দিলেন অভিনেতা। এদিন মিঠুন চক্রবর্তীর ভাষণে ছিল আগাগোড়াই হিন্দুত্বের ছোঁয়া। অভিনেতা বলেন, ‘‘আমি কিন্তু বলি, গর্ব করে বলো যে আমি সনাতনী। আমরা সনাতনী। যদি ভগবান সনাতনী হিসাবে জন্ম দিয়ে থাকেন তাহলে মরব সনাতন হিসাবে। কিন্তু অন্য হাতে ওই ভাবে মার খেয়ে মরব না।’’

    বারাকপুরের বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা আয়োজন করে বসন্ত উৎসব

    এদিন সন্ধ্যায় নিউ বারাকপুরের কৃষ্টি ভবনে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা মিলে আয়োজন করেছিলেন বসন্ত মিলন অনুষ্ঠান। সেখানেই মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ট্রেলার দেখিয়ে দিয়েছে। যদি না জিততে পারেন তাহলে পশ্চিমবাংলায় হিন্দু বাঙালি বলে কেউ থাকবে না। এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু আমাদের ভোট দেন না। এবার ওরা জিতে এলে কিন্তু নির্বংশ করে দেবে।’’ প্রসঙ্গত, এদিন অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির ছিলেন মিঠুন। এছাড়াও বারাকপুরে বিজেপির এই দলীয় কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ সমেত ওই লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ডল ও জেলাস্তরের বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা।

    অন্য দলের হিন্দুরা কী করবেন, না – করবেন আমরা জানি না

    মিঠুনের (Mithun Chakraborty) সভা ঘিরে কর্মী সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ ছিল একেবারে তুঙ্গে। গোটা সভাগার ছিল ভর্তি। সভা মঞ্চ থেকে এদিন মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘অন্য দলের হিন্দুরা কী করবেন, না করবেন আমরা জানি না। কিন্তু বিজেপির হিন্দু বাঙালিরা থাকবে না, এটা কিন্তু মনে করে চলবেন। এরা তৈরি হয়ে বসে আছে, আবার যদি জিতে আসি, নির্বংশ করে দেব। সেজন্য কিছু না ভেবে জিতুন।’’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘু সমাজের ওপর আক্রমণ আঘাত নেমে এসেছে তাতে উদ্বিগ্ন হয়েছে বিভিন্ন মহল। প্রশ্ন উঠেছে ইউনূস জমানার আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও। এই আবহে নিজের ভাষণে মিঠুন, মমতা ও ইউনূসের শাসনকে এক করে দেখাতে চাইলেন।

    এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু ভোট দেয় না, আমি চিৎকার করে অনুরোধ করছি, এবার ভোট দিন

    বারাকপুরে দলীয় কর্মসূচি শেষ করে মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, ‘‘এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু ভোট দেয় না। আমি চিৎকার করে তাঁদের অনুরোধ করছি, এবার ভোট দিন। বাংলাদেশ একটা ট্রেলার দেখিয়েছে আপনাদের। এর পর পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু বাঙালি থাকবে কি না তা নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন আছে। এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। যে ৯ শতাংশ হিন্দু এখনও ভোট করে না, তাঁদের অনুরোধ করছি, এবার ভোট করুন। নইলে আসন্ন নির্বাচনে, যদি আমরা জিততে না পারি, তাহলে হিন্দু বাঙালি যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের জন্য খুবই কষ্টের দিন আসতে চলেছে। খুব সাবধানে থাকুন। কারণ যে সব মিটিং চলছে সেগুলো আপনারা খবর রাখেন না। প্রকাশ্যে সেটা বলতে পারব না। বিজেপি বিরোধী দলগুলো যে মিটিং করছে শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে। কিছুদিন পর সব বেরিয়ে যাবে মার্কেটে। বেরিয়ে আসুন, ভোট দিন। এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই।’’

    হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবির, তারই প্রতিধ্বনি মহাগুরুর গলায়!

    বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট। এই আবহে হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবির। কলকাতার পাশাপাশি একাধিক জেলা, শহরতলিতে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই পোস্টারও সামনে এসেছে। একইসঙ্গে গেরুয়া শিবিরের একাধিক সভায় বার্তা দেওয়া হয়েছে হিন্দু ঐক্যের। দিনকয়েক পরেই রয়েছে রামনবমী। সেই রামনবমীকে কেন্দ্র করে চড়ছে বঙ্গ রাজনীতির পারদ। এবারের রামনবমীকে কেন্দ্র করে রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রামনবমীর উৎসবকে সফল করতে কোমর বেঁধে নেমেছে গোটা সংঘ পরিবার। গতকাল বৃহস্পতিবারই হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বারুইপুরে সভা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেও তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে রামনবমী নিয়ে। বারুইপুরের সভা থেকেই ভালো করে রামবনবমী পালনের বার্তা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, হিন্দুরা জেগে গেছেন। এবার বড় করে রামনবমী হবে, তারপর পালন করা হবে হনুমান জয়ন্তী। ঠিক এই আবহে হিন্দু ঐক্যের বার্তা দিয়ে বক্তব্য রাখতে শোনা গেল মিঠুন চক্রবর্তীকেও (Mithun Chakraborty)।

  • Malda: মালদার মোথাবাড়িতে হিংসা, তৃণমূল সরকারকে একযোগে নিশানা শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্যর

    Malda: মালদার মোথাবাড়িতে হিংসা, তৃণমূল সরকারকে একযোগে নিশানা শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) মোথাবাড়িতে হিংসা ছড়িয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এগুলির সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি মাধ্যম। এই ভিডিওগুলিতে দাবি করা হয়েছে যে উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী হিন্দুদের দোকান এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলিকে বেছে বেছে হামলা চালাচ্ছে। এই আবহে মোথাবাড়ি ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এ নিয়ে সরব হয়েছেন বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্ব (West Bengal)। মোথাবাড়ি হিংসার ঘটনায় তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। একযোগে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্য। সাংবাদিকদের সামনে দেওয়া এক বিবৃতিতে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১টা নাগাদ লুট ও হিংসা শুরু করে মৌলবাদীরা।

    গ্রেটার বাংলাদেশের অভিসন্ধি ক্রমশই প্রকাশ্যে, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই একটি ভিডিও পোস্ট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সমাজমাধ্যমে ওই ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। সুকান্তর দাবি, ‘‘ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরির গোপন অভিসন্ধি ক্রমশই সফল করে তুলছেন।’’ সুকান্ত মজুমদারের ওই পোস্ট করা ভিডিওতে বেশ কিছু যুবককে ধর্মীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করতে দেখা যাচ্ছে। তারপরেই ওই ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে রাস্তার পাশে দোকানের ভাঙা শেড।

    হিন্দুদের ঘরবাড়ি আক্রমণ করা হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে গাড়ি, দাবি সুকান্তর

    ভিডিওটি পোস্ট করে সুকান্তবাবু লিখেছেন, ‘‘তোষণসর্বস্ব ব্যর্থ পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের হিন্দুদের অস্তিত্ব ক্রমশ আশঙ্কার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। এই ভয়াবহ ছবি আজকের দক্ষিণ মালদার মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলের চৌরঙ্গী মোড়ের। এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে হিন্দুদের ৬০-৭০ টি দোকান ভেঙে লুট করা হয়েছে, হিন্দুদের ঘরবাড়ি আক্রমণ করা হয়েছে এবং মূল রাস্তায় দখল নিয়ে যথেচ্ছাচারে গাড়ি ভাঙচুর করা হচ্ছে। এলাকার হিন্দুরা ত্রস্ত, আতঙ্কিত কিন্তু এলাকায় কোনও পুলিশের দেখা নেই! সংখ্যালঘু তোষণ করতে করতে রাজ্যের ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরির গোপন অভিসন্ধি ক্রমশই সফল করে তুলছেন। বাংলার নিপীড়িত অসহায় হিন্দুরা সম্মিলিত হয়ে এই অন্যায় তোষণ নীতির প্রতিশোধ নেবেন ২০২৬-এ।’’

    পুলিশকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকেও তুলোধনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, মোথা বাড়িতে যখন ভয়ঙ্করভাবে হিংসা ছড়িয়েছে, তখনই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ আশ্চর্যজনকভাবে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর আরও দাবি, ‘‘এটাই হল (মালদার মোথাবাড়ি হিংসা) নির্লজ্জ তোষণের রাজনীতির মূল্য। হিন্দুদের প্রতি অত্যাচার।’’

    মোথাবাড়ির ঘটনায় পুলিশকে নিধিরাম সর্দার বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, ‘‘তোষণবাজ মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলছেন। মালদা জেলার মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলে বেছে বেছে হিন্দুদের দোকানপাট ভাঙচুর ও লুট করা হয়েছে। মূল রাস্তা দখল করে জেহাদিরা যথেচ্ছাচারে কি ভাবে গাড়ি ভাঙচুর করছে দেখুন। জেহাদিদের সামনে পড়ে ‘নিধিরাম সর্দারের’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া মমতা পুলিশ কে দেখুন, হাত জোড় করে যেনো করুণা প্রার্থনা করছে !’’

    আইনি পথেই মোকাবিলা করা হবে, বললেন বিরোধী দলনেতা

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে খবরের শিরোনামে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকা। নিজের সমাজমাধ্যমে করা পোস্টে ওই অঞ্চলগুলির নামও তুলে ধরেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এনিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নিজের পোস্টে লিখেছেন, ‘‘তবে আমিও প্রতিজ্ঞা করলাম, এর শেষ দেখে ছাড়ব। আইনি পথে যেমন হাওড়া, শ্রীরামপুর, ডালখোলা, খিদিরপুর, রিষড়া, মোমিনপুরের জেহাদিদের বাগে এনেছি ঠিক একই ভাবে এদের কেও শিক্ষা দেবো।’’

    মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্যর

    বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। এই ভিডিও মোথাবাড়ির সাম্প্রদায়িক হিংসার সাথে বলে দাবি করেছেন তিনি নিজের পোস্টে। এক্স মাধ্যমে ওই ভিডিওটি পোস্ট করে মালব্য লিখেছেন, ‘‘দক্ষিণ মালদার মোথাবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হিংসা চলছে। উগ্র মৌলবাদীরা রাস্তায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। বেছে বেছে হিন্দু বাড়ি, দোকান এবং গাড়িতে আক্রমণ করা হচ্ছে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লন্ডনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, নিজের রাজ্যের এমন ভয়ঙ্কর ঘটনার প্রতি তিনি উদাসীন।’’

  • BJP: তৃণমূল নেতার অভিযোগে হিন্দুদের নাম বাদ ভোটার তালিকা থেকে! একযোগে আক্রমণ মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্তর

    BJP: তৃণমূল নেতার অভিযোগে হিন্দুদের নাম বাদ ভোটার তালিকা থেকে! একযোগে আক্রমণ মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে রয়েছে বিধানসভা ভোট। তার আগে ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে সরগরম বাংলার রাজনীতি। এনিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একযোগে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন গেরুয়া শিবিরের তিন নেতা মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্ত। বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের অভিযোগ, বাংলার ভোটার তালিকা থেকে হিন্দু নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নাম যুক্ত করছে তৃণমূল। এনিয়ে কৃষ্ণনগরের ঘটনা তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি,  ওই এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা আব্দুল রহমান শেখের নির্দেশে হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বেছে বেছে বাদ দিচ্ছে তৃণমূল।

    তৃণমূল সরকারের (TMC) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অমিতের মালব্যর

    মঙ্গলবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বে টুইটার) একটি পোস্ট করেন বিজেপি (BJP) নেতা অমিত মালব্য। তিনি লেখেন, ‘‘তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে হিন্দু নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নাম যুক্ত করছে।’’ এক্ষেত্রে অমিত মালব্য সীমান্ত অঞ্চলের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, বিজেপি যে স্থানগুলিতে শক্তিশালী সেখানেই এমনটা করছে প্রশাসন। অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘নদিয়া, যেখানে বিজেপির সংগঠন শক্ত, সেখানে আব্দুল রহমান শেখের থেকে একটি অনুরোধ পেয়ে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) সেদিনই ভোটার তালিকা থেকে ৯৮ জন হিন্দুর নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দেন।’’ তাঁর নিজের দাবির স্বপক্ষে অর্ডারের ছবিও পোস্ট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান। অমিত মালব্যর আরও দাবি, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই কার্যকলাপ চলছে। ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে বিডিও-রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন মুসলিমরা তাঁকে ব্যাপকভাবে রাজ্যে ভোট দেয়। হিন্দুদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার এটি একটি ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা।’’

    সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও

    এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আবদুর রহিম শেখ তিনি নাকি তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্ট, না কী নেতা আছেন! তিনি টুসি ঠাকুর, অমিত কুমার ঘোষ, কৃষ্ণা ঘোষ, কমলা মণ্ডল, সবিতারানি সরকার এই ভাবে একা ৯৭টা নাম নিয়ে অভিযোগ করেছেন। প্রথমত, এভাবে অভিযোগ করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলব, অবিলম্বে কৃষ্ণনগরের বিডিওকে বহিষ্কার করতে। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, সাদা কাগজে দরখাস্ত দিলে যদি বিডিও তার তদন্ত করেন এবং এই হিন্দু ভোটারদের ডিস্টার্ব করেন, তাহলে আমরা এই বিডিওকে সাসপেন্ড করার জন্য বলব। কারণ, এই কাজটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কাজ নয়। এটা ইসিআইয়ের কাজ। বিডিও তাঁর লিমিটেশন ক্রস করছেন। এটা হচ্ছে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের নির্দেশে। আমরা কৃষ্ণনগর-২ ব্লকের এই ৯৮ জনকে নিয়ে ধর্নাও দেব, কোর্টেও যাব। এই বিডিওর বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নেওয়ার আমরা নেব। এই ৯৮ জনকে আবেদন করব, রেসপন্স করবেন না। এটা যথার্থ ফর্ম নয়।’’

    পরিকল্পনা করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ সুকান্তর

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, রীতিমতো পরিকল্পনা করে হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নাম ঢোকানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এক্ষেত্রে সুকান্ত মজুমদার ছবি সহ প্রমাণও তুলে ধরেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বড়সড় চক্রান্তের অভিযোগ আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায় উঠে আসে, কৃষ্ণনগরের ঘটনা। পরিকল্পনা করে সীমান্তবর্তী জেলা থেকে হিন্দুদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত। এনিয়ে শাহি দরবারে অভিযোগও জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, বেশ কিছু হিন্দু ভোটারদের কাছে নট ইন্ডিয়ান বলে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে যে দেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণ দিতে হবে তাঁদের। কিন্তু এবার একসঙ্গে একটা বড় অভিযোগ আনলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ করে তুলতে কোনও খামতি রাখছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। একদিকে যেমন হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, তেমনি বাংলাদেশের মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ বানানোর চক্রান্ত

    সুকান্তর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। নিজের পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাকে গ্রেটার বাংলাদেশ বানানোর স্বপ্ন দেখা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের আরও মারাত্মক একটি চক্রান্ত। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী মুসলিমদের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় সংযুক্ত করা হয়েছে।’’ তাঁর দাবি, ‘‘বাংলাদেশের যশোর জেলার চৌগাছা অঞ্চলের বাসিন্দা শহিদুল বিশ্বাস, তার নাম রয়েছে বাগদা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায়।’’ সুকান্তর মতে, ‘‘শুধু একজন শহিদুল নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গে এমন লক্ষ লক্ষ অনুপ্রবেশকারীদের সম্মানের সঙ্গে ভোটার তালিকায় সংযোজিত করেছে তৃণমূল।’’

LinkedIn
Share