Tag: West Bengal

West Bengal

  • International Yoga Day 2024: আজ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, ডাল লেকে যোগাসন করবেন মোদি

    International Yoga Day 2024: আজ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, ডাল লেকে যোগাসন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগব্যায়াম (Yoga) সারা দুনিয়া বিনা ওষুধে মানসিক ও শারীরিক সমস্যা দূর করতে ব্যবহার করে। এর শিকড় হাজার বছর পুরোনো। ভারতে উদ্ভূত যোগ ব্যায়াম একটি শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য-বর্ধক কার্যকলাপ। সারা বিশ্ব ২০২৪ সালে (International Yoga Day 2024) আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দশম বার্ষিকী উদযাপন করতে চলেছে। ফলে এটি একটি বিশেষ উপলক্ষ। এর মূল বিষয় হল যোগব্যায়ামকে একটি আন্দোলন হিসাবে প্রচার করা যা একজনের স্থিতিস্থাপকতাকে উন্নত করে এবং সমাজের প্রতিটি একক ব্যক্তির জন্য মঙ্গল প্রচার করে।

    যোগ দিবসে নরেন্দ্র মোদি থাকবেন জম্মু ও কাশ্মীরে

    ২১জুন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে ডাল লেকের তীরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করবেন। মনোরম বুলেভার্ড রোডের পাশে শের-ই-কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (SKICC) নির্ধারিত ইভেন্টে ৩ থেকে ৪ হাজার জনেরও বেশি লোক উপস্থিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যোগ ২০২৪ (International Yoga Day 2024) এর থিম হল ‘নিজের এবং সমাজের জন্য যোগ’।

    আরও পড়ূন: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের

    যোগব্যায়াম স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে যা আমাদের ব্যস্ত জীবনে ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে। এই বিশেষ দিনে, আমরা এর রূপান্তরকারী শক্তি উদযাপন করি। যোগব্যায়াম শুধু ব্যায়াম নয়।  যোগ মনকে সুস্থ রাখে। এটি শরীর এবং মনের ক্ষমতায়নের পদ্ধতি। আজকের দৈনন্দিন জীবনে প্রত্যেকেরই উচিত অনুশীলনে মধ্যে যোগব্যায়ামকে নিয়ে আসা। প্রথম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ২১ জুন, ২০১৫ সালে পালিত হয়েছিল। এই দিনটি উত্তর গোলার্ধে বছরের দীর্ঘতম দিন এবং এটি আলো এবং স্বাস্থ্যের প্রতীক।

    আয়ুষ মন্ত্রকের উদ্যোগে হবে অনুষ্ঠান 

    প্রতি বছর আয়ুষ মন্ত্রক নয়াদিল্লির রাজপথে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে, প্রধানমন্ত্রী মোদী ছাড়াও বিশ্বব্যাপী লোকেদের (International Yoga Day 2024) যোগব্যায়াম করতে দেখা যায়। সরকারী প্রেস রিলিজ অনুসারে, সারা বিশ্ব থেকে মোট ২৩.৪ কোটি মানুষ ২০২৩ সালে (IDY) ইভেন্টে অংশ নিয়েছিল। যোগ সেশনে ৮৪ টি দেশ এক জায়গায় অংশগ্রহণ করেছিল এবং প্রতি বছর অংশগ্রহণকারীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা দেখা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Day: প্রত্যেক হিন্দুর উচিত ২০ জুন ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন করা! জানুন এই দিনটির ইতিহাস

    West Bengal Day: প্রত্যেক হিন্দুর উচিত ২০ জুন ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন করা! জানুন এই দিনটির ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০ জুন দিনটি “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” বা পশ্চিমবঙ্গ গঠন দিবস হিসাবে পালিত হওয়া উচিৎ। প্রত্যেক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর উচিত ২০ জুন দিনটিকেই “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” হিসেবে পালন করা। কিন্তু তার জন্য জানা দরকার কী তাৎপর্য লুকিয়ে রয়েছে এই দিনটির পিছনে। কেন এই দিনটিকেই এতদিন ধরে “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” হিসেবে পালন করা হত – তা হয়তো রাজ্যে বসবাসকারী অনেকের কাছেই অজানা।  

    ২০ জুন দিনটির ইতিহাস ও গুরুত্ব (History of West Bengal Day) 

    ২০ জুন হচ্ছে বাংলার প্রতিষ্ঠা দিবস। কারণ ১৯৪৭ সালের ২০ জুন, অখণ্ড বাংলা বিধানসভায় বাংলা ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই কারণে এই দিনটি এতদিন ধরে পালিত হত “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” হিসেবে। তবে “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” দিনটি যার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনি হলেন ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। 

    শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান 

    এই পশ্চিমবঙ্গ দিবস (West Bengal Day) পালনের ক্ষেত্রে ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান অনেক। যদিও তা মানতে অস্বীকার করেন কমিউনিস্ট-মনোভাবাপন্ন বুদ্ধিজীবীরা। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, একজন কট্টর জাতীয়তাবাদী, যিনি সবসময় ভারত ভাগের বিরুদ্ধে ছিলেন। বিভিন্ন মুসলিম নির্বাচিত নেতাদের অধীনে বাঙালি হিন্দুদের দুর্দশা দেখে গভীরভাবে ব্যথিত হয়েছিলেন।         

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের

    এরপর ১৯৪৭ সালের ১৫ মার্চ, একটি বক্তৃতায়, ড. মুখোপাধ্যায় বাংলায় হিন্দুদের পায়ের তলার মাটি সুরক্ষিত করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। তখন নির্মল চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ডঃ বিধান চন্দ্র রায়, ডঃ প্রমথ নাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং ক্ষিতীশ চন্দ্র নিওগী সহ নির্ভীক হিন্দু নেতারা বাঙালি হিন্দুদের বেঁচে থাকার একমাত্র উপায় হিসাবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলা ভাগ করার ধারণার সঙ্গে একমত হন। এরপর ভারত ভাগের প্রস্তাব দিয়ে তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, যদি ২৪ শতাংশ মুসলমান ভারতে ৭৬ শতাংশ অমুসলিমদের সঙ্গে থাকতে না পারে তবে ৪৫ শতাংশ অমুসলিম বাংলায় ৫৫ শতাংশ মুসলমানের সাথে কীভাবে থাকতে পারে। তিনি তাঁর বক্তব্যের সাপেক্ষে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং এবং নোয়াখালী গণহত্যার কথাও উল্লেখ করেছিলেন।

     
    সে সময় শ্যামাপ্রসাদের কথা মেনে কিংবদন্তি ঘনশ্যাম দাস বিড়লা সহ প্রায় সমস্ত বাঙালি হিন্দু আইনজীবী সহ হিন্দু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাঁর পাশে দাঁড়ান। এরপর ২০ জুন ১৯৪৭ সালে, বঙ্গীয় আইনসভার বিধায়কেরা ইউনাইটেড বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি ভারতের সাথে থাকবে নাকি পাকিস্তানে যাবে নাকি বিভক্ত হবে তা সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেন। সেসময় নানাবিধ আলোচনার শেষে অখণ্ড বাংলা বিধানসভায় বাংলা ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের (West Bengal Day) সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ভিজল কলকাতা! হালকা বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত, ধারাপাত দক্ষিণের একাধিক জেলায়

    Weather Update: ভিজল কলকাতা! হালকা বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত, ধারাপাত দক্ষিণের একাধিক জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে’ অবশেষে এল বৃষ্টি (Weather Update)। জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকেই গঙ্গা পাড়ে লুকোচুরি খেলছে বৃষ্টি। আসছি…আসছি করেও তার দেখা নেই। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার পর আকাশে কালো মেঘ দেখেও তাই অনেকে বলতে পারছিলেন না বৃষ্টি হবে। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটল। নামল বৃষ্টি (Rain in Kolkata)। ঘড়িতে বেলা ১টা। নামল ঝিরঝিরে বৃষ্টি। রাস্তা-ঘাটে যাঁরা ছিলেন ছাতা না খুলেই ধারা স্নানে স্নিগ্ধ হলেন।

    কবে আসছে বর্ষা

    গত চার থেকে পাঁচ দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছিল। তাপমাত্রার পাশাপাশি অস্বস্তি বাড়াচ্ছিল আপেক্ষিক আর্দ্রতা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানাচ্ছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করতে চলেছে। এই সপ্তাহেই মৌসুমী বায়ু ইসলামপুর থেকে নীচের দিকে নামতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের প্রাক বর্ষার বৃষ্টিপাত শুরু হলেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। তবে সপ্তাহান্তে বদলাতে পারে আবহাওয়া। রয়েছে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।  আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রাও কিছুটা কমবে।

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি

    গরমে কাহিল দক্ষিণবঙ্গবাসী চাতকের মতো অপেক্ষা করে ছিল বৃষ্টির জন্য। গত কয়েক দিন ধরে কলকাতা (Rain in Kolkata) এবং সংলগ্ন এলাকায় আকাশ মেঘলা, তবে বৃষ্টি হচ্ছিল না।  বৃহস্পতিবার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। দমদম, যাদবপুর, বেহালা, ধর্মতলা, নিউ টাউন, শোভাবাজার, শ্যামবাজার, কসবা এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। ভিজেছে একাধিক জেলাও। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, নদিয়া, ঝাড়গ্রামে বৃষ্টির সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়াও। তবে,  বেশির ভাগ জায়গাতেই ঝিরঝিরে বৃষ্টি দেখা গিয়েছে। সেই বৃষ্টি খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ীও হয়নি। আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মেঘ সৃষ্টি হচ্ছে স্থানীয় ভাবে। তার জেরে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    আর পড়ুন: নিট-ইউজি মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন, স্কোর কমতে পারে অনেকের

    উত্তরে দুর্যোগ অব্যাহত

    উত্তরবঙ্গে দুর্যোগ আরও কিছুদিন চলবে, বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস (Weather Update)। সিকিম ও ভুটান পাহাড়ের পাশাপাশি, দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তে সিকিম ও দার্জিলিং-কালিম্পঙে অবিরাম বৃষ্টিতে তিস্তার জল বিপদসীমার উপরেই রয়েছে। দার্জিলিং-কালিম্পং রোডের ওপর দিয়ে বইছে তিস্তা। ফের বন্ধ যান চলাচল। জলে ভাসছে তিস্তাবাজার এলাকা। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের জায়গায় জায়গায় ধস নামায় রাস্তা বন্ধ। গাড়ির লম্বা লাইন, আটকে পড়েছেন পর্যটকরা। এর মধ্যে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন উত্তরবঙ্গবাসী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • TMC Conflict: “ভোটের টাকা আগে ফেরত দাও”, দলীয় নেতাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    TMC Conflict: “ভোটের টাকা আগে ফেরত দাও”, দলীয় নেতাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পর্ব শেষ হয়ে গিয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। সেই ঘটনার রেশ টেনে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে ঘিরে ধরে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন দলেরই লোকজন। শাসক দলের এই কোন্দলের (TMC Conflict) ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোণা দু’নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (TMC Conflict)

    জানা গিয়েছে, ভগবন্তপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়। বৃহস্পতিবার সকালে ওই তৃণমূল নেতাকে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা ভগবন্তপুর এলাকায় প্রকাশ্যে রাস্তায় ঘিরে ধরে বিক্ষোভ (TMC Conflict) দেখাতে শুরু করেন। তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, নির্বাচনের সময় বুথে খরচ করার জন্য দলীয়ভাবে যে টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেই টাকা বুথে পৌঁছায়নি। দলের টাকা কোথায় গেল? তা জানতে চেয়েই ভরা রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী বাচ্চু ঘোষ বলেন, “অনেক আগেই ওই নেতার থেকে টাকা চাওয়া উচিত ছিল। আমরাই ওনাকে ঘিরে ধরে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখিয়েছি।” আর এক তৃণমূল কর্মী বলেন, “টাকা দিয়ে ঘর বানিয়েছ? কোথায় গেল দলের টাকা বলো,সব জানো তুমি। ভোটের টাকা আগে ফেরত দাও।”

    আরও পড়ুন: মালগাড়ির গতিই দায়ী! কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় কোন পথে চলছে রেলের তদন্ত?

    ব্লক সভাপতির মদতেই বিক্ষোভ!

    এই ঘটনায় পাল্টা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বলেন, ব্লক সভাপতি হীরালাল ঘোষের মদতে সবটা ঘটেছে। আমি স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে রাস্তায় ঘিরে ধরে লোকজন। আমি বুঝতে পারলাম বর্তমান সভাপতি বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করছে। প্রতিটি জায়গায় ডামাডোল পাকানোর চেষ্টা করছে।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    পাল্টা তৃণমূলের ব্লক সভাপতি হীরালাল ঘোষ বলেন, “রামকৃষ্ণবাবু দলের কোনও কর্মসূচিতেই নেই। নির্বাচনের সময় বাড়িতে বসে ছিলেন। আর বিধায়ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে তাঁর কাছে টাকা পৌঁছালেও সেই টাকা তিনি সঠিক জায়গায় খরচ করেননি। তাই, কর্মীরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। আর বিক্ষোভে মদত দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 2024 Super Eight: সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা

    T20 2024 Super Eight: সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  গ্রুপ পর্বে শুরুটা ভালো না হলেও সুপার এইটে (T20 2024 Super Eight) ফর্মে ফিরে এল ইংল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আট উইকেটে হারিয়ে দিল ফিল সল্টের বাহিনী। এই ম্যাচের প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। ২০ ওভারে ১৮০ রান করে তাঁরা। অন্যদিকে ১৫ বল বাকি থাকতেই জয় ছিনিয়ে নেয় ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রান পাননি অ্যান্দ্রে রাসেল। ১ রানে আউট হয়ে যান তিনি। অন্যদিকে পঞ্চম ওভারে চোট পেয়ে ব্রান্ডন কিং মাঠ ছাড়েন। তিনি ঝোড়ো ইনিংস খেলছিলেন। ১৩ বলে ২৩ রান করেন কিং। অন্য অপেনার জনসন চার্লস ৩৪ বলে ৩৮ রান যোগ করেন ক্যারিবিয়ান দলের স্কোরে। নিকোলাস পুরান এবং রহমান পাভেল ৩৬ রান করেন। শেষ বেলায় ১৫ বলে ২৮ রান হওয়ায় ১৮০তে পৌঁছে যায় ক্যারিবিয়ান ইনিংসের স্কোর।১৮১ রানের লক্ষ্যে ২২ বলে ২৫ রান করেন জস বাটলার। মইন আলী ১০ বলে ১৩ রান করেন। বাকি কাজটা করে ফেলেন সল্ট এবং জনি বেয়ারস্টো। তাঁরা দুজনে ৯৭ রানের জুটি করেন। সল্ট অপরাজিত থাকেন ৮৭ রানে। অন্যদিকে ২৬ বলে ৪৮ রান করেন বেয়ারস্টো।

    জয়ী হল দক্ষিণ আফ্রিকা 

    প্রসঙ্গত এই গ্রুপের অন্য (T20 2024 Super Eight) ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা হারিয়ে দিয়েছে আমেরিকাকে। যদিও ম্যাচে যথেষ্ট চেষ্টা করেছিল আমেরিকা। এই ম্যাচে ফর্মে ফিরেছেন ওপেনার কুইন্টন ডিকক। ওপর ওপেনার রিসা হেন্ড্রিক্স রান না পেলেও অধিনায়ক অ্যান্দ্রেস গৌসের সঙ্গে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন কুইন্টন ডি কক। অর্ধশতরান করেন ফলে দুই ব্যাটসম্যান। দুজনে ১১০ রানের ভাল জুটি তৈরি করেন। মাঝের ওভারে রানের গতি কমে যাওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ২০০ পার করেনি। শেষ অবধি চার উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানের থেমে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর।

    লড়েও ব্যর্থ আমেরিকা 

    সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৭৬ রানেই দলের অর্ধেক খেলোয়াড় ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। অধিনায়ক অ্যারন জোন্স শূন্য রানে আউট হয়েছেন। ক্যারি অ্যান্ডারসন করেন ১২ রান। তবে গৌস অর্ধশত রান করে লড়াই জারি রাখেন। তার সঙ্গী হরমিতের সঙ্গে দুজনের ৯১ রানের জুটি হয়।

    আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের বিপক্ষে স্পিন ভরসা ভারতের, দলে কুলদীপকে রাখার পরামর্শ

    জয়ের জন্য শেষ ওভারে ২৬ রান দরকার ছিল আমেরিকার। সর্বসাকুল্যে শেষ ওভারে সাত রান করতে পারে আমেরিকা। ফলে ১৮ রানে দক্ষিণ আফ্রিকা (T20 2024 Super Eight) জয় পকেটে পুড়ে নেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET Paper Leak: ৩০-৩২ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয় প্রশ্ন, জেরায় স্বীকার ‘মাস্টার মাইন্ড’ অমিতের

    NEET Paper Leak: ৩০-৩২ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয় প্রশ্ন, জেরায় স্বীকার ‘মাস্টার মাইন্ড’ অমিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ থেকে ৩২ লাখ টাকার বিনিময়ে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি হয়েছে। নিট প্রশ্ন ফাঁসের (NEET Paper Leak) ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড অমিত আনন্দকে জেরা করে এই তথ্য পেয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর পরীক্ষার একদিন আগেই লিক হয়ে গিয়েছিল প্রশ্নপত্র। অমিত আনন্দই প্রশ্নপত্র বিক্রির মাস্টারমাইন্ড। পুলিশের জেরায় সে আরও জানিয়েছে একদিন আগে প্রশ্ন ফাঁসের উদ্দেশ্য ছিল যাতে ছাত্ররা প্রশ্নপত্র মুখস্ত করে নিতে পারে।

    নিটের প্রশ্নপত্রের মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা (NEET Paper Leak)

    প্রশ্নপত্রের বিনিময়ে ছাত্রদের লক্ষাধিক টাকা নেওয়া হত। বর্তমানে নিট কাণ্ডের জেরে দেশ জুড়ে চলছে প্রতিবাদ আন্দোলন। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। দাবি উঠছে যাতে ২০২৪-এর নিট পরীক্ষা নতুন করে নেওয়া হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস (NEET Paper Leak) কাণ্ডে ১৩ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন দানাপুর পৌরসভার জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সিকন্দরও। আরও জানা গিয়েছে, শুধু প্রশ্নপত্রই নয় প্রশ্নপত্রের সঙ্গে উত্তরও ছাত্রদের পরীক্ষার আগের দিনই পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। জেরায় অমিত স্বীকার করেন, নিট পরীক্ষার আগের দিন প্রশ্ন ফাঁস হয়। প্রশ্নপত্র ও মডেল উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বলা হয়, রাতে পুরো উত্তরপত্র স্মরণ করে নিতে। ৩০ থেকে ৩২ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি হয়েছে। 

    সিকন্দর ও অমিতের যোগসূত্রে ফাঁস প্রশ্নপত্র  

    পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের ফ্ল্যাট থেকে নিটের প্রশ্নপত্র এবং উত্তরপত্র পুড়িয়ে ফেলা অংশ উদ্ধার হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিহারের রাজধানী পাটনার শাস্ত্রীনগর থানায় নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস (NEET Paper Leak) সংক্রান্ত মামলার রুজু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত বিহারের মুঙ্গের জেলার বাসিন্দা। তবে পাটনার এইজি কলোনিতে ভাড়া থাকত। সে কীভাবে ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করে অর্থসংগ্রহ করত সে বিষয়েও বিস্তারিত জানিয়েছে পুলিশের জেরায়। অমিত দানাপুর পুরসভার জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সিকন্দারের সঙ্গে পরীক্ষার কয়েক দিন আগে ব্যক্তিগত কাজে দেখা করতে যায়। সুযোগ বুঝে সিকন্দরকে টোপ দেয় সে। বলে যে কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সে পরীক্ষার্থীদের পাইয়ে দিতে পারে।

    আরও পড়ূন: নিট-ইউজি মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন, স্কোর কমতে পারে অনেকের

    সিকন্দর জানায়, তাঁর কাছে চার-পাঁচ জন ছাত্র রয়েছে। যারা নিটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাঁদেরকে পাশ করিয়ে দিতে হবে। টাকা নিয়ে সমস্যা হবে না। তবে কমিশন ঠিক টাইম মত দিতে হবে। এরপরে সিকন্দার তাঁকে চারজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। পরীক্ষার আগের দিন পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের প্রশ্নপত্র (NEET Paper Leak) দিয়ে দেওয়া হয়। বিনিময়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৩২ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। এর পর অমিত সিকন্দরকে তাঁর কমিশন বুঝিয়ে দেয়।

     

  • Arambagh: টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতি! আরামবাগে তৃণমূলের প্রধান-উপ প্রধান দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অস্বস্তিতে শাসকদল

    Arambagh: টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতি! আরামবাগে তৃণমূলের প্রধান-উপ প্রধান দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অস্বস্তিতে শাসকদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট মিটলেও কিছুতেই কমছে না তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার পঞ্চায়েতের টেন্ডার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রধান ও উপপ্রধানের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে হুগলির আরামবাগের (Arambagh) খানাকুলে। একে অপরের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন খানাকুলের পোল-১ নং পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)

    পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরেই তুমুল বচসায় জড়িয়ে পড়েন দুজনে। খবর পেয়ে জমায়েত হন তৃণমূল প্রধানের অনুগামীরা। ঘটনাস্থলে যায় খানাকুল (Arambagh) থানার পুলিশ বাহিনীও। পুলিশের সামনেও চলে বচসা। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর খানাকুলের পোল ১ নং পঞ্চায়েতের প্রধান সাবিনা খাতুন বনাম উপপ্রধান সেখ সাবির আলির দ্বন্দ্ব শুরু হয়। বুধবার সেই দ্বন্দ্বের রেষ গিয়ে পড়ে পঞ্চায়েত অফিসে। ঘটনার সূত্রপাত পঞ্চায়েতের টেন্ডার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে। প্রধানের অভিযোগ, উপপ্রধান সেখ সাবির আলি তার কাছের কয়েকজনকে বেআইনিভাবে পঞ্চায়েতের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করে। তা হতে না দেওয়ায়, উপপ্রধান ও আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর রুমে ঢুকে প্রথমে হুমকি দেয়। পরে, তাঁকে চেয়ার থেকে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করার পাশাপাশি পাল্টা উপপ্রধানের অভিযোগ, প্রধান সাবিনা খাতুন ও তাঁর স্বামী দুজনে মিলে পঞ্চায়েতে দুর্নীতি করছে। এমনকী পঞ্চায়েতে টেন্ডারের শেষ দিন হলেও প্রধান নিজের ঠিকাদারকে টেন্ডার পাইয়ে দিতে অন্যদের টেন্ডার কপি জমা নেয়নি। আমি তার প্রতিবাদ করেছি। আর কিছু ঘটেনি।

    আরও পড়ুন: মালগাড়ির গতিই দায়ী! কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় কোন পথে চলছে রেলের তদন্ত?

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জমায়েত হন প্রধান অনুগামী তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মীরা। শুরু হয় ক্ষোভ বিক্ষোভ। উপপ্রধানকে তাঁর অফিসের ভিতরে বিক্ষোভ দেখান। যদিও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খানাকুল থানার পুলিশ বাহিনী । তারাই গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এলাকা থেকে হঠিয়ে দেয় তৃণমূল কর্মীদের। তবে, তৃণমূলের প্রধান ও উপপ্রধানের প্রকাশ্যে এহেন দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসক দল। খানাকুল ১ নং ব্লক তৃণমূল সভাপতি দীপেন মাইতি বলেন, দলে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব বরদাস্ত নয়। যদি কেউ কোনও দোষ করে তা খতিয়ে দেখে উর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ভূপতিনগরে বিজেপি কর্মীকে বাড়িতে না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Post Poll Violence: ভূপতিনগরে বিজেপি কর্মীকে বাড়িতে না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীকে না পেয়ে তাঁর পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম গৌরহরি মাইতি। তাঁর বাড়ি ভূপতিনগর থানার অর্জুননগর অঞ্চলের ১৯৮ নম্বর বুথ ধাঁইপুকুরিয়া গ্রামের। তাঁর ছেলে শশাঙ্ক মাইতি স্থানীয় বিজেপি নেতা। ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence) এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Post Poll Violence)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  বিজেপি কর্মী শশাঙ্কের বাড়িতে হামলা (Post Poll Violence) করে তৃণমূল। ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল বোমা, বন্দুক নিয়ে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালায়। কিন্তু, বাড়িতে শশাঙ্ককে না-পেয়ে তাঁর বাবা-মা এবং স্ত্রীকে মারধর করে। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে বেরিয়ে আসায় দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, গুরতর আহত অবস্থায় বিজেপি নেতার বাবাকে নিয়ে যাওয়া হয় মুগবেড়িয়া হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শশাঙ্কের স্ত্রী খুকুমণি মাইতি অভিযোগ করেন, ” আমাদের বাড়িতে তৃণমূলের বিরাট দলবল হামলা চালায়। আমরা বিজেপি করি বলে টার্গেট করেছিল। আগেও বেশ কয়েকবার ওরা হামলা চালিয়েছে। প্রায়ই শাসানি দিত ওরা। রাতে হামলাকারীরা বোমা ও বন্দুক নিয়ে এসেছিল। আমাদের মারধর করছিল দেখে শ্বশুর ছুটে এসেছিলেন। তিনিও হামলার শিকার হলেন।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি (BJP) নেতার বাবার মৃত্যুর ঘটনায় ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “এ বারের নির্বাচনে কাঁথি লোকসভায় তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। সেই রাগেই ওরা দল বেঁধে এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। বিজেপি কর্মীদের ওপর সন্ত্রাস কায়েম করার চেষ্টা চালাচ্ছে।” যদিও গোটা ঘটনা সাজানো বলে দাবি করেছেন অর্জুননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান উত্তমকুমার মাইতি। তিনি বলেন, “গতকাল এমন কোনও হামলার খবর জানা ছিল না। বিজেপি নেতার বাবা রাতে খাওয়া-দাওয়া করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Last Metro: আর ছাড়বে না রাত ১১টায় মেট্রো, কী এমন হল?

    Last Metro: আর ছাড়বে না রাত ১১টায় মেট্রো, কী এমন হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের সুবিধার্থে বেশ কয়েকদিন ধরে রাত ১১:০০ টা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু রেখেছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগামী সোমবার থেকে আর রাত এগারোটা পর্যন্ত (Last Metro) মেট্রো পাওয়া যাবে না। ২৪ শে জুন থেকে রাত ১১:০০ টার বদলে (Metro Time Change) ১০:৪০-এ ছাড়বে শেষ মেট্রো। ফলে রাতের দিকে যাতায়াতে মেট্রোর সুবিধা থেকে বঞ্চির হতে পারেন বেশ যাত্রীরা।  

    যাত্রী কম, খরচ প্রচুর 

    সূত্রের খবর দমদম এবং কবি সুভাষ এর মধ্যে রাত ১১:০০ টার (Last Metro) ট্রেনে যাতায়াতকারী যাত্রী সংখ্যা মাত্র ৩০০র কাছাকাছি ছিল। এদিকে ট্রেন চালানোর খরচ হিসেবে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য খরচ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। আবার অনেক স্টেশনের কাউন্টার খোলা রেখে হাতেগোনা কয়টি টোকেন বিক্রি হচ্ছে। রাতে যারা যাতায়াত করছেন তাঁরা বেশিরভাগ মেট্রো কার্ড ব্যবহার করছেন। টোকেন বিক্রির হার যথেষ্ট কম। ফলে কাউন্টারে খোলা রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাতেরপরিষেবায় কোনও স্টেশনে টোকেন, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি বিক্রির জন্য অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে না। যাত্রীরা ইউপিআই পেমেন্ট মোড ব্যবহার করে সমস্ত স্টেশনে বসানো মেশিন থেকে টোকেন নিতে পারবেন। আর যাদের কাছে মেট্রোর কার্ড আছে তাঁরাও ব্যবহার করতে পারবেন।

    ১১:০০টার বদল ১০:৪০ এ শেষ মেট্রো (Last Metro)

    মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের মতে রাত ১১:০০টা পর্যন্ত মেট্রো চালিয়ে যত যাত্রী আশা করা হচ্ছিল, আসলে তত যাত্রীর মেট্রোতে উঠছেন না। ফাঁকা মেট্রো চালাতে হচ্ছে। ফলে ক্ষতি হচ্ছে মেট্রো কর্তৃপক্ষের। রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, “রাতে মেট্রো চললে প্রচুর মানুষ উপকৃত হবেন এবং তাঁদের চাহিদা পূরণ করা হবে এটা ভাবা হয়েছিল। এই কারণেই রাতের পরিষেবা শুরু করা হয়েছিল। তবে দেখা যাচ্ছে রাতের এই পরীক্ষামূলক (Last Metro) পরিষেবায় মেট্রোয় বেশি যাত্রী হচ্ছে না। অন্যদিকে এই পরিষেবা চালু রাখার জন্য মেট্রোর প্রচুর খরচ হচ্ছে। তাই সোমবার থেকে রাতের মেট্রোর সময় কমিয়ে আনা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ূন: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    প্রসঙ্গত ২৪ জুন থেকে মেট্রো পরীক্ষামূলক এই পরিষেবা কবি সুভাষ থেকে এবং দমদম স্টেশন থেকে ১০:৪০ শেষ (Last Metro) মেট্রো ছাড়বে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এই পরিষেবা পাওয়া যাবে এবং সমস্ত স্টেশনে মেট্রো ট্রেন থামবে। শহর কলকাতায় যাত্রার ক্ষেত্রে যাত্রীরা মেট্রো খুবই স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিষেবা মেলে খুব অল্প দামে। অবশ্য করোনা অতিমারির আগে শেষ মেট্রো ছাড়ত রাত ০৯:৫৫ মিনিটে।

     

     

     

  • Calcutta High Court: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর দেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। ঠিক এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ইতিমধ্যেই থানা ও জেলের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টও চেয়েছেন বিচারপতি। বিজেপি জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশের ওপর তাদের ভরসা নেই। সিবিআই তদন্তে করলে ন্যায় বিচার পাবে পরিবার।

    কী বললেন বিচারপতি? (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা বিজেপি কর্মীর মৃত্যু মামলায় নির্দেশে বলেছেন, “মৃতের স্ত্রী এবং তাঁর কোনও প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এসএসকেএমে দেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া হবে। গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফিও করতে হবে। ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দিতে হবে পরিবারের হাতে।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল? (Calcutta High Court)

    গত ৪ জুন মেদিনীপুরের ডেবরার ভরতপুর অঞ্চলে পুরুষোত্তম নগরে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কিছু লোকজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ৪২ বছরের বিজেপি কর্মী সঞ্জয়। কিন্তু জেলে মাথা ফেটে যায় তাঁর। এরপর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখান থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিজেপি কর্মীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। কিন্তু জেলে কীভাবে মাথা ফাটল এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিবারের তরফে মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে হাইকোর্টে মামলা (Calcutta High Court) করলে বিচারপতি এই নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপির দলবিরোধী কাজের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হল অভিজিৎ দাস ববিকে

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    মৃত বিজেপি কর্মী সঞ্জয়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর খুব কাছের মানুষ ছিলেন। তৃণমূলের নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। সঞ্জয়ের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে সামজিক মাধ্যমে শুভেন্দু লিখেছেন, “মমতার পুলিশের বর্বরতায় হেফাজতে থাকাকালীন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সিবিআই তদন্ত বা বিচার বিভাগীয় (Calcutta High Court) তদন্তের দাবি জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share