Tag: West Bengal

West Bengal

  • BJP Suspends Abhijit Das: দলবিরোধী কাজের জন্য অভিজিৎ দাস ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করল বিজেপি

    BJP Suspends Abhijit Das: দলবিরোধী কাজের জন্য অভিজিৎ দাস ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কাজের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হল অভিজিৎ দাস ববিকে (Abhijit Das Suspend)। এই বারের লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছিল তাঁকে। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ভূমিপুত্রকে দাঁড় করিয়ে চমক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে তাঁকে সাময়িক সাসপেন্ড করা হয়েছে। যদিও ববির বক্তব্য, তিনি কোনও চিঠি পাননি।

    কেন বরখাস্ত (Abhijit Das Suspend)?

    মঙ্গলবার বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করতে গিয়েছিল ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই এই কেন্দ্রের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাস চালিয়েছে। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, মারধরের একাধিক অভিযোগের ঘটনা সমানে উঠে এসেছে। এমনকী, বেশ কিছু গ্রামের মানুষ বিজেপি করায় আক্রমণ করে বহু পরিবারের মানুষকে ঘরছাড়া করা হয়েছে। তৃণমূলের অত্যাচারে গ্রামগুলি জনশূন্য হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই এলাকা পরিদর্শন করতে আসা কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যদের গাড়ি আটকে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপিরই একাংশ। এই বিশৃঙ্খলার সময় ববি (Abhijit Das Suspend) উপস্থিত থাকলেও কার্যত নিস্ক্রিয় ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যেখানে ভোট-পরবর্তী হিংসার তথ্য সংগ্রহ করতে এসেছেন, তাঁদের সমানে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল? এটাই দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে প্রশ্ন। তাই আগামী সাত দিনের জন্য তাঁকে দলের তরফ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    আক্রান্ত কর্মীদের নিয়ে বৈঠক ছিল

    আমতলার পার্টি অফিসে গতকাল মঙ্গলবার বিজেপির বৈঠক ছিল। তবে এই বৈঠকে ববি (Abhijit Das Suspend) এবং তাঁর অনুগামীরা অনুপস্থিত ছিলেন। এখানে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবার কথা ছিল বিজেপির তথ্যানুসন্ধানকারী দলের। তবে এই বৈঠকে হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু সবটাই ববি পরিকল্পনা করে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দলের শৃঙ্খলা কমিটি থেকে বলা হয়, আগামী সাত দিনের মধ্যে নিজের বক্তব্য লিখিত আকারে জানাতে হবে ববিকে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

    আরও পড়ুনঃ জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    কী বললেন ববি?

    তবে ববির (Abhijit Das Suspend) সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি এখনও কোনও এমন নির্দেশ পাইনি। ইমেইল বা ফোনে কোনও বার্তা পাইনি। পার্টির গোপনীয় চিঠি সংবাদ মাধ্যমের হাতে দিয়ে দলকে বদনাম করছে কিছু মানুষ। দলে থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যের হাত শক্ত করছেন অনেকে। আমি এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। বুধবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে পৌঁছন অভিনেত্রী। যদিও ঋতুপর্ণা সিজিওতে (CGO Complex) পৌঁছনোর আগেই সেখানে পৌঁছন তাঁর হিসাবরক্ষক। ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু হিসাব সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে দফতরে পৌঁছছেন তিনি। এদিকে, এদিন অভিনেত্রীর সঙ্গে রয়েছেন তাঁর আইনজীবীরাও। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ যেখানে করা হবে সেখানে আপাতত আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলেই ইডি সূত্রে খবর।  

    কী কারণে তলব অভিনেত্রীকে? (Rituparna Sengupta)

    রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে সবিস্তারে কিছু জানায়নি ইডি। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি।

    এ প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণার (Rituparna Sengupta) হিসাবরক্ষক জানিয়েছিলেন, অভিনেত্রীর কাছে যে সমস্ত হিসাব চেয়েছিল ইডি, তা তিনি, অর্থাৎ হিসাবরক্ষকই দেখাশোনা করেন। তাই হিসাব বুঝিয়ে দিতে সুবিধা হবে বলে তিনি এসেছেন। অভিনেত্রীও পরে সিজিওতে (CGO Complex) আসবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন হিসাবরক্ষক। সেই মতো কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিনেত্রী এসে পৌঁছন সিজিওতে।

    আরও পড়ুন: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলাতেও তলব করেছিল ইডি

    গত ৫ জুন সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে অভিনেত্রীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, অভিনেত্রী (Rituparna Sengupta) সেই সময়ে বিদেশে ছিলেন। তাই মেল পাঠিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে এখন সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) যাওয়া সম্ভব নয়। দেশে ফিরে এলে যোগাযোগ করার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। সেই মতো এবার হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী। তবে উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির আগে ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময়ও ইডি-র দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalki 2898 AD: কল্কি কে? ট্রেলারের ধোঁয়াশা কাটিয়ে জানতে হলে যেতে হবে হলে

    Kalki 2898 AD: কল্কি কে? ট্রেলারের ধোঁয়াশা কাটিয়ে জানতে হলে যেতে হবে হলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিলিজের আগেই অস্ট্রেলিয়ায় ‘কল্কি’র (Kalki 2898 AD) ধামাকা। প্রথম দিনেই পাঁচ হাজারের বেশি টিকিট বিক্রি হল। এই সিনেমায় প্রভাস, অমিতাভ বচ্চন এবং দীপিকা পাড়ুকোন মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমায়। ভারতেও রিলিজের অপেক্ষায় এই সিনেমা। কিছুদিন আগেই সিনেমার ট্রেলার রিলিজ হয়েছিল। ট্রেলারের ইউটিউবে প্রায় সাড়ে তিন কোটি ভিউ হয়েছে মাত্র আট দিনে।

    কল্কি কে? সাসপেন্স অব্যাহত (Kalki 2898 AD)

    প্রভাস এবং দীপিকা ছাড়াও কামাল হাসন, দিশা পাটানি এই সিনেমায় অভিনয় করছেন। মাল্টিস্টারার এই সিনেমা ২৭ জুন দেশব্যাপী রিলিজ হবে। তার আগে অস্ট্রেলিয়ায় দর্শকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এই সিনেমা নিয়ে। শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়া হিন্দি ও তেলুগু ছাড়া চারটি ভাষায় রিলিজ হবে (Kalki 2898 AD) এই সিনেমা। ইতিমধ্যেই সিনেমার ভৈরব এনথম গান রিলিজ হয়েছে। সিনেমার ট্রেলার দেখে অবশ্য কনফিউজ হয়েছেন দর্শকরা। অনেকেই সিনেমার গল্প ডিকোড করতে চাইছেন। এমতাবস্থায় প্রভাস, বিজয় দেবেকোন্ডা এবং নানির ক্যারেক্টার নিয়ে সাসপেন্স এখনও বজায় রয়েছে। প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন প্রভাস কাল্কির চরিত্রে অভিনয় করবেন কিন্তু ট্রেলার দেখে যা মনে হচ্ছে তাতে দীপিকা পাড়ুকোনের গর্ভে যে সন্তান রয়েছে সেই হবে ভবিষ্যতের ‘কল্কি’। হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন পুরাণ এবং ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী ‘কল্কি’ অবতার বিষ্ণুর শেষ অবতার এবং তিনিই কলিযুগের শেষ করবেন। যেহেতু সিনেমার চরিত্রগুলি মহাভারতের অনুসারে বেশ কয়েকটি চরিত্রের সঙ্গে মহাভারতের মিল থাকার কথা। কিছুদিন আগে আবার গুজব রটেছিল কামাল হাসান কংসের চরিত্র অভিনয় করছেন।

    সিনেমা তৈরিতে ৬০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে

    এই সিনেমা বৈজয়ন্তী মুভিস প্রযোজনা করেছে। (Kalki 2898 AD) সিনেমা তৈরিতে কমপক্ষে ৬০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দর্শকদের এই সিনেমা থেকে অনেক আশা রয়েছে। বিশেষ করে প্রভাসের শেষ কয়েকটি হিন্দি সিনেমা থেকে দর্শকদের যতটা অপেক্ষা ছিল ততটা আশাপ্রদ হয়নি। এই সিনেমায় প্রভাস, দীপিকা, কামাল হাসান, দিশা পাটানি, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, ম্রুণাল ঠাকুর, রাজেন্দ্র প্রসাদ, পশুপতি ও শোভনা অভিনয় করছেন। এ সিনেমা ২ডি, ২ডি এক্স এবং আইম্যাক্সে রিলিজ করবে ২৭ জুন।

  • Calcutta High Court: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গায়ের জোরে ক্ষমতাকে অপব্যবহার করে জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। এবার ২০ দিনের মধ্যে ভাঙতে হবে সেই অফিস। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। একই ভাবে ঠিক কোন নেতার নির্দেশে এই জমি দখল করা হয়েছিল, তাঁর নামও জানাতে বলেছেন তৃণমূলের আইনজীবীকে। এই নির্দেশ ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    অভিযোগকারিণীর বক্তব্য (Calcutta High Court)

    নদিয়ার পলাশিপাড়া থানার বাসিন্দা অনুশ্রী ঘোষ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, “দোকান করার জন্য পলাশিপাড়া বাজারে জমিটি কিনেছিলাম আমি। সেই জমি দখল করে কার্যত পাকা পোক্ত করে একটি তৃণমূলের পার্টি অফিস বানিয়ে ফেলা হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা এই কাজ করেছে। জমি ফেরত চেয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে গেলে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। এরপর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করি আমি। কিন্তু পুলিশ জমি উদ্ধার করা বিষয়ে কোনও রকম পদক্ষেপ করেনি। অবশেষে বেগতিক বুঝে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করতে বাধ্য হই।”

    হিলি-তুরা করিডোরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    আইনজীবীর বক্তব্য

    আদলাতে অনুশ্রীদেবীর আইনজীবী বলেন, “ক্ষমতায় থাকার সুবিধার অপব্যবহার করে কার্যত নিজেদের গায়ের জোরে জমি দখল করেছে তৃণমূলের নেতারা। জমির কোনও বৈধ কাগজ নেই এই তৃণমূলের নেতাদের কাছে।” আদলাতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানতে চান, কার নির্দেশে এই জমি দখল করা হয়েছে। উত্তরে তৃণমূলের আইনজীবী বলেন, “জমি ফাঁকা ছিল তাই, পার্টি অফিস বানানো হয়েছে।” এরপর ব্লক ভূমি এবং ভূমি রাজস্ব আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেন বিচারপতি। আগামী ২০ দিনের মধ্যে ওই জমির মালিককে জমি বুঝিয়ে দিতে হবে। তবে পরবর্তী শুনানিতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম কোর্টে জানাতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। ঘটনায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে তৃণমূল ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের ছেলে মন্ত্রী হতেই আশায় বুকবাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) কেন্দ্রের জোড়া মন্ত্রক পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বিজেপির এই রাজ্য সভাপতিকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা একটি প্রান্তিক জেলা। এই জেলাতে তেমন নেই কোনও শিক্ষা ব্যবস্থা, তেমন নেই কোনও চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই জেলার মানুষ সবদিক থেকে বঞ্চিত বলে দাবি করে থাকেন। জেলাতে থমকে রয়েছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের কাজ। জেলাতে নেই কোনও স্থায়ী বিশ্ববিদ্যালয়। জেলার সদর শহর বালুরঘাটে তৈরী হয়েছে বিমান বন্দর কিন্তু সেখানে চলাচল করেনা বিমান। জেলাবাসী আশা করছেন, সুকান্ত সমস্ত থমকে যাওয়া কাজগুলি চালু করবেন। এই আশাতে বুক বাঁধছেন বালুরঘাট সহ জেলাবাসী।

    জেলায় শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন করবেন (Sukanta Majumdar)

    প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবারে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয় বারের বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ হলেন। প্রথমবার সাংসদ হয়ে তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হন আর এবারে সাংসদ হয়ে তিনি জেলাবাসীকে চমক দিয়ে দিলেন। ঘরের ছেলে হলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ঘরেই উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামো নেই। সম্প্রতি একটি বিশ্ববিদ্যালয় পেলেও তার হাল বেহাল। স্থায়ী ভবন নেই। নেই স্থায়ী পরিকাঠামো, অধ্যাপক সহ অনেক কিছুই। এমন পরিকাঠামোহীন শিক্ষা ব্যবস্থার জেলা থেকে তিনি এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ফলে আশায় বুক বাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্তের হাত ধরে কি জেলার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি হবে? এমন চর্চা শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে।

    হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোর

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর ২০২১ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলেও, এখনও তৈরি হয়নি স্থায়ী ভবন। বালুরঘাট তথা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনা করা হোক। আবার হিলি থেকে মেঘালয় বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে মাত্র একশো কিলোমিটার একটা করিডর হলে একেবারে আমুল বদলে দিতে পারে পূর্ব ভারতের সাথে পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা৷ প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা কমে যাবে। সেই কারণেই জেলাবাসী হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোরের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। নানা আন্দোলন করেও এতদিনে এই করিডোর বাস্তবায়নের পথ মিলছিল না। তবে এবারে ঘরের ছেলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হতেই জেলাবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান জেলার মানুষ। এই বিষয়ে বালুরঘাটবাসী তুহিনশুভ্র মন্ডল বলেছেন, “আমাদের ঘরের ছেলে সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) মন্ত্রী হয়েছেন। তাও আবার দুটি মন্ত্রকের। আমরা তাঁর কাছে আশা রাখছি আমাদের জেলার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি এবং কর্মসংস্থানের প্রগতি হোক। হিলি-তুরা করিডর দ্রুত এইবার বাস্তবায়ন হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “হিলি-তুরা করিডোর নিয়ে আগেই নানা চিঠি মন্ত্রকে দিয়েছিলাম। করিডরটি চালু হলে শুধু জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গে নয় সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের উন্নতি ঘটবে। তাই এই করিডোর বাস্তবায়ন করতে যা যা পদক্ষেপ করতে হবে, করব। এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কেন্দ্র সরকার কী কী করতে পারে, এ বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে চাই। রাজ্য সরকার যদি সহযোগিতা করে, তাহলে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ অর্থ সহায়তা দিতে কোনও অসুবিধা হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UEFA Euro 2024: সহজ সুযোগ নষ্ট করে কোনও রকমে জিতল পর্তুগাল

    UEFA Euro 2024: সহজ সুযোগ নষ্ট করে কোনও রকমে জিতল পর্তুগাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও রকমে জিতল পর্তুগাল (Portugal)। একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করলেন রোনাল্ডো (CR7)। ইউরোয় (UEFA Euro 2024) চেকিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে জিতল পর্তুগাল। পর্তুগালের পারফরম্যান্স ভাল ছিল না শেষ বিশ্বকাপে। পর্তুগালের জার্সিতে ইউরোতে ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো ভেলকি দেখাতে পারলেন কই। প্রথমার্ধেই নিশ্চিত দুটি সুযোগ মিস করেন রোনাল্ডো। একবার গোলরক্ষককে একা পেয়েও জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন পর্তুগালের এই তারকা। পর্তুগালের বহু নিশ্চিত গোল বাঁচালেন চেকিয়া গোলরক্ষক স্টানেক। দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে যায় চেকিয়া। পরে তাঁদের আত্মঘাতী গোলের সমতা ফিরে পায় পর্তুগাল। একেবারে শেষ বেলায় কনসেসার গোলে কোনমতে মানরক্ষা করে পর্তুগাল।

    প্রথমার্ধে গোলশূন্য দুইপক্ষ (UEFA Euro 2024)

    ৮ মিনিটের মাথায় (UEFA Euro 2024) প্রথম গোল করার সুযোগ পান রোনাল্ডো। বক্সে ভেসে আসা বলে মাথা ছোঁয়ান তিনি। কিন্তু বল জালে জড়াতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ানো। খুবই ছটফট করে ওঠেন ৩৯ বছরের এই ফুটবলার। বোঝা যাচ্ছিল দেশের জার্সিতে গোল করতে কতটা মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন তিনি। মাঝেমধ্যে দূর থেকেও শট নেওয়ার চেষ্টা করেন পর্তুগালের এই স্ট্রাইকার। ২৫ মিনিটে ফের্নান্দেস শর্ট একটুর জন্য বারপোস্টের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর ফের ৩২ মিনিটে সহজতম সুযোগ পেয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো। বক্সের মধ্যেই রোনাল্ডোকে বল এগিয়ে দেন ফের্নান্দেস। গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। তার বাঁ পায়ের শট বাঁচিয়ে দেন স্টানেক। বিরতির ঠিক আগেই একবার গোল লক্ষ্য করে ফের শট মারেন তিনি। এবারও দুর্ভেদ্য প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন চেকিয়ার গোলরক্ষক। বিরতিতে গোলশূন্য অবস্থাতেই ফিরে যায় দুই দল।

    পর্তুগালকে আটকাতে ব্যর্থ চকিয়া

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে পর্তুগিজ আক্রমণের সেই একই ছবি দেখা যায়। চেকিয়ার ডিফেন্স ভেঙে (UEFA Euro 2024)  গোলের দিকে এগিয়ে যায় একের পর এক পর্তুগিজ আক্রমণ। কিন্তু গোলের মুখ খুলতে পারছিল না পর্তুগাল। এর জন্য লিয়াওকে অনেকে দায়ী করেন। বেশিক্ষণ পায়ে বল রাখার খেসারত দিতে হয় পর্তুগালকে। একা খেলার চেষ্টায় সমস্যায় পড়ে যায় পর্তুগাল। ঠিক সময়ে রোনাল্ডোকে বল দিলে হয়ত ফলাফলটা অন্য হতে পারত। ৬২ মিনিটের মাথায় খেলার গতির বিপরীতে এগিয়ে যায় চেক রিপাবলিক বক্সের বাইরে ডান পায়ের বাঁক খাওয়ানোর সঠিক দিয়েগো কোস্টাকেকে পরাস্ত করে গোল করেন লুকাস। গ্যালারিতে বসে থাকা পর্তুগিজ সমর্থকরা হতাশ হয়ে পড়েন। হতাশ দেখায় রোনাল্ডোকেও (CR7)। বাধ্য হয়ে লাওকে তুলে মেন্ডেসকে নামান পর্তুগালের কোচ। ফল মেলে হাতেনাতে। ৬৯ মিনিটের মাথায় বক্সে ভেসে আসা বলে হেড করেন মেন্ডেস। কিন্তু গোল কোনরকম ঠেকিয়ে দেব চেকিয়া গোলকিপার। কিন্তু ফিরতি বলে ডিফেন্ডার রানাচের পায়ের লেগে গোল পোস্টে ঢুকে যায় বল। আত্মঘাতী গোলে সমতা ফেরায় পর্তুগাল।

    আরও পড়ুন: অভাবনীয় অঘটন! স্লোভাকিয়ার কাছে ০-১ ব্যবধানে হার বেলজিয়ামের

    এরপরই আগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় পর্তুগাল। ৭১ মিনিটে বক্সে ঢুকে বা পায়ে জোরালো শর্ট মারেন সিলভা। কিন্তু বাঁচিয়ে দেন স্টানেক। কিন্তু ক্রস আটকাতে ভুল করেন ডিফেন্ডার। সেই বল ধরে গোল করেন পরিবর্তন হিসেবে নামা ফ্রান্সিসকো কনসেসা। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি চেকিয়া। হেরে (UEFA Euro 2024) মাঠ ছাড়তে হয় তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Arambagh: বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগ (Arambagh) লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। আর তারপর থেকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। বহু কর্মী ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ করেছেন। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনই অভিযোগে সরব বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে, হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। আরামবাগের সালোপুর-২ পঞ্চায়েতের ডোঙ্গল এলাকায় ফের এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মেরেছে তৃণমূল।

     ঠিক কী  ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    আরামবাগের ডোঙ্গলে মাঠে কাজ করার সময় একা পেয়ে এক বিজেপি কর্মীকে লাঠি ও বাঁশপেটার অভিযোগ উঠল স্থানীয় পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান এবং তাঁর এক সঙ্গীর বিরুদ্ধে। প্রহৃত শঙ্কর রায় নামে বিজেপি কর্মীকে গুরুতর জখম অবস্থায় আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত রায় আরামবাগ থানায় উপপ্রধান উত্তম বেরা এবং তাঁর সঙ্গী প্রসেনজিৎ আদকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির পাশে খেতে বাদাম তোলার কাজ করছিলেন শঙ্কর। সেই সময়েই তাঁর ওপরে হামলা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত রায় বলেন, “লোকসভায় এই পঞ্চায়েতে প্রায় ১ হাজার ভোটে বিজেপি এগিয়ে ছিল। এটাই আমাদের অপরাধ। ফল প্রকাশের পর থেকেই উপপ্রধান হুমকি দিচ্ছিলেন। বাবাকে একা পেয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে।” উপপ্রধানের দাবি, “গ্রামে ওদের পরিবারগুলি নিজেদের মধ্যে মারপিট করেছে। মিথ্যা আমাদের জড়ানো হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    হাসাপাতালে আহতকে দেখতে যান বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ এবং আরামবাগের বিধায়ক মধুসূদন বাগ। বিমান বলেন, “ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে হাইকোর্টের কড়া অবস্থানের পরেও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।” তৃণমূলের আরামবাগ ব্লক সভাপতি শম্ভুনাথ বেরা বলেন, “ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। শুনেছি পাড়াগত ঝগড়া থেকে এই ঘটনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: কোচবিহারে মহিলা বিজেপি কর্মীকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতীর ধর্ষণ! বিস্ফোরক বিপ্লব দেব

    Post Poll Violence: কোচবিহারে মহিলা বিজেপি কর্মীকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতীর ধর্ষণ! বিস্ফোরক বিপ্লব দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট-পরবর্তী (Post Poll Violence) হিংসার চিত্র খতিয়ে দেখতে এসেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। বিজেপির দাবি, ভোটের ফল ঘোষণার পর উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন বিজেপির কর্মীরা। এই টিমের সদস্য ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেব বিস্ফোরক দাবি করেন। তিনি বলেছেন “কোচবিহারে এক বিজেপি মহিলাকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতী ধর্ষণ করেছে।” তাঁর মন্তব্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    ঠিক কী বলেন বিপ্লব দেব (Post Poll Violence)?

    সোমবার কোচবিহারে তৃণমূলের হিংসা (Post Poll Violence) কবলিত এলাকায় মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। সেখানে গিয়ে শোনা যায়, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট এবং ঘরছাড়া করেছে কীভাবে? ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তৃণমূলের অত্যাচারের কথা বলতে গিয়ে বিপ্লব দেব বলেন, “বিজেপির এক মহিলা কর্মীকে ২০ জন তৃণমূলের দুষ্কৃতী মিলে ধর্ষণ করেছে। নির্যাতিতা মহিলা, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে অভিযোগ নিচ্ছে না। নির্যাতিতাকে সুবিচার না দেওয়ায় ঈশ্বর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতন ঘটাবেন। গোপন জবানবন্দি নেওয়ার ব্যবস্থা করেনি প্রশাসন। পুলিশের উচিত ছিল স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে প্রতিবাদ করার কি লোক নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লজ্জা করা উচিত। বাংলার মাটিকে এই ভাবেই তিনি কলঙ্কিত করেছেন।”

    আরও পড়ুনঃতৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    আর কী বলেন?

    হিংসা (Post Poll Violence) কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিপ্লব দেব আরও বলেন, “রাজ্যের নির্লজ্জতার একটা সীমা থাকা উচিত। মমতা সবকিছুকে অতিক্রম করে গিয়েছেন। ক্ষমতায় অন্ধ হয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ক্রমস পতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। যখন পতন হবে, তখন মনে হবে সময় থাকতে কেন ব্যবস্থা নিলাম না। সিপিএমের যে ভাবে পতন ঘটেছে, তাঁরও ঠিক একইভাবে পতন হবে। তৃণমূলের হাল সিপিএমের থাকে খারাপ হবে। আমরা দিল্লিতে সব জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বকেয়া বিল পেতে তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকার কাটমানি ঠিকাদারের! বিজেপির বিক্ষোভ

    Balurghat: বকেয়া বিল পেতে তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকার কাটমানি ঠিকাদারের! বিজেপির বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া বিল পেতে পুরসভার চেয়ারম্যানকে দিতে হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা কাটমানি। বিদ্যুৎ দফতরের এক ঠিকাদার সংস্থার কর্তার এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে বালুরঘাট (Balurghat) শহরের রাজনীতি। ওই ঠিকাদার সংস্থার সঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান ঘনিষ্ঠ এক এমআইসি-র কথোপকথন প্রকাশ্যে এসেছে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও একটি অডিও ক্লিপ জনসমক্ষে এনেছে ওই ঠিকাদার সংস্থা। যদিও সেই অডিও ক্লিপিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    বিক্ষোভ বিজেপি-র (Balurghat)

    শনিবার বালুরঘাট (Balurghat) শহরের বেশ কিছু এলাকায় পথবাতি কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ ছিল, বালুরঘাট শহরে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ব্যাপক ভরাডুবির শাস্তি হিসেবেই বালুরঘাট পুরসভা এভাবে পথবাতি বন্ধ করেছে। আর এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে এল কাটমানি তত্ত্ব। মঙ্গলবার কাটমানি নিয়ে বালুরঘাট পুরসভা ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দেয় বিজেপি। এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি বাপি সরকার বলেন, বালুরঘাট পুরসভা তো দুর্নীতির আঁতুরঘর হয়ে গেছে। ওখানে তো সব কাজেই কাটমানি দিতে হয়। আমরা এই সব নিয়ে আমরা বালুরঘাট পুরসভায় বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দিলাম।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন ব্যবসায়ী

    ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্তা সৌমেন সরকার বলেন, ‘খিদিরপুর শ্মশানের চুল্লির কাজের ও অন্য যে সব কাজ করেছি, তার বকেয়া দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয়েছে। ওই টাকার পেমেন্ট পেতেই চেয়ারম্যানের নির্দেশে দুই দফায় দশ লক্ষ টাকা দিয়েছি। তবুও, আজ পর্যন্ত আমার কাজের বকেয়া টাকা পরিশোধ দেওয়া হয়নি। তাই, আমি কর্মীদের বেতন দিতে পারিনি। তাঁরা গত শনিবার দিন কাজ করেননি। তাই আমি ফোন করে ওই কাটমানির টাকা ফেরত চেয়েছি। আমি আর পুরসভায় কাজ করব না। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েও বিষয়টি জানিয়েছি।’

    পুরসভার এমআইসি কী বললেন?

    এই বিষয়ে এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, ‘ওই এজেন্সি কাজ বন্ধ করে রেখেছিল বলে তাঁকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু, তিনি নাকি চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। সেই টাকা ফেরানোর দায়িত্ব আমাকে নিতে বলছেন। আমি তাঁকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে বললে তিনি রাজি হননি। অর্ধসমাপ্ত অডিও ক্লিপ তিনি ভাইরাল করেছেন।’

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, ‘ওই ঠিকাদার সংস্থার মালিক সম্ভবত মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। নইলে তিনি সব ব্যাপারেই ষড়যন্ত্র কেন খোঁজেন। তাঁকে যে কাজ দেওয়া হয়েছিল তা তিনি করেননি। তাই ডিফল্টার হিসেবে আমরা চিহ্নিত করব না কেন, সেই চিঠি দিয়েছি। ওই এজেন্সির মালিকের কোনও বিল বকেয়া নেই। গত দুই মাসের বিলও ট্রেজারিতে পাঠানো আছে। আসলে ওই চিঠি দেওয়ার পরই মনগড়া কথা বলছেন তিনি। আমি শহরের বাইরে কাজে আছি। ফিরেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchanjungha Express Accident: ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্তে আসছেন চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি

    Kanchanjungha Express Accident: ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্তে আসছেন চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগরতলা থেকে শিয়ালদহ যাওয়ার পথে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjungha Express Accident) দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডাউন ১৩১৭৪ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। এখন অবধি মৃত্যুর সংখ্যা ১১ ছাড়িয়েছে। এই ট্রেন দুর্ঘটনার পিছনে কারণ কী তা খুঁজতে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি জনক কুমার গর্গ। সিগন্যালিং-এর ত্রুটি নাকি অন্তর্ঘাত উত্তর খুঁজতে চাইছে রেল। রেল দফতরের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সিগনালিং-এর ত্রুটি বলেই আপাতত রেলের তরফের সন্দেহ করা হচ্ছে।

    দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের নিউজলপাইগুড়ি স্টেশন পার করতেই রাঙাপানি স্টেশন। সোমবার সেখানেই সেই স্টেশনের কাছেই (Kanchanjungha Express Accident) ঘটে যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। আগরতলা থেকে শিয়ালদহগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে ধাক্কা মারে দ্রুত গতিতে ছুটে আসা একটি মালগাড়ি। কিন্তু কীভাবে একই লাইনে দুটি ট্রেন কাছাকাছি চলে এল এটাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। উত্তর খুঁজতে মঙ্গলবার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেনের (Kanchanjungha Express Accident) দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি জনক কুমার গর্গ। এরপর ১৯ তারিখ তিনি নিউজলপাইগুড়ি এডিআরএম চেম্বারে রেলকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলবেন। সাধারণ মানুষ ও ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে কেউ কোনো তথ্য দিতে চাইলে তার কাছে জমা দিতে পারেন এবং লিখিতভাবে কেউ জানাতে চাইলে তার ব্যবস্থাও রয়েছে।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা জানতে চায় রেল (Kanchanjungha Express Accident)

    সাধারণত ট্রেন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় বেশি ঘটে। তবে সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক্সপ্রেস ট্রেনের পেছনে ধাক্কা মারার ঘটনা ঘটেনি। ফলে সিগন্যালিংয়ের বড় খামতি কথা বলছেন রেলের আধিকারিকদের একাংশ। এমনিতে এই সময়টাতে কুয়াশাও থাকে না। স্বাভাবিকভাবে ওই মালগাড়ির ড্রাইভার দূর থেকে কেন এক্সপ্রেস ট্রেনকে দেখতে পেলেন না কিংবা ট্রেন দেখতে পেলে ব্যবস্থা নিলেন না কেন এই প্রশ্ন উঠছে।

    আরও পড়ূন: শুরু হল ট্রেন চলাচল, লাইনের পাশেই দোমড়ানো-মোচড়ানো কামরা, মৃত্যু বেড়ে ১০

    একইসঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjungha Express Accident) ট্রেনটি কখন স্টেশন থেকে ছেড়েছিল, মালগাড়ি কখন ছেড়েছিল, দু’টো ট্রেনের গতিবেগ কত ছিল, এই সব প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারী অফিসার। পয়েন্ট ম্যান, স্টেশন মাস্টার, গেটম্যানদের পর্যবেক্ষণ কী ছিল, সেটাও জানার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি ও রাঙাপানি স্টেশন মাস্টারের ভূমিকা কী ছিল, এই সবকিছু খতিয়ে দেখার পরই তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share