Tag: West Bengal

West Bengal

  • State Budget 2025: ‘নারী সুরক্ষা, লক্ষ্মী ভাণ্ডার, মহিলাদের জন্য কিছুই নেই’ রাজ্য বাজেটকে নিশানা শুভেন্দুর

    State Budget 2025: ‘নারী সুরক্ষা, লক্ষ্মী ভাণ্ডার, মহিলাদের জন্য কিছুই নেই’ রাজ্য বাজেটকে নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বাজেটকে (State Budget 2025) বেকার বিরোধী বলে মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বুধবার শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। রাজ্য সরকারি কর্মীদের চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির পাশাপাশি পঞ্চায়েতে ও গ্রামোন্নয়নে এবার বরাদ্দ করা হলো ৪৪ হাজার কোটি টাকা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মতে, ‘এটি বেকার-বিরোধী বাজেট।’ ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেট বিজেপি সরকারই তৈরি করবে বলে দাবি করেছেন তিনি।

    মহিলাদের জন্য ভাবনা কোথায়

    এদিন, বিধানসভায় বাজেট (State Budget 2025) পেশ করেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর বাজেট বক্তৃতা শেষ হতে না হতেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘এই বাজেট বেকার-বিরোধী। মহিলাদের জন্য একটি শব্দও খরচ করা হয়নি। ডিএ বেড়েছে মাত্র চার শতাংশ। কেন্দ্রের সঙ্গে এখনও ফারাক অনেকটাই। সর্বোপরি যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। বেকার শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের এই দুর্মূল্যের বাজারে ঠকিয়েছে রাজ্য সরকার।’

    রাজ্য বাজেটে যা নেই

    ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান পশ্চিম মেদিনীপুরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছর বৃষ্টিতে জলের তলায় যায় ঘাটাল-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। এই এলাকায় বন্যার সমস্যা দূর করার জন্য মাস্টার প্ল্যান প্রয়োজন। মাস্টার প্ল্যান নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘ঘাটালে তো জমি অধিগ্রহণই হয়নি, সেখানে আবার বরাদ্দ কীসের?’ বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষ জল পান না। পাহাড়ের জনজাতির জন্য কোনও পরিকল্পনা নেই। অভিযোগ তাঁর। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘মতুয়াদের জন্য একটা বাক্য নেই। সুন্দরবনের কথা নেই। নতুন পে কমিশনেরও প্রস্তাব নেই।’

    নারী সুরক্ষার কথা নেই

    বুধবার রাজ্যের পেশ করা বাজেটে (State Budget 2025)  নারী সুরক্ষার বিষয়ে কিছুই উল্লেখ নেই বলে জানান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি এও মনে করিয়ে দেন, মহিলাদের জন্য সামাজিক প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্যও বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়নি বাজেটে। তুলনায় টানতে ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানার মতো বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলির কথা তুলে আনেন তিনি। এমনকি দিল্লিতেও বিজেপি মহিলাদের জন্য মাসে ২৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা-ও স্মরণ করিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর সংযোজন, রাজ্যে বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলে ‘প্রত্যেক বাড়িতে একটি করে চাকরির প্রতিশ্রুতি দেবে বিজেপি। ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট তৈরি করবে বিজেপি সরকারই।’

  • ED: রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের তৎপর ইডি, তল্লাশি হাওড়ার ৩ জায়গায়

    ED: রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের তৎপর ইডি, তল্লাশি হাওড়ার ৩ জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন কেলেঙ্কারি (Ration Case) মামলায় ফের তৎপর ইডি (ED)। দিন কয়েক আগেই জামিনে ছাড়া পেয়েছেন ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তারপর বুধবার সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন ইডির আধিকারিকরা। হাওড়ার অন্তত তিন জায়গায় হানা দিয়েছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার নজরে রয়েছে ব্যবসায়ীদের বাড়ি এবং গোডাউনও।

    জামিনে ছাড়া পেয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় (Ration Case)

    ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি গ্রেফতার করে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয়কে। তার পর থেকে জেলেই ছিলেন তিনি। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি বিশেষ ইডি আদালত ৫০ লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং ২৫ হাজার টাকার দুটি জামিন বন্ডে শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। তারপর কয়েকদিন কাটতে না কাটতেই রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ফের তৎপর হল ইডি।

    হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় ইডির হানা

    এদিন সকালে ইডির দফতর থেকে বিভিন্ন দিকে বেরিয়েছে একাধিক দল। সকাল সকালই একটি দল পৌঁছে যায় হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের দক্ষিণ সন্তোষপুরে কৃষ্ণপদ মাল নামে এক ধান ব্যবসায়ীর বাড়িতে। অন্য একটি দল হানা দেয় তাঁর গোডাউনে। এছাড়াও, হাওড়ার একটি সমবায় সমিতিতে চলছে ইডির (ED) অভিযান।

    ইডির আর একটি দল হানা দিয়েছে হাওড়ারই শ্যামপুরের সসাটিতে ব্যবসায়ী পার্থেন্দু জানার বাড়িতেও। কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে বিভিন্ন রাইস মিলে বিক্রি করেন পার্থেন্দু। তিনি ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। এদিন যখন ইডির দল তাঁর বাড়িতে হানা দেয়, তখন অবশ্য বাড়িতে ছিলেন না তিনি। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, মহাকুম্ভে গিয়েছেন পার্থেন্দু।

    ২০২০ সালে নদিয়া থেকে ৭৬২ কিলো কালোবাজারির আটা উদ্ধারকে কেন্দ্র করেই রেশন কেলেঙ্কারির তথ্য আসে পুলিশের হাতে। প্রথমে নদিয়ার তিনটি থানায় দায়ের হয় অভিযোগ। পরে অভিযোগ ওঠে, রেশনের ২০ থেকে ৪০ শতাংশ গম সরিয়ে ফেলে তাতে সরকারি ছাপ দিয়েই বিপুল টাকায় বিক্রি করা হত কালোবাজারে। এরই তদন্তভার পায় ইডি। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয়কে। গ্রেফতার (Ration Case) করা হয় বাকিবুর রহমান, শঙ্কর আঢ্য-সহ বেশ কয়েকজনকে (ED)।

  • TMC Inner Clash: তিহাড় থেকে ফিরেছেন অনুব্রত, চরমে গোষ্ঠীকোন্দল, বোমার ঘায়ে পা উড়ল তৃণমূল কর্মীর

    TMC Inner Clash: তিহাড় থেকে ফিরেছেন অনুব্রত, চরমে গোষ্ঠীকোন্দল, বোমার ঘায়ে পা উড়ল তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন তিহাড় জেলে ছিলেন। গত বছরের শেষের দিকে ফিরেছেন গাঁয়ে (West Bengal)। তার পরেই তৃণমূলের কাজল শেখ গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরেরই অনুব্রত মণ্ডলের অন্তর্দ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash) চরমে ওঠে বলে অভিযোগ। তার জেরে হয় ব্যাপক বোমাবাজি। বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের কাঁকরতলা থানার জামালপুর গ্রাম। স্থানীয় সূত্রে খবর, বালি বিক্রির টাকার বখরা নিয়েই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ হয়। বোমার ঘায়ে পা উড়ে গিয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর। নাম শেখ সাত্তার আলি। জখম হয়েছেন আরও কয়েকজন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা তৃণমূল নেতা স্বপন সেন ও তৃণমূলের কোর কমিটির উজ্জ্বল হক কাদেরির ঘনিষ্ঠ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় কাঁকরতলা থানার পুলিশ।

    তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন অনুব্রত (TMC Inner Clash)

    গত প্রায় দু’বছর ধরে দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, মমতা ঘনিষ্ট অনুব্রত যতদিন জেলে বন্দি ছিলেন, ততদিন একপ্রকার শান্তই ছিল বীরভূম। তাঁর গোষ্ঠীর লোকজন নিষ্ক্রিয় হয়েছিলেন। অনুব্রত জেলায় ফিরতেই তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল ফের প্রকাশ্যে এসেছে বলে তৃণমূলেরই একটি সূত্রের খবর।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    বেশ কয়েক জায়গায় অনুব্রত গোষ্ঠীর লোকজনের সঙ্গে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাধিপতি কাজল শেখের অনুগামীদের সংঘর্ষ হয়েছে। অনুব্রতর অবশ্য দাবি (TMC Inner Clash), বীরভূমে কোনও গোষ্ঠীকোন্দল নেই। তবে তৃণমূলের এই নেতা যে ঠিক বলছেন না, তা দাবি করেছেন তাঁর দলেরই একটি গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, উজ্জ্বল অনুব্রতের কাছের লোক। আর স্বপন, কালো শেখরা কাজল গোষ্ঠীর বলে জেলায় পরিচিত। বালির টাকার বখরা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই এলাকায় উত্তেজনা ছিল। তার জেরেই সোমবার রাতভর জেলায় হয় বোমাবাজি। যার জেরে পা খোয়ান তৃণমূলের সাত্তার।

    উজ্জ্বলের অভিযোগ, তাঁকে খুনের উদ্দেশ্যেই সোমবার রাতে তৃণমূল নেতা কালো শেখের বাড়িতে জড়ো হন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মহিবুল শেখ-সহ বেশ কয়েকজন। তাঁর দাবি, গত কয়েক দিন ধরে ওই বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র ও বোমা মজুত করা হচ্ছিল। যদিও কালোর অভিযোগ, সোমবার রাতে তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ছিলেন তৃণমূল নেতা উজ্জ্বলের অনুগামীরা (West Bengal)। অশান্তি এড়াতে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ (TMC Inner Clash)।

  • Supreme Court: ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় বড় কথা বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় বড় কথা বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত (SSC Recruitment Case) ২৬ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আসল ওএমআর শিট না থাকার সমস্যার কথা তুলে ধরলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। তিনি জানান, আসল তথ্য জানা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, সে ক্ষেত্রে আদালত কী করতে পারে?

    সিবিআইয়ের বক্তব্য (Supreme Court)

    পশ্চিমবঙ্গে এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করছে সিবিআই। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে এ কথা জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার আইনজীবী। ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় হাইকোর্টের রায়কেই সমর্থন করছে সিবিআই। তদন্তকারী এই সংস্থার আইনজীবী বলেন, “নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি হয়েছে। হাইকোর্টের রায় যথার্থ। ওই রায়ই বহাল রাখা হোক।”

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি

    তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য শোনার পর প্রধান বিচারপতি জানান, সমস্যা হল আসল ওএমআর শিট নেই। সে ক্ষেত্রে কোন ওএমআর শিটকে আসল বলে ধরে নেওয়া হবে? তিনি বলেন, “এসএসসি না কি পঙ্কজ বনসলের সংস্থার কাছে তথ্য রয়েছে অনেক সন্দেহ রয়েছে! পঙ্কজ বনসলের সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে সন্দেহ আছে। আসল তথ্য জানা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় আমরা কী করতে পারি?” চারটি বিভাগে কত নিয়োগ হয়েছিল, সে বিষয়টিও সিবিআই এবং এসএসসি কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না (Supreme Court)।

    গত ২৭ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি ছিল দেশের শীর্ষ আদালতে। সেদিন প্রধান বিচারপতি জানতে চেয়েছিলেন, নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে কি না। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া কতটা কঠিন, তাও জানতে চেয়েছিলেন তিনি। সেদিন মূল মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানিয়েছিলেন, অনেকে চাকরির আবেদন না করেও, নিয়োগপত্র পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে যাঁরা চাকরির আবেদন করেছিলেন, তাঁদের ফের নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। ওই শুনানিতে তিনি পুরো প্যানেলই বাতিল করার জন্য সওয়াল (SSC Recruitment Case) করেন। তিনি বলেছিলেন, “পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। তাই পুরো প্যানেলই বাতিল করা উচিত (Supreme Court)।”

  • Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের ঐতিহাসিক সফর! বদলে যাবে বঙ্গ রাজনীতি?

    Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের ঐতিহাসিক সফর! বদলে যাবে বঙ্গ রাজনীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বেশ কিছু সমাধানসূত্র বের করা বাকি গেরুয়া শিবিরে। বিজেপির পরবর্তী সভাপতি কে হবেন তা ঠিক করতে হবে। ২০২১ এর পর যে প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তার জেরে আরএসএসেরও (RSS) সেভাবে শ্রী বৃদ্ধি হয়নি। তার ওপর সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পর পর বাধা। বাংলায় দুয়ারে হিন্দুদের অস্তিত্ব সংকট। এই পরিস্থিতিতেই বঙ্গে দশ দিনের জন্য সফরে আসছেন সংঘপ্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সংঘের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে বলা না হলেও অনুগামীদের আশা সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত।

    মোহন ভাগবতের কর্মসূচি

    সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, ৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গে আসছেন মোহন ভাগবত। ৭ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় সংঘের কার্যকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের সাংগঠনিক বিষয়ে বৈঠক করবেন। সূত্রের খবর সেখানে আরএসএস এবং শাখা সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ১১ এবং ১২  ফেব্রুয়ারি সংঘের অখিল ভারতীয় টোলি অর্থাৎ জাতীয় স্তরের ৬ জন গুরুত্বপূর্ণ সর্বভারতীয় কর্তার সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি বর্ধমানে সংঘের নতুন প্রান্ত কার্যালয়ের উদ্বোধন হবে এবং ১৬ই ফেব্রুয়ারি বর্ধমানের সাই কমপ্লেক্সে মধ্য বঙ্গ প্রান্ত কর্তাদের প্রকাশ্য সম্মেলন হবে।

    কী বলছেন ক্ষেত্রীয় সহ প্রচার প্রমুখ

    প্রসঙ্গত, এর আগে বঙ্গে কোনওদিন কোনও সংঘপ্রধান ১০ দিনের জন্য আসেননি। স্বাভাবিকভাবেই এর একটা সাংগঠনিক এবং রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, যেভাবে রাজ্যে অনুপ্রবেশ, সীমান্ত সমস্যা, জন্যবিন্যাসে বদল এসেছে, তা ভালোভাবে নেয়নি আরএসএস। তাই সমাজের কঠিন সমস্যা মোকাবিলা করতে নির্দেশ আসার ইঙ্গিত রয়েছে সংঘ প্রধানের তরফে (Mohan Bhagwat)। সেই বার্তা এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে দিয়েছেন ক্ষেত্রীয় সহ প্রচার প্রমুখ জিষ্ণু বসু।

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন এ রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের জন্য নির্ণায়ক লড়াই হতে চলেছে। তার জন্য এখন থেকেই সর্বশক্তিতে ঝাঁপানো প্রয়োজন। মনে করা হচ্ছে সেই দিশা দেখাতেই বঙ্গে আসছেন আরএসএস (RSS) প্রধান। তাঁর দেখানো পথেই বঙ্গ জয়ের রণকৌশলের প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি হতে চলেছে। শাখা সংগঠনগুলিতেও সাংগঠনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে (Mohan Bhagwat)।

  • Marichjhapi Massacre: হিন্দু উদ্বাস্তুদের ওপর বাম সরকারের বর্বরোচিত অত্যাচার, ফিরে দেখা মরিচঝাঁপি গণহত্যা

    Marichjhapi Massacre: হিন্দু উদ্বাস্তুদের ওপর বাম সরকারের বর্বরোচিত অত্যাচার, ফিরে দেখা মরিচঝাঁপি গণহত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ জানুয়ারি মরিচঝাঁপি দিবস (Marichjhapi Massacre)। ১৯৭৯ সালের এই দিনেই সুন্দরবনের মরিচঝাঁপি দ্বীপকে মৃত্যুপুরী করার অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন বাম সরকারের বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গে ১৯৭৯ সালের মরিচঝাঁপি গণহত্যা, আজও সভ্য সমাজের কাছে লজ্জার অধ্যায় হয়ে আছে। শরণার্থী হিন্দুদের (Hindu Refugees) ওপর সংঘটিত একটি নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল কমিউনিস্ট শাসনে, এমনটাই মত গবেষকদের। অনেকে বলেন, এই ঘটনা শুধু নৃশংসতার জন্য নয়, বরং ক্ষমতাসীন কমিউনিস্টদের শ্রেণি-রাজনীতি ও উদ্বাস্তু বিরোধিতার এক কালো অধ্যায়।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Marichjhapi Massacre)

    ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর, লক্ষ লক্ষ হিন্দু শরণার্থী পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) থেকে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। বিশেষ করে, নিম্নবর্ণের হিন্দুরা (যেমন নমঃশূদ্র সম্প্রদায়) পাকিস্তানে অত্যাচারের শিকার হয়ে ভারতে চলে আসেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস সরকার তখন তাঁদের যথাযথ পুনর্বাসন দিতে ব্যর্থ হয়। ১৯৫০-এর দশকে, তৎকালীন কংগ্রেস সরকার হিন্দু শরণার্থীদের অপসারণের উদ্দেশ্যে মধ্য ভারতের দণ্ডকারণ্য অঞ্চলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। দণ্ডকারণ্যে থাকা উদ্বাস্তু পরিবারগুলি মানিয়ে নিতে পারেনি সেখানকার আবহাওয়া। কারণ পূর্ববঙ্গে নরম আর্দ্র জল-হাওয়ার পরিবেশেই বেড়ে ওঠা তাঁদের। এই আবহে দণ্ডকের রুক্ষ পাথুরে জমি, দীর্ঘ অনাবৃষ্টির কারণে ১৯৫৮ সাল থেকেই উদ্বাস্তুরা যখনই সুযোগ পেয়েছেন ছোট ছোট দলে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে চলে এসেছেন। জানা যায়, ১৯৭৬ সালের ২৫ জানুয়ারি তৎকালীন বামফ্রন্টের নেতা জ্যোতি বসু দণ্ডকারণ্যের একটি উদ্বাস্তু শিবির (Marichjhapi Massacre), মানা ক্যাম্পের কাছেই ভিলাই শহরে এক বিরাট জনসভায় বক্তব্য় রাখেন। সেদিন তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থীরা ক্ষমতায় না আসা পর্যন্ত আপনাদের এই অবস্থার পরিবর্তন হবে না।’’ শুধু তাই নয়, তিনি আরও বলেছিলেন, ‘‘আমরা ক্ষমতায় এলে উদ্বাস্তুদের সুন্দরবনে বসতি স্থাপনের ন্যায্য দাবি অবশ্যই মানা হবে।’’ অবশেষে ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট ক্ষমতায় আসে। ১৯৭৮ সালের প্রথমদিক থেকেই উদ্বাস্তুদের দল দণ্ডকারণ্য থেকে আসতে থাকে দলে দলে। সুন্দরবনের জনমানবশূন্য মরিচঝাঁপি দ্বীপে তাঁরা বসতি স্থাপন করেন।

    কৃষিকাজ-মাছধরা নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন উদ্বাস্তুরা

    প্রথমদিকে, মরিচঝাঁপিতে বসতি গড়ে তোলার পরে শরণার্থীরা নিজেদের উদ্যোগে কৃষিকাজ, ছোটখাটো ব্যবসা এবং মাছ ধরা শুরু করে। কিন্তু তখনই বামপন্থী সরকার দাবি করল, সুন্দরবনের এই এলাকা পরিবেশগতভাবে সংরক্ষিত এবং সেখানে বসবাস অবৈধ। গবেষকরা বলেন, আসল সত্যি হল, শরণার্থীরা সরকারের কাছে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছিল, কিন্তু সিপিআই(এম) সরকার তা মানেনি। বরং, তাঁদের উচ্ছেদ করতে রাষ্ট্রীয় শক্তি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়।

    শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান (Marichjhapi Massacre)

    ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত শরণার্থীদের খাদ্য, পানীয়, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি, পুলিশের কঠোর অবরোধের ফলে দ্বীপের ভেতর খাদ্য সংকট ও রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। ১৯৭৯ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু করে ১১ মে পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ ও বামপন্থী ক্যাডারদের যৌথ অভিযানে হাজার হাজার শরণার্থীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। রাজ্য সরকারের এই অভিযানে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদেরও হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, মারাত্মক অভিযোগ ওঠে বাম সরকারের বিরুদ্ধে, শরণার্থীদের নৌকায় করে নদীতে কুমিরমারি এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। যাতে করে মৃত, অর্ধমৃত দেহগুলি কুমিরে খেয়ে ফেলতে পারে। এভাবেই অত্যাচার চালায় বাম সরকার। সুন্দরবনের বাঘ যে এলাকায় সংরক্ষিত আছে, সেই এলাকায় মৃত অর্ধমৃত দেহগুলিকে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অর্ধমৃত মানুষগুলি আমাদের বাঘের পেটে দেবেন না বলে চিৎকারও করেন।

    প্রায় ৪,০০০ থেকে ১০,০০০ মানুষ এই গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন

    বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪,০০০ থেকে ১০,০০০ মানুষ এই গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন। যদিও কমিউনিস্ট সরকার এই সংখ্যা কখনও স্বীকার করেনি এবং এই অপরাধের জন্য কোনও বিচারও হয়নি আজ পর্যন্ত। জানা যায়, ১৯৭৯ সালের এই ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ডের পরেও গণমাধ্যম এবং তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা নীরব ছিল। বামপন্থী সরকার এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে একাধিক সংবাদপত্রের ওপরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় কিছু সাংবাদিক মরিচঝাঁপি কভার করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু তাঁদেরকে আটকে দেওয়া হয় এবং তথ্য সংগ্রহ করতে দেওয়া হয়নি।

    আজও কারও হয়নি সাজা

    অনেক গবেষেক বলেন, মরিচঝাঁপির শরণার্থীরা মূলত নমঃশূদ্র ও অন্যান্য তথাকথিক নিম্ন বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য ছিল। ফলে, বামফ্রন্ট সরকার তাঁদের অবহেলা করে এবং নিষ্ঠুর দমননীতি গ্রহণ করে। প্রসঙ্গত,রাষ্ট্রীয় মদতে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য কোনও রাজনৈতিক নেতা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তার আজও বিচার হয়নি। বামফ্রন্ট সরকার এই ঘটনার দায় আজও স্বীকার করেনি। দীর্ঘকাল ধরে এই গণহত্যার কথা ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টাও করা হয়েছে। গবেষক বিমল দাসের মতে, ‘‘মরিচঝাঁপি গণহত্যা ভারতের শরণার্থী নীতির এক নিষ্ঠুর রূপ এবং কমিউনিস্ট সরকারের অত্যাচারের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয় বরং দলিত নিপীড়নের এক চরম উদাহরণ, যা পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক কালো দাগ হয়ে চিরদিন থাকবে।’’

  • BSF: নদিয়া সীমান্তে হদিশ মিলল পর পর ৪টি বাঙ্কারের, অনুপ্রবেশ, নাশকতার আশঙ্কা বিএসএফের

    BSF: নদিয়া সীমান্তে হদিশ মিলল পর পর ৪টি বাঙ্কারের, অনুপ্রবেশ, নাশকতার আশঙ্কা বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে বড়সড় সাফল্য বিএসএফের। খোঁজ মিলল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে আরও একটি বাঙ্কারের! আবারও চর্চায় নদিয়ার কৃষ্ণনগরের সেক্টরের টুঙ্গি সীমান্ত এলাকা! এই নিয়ে সীমান্তে দেড় কিলোমিটারের মধ্যে ৪টি বাঙ্কারের খোঁজ মিলল। ওপর থেকে দেখলে মনে হবে টিনের ছাউনির সাদামাটা একটা ঘর, কিন্তু ওই ঘরে মাটির নিচেই খোঁজ মিলছে এই রহস্যজনক বাঙ্কারগুলির। শুক্রবার খোঁজ মিলেছিল ৩টি বাঙ্কারের। শনিবার খোঁজ মিলল আরও একটির। বাঙ্কার নিয়েই এখন বেশ চিন্তায় বিএসএফ (BSF)। অনুপ্রবেশ, নাশকতার আশঙ্কায় চাপানউতোর তৈরি হয়েছে গোটা এলাকায়। আর কত বাঙ্কার রয়েছে তার খোঁজে সীমান্তে চলছে জোর তল্লাশি।

    বাঙ্কার তোলার কাজ চলছে (BSF)

    ইতিমধ্যেই বাঙ্কারগুলি মাটি থেকে তোলার কাজ শুরু করেছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। বাঙ্কার (BSF) তৈরি করেই কী তাহলে ভারতে অনুপ্রবেশের ছক কষছিল বাংলাদেশিরা? এখন সেই প্রশ্নই জোরাল হয়েছে। এদিন যে বাঙ্কারটির খোঁজ মিলেছে তার উপরে অর্থাৎ মাটির ওপরের অংশে আবার কংক্রিটের একটা গেটও করা হয়েছে। অর্থাৎ ওই এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরেই তৈরি করা হয়েছিল বাঙ্কারগুলি। কিন্তু, কীভাবে তা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গেল? যদি বাংলাদেশিদের কাজ হয়ে থাকে তাহলে তারা তা করল কীভাবে তা নিয়েও তৈরি হয়েছে জল্পনা। যদি এপারের দালালদের কাজ হয় তাহলেও তাঁরা কী করে করল তা নিয়ে চলছে জল্পনা।

    বাঙ্কারের ভিতর ছিল লক্ষ লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ

    নদিয়ায় ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত (BSF) থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে ভারত ভূখণ্ডে পাওয়া গেল বাঙ্কার। যে জায়গায় বাঙ্কার পাওয়া গিয়েছে সেখান থেকে কার্যত ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে কৃষ্ণগঞ্জ থানা এলাকার মাজদিয়ার সুধীর রঞ্জন মহাবিদ্যালয়। কলেজের অদূরেই কীভাবে এত বড় কাজ হয়ে গেল? এই প্রশ্নেই এখন সবথেকে বেশি চিন্তা বেড়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। যদিও যে জমির ওপরে এটির খোঁজ মিলেছে সেই জমির মালিকের বিষয়ে কোনও খোঁজই দিতে পারছেন এলাকার লোকজন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বললেন প্রশাসন দেখছে। ওরাই ব্যবস্থা নেবে। শুক্রবার বিএসএফ এই বাঙ্কার থেকে উদ্ধার করেছে কাশির ওষুধের অসংখ্য বোতল। জানা গিয়েছে, মাজদিয়া কলেজের কাছে চাষের ক্ষেতের পাশে একটি ঘর বানিয়েছিল স্থানীয় কয়েকজন। ওই ঘর থেকে চাষের কাজ দেখভাল করা হয় দাবি ছিল তাদের। সেই ঘরেরই পাশে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় ছিল বাঙ্কারের মুখটি যা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে প্রায় ৩ ফুট। শুক্রবার তল্লাশি চালিয়ে বাঙ্কারের মুখ খুঁজে বার করে বিএসএফ। বাঙ্কারের ঢাকনা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ তাদের। দেখা যায় বাঙ্কারের মধ্যে মধ্যে রয়েছে পেটি পেটি কাশির ওষুধ। এর পর বিএসএফ জওয়ানরা নেমে কাশির ওষুধগুলি উদ্ধার করেন। তল্লাশি চালান গোটা বাঙ্কারটিতে। বাঙ্কারের ভিতর ছিল লক্ষ লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ। সেগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যান বিএসএফের জওয়ানরা।

    বাঙ্কার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ!

    এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ (BSF) ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই বাঙ্কার কি শুধু পাচারের কাজেই ব্যবহার হত, না কি বাঙ্কার ব্যবহার করে ভারতে নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশি জঙ্গিদের, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে মাটির নীচে বাঙ্কারের খোঁজ মেলায় যদিও আশ্চর্য নন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, মাজদিয়াসহ কৃষ্ণগঞ্জ থানা এলাকার বিস্তীর্ণ সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরে পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্য। পুলিশের সঙ্গে আঁতাত করে এই কারবার চালায় পাচারকারীরা। মুনাফার বখরা যায় সব মহলে। কৃষ্ণগঞ্জের বহু ব্যক্তির বিনিয়োগ রয়েছে এই কারবারে। তাই অবাক হওয়ার কিছু নেই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    বিএসএফ (BSF) জওয়ানদের দাবি, এই কাফ সিরাপগুলি বাংলাদেশে পাচার করার উদ্দেশ্যে জোগাড় করেছিল। কিন্তু, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে ও বর্তমান বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে সীমান্তে নজরদারি বেড়েছে। এর ফলে এগুলি পাচার করতে না পেরে মাটির তলায় বাঙ্কারে ভরে মাটিতে পুঁতে রেখেছিল বলে প্রাথমিক অনুমান তদন্তকারীদের। বিএসএফের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ। তবে এ বিষয়ে বিএসএফ ও পুলিশের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কিন্তু, বিএসএফের তরফে আরও বাঙ্কারের খোঁজে শনিবারও নদিয়ার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান জারি রয়েছে। এই বাঙ্কারের মধ্যে দিয়ে মাটির তলায় কোনও সুরঙ্গ-পথ লুকনো রয়েছে কিনা, তা-ও দেখছেন তদন্তকারীরা। গতকালের এই বাঙ্কারগুলি উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আতঙ্কিত এলাকাবাসীরা। তবে ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “গ্রাম থেকে বাঙ্কার উদ্ধারে আমরা খুব আতঙ্কিত রয়েছি। সীমান্তের গায়ে আমাদের বাড়ি। তবে বিএসএফকে সাধুবাদ জানাবো তারা বাঙ্কার ও নিষিদ্ধ কাফ সিরাপগুলিকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jaha India: মুর্শিদাবাদে সক্রিয় নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’, মিলল জেএমবি যোগ, ভারতে নাশকতার ছক!

    Jaha India: মুর্শিদাবাদে সক্রিয় নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’, মিলল জেএমবি যোগ, ভারতে নাশকতার ছক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মৌলবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে ‘জাহা ইন্ডিয়া’ নামে (Jaha India) একটি সংগঠন। বাংলাদেশ থেকে মিলছে সাহায্য। মাসখানেক ধরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংগঠন। আর এই জেলায় সদ্য গজানো মৌলবাদী এই সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের মিলেছে। মূলত, ইউনূস সরকারের আমলে নতুন করে যে জঙ্গি কার্যকলাপ মাথা চাড়া দিয়েছে, সেই নিয়ে কোনও রকম দ্বিমত রাখছেন না বিশেষজ্ঞরা। পালাবদলের পর থেকে ভারতে নিজেদের জাল ছড়িয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি মৌলবাদী সংগঠনগুলি। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল এই সংগঠন। এখন কারা এই সংগঠনের সদস্য, কারা প্রশিক্ষণ পেয়েছে তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। এমনকী এই সংগঠন কীভাবে কাজ করে চলেছে তা জানার চেষ্টা চলছে।

    চোরা পথে এসে সংগঠনের সদস্যদের প্রশিক্ষণ জেএমবির! (Jaha India)

    বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে এসে সংগঠনের সদস্যদের (Jaha India) প্রশিক্ষণ জেএমবি (JMB) নেতার। নতুন সংগঠনের সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতে মাস কয়েক ধরে মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মৌলবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে তারা। আর ইউনূসের বাংলাদেশ থেকে মিলছে সাহায্য। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের ‘জাহা ইন্ডিয়া’ সংগঠনকে মদত জোগাচ্ছে বাংলাদেশের জেএমবি জঙ্গি সংগঠন। সেদেশ থেকে চোরা পথ হয়ে ভারতে এসে ঝাড়খণ্ডের একটি গোপন ডেরায় দিন কয়েক আগেই ‘জাহা ইন্ডিয়া’র সঙ্গে বৈঠক চালিয়েছে তারা। গত ৩ জানুয়ারি লালগোলায় এই প্রসঙ্গে জাহা ইন্ডিয়ার সঙ্গে এক দফা বৈঠকও চলে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেএমবি-র সদস্যরাও। এরপরই প্রকাশ্যে আসে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, একা জেএমবি নয়। এই ‘জাহা ইন্ডিয়া’র দোসর হয়েছে ‘তাওহিদুল উলাইয়া’ নামে বাংলাদেশের আরও একটি মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন। মূলত, ‘জাহা ইন্ডিয়া’র হাত ধরেই ভারতে নিজেদের জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়াতে চায় তারা। মূলত, ভারতে নিজেদের শাখা খুলতে চায় এই ‘তাওহিদুল উলাইয়া’ নামে মৌলবাদী সংগঠনটি। আর সেই কাজে ‘জাহা ইন্ডিয়া’কেই নিজেদের সঙ্গী হিসাবে চায় তারা। পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় কীভাবে সংগঠন গড়ে তোলা যায় তার পরিকল্পনা নেওয়া শুরু হয়েছে।

    কীভাবে হবে জাল বিস্তার?

    জানা গিয়েছে, মোট পাঁচটি স্তরে ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের জাল বিস্তার করতে আগ্রহী এই জঙ্গি সংগঠনটি (Jaha India)। আর মুর্শিদাবাদ হবে সেই পরিকল্পনার এপিসেন্টার। ‘জাহা ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের একটি বৈঠক হয়েছে। জেএমবি-র নেতা বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে ভারতে প্রবেশ করে ঝাড়খণ্ডের পাকুর থানার অন্তর্গত একটি এলাকায় এই বৈঠক করেছে। দু’দিন ধরে চলেছে সেই বৈঠক। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ওই জঙ্গি নেতা ‘জাহা ইন্ডিয়া’ সংগঠনের ছ’জনকে ট্রেনিং দিয়েছে। সেই প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিল মুর্শিদাবাদের পাঁচ ও উত্তর ২৪ পরগনার এক নেতা। এদের আবার একজন মিডিল ম্যানও রয়েছে। বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর ফের জিএমবি নেতা রুট বদলে আবার বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছে। আপাতত মুর্শিদাবাদে সক্রিয় এই সংগঠন, এমনই তথ্য হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। সেই কারণে, এখন বাংলাদেশি জঙ্গিদের টার্গেটে ঝাড়খণ্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা। সবমিলিয়ে কারা কারা প্রশিক্ষণ পেল তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা। আর এই সংগঠনের মধ্যে অন্য কোন কোন জেলার লোকজন জড়িত তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা।

    প্রাক্তন এনএসজি কর্তা কী বললেন?

    এ প্রসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত এক এনএসজি কর্তা বলেন, ‘‘এই খবর শুধু গোয়েন্দাদের কাছেই ছিল। ‘জাহা ইন্ডিয়ার’ নাম কেউ জানত না। বারবার আমি বলেছি, ভারত-বাংলাদেশ-মায়ানমারকে টার্গেট করে আল-কায়দা। ঝাড়খণ্ডের পাকুড় থেকে যিনি নির্বাচিত হয়ে লোকসভায় গিয়েছেন, সেই নেত্রীর স্বামীকে দেশ-বিরোধী কাজের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। আসলে এইগুলো হল জমি দখলের প্রক্রিয়া। এইভাবে বিনা রক্তপাতে ভারত দখল বা জমি দখল করে ওরা। তারপর অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে পুরো ভৌগলিক অবস্থান পরিবর্তন করে। তারপর সেখান থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। দেশের লোকসভা বা বিধানসভায় যায় তারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NITI Aayog: আর্থিক পারফর্ম্যান্সে দেশের ‘লাস্ট বয়’ তৃণমূলের বাংলা, বলছে নীতি আয়োগ রিপোর্ট

    NITI Aayog: আর্থিক পারফর্ম্যান্সে দেশের ‘লাস্ট বয়’ তৃণমূলের বাংলা, বলছে নীতি আয়োগ রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি-শাসিত ওড়িশা এগিয়ে। এগিয়ে রয়েছে ছত্তিশগড়ও। তাদের পিছনে রয়েছে গোয়া এবং ঝাড়খণ্ডও। সব শেষে রয়েছে তৃণমূল-শাসিত পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সাম্প্রতিক ফিসক্যাল হেলথ ইনডেক্স প্রতিবেদন থেকেই এই তথ্য মিলেছে।

    পিছিয়ে বাংলা 

    ন’টি মানদণ্ডের নিরিখে করা হয়েছে বিচার। তাতেই দেখা গিয়েছে, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, গোয়া এবং ঝাড়খণ্ডের ঢের পিছনে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরালা এবং পাঞ্জাব। এই চার রাজ্যকে পিছিয়ে পড়া এবং সব চেয়ে খারাপ পারফর্মিং রাজ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রাজ্যগুলি গত কয়েক বছরে কোনও উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) মতে, পশ্চিমবঙ্গকে অবিলম্বে পরিকাঠামো তৈরি-সহ মূলধনী খাতে খরচে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নিজের রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। কর বাবদ আয় ও কর ছাড়া অন্যান্য আয়– দুই ক্ষেত্রেই। এই রাজ্যগুলিকে কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে বলেও বলা হয়েছে নীতি আয়োগের রিপোর্টে।

    দেনার বোঝা ক্রমশ বাড়ছে (NITI Aayog)

    দেশের বড় রাজ্যগুলির মধ্যে কার রাজকোষের অবস্থা ২০২২-’২৩ সালে কেমন ছিল, তা নিয়ে রাজকোষের স্বাস্থ্য সূচক প্রকাশ করেছে নীতি আয়োগ। রাজকোষের স্বাস্থ্যের মাপকাঠিতে মোট ১৮টি রাজ্যকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম সারিতে রয়েছে ওড়িশা, ছত্তিশগড়, গোয়া, ঝাড়খণ্ড এবং গুজরাট। আর চতুর্থ শ্রেণিতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পাঞ্জাব। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) রিপোর্ট অনুযায়ী, এই শেষ সারির রাজ্যগুলির রাজকোষ ঘাটতি ও রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে হিমশিম খাচ্ছে। রাজ্যের নিজস্ব আয় খুবই কম। দেনার বোঝা ক্রমশ বাড়ছে। সেই ঋণ শোখ করার ক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তুলনায় সামনের সারিতে থাকা রাজ্যগুলির পরিকাঠামো তৈরিতে রাজ্যের জিডিপির প্রায় ৪ শতাংশ খরচ করছে। রাজস্ব আয়ের সামান্য অংশ ঋণের সুদ মেটাতে খরচ হচ্ছে তাদের।

    আরও পড়ুন: অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশ সফরে পাক আইএসআই প্রধান! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    নীতি আয়োগের (NITI Aayog) রিপোর্টে বেআব্রু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের হাঁড়ির হাল। রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের মোট খরচের মধ্যে পরিকাঠামো তৈরিতে খরচের হার ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তিন শতাংশে নেমে এসেছে। যা জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষেও পাঁচ শতাংশের বেশি ব্যয় হত। মূলধনী খাতেও খরচের ভাগ কমেছে। সেটাও জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। সেই তুলনায় সামাজিক খাতে খরচের হার বেশি হলেও, তা-ও জাতীয় গড়ের চেয়ে কম। বিরোধীদের একাংশের মতে, খয়রাতির রাজনীতি করতে (West Bengal) গিয়ে রাজ্যের হাঁড়ির হাল করে দিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার।

    জানা গিয়েছে, ওড়িশা, ছত্তিশগড় এবং গোয়া আর্থিক সতর্কতা, সঠিক ব্যয় ব্যবস্থাপনা, অধিক রাজস্ব সংগ্রহ এবং নিম্ন দেনার ভার প্রভৃতি কারণে ঠাঁই করে নিয়েছে তালিকার ওপরের দিকে। ঝাড়খণ্ডের অনেক সূচকে উন্নতি, বিশেষত মূলধনী ব্যয় ও রাজস্ব সংগ্রহের গুণগত মানে অগ্রগতি, তার আর্থিক দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি এবং সম্পদের আরও ভালো বরাদ্দের চেষ্টাকেও প্রতিফলিত করে। পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলি ক্রমবর্ধমান ঋণ, অযৌক্তিক ব্যয় এবং অদক্ষ রাজস্ব সংগ্রহের সমস্যায় জর্জরিত রয়েছে। পাঞ্জাবের ভর্তুকি নির্ভরতা এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতি তাদের আর্থিক চাপে আরও ইন্ধন জুগিয়েছে।

    একইভাবে, কেরালার কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং ভর্তুকির ওপর উচ্চ ব্যয় এবং অন্ধ্রপ্রদেশের আর্থিক অব্যবস্থাপনা তাদের ঠেলে দিয়েছে তালিকার চতুর্থ সারিতে। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশের আর্থিক অবস্থার তীব্র অবনতি ঘটেছে, যা বাড়তি রাজস্ব ঘাটতি এবং হ্রাসপ্রাপ্ত রাজস্ব সংগ্রহের জন্য দায়ী। তবে, ছত্তিশগড় ও ঝাড়খণ্ড তাদের আর্থিক স্থায়িত্ব উন্নত করতে যেসব সংস্কার করেছে, তা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে তহবিলের উপযুক্ত ব্যবহার এবং উন্নয়ন ব্যয়ের বৃদ্ধিও।

    নীতি আয়োগ (NITI Aayog) কর্তৃক প্রকাশিত ফিসক্যাল হেলথ ইনডেক্স রিপোর্টটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার যা মূলত নীতিগত সংস্কারকে পথ দেখানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে। এটি রাজ্যগুলোকে টেকসই আর্থিক অনুশীলন গ্রহণে উৎসাহিত করে এবং পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যম বলেন, এটি একটি বিশ্লেষণমূলক রিপোর্ট যা দেখায় যে কোন রাজ্য কোন দিকে এগোচ্ছে। আমি মনে করি, এটি একটি সূচক হিসেবে কাজ করে, যা সমস্ত মানদণ্ডে তথ্য প্রদান করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: প্রজাতন্ত্র দিবসে সংঘাতের আশঙ্কা! ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যালার্ট জারি বিএসএফের

    BSF: প্রজাতন্ত্র দিবসে সংঘাতের আশঙ্কা! ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যালার্ট জারি বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে বাংলাদেশিরা। যদিও বিএসএফের পক্ষ থেকে ফাঁকা এলাকায় কাঁটাতার দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে বিএসএফ (BSF)। এই আবহের মধ্যে এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) বাংলাদেশ সীমান্তে অপ্রীতিকর ঘটনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। তাই, সেই আশঙ্কা থেকেই সেখানে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হল। বাংলাদেশ সীমান্তে অরাপেশন অ্যালার্ট জারি করেছে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ। উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি সীমান্তে দফায় দফায় মহড়া চালানোর নির্দেশ দিয়েছে বিএসএফের স্পেশাল ডিজির।

    ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সতর্কতা জারি (BSF)

    দেশের উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ৪০৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। সূত্রের খবর, অরক্ষিত এলাকায় বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তা নিয়েই চলছে চাপানউতোর। এমনিতেই কয়েকদিন আগেই সীমান্তে কাঁটাতার দিতে গিয়ে রাজ্যের একাধিক জেলায় সীমান্ত এলাকায় বিজিবি-র বাধার মুখে পড়েছে বিএসএফ। এমনকী, বাংলাদেশিরা এসে সীমান্তে গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করেছে। তবে, বিএসএফের (BSF) কড়া অবস্থানের ফলে বিজিবি পিছু হটতে বাধ্য হয়। তবে, ফের তারা সীমান্তে গন্ডগোল পাকাতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছে বিএসএফ। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই অবস্থায় ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে সীমান্তে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করার নির্দেশ বিএসএফের। বাহিনীর পূর্বাঞ্চলে কমান্ডের এডিজি তথা স্পেশ্যাল ডিজি রবি গান্ধি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সবক’টি সীমান্তের দায়িত্বে থাকা বর্ডার আউট পোস্টগুলিকে সতর্ক করেছেন। বিএসএফের পক্ষ থেকে জারি করা নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিএসএফকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। এই নির্দেশ নামাকে বিএসএফের পরিভাষায় নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপস অ্যালার্ট’ (OPS ALERT)।

    নির্দেশনামায় কী কী বলা হয়েছে?

    বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ও ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত বিএসএফের। এতে নিরাপত্তার আরও কড়াকড়ি ও বর্ডার (BSF) আউটপোস্টগুলিকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এই অপস অ্যালার্ট চলাকালীন প্যাট্রলিং সহ আরও অন্যান্য সক্রিয়তা বাড়াতে বলা হয়েছে। নির্দেশনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, সীমান্তে বারবার মহড়া চালাতে হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে হবে। প্রয়োজনে রাতে বাড়তি জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। বিএসএফ সূত্রে খবর, প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সীমান্তে পরিস্থিতি খারাপ করার জন্য ওপার থেকে উস্কানি আসতে পারে। পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের তরফে বলা হয়েছে এ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির বাসিন্দাদের ভালো করে বোঝাতে হবে। আর সেই দায়িত্ব নিতে হবে বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকদেরই। ইতিমধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের স্পেশাল ডিজি একাধিক বর্ডার আউট পোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এদিনের নির্দেশনামায় আরও বলা হয়েছে, একাধিক অংশ রয়েছে যেখানে কাঁটাতার নেই। সবথেকে বেশি নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে অরক্ষিত এলাকায়। আগামী সাতদিন এই এলাকাগুলিকে পাখির চোখ করে সবথেকে বেশি সতর্ক থাকতে হবে। কোনওভাবেই কোনও ফাঁদে যাতে কেউ পা না দেয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখতেও বলা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই বা নদী রয়েছে সেখানে নজরদারি বাড়াতে হবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অ্যালার্ট জারি রাখতে বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অস্থিরতা বেড়েছে। বাড়ছে অনুপ্রবেশে। শুধু তাই নয়, ইদানিং দেখা যাচ্ছে দেশজুড়ে পাসপোর্ট জালিয়াতি থেকে শুরু করে সইফ আলি খানকে ছুরি মারার ঘটনাতেই বেআইনিভাবে প্রবেশ করা বাংলাদেশের বাসিন্দাদের হাত রয়েছে। আনসারুল্লা বাংলার মতো জঙ্গি যোগ থাকা আল কায়দা গোষ্ঠীরও সক্রিয়তা বেড়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকারের আমলে পাকিস্তানের সক্রিয়তা বেড়েছে। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই প্রভাব বাড়াচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এই মুহূর্তে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে খুব সংবদেনশীল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share