Tag: West Bengal

West Bengal

  • Remal Cyclone: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’! বাংলায় প্রস্তুত ১৪টি এনডিআরএফের টিম

    Remal Cyclone: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’! বাংলায় প্রস্তুত ১৪টি এনডিআরএফের টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Remal Cyclone)! বাংলায় প্রস্তুত করা হয়েছে ১৪ টি বিপর্যয় মোকাবেলা টিম। ঠিক এমনটাই জানালেন বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনীর পূর্ব ক্ষেত্রের কমান্ডার। ইতিমধ্যে দুপুর থেকেই বৃষ্টি পড়ছে কলকাতায়। সমুদ্র উপকূলবর্তী দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। ইতিমধ্যে ঝড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টি বইতে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী ইতিমধ্যে ময়দানে নেমে পড়েছে।

    সুন্দরবন এলাকায় মানুষজন নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। জিনিসপত্র, গরু, বাছুর, ছাগল, মোষ, হাঁস, মুরগী নিয়ে নিকটবর্তী ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে এই ঝড়ের আতঙ্কে পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কট বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

    কী জানিয়েছন এনডিআরএফের কমান্ডার (Remal Cyclone)?

    রাজ্যের বঙ্গোপসাগরের তৈরি গভীর নিম্নচাপ এখন রেমাল (Remal Cyclone) নাম নিয়ে সুন্দরবন সহ সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়বে। বিপর্যয়ের মোকাবেলায় ইতিমধ্যে এনডিআরএফের বাহিনী নেমে পড়েছে। এনডিআরএফের পূর্বক্ষেত্রের কমান্ডার গুরমিন্দর সিং জানিয়েছেন, “আজ মধ্য রাতের মধ্যে রেমাল সমুদ্রউপকূলের ভূখণ্ডের উপর আছড়ে পড়বে। আইএমডির সর্তকবার্তা অনুযায়ী ঝড়ের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় জানা গিয়েছে ১২০-১৩০ কিমি হবে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হবে। ব্যাপক ভাবে ঝড় বৃষ্টি হবে। তবে সুপার সাইক্লোন বা আমফানের মতো হবে না। দুর্গত মানুষদের ইতিমধ্যে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    আর কী বললেন?

    এনডিআরএফের কমান্ডার এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “রাত ১২টা নাগাদ আছড়ে পড়বে রেমাল (Remal Cyclone)। কাঁচা বাঁধ রয়েছে এমন এলাকায় ১৪টি এনডিআরএফের টিম মোয়াতেন করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ২টি করে টিম পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে, একটি করে হাওড়া ও হুগলিতে টিম রাখা হয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই ২৪ পরগনা, সুন্দরবনের সাগর সংগলগ্ন এলাকার বেশকিছু অংশে এনডিআরএফ টিম মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা জায়গায় জায়গায় মাইকিং করেছি। এলাকার বিপন্ন মানুষদের দ্রুত সরানো হবে শিবিরে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে যাঁদের বাড়ি কাঁচা তাঁরা যেন দ্রুত পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেন। ত্রিপল, দড়ি সহ নানা সরঞ্জামের আয়োজন করা হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kartik Maharaj: “আমার সমাজ-সংস্কৃতির জন্য লড়ব, তাতে মৃত্যু হলে হবে”, মমতাকে তোপ কার্তিক মহারাজের

    Kartik Maharaj: “আমার সমাজ-সংস্কৃতির জন্য লড়ব, তাতে মৃত্যু হলে হবে”, মমতাকে তোপ কার্তিক মহারাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সন্ন্যাসীদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করায় বাংলার সন্ত-সাধু সমাজ মোটেই ভালো চোখে নেননি। মমতা গোঘাটের জনসভা থেকে ইসকন, রামকৃষ্ণ এবং ভারতসেবা আশ্রমের বিরুদ্ধে রাজনীতি করার অভিযোগ করেছিলেন। এই প্রসঙ্গে কার্তিক মহারাজের (Kartik Maharaj) নাম করে বলেন, “বুথে তৃণমূল এজেন্ট”-দের বসতে না দেওয়ার হুমকি দিয়ে রাজনীতি করছেন তিনি। প্রতিবাদে বঙ্গীয় সন্ত সমাজের উদ্যোগে খালি পায়ে ২৪ মে বাগবাজার থেকে বিবেকানন্দ রোড পর্যন্ত প্রতিবাদ সভা করেন। সভার একদিন পর একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে বিশেষ সাক্ষাৎকার দিয়ে কার্তিক মহারাজ মমতার বিরুদ্ধে তোপ দাগেন এবং একাধিক বিষয়ে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “আমার সমাজ-সংস্কৃতির জন্য লড়ব, তাতে মৃত্যু হলে হবে।”

    হুমায়ুকে শো-কজ কেন করেনি মমতা (Kartik Maharaj)?

    রাজ্যের মমতার সরকারের বিরুদ্ধে ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ সুর চড়িয়েছেন। মমতার বিরুদ্ধে মুসলমান তোষণ এবং ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj) মমতাকে নিশানা করে বলেন, “বাংলার মানুষ আমায় চেনে, গোটা বাংলার মানুষ আমার পিছনে রয়েছে। বহরমপুরের মানুষ জানেন কার্তিক মহারাজ কেমন। মমতা রাজ্যের প্রধান। পুলিশ, আইন সবই ওঁর পক্ষে। ওঁর আঁতে ঘা লেগেছে। আমি নিজে ১২টা স্কুল চালাই, যেখানে ৮০ শতাংশ মুসলিম ভাইরা পড়াশুনা করে। আমাদের সেবা প্রতিষ্ঠান সব সময় সেবা কাজ করে থাকে। সাহায্যের সময় ধর্ম, রাজনীতি কিছু দেখি না আমরা। আমাদের কাছে আমাদের সংস্কৃতি-ধর্ম আগে। তাই আমাকে কথা বলতেই হয়। আমাকে নিয়ে এত কথা বলেছেন মমতা, অথচ হুমায়ুন অত বড় কথা বললেন, কিন্তু পার্টি থেকে কোনও রকম শোকজ করা হয়নি। কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি বলেছিলেন ‘আমরা ৭০ শতাংশ, ওরা ৩০ শতাংশ, ভাসিয়ে দেব’। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেন না কেন মমতা? তবে আমি ডন নই যে আমার ৫০০ ছেলে রয়েছে। একা আমাকে নয়, রামকৃষ্ণ মিশন, ইসকন সবাইকেই আক্রমণ করেছেন মমতা।”

    আরও পড়ুনঃ বসিরহাটে তৃণমূলে ফাটল! “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”, ঊষারানীকে হুমকি মমতার

    চক্রান্ত দেশভাগের আগে থেকে চলছে

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj) বলেন, “দেশ বিভাজনের আগে থেকেই বাংলায় চক্রান্ত চলছে। শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীদের ওপর আক্রমণ হল, সেটা কেন হল? ইসকনের ওপরও আক্রমণ করা হয়েছে। আমি কার্তিক মহারাজ, আমি আমার ধর্ম, আমার সমাজ, সংস্কৃতির জন্য লড়ব। তাতে আমার মৃত্যু হলে হবে। রাজনীতির সঙ্গে ধর্মের সম্পর্ক আজ নতুন নয়। দীর্ঘ দশকের পর দশক ধরেই দেখা গেছে ধর্ম, বর্ণের ওপর নির্ভর করে প্রার্থী দেওয়া হয়। এমনকী বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় ভোটের আবহে। কিন্তু এবারের লোকসভা ভোটের শুরুতেই কংগ্রেসের ইস্তেহারকে মুসলিম লীগের ইস্তেহার বলে প্রধানমন্ত্রী যেমন আক্রমণ করেছিলেন, তেমন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গলাতেও শোনা গেছে রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘের মতো প্রতিষ্ঠানের রাজনীতির অভিযোগ। ভারতে নুন ছাড়া তরকারির মতো ধর্ম ছাড়া রাজনীতি হয় কিনা সেই নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: বসিরহাটে তৃণমূলে ফাটল! “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”, ঊষারানীকে হুমকি মমতার

    Mamata Banerjee: বসিরহাটে তৃণমূলে ফাটল! “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”, ঊষারানীকে হুমকি মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার সপ্তম দফায় ভোট বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের। এই কেন্দ্রে মধ্যে রয়েছে সন্দেশখালি। নারী নির্যাতন, হিন্দু মহিলাদের বেছে বেছে ধর্ষণ, জোর করে জমি দখল সহ একাধিক ইস্যুতে সাধারণ মহিলাদের ক্ষোভের আগুনে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি। বিজেপির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নির্যাতিতা মহিলাদের পাশে না দাঁড়িয়ে পক্ষাবলম্বন করেছিলেন শেখ শাহজাহানের। ইতিমধ্যে প্রতিবাদী মুখ বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের প্রচার ব্যাপক জমজমাট হয়ে উঠেছে এলাকায়। কিন্তু এই কেন্দ্রে ভোটের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সরাসরি তাঁর দলের বিধায়ক ঊষারানী মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। তিনি হাড়োয়ায় নির্বাচনী সভা থেকে দলের বিধায়ককে হুমকি দিয়ে বলেন, “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”।

    ঠিক কি বললেন মমতা (Mamata Banerjee)?

    এদিন নির্বাচনী প্রচারে এসে মমতা (Mamata Banerjee) দলের কর্মী-নেতা-বিধায়কদের কোন্দলকে আরও স্পষ্ট করে দেন। তিনি নিজের দলের মিনাখাঁর বিধায়ক উষারানী এবং তাঁর স্বামী মৃত্যঞ্জয় মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। কার্যত সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “পায়ে ধরে ক্ষমা না চাইলে কোনও জায়গা নেই দলে। তৃণমূলের এমএলএ থাকবেন আর মিটিংয়ে আসবেন না তা করা চলবে না। যতক্ষুণ ক্ষমা না চেয়ে পা ধরবে, ততক্ষুণ মুক্তি নেই। আপনি স্বামীকে নিয়ে দল বিক্রি করে দেবেন এমনটা দলে চলবে না। এটা মানবো না। তৃণমূল নেতা তৈরি করে, একটা যাবে তো লক্ষ নেতা তৈরি হবে। ব্লকে যারা আছে, জেলার যারা আছে তাদের তুলে ধরব।”

    আরও পড়ুনঃ ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    বিধায়ককে বাদ রেখে টিম গঠন

    এদিন দলের মধ্যে প্রকাশ্যে এই বিস্ফোরক মন্তব্যে ভোটের আগে একটা বড় ফাটল নজরে এসেছে। একই ভাবে এই বিধায়কে বাদ দিয়ে বিশেষ টিম গঠন করে দেন মমতা (Mamata Banerjee)। উল্লেখ্য ঊষারানী বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছেন বলে তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা অভিযোগ করে ছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এসএসসিতে গ্রুপ সিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাঁর মেয়ে। কিন্তু নিয়োগ বেআইনি হওয়ায় চাকরি বাতিল হয়েছে। মেয়ে ডি-র দাবিতে মিছলে যোগ দিয়েছিলেন। তাতেও শাসক দলের রোষানলে পড়তে হয়েছিল। অপর দিকে সন্দেশখালির বিজেপির প্রার্থী হিসাবে প্রধানমন্ত্রী রেখা পাত্রকে চয়ন করেছিলেন। ফলে বসিরহাটে শাসক দলের কোন্দলে বিজেপি কতটা বাজিমাত করবে সেই দিকেই নজর এখন ওয়াকিবহল মহলের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

  • Abhijit Ganguly: ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভোটের মধ্যেই প্রতিবাদ ধর্নায় বসলেন তমলুক বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। গতকাল শনিবার ছিল রাজ্যে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। এই পর্বে ছিল তমলুক, কাঁথি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর কেন্দ্র। একাধিক কেন্দ্রে পুলিশ সরাসরি তৃণমূলের হয়ে ভোট করিয়েছে বলে অভিযোগ করে ধর্নায় বসলেন এই প্রাক্তন বিচারপতি। তিনি স্পষ্ট ভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “পুলিশ তৃণমূলকে জয়ী করতে জুলুমবাজি করেছে।” সেই সঙ্গে একাধিক জায়গায় তাঁকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল। উল্লেখ্য এই বিচারপতির রায়ে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় একাধিক তৃণমূল নেতা-বিধায়ক-মন্ত্রী জেলে গিয়েছেন। একই ভাবে রেশন দুর্নীতি, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একাধিক বিষয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়ে ছিলেন তিনি।

    কী বললেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)?

    ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দার সেক্রেটারির বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালায়। এরপর সেখানে প্রতিবাদ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ধর্নায় বসেন। তিনি ধর্নায় বসে বলেন, “ময়নার পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা গৌতম গুরু নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। তাঁকে অপহরণ করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার রাত থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি তাঁর স্ত্রীর কাছে অভিযোগ পেয়ে বাড়িতে যাই। এখন গৌতমের বাড়িতে বসেই ধর্না বিক্ষোভ করব।”

    আরও পড়ুনঃ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    মূল অভিযোগ কী?

    ময়নার এই অঞ্চলটি তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়েছে। পুলিশ, অশোক দিন্দার সেক্রেটারির বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) অর্ডার দেখতে চান। পুলিশ সেরকম কোনও তথ্য দিতে পারেনি। ফলে তাঁর দাবি, এই ঘটনা পুলিশের অত্যাচার, ক্ষমতার অপব্যবাহার এবং জুলুমের সমতুল্য। এরপর পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ধর্নায় বসেন এই বিজেপি প্রার্থী। ভোটের মধ্যে এই ধর্না রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ইতি মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গণনাকেন্দ্রে ১০ ঘণ্টা কর্মীদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার নিদান দিলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গণনাকেন্দ্রে ১০ ঘণ্টা কর্মীদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার নিদান দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনাকেন্দ্রে দশ ঘণ্টা মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে হবে। এই ১০ ঘণ্টা দলীয় কর্মীদের। সেই সময় অন্য কিছু করা যাবে না। এমনকী দরকার হলে জল- বিস্কুট খেয়ে পড়ে থাকতে হবে। এমনই নির্দেশ দলীয় কর্মীদের দিলেন বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    আগামী ৪ জুন লোকসভা আসনের গণনা। বালুরঘাট কলেজে করা হয়েছে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম। সাতটি বিধানসভার ইভিএম রাখা হয়েছে সেখানে। এবারে প্রায় ১৮ রাউন্ড ভোটগণনা হবে। প্রায় প্রত্যেক রাউন্ডে ১৪টি টেবিলে গণনা হবে। এই গণনাকেন্দ্রের অন্যতম বড় ভূমিকা দলীয় কাউন্টিং এজেন্ট। বিজেপির তরফে ১১০জন কাউন্টিং এজেন্টকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। তবে, এবারের গণনাকেন্দ্রে যারা ইংরেজি জানেন ও অঙ্কে সাবলীল তাঁদেরকে কাউন্টিং এজেন্ট হিসেবে রাখছে বিজেপি। বালুরঘাটে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। যেখানে সুকান্ত’র পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী, তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু সহ অন্য বিজেপির জেলা নেতৃত্ব ও কর্মীরা। সেখানেই সুকান্ত দলীয় কর্মীদের গণনাকেন্দ্রের কাজ কী, তা খাতায় কলমে শেখান।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    গণনাকেন্দ্রে কর্মীদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার নিদান দিলেন সুকান্ত

    বৈঠকে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের কথা অনুযায়ী এবারে প্রায় ১০ ঘন্টা ধরে গণনা হবে। এই ১০ ঘণ্টায় কোনওভাবেই কাউন্টিং হল ছাড়া যাবে না। প্রয়োজনে চকোলেট ও জল খেয়ে মাঠে পড়ে থাকতে। বিগতদিনে দেখা গিয়েছিল, তৃণমূল গণনাকেন্দ্রে গন্ডগোল করার চেষ্টা করেছিল। এমনকী ২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল গণনাকেন্দ্রের ব্যালট বক্স লুট করেছিল। তাই এবার সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না। মাটি কামড়ে আমি ও দলীয় কর্মীরা গণনাকেন্দ্রে পড়ে থাকব।’ যদিও তৃণমূল জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকির দাবি, ‘গণনাকেন্দ্রে কারচুপি তৃণমূল নয়, বিজেপি করে। এরা ইভিএমেও কারচুপি করে। হেরে গেলে তখন তৃণমূলের উপর দোষ চাপায় বিজেপি। এটা ওদের পুরানো অভ্যাস।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Remal Cyclone: মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    Remal Cyclone: মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক ঘন্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Remal Cyclone) আছড়ে পড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায়। সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে, আশঙ্কায় মাথায় হাত পড়েছে সুন্দরবন এলাকার মানুষের। অন্যদিকে মানুষকে সতর্ক করার জন্য মাইকিং প্রচার করছে প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকেই এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী। গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার রাতের মধ্যেই ব্যাপক রূপ নেবে এই ঘূর্ণিঝড়।

    গোসাবায় প্রস্তুতি (Remal Cyclone)

    একেই কোটাল তাই ঘূর্ণিঝড়ে (Remal Cyclone) নদীর জলের স্তর বেড়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ঝড়ের সঙ্গে নদীর জলের গতিও বৃদ্ধি পাবে। নদী বাঁধগুলি ভেঙে চাষের জমিতে জল ঢুকে পড়ারা সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ভয়, আতঙ্ক এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে ব্যাপক। ফলে প্রশাসন সতর্ক হয়ে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। গোসাবা ব্লক এলাকার ১টি দ্বীপের ১৪টি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় নজর রেখেছে জেলা প্রশাসন। আবার গোসাবার একাধিক নদীর ধার সংলগ্ন এলাকার গ্রামের মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং সর্তকতা জারি করা হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স, এনডিআরএফ এবং সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশ জোরকদমে প্রচার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    ঝড় মকাবেলায় প্রস্তুতি হিঙ্গলগঞ্জে

    আবার ঘূর্ণিঝড় (Remal Cyclone) মোকাবেলার সবরকম প্রস্তুতি সেরে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হিঙ্গলগঞ্জের বিডিও। হিঙ্গলগঞ্জের এক গ্রামবাসী রেনুকা মন্ডল বলেন, “আগেও ঝড় হয়েছে আমাদের সব কিছু শেষ করে দিয়ে গিয়েছে। আইলা ঝড়ে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু সরকারের কোনও সহযোগিতা পাইনি। পঞ্চায়েত থেকে অনেককে ঘর দিলেও আমাকে দেয়নি। এইবার শুনেছি ঝড় আসবে। তাই খুব চিন্তার মধ্যে রয়েছি।” আরও এক মহিলা নমিতা মন্ডল  বলেন, “বড় ঝড় আছে শুনেছি। প্রচণ্ড আশঙ্কার মধ্যে রয়েছি। রাতটা এখন কীভাবে কাটবে সেই চিন্তার মধ্যে রয়েছি।” আইলা, আমফান, বুলবুল-এর মত ঘূর্ণিঝড় চোখের সামনে দেখেছে উপকূলবর্তী জেলাগুলি। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রচুর। বাড়ি ভেঙে পড়েছে, নদীর বাঁধ ভেঙে গ্রামের পর গ্রাম জল জলের তোরে ভেসে গিয়েছে, গ্রাম ছেড়ে থাকতে হয়েছে মাসের পর মাস। বাড়ি ভেঙে যাওয়ার পরেও সেই বাড়ির তৈরির ক্ষতিপূরণ আজও পায়নি বহু মানুষ। তাই আবার ঘূর্ণিঝড়ের কথা শুনে চিন্তায় মাথায় হাত হিঙ্গলগঞ্জের সুন্দরবন এলাকার মানুষের।

    আরও পড়ুনঃ রেমাল আতঙ্কে ২১ ঘণ্টা বন্ধ বিমান, বন্ধ ফেরি, বাতিল বহু লোকাল

    দিঘা-মন্দারমণিতে সতর্কতা জারি

    পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলের রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণিঝড়ে জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলার ২৫টি বিডিও অফিসে খোলা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবেলা দফতর। একই ভাবে চলছে বিশেষ নজরদারি। গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরে না যাওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলছে মাইকিং। সমুদ্রের জলে নামতে নিষেধাজ্ঞাজারি করা হয়েছে। তমলুকে খোলা হয়েছে বিশেষ সদর দফতর। কোলাঘাট, গেঁওখালি, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, খেজুরি, জুনপুট, মন্দারমণি, তাজপুর, শঙ্করপুর, দিঘায় চলছে বিশেষ নজরদারি। সবরকম বিপর্যয় মোকাবেলায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santipur: লোহার রড, শাবল দিয়ে বেধড়ক মার বিজেপির প্রধানকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Santipur: লোহার রড, শাবল দিয়ে বেধড়ক মার বিজেপির প্রধানকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাটি কাটার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হলেন বিজেপির প্রধান। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরের (Santipur) গয়েশপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং তাঁর ভাই। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Santipur)

     শান্তিপুর (Santipur) থানার গয়েশপুর পঞ্চায়েতের গঙ্গা সংলগ্ন বহু কৃষকের জমি ভাঙনে চলে গেছে নদীগর্ভে। এখন গঙ্গার ধারে চাষের যে জমি রয়েছে, শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আনোয়ার হোসেন মণ্ডলের নেতৃত্বে সেই সব কৃষকের জমি থেকে রাতের অন্ধকারে মাটি কেটে নেওয়া হয়। এমনই অভিযোগ গয়েশপুর এলাকাবাসীর। আনোয়ার হোসেন এলাকার ইটভাটার মালিক। শাসক দলের নেতা হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারে না। দিনের পর দিন তাঁর লোকজন মাটি কেটে নিয়ে যায়।  শুক্রবার রাতে তৃণমূল নেতা আনোয়ার হোসেনের ভাই অলি হোসেন মণ্ডল মাটি কাটছে জেনে এলাকাবাসী প্রথমে শান্তিপুর থানায় ফোন করে জানায়। একটি পুলিশ গাড়ি তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর বন্ধ থাকে মাটিকাটা।  এরপর পুলিশের গাড়ি চলে যাওয়ার পর আবারও মাটি কাটা হচ্ছে কিনা তা দেখতে এলাকাবাসীর  পক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা সহ গয়েশপুর পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল মণ্ডল সেখানে যান। বিজেপির প্রধানের ওপর হামলা চালানো হয়। লোহার রড, শাবল দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। বাইক ভাঙচুর করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রধান সহ কয়েকজন এলাকাবাসীকে উদ্ধার করে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে,  বিজেপির প্রধান শ্যামল মণ্ডলের হাত ভেঙে যায় ও মাথায় গুরুত্ব আঘাত লাগে।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকাবাসীর বক্তব্য, তৃণমূল নেতার মদতে প্রতিদিন রাতে এভাবেই অবৈধভাবে কৃষকদের জমির মাটি চুরি করা হয়। এমন কী ভয় দেখানোর জন্য অস্ত্রশস্ত্র মজুত রাখে ভাটায়। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে, সম্পূর্ণ ঘটনা ঘটনার কথা অস্বীকার করেন অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন মণ্ডলের ভাই সানোয়ার হোসেন মণ্ডল। তিনি বলেন, রাতের অন্ধকারে হঠাৎ এই প্রধান কয়েকজন দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে ভাটায় থাকা বিভিন্ন শ্রমিক এবং ড্রাইভারদের বেধড়ক মারধর করে। শ্রমিকরা প্রতিবাদ করেছে। কোনও হামলা চালানো হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chaterjee: “আমার ছেলেকে মেরে দেবে, নিয়ে যাও”, হিরণের হাত ধরে কাতর আর্জি মহিলার

    Hiran Chaterjee: “আমার ছেলেকে মেরে দেবে, নিয়ে যাও”, হিরণের হাত ধরে কাতর আর্জি মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেশপুরে তৃণমূল ভোট করতে দেবে না। কর্মীদের কাছে থেকেই আগাম জেনেছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। তবে, বুকে বল ছিল তাঁর। কারণ, প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে তৃণমূল কিছু করতে পারবে না। আর তাই ভোটের আগের রাতে এলাকা ঘুরে দেখতে গিয়ে হতাশ হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই বলে অভিযোগও করেছিলেন। আর ভোটের দিন দিনভর তৃণমূলের “লুঙ্গি বাহিনীর” উদ্দাম নৃত্য দেখলেন রাজ্যবাসী। এমনই দাবি বিজেপির। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি মারধরও করা হয়েছিল। বিজেপি প্রার্থীও কেশপুরে দফায় দফায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। হিরণকে সামনে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে বাঁচানোর আর্জি জানালেন মহিলারা।

    আমার ছেলেকে মেরে দেবে গো নিয়ে যাও, কাতর আর্জি মহিলার (Hiran Chaterjee)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘাটাল লোকসভার কেশপুরের পাঁওসা। ভোটের দিন দুপুরে গাড়ি নিয়ে সদ্য এলাকায় ঢুকলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। আর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর গাড়ি ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন গ্রামবাসীরা। চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। বুকে ভয়। মহিলারা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এক মহিলা বললেন, “রাম কে নিয়ে যান। নিয়ে যান আপনি। ওকে মেরে দেবে ওরা।” এক গ্রামবাসী বললেন, “ভোটের আগের রাত থেকে ওরা অশান্তি করছে। মহিলাদেরও ছাড়ছে না। আর আমাদের ওই ছেলেটিকে বলছে মেরে শেষ করে দেব।” আরও এক মহিলা কার্যত আতঙ্কে কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে বলেন, “আমার ছেলেকে মেরে দেবে গো তুমি ওকে নিয়ে যাও।” হিরণের হাত ধরে কার্যত অঝোরে কেঁদে ফেললেন মহিলারা। পাল্টা হিরণও আশ্বাস দিয়ে বলেন, “কিছু হবে না। আমি আছি। আমি থাকব।” কেশপুরের মহিলারা যখন চরম আতঙ্কে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, তখন ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারীকে দেখা গেল ভোটের পর আবির খেলতে। উচ্ছ্বাসে মাতলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    কেশপুরে ভোট লুট করেছে তৃণমূল!

    হিরণ (Hiran Chaterjee) বলেন, কেশপুরে ভোট লুট করেছে তৃণমূল। মানুষ নিজের ভোট দিতে পারিনি। আমি নিজে আক্রান্ত হয়েছি। দলীয় কর্মীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। আমি নিজে আক্রান্ত হয়েছি। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। তাই, কেশপুরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। আক্রান্তদের সঙ্গে আমি সবসময় পাশে রয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu AdhikarI: “কাঁথি-তমলুক বিজেপি জিতছে”, দিনভর তদারকি করে প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    Suvendu AdhikarI: “কাঁথি-তমলুক বিজেপি জিতছে”, দিনভর তদারকি করে প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনের গড় নন্দীগ্রাম। সেই নন্দীগ্রামের মাটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhijari)। তমলুক লোকসভার মধ্যে রয়েছে নন্দীগ্রাম। এই লোকসভায় তৃণমূল প্রার্থী করেছে দেবাংশু ভট্টাচার্যকে। এই আসনটি এবার বিজেপি-তৃণমূলের মানরক্ষার লড়াই। এমনকী নন্দীগ্রামে দিন কয়েক আগে ভোটপ্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক বদলার হুমকি দিয়ে আসেন। ফলে, এই আসনটিকে তিনি যে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন তা বলাবাহুল্য। তবে, ভোট পর্ব শেষে এই আসনে বিজেপি বাজিমাত করতে চলেছে। এমনই দাবি গেরুয়া শিবিরের।

    কাঁথি ও তমলুক বিজেপি জিতছে! (Suvendu Adhijari)

    শনিবার সকালে ভোট দিয়ে নন্দীগ্রামে নিজের দলীয় কার্যালয়ে বসে দিনভর ভোটের তদারকি করেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhijari) । ভোটগ্রহণ শেষে তিনি বলেন, ‘কাঁথি ও তমলুক বিজেপি জিতছে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় লোকসভায় যাচ্ছেন।’ এমনিতেই ভোটের দুদিন আগে নন্দীগ্রামে বিজেপির মহিলা কর্মীকে খুনের ঘটনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। অন্যদিকে, ভোটের দিন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানো হয়। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য দাবি করেন নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের সোনাচূড়ায় ছাপ্পা ভোট করাচ্ছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের লাইভ স্ট্রিমিংয়ের ভিডিও পোস্ট করে এই দাবি করেন তিনি। অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করে কমিশনের তরফে জানানো হয়, ওই বুথে ইভিএম খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেই খারাপ ইভিএম বদলানোর কাজ করছিলেন কমিশনেরই কর্মীরা। তাকেই ছাপ্পা হচ্ছে বলে পোস্ট করেছেন দেবাংশু। সঙ্গে, কী করে কমিশনের লাইভ স্ট্রিমিয়ের ফুটেজ দেবাংশু পেলেন তার তদন্ত শুরু করেছে কমিশন। মূলত, ছাপ্পার অভিযোগ করে মুখ পুড়েছে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যের।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    নন্দীগ্রামে বসেই মনিটরিং শুভেন্দুর              

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামে বসেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhijari) তমলুক লোকসভার একাধিক বিধানসভা তিনি মনিটরিং করেন। আর দলীয় প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এলাকা চষে বেড়়ান। কোথায় কোন এজেন্ট বসবে, বুথ ক্যাম্পে কর্মীদের জমায়েত সবই নিজে হাতে তদারকি করেছেন বিরোধী দলনেতা। শুধু, তমলুক নয়, কাঁথি আসনও ছিল তাঁর পাখির চোখ। ফলে, ভোটের শেষে দুটি কেন্দ্রে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস ফুটে উঠেছে তাঁর চোখে মুখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: অভিষেকের গড়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: অভিষেকের গড়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকপোল করতে আসা বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবারে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানালেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) ফকির চাঁদ কলেজে চলছিল মকপোল। আর সেই সেখানেই ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাসের হয়ে মকপোল করতে আসেন ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী অনুপম রায় ও তাঁর সঙ্গীরা। তখনই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা চড়াও হয় তাঁদের ওপর। তাঁদেরকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী বলেন, বিজেপি প্রার্থীর হয়ে মকপোল করতে আসা আমাদের দোষ। ওরা চর-কিল -ঘুষি-লাথি মারার পাশাপাশি আমাদের মোবাইল ফোন এবং টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়। এই বিষয় নিয়ে ডিএম থেকে শুরু করে এসপি প্রত্যেকের কাছে অভিযোগ জানালেও কোনই পদক্ষেপ নেয়নি।

    আরও পড়ুন: ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে ছোড়া হল ইট, গাড়ি ভাঙচুর,পালাল জওয়ানরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    বিজেপি প্রার্থী কী বললেন?

    শনিবার ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) থানায় যান বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ডায়মন্ডহারবার থানায় এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করবে। তবে এই বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী ও অভিজিৎ দাস বলেন, ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় ভাইপো অভিষেকের দুষ্কৃতী বাহিনীর সন্ত্রাসের আতঙ্কিত হয়ে রয়েছে এলাকার মানুষজন। বিরোধী কর্মীদেরকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ অতি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে না এটাই স্বাভাবিক। এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এই বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানাবো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share