Tag: West Bengal

West Bengal

  • BSF: নেই কাঁটাতার, তার ওপর শীতকাল! অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের

    BSF: নেই কাঁটাতার, তার ওপর শীতকাল! অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার সময় থেকে শুরু। একঝাঁক হিন্দু চলে এসেছিল এই দেশে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, ১৯৭১ তপ্ত সময়ে কাঁটাতারের বেড়া টপকে বহু অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে ভারতে। অগাস্ট মাসে শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার পরেই ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তারপরেই বাড়ে অনুপ্রবেশের ঘটনাও। যা সম্প্রতি সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির পরে আবার নতুন করে ভাবাচ্ছে সরকারকে। বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সমস্যা, কেবল কোনও ঘটনাকেন্দ্রিক নয়। এই সমস্যা সারা বছরের। গোটা বছরেই সেনাকে ফাঁকি দিয়ে, জঙ্গল-জল পেরিয়ে ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় চলে আসে বহু মানুষ। ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর (BSF) কাঁধে। তাহলে কেন বার বার সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে ঢুকে পড়ছে বাংলাদেশিরা? কী ভাবে, কোন পথেই বা ঘটছে অনুপ্রবেশ?

    কোথা দিয়ে কীভাবে ঘটে অনুপ্রবেশ? (BSF)

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh) যতটা সীমান্ত এলাকা রয়েছে, তার অনেকটাই পড়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে। পশ্চিমবঙ্গে মূলত রয়েছে উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার, দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার (BSF) এবং খানিকটা অংশ পড়ে গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের আওতায়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুপ্রবেশের একটা বড় কারণ হল বিশাল অংশের অরক্ষিত সীমান্ত। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও, অনেকটা বড় অংশেই নেই কোনও বেড়াজাল। যেখান দিয়ে অনায়াসে রাতের অন্ধকারে ঘটে অনুপ্রবেশের ঘটনা।

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে শীত! কলকাতায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে পারদ, বঙ্গে তাপমাত্রা নামল ১০-এর নিচে

    কতটা এলাকা কাঁটাতারহীন রয়েছে?

    সরকারি তথ্য বলছে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের (BSF) অধীনে বাংলাদেশ সীমান্ত ২ হাজার ২১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। এর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে স্থল সীমান্ত রয়েছে ৯১৩.৩২৪ কিলোমিটার এবং জলসীমান্ত আছে ৩৬৩.৯৩০ কিলোমিটার। তার মধ্যে ৫৩৮ কিলোমিটার এলাকায় কোনও কাঁটাতার নেই। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে স্থলসীমান্ত রয়েছে ৯৩৬.৭০৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩৭৫ কিলোমিটার অংশই কাঁটাতারহীন। গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ার অধীনস্থ কোচবিহারে ১৭৭ কিমি সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১১০ কিলোমিটার স্থল সীমান্ত এবং প্রায় ৬৭ কিলোমিটার জল সীমান্ত। কোচবিহারে প্রায় ৫০ কিলোমিটার সীমান্ত কাঁটাতারহীন জায়গা। অর্থাৎ প্রায় ৯৬৩ কিলোমিটার অংশই কাঁটাতার বিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই ফাঁক গলেই প্রতিদিন ভারতে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। সরকারি তথ্য বলছে বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনস্থ এলাক.ধরা পড়েছে ১২২০ জন। ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে গত দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে সংখ্যাটা আরও বেড়ে গিয়েছে বলেই দাবি বিএসএফের।

    কী ভাবে ঘটে অনুপ্রবেশ?

    সীমান্ত লাগোয়া বাসিন্দাদের দাবি, অরক্ষিত সীমান্ত (BSF) দিয়ে চলে অনুপ্রবেশ। রাতের অন্ধকারে যখন কুয়াশার চাদরে দৃশ্যমানতা কমে আসে, তখন জল পথে ভারতে প্রবেশ করে অনুপ্রবেশকারীরা। ভারতের ভূখণ্ডে উঠেই জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চোরা পথে চলে যায় নিজেদের গন্তব্যে। কাছেই আছে বড় রাস্তা। তাই পালানো হয়ে ওঠে আরও সহজ। কোথাও রয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব তো কোথাও আবার পুলিশকে ঘুষ দিয়ে পগারপার হয় অনুপ্রবেশকারীরা। মূলত এই কারণেই শীতকালকে ব্যবহার করেন অনুপ্রবেশকারীরা। তা ছাড়া শীতের শুরুতে জলসীমান্তের নদীগুলিতেও জলস্তর নামতে থাকে। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া নদীপথ পেরিয়ে নদীপারের ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়েও ভারতে প্রবেশ করেন অনেকে।

    কোন কোন এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ?

    উত্তরবঙ্গের মহানন্দা আর দক্ষিণবঙ্গের জলঙ্গি ও ইছামতী নদীকে অনুপ্রবেশের ‘হটস্পট’ বলেও চিহ্নিত করেছেন বিএসএফ (BSF) কর্তারা। গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন প্রায়ই রাতে চলে এই অনুপ্রবেশ। মালদা সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি বাংলাদেশের ভোলাহাট, শিবগঞ্জ, চাঁপাই, যশোর, নবাবগঞ্জের মতো এলাকা থেকেই ভারতের হয়ে হবিবপুর হয়ে নিয়মিত চলে অনুপ্রবেশ। তেমনই দক্ষিণবঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এলাকাতে ইচ্ছামতী নদীর অংশের ব্যপারটাও অনেকটা একইরকম। কেউ কেউ বলছেন পরে আবার স্থানীয় নেতা-মন্ত্রীকে ঘুষ দিয়ে করে নিচ্ছে জাল পরিচয় পত্র থেকে ঘরবাড়িও।

    সক্রিয় দালালচক্র!

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে দু’দেশের ‘দালাল’দেরও বিশেষ ভূমিকা থাকে। সে দেশের পুলিশের নজর এড়িয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্তের গন্তব্যে পৌঁছে দেন ও পারের দালালরা। এর পর ওয়াকিটকির মাধ্যমে এ পারের দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদেরই সহায়তায় ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ থেকে অরক্ষিত সীমান্ত এবং জঙ্গলঘেরা নদীপথ দিয়ে অবৈধভাবে বাংলায় প্রবেশ করেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। অনুপ্রবেশের পর মূলত দালালচক্রই অর্থের বিনিময়ে আধার, ভোটার এবং প্যান কার্ড বানিয়ে দেন বাংলাদেশি নাগরিকদের।

    কী বলছে বিএসএফ?

    বিএসএফ-(BSF) এর উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ইনস্পেক্টর সূর্যকান্ত বলেন, “ফাঁসিদেওয়ার আশেপাশে অনেক কাঁটাতারহীন এলাকায় ইতিমধ্যেই কাঁটাতার বসানো হয়ে গিয়েছে। বাকি অংশেও বসানোর কাজ চলছে। বড় বড় ফাঁকা অংশেও ফেন্সিং-এর কাজ চলছে।” জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধ করার জন্য প্রহরা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে। নজরদারি চালানো হচ্ছে থার্মাল ক্যামেরা, নাইট ভিশন ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে। সীমান্তে পারাপারের জায়গায় বসানো হয়েছে বায়োমেট্রিক মেশিন। বসানো হয়েছে অ্যালার্ম। বিএসএফের এক কর্তা বলেন, “সীমান্তে টানা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে অগাস্টের পর থেকে ও পার থেকে সংখ্যালঘুদের এ পারে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নিয়ে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)-র সঙ্গে আলোচনা করে ওই সমস্ত সমস্যা মেটানো হচ্ছে। আর ফেন্সিং (কাঁটাতার)-এর জন্য জমি অধিগ্রহণে রাজ্য সরকারেরও ভাল সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। ফ্রন্টিয়ারের অধীনে থাকা মোট সীমান্তের ১০ শতাংশে ফেন্সিং নেই। খুব শীঘ্রই সেই জায়গাগুলোতে ফেন্সিং লাগানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: বাংলাদেশে লুট হওয়া অস্ত্রে ভারতে হামলার ছক! সীমান্তে অ্যালার্ম বসাল বিএসএফ

    BSF: বাংলাদেশে লুট হওয়া অস্ত্রে ভারতে হামলার ছক! সীমান্তে অ্যালার্ম বসাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার চলছে। বাংলাদেশের অস্ত্রাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জঙ্গিদের ভারতে হামলার ছক রয়েছে।  এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে কড়া নজরদারি রয়েছে বিএসএফের। এর পরেও ঘটছে সীমান্তে অনুপ্রবেশ। দুদিন আগেই হলদিবাড়িতে এক বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার হওয়ার পরে উঠছে প্রশ্ন। নজরদারি বাড়াতে আরও উদ্যোগ নিল বিএসএফ (BSF)।

    ‘ইনফ্রারেড ইনট্রুডার অ্যালার্ম’- কী?(BSF)

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে ‘ইনফ্রারেড ইনট্রুডার অ্যালার্ম’ ব্যবস্থায় নজরদারি শুরু করা করেছে। বিএসএফ জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মেখলিগঞ্জ সীমান্তের মতো উন্মুক্ত সীমান্তের কয়েকটি জায়গায় ‘ইনফ্রারেড ইনট্রুডার অ্যালার্মও’ ব্যবহার করা হচ্ছে। বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের ৪০ নম্বর ব্যাটেলিয়নের অধীনে কুচলিবাড়ি পঞ্চায়েতের কলসীপাড়া, বিআরকে বাড়ি-সহ কয়েক কিলোমিটার সীমান্তে ওই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি নির্দিষ্ট দূরত্বে বসানো হয়েছে ওই যন্ত্র। বিএসএফ জানিয়েছে, ওই যন্ত্র থেকে ‘ইনফ্রারেড আলো’ বের হয়। আপাতদৃষ্টিতে অদৃশ্য সেই আলোক রশ্মি কোনও প্রাণী বা বস্তুতে ‘বাধাপ্রাপ্ত’ হলে বিএসএফের শিবিরে থাকা স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ম বেজে উঠবে। তাতে সতর্ক হবেন জওয়ানেরা। বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের ডিআইজি, ব্রিগেডিয়ার বিজয় মেহতা বলেন, “অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নজরদারি চালাতে এই বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাতে যথেষ্ট সাফল্যও মিলছে।” বিএসএফের স্থানীয় আধিকারিকরা জানান, কুচলিবাড়ির প্রায় ১৭-১৮ কিলোমিটার এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিশেষ সেই নজরদারি ব্যবস্থায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলিতেও তা বসানো হবে।

    লুট হওয়া অস্ত্র নিয়ে ভারতে হামলার ছক!

    অনুপ্রবেশের আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে মালদা-সহ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক এলাকায়। আর এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের অস্ত্রাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জঙ্গিরা অনুপ্রবেশ করতে পারে ভারতে। আর তা মালদা সীমান্ত হয়ে ভারতে ঢোকার জোর সম্ভাবনা আছে বলে জানা গিয়েছে। আর এই সমস্ত সীমান্ত (BSF) দিয়েই জঙ্গি অনুপ্রবেশ করতে পারে। এই আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে মালদার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের হবিবপুর ব্লকের যাদব নগর, আইহো সহ একাধিক এলাকার বাসিন্দাদের। সীমান্ত এলাকার এই সমস্ত বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁরা আতঙ্কে রয়েছেন। সূর্য ডুবলেই কেউ আর বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: একটি বাবরি মসজিদের পাল্টা মুর্শিদাবাদে ২২টি রাম মন্দির করা হবে, ঘোষণা হিন্দু সেনার

    Ram Mandir: একটি বাবরি মসজিদের পাল্টা মুর্শিদাবাদে ২২টি রাম মন্দির করা হবে, ঘোষণা হিন্দু সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির কথা বলেছেন হুমায়ুন কবীর। পাল্টা মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) প্রতিটি বিধানসভায় একটি করে রাম মন্দির তৈরি করা হবে, দাবি করলেন বঙ্গীয় হিন্দু সেনার সভাপতি অম্বিকানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরি হোক, তাতে কোনও আপত্তি নেই। তবে তাঁরা জেলার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) আদলে একটি করে মন্দির তৈরি করবেন। বঙ্গীয় হিন্দু সেনার সভাপতি যা বলেছেন, তাতে জেলায় ২২টি রাম মন্দির তৈরি করা হবে।

    বঙ্গীয় হিন্দু সেনার সভাপতি আর কী বললেন? (Ram Mandir)

    ভিডিও বার্তায় বঙ্গীয় হিন্দু সেনার সভাপতি অম্বিকানন্দ মহারাজ আরও বলেছেন, ‘‘মাই ডিয়ার হুমায়ুন কবীর, আপনি ঘোষণা করেছেন যে বেলডাঙায় নাকি একটি বাবরি মসজিদ তৈরি করবেন। সেটার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন ২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর। বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য আপনাকে আগাম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি হুমায়ুন সাহেব। আপনি বাবরি মসজিদ বানান। বেলডাঙার মাটিতেই বানান। আপনাকে আমরা আমন্ত্রণ জানাব, মুর্শিদাবাদের প্রত্যেক বিধানসভায় একটি করে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করার জন্য। মুর্শিদাবাদের প্রত্যেক বিধানসভায় একটি করে রাম মন্দির তৈরি করব।’’

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    বাবরি মসজিদ নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির বিষয়ে নিজের অবস্থানে অনড় আছেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন। তিনি বলেছেন, ‘‘আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ। আমি ইসলাম ধর্ম মেনে চলি। আমার মসজিদ বানানোর অধিকার আছে। ভারতবর্ষের সমস্ত নিয়ম মেনে আমি মসজিদ তৈরি করব। আর তাই এই বিষয়টানিয়ে কে কী বললেন, তাতে আমার যায় আসে না। তাঁদের প্রশ্নেরও উত্তর দেওয়ার কোনও প্রয়োজন বোধ করি না।’’ সেই সঙ্গে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক জানিয়েছেন, বাবরি মসজিদ উদ্বোধনের সময় যিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন, তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। সেই সময় যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন, তাঁর কাছেও আমন্ত্রণ যাবে।

    রাম মন্দির তৈরির পক্ষে সওয়াল করল বিজেপি

    অন্যদিকে, বুধবার বিজেপির মুর্শিদাবাদ দক্ষিণ জেলার সভাপতি শাখারভ সরকার সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করলেন যে মুর্শিদাবাদের আগামী ৬ ডিসেম্বর ২০২৫, নাহলে ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করবেন। আসলে মুর্শিদাবাদ জেলায় একটি রাম মন্দিরের প্রয়োজন আছে। এর ভিত্তি স্থাপন অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন। ইতিমধ্যেই বহরমপুর থেকে বেলডাঙা এবং জঙ্গিপুরের মধ্যে চারটি জমির খোঁজ এসেছে। তবে, মন্দির কোথায় করা হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দিঘায় ছুটি উপভোগ করুন”, কোটি টাকার খোঁচা দিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “দিঘায় ছুটি উপভোগ করুন”, কোটি টাকার খোঁচা দিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার দিঘা সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জগন্নাথ মন্দিরের কাজ পরিদর্শনে করে তিনদিনের সফরের সিংহভাগ সময় কাটানোর কথা তাঁর। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু মনে করিয়ে দিলেন, অতীতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা থেকে অধিকারীদের উৎখাতের যে ডাক দিয়েছিলেন মমতা। তা জেলার মানুষ মেনে নেননি। ফলে, মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    কোটি কোটি খরচ! (Suvendu Adhikari)

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “প্রতি বছরের মতো এবারও মুখ্যমন্ত্রী শীতকালীন ছুটি উপভোগ করতে দিঘায় এসে গিয়েছেন। ভালো কথা, উনি সমুদ্র সৈকতে ঘুরুন, জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজের অগ্রগতির তদারকি করুন এবং আনন্দের সঙ্গে তিন দিনের ছুটি উপভোগ করুন। নচেৎ ওনার নিরাপত্তায় ৩২৮০ জন পুলিশ কর্মী মোতায়েনের জন্য বরাদ্দ কোটি কোটি টাকা বৃথা যাবে।” জানা গিয়েছে, দিঘা সফরে জগন্নাথ মন্দির পরিদর্শনের পাশাপাশি জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলরা কথা রয়েছে তাঁর। এমনকী, দিঘার সমাগ্রিক উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ানও নেওয়ার কথা প্রশাসনের কর্তাদের থেকে।

    দিঘায় ছুটি উপভোগ করুন, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “এত কিছু করেও চিঁড়ে বিশেষ ভিজবে না। পূর্ব মেদিনীপুরের জাতীয়তাবাদী, রাষ্ট্রবাদী মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখান করেছেন। লোকসভা ভোটে অধিকারী মুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু মানুষ পিসি-ভাইপো (মমতা-অভিষেক) মুক্ত করেছে। বিজেপি শুধু তমলুক এবং কাঁথির দুটি লোকসভা কেন্দ্রেই জয়ী হয়নি, জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৫টিতেও এগিয়ে রয়েছে। তাই, দিঘায় ছুটি উপভোগ করুন। রাজনীতি থেকে বিরত থাকুন। আপনার দল (তৃণমূল) পুলিশ-প্রশাসনের দৌলতে টিকে আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান এবং হামাসের একটি সংস্করণ’’, উৎখাতের ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান এবং হামাসের একটি সংস্করণ’’, উৎখাতের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। প্রকাশ্যে মিছিল করছে জঙ্গি সংগঠন। এমনকী, মহিলাদের বাজারে যাওয়া বন্ধ করার ফতোয়া জারি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান এবং হামাসের একটি সংস্করণ। এই সরকার আসলে জঙ্গিদের দ্বারা পরিচালিত। এই ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে বাংলাদেশের তদারকি সরকারকে উৎখাত করার ডাক দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ইউনূস সরকারকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    বাংলাদেশের অন্তবর্তী ইউনূস সরকারকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘পরিকল্পিতভাবে ওপার বাংলায় সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে। ওদের উদ্দেশ্যই হল সংখ্যালঘুদের সে দেশ থেকে উৎখাত করা। কী সাহস ইউনূস সরকারের। বলছে চার ঘণ্টায় কলকাতা দখল করে নেবে। আমাদের দু’টো রাফাল বাংলাদেশে ফেললেই কাজ হয়ে যাবে। তাই, এত বড় বড় আওয়াজ দেবেন না। সেই আওয়াজ বন্ধ করার ওষুধ আছে আমাদের কাছে।’’

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    মৌলবাদী সরকারকে উৎখাতের ডাক

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সরকার। এই সরকারটা (Yunus Government) মৌলবাদীদের দ্বারা পরিচালিত। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। পৃথিবীর কোথাও এমন ঘটনা ঘটে না। কেবল একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের অধ্যুষিত দেশগুলোতেই এই ধরনের গা-জোয়ারি দেখা যায়। আমি বিশ্বাস করি, আমেরিকা ও ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশগুলি সম্মিলিতভাবে জঙ্গি পরিচালিত বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাত করবে। জঙ্গিবাদকে নিকেশ করবে।’’ তারপর শুভেন্দুর সংযোজন, ‘‘বাংলাদেশের ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান ও হামাসের একটা সংস্করণ। দ্রুত এই জঙ্গি মৌলবাদী সরকারকে উৎখাত করা দরকার।’’

    ভারতের অবদান স্মরণ করালেন শুভেন্দু

    ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ বাঙালি শহিদ হয়েছেন। ১৭ হাজার ভারতীয় সৈন্য শহিদ হয়েছেন। আর আজ তারা মুখে বড় বড় কথা বলছে। করোনার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশকে বিনামূল্যে প্রতিষেধক টিকা দিয়েছিলেন। ওদের বড় বড় কথা সব বন্ধ হয়ে যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: কয়লা কাণ্ডে চার্জ গঠন, সিবিআই আদালতে হাজির মূল অভিযুক্ত লালা সহ ৪৮

    CBI: কয়লা কাণ্ডে চার্জ গঠন, সিবিআই আদালতে হাজির মূল অভিযুক্ত লালা সহ ৪৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নানা কারণে বেশ কয়েকবার পিছিয়ে যাওয়ার পরে, শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার আসানসোল সিবিআই (CBI) আদালতে কয়লা পাচার (Coal Smuggling) মামলার চার্জ গঠন হল। মঙ্গলবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে অনুপ মাজি ওরফে লালা-সহ মোট ৪৮ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়। গত ২৫ নভেম্বর বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেই মতো এই মামলায় চার্জশিটে নাম থাকা সব অভিযুক্তই এদিন সশরীরে আদালতে হাজির ছিলেন। জেলে থাকা বিকাশ মিশ্র ভার্চুয়ালি হাজিরা দেন। এছাড়াও আরও দুজন এদিন ভার্চুয়ালি শুনানিতে অংশ নেন।

    কী হল আদালতে? (CBI)

    কয়লা পাচার মামলায় সিবিআই (CBI) মোট তিনটি চার্জশিট আসানসোল সিবিআই আদালতে জমা দিয়েছে। তাতে ৫০ জনের নাম আছে। তার মধ্যে অন্যতম অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র এখনও ফেরার। তাঁকে সিবিআই ধরতে না পারায়, চার্জশিটে পলাতক দেখানো হয়েছে। শুনানি চলাকালীন একজন মারা গিয়েছেন। যে কারণে সিবিআইয়ের মোট ৪৮ জনের নামে চার্জ গঠন করার কথা। ইতিমধ্যেই চার্জ গঠনের প্রক্রিয়ায় কার বিরুদ্ধে কোন ধারা দেওয়া হয়েছে তা আদালতে জানিয়েছে সিবিআই। এই ৪৮ জনের মধ্যে ব্যক্তিগত বা ইনডিভিজুয়াল তিনজনের নামে চার্জ গঠনের কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল এই বিকাশ মিশ্র। বাকি দুজন হল অনুপ মাজি ওরফে লালা ও রত্নেশ্বর ভার্মা ওরফে রত্নেশ।

    পরবর্তী শুনানি কবে?

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, চার্জ গঠনের (CBI) প্রক্রিয়াকে মোট পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটিতে রয়েছে লালা, রত্নেশ ভার্মা এবং বিকাশের নাম। এই তিন জনের বিচারপ্রক্রিয়া আলাদা ভাবে হবে। কারণ, কয়লা পাচার মামলায় যত অভিযোগ উঠেছে, তার সব ক’টিতেই ওই তিন জনের যোগ রয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ কোলিয়ারির ম্যানেজার, কেউ নিরাপত্তারক্ষী, কেউ বা আবার স্থানীয় দোকানদার। চার্জশিটে সিবিআই দাবি করে যে, অভিযুক্তরা প্রায় ৩১ লক্ষ মেট্রিক টন কয়লা চুরি এবং পাচার করেন। এর ফলে সরকারের ১৩৪০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয় বলে জানানো হয়। ২০১৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই চুরি এবং পাচারের ঘটনা ঘটে বলে জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিন সওয়াল-জবাব শেষে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী জানিয়ে দেন এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি। সেদিন থেকে এই মামলার ট্রায়াল শুরু হবে। ওইদিন সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুই সাক্ষীকে সিবিআই আদালতে ডাকা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ঘন কুয়াশার সতর্কতা ৮টি জেলায়, সপ্তাহান্তে রাজ্যে আরও নামবে পারদ

    Weather Update: ঘন কুয়াশার সতর্কতা ৮টি জেলায়, সপ্তাহান্তে রাজ্যে আরও নামবে পারদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রা নামার ইঙ্গিত দিল হাওয়া অফিস (Weather Update)। আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গে আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গের জন্যও একই ইঙ্গিত মিলেছে। বেশিরভাগ সময়ই জেলাগুলিতে থাকবে ঘন কুয়াশার দাপট। ইতিমধ্যেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি হল দার্জিলিং-সহ উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায়। কুয়াশার চাদরে ঢাকবে দক্ষিণের তিন জেলাও। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার পর তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    কবে থেকে পারদ কমবে? (Weather Update)

    চলতি সপ্তাহের শেষেই ১৫ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলবে কলকাতার পারদ। এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update)। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে মঙ্গলের সকালেও সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা (Winter) ছিল পুরুলিয়ায়। তাপমাত্রা ছিল ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া, ঝাড়গ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি, কল্যাণীতে ১৫.২ ডিগ্রি, শ্রীনিকেতনে ১৩.৬ ডিগ্রি, কৃষ্ণনগরে ১৩.২ ডিগ্রি, বর্ধমানে ১৩.৬ ডিগ্রি, দমদমে ১৭.০ ডিগ্রি এবং বাঁকুড়ায় ১৫.১ ডিগ্রি। বুধবার থেকেই তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১০ ডিগ্রি বা তারও নীচে নামতে পারে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা খানিকটা কমবে। শনিবারের মধ্যে তিন থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পারদ নামতে পারে শহরে। সপ্তাহের শেষে ফিরবে শীতের আমেজ।

    দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ফের দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এই নিম্নচাপ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। এর অভিমুখ থাকবে শ্রীলঙ্কা এবং তামিলনাড়ুর উপকূলের দিকে। এই কারণে দক্ষিণবঙ্গে শীতকে আরও কিছুটা পিছিয়ে দিয়েছে। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হচ্ছে না বলে জানিয়েছে আলিপুর।

    কুয়াশার দাপট কোন কোন জেলায়?

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা সহ বাকি জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়লে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। তবে কোথাও কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণবঙ্গেও বুধবার সকালে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের কিছু কিছু জায়গা ঘন কুয়াশায় ঢাকতে পারে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় বুধবার সকালে ঘন কুয়াশা থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং মালদায় কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। সে জন্য সকালের দিকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে কুয়াশার হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আবাস নিয়ে তৃণমূলের ব্যাপক দুর্নীতি! পুরুলিয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    BJP: আবাস নিয়ে তৃণমূলের ব্যাপক দুর্নীতি! পুরুলিয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনার (Awas Yojana) তালিকা তৈরি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। তার জেরে এর আগে বাতিল হয়েছিল গ্রামসভা। এ বারে সেই আবাসের তালিকা তৈরিতে দুর্নীতির অভিযোগ এনে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে চলল বিক্ষোভ। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ১ ব্লকের শাঁকা পঞ্চায়েতের ঘটনা। মূলত বিজেপির (BJP) স্থানীয় নেতৃত্বের তরফে আয়োজিত ওই বিক্ষোভে শামিল হন এলাকার শতাধিক মহিলা।

    ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ (BJP)

    বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাধারণ মহিলারা ঝাঁটা হাতে পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের মধ্যে বাঘাডাবর গ্রামের চিন্তা মাহালি, বারমেস্যা গ্রামের বিজলা হেমব্রমরা বলেন, “আমাদের কাঁচা বাড়ি আছে। দিনমজুরি করে সংসার চলে। প্রথমে তালিকায় নাম থাকলেও পরে বাদ গিয়েছে। কেন আমাদের নাম বাদ গিয়েছে, তার উত্তর নিতেই পঞ্চায়েতে এসেছি।” পঞ্চায়েত সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ১৭১৯ জন উপভোক্তার নাম ছিল আবাসের তালিকায়। শেষমেশ তা ঠেকেছে ৮১৭ জনে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ও বিজেপির অভিযোগ, দ্বিতীয় দফার সমীক্ষা যথাযথভাবে হয়নি। যাঁরা দুঃস্থ, কাঁচা ভাঙা বাড়িতে বসবাস করে, তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। পরিবর্তে এমন অনেকের নাম রয়েছে, যাঁরা যথেষ্ট সচ্ছল।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির (BJP) স্থানীয় নেতা সন্তু তেওয়ারি বলেন, ‘‘প্রথম বার সমীক্ষা শেষে আবাস তালিকা প্রকাশের পরে তাতে গোলমাল নজরে এসেছিল। আমাদের তৎকালীন পঞ্চায়েত প্রধান গোটা রাত ব্লক অফিস চত্বরে বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। এ বারে ফের সমীক্ষার পরে দেখা যাচ্ছে, যোগ্যদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, বিজেপির প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য থেকে কর্মীদের অনেকে ভাঙা বাড়িতে থাকলেও তাঁদের নাম তৃণমূলের চাপে প্রশাসন বাদ দিয়েছে। অভিযোগ মানতে নারাজ পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধা তৃণমূলের সুপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘দ্বিতীয় দফ সমীক্ষা তথা সুপার সার্ভে সবটাই ব্লক প্রশাসন করেছে। পঞ্চায়েতের কোনও ভূমিকাই ছিল না।’’ ব্লকের সমাজকল্যাণ দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আধিকারিক কল্যাণপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘তালিকা প্রকাশের পরে যাঁরা নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জনের নাম তালিকায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু গ্রামসভার দিনে গ্রামবাসী তা ব্যাখ্যা করার সুযোগটাই দেননি।’’  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা বাসিন্দাদের দেখাল বিএসএফ

    BSF: অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা বাসিন্দাদের দেখাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই উত্তাল বাংলাদেশ। হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত হামলার ঘটনা ঘটছে। কলকাতা দখলের হুমকি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দফতরও সক্রিয়। এই আবহের মধ্যে রাজ্যের উত্তরবঙ্গ সীমান্তে বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল। যুদ্ধক্ষেত্রে কীভাবে অস্ত্র ব্যবহার করতে হয়, তা সীমান্ত এলাকার আমজনতাকে দেখাল বিএসএফ।

    বিএসএফের পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়? (BSF)

    সীমান্তে শত্রু পক্ষের সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বিএসএফের (BSF) ব্যবহৃত অত্যাধুনিক অস্ত্র প্রদর্শনী-সহ সীমান্তে অপরাধমূলক কাজ রুখতে ডগ স্কোয়াডের প্রদর্শনীও হয়। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের পক্ষ থেকে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলার গ্রাম এবং শহরগুলিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার জলপাইগুড়ি শহরে অস্ত্র প্রদর্শনী, কেরিয়ার কাউন্সিলিং-সহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়র রাজীব গৌতম সহ ৯৮/১৫১/০৬/৪০ নম্বর কোম্পানির উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন, “সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্তের জন্য ব্যাপক বড় পরিকল্পনা আনছি। নিরাপত্তা বলয়ে কমপ্রিহেনসিভ ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আনছি।” এই পরিস্থিতি বিএসএফের এই উদ্যোগ অভিনব।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সীমান্তে কড়া নজরদারি বিএসএফের

    বাংলাদেশ জুড়ে অশান্ত পরিবেশ। এই অবস্থায় বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশের ঘটনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তারা। কারণ, ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তের (BSF) ৯০০ কিলোমিটারের বেশি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এর মধ্যে আবার ৪০০ কিলোমিটারের বেশি বর্ডারে কাঁটাতার নেই। এইসব কাঁটাতারহীন সীমান্ত দিয়ে অবাধ অনুপ্রবেশ করতে পারে বাংলাদেশিরা। বিশেষ করে দুই ২৪ পরগনা এবং নদিয়া জেলার বর্ডারকেই টার্গেট করে। কারণ, এই তিন জেলা থেকে ভারতে প্রবেশ করলে খুব সহজেই শহর কলকাতার ভিড়ে মিশে যাওয়া যায়। কিছুদিন আগেই কলকাতার একটি হোটেল থেকে সেলিম মাতব্বর নামে একজন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বাংলাদেশের বিএনপি দলের একজন সক্রিয় সদস্য বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে জেরা করে জানা গিয়েছে, তিনি ২০২৩ সালে নদিয়া জেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। সেই কারণে বর্ডার এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিএসএফ।

    দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ডিআইজি কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিএসএফের (BSF) দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ডিআইজি নীলোৎপল কুমার পাণ্ডে বলেন, “বিএসএফ সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান রুখতে কড়া নজরদারি চালায়। বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতির জেরে অনুপ্রবেশ রুখতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। জওয়ানদের সব সময়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, জওয়ানদের সাইকেল, সার্চ লাইট, দূরবীন সহ বিভিন্ন সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: বাংলাদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ, সাফ জানিয়ে দিলেন দার্জিলিংয়ের হোটেল ব্যবসায়ীরা

    Darjeeling: বাংলাদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ, সাফ জানিয়ে দিলেন দার্জিলিংয়ের হোটেল ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জাতীয় পতাকাকে প্রকাশ্যে অপমান। এমনকী ভারতকে নিয়ে নানা কটূ মন্তব্য মেনে নিতে পারছেন না এপারের বাসিন্দারা। আগেই এপার বাংলার বহু চিকিৎসক বাংলাদেশিদের চিকিৎসা করা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই আবহের মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল ব্যবসায়ীরা। দার্জিলিংয়ের কোনও হোটেলে আর বাংলাদেশি (Bangladeshis) পর্যটকদের জায়গা হবে না। সোমবার এমনই সিদ্ধান্তের কথা জানাল পাহাড়ের হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন।

    বাংলাদেশি পর্যটকদের বয়কট (Darjeeling)

    পাহাড়ের হোটেলে (Darjeeling) বাংলাদেশি পর্যটকদের বয়কট করার জল্পনা চলছিল কয়েক দিন ধরে। বিভিন্ন সংগঠন এবং হোটেল ব্যবসায়ী সম্মিলিত ভাবে এই বয়কটের কথা ঘোষণা করলেন। ‘গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর তরফে সোমবার বলা হয়, দার্জিলিং পুলিশ জেলার অন্তর্গত বিভিন্ন হোটেল এবং তার বাইরেও যে সমস্ত হোটেল রয়েছে তাদের মধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটাভুটি হয়েছে। সেখানে অধিকাংশ ভোট গিয়ে পড়ে বাংলাদেশি পর্যটকদের বিরুদ্ধে। তাই এই সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে। শীতের মরসুমে পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছরই এই সময় গড়ে ২৫ থেকে ৩০ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক শৈলশহরে বেড়াতে আসেন। তাঁদের ‘বয়কট’ করার সিদ্ধান্ত কঠিন বলে মেনে নিয়েও ব্যবসায়ী সংগঠন বলছে, “দেশের থেকে বড় কিছুই নয়।”

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    আগে দেশ, ব্যবসার ক্ষতি হবে, হোক!

    সাংবাদিক বৈঠকে ‘গ্রেটার শিলিগুড়ি (Darjeeling) হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, “বিভিন্ন সংগঠন স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। কিন্তু সেটা বড় কথা নয়। যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কিছু নিয়ম মানতে হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী ভোটপ্রক্রিয়া হয়েছিল। তাতে প্রায় ৯৭ শতাংশ ভোট বাংলাদেশিদের বিপক্ষে পড়েছে।” তিনি আরও বলেন, “সেই কারণে বাংলাদেশের পর্যটকদের আপাতত হোটেলে জায়গা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত যেন সবাই মেনে চলেন। মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণও করা হবে। এমনকী, ‘স্টুডেন্ট’ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত ভিসা দেখিয়েও দার্জিলিংয়ের কোনও হোটেলে বাংলাদেশের কোনও নাগরিক জায়গা পাবেন না। ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং ভারতের প্রতি কটূক্তির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যত দিন না ওই ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ দুঃখপ্রকাশ এবং ক্ষমাপ্রার্থনা করে বিবৃতি দেবে, তত দিন ওই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।” পাশাপাশি ‘ইস্টার্ন হিমালয়ান ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটর’-এর সদস্য দেবাশিস মৈত্র বলেন, “আমাদের কাছে আগে দেশ। ব্যবসার ক্ষতি হবে, হোক। হোটেল সংগঠন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সঠিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share