Tag: West Bengal

West Bengal

  • Cyclone Remal: ঘূর্ণিঝড় রেমালের জন্য বঙ্গে একাধিক ট্রেন বাতিলের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের

    Cyclone Remal: ঘূর্ণিঝড় রেমালের জন্য বঙ্গে একাধিক ট্রেন বাতিলের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) জন্য বঙ্গে একাধিক ট্রেন বাতিলের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের। যদিও এখনও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়নি। ভারতীয় মৌসম ভবন পূর্বাভাস দিয়েছে শনিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে ঝড় বৃষ্টি শুরু হবে। রবিবার এবং সোমবার ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে। ফলে এই দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে বাতিল করা হয়েছে ট্রেন। একই ভাবে বেশকিছু ট্রেনের যাত্রাপথ বাতিল করা হয়েছে। মূলত দিঘার এক্সপ্রেস, মেমু, লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এই দুই দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়ের গতি থাকবে ৮০-৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টা।

    কোন কোন ট্রেন বাতিল (Cyclone Remal)?

    দক্ষিণ পূর্ব রেলের সূত্রে জানা গিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Remal) কারণে একাধিক ট্রেন বাতিল হয়েছে। এই ট্রেনগুলি হল-

    ১) ২২৮৯০ পুরী-দিঘা সুপারফাস্ট সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস: যে ট্রেনটি শনিবার (২৫ মে) পুরী থেকে ছাড়বে, তা খড়্গপুর পর্যন্ত আসবে। 

    ২) ২২৮৯৭ হাওড়া-দিঘা কাণ্ডারী এক্সপ্রেস: রবিবার (২৬ মে) যে ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল, সেটা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

    ৩) ০৮১৩৭ পাঁশকুড়া-দিঘা মেমু প্যাসেঞ্জার স্পেশাল: ২৬ মে বাতিল থাকবে।

    ৪) ০৮১৩৯ পাঁশকুড়া-দিঘা লোকাল ট্রেন: রবিবার (২৬ মে) সেই ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

    ৫) ০৮১৩৬ দিঘা-পাঁশকুড়া লোকাল ট্রেন: সোমবার (২৭ মে) যে ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল, সেটা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

    ৬) ০৮১৩৮ দিঘা-পাঁশকুড়া মেমু প্যাসেঞ্জার স্পেশাল: সোমবার (২৭ মে) বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

    ৭) ২২৮৮৯ দিঘা-পুরী সুপারফাস্ট সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস: রবিবার (২৬ মে) দিঘা থেকে যে ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল, সেটা খড়্গপুর থেকে ছাড়বে।

    ৮) ২২৮৯৮ দিঘা-হাওড়া কাণ্ডারী এক্সপ্রেস: রবিবার (২৬ মে) বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

    রবিবার মধ্যরাতে আছড়ে পড়বে ঝড়

    জানা গিয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal) শনিবারে বঙ্গপোসাগরে তৈরি হবে। এরপর ক্রমশ উত্তর দিকে সরে আসবে। এরপর রবিবার মধ্যরাতে প্রবল রূপ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গাসাগরে আছড়ে পড়বে। একই ভাবে বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মধ্যে বাংলাদেশের পশ্চিম উপকূল পার করবে এই ঝড়। তবে ঝড়ের গতি কথাও কথাও ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিমি হতে পারে। ইতিমধ্যে উপকুল এলাকায় সর্তকতা জারি করা হয়েছে।    

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে শুরু ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ, কোন কেন্দ্রে কোন হেভিওয়েটের ভাগ্যপরীক্ষা আজ?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: “ভোটের দিন পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মীরা ঘরছাড়া!” সরব অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “ভোটের দিন পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মীরা ঘরছাড়া!” সরব অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দুদিন আগে বিজেপি নেতার মাকে কুপিয়ে খুন হওয়ার ঘটনা থেকে অগ্নিগর্ভ নন্দীগ্রাম। সেই নন্দীগ্রামে ভোটের আগের রাতে পুলিশি সন্ত্রাস নিয়ে সরব হলেন তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তৃণমূলের হয়ে পুলিশ প্রকাশ্যে কাজ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। আর শনিবার ষষ্ঠদফা ভোটের দিন ভোর থেকেই রীতিমতো নিজের একাধিক কেন্দ্র চষে বেড়ালেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

     ভোটের দিন পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মীরা ঘরছাড়া! (Abhijit Ganguly)

    এদিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে প্রস্তুতি হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন তমলুকের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। এবারই প্রথমবার নির্বাচনে লড়ছেন তিনি। আর এদিন সকাল থেকেই তাঁকে দেখা গেল একেবারে অ্যাকশন মোডে। সাত সকালেই ছুটলেন হলদিয়া। অভিযোগ তুললেন, পুলিশি সন্ত্রাসের। এদিন সকালে বেরিয়েই তিনি অভিযোগ তোলেন, নন্দীগ্রামে ব্যাপক সন্ত্রাস চালাচ্ছে পুলিশ। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। অভিজিৎ বলেন, “গভীর রাতে ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছে পুলিশ। ৩-৪ হাজার পুলিশ গাড়ি নিয়ে ঢুকেছিল এলাকায়। অবজারভারের কাছে জানানোর অনেক পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মী ও সমর্থকেরা বাড়ি থেকে পালিয়ে মাঠে-ঘাটে লুকিয়েছিলেন। যেখানে জানানোর সেখানে আভযোগ জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: বাংলার শাহবাজের বলে বিদায় রাজস্থানের, আইপিএল ফাইনালে কলকাতার সামনে হায়দরাবাদ

    বিজেপি এজেন্টকে বসতে বাধা

    এদিন সকালে হলদিয়ার ২০৮ নম্বর বুথে গিয়ে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী (Abhijit Ganguly) বলেন, “এজেন্ট বসতে দিচ্ছে না। তাই আমাকে আসতে হয়েছে। বিজেপির মহিলা এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। আমি গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলেছি। এরপর বসতে দেওয়া হয় তাঁকে। কী করছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী এই প্রশ্ন শুনে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী বাঁশি বাজাচ্ছিল, শ্যামের বাঁশি।” হলদিয়ার একটি বুথে তৃণমূলীরা বিজেপি প্রার্থীকে বিক্ষোভ দেখান। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’! আগাম সতর্কতা পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষের, প্রস্তুত উপকূলরক্ষী বাহিনীও

    Cyclone Remal: ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’! আগাম সতর্কতা পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষের, প্রস্তুত উপকূলরক্ষী বাহিনীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ (Cyclone Remal)। ১৩০-১৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের গতিবেগ থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। ঘূর্ণিঝড়টি ২৫ মে শনিবার গভীর নিম্নচাপে এবং ২৬ মে একটি অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে ইতিমধ্যেই আগাম সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি শুরু করেছে পূর্বরেল (Eastern Railway) কর্তৃপক্ষ। রেমালের প্রভাব নিয়ে আগাম সতর্ক রাজ্য প্রশাসনও।  

    পূর্বরেলের প্রস্তুতি 

    পূর্বরেলের তরফেও এবার সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই হাওড়া ও শিয়ালদা বিভাগের রেলের ম্যানেজার ও আধিকারিকরা বৈঠকে বসেছেন। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের (Cyclone Remal) সম্মুখীন হয়ে যাতে মোকাবিলা করা যায় তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। 

    শিয়ালদা ডিভিশনে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?

    রেমাল মোকাবিলায় শিয়ালদা ডিভিশনে ইতিমধ্যেই এমার্জেন্সি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যের পর থেকে টানা কাজের জন‌্য কর্মীদের অফিসে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। রেল লাইনের পাশে ডাল ভেঙে পড়তে পারে, এমন সব গাছকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঝড়ের (Cyclone Remal) আগেই তা ছেঁটে ফেলা হবে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল। জল সীমারেখা অতিক্রম করলে ট্রেন চলাচলে সমস্যা হতে পারে। তাই জরুরি পরিস্থিতিতে সব জায়গায় পাম্প বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরিষেবায় যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে তাই প্রত্যেক স্টেশনে ঘনঘন অ্যানাউন্সমেন্টের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাতে যাত্রীদের সবসময় পরস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহল করা যায়। ঝড়ের মাত্রা যদি বেশি হয়, তবে প্ল্যাটফর্মের শেড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টের শীটের বন্দোবস্ত করে রাখা হচ্ছে। সংখ্যায় বেশি কর্মী দিয়ে টাওয়ার ওয়াগনগুলিকে প্রস্তুত রাখতে হবে যাতে কোনও সম্ভাব্য ওভারহেড তারের সমস্যার ক্ষেত্রে সেগুলি সরানো যায়। 

    পাশাপাশি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মেদিনীপুরের বিভিন্ন স্টেশনগুলির শেড পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে, যাতে ঝড়ের প্রকোপে শেড উড়ে না যায়। এছাড়াও বিভিন্ন স্টেশনে থাকা হোর্ডিং, বিজ্ঞাপনের বোর্ডগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা হচ্ছে, যাতে ঝড়ের (Cyclone Remal Update) সময় উড়ে বা ভেঙে পড়ে বিপদ না বাড়ে। অন্যদিকে নামখানা, ডায়মণ্ড হারবার, হাসনাবাদের মত জায়গায় ঝড়ের প্রভাব বেশি পড়তে পারে। সেখানে পর্যাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারিং দল ও টেলিকম কর্মীদের সঙ্কট মোকাবিলায় সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার সকালের মধ্যে শিয়ালদা, দমদম, বারাসত, নৈহাটি, রানাঘাট প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চালকদের সঙ্গে ডিজেল লোকো স্থাপন করার নির্দেশ রয়েছে। 

    হাওড়া ডিভিশনে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?

    কন্ট্রোলরুমে হাই অ্যালার্ট জারি থাকবে। পর্যাপ্ত আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন সবসময়। কোথাও যেন জল জমে না থাকে, তার জন্য পর্যাপ্ত কর্মীদের কাজে লাগানোর বন্দোবস্ত করতে হবে। বড় বড় স্টেশনগুলোতে ডিজেইল জেনারেটর ও ইমার্জেন্সি পাওয়ার ব্যাপ আপের বন্দোবস্ত রাখতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শতায়ু ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২৪ হাজার! আজ ষষ্ঠ দফার ভোটে ৮৮৯ প্রার্থীর ভাগ্য-নির্ণয়

    রাজ্য প্রশাসনের আগাম সতর্কতা 

    রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের (Weather Update)। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী পক্ষ থেকে হলদিয়া এবং পারাদ্বীপে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে যে সকল জাহাজ ঘূর্ণিঝড়ের সমুদ্রপথে রয়েছে তাদের মাইকিংয়ের মাধ্যমে সতর্ক করছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ এবং বিমান ঘন ঘন নজরদারি চালাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Remal) ল্যান্ডফলের অঞ্চলে। পাশাপাশি নজর রাখা হচ্ছে নোঙর করা জাহাজ এবং নৌকার ওপরেও। 

    তৈরি বিপর্যয় মোকাবিলা দল

    ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Remal) মোকাবিলার প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) নটি বিপর্যয় মোকাবিলা দল গঠন করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ উপকূলরক্ষী বাহিনীকে আপৎকালীন সহায়তা করার কথাও জানানো হয়েছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর তরফে (Weather Update)। এছাড়াও হলদিয়া, পারাদ্বীপ, গোপালপুর, ফ্রেজারগঞ্জের মতন জায়গায় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর একাধিক জাহাজ এবং ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে নকল মদ তৈরির কারখানার হদিশ মিলল তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে, শোরগোল

    Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে নকল মদ তৈরির কারখানার হদিশ মিলল তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধ বালি পাথর পাচারের পরে এবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ির রামশাই এলাকায় উদ্ধার হল নকল মদ তৈরির কারখানা। এই কারখানার মালিক নিরঞ্জন রায়। তিনি ওই এলাকার যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সহ সভাপতি। বর্তমানে তিনি তৃণমূল কর্মী। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি নিজের বাড়িতে নকল মদ তৈরির কারখানা তৈরি করে কারবার করছিলেন। ঘটনার পর থেকে উধাও অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Jalpaiguri)

    শুক্রবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) আবগাড়ি দফতরের পক্ষ থেকে তার বাড়িতে হানা দেওয়া হয়। সেখানে গিয়ে তাদের চক্ষু চড়কগাছ হবার যোগার। গোটা বাড়ি ভর্তি মদ তৈরির সরঞ্জাম, সঙ্গে কার্টুন কে কার্টুন নকল মদ মিলেছে। এদিকে আবগারি দফতরের গাড়ি দেখেই নিরঞ্জন ও তাঁর বাড়ির লোকজন আগেই চম্পট দিয়েছে। সব চাইতে বড় কথা নিরঞ্জনের প্রতিবেশীরাও বিষয়টি ঘুনাক্ষরে টের পাননি। সেখানে যে এইভাবে মদ তৈরি হত, সেটা তাদের গোচরে আসেনি। পাশাপাশি এলাকার মানুষ জানান, নিরঞ্জন রায় এলাকায় একজন কুখ্যাত ব্যক্তি বলেও খানিকটা পরিচিত। তাই তিনি কি করত বা করছে সেই দিকে কেউ নজর দিতেন না। তবে তাঁর বাড়িতে যে বেআইনিভাবে মদ তৈরি হত এটা তাঁরা কল্পনাও করতে পারেন নি। গোটা ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মদের পরিমাণ এতটাই ছিল, যে আবগারি দফতরকে বেশ কয়েকটি গাড়ি ডাকতে হয়। দুটি ট্রাক ও ৫ টি পিক-আপ ভ্যানের প্রয়োজন হয় উদ্ধার হওয়া মদ গুলি নেওয়ার জন্য।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে পুলিশের সামনেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন খুনে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, সরব বিজেপি

    আবগারি দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    আবগারি (Jalpaiguri) দফতরের এক আধিকারিক বলেন, আমাদের কাছে খবর ছিল যে এখানে নকল মদ তৈরি হয়। কিন্তু, এত পরিমাণ মদ তৈরি হওয়ার কথা তারাও ভাবতে পারেননি। বেশ কয়েক ব্যারেল মদ তৈরির সরঞ্জাম এবং প্রায় ৬০০ কার্টুন তৈরি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তের বাড়িটি সিল করে দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে আবগারি দফতর সূত্রে জানা গেছে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই  বিষয়ে রামশাই অঞ্চলের (Jalpaiguri) তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি জানান, নিরঞ্জন আগে যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি পদে নিযুক্ত ছিল। কিন্তু বর্তমানে তিনি দলের কোনও পদে নেই। তার চাল চলন দেখে দলের পক্ষ থেকে তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, আজকের এই রেড আবগারি দফতরের আধিকারিকরা শুধু মাত্র খবরের কাগজে নাম তোলার জন্য করেছেন। তাছাড়া তারা এই হানা দিয়ে বড্ড ভুল করেছেন। রাজ্যে তৃণমূল নেতা কর্মীরা বেআইনি কাজ করবে এটাই তো স্বাভাবিক।  এরাই তো বেআইনি ভাবে মদ তৈরী করবে এ আবার নতুন কি? সেই মদ খেয়ে মানুষ মারা যাবে তাদের মৃত্যু নিয়ে তৃণমূলই আবার রাজনীতি করবে। মুখ্যমন্ত্রী মৃত্যুর দাম বেঁধে দেবেন এটাই এই রাজ্যের নিয়ম। আর আজকের এই হানায় লাভের লাভ কিচ্ছু হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “চার তারিখের পর চোর মমতার ঝাঁপ বন্ধ করে দেব”, নির্বাচনী প্রচারে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Sandeshkhali: “চার তারিখের পর চোর মমতার ঝাঁপ বন্ধ করে দেব”, নির্বাচনী প্রচারে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এক বিশাল জনসভায় যোগদান করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এদিন রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন নিয়ে আক্রমণ করেন। পাশাপাশি রাজ্যের শাসক দলের একাধিক দুর্নীতির বিষয় নিয়ে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “চার তারিখের পর চোর মমতার ঝাঁপ বন্ধ করে দেবো”

    কী বললেন শুভেন্দু (Sandeshkhali)?

    এদিন সভায় শুভেন্দু বলেন, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আন্দোলনকে এবার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয়যুক্ত করার সময় এসে গিয়েছে। এখানে তৃণমূল কোথাও নেই, লড়াইটা বিজেপি বনাম মমতা-পুলিশের। তৃণমূল কথাও কিছুই নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করতে চাই। ভাইপোকে কে কে জেলে পাঠাতে চান? ওঁকে জেলে পাঠাতে গেলে তিন নম্বর বোতাম টিপে রেখা পাত্রকে জয় করতে হবে। তা করলেই বসিরহাটে পদ্ম ফুটবে। সিরাজ, আলমগির সকলের অবস্থা শাহজাহানের মতো হবে।  তাই সকলে একসঙ্গে ভোট দেবেন।”

    আর কি বললেন শুভেন্দু?

    আজ লোকসভার প্রচারে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা এলাকার (Sandeshkhali) অভিযোগকে যথাস্থানে জানিয়ে হাইকোর্ট থেকে সিবিআই তদন্তের রায় পেয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন। কিন্তু লাভ হয়নি। ভোটের পর মামলা শুনবেন জানিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদলাত। রেখাকে দিল্লিতে পাঠাতে পারলে আমাদের আন্দোলনে সিলমোহর পড়বে। অস্ত্রশক্তি, বাহুবল আমাদের ভারতের গণতন্ত্রে জায়গা নেই। তাই সকলকে একজোট হতে হবে। নির্বাচনের আগে মমতার পুলিশ গ্রেফতার করার ষড়যন্ত্র করছে। তাই আমাদের সাবধানে থাকতে হবে। ভোটদানের মধ্যে দিয়ে সকল অন্যায়ের বদলা নিতে হবে।”

    এই জনসভায় ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু সহ ছিলেন বসিরহাট লোকসভার বিজেপির প্রার্থী রেখা পাত্র, বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা ট্রিব্রেওয়াল, অর্চনা মজুমদার সহ একাধিক নেতৃত্ব। এই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ পয়লা জুন। শেষ দফা নির্বাচনের আগে বিজেপির পক্ষ থেকে নির্বাচনী জনসভা এদিন বেশ জমাট ছিল। এই জনসভায় সন্দেশখালির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি দলের নেতা কর্মীরা এসে যোগদান করেন।

    আরও পড়ুনঃ পুলিশকে একগুচ্ছ নির্দেশ, কলকাতার ভোটে বাড়তি সতর্ক কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মুখ্যমন্ত্রীর সন্ন্যাসীদের অপমান করার কারণ ব্যাখ্যা করলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: মুখ্যমন্ত্রীর সন্ন্যাসীদের অপমান করার কারণ ব্যাখ্যা করলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের গণনা। সেই গণনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদেরকে নিয়ে বৈঠক করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত গণনার প্রস্তুতি নিয়ে শুক্রবার এই বৈঠক করা হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শাসক তথা বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আধিকারিক বিজিন কৃষ্ণা এদিন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক ভবনের আত্রেয়ী মিটিং হলে এই বৈঠক হয়। বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার এই বৈঠকের যোগ দেওয়ার জন্য এদিন কলকাতা থেকে বালুরঘাটে আসেন।

    গতবারের তুলনায় এবার লিড আরও বাড়বে! (Sukanta Majumdar)

    কোর কমিটির বৈঠক নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, মূলত গণনাকে কেন্দ্র করে আমাদের প্রস্তুতি আগে থেকেই শুরু করেছি। একবার ঝালিয়ে নেওয়া সব ঠিকঠাক আছে কিনা। এবার লিডের পরিমাণটা যেন গতবারের থেকে বাড়ে। গতবার তো ৩৪ হাজার লিড পেয়েছিলাম, এবার যেন তার থেকে বেশি লিড পায়। সেই জন্য এই বৈঠক। পাশাপাশি এদিন জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করা হল। এদিন জেলাশাসক সব দলের প্রার্থীদেরকে নিয়ে বৈঠক করেন। আমি বৈঠকে যোগ দিয়ে গণনা কেন্দ্রের কয়েকটি বিষয় নিয়ে কথা বললাম।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে পুলিশের সামনেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন খুনে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, সরব বিজেপি

    বাংলাদেশের সাংসদ খুনের তদন্ত করুক কেন্দ্রীয় এজেন্সি!

    কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসে খুন বাংলাদেশের সাংসদ। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যের ইন্টারন্যাল সিকিউরিটি ভয়ঙ্কর জায়গায় আছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি চিন্তিত। বাংলাদেশের সাংসদের খুনের ঘটনায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, রাজ্য গোয়েন্দার ব্যর্থতার কথা। বিদেশের অতিথিদের সুরক্ষা দিতে না পারা এবং রাজ্য গোয়েন্দারা কোনও খোঁজ খবর রাখে না, এই ঘটনায় সেটাই প্রমাণ করছে। বিদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধি একজন সাংসদ তার সুরক্ষা দিতে ব্যার্থ পুলিশ। তাহলে রাজ্যের নাগরিকদের কি সুরক্ষা দেবে। দ্রুত খুনের কিনারা করতে না পারলে কলকাতা পুলিশের উচিত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া।

    ষষ্ঠ দফার ভোট নিয়ে সরব

    রাত পোহালেই বাংলায় ষষ্ঠ দফার ভোট জঙ্গলমহল সহ উত্তপ্ত নন্দীগ্রামও। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, শান্তিপূর্ণ ভোট হবে কি না  সেতো ভোটের দিন দেখা যাবে। কিন্তু, বাস্তবিকতা এইটা তো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব স্বচ্ছভাবে নির্বাচন করানোর। যদি তারা না পারে তাহলে নির্বাচন কমিশন থাকা, না থাকা একই ব্যাপার হল। নির্বাচন কমিশনকে কড়া হাতে এই দুষ্টদের দমন করতে হবে। যতই গুন্ডামি করুক সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    মুখ্যমন্ত্রী সন্ন্যাসীদের অপমান করেছেন

    বঙ্গীয় সন্ন্যাসী সমাজের উদ্যোগে সাধু সন্তদের খালি পায়ে স্বাভীমান যাত্রা। সনাতনীদের অপমানের প্রতিবাদ। এখনও ক্ষমা চাইলেন না মমতা। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু ধর্মের সন্ন্যাসীদের কাছে ক্ষমা চাইবেন না। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন, হিন্দুরা একত্রিত হয়ে ভোট দেয় না। এইটা যদি ইসলাম সমাজের কিছু হতো তাহলে তিনি ক্ষমা চেয়ে নিতেন, কারণ তিনি জানেন ইসলাম গুরুর কথায় মুসলিমরা একত্রিত হয়ে ভোট দেয়। তাই, মুখ্যমন্ত্রী সন্ন্যাসীদের অপমান করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Anand Bose: বড় স্বস্তি রাজভবনের! তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

    CV Anand Bose: বড় স্বস্তি রাজভবনের! তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালের (C V Anand Bose) বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের কাছে দায়ের করা শ্লীলতাহানির অভিযোগের ঘটনায় পুলিশি তদন্তের উপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। মামলার পরবর্তী শুনানি ১০ জুন।  

    পুলিশের অতিসক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠল আদালতে

    আদালত জানিয়েছে যে অভিযোগ দায়ের হয়েছে সেই এফআইআরের ভিত্তিতে নতুন করে আর কাউকে তলব করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে লোকসভা ভোট মিটে যাওয়ার পর ১০ জুন। ততদিন পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুন: : নন্দীগ্রাম কাণ্ডে কমিশনের অজুহাতে রাজ্যপালকে রিপোর্ট দিতে নারাজ রাজ্য

    সম্প্রতি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন রাজভবনের এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী। রাজ্যপাল নাকি তাঁকে প্রলোভন দেখিয়ে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণীর। এর পাল্টা রাজ্যপাল স্পষ্টভাবে বলেছিলেন তিনি দিদিগিরি বরদাস্ত করবেন না। অর্থাৎ শাসকদলের সুপ্রিমর অঙ্গুলিহেলনে এই অভিযোগ হয়েছিল স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল রাজ্যপালের (C V Anand Bose)। প্রথমে মহিলার বক্তব্য রেকর্ড করে তাঁকে ছেড়ে দিলেও পরে হেয়ার স্ট্রিট থানায় জমা পড়ে অভিযোগ। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে শুরু করে লালবাজার। রাজভবনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি রাজ্যপালের ওএসডি সন্দীপ সিংহ সহ রাজভবনের তিনজন কর্মীকে ৪১ (এ) ধারায় নোটিশ পাঠিয়ে তলব করে কলকাতা পুলিশ।  

    পুলিশ সহযোগিতা করেনি, অভিযোগ রাজভবনের কর্মীদের

    রাজভবনের কর্মীদের অভিযোগ, স্পষ্টভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আছে এই বিষয়টি জানতে চাওয়া হলেও কলকাতা পুলিশ খোলসা করে তাঁদের কিছু বলেনি। তাঁদের সঙ্গে সহযোগিতা করেনি। এর পর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। রাজভবনের কয়েকজন কর্মীর অভিযোগ ছিল পুলিশ তাঁদের ভয় দেখাচ্ছে। ওই আবেদনের শুনানির দিনই সংশ্লিষ্ট মামলায় পুলিশের তদন্তের উপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। স্বাভাবিকভাবেই আদালতের স্থগিতাদেশ চলে আসায় কলকাতা পুলিশের মুখ পুড়েছে এই মামলায়। রাজ্যপালের (C V Anand Bose) বিরুদ্ধে মামলা যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত সেই তত্ত্ব আরও জোরালো হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর ভাড়া বাড়িতে তল্লাশি! পুলিশি তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর ভাড়া বাড়িতে তল্লাশি! পুলিশি তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মাঝে আর শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোন বড় পদক্ষেপ করতে পারবে না পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃত সিনহা। কোলাঘাট থানার এফআইআরের উপরেও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশ বহাল থাকবে ১৭ই জুন পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে পুলিশ বা কোন এজেন্সি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে না।

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে পুলিশের ভভিযোগ

    প্রসঙ্গত চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার সন্ধ্যে বেলায় শুভেন্দু অধিকারীর ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল। রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ ছিল তাঁর কোলাঘাটের বাড়িতে তল্লাশির নাম করে কোনও কিছু ঢুকিয়ে দিতে চাইছিল পুলিশ। এমনকি যারা পুলিশ সেজে গিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে দুজন সিভিক ভলেন্টিয়ার ছিল। সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই এই অভিযান চালায় পুলিশ। এমনটাই অভিযোগ ছিল শুভেন্দুর। সার্চ ওয়ারেন্ট এবং ভিডিওগ্রাফি ছাড়া পুলিশ কীভাবে অভিযান চালাতে পারে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর বাধার মুখে পড়ে কোলাঘাট থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধাদানসহ একাধিক ধারায় মামলা করে। এরই প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে দ্বারস্ত হয়েছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    রাজনৈতিক কারণে হেনস্থা অভিযোগ শুভেন্দুর

    শনিবার তমলুক লোকসভা আসনে নির্বাচন রয়েছে। তাঁর আগে যাতে নতুন করে পুলিশি অভিযান না হয় বিরোধী দলনেতার তরফ থেকে এই আবেদন জানানো হয়েছিল। রাজনৈতিক কারণেই তাকে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। এরই প্রেক্ষিতে আদালত জানিয়ে দেয় ভোটের মধ্যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে না রাজ্য পুলিশ। এর আগেও হাইকোর্ট শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল। সেই রক্ষাকবচ বহাল রইল। তবে বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়েছেন, “এই সময়ের মধ্যে জরুরি কোনও নির্দেশের প্রয়োজন হলে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবে পুলিশ।”

    আরও পড়ুন: “ভয় পাওয়ার লোক আমি নই, আপনি কাওয়ার্ড ভীতু”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    “অনুসন্ধান না করেই চলে গেল পুলিশ” মন্তব্য বিচারপতির

    শুক্রবার আদালতের শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী, বিল্বদল ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি ছিল, “২০ মে কোন সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই কোলাঘাটের ওই অফিস তথা অস্থায়ী বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল পুলিশ। অভিযোগ ছিল, অফিসে বোমা, অস্ত্র ও নগদ টাকা মজুদ রাখা হয়েছিল। যদিও সেখান থেকে কিছুই পাওয়া যায়নি।” এর পাল্টা রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী সম্রাট সেন বলেন, “এই মামলায় শুভেন্দু অধিকারী অভিযুক্ত বা সাক্ষী নন। যে বাড়িটিতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল সেটা শুভেন্দু অধিকারীর নয় সুরজিৎ দাস নামে এক ব্যক্তির। পুলিশের কাছে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। তারই তদন্ত করতে পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। দুই পক্ষের কথা শুনে বিচারপতি অমৃত সিনহা মন্তব্য করেন, “পুলিশ কী অভিযোগ পেয়েই চলে গেল। পুলিশ অনুসন্ধান করবে না। কটি ক্ষেত্রে পুলিশ অভিযোগ পেয়েই চলে যায়। প্রশ্ন তোলেন তিনি।” দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি এই মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: যাত্রীদের জন্য সুখবর! রাত ১১টাতেও মিলবে মেট্রো পরিষেবা

    Kolkata Metro: যাত্রীদের জন্য সুখবর! রাত ১১টাতেও মিলবে মেট্রো পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতাবাসীদের জন্য সুখবর। এবার থেকে বেশি রাতেও পাওয়া যাবে মেট্রো (Kolkata Metro) পরিষেবা। এত দিন দমদম এবং কবি সুভাষ থেকে দিনের শেষ মেট্রো ছাড়ত রাত ৯টা ৪০ মিনিটে। তবে শুক্রবার রাত থেকেই বিশেষ পরিষেবা চালু করছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে আপাতত সোম থেকে শুক্রবার চলবে বিশেষ ওই পরিষেবা (Metro special services) এবং এই মুহূর্তে এই পরিষেবা দেওয়া হবে পরীক্ষামূলক ভাবে। 

    ঠিক কী জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ? (Kolkata Metro) 

    মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রাত ১১টায় একটি মেট্রো কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া) স্টেশন থেকে ছেড়ে দমদমের উদ্দেশে রওনা দেবে। আর একটি মেট্রো দমদম থেকে ছেড়ে রওনা দেবে কবি সুভাষের উদ্দেশে।  দুটি মেট্রোই সব স্টেশনে দাঁড়াবে। প্রতিটি স্টেশনে একটি করে টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে। সেখান থেকেই টোকেন কিংবা স্মার্ট কার্ডও পাবেন যাত্রীরা। তবে আপাতত এই পরিষেবার (Metro special services) সঙ্গে জোড়া হয়নি নোয়াপাড়া, বরাহনগর এবং দক্ষিণেশ্বরকে। ওই তিন স্টেশন থেকে আগের মতোই রাত সাড়ে ৯টা নাগাদই শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে। মেট্রো সূত্রে খবর, যাত্রীদের তরফে ইতিবাচক সাড়া মিললে দেশের অন্য অনেক মেট্রো (Kolkata Metro) শহরের মতো কলকাতাতেও রোজ মধ্যরাতে পাতালরেল পরিষেবা মিলবে। এ প্রসঙ্গে কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, “ব্লু লাইনে আজ অর্থাৎ ২৪ তারিখ থেকে রাতে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ মেট্রো পরিষেবা চালানো হবে।”

    আরও পড়ুন: রাতে শেষ মেট্রোর সময়সীমা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হাইকোর্টের

    হাইকোর্টে মামলা

    অন্যান্য রাজ্যের থেকে কলকাতায় শেষ মেট্রোর সময়সীমা অনেক কম। সম্প্রতি সেই বিষয়কে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও হয়েছিল। সে সময় শেষ মেট্রোর (Kolkata Metro) সময় বাড়ানো যায় কি না, তা বিবেচনা করে দেখতে মেট্রো কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। যদিও সে সময় মেট্রো রেল (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই কারণেই শেষ মেট্রোর সময় বাড়ানো হচ্ছে না। যদিও এখন আদালতের সেই নির্দেশেরই পরই রাত ১১টায় পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রো পরিষেবা দেওয়ার কথা ভাবল কিনা কর্তৃপক্ষ, সেটা স্পষ্ট হয়নি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে শুরু ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ, কোন কেন্দ্রে কোন হেভিওয়েটের ভাগ্যপরীক্ষা আজ?

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে শুরু ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ, কোন কেন্দ্রে কোন হেভিওয়েটের ভাগ্যপরীক্ষা আজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ (6th Phase Voting)। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, কাঁথি, তমলুক ও ঘাটাল এই ৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। মোট বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ৯১৯ কোম্পানি। এই পর্বে কমিশন আরও সক্রিয়। ইতিমধ্যে ভোটের একদিন আগে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। তাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চাইছে কমিশন।

    ঘাটলে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই তারকা প্রার্থী

    ষষ্ঠদফার নির্বাচনে বাংলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ রয়েছে। এর মধ্যে ঘাটালে এবার জোর লড়াই হতে চলেছে তৃণমূলের তারকা সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব বনাম বিজেপি-র তারকা প্রার্থী হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় ওরফে হিরণের। গত দুই লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) ঘাটাল থেকে জয়ী হন দেব। খড়্গপুরের বিধায়ক হিরণকে ঘাটালে দেবের বিপরীতে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি। সেখানে বামেদের প্রার্থী তপন গঙ্গোপাধ্যায়।

    তমলুকে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি

    একই ভাবে তমলুকের দিকেও নজর রয়েছে গোটা বাংলার। সেখানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রার্থী করেছে বিজেপি। বিচারপতির আসন থেকে রাজনীতিতে পদার্পণকারী অভিজিৎ ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতির অন্যতম প্রধান চরিত্র হয়ে উঠেছেন। সেখানে তাঁর প্রচারে কোনও খামতি রাখেনি বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী খোদ অভিজিৎকে জেতানোর দায়িত্বে রয়েছেন। এহেন হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে তমলুকে তৃণমূলের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যকে প্রার্থী করেছে। বামেরাও তরুণ নেতা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তমলুকে প্রার্থী করেছে।

    মেদিনীপুরে অগ্নিমিত্রা-জুন

    মেদিনীপুরে আবার মুখোমুখি শাসক এবং বিরোধী দলের দুই বিধায়ক। মেদিনীপুরের গতবারের সাংসদ দিলীপ ঘোষকে এবার সেখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে বিজেপি। পরিবর্তে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলকে সেখানে প্রার্থী করেছে বিজেপি। একই ভাবে, মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়াকে এবার সাংসদ হওয়ার দৌড়ে নামিয়েছে তৃণমূল। বিপ্লব ভট্টকে মেদিনীপুরে প্রার্থী করেছে বামেরা।

    বিষ্ণুপুরে সৌমিত্র বনাম সুজাতা

    ২০১৪ সাল থেকে বিষ্ণুপুর থেকে লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) জয়ী হয়ে আসছেন বিজেপি-র সৌমিত্র খাঁ। সেই সময় তাঁর হয়ে প্রচার থেকে পাহারা, কিছুই খামতি রাখেননি সৌমিত্রের প্রাক্তন স্ত্রী সুজাতা খাঁ। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে সৌমিত্র এবং সুজাতার দাম্পত্য। সুজাতা তৃণমূলে চলে আসায় বিবাহবিচ্ছেদও ঘটে তাঁদের। সেই সুজাতাকেই এবার তাঁর প্রাক্তন স্বামী সৌমিত্রের বিরুদ্ধে বিষ্ণুপুরে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। বামেদের প্রার্থী শীতল কৈবর্ত্য।

    কাঁথিতে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু

    বঙ্গ রাজনীতিতে কাঁথি অধিকারী পরিবারের গড় হিসেবে পরিচিত। সেই অধিকারী পরিবারের সদস্য, শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে এবার কাঁথিতে প্রার্থী করেছে বিজেপি। কাঁথিতে আবার বিদেশ বসুর প্রার্থীপদকে সমর্থন জানিয়েছে হিন্দু মহাসভা। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী করেছে উত্তম বারিককে। কংগ্রেস সেখানে ঊর্বশী ভট্টাচার্যকে প্রার্থী করেছে।

    ঝাড়গ্রামে-বাঁকুড়া-পুরুলিয়ায় প্রার্থী কারা?

    ঝাড়গ্রামে কেন্দ্রের ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান প্রাপ্ত সাঁওতালি সাহিত্যিক কালীপদ সরেনকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। সেখানে বিজেপি-র প্রার্থী প্রণত টুডু। সোনামণি টুডুকে প্রার্থী করেছে বামেরা। বাঁকুড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী, বিজেপির প্রার্থী সুভাষ সরকার এবং বামেদের প্রার্থী নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত। পুরুলিয়ায় শান্তিরাম মাহাতকে প্রার্থী করেছে জোড়াফুল শিবির। বিজেপি-র প্রার্থী জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাত। কংগ্রেস নেপাল মাহাতকে প্রার্থী করেছে।

    কোন জেলায় কত বাহিনী?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২১৮ কোম্পানি, বাঁকুড়াতে ১৭৮ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ১৩৩ কোম্পানি, পূর্ব মেদিনীপুরে ২৩৭ কোম্পানি, পুরুলিয়াতে ১৩৭ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ১৬ কোম্পানি আধা সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে (Lok Sabha Election 2024)।

    আরও পড়ুনঃ পুলিশকে একগুচ্ছ নির্দেশ, কলকাতার ভোটে বাড়তি সতর্ক কমিশন

    দিঘার সমস্ত হোটেল বন্ধ শুক্র-শনি

    ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণের (6th Phase Voting) জন্য শুক্রবার ও শনিবার দিঘার সমস্ত হোটেল বুকিং বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ী সমিতি। দুই মেদিনীপুরের কেন্দ্রে চলবে ভোটগ্রহণ। জানা গিয়েছে বহিরাগতদের ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত। পর্যটকদের কাছে ঘুরতে যাওয়ার জনপ্রিয় জায়গা হল সমুদ্র সৈকত দিঘা। তাই চলতি সপ্তাহে আগেই সতর্ক করা হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share