Tag: West Bengal

West Bengal

  • Arjun Singh: “বাঘকে কখনও খাঁচায় বন্দি করা যায় না”, অভিষেকের কটাক্ষের কড়়া জবাব দিলেন অর্জুন

    Arjun Singh: “বাঘকে কখনও খাঁচায় বন্দি করা যায় না”, অভিষেকের কটাক্ষের কড়়া জবাব দিলেন অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বারাকপুরে রোড শো করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অর্জুন সিংকে নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, অর্জুনকে দলে নিয়ে ভেজা বিড়াল করে খাঁচায় বন্দি করে রেখেছিল তৃণমূল। তাই শান্ত ছিল বারাকপুর। অভিষেকের এই কটাক্ষের কড়া জবাব দিলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, আমি সবসময় শের ছিলাম।আছি  এবং থাকবো। বাঘকে কখনও খাঁচায় বন্দি করা যায় না। 

    অভিষেকের কটাক্ষের কড়া জবাব দিলেন অর্জুন (Arjun Singh) 

    অর্জুন বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আমি যখন তৃণমূলে ছিলাম তখন  আমি ওদের চোখে খুব ভালো ছেলে ছিলাম। আর তৃণমূল দল ছাড়তেই আমি খারাপ ছেলে হয়ে গিয়েছি।মানুষ এর  জবাব দেবে। বারাকপুর শান্ত থাকা প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন,  কয়েক মাস আগে  পুলিশ কমিশনারের অফিস থেকে বেশ কিছুটা দূরেই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলেকে খুন  করে  দুষ্কৃতীরা।    বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে  প্রায় ১০ জন  খুন হয়েছেন। আমার  প্রশ্ন, তাহলে বারাকপুর শান্ত ছিল কোথায়। আসলে এই ধরনের কথা বলে  মানুষের কাছে তৃণমূলের গ্রহণযোগ্য তারও কমে যাচ্ছে। তৃণমূল দলটা দুর্নীতিগ্রস্ত। সমস্ত মানুষ তা জানে। আমার বিরুদ্ধে এসব কটাক্ষ করে কোনও লাভ হবে না। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে রাজনীতি করি না। আমাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ রয়েছে। আমরা পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে গিয়ে দল করি। মানুষের আশীর্বাদ সবসময় আমার পাশে রয়েছে। ফলে, এই ধরনের কটাক্ষ পিসি-ভাইপো যত আমাকে করবে তত তৃণমূলের অবস্থা আরো করুন হবে। 

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে কেশপুরে বিজেপি নেতাকে রাস্তায় ফেলে মার, স্বরূপনগরে আক্রান্ত কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মন্ত্রীর  করার প্রস্তাব 

    অর্জুন (Arjun Singh) আরও বলেন, আমি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় অভিষেক আমাকে অনেক অনুরোধ করেছিল। নবান্নের ডেকে আমাকে দমদম, আসানসোল সহ একাধিক লোকসভায় দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। এমনকী বরানগর বিধানসভা উপনির্বাচনে দাঁড়িয়ে মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি সেই সময় তৃণমূলের কাছে ভালো ছেলে ছিলাম। আর এখন বিজেপি করছি বলে আমি খারাপ হয়ে গিয়েছি।। ভোটের দিন প্রমাণ হয়ে যাবে কে খারাপ কে ভালো, মানুষ কার সঙ্গে রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বিজেপি করার অপরাধ! কল-পুকুরের সামনে কড়া পাহাড়া, ভোটের দিন থেকে বন্ধ পানীয় জল

    Birbhum: বিজেপি করার অপরাধ! কল-পুকুরের সামনে কড়া পাহাড়া, ভোটের দিন থেকে বন্ধ পানীয় জল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ গ্রামের বেশ কয়েকটি পরিবার মোদির ওপর আস্থা রেখে বিজেপি দল করেন। বহু চেষ্টা করেও তৃণমূলে ফেরাতে পারেননি এলাকার শাসক দলের মাতব্বররা। আর তাই, নির্বাচনের দিন থেকে গ্রামে জল নিতে দেওয়া  হচ্ছে না বিজেপি পরিবারগুলিকে। এই অভিযোগ ঘিরে শোরগোল বীরভূমের (Birbhum) ইলামবাজারে।

    পুকুর-কল পাহাড়া দিচ্ছে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা (Birbhum)

    বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীদের বক্তব্য, লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর সন্দেশখালির মতো করে দেওয়া হবে ইলামবাজারের (Birbhum) মুর্গাবনি গ্রামকে। এমনই হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল। ইলামবাজারের মুর্গাবনি গ্রামে ভোটের দিন থেকেই বিজেপি করার অপরাধে ৩০ টি পরিবারকে পানীয় জল নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গ্রামে বিক্ষোভ দেখান ওই পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমরা বিজেপি করি। তাই নির্বাচনের পর দিনই থেকেই তাঁদের ওপর নিগ্রহ করা হচ্ছে। এমনকী গ্রামের কল থেকে তাঁদের জল নিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি। অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ রবি মুর্মুর নেতৃত্বে এলাকায় তাণ্ডব চালানো হচ্ছে। অভিযোগ সকাল থেকে পানীয় জলের জায়গাগুলিতে বসে থাকছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এলাকার পুকুরগুলিতেও পাহার দিচ্ছেন তাঁরা। পাঁচ দিন ধরে তীব্র জলকষ্টে ভুগছে এই এলাকার বিজেপি সমর্থকদের পরিবারগুলি।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে কেশপুরে বিজেপি নেতাকে রাস্তায় ফেলে মার, স্বরূপনগরে আক্রান্ত কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা সুব্রত বিশ্বাস বলেন, “বরাবর এই এলাকায় বিজেপি জিতে এসেছে। তাই ওদের এত রাগ। জলও বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকী প্রশাসনের সামনেই হুমকি দিচ্ছে, পানীয় জল দেব না। দ্বিতীয় সন্দেশখালি করে দেব।” স্থানীয় তৃণমূলের নেতা রবি মুর্মু বলেন, “এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি। সুপরিকল্পিতভাবে মিথ্যা বলছে। কারোর জল বন্ধ করা হয়নি। আদিবাসীদের বিষয়। এখন পায়ের তলার মাটি হারিয়ে যাচ্ছে, তাই বিজেপি এই ধরনের অভিযোগ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ত্রিকোণ প্রেমে অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে গ্রামবাসীর হাতে মার খেল পুলিশ!

    Birbhum: ত্রিকোণ প্রেমে অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে গ্রামবাসীর হাতে মার খেল পুলিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তি থামাতে গিয়ে গ্রামবাসী হাতে বেধড়ক মারধর খেল পুলিশ। প্রায় ৮-১০ জন পুলিশের একটিদল মারের কবলে পড়েছেন। রক্তাক্ত হয়েছেন পুলিশের এক এএসআই। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও তিনজন পুলিশ আধিকারিক। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে বীরভূমে (Birbhum)।

    রাজ্যে একাধিক জায়গায় পুলিশের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। বারাকপুর লোকসভা এলাকার আমতলাতে কিছু দিন আগে পুলিশ কর্মীদের উপর আক্রমণ করেছিল তৃণমূল। আবার কয়েক বছর আগে কালিয়াচক, কালিয়াগঞ্জ এবং ভাবানীপুরে পুলিশ নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছিল। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে ইতিমধ্যে রাজনীতির একাংশের মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা?

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার এমন ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের মল্লারপুর থানার বাজিতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাথাই গ্রামে। এলাকাবাসীর আক্রমণের হাত থেকে কোনও ক্রমে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পায় পুলিশ। কর্তব্যরত অবস্থায় এই মার খাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। আহত পুলিশ কর্মীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে জখম এএসআইয়ের মাথায় ২৮টি সেলাই পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃদ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    পুলিশ সূত্রে খবর

    পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন সকালে পাথাই গ্রামে ত্রিকোণ প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশান্তি এবং উত্তেজনার খবর ছড়িয়ে পড়েছিল এলাকায়। এই উত্তেজনার খবর পেয়ে মল্লারপুর থানা (Birbhum) থেকে পুলিশ বাহিনী পৌঁছায় গ্রামে। স্থানীয় এলাকাবাসীর খবর শুনে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করতে গেলে এলাকায় তুমুল ঝামেলা শুরু হয়। পুলিশের সঙ্গে বাধে গ্রামবাসীদের সংঘর্ষ। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে গ্রামবাসীরা পাল্টা লাঠি নিয়ে চড়াও হন। এরপর ৮-১০ জন পুলিশ ব্যাপক ভাবে মারে আহত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয়। ইতিমধ্যে বেশ কিছু অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাল্টা গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পুলিশ প্ররোচনা দিয়ে আগেই হামলা চালিয়েছিল, ফলে মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “স্ট্রংরুমে সিসি ক্যামেরা বন্ধ, পঞ্চায়েত ভোটের মতো তৃণমূল কারচুপি করবে!” আশঙ্কা বিজেপি প্রার্থীর

    Ranaghat: “স্ট্রংরুমে সিসি ক্যামেরা বন্ধ, পঞ্চায়েত ভোটের মতো তৃণমূল কারচুপি করবে!” আশঙ্কা বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানাঘাট (Ranaghat) কলেজে স্ট্রংরুমে বন্ধ সিসিটিভি! পঞ্চায়েত ভোটের মতো কারচুপির ছায়া দেখছে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। যদিও ক্যামেরা বন্ধ নিয়ে পাল্টা অভিযোগ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী। ভোট মিটে যাওয়ার পর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    স্ট্রংরুমের পাঁচটি সিসিটিভি ক্যামেরায় বন্ধ (Ranaghat)

    গত ১৩ই এপ্রিল ভোট গ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে নদিয়ার রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রে। এই ভোট গ্রহণের ইভিএম এবং ভি ভি প্যাড  রানাঘাট কলেজের স্ট্রংরুমে রাখা হয়েছে। করা হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে, বুধবার রাতে সিসিটিভি বন্ধ নিয়ে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেরই প্রার্থী এদিন স্ট্রংরুম পরিদর্শন করেন। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী বলেন, আরও-র অনুমতি ছাড়া মহকুমা শাসক কী কারণে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারকে স্ট্রং রুমে যেতে দিয়েছিলেন। তার কিছুক্ষণ আগে যদিও তৃণমূল প্রার্থী স্ট্রংরুমের কাছে এসেছিলেন এবং সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে তাঁর কাছে খবর যেতেই তিনি এসে উপস্থিত হন রানাঘাট কলেজে। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন জগন্নাথ সরকারকে যখন ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল তখন স্ট্রংরুমের পাঁচটি সিসিটিভি ক্যামেরায় বন্ধ ছিল। আর এখানেই তার সন্দেহ মহকুমা শাসক কোনও ফন্দি এঁটেছেন বিজেপির সঙ্গে। তবে এই চিত্র নতুন নয় উত্তরপ্রদেশেও এ চিত্র দেখা গিয়েছে বলে তৃণমূল প্রার্থীর দাবি।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    স্ট্রংরুমে সিসি ক্যামেরা বন্ধ, তৃণমূল কারচুপি করবে! আশঙ্কা বিজেপি প্রার্থীর

    পাল্টা অভিযোগ করেছেন রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে সংখ্যায় কম। আমাকে জানানো হয়েছিল, প্রার্থীদের কে যেতে দেওয়া হবে স্ট্রংরুমে। তখন তার জন্য সময় বরাদ্দ করেনি কোনও আধিকারিক। পরবর্তীতে  স্ট্রং রুমে যাওয়ার কথা জানালে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হতে হয় আমাকে। পরবর্তীতে আমি যখন আদালতে যাওয়ার হুমকি দিই, তখন আমাকে স্ট্রংরুমের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। গিয়ে দেখেন স্ট্রং রুমের পাঁচটি সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ। আর তাতেই আমার সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পঞ্চায়েত ভোটে হারা প্রার্থীকে প্রশাসনের মদতে জিতিয়েছে, এবারও সেরকমই অভিসন্ধি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে, কমিশনের উচিত স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সক্রিয় করা। যদিও শাসকবিরোধী দুই শিবিরের অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manteswar: ভোটের পরেই দিলীপ ঘোষের বুথ এজেন্ট খুন! বিজেপির তির তৃণমূল দুষ্কৃতীর দিকে

    Manteswar: ভোটের পরেই দিলীপ ঘোষের বুথ এজেন্ট খুন! বিজেপির তির তৃণমূল দুষ্কৃতীর দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চতুর্থ দফা নির্বাচন শেষ হয়েছে। পঞ্চমদফার নির্বাচনী প্রচারে জমজমাট হয়ে উঠেছে রাজ্য। এবার এই সময়েই দুর্গাপুর-বর্ধমান লোকসভা কেন্দ্রের মন্তেশ্বরে (Manteswar) দিলীপ ঘোষের বুথ এজেন্টের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চাল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির দাবি তৃণমূল দুষ্কৃতীরা খুন করেছে। অবশ্য এই রাজ্যে ভোট পরবর্তী কালে রাজনৈতিক খুনের ঘটনা নতুন নয়, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচন ও পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর একাধিক বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের খুনের ঘটনায় চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল রাজ্যে। 

    মৃতের পরিচয় (Manteswar)

    গত ১৩ মে সোমবার লোকসভা ভোটের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের বুথ এজেন্ট ছিলেন অভিজিৎ রায়। তিনি মন্তেশ্বরের (Manteswar) ১৬৮ নম্বর বুথে বিজেপির বুথের দায়িত্বে ছিলেন। আজ বৃহস্পতি বার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। মাটির দেওয়ালে ঠেস দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ফেলা ছিল দেহ। তাঁর দেহে ছিল না জামা, পরনে কেবল অন্তর্বাস, গালায় ক্ষতচিহ্ন। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ভোটের আগের দিন অভিজিৎ রায়কে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হুমকি দিয়েছিল। এই ভোটে বিজেপি জয় লাভ করবে, তাই ভয় পেয়ে পরিকল্পনা করে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    স্থানীয় বিজেপি নেতার বক্তব্য

    বর্ধমান জেলার (Manteswar) এক বিজেপির নেতার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত যে এই খুনের পিছনে তৃণমূল কর্মীরা রয়েছে। এই এলাকার তৃণমূল নেতা তোতা খান, সাবির খান একদিন আগেই হুমকি দিয়েছিল। এবারে মানুষ ভোটটা দিতে পেরেছে এটা বড় বিষয়। তৃণমূল হারবে জেনেই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।” তবে ঘটনায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটের মুখে কেশপুরে বিজেপি নেতাকে রাস্তায় ফেলে মার, স্বরূপনগরে আক্রান্ত কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ভোটের মুখে কেশপুরে বিজেপি নেতাকে রাস্তায় ফেলে মার, স্বরূপনগরে আক্রান্ত কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে ‘আক্রান্ত’ বিজেপির (BJP) মণ্ডল সভাপতি। গুরুতর আহত অবস্থায়  মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেশপুরে মণ্ডল সভাপতিকে রাস্তায় ফেলে পেটাল তৃণমূল (BJP)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার কেশপুর ১৪ নম্বর অঞ্চল ঝেতলার কুশপাতাতে বিজেপির (BJP) একটি মিটিং ছিল। সেখানে বাইকে যাচ্ছিলেন কেশপুর ৪নম্বরের মণ্ডল সভাপতি শুভেন্দু সামন্ত। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁকে বাইক থেকে রাস্তায় ফেলে লাঠি বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে ভয় দেখানো হয়। ঘটনার খবর জানতে পেরে বিজেপি কর্মীরা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা চলে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় শুভেন্দুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু কেন এই হামলা? আক্রান্ত বিজেপি নেতা শুভেন্দু সামন্ত বলেন, প্রকাশ্য বৈঠকেই আমি বলেছিলাম ‘এবার দেব হারবে আর হিরণ জিতবে’। আর সেই কারণেই তৃণমূলের এই হামলা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্তমানে শুভেন্দু ভর্তি রয়েছেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে আক্রান্ত বিজেপি কার্যকর্তার সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ।

    বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির (BJP) ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ বলেন, নির্দিষ্টভাবে তৃণমূল নেতৃত্বের নামে থানায় অভিযোগ করা হবে। যদি পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে জেলা জুড়ে বৃহত্তর আন্দোলন করবে বিজেপি। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটা তাদের আদি ও নব্য বিজেপির গোলমাল। এখানে তৃণমূলকে দোষারোপ করে লাভ নেই।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    তৃণমূলে ভোট না দিলে বিজেপি কর্মীকে খুন করার হুমকি

    তৃণমূলের মিটিং এ না যাওয়ার কারণে বিজেপি (BJP) কর্মী ও তাঁর মাকে মারধরের অভিযোগ উঠল স্বরূপনগর এলাকায়। জানা গিয়েছে,  সরূপনগরের তেতুলিয়া খালদার এলাকার ভীম বিশ্বাস নামে ওই বিজেপি কর্মীকে বুধবার রাতে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় তাঁর মা বাসন্তী বিশ্বাস ছেলেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর করা হয় এবং শাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ অভিযোগ। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই স্বরূপনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বাসন্তী বিশ্বাস নামে ওই মহিলা। তিনি বলেন, আমরা বিজেপি করি। তৃণমূলের মিটিংয়ে যাইনি বলে মেরেছে। তৃণমূলে ভোট না দিলে কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IT Raid: শহরের এক ডজন জায়গায় আয়কর হানা! ভোটের আবহে উদ্ধার টাকার পাহাড়

    IT Raid: শহরের এক ডজন জায়গায় আয়কর হানা! ভোটের আবহে উদ্ধার টাকার পাহাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে (Lok Sabha Elections 2024) আবারও শহরে (Kolkata) উদ্ধার টাকার পাহাড়। গত আড়াই দিন ধরে শহরে চলছে আয়কর তল্লাশি। প্রায় ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তিনটি বিজ্ঞাপন সংস্থার দফতর ও তার মালিকদের বাড়িতে তল্লাশি (IT Raid) চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকার নগদ। 

    শহরের ১২ জায়গায় চলল তল্লাশি (IT Raid)

    বৃহস্পতিবার সকালে খবর পাওয়া যায় শহরে (Kolkata) আয়কর দফতরের তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। কলকাতার প্রায় ১২টি জায়গায় এই তল্লাশি চলছে বলে খবর। ধর্মতলা, গড়িয়াহাট সহ একাধিক জায়গায় হানা দেয় আয়কর দফতর। মূলত ব্যবসায়ীদের অফিসেই এই তল্লাশি অভিযান চলে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, দুটি অফিসে তল্লাশি চালানোর সময় ওই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়। হিসাব বহির্ভূত এই টাকা আপাতত বাজেয়াপ্ত করেছে আয়কর দফতর। জানা গিয়েছে তিনটি বিজ্ঞাপন সংস্থার মধ্যে শুধুমাত্র একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার দফতর থেকেই উদ্ধার হয়েছে নগদ ৫৫ লক্ষ টাকা। 

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘‘কাপুরুষোচিত কাজ’’, প্রতিক্রিয়া মোদির

    নির্বাচন কমিশনের নজরদারি 

    উল্লেখ্য, আগামী ১ জুন সপ্তম দফায় ভোট রয়েছে কলকাতায় (Kolkata)। ইতিমধ্যেই শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত প্রার্থীরা। আর এরই মধ্যে শহর (kolkata) থেকে আয়কর দফতরের তৎপরতায় (IT Raid) উদ্ধার হল এতগুলো টাকা। এমনিতেই রাজ্যে নির্বাচন বিধি লাগু থাকায়, টাকার লেনদেনের ওপর নজর রাখছে নির্বাচন কমিশনও। ভোটে যাতে কোনও ভাবেই অর্থশক্তি কায়েম না হয়, তার জন্য সবসময় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে কমিশন। তবে কী কারণে এত পরিমাণ টাকা বাড়িতে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছেন আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা। 

    প্রসঙ্গত, মাস খানেক আগেই কলকাতার নামী ছাতু ব্যবসায়ীর বাড়িতে আয়কর আধিকারিকরা তল্লাশি (IT Raid) চালান। ভোটের মুখে উদ্ধার হয়েছিল ৫৮ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি বড়বাজার, ধর্মতলা চত্বর থেকেও টাকা উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই ভোটের আগে বিপুল টাকা উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Teesta River: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    Teesta River: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তার গতিপথে (Teesta River) বিরাট বদল হচ্ছে। পাল্টে যাচ্ছে নদীর গতিরেখা। চিন্তার ভাঁজ পড়েছে সেচ দফতরে। গত বছর অক্টোবর মাসে উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে তিস্তার ভয়াবহ রূপ দেখা গিয়ে ছিল। মূলত পাহাড়ের হড়পা বানে তছনছ হয়ে গিয়েছিল গোটা এলাকা। নদীর গতিপথ বদলে যাওয়ার বিষয় নিয়ে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা ভীষণ ভাবে আশঙ্কাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন।

    রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউট সূত্রে খবর

    উত্তরবঙ্গের লাইফ লাইন হল তিস্তা নন্দী (Teesta River)। নদীর গতিপথ বদলে যাচ্ছে প্রতিবছর। বর্ষার জলে আরও প্রভাব ফেলবে তিস্তার নন্দী সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তরফ থেকে বলা হয়েছে, নদীর গতিপথ নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে। নদীপথ অনেক জায়গায় সরে গিয়েছে। কোথাও চওড়া আবার কোথাও সরু হয়ে গিয়েছে। এই রিপোর্ট চূড়ান্ত ভাবে দেবে সেচ দফতর। এরপর সেই ভাবেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সেচ দফতর। বন্যা নিয়ন্ত্রণ এই ভাবেই করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ২৮ কোটি টাকা ব্যায়ে শুরু কাজ

    প্রত্যেক বছর বর্ষা এলে তিস্তা (Teesta River) নিচু এলাকায় ঢুকে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে সেচ দফতর ২৮ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রাথমিক ভাবে কাজ শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। একাধিক জায়গায় বন্যা রোধে স্পার তৈরি করা হয়েছে। সেবক থেকে সমতল এলাকায় বয়ে গিয়েছে এই তিস্তা। পাথুরে জমির উপর থেকে তিস্তার গতি বদলে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১৩ জন শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীকে নিজাম প্যালেসে তলব করল সিবিআই

    জীবন-জীবীকা নির্ভর করে আছে নদীর উপর

    অপর দিকে উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে দেখা গিয়েছে তিস্তার (Teesta River) গতি বদলে যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায় মানুষের জনজীবনের উপর তিস্তা বিরাট প্রভাব ফেলেছে, তাই নদীর গতিপথের উপর জীবন-জীবীকা নির্ভর করে রয়েছে অনেক মানুষের। আবার রাজ্যের সেতু দফতর নদীর গতিপথ বদলে যাওয়ার ছবি দেখে অবাক হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্য এবং কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হয়েছে। গত বছর মেঘভাঙা বৃষ্টিতে জোয়ারে ভেসে গিয়েছিল তিস্তার জল। সিকিমের লোনাক হ্রদ জলের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল। ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল, ৭৭ জন নিখোঁজ ছিলেন। একই ভাবে ৮৮০০০ মানুষ সরাসরি প্রভাবিত হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ভোটের আবহে বালি পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের উপ প্রধানের, শোরগোল

    Balurghat: ভোটের আবহে বালি পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের উপ প্রধানের, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও লোকসভা ভোটের তিনটি দফা বাকি। তার মধ্যেই বালি পাচারের সঙ্গে নাম জড়াল তৃণমূল নেতার। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার কুশমণ্ডিতে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    গঙ্গারামপুর ব্লকের পর অবৈধ বালি পাচারের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে কুশমণ্ডি ব্লক (Balurghat) ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরও। সহযোগিতায় রয়েছে কুশমণ্ডি থানার পুলিশ। টাঙন নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার সময় একটি আর্থমুভার আটক করে পুলিশ ও ভূমি সংস্কার দফতর। তাতেই নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার। যে আর্থমুভারটি আটক করা হয়েছে তাঁর মালিক বংশীহারী ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত এলাহাবাদ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আতাউর রহমান। ওই মেশিনটি লিজ নিয়ে তিনি অবৈধভাবে নদী থেকে বালি তুলছিলেন। ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক প্রীতম দাস শর্মা বলেন, ‘ কালিকামরা গ্রামে টাঙন নদীর ঘাট থেকে অবৈধভাবে বালি পাচার করার খবর আসে। কুশমণ্ডি থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তৎক্ষণাৎ সেখানে যৌথ অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় একটি আর্থমুভার। ওই মেশিনের মালিককে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’ কালিকামরা গ্রামের বেশকিছু বাসিন্দার অভিযোগ, গত এক সপ্তাহ ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তুলছিলেন একজন ঠিকাদার। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিবাদীদের হুমকি দেওয়া হত। এর পিছনে শাসকদলেরই মদত রয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে আন্দোলনকারী মহিলাকে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা !

    বালি পাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুমকি দিল বিজেপি

    এনিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আতাউর রহমানের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অবৈধভাবে নদীর বালি পাচার বন্ধ করতে প্রশাসন যে পদক্ষেপ নিচ্ছে আমরা তাকে সমর্থন জানাচ্ছি। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।’ বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক তাপস রায় বলেন, তৃণমূল দলটাই চোর। বালি পাচার করে ওদের সংসার চলে। দলের নেতাদের কাছেও পাচারের টাকা চলে যায়। ভোটের ফল বের হওয়ার পর আমরা আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১৩ জন শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীকে নিজাম প্যালেসে তলব করল সিবিআই

    SSC: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১৩ জন শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীকে নিজাম প্যালেসে তলব করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই তলব করে নোটিশ দিল শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের (SSC)। ২০১৬ সালে এসএসসিতে চাকরি পাওয়া শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই কাজ এবার শুরু হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। রাজ্যের শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১৩ জনকে ডাকা হয়েছে নিজাম প্যালেসে। এবার যোগ্য-অযোগ্যদের কাছ থেকে কি প্রভাবশালীদের নাম বের হবে? এই প্রশ্ন এখন রাজনীতির একাংশের মধ্যে।

    জেলা স্কুল পরিদর্শকের বক্তব্য (SSC)

    ইতিমধ্যে, একাধিক শিক্ষক সংগঠন এবং বেশ কিছু স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, জেলা স্কুল পরিদর্শকের দফতর থেকে মেইল এসে পৌঁছেছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কিছু শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের নাম উল্লেখ করে কলকাতায় আসার ডাক পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার স্কুল পরিদর্শক নিতাইচন্দ্র দাস জানিয়েছেন, “সরাসরি সংশ্লিষ্ট স্কুলেই নোটিশ পাঠিয়ে থাকতে পারে সিবিআই।” যদিও স্কুলের পরিদর্শক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলা সুপ্রিম কোর্টে চলছে, যোগ্য-অযোগ্য (SSC) এখনও ঠিক হয়নি। ইতিমধ্যে কুশমান্ডি লক্ষ্মীপুরের এক শিক্ষক এবং গঙ্গারামপুরের বেলবাড়ির এক শিক্ষক আছেন এই তালিকায়।

    পাঠানো হয়েছে চিঠি

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার সিবিআইয়ের একজন আধিকারিকের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, “২০১৬ সালে এসএসসিতে (SSC) নিযুক্ত ‘রিজ়িয়োনাল লেভেল সিলেকশন টেস্ট’ (আরএলএসটি)-অ্যাডমিট কার্ড, সুপারিশ পত্র, যোগদানের নথি, জেলা স্কুল পরিদর্শকের তরফে অনুমোদনের নথি এবং বেতনের তথ্য নিয়ে হাজির হতে হবে নিজাম প্যালেসে।” উল্লেখ্য সুপ্রিম কোর্ট যোগ্য এবং অযোগ্যদের চিহ্নিত করার কথা যেমন বলা হয়েছে, তেমনি সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ফেল তদন্তের এই কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এই তলবের কাজ শুরু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃসন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে আন্দোলনকারী মহিলাকে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা!

    এবিটিএ-এর বক্তব্য

    নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে জেলা সম্পাদক অনিমেষ লাহিড়ী বলেছেন, “সিবিআই জেলায় জেলায় নোটিশ দিতে শুরু করেছে। যোগ্যদের (SSC) চাকরি রেখে অযোগ্যদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। এই দুর্নীতির সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share