Tag: West Bengal

West Bengal

  • Balurghat: নদীতে ডুব দিয়ে পুণ্যার্থীরা হাজির হন বালুরঘাটের গঙ্গাসাগর মেলায়

    Balurghat: নদীতে ডুব দিয়ে পুণ্যার্থীরা হাজির হন বালুরঘাটের গঙ্গাসাগর মেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের কুম্ভ মেলায় ভিড়। ভিড় এ রাজ্যের গঙ্গাসাগরেও। পুণ্য স্নান করতে  বালুরঘাটের (Balurghat) অনেক মানুষই যেতে পারছেন না গঙ্গা সাগরে। তাই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতেই বালুরঘাটের গঙ্গাসাগরে (Ganga Sagar 2025) ভিড় বাড়ছে পুণ্যার্থীদের। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে মেলা। এদিন সকালেই আত্রেয়ী নদীতে পুণ্যস্নান করতে দেখা গেল বহু পুণ্যার্থীদের।

    পুণ্য লাভের আশায় ভিড় হয় মেলায়! (Balurghat)

    বালুরঘাট (Balurghat) শহর থেকে খানিক দূরে গঙ্গাসাগর গ্রাম। শুধুমাত্র নামের মাহাত্ম্যেই গঙ্গাসাগর গ্রামে মকর সংক্রান্তিতে পুণ্যস্নান হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কথায় আছে “সব তীর্থ বার বার, গঙ্গাসাগর একবার”  অর্থাৎ গঙ্গাসাগরে একবার পুণ্য স্নান করলে সমস্ত তীর্থের পুণ্য অর্জন হয়। ওই গ্রামে রয়েছে কপিল মুনির আশ্রম। যাকে কেন্দ্র করে বসেছে মেলা। মেলার পাশেই বয়ে গেছে বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদী। সেই নদীতে স্নানের জন্য ভিড় করেন পুণ্যার্থীরা। অনেকেই বলছেন, কুম্ভ মেলা ও গঙ্গাসাগরের মেলায় যেতে না পারলেও  বালুরঘাটের গঙ্গাসাগরেই স্নান করে পুণ্য অর্জন করছেন ভক্তরা। মকর সংক্রান্তির দিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরেও পুণ্য স্নান করতে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়ে থাকে প্রতিবছর।  কিন্তু আর্থিক কারণে অনেকেই সেই গঙ্গাসাগরে যেতে পারেন না। তাঁরা ভিড় করেন দক্ষিণ দিনাজপুরের এই মেলায়।

    কপিল মুনির মন্দির কবে গড়ে উঠেছিল?

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট (Balurghat) শহর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে আত্রেয়ী নদীর পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত গঙ্গাসাগর গ্রাম। নাম মাহাত্ম্যের কারণে আজ থেকে প্রায় বিয়াল্লিশ বছর আগে গ্রামের বয়স্করা এখানেও গঙ্গাসাগরের মতো কপিল মুনির মন্দির গড়ে তোলার পাশাপাশি চালু করেন মন্দিরের পাশে নদীতে স্নান করে মন্দিরে পুজো দেওয়ার রীতি। ধীরে ধীরে গঙ্গাসাগর গ্রামের এই পুণ্য স্নানের কথা ছড়িয়ে পড়ে জেলা এবং জেলার বাইরে। প্রতিবছর বালুরঘাট সহ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা এবং জেলা বাইরের বহু মানুষের সমাগম হয়ে থাকে মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নান করতে। মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রতিবছর তিনদিনের মেলা বসে গঙ্গাসাগর গ্রামে। তিন দিনব্যাপী চলে মন্দির ঘিরে নাম সংকীর্তন।

    পুণ্যার্থীর বক্তব্য

    মালদা থেকে এই মেলায় এসেছিলেন রতন দাস। তিনি বলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে পুণ্য স্নান করতে যাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না। যেহেতু এই জায়গার নাম গঙ্গাসাগর। তাই আমরা বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গাসাগরে এসে পুণ্য স্নান  করলাম। এইখানে স্নান করলেও পুণ্য হয়। উৎসব কমিটির সদস্য প্রবীর প্রামাণিক জানান, ৪২ বছর ধরে এখানের মকর সংক্রান্তির স্নান হয়ে আসছে। মানুষ বিশ্বাস করে এই গঙ্গাসাগরে স্নান করলে পুণ্য হয়। তাই হাজার হাজার মানুষ  স্নান করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্কু পাণ্ডের গাড়িতে গুলি, এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

    NIA: বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্কু পাণ্ডের গাড়িতে গুলি, এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ায় অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্কু পাণ্ডের গাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনায় এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করল এনআইএ (NIA)। মহম্মদ আমিন ওরফে সোনু নামে ওই তৃণমূল কর্মীকে বহুদিন ধরেই খুঁজছিলেন তদন্তকারীরা। ধৃতকে জেরা করে এই ঘটনায় কার হাত রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। জানা যাচ্ছে, এর আগেও আমিনকে ২-৩ বার নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। সেই নোটিশে সাড়া দেননি আমিন। অবশেষে তাকে গ্রেফতার করা হল। গ্রেফতারির পর প্রিয়াঙ্কু পাণ্ডে বলেন, ঘটনায় যে তৃণমূলের হাত রয়েছে এটা অন্তত স্পষ্ট হল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (NIA)

    গত ২৮ অগাস্ট বিজেপির ডাকা বাংলা বনধের সকালে ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্কু পাণ্ডের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চলে। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে গাড়ি লক্ষ্য করে ৭-৮ রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলিতে আহত হন গাড়ির চালক। সেই ঘটনার এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কু। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এর পর তদন্তে নেমে ভিডিও ফুটেজ দেখে আততায়ীদের শনাক্ত করে এনআইএ। এর পরই মহম্মদ আমিন ওরফে সোনু নামে এক তৃণমূল কর্মীকে খুঁজছিল তারা। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে এর আগেও তার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। আমিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

    আরও পড়ুন: পৌষ পার্বণে ঘরে ঘরে পিঠে-পুলির উৎসব, কেন মকর সংক্রান্তিতে পিঠে খাওয়া হয়?

    কীভাবে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল কর্মীকে?

    এর আগেও আমিনকে ধরতে বাড়ি ঘিরে ফেলেন এনআইএ (NIA) আধিকারিকরা। কিন্তু, আমিন বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। মঙ্গলবার ভোর রাতে আবারও তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় এনআইএ। আমিনের বাড়ি ঘিরে ফেলেন আধিকারিকরা। তাঁর পালানোর আর কোনও অবকাশই ছিল না। বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আমিনকে গ্রেফতার করলেই বড় মাথার হদিশ পেতে পারেন তদন্তকারীরা। এর পিছনে কারা রয়েছেন, কারা ছক করেছিলেন প্রিয়াঙ্কু পাণ্ডেকে খুন করার, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Makar Sankranti: পৌষ পার্বণে ঘরে ঘরে পিঠে-পুলির উৎসব, কেন মকর সংক্রান্তিতে পিঠে খাওয়া হয়?

    Makar Sankranti: পৌষ পার্বণে ঘরে ঘরে পিঠে-পুলির উৎসব, কেন মকর সংক্রান্তিতে পিঠে খাওয়া হয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মকর সংক্রান্তি। যা পৌষ পার্বণ নামেও বাংলায় বহুল প্রচলিত। বাংলার, বিশেষ করে গ্রামগঞ্জের ঘরে ঘরে এই দিন পিঠে-পুলির উৎসব হয়। অন্দরে অন্দরে দুধ, ক্ষির, গুড়, নারকেলের গন্ধে ম-ম করে। হাড় কাঁপানো শীতে কম্বলের আরাম ছেড়ে জোরকদমে পিঠে-পুলি বানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাড়ির মা-বউরা। পৌষ পার্বণ অথচ পিঠে হবে না তা আবার হয় নাকি? যুগ যুগ ধরে পৌষ সংক্রান্তির (Makar Sankranti) দিনে এই মিষ্টান্নের স্বাদ নিতে ভোলেন না বাংলার মানুষ। 

    কেন সংক্রান্তিতে পিঠে খাওয়া হয় জানেন? (Makar Sankranti)

    পৌষ পার্বণের সঙ্গে পিঠে-পুলির যোগ নিয়ে পৌরাণিক গল্পগাথা রয়েছে। জানা যায়, এই দিনই পিতামহ ভীষ্ম স্বইচ্ছায় মৃত্যু বরণ করেন। মূলত নতুন ফসলের উৎসব (Makar Sankranti) বলেই এই দিনটিকে পৌষ-পার্বণ হিসেবে উদযাপন করেন বাঙালিরা। এই সময়ে ঘরে ঘরে নতুন ফসল থাকে। সেই নতুন ফসল দিয়েই তৈরি করা হয় এই বিশেষ মিষ্টান্ন। এই নতুন ফসলকে স্বাগত জানাতেই ঘরে ঘরে বানানো হয় এই অসাধারণ মিষ্টান্ন। গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে এ দিন চাল গুঁড়ো, নারকেল, গুড়, দুধ, ক্ষির দিয়ে তারি করা হয় রকমারি পিঠে। সবচেয়ে জনপ্রিয় পিঠে হল— ভাপা পিঠে। এ ছাড়াও রয়েছে চিতই পিঠে, দুধচিতই, ছিট পিঠে, দুধপুলি, ক্ষীরপুলি, পাটিসাপটা, ফুলঝুড়ি, ধুপি পিঠা, নকশি পিঠে, মালাই পিঠে, মোলপোয়া, পাকন পিঠে, ঝাল পিঠে ইত্যাদি। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ‘পৌষপার্বণ’ নামের কবিতায় রয়েছে, ‘গড়িতেছে পিঠে পুলি অশেষ প্রকার, বাড়ি বাড়ি নিমন্ত্রণ কুটুম্বের মেলা, হায় হায় দেশাচার ধন্যি তোর খেলা।’ এই কবিতাতেই বাঙালির কাছে পিঠের আসল গুরুত্ব ধরা পড়ে।

    আরও পড়ুন: ‘‘জেলবন্দি পার্থর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন মমতা”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির এই ঐতিহ্য!

    তবে, এখন শহুরে বাঙালিদের হেঁশেলে পিঠে-পুলি তৈরি করার রেওয়াজ ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু। ফলে, রসিক বাঙালি পিঠে (Makar Sankranti) খেতে আস্তানা গেড়েছে মেলায় বা মিষ্টির দোকানে। তাই আজ আর আগের মতো হেঁশেলে ঢুকলেই হাঁড়ির ভেতরে যবুথবু হয়ে থাকে না ক্ষিরে ভরা পাটিসাপটা। আগে তাও যৌথ পরিবার থাকায় মা, দিদিমারা মিলে বা বাড়ির বড় কোনও সদস্যা পিঠে বানানোর উদ্যোগ নিতেন। কিন্তু, এখন কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে সেই মা, দিদিমারাও। পরিবার ভেঙেছে। যে যার নিজের কাজে ব্যস্ত। তাই বাড়িতে বাড়িতে কমে এসেছে পিঠে বানানোর হিড়িকও। কর্মব্যস্ততার যুগে কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির এই ঐতিহ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘জেলবন্দি পার্থর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন মমতা”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘জেলবন্দি পার্থর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন মমতা”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ‘বোমা ফাটালেন’ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর (Suvendu Adhikari) দাবি, প্রায় আড়াই বছর জেলে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ফোনে কথা হয়। সেক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কীভাবে ফোনে কথা হতে পারে তা নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই গিয়েছে। প্রসঙ্গত, জেলে বসে মোবাইল ব্যবহার করছে অপরাধীরা। বাইরের জগতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে জঙ্গিরা। নাশকতার ছক পরিকল্পনা হচ্ছে সেখান থেকেই। এই অভিযোগ উঠতেই নড়েচড়ে বসেছে কারা দফতর। আধুনিক প্রযুক্তি বিশিষ্ট জ্যামার লাগানো হচ্ছে রাজ্যের জেলগুলিতে। তার প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এ হেন মন্তব্য করেন শুভেন্দু।

    পার্থকে নিয়ে আর কী বললেন শুভেন্দু?(Suvendu Adhikari)

    সোমবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। আমি আগের কথা বলব না। সম্প্রতির কথা বলব। পার্থ যেদিন চান, বেলের মোরব্বা খান। যেদিন চান, খাসির মাংস খান। গত অষ্টমীতে লুচি-ছোলার ডাল খেয়েছেন। তাই, এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ের মামলা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যাওয়া উচিত। তদন্তকারী সংস্থা চার্জশিট দিয়েছে। কনভিকশন করাতে চায়। তাদের বলব সুপ্রিম কোর্টকে বলে এই মামলাগুলি রাজ্যের বাইরে নিয়ে যান। আমি বরাবরই দাবি করি, পশ্চিমবঙ্গের বাইরে এই মামলাগুলি নিয়ে যাওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভে শাহি স্নান সারলেন ৬০ লক্ষ ভক্ত, পুণ্যার্থীদের বার্তা মোদি-যোগীর

    জেল কাকে বলে জানেন সুদীপ-অনুব্রত!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘রোজভ্যালির মামলা ওড়িশায় ছিল বলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন জেল কাকে বলে। আজ শাহজাহান, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এরা জানেন না। জেল কাকে বলে কিছুটা অনুব্রত মণ্ডল জানেন। তিনি রাজনীতি করছেন করুন। জেলে যাওয়ার আগের ভাষা আর তিহাড় জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর ভাষা অনেক পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। সুদীপদার ভাষার মধ্যেও আমরা তফাৎ দেখি। কিন্তু, এখানকার জেল থেকে যারা ফিরে আসেন যেমন জীবনকৃষ্ণ সাহা, মানিক ভট্টাচার্য, তাদের আমরা দেখছি নির্লজ্জের মতো, মুখে মাস্ক না লাগিয়ে ঢুকছেন, বের হচ্ছেন। আমার স্ট্যান্ডিং কমিটি কোথায় খোঁজ নিচ্ছেন।”

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি পার্থর বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসছে। একাধিক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, অযোগ্যদের তালিকায় থাকা সব অযোগ্যরাই কোনও কোনও না কোনও প্রভাবশালীর সুপারিশ করা নাম। অর্থাৎ প্রভাবশালীরা যে নাম জমা দিতেন তার একটা আলাদা তালিকা করা হত। সেই তালিকায় একদিকে যেমন সংশ্লিষ্ট চাকরিপ্রার্থীর নাম থাকত তেমনই সেই তালিকায় যে প্রভাবশালীরা এই নাম সুপারিশ করেছেন তাঁর নামও থাকত। তবে সেই প্রভাবশালীরা নাম সুপারিশ করলেই যে চাকরি পাকা এমনটা নয়। সেই নামের পাশে কাদের চাকরি একেবারে দিতেই হবে, সেটা ঠিক করতেন খোদ পার্থ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladeshi Arrest: নুরুল সেজেছিল নারায়ণ! অটো চালিয়ে বিলাসবহুল জীবন যাপনই ধরিয়ে দিল বাংলাদেশিকে

    Bangladeshi Arrest: নুরুল সেজেছিল নারায়ণ! অটো চালিয়ে বিলাসবহুল জীবন যাপনই ধরিয়ে দিল বাংলাদেশিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেশায় সামান্য অটোচালক! অথচ, এদেশে এসে বছর খানেকের মধ্যেই জীবনযাত্রার মান বদলে ফেলেছিলেন বাংলাদেশের নুরুল ইসলাম, যা রীতিমতো অবাক করেছিল স্থানীয়দেরও। থাকছিলেন বারাসতের দক্ষিণ কাজিপাড়ার বাসিন্দা শেখ রফিকুল ইসলামের বাড়িতে। এই রফিকুলের বাড়ি বাংলাদেশের  (Bangladeshi Arrest) মাদারিহাট এলাকায়। দুজনেরই কাজকর্ম ও গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাঁদের ওপর নজর রাখতে শুরু করেছিল দত্তপুকুর থানার পুলিশ। রবিবার ভোরে ওই দুই বাংলাদেশিকে পাকড়াও করা হয় বারাসতের (Barasat) বামনগাছি চৌমাথা সংলগ্ন এলাকা থেকে। এর আগেও বাংলাদেশিদের এদেশে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে দেওয়ার অভিযোগে সমীর দাস-সহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ফের দুই বাংলাদেশির সন্ধান মিলল বারাসতে।

    নুরুল হক থেকে নারায়ণ অধিকারী! (Bangladeshi Arrest)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladeshi Arrest) এই নুরুল হক ভারতে এসে হয়ে গিয়েছিলেন নারায়ণ অধিকারী। তাঁর বাড়ি গাজিপুর। বাবার নাম গিয়াস মিঞার পরিবর্তে এখানে করেছিলেন নগেন অধিকারী। রফিকুল ইসলাম আবার ভারতে ঢুকে বারাসতে পেল্লাই বাড়িও বানিয়ে ফেলেছিলেন। দত্তপুকুর থেকে ধৃত রফিকুল ইসলাম এবং নুরুল হক ওরফে নারায়ণ অধিকারীর নথি তৈরি করে দিয়েছিল নথি-জালকাণ্ডে ধৃত সমীর দাস, দাবি পুলিশের। পেশায় লোক দেখানো অটোচালক হলেও দুজনের জীবনযাত্রা নিয়ে স্থানীয় ও পরিচিতদের মধ্যে সন্দেহ দানা বেঁধেছিল। তারই মধ্যে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উত্তাল পরিস্থিতিতে অনুপ্রবেশকারীদের ধরপাকড় শুরু হলে এই দুজনের গতিবিধির ওপরও নজর রাখতে শুরু করেছিল পুলিশ। শেষে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের।

    নুরুলের ঠাটবাটই ছিল অন্য রকম!

    অনেকেই বলছেন, নুরুলের ঠাটবাটই ছিল অন্য রকম। হাতে তাঁর সব সময় থাকত দামি ঘড়ি। আইফোন (Bangladeshi Arrest) ছাড়া অন্য কোনও ফোন ব্যবহার করতেন না। শুধু তাই নয়, কোনও অনুষ্ঠান হলেই শয়ে শয়ে টাকাও খরচ করতেন নুরুল। এমনই দাবি করছেন স্থানীয় লোকজন। কিন্তু, সামান্য অটোচালক হয়ে কীভাবে সে এত বিলাসবহুল জীবনযাপন করত? এখানেই খটকা লাগছে তদন্তকারীদের। পুলিশের অনুমান, এসবই অসৎ পথে উপার্জনের টাকা। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, বাংলাদেশি দালালের মাধ্যমে নুরুল ওপার বাংলার ক্লায়েন্ট জোগাড় করত। তারপর মোটা টাকার বিনিময়ে রফিকুলের মাধ্যমে সে বাংলাদেশিদের ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে দিত। সেখান থেকেই নুরুল মোটা অঙ্কের টাকা উপার্জন করতেন বলে ধারণা তদন্তকারীদের। তবুও দত্তপুকুর থেকে ধৃত বাংলাদেশি নুরুল ইসলামের আয়ের উৎস খুঁজতে তৎপর পুলিশ।

    ভারতীয় মহিলাকে বিয়ে করেন রফিকুল

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ (Bangladeshi Arrest) জানতে পেরেছে, ধৃত নুরুল বিগত তিন-সাড়ে তিন বছর ধরে বারাসতের দক্ষিণ কাজিপাড়ার রফিকুলের বাড়িতে ভাড়া থাকার নামে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এই সময়ই তিনি নারায়ণ নামে জাল আধার কার্ড, প্যান কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়ে ফেলেছিলেন। সেগুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। রফিকুল আবার গত প্রায় কুড়ি বছর ধরে থাকছিল এদেশে। প্রথমে সে দত্তপুকুর এলাকায় থাকলেও পরে রফিকুল দক্ষিণ কাজিপাড়ায় বাড়ি তৈরি করে ভারতীয় মহিলাকে বিয়ে করে পাকাপাকিভাবে এদেশে থাকতে শুরু করেছিল। দত্তপুকুর থেকে ধৃত রফিকুল ইসলামের বাড়িতে প্রচুর বাংলাদেশির যাতায়াত ছিল বলে জেনেছে পুলিশ। দত্তপুকুরের কাজিপাড়ায় নিজের নামে বাড়িও বানিয়ে ফেলেছিল রফিকুল। জিজ্ঞেস করলে রফিকুল বলতেন, বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা করাতে এসেছেন ওই ব্যক্তিরা। নুরুলও প্রথমে নিজের পরিচয়েই এসেছিলেন রফিকুলের বাড়ির দোতলার ভাড়াটে হিসেবে।

    নুরুলকে বাড়ি ছাড়া করতে স্থানীয়রা চাপ দিচ্ছিল

    পরে বদলে যায় সবটা। রফিকুল আবার নিজেকে ডাক্তার বলে পরিচয় দিয়েছিলেন স্থানীয়দের কাছে। রফিকুল ইসলামের বাড়িতে সাড়ে তিন বছর আগে থেকে থাকা শুরু করেন নারায়ণ অধিকারী, ওরফে নুরুল হক। মাছের ব্যবসা করছেন, এই পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথমে নুরুল হকের নাম-পরিচয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়িতে থাকলেও পরে নাম, পরিচয়, ভোল- সবই আমূল বদলে ফেলেন তিনি। তখনই চটে যান প্রতিবেশীরা। ভোল বদলের পর নুরুল ইসলামকে বাড়ি ছাড়া করতে রফিকুলকে চাপ দিচ্ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের কাছ থেকে বেশ কয়েকবার সময়ও চেয়ে নিয়েছিলেন রফিকুল। এরইমধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে বেআইনি ভাবে এদেশে আসা অনুপ্রবেশকারীদের হাতে দ্রুত নথি তুলে দেওয়ার ব্যাপারে এক্সপার্ট ছিলেন সমীর দাস, এই তথ্য আগেই জানিয়েছে পুলিশ। আর সেই জন্য বাংলাদেশে বেশ নামডাকও ছিল তাঁর। শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশেও জাল নথি তৈরির ব্যবসার ফাঁদ বিছিয়ে রেখেছেন বারাসাত থেকে ধৃত সমীর দাস। জালিয়াতিকাণ্ডে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbha Mela 2025: মহাকুম্ভে শাহি স্নান সারলেন ৬০ লক্ষ ভক্ত, পুণ্যার্থীদের বার্তা মোদি-যোগীর

    Mahakumbha Mela 2025: মহাকুম্ভে শাহি স্নান সারলেন ৬০ লক্ষ ভক্ত, পুণ্যার্থীদের বার্তা মোদি-যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে প্রথম শাহি স্নান নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় হয়ে উঠেছে। সোমবার প্রবল শৈত্যপ্রবাহ এবং ঠান্ডা উপেক্ষা করেই মহাকুম্ভে শাহি স্নান সারলেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত। দেশ-বিদেশ থেকে আসা বহু পুণ্যার্থী দলে দলে প্রয়াগরাজে (Mahakumbh Mela 2025) পৌঁছেছেন। আজ সোমবার থেকে এই মেলা শুরু হয়েছে। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মেলার শুরুর দিন অন্তত ৬০ লক্ষ মানুষ ত্রিবেণী সঙ্গমে শাহি স্নান সেরেছেন বলে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ভক্তদের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি (Mahakumbh Mela 2025)

    পবিত্র এই সময় (Mahakumbh Mela 2025) পুণ্যার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi)। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তিনি লেখেন, “পৌষ পূর্ণিমায় পবিত্র স্নানের মধ্য দিয়ে প্রয়াগরাজের পবিত্র স্থানে মহাকুম্ভ শুরু হয়েছে। বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত এই অনুষ্ঠানে আমি সমস্ত ভক্তকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত এই উৎসব সকলের জীবনে নতুন শক্তি ও উদ্দীপনা জোগাবে।” শুধু তাই নয়, প্রয়াগরাজে পুণ্যার্থীরা যেভাবে ভিড় জমাচ্ছেন, স্নান সারছেন তা দেখে তিনি যে আপ্লুত এবং আবেগপ্রবণ তাও এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    শুভেচ্ছা বার্তা যোগীর

    শাহি স্নান নিয়ে বার্তা দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শুভেচ্ছা (Mahakumbh Mela 2025) জানিয়েছেন পৌষ পূর্ণিমার। তিনি লিখছেন, “সোমবার থেকে তীর্থরাজ প্রয়াগরাজে শুরু হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক সমাবেশ ‘মহাকুম্ভ’। মেলায় আসা সমস্ত ভক্ত এবং পুণ্যার্থীদের শুভেচ্ছা জানাই।” এদিকে কুম্ভমেলা উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রয়াগরাজজুড়ে। লক্ষ লক্ষ ভক্তের নিরাপত্তায় কয়েকশো পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে ত্রিবেণী সঙ্গমে। প্রসঙ্গত, সোমবার প্রথম শাহি (Mahakumbh Mela 2025) স্নান। এরপর ধাপে ধাপে আরও কয়েকটি স্নান আছে। ১৪ জানুয়ারি রয়েছে মকর সংক্রান্তির স্নান। সেদিন আরও মানুষ আসবেন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রায় এক কোটি মানুষ মকর সংক্রান্তিতে স্নান করবেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই মতো সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: স্যালাইনকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া জনস্বার্থ মামলার অনুমতি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের

    Calcutta High Court: স্যালাইনকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া জনস্বার্থ মামলার অনুমতি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্যালাইন নিয়েই জোড়া জনস্বার্থ মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে। তার মধ্যে একটি জনস্বার্থ মামলা করতে চেয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। দ্বিতীয়টির জন্য আদালতের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। স্যালাইন নিষিদ্ধ করার পরও এরাজ্যে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘বিষাক্ত’ স্যালাইন? সেই প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের হয়েছে। দু’টি জনস্বার্থ মামলাই দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। এডুলজির মামলাটি আগামী বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Calcutta High Court)

    ২০২৪-এর মার্চ মাসেই কর্নাটক সরকার এই স্যালাইন (Calcutta High Court) প্রস্তুতকারী সংস্থাকে নিষিদ্ধ বলে উল্লেখ করেছিলেন। ওই রাজ্যে চার প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল। তারপরই নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। ডিসিজিআই-কে চিঠিও দিয়েছিলেন ওই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কর্নাটক যে স্যালাইনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল, সেই স্যালাইন কেন রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে রমরমিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয় এক প্রসূতির। এসএসকেএম-এ লড়াই চলছে আরও তিন প্রসূতির। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে গ্রিন করিডর করে ওই তিন প্রসূতিকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল থেকে নিয়ে আসা হয়েছে কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের স্যালাইন (রিঙ্গার্স ল্যাকটেট) নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বস্তুত ‘রিঙ্গার্স ল্যাকটেট’ স্যালাইনের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় গত ১০ ডিসেম্বর ওই স্যালাইনের উৎপাদন ও সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমও মেনেছেন, গত নভেম্বরে স্যালাইন উৎপাদক ওই সংস্থাটিকে কর্নাটক সরকার কালো তালিকাভুক্ত করার পরে রাজ্যও ওই নির্দেশ দেয়। তবে এডুলজির দাবি, আরজি কর হাসপাতালে চলতি মাসেও স্যালাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মেদিনীপুরের ঘটনার পর হুঁশ ফিরেছে তৃণমূল সরকারের!

    এডুলজি সোমবার হাইকোর্টে জানান, এ রাজ্যের এক সংস্থার (Calcutta High Court) খারাপ মানের স্যালাইন ব্যবহার করে কর্নাটকে কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছিল। তখন রাজ্যের ওই সংস্থাকে কালো তালিকায় পাঠিয়ে দেয় কর্নাটক সরকার। ওই সংস্থার থেকে বরাত নেওয়াও বন্ধ রাখা হয়েছে। সম্প্রতি এ রাজ্যেও খারাপ স্যালাইন ব্যবহারের পর মৃত্যুর অভিযোগ উঠে এসেছে। এমন অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের আর্জি জানান তিনি। প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম বলেন, “সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছি। রাজ্য সরকার সম্ভবত কোনও পদক্ষেপও করছে।” উল্লেখ্য, মেদিনীপুরের ঘটনার পর হুঁশ ফিরেছে তৃণমূল সরকারের। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে হাসপাতালগুলিতে নির্দেশিকা পাঠানো হয়। তারপর একে একে ওয়ার্ড থেকে স্যালাইন সরানো শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে উধাও শীত! বুধবার থেকে ফের নামবে তাপমাত্রা, ইঙ্গিত আলিপুরের

    Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে উধাও শীত! বুধবার থেকে ফের নামবে তাপমাত্রা, ইঙ্গিত আলিপুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তিতেও কনকনে শীতের পূর্বাভাস দিল না আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বরং আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। মোটামুটি আরামদায়ক তাপমাত্রাতেই কাটছে পৌষ সংক্রান্তি। সোমবার কলকাতার (Weather Update) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৩ ডিগ্রি। তবে, আগামী বুধবার থেকে ফের কিছুটা পারদপতন হতে পারে।

    কুয়াশার দাপট কোন কোন জেলায়? (Weather Update)

    দক্ষিণবঙ্গে শীতের (Weather Update) দাপট কম হলেও উত্তরবঙ্গ শীতে কাঁপছে। দার্জিলিঙে বৃষ্টি ও তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ঘন কুয়াশা থাকবে দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলাতেই। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় জেলায়। ঘন কুয়াশা থাকবে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। কলকাতা সহ বাকি জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রাতেও বড় একটা হেরফের হবে না।। বুধবার থেকে আবার তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নামতে পারে পারদ।

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    দার্জিলিং ৪.৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ১০.১

    দার্জিলিঙে বৃষ্টি এবং তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকছে। এর ফলে উত্তরে হাওয়া ফের বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে শীতেও বাধা পড়তে পারে। রবিবার রাজ্যের শীতলতম জেলা ছিল দার্জিলিং। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.৮। কালিম্পঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ এবং পুরুলিয়ায় ১০.১। ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা নামবে ৫০ মিটারের কাছাকাছি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে ঘন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে । বেশিরভাগ জেলাতেই দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারে নিচে থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: কাঁটাতার দিতে বাধা বিজিবি-র! সীমান্তে গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক ২ বিজেপি বিধায়কের

    BSF: কাঁটাতার দিতে বাধা বিজিবি-র! সীমান্তে গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক ২ বিজেপি বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার বৈষ্ণবনগর থেকে শুরু করে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ কিংবা দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট। বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড সংক্ষেপে বিজিবির বিরুদ্ধে বারবার সীমা কাঁটাতার বসাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে এবার, সীমান্ত পরিদর্শনে গেলেন দুই বিজেপি বিধায়ক। মালদার হবিবপুরে সীমান্ত পরিদর্শনে যান বিজেপি (BJP) বিধায়ক জুয়েল মুর্মু। চৌকিতে গিয়ে বিএসএফ (BSF) আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। অন্যদিকে, বালুরঘাটে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেন বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি।

    বৈঠকের পর কী বললেন বিজেপি বিধায়করা? (BJP)

    হবিবপুরের কেদারিপাড়া সীমান্ত চৌকিতে গিয়ে বিএসএফ (BSF) আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পরে হবিবপুরের বিধায়ক বলেন, “এখানে কোনও ফেন্সিং নেই। কেদারিপাড়া থেকে বেলডাঙা এখানে ২৫ কিমি ফেন্সিং নেই। এটা রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা। রাজ্য যদি আগে ব্যবস্থা নিত, বিএসএফ-কে বা কেন্দ্রকে জায়গা দিত, তাহলে অনেক দিন আগে ফেন্সিং হয়ে যেত।” অন্যদিকে, গত বুধবার কাঁটাতার ইস্যুতেই উত্তপ্ত হয় দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট থানা এলাকার শিবরামপুর গ্রাম। এখানে প্রায় ৬০০ মিটার এলাকা কাঁটাতার হীন। সেখানে ফেন্সিংয়ের কাজ চলাকালীন, বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে বিএসএফ (BSF)। অশান্তির জেরে বন্ধ হয়ে যায় ফেন্সিংয়ের কাজ। রবিবার, সীমান্ত এলাকায় যান বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক। কথা বলেন বিএসএফের সঙ্গে। বিধায়ককে সমস্যার কথা জানান স্থানীয় মানুষরা। বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি বলেন, “গ্রামটাকে যদি কাঁটাতারের মধ্যে নিতে হয় তাহলে ওর দূরত্ব বেড়ে যায় ৯০০ মিটার। ইন্টারন্যাশনাল বর্ডারের ১৫০ মিটারের মধ্যে কোনও কন্সট্রাকশন করা যায় না। আমি কমান্ডারদের সঙ্গে কথা বললাম। বিএসএফ (BSF) আশা করি সুরাহা করবে।”

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    সরব শুভেন্দুও

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “যদি ভারতের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে, গোটা ৫-৭ ড্রোন পাঠিয়ে দিলেই ওদের কাজ শেষ হয়ে যাবে। ওসামা বিন লাদেনের থেকেও খারাপ অবস্থা হবে।” অন্যদিকে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বাধা ঘিরে গন্ডগোলের পর থেকে, মালদার বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুরে অরক্ষিত সীমান্তে এখনও কাঁটাতার দেওয়ার কাজ বন্ধ রয়েছে। বিএসএফ-বিজিবি (BSF-BGB) ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের পরেও মেলেনি সুরাহা।

    ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে বাংলাদেশিরা

    বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুরে সীমান্তের (BSF) ওপারে দেড়শো গজ এলাকা বরাবর প্রায় হাজার বিঘা চাষের জমি রয়েছে এদেশের কৃষকদের। নিরাপত্তার কারণে কয়েকদিন কৃষকদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। শনিবার ভারতীয় কৃষকরা জমিতে গিয়ে দেখেন ফসল নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বৈষ্ণবনগরের বাসিন্দা দেবেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, “এখানে কাঁটাতার লাগাতে দিচ্ছে না বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড। ওরা করতে দিচ্ছে না। জঙ্গি, জাল টাকা সব ভারতে প্রবেশ করাবে, ওই জন্য ওরা বাধা সৃষ্টি করছে। আমরা আতঙ্কে আছি। কাঁটাতার থেকে ১৫০ গজ ভিতরে জমি আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিএসএফের ওপর চোরাচালাকারীদের হামলা, পাল্টা চলল গুলি

    BSF: সীমান্তে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিএসএফের ওপর চোরাচালাকারীদের হামলা, পাল্টা চলল গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে ফের উত্তপ্ত মালদার বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর সীমান্ত। এরই মধ্যে মালদার নওদায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালানকারীদের আটকাতে গুলি চালাল বিএসএফ। অভিযোগ, প্রথমে বিএসএফ (BSF) জওয়ানরা বাধা দেওয়ায় তাঁদের ওপরে প্রাণঘাতী হামলা চালায় চোরাচালানকারীরা। তখন আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরাও। এর পরই বাংলাদেশের দিকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে ফের একবার মালদার ভারত-বাংলাদেশ (BSF) সীমান্তে চোরাচালানকারীদের আটকাতে গিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জওয়ানদের বিভ্রান্ত করতে তাঁদের চোখে হাই বিম টর্চের আলো ফেলতে থাকে বাংলাদেশি চোরাচালানকারীরা। দুষ্কৃতীদের ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে শূন্যে গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। এরই মধ্যে জওয়ানদের ওপরে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুষ্কৃতীদের দল। শেষ পর্যন্ত আত্মরক্ষার জন্য পাচারকারীদের দিকে পর পর দুরাউন্ড গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। সীমান্ত রক্ষীদের দিকে তেড়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বাঁশ, লাঠি নিয়ে চলে আক্রমণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালায় বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বেশ ভিড় জমতে দেখেই সন্দেহ জাগে সীমান্ত রক্ষীদের। কৌতূহলের বশেই সেই ভিড়ের দিকে এগিয়ে যান প্রহরারত দুই রক্ষী। তারপরই তাদের ওপর ঘন কুয়াশার আড়াল থেকে চলে আক্রমণ। রক্ষীদের বন্দুক কেড়ে নেওয়া চেষ্টাও করে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু, ওই দুই জওয়ানকে বাগে পেলেও নিজেদের কার্য সিদ্ধি করতে পারেননি তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালায় দুই জওয়ান। গুলির ভয়ে কাঁটাতার পার করা ভুলে, প্রাণ হাতে নিয়ে পালায় ওই বাংলাদেশিরা। 

    আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    বাজেয়াপ্ত ধারালো অস্ত্র, নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ

    পাচার কাজেই বাংলাদেশ (BSF) থেকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা। এপারে আসার পরেই তাদের মদত দিতে সেখানেই দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশি চোরাচালানকারীদের ভারতীয় সঙ্গীরা। তাদের ফিসফিসে গলার শব্দ পেয়ে সেদিকে ছুটে যান দুই জওয়ান, তাঁদের দিকে হামলা চালালেও, রক্ষীদের রুখতে ব্যর্থ হয় তারা। বাজেয়াপ্ত হয় কয়েকটি ধারালো অস্ত্র, নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি। এর পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের নন্দনপুর, ফর্জিপাড়া এবং মালদা জেলার হরিনাথপুর ও চুরিয়ন্তপুর সীমান্ত দিয়েও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে ঢোকার চেষ্টা ব্যর্থ করেছে বিএসএফ। উদ্ধার করা হয় মাদক, ৫টি গরু এবং অন্যান্য বেআইনি সামগ্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share