Tag: West Bengal

West Bengal

  • BJP: ভোটের মুখে পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মী খুন, শোরগোল

    BJP: ভোটের মুখে পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মী খুন, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে এক বিজেপি (BJP) কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম দীনবন্ধু ওরফে ধনঞ্জয় মিদ্যা। তাঁর বাড়ি ময়নার বাকচা এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার রাতে পানের বরোজের ভিতর থেকে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP)

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীনবন্ধুবাবু বিজেপির (BJP) সক্রিয় কর্মী। এবারও লোকসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে মিটিং, মিছিলে যেতেন। বুথ কর্মী হিসেবে দেওয়াল লিখনও করেছেন। দীনবন্ধুর বাবার নাম সুদর্শন। তিনিও গ্রাম গোড়া মহাল বিজেপির সক্রিয় কর্মী। বুধবার থেকে রহস্যজনকভাবে দীনবন্ধুবাবুর আর খোঁজ মিলছিল না। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা দীনবন্ধুর খোঁজে এলাকায় তল্লাশি চালাতে থাকেন। মাঝ রাতের সময় একটা পানের বোরজ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, যুবকের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, দেহের বেশ কিছুটা অংশ মাটির সঙ্গে স্পর্শ করা ছিল। হাঁটু মাটিতে লেগেছিল। খবর পেয়ে ময়না থানার পুলিশ এলাকায় পৌঁছয়। তবে, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে, পুলিশ বুঝিয়ে তাঁদের থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের জেলা বিজেপি সভাপতি ও বিধায়ক হলদিয়া তাপসী মণ্ডল অবশ্য দাবি করেছেন, “এটা একটা পরিকল্পিত খুন। কারণ, যে ভাবে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে, তাতে আত্মহত্যার ঘটনা নয়। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আমরা ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। শাসক দলের ভূমিকাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে, পুলিশের তত্ত্বাবধানে ময়নাতদন্ত আমরা করাতে চাই না। সেখানে সেন্ট্রাল ফোর্স লাগবে।”রাজ্য যুব তৃণমূল সহ সভাপতি পার্থ সারথি মাইতি বলেন, “ময়নাতদন্ত হলে বোঝা যাবে, খুন না আত্মহত্যা। নিজেরা বিজেপি কর্মীকে মেরে তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার বার্তা দিল রাজবংশী সংগঠন

    Lok Sabha Election 2024: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার বার্তা দিল রাজবংশী সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে শুক্রবার সকাল থেকেই দ্বিতীয় দফায় ভোট হচ্ছে দার্জিলিং, রায়গঞ্জ, বালুরঘাটে। এই তিনটি কেন্দ্র বিজেপির দখলে রয়েছে। এই তিনটি কেন্দ্রের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব আসনে অন্যতম ফ্যাক্টর রাজবংশী ভোট। আর রাজবংশীদের ২৮টি দলের সংগঠন কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কমিটি। এই কমিটিই কামতাপুরীদের অন্যতম বড় সংগঠন। ভোটের আগের দিন বড় ঘোষণা করলেন সংগঠনের সদস্যরা।

    বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনের ডাক

    দার্জিলিংয়ে বিজেপির টিকিটে রাজু বিস্তা এবারও লড়াই করছেন।  রায়গঞ্জে বিজেপির টিকিটে লড়ছেন কার্তিক পাল। আর বালুরঘাট থেকে বিজেপির টিকিটে লড়ছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি গতবার এই লোকসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে ভোট প্রচারে ঝড় তুলতে বাংলায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। এই আবহের মধ্যে কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কমিটির সদস্যদের দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে বিজেপিকে সমর্থনের বার্তা দেওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    সংগঠনের আহ্বায়ক কী বললেন?

    জানা গিয়েছে,  বৃহস্পতিবার বিকালে জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের রাজগঞ্জ প্রেসক্লাবে জমায়েত হয়ে বড় দাবি করে ফেললেন সংগঠনের সদস্যরা। সাংবাদিক সম্মেলন করে সংগঠনের সদস্যরা বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন। তা নিয়েই এখন নতুন চর্চা শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কমিটির আহ্বায়ক তপতী মল্লিক বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে জীবন সিংহের শান্তি চুক্তি আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। তাই আমরা এবার লোকসভা নির্বাচনে কোনও প্রার্থী দিইনি। শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় লোকসভা নির্বাচন। তাই কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কমিটির সদস্যদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে বিজেপি প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আমরা আশাবাদী দার্জিলিংয়ে রাজু বিস্তা, বালুরঘাটে সুকান্ত মজুমদার সহ অন্যান্য বিজেপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয় যুক্ত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: আজ দ্বিতীয় দফার ভোটে রাজ্যের তিন আসনে ৪৭ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ

    Lok Sabha Election 2024: আজ দ্বিতীয় দফার ভোটে রাজ্যের তিন আসনে ৪৭ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শুক্রবার দ্বিতীয় দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) কড়া নিরাপত্তায় তিনটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুর হল। দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন রয়েছে দার্জিলিং, রায়গঞ্জ, বালুরঘাট। এই তিনটি লোকসভাতে গতবার বিজেপি ক্ষমতায় ছিল। এবার নিজেদের আসন ধরে রাখতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। ভোটকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই তিনটি লোকসভা এলাকা সরগরম হয়ে রয়েছে।

    দ্বিতীয় দফার ভোটে তিন আসনে মোট ৪৭ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে (Lok Sabha Election 2024)

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিংয়ে মোট পোলিং স্টেশন ১৯৯৯ টি। এরমধ্যে ক্রিটিক্যাল বুথের সংখ্যা ৪০৮ টি। রায়গঞ্জ মোট পোলিং স্টেশন ১৭৩০ টি। এরমধ্যে ক্রিটিক্যাল বুথের সংখ্যা ৪১৮ টি। দার্জিলিংয়ের তুলনায় এই কেন্দ্রে ক্রিটিক্যাল বুথের সংখ্যা কিছুটা বেশি। বালুরঘাটে মোট পোলিং স্টেশন ১৫৬৯ টি। এই লোকসভায় ক্রিটিক্যাল বুথের সংখ্যা ৩০৮ টি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) ৩ টি লোকসভা কেন্দ্রে মোট পোলিং স্টেশন ৫২৯৮ টি। আর সব মিলিয়ে মোট ক্রিটিক্যাল  বুথের সংখ্যা ১১৩৪। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটে তিন আসনে মোট ৪৭ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। এর মধ্যে দার্জিলিংয়ে রয়েছেন ১৪ জন প্রার্থী। ১২ জন পুরুষ ও ২ মহিলা প্রার্থী। রায়গঞ্জে মোট প্রার্থী ২০ জন, যার মধ্যে রয়েছে ১৯ জন পুরুষ, ১ জন মহিলা। বালুরঘাট কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১৩। সবাই পুরুষ। তিনটি লোকসভা মিলিয়ে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫১ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৫৫।

    দ্বিতীয় দফার ভোটে কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে?

    শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় দার্জিলিং, বালুরঘাট ও রায়গঞ্জে ভোট (Lok Sabha Election 2024)।  দ্বিতীয় দফার ভোটে ২৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। দ্বিতীয় দফার ভোটে থাকবে ১২ হাজার ৯৮৩ জন রাজ্য পুলিশ। দার্জিলিং লোকসভায় ৭৩৯টি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে। এই লোকসভায় ৮৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। রায়গঞ্জ লোকসভায় ২১০টি স্পর্শকাতর বুথ। কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে ১১১ কোম্পানি। বালুরঘাট লোকসভায় ১৯২টি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে। আর কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, ৭৩ কোম্পানি। রায়গঞ্জে ২০ জন প্রার্থী, সেজন্য ইভিএমে থাকবে ২টি করে ব্যালট ইউনিট। একটি ইভিএমের ব্যালট ইউনিটে ১৫ জন প্রার্থী ও একটি নোটার অপশন থাকে। রায়গঞ্জে যেহেতু মোট ২০ জন প্রার্থী, সেজন্য ইভিএমে ২টি করে ব্যালট ইউনিটের ব্যবস্থা। বাকি দুটি লোকসভায় একটি করে ইভিএম থাকবে।

    পর্যবেক্ষকদের নাম, ফোন নম্বর, এবং ইমেইল আইডি

    প্রথম দফার মত, দ্বিতীয় দফার ৩ লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের আগে পর্যবেক্ষকদের নাম, ফোন নম্বর, এবং ইমেইল আইডি প্রকাশ্যে আনল নির্বাচন কমিশন। ভোটাররা কোনও ক্ষেত্রে ভোট দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বর এবং ইমেইল আইডিতে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

    এক্সপেন্ডিচার পর্যবেক্ষকদের তালিকা

     দার্জিলিং :- পুষ্কর কাঠুরিয়া (ফোন নম্বর – 7318695201), (email ID  – deodarj@gmail.com) বি নিশান্থ রাও (ফোন নম্বর – 7319349201), (email ID chennai.ddit.inv3.3@incometax.gov.in) রায়গঞ্জ:-  শ্রী হারশ সিদ্ধার্থ (ফোন নম্বর – 9046227872), (Email Id – exobs.raiganj@gmail.com) বালুরঘাট :- শ্রী ভাঙ্গেপাটিল পুশকারাজ রমেশ (ফোন নম্বর :- 7586926462) (Email Id – expenditureobserver.blg6pc@gmail.com

    সাধারণ পর্যবেক্ষকের নাম, ফোন নম্বর

     দার্জিলিং :- – শ্রী বিক্রম সিং মালিক  (ফোন নম্বর – 736494505), (Email Id – genobs04darj@gmail.com) রায়গঞ্জ –  শ্রী শ্রীধর বাবু আড্ডাকানি (ফোন নম্বর – 9046227870), (Email Id – genobs.raiganj@gmail.com) বালুরঘাট – শ্রী নর্মাদেশ্বর লাল (ফোন নম্বর – 7384269466), (Email Id – generalobserver.blg6pc@gmail.com)

     পুলিশ পর্যবেক্ষকের নাম ও ফোন নম্বর

     দার্জিলিং :- শ্রী প্রদীপ কুমার যাদব (ফোন নম্বর – 7318748206), (Email Id – policeobserver24@gmail.com) রায়গঞ্জ :- শ্রী সুভাষ চন্দ্র ডুবেই (ফোন নম্বর – 9046227871), (Email Id – udpoliceobserver@gmail.com) বালুরঘাট :- শ্রী হনুমন্তারায়া (ফোন নম্বর – 7384013279), (Email Id -observerddnj@gmail.com)   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: গরম উপেক্ষা করে মুর্শিদাবাদে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    Mithun Chakraborty: গরম উপেক্ষা করে মুর্শিদাবাদে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: (Murshidabad) মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের জিয়াগঞ্জে বিজেপি (B.J.P.) প্রার্থী গৌরী শংকর ঘোষের সমর্থনে রোড শো করলেন তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।  জিয়াগঞ্জের বাগদহ মোড় থেকে এই বর্ণাঢ্য রোড শো শুরু হয়। রোড শোয়ে পা মেলান কয়েক হাজার বিজেপি নেতা, কর্মী ও সমর্থক। রোড শো চলাকালীন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। চড়া রোদ ও দাবদাহ উপেক্ষা করে হাজারো কর্মী সমর্থক কয়েক কিলোমিটার হাঁটলেন প্রার্থীর সমর্থনে। প্রচুর সাধারণ মানুষ বিজেপি প্রার্থী ও তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে রাস্তার ধারে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদেরও অনেকে এদিন মিছিলে পা মেলান। প্রচারের একেবারে শেষ পর্বে ঝড় তুলে দিল বিজেপি। যা কর্মী সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে অনেকটাই সুবিধা করবে। 

    মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    গত লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি এই আসনে সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে অনেক সুবিধা জনক জায়গায় ছিল। যদিও জয়ী হন আবু তাহের খান। সংখ্যালঘু উদ্দেশ্য অধ্যুষিত এই অঞ্চলে হিন্দুদের ভোট অনেকটাই নিজেদের শিবিরে আনতে সক্ষম হয়েছিল বিজেপি। হয়েছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এমনকী গত লোকসভায় জিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়েছিল। এবার এই কেন্দ্রে জয় পেতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। বিজেপি কর্মী রঘুনাথ হাজরা এদিন বলেন, “সকাল থেকেই মিঠুনের অপেক্ষায় আমরা জড়ো হয়েছিলাম। প্রার্থীকে এবার জেতাতে হবে। এই জোর আমাদের মনে আছে। আমরা জিয়াগঞ্জ সহ আরও বেশ কয়েকটা বিধানসভা থেকে লিড দেব। এবং আমাদের প্রার্থী মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হবে। তার জন্য প্রতিজ্ঞা নিয়ে দিনের রোড শোয়ে আমরা পা মিলিয়েছি। আমরা প্রচারে বেশ ভাল সাড়া পাচ্ছি। গতবার একটুর জন্য হাতছাড়া হয়েছিল এই লোকসভা কেন্দ্র। এবার আর সেটা হবে না আমরা এই কেন্দ্রেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দিতে চাই”। এদিন জিয়াগঞ্জের বাগদহ মোড় থেকে নেতাজি মোড় পর্যন্ত রোড স করে বিজেপি। এদিন বেলা বারোটা নাগাদ জিয়াগঞ্জ বাগদহের মোড় থেকে গৌরীশংকর ঘোষ কে সঙ্গে নিয়ে রোড-শো শুরু হয়। জিয়াগঞ্জ ফুলতলা বাস স্ট্যান্ড হয়ে জিয়াগঞ্জ বাজারের রাজপথ ধরে নেতাজি মূর্তি পাদদেশে মিঠুন চক্রবর্তীর রোড শো শেষ হয়। রোড শোয়ে উপচে পড়়ে ভিড়।

    বিজেপি সোনার বাংলা উপহার দেবে

    এবার বিজেপি মিঠুনকে বাংলা এবং ত্রিপুরায় তারকা প্রচারকের তালিকায় রেখেছে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদে জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষের হয়ে প্রচারে আসেন মিঠুন চক্রবর্তী। নবগ্রামের চাণক এলাকায় তিনি নামেন। তারপরেই তার প্রচার শুরু হয়। সেখানে তিনি একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করেন, “বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের ভিড়ের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষজন মহাগুরুকে দেখার জন্য ভিড় করে। এদিনের সভায় মিঠুন বলেন, বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করুন। বিজেপি সোনার বাংলা উপহার দেবে। আর তৃণমূলের নাম করে বলেন, অন্যদলকে ভোট দিলে চাকরি দুর্নীতি, বালি চুরি, গরু চুরি, সন্দেশখালির মতো মেয়েদের ওপর অত্যাচার হবে। এদিন মিঠুন তাঁর সিনেমার কয়েকটি ডায়লগ একটু ঘুরিয়ে বলেন। কারণ, সিনেমার দায়লগে কয়েকটি শব্দ নাকি হিংসাশ্রয়ী। আদর্শ আচরণ বিধির জন্য মিঠুনের নতুন ডায়লগে প্রচুর হাততালি পড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই”, বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

    Bankura: “চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই”, বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে এই ইস্যুতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই যোগ্যরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেছেন। এই আবহের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বাঁকুড়ার (Bankura) সভায় বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সৌমিত্র খাঁ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) রতনপুরে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, তৃণমূলে থাকার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছু ছেলের চাকরির জন্য অনুরোধ করেছিলাম। তিনি তাঁর ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলেছিলেন। আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গেলে তিনি প্রার্থী পিছ আট লক্ষ টাকা দাবি করেন। সৌমিত্রর কথায়, ” আমি ওনার ছোট ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললাম অভিষেকদা বলল চাকরি করে দেবেন। তো কী করতে পারবেন? আমায় বললেন, দাদা তোমার কাছ থেকে বেশি নেব না। এক কাজ করো আট লক্ষ টাকা আর দু’লক্ষ টাকা তোমার জন্য। মোট ১০ লক্ষ টাকা করে ১০০টা ক্যান্ডিডেট এনে দিতে পারো।”  এরপরই সৌমিত্র খাঁ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চোর দাবি করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা আসতেন আমি তাঁর প্যান্ট জামা খুলে নিতাম।” শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ আদালত যে করছে তা বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্যে আরও পরিষ্কার হয়ে গেল। এই নির্বাচনে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বড়জোড়ার (Bankura) তৃণমূল বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, “ওর হিম্মত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোশাক খুলে নেওয়ার? ও তো তিনটে-চারটে লোক আর পয়সার থলি নিয়ে ঘুরছে। আর এই ভোটে পাবলিক ওকে যোগ্য জবাব দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: পুলিশের পর সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই

    Sandeshkhali Incident: পুলিশের পর সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের পর এবার সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই। সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Incident) আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে ই-মেল আইডি তৈরি করে স্থানীয়দের অভিযোগ গ্রহণ করে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, মেল আইডি খুলে দিতেই সন্দেশখালি থেকে আসা লিখিত অভিযোগ উপচে পড়ে সিবিআইয়ের মেলবক্সে। এরপর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার তদন্তকারী সংস্থা সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে নেমে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল।

    চাপে পড়ে পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিল শিবু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে

    সন্দেশখালিকাণ্ডে এর আগে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) সহযোগী তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরার বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি অভিযোগ দায়ের করেছিল পুলিশ। বসিরহাট মহকুমা আদালতে অভিযোগকারিণীর গোপন জবানবন্দির ভিত্তিতে শিবু হাজরার (Shibu Hazra) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল শিবু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে। এ বার সন্দেশখালিকাণ্ডে নারী নি‌র্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
    ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের।

    ই-মেইলে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে এক নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে কথা বলে সিবিআই

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ই-মেইলে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে এক নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে কথা বলেন তাঁরা (Sandeshkhali Incident)। অভিযোগকারিনী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বয়ান রেকর্ড করে সিবিআই (CBI)। সেই বয়ানের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ। তবে ধর্ষণে অভিযুক্ত কে বা কারা তা জানা যায়নি।

    গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে (Sandeshkhali Incident) দেয় কলকাতা হাইকোর্টের

    উল্লেখ্য শাহজাহান পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে সিবিআই হেফাজত এবং তার পরে ইডি হেফাজতে ছিলেন। বর্তমানে জেলে রয়েছেন শেখ শাহজাহান। গ্রেফতার হয়েছেন শিবু-সহ শাহজাহানের শাগরেদরাও। গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে (Sandeshkhali Incident) দেয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে রাজ্য পুলিশকে সব রকম সাহায্য করার নির্দেশ দেয় আদালত। আর এর পরেই আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে নারী নি‌র্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলেছে এমনটাই আদালতে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সেই আবহে জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হল সিবিআই (CBI)। প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য বুধবার কলকাতার বিচার ভবনের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) কাণ্ডে তদন্তের জন্য তাঁকে জেরা করার প্রয়োজন আছে জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই (CBI)। এমনকি এই মামলায় দ্রুত অয়ন শীল ও শান্তনু বন্দোপাধ্যায়কেও জেরা করতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। আরও জানা গেছে আলিপুর আদালতকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে এনিয়ে নগর দায়রা আদালত।

    রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কলকাতার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে একটি মুখ বন্ধ খামে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট তাদের দফতরে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। এরপর সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন তদন্তের স্বার্থে কয়েকটি বিষয় প্রকাশ্যে আনেননি। তবে দুই পক্ষের কথোপকথন থেকে জানা যায় কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট মিলেছে। তবে সেই রিপোর্টে খুশি নয় আদালত। কারণ কণ্ঠস্বর মেলার পর যা করণীয় তা করা হয়নি এমনটাই মনে করেছে আদালত। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কল রেকর্ডিং এবং পরে সংগ্রহ করা কণ্ঠস্বরের নমুনা ইতিবাচক রয়েছে একথা আদালতে জানানো হলেও যার সঙ্গে কথা সুজয়ের কথা হয়েছিল তাঁকে এখনও হেফাজতে নেওয়া হয়নি বলেই জানা গেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনার রিপোর্ট চলে আসায় সেই জটিলতা অনেকটাই কেটে গেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) সূত্রে খবর।

    গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল। অসুস্থতার অজুহাতে কখনও সরকারি আবার কখনও বেসরকারি হাসপাতালে থেকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। মাঝে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হার্টে অস্ত্রপচার করা হয় বলে জানানো হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে ইডি। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে কী উঠে এসেছে তা এখনও জানা যায়নি। প্রসঙ্গত ৩ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিন”, চাকরিহারাদের বার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিন”, চাকরিহারাদের বার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার পর তৃণমূল থাকবে না। যারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন তাদের বলব, ভোটের আগে তৃণমূল নেতাদের কাছে যান, কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিয়ে নিন।” বৃহস্পতিবার এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, তৃণমূল আমলে যারা চাকরি পেয়েছেন, কার চাকরি থাকবে, কার চাকরি যাবে বলা অসম্ভব। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা পড়াশুনা করে চাকরি পেয়েছেন, তারা তো টাকা দিয়ে চাকরি পাননি। তাহলে তো আটা ও ভুষি এক হয়ে যাচ্ছে। যারা ঘুষ নিয়ে চাকরি পেয়েছেন, তাদের চাকরি যাচ্ছে আর যারা পড়াশুনা করে চাকরি পেয়েছেন, তাদেরও চাকরি চলে যাচ্ছে।

    দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এদিকে রাত পোহালেই দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন বালুঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত, বুথের অবস্থা কি তার খোঁজ খবর নিচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী। এদিন দুপুরে বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চকরাম এলাকায় যান বিজেপি প্রার্থী। সেখানে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন সুকান্ত। পাশাপাশি ওই এলাকায় কিছু তৃণমূলের লোকজন একটু হুমকি দিচ্ছে। তারা আবার দিনের বেলা বেরতে পারে না বলে জানান বিজেপি কর্মীরা । দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন সুকান্ত মজুমদার এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এদিন বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার চিঙ্গিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আলিপুর, গোপালপুর ও হিলি ব্লকের তিওর সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেরান।

    আরও পড়ুন: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    কী বললেন সুকান্ত?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বুধবার তো প্রচার শেষ হয়েছে। তাই, এদিন বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছি। তাঁদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কি না, কেউ ভয় দেখাচ্ছে কি না এইসব শুনছি। ছোট খাটো ধমকানো চমকানো চলছে। ভয় দেখানো হচ্ছে, বিভিন্ন ভাতা বন্ধ হবে এইসব চলছে। মুর্শিদাবাদের বড়ঞাতে বোমা বাঁধতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীর হাত উড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বোমা বাধঁতে গিয়ে হাত উড়েছে। পশ্চিমবঙ্গ হল বোমা শিল্পর জন্য বিখ্যাত। মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এইসব জায়গায় বোমা ঘরে ঘরে কুটির শিল্প এখন। বোমা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: “চোরেদের দল তৃণমূলে আর থাকব না”, অর্জুনের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কাউন্সিলর

    Arjun Singh: “চোরেদের দল তৃণমূলে আর থাকব না”, অর্জুনের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) গড় ভাটপাড়ায় ফের তৃণমূলে ভাঙন। ভাটপাড়া পুরসভার ১০  নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দলবল বিজেপিতে যোগদান করলেন। ভোটের আগে এই ধস নামার ঘটনায় ব্যাকফুটে শাসক দল। পাশাপাশি, ভাটপাড়ায় আরও শক্তি বাড়ালো বিজেপি। ভোটের আগে এই যোগদানে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা চাঙা হয়ে উঠেছেন।

    চোরদের দল তৃণমূলে আর থাকব না, বললেন দলত্যাগী কাউন্সিলর

    মঙ্গলবার রাতে ভাটপাড়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল পার্টি অফিসে হামলার চালানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। হামলায় আক্রান্ত হলেন তৃণমূলের কাউন্সিলর সত্যেন রায় এবং তাঁর ছেলে শানু রায়। সত্যেনবাবু বলেন, পার্টি অফিসে একটি বিষয়ে আলোচনা চলছিল। পরে, সেটা নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। সে সময় তৃণমূল নেতা দেবরাজ ঘোষ দলবল নিয়ে এসে আমাকে প্রথম মারধর করে। আমার ছেলে আমাকে বাঁচাতে এলে তাকে বেধড়ক পেটানো হয়। কিছুদিন আগে তার কিডনির অপারেশন হয়েছে। তাকেও রেয়াত করেনি। আমি প্রথম দিন থেকে তৃণমূল করি, আজ এটাই ফল পেলাম। পরে ছেলেকে চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হামলার ঘটনার পর তৃণমূল নেতারা কেউ পাশে আসেনি। অর্জুন সিং (Arjun Singh) আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। যে দল আমাকে কোনও সম্মান দেয়নি, সেই দলের সঙ্গে আমি কোনও মতেই থাকতে পারবো না। তাই আমি বিজেপিতে যোগদান করলাম। চোরদের দলে আমি থাকবো না। আর বারাকপুরে পার্থ ভৌমিক হেরে বসে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    কী বললেন অর্জুন সিং? (Arjun Singh)

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, তৃণমূলের কাউন্সিলর ছিল। তাঁকে অপমান করা হচ্ছিল। মারধর করা হচ্ছিল। আমরা তো তৃণমূল কাউন্সিলরকে নিরাপত্তা দিতে পারি না। বিজেপি আসলে সন্মান পাবেন বুঝতে পেরেই তিনি দলে যোগ দিয়েছেন। আমার দলের কর্মীদের হামলা করলে তৃণমূল বুঝতে পারবে কী হবে। মানুষ তার যোগ্য জবাব এবার ভোটে দিয়ে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: গোষ্ঠীকোন্দল! ধারাল অস্ত্রের কোপ, দলীয় কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী

    Murshidabad: গোষ্ঠীকোন্দল! ধারাল অস্ত্রের কোপ, দলীয় কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল। এবার ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদ। প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে। ২৬ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোট। আর এরই মধ্যে বুধবার বিকেলে গন্ডগোলে উত্তপ্ত হয়ে উঠে এলাকা। 

    ঠিক কি ঘটেছিল? 

    জানা গেছে মিটিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে রঘুনাথগঞ্জের গিরিয়া অঞ্চলের ভৈরব টোলায় তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল শুরু হয়। পুরনো শত্রুতার জেরেই এই গণ্ডগোল এমনই অভিযোগ উঠছে। ঘটনায় গুরুতর জখম হয় তিনজন। ইতিমধ্যেই জখমদের উদ্ধার করে জঙ্গিপুর (Jangipur) মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও হাসান শেখ নামে এক ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজের (Baharampur Medical College) রেফার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। জঙ্গিপুর আউটপুস থানার ওসি (OC) সুমিত বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী পুলিশ এলাকায় তদন্ত (Investigation) চালাচ্ছেন। আক্রান্ত এক তৃণমূল কর্মী বলেন, দলেরই মিটিং সেরে বাড়ি ফেরার পথে দলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। মারধরের ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে এলাকাজুড়ে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: চতুর্থ দফায় চাহিদা সবচেয়ে বেশি, দ্বিতীয়-তৃতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    তৃণমূলে কোন্দল লেগেই রয়েছে!

    যদিও তৃণমূলের এই গোষ্ঠী কোন্দল কোনও নতুন ঘটনা নয়। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ঘটনার তালিকা অনেক লম্বা। এর আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার থানার পূর্ব গ্রামে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এক তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল দলেরই এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে সম্প্রতি তৃণমূলের আরেক গোষ্ঠী কোন্দলের ঘটনা ঘটেছিল হুগলিতে। হুগলির তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rachana Banerjee) সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় কেড়ে নেওয়া হল বলাগড় বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর (Manoranjan Byapari) মাইক। এই ঘটনায় মঞ্চ ছাড়েন ‘অপমানিত’ বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share