Tag: West Bengal

West Bengal

  • Abhijit Ganguly: ভোটের পরেই কি মুখ্যমন্ত্রী বদল! ইঙ্গিত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Ganguly: ভোটের পরেই কি মুখ্যমন্ত্রী বদল! ইঙ্গিত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজব ছিলই। সেই গুজবে শান দিলেন সদ্য রাজনীতিতে আসা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তিনি বললেন ভোটের পর নাকি পদ ছেড়ে দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রী (CM) হবেন তাঁর নিকট আত্মীয়। এই নিকট আত্মীয় যে কে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু রতুয়ার (Ratua) সভা থেকে সেই কথা নিজ মুখে বলেন অভিজিৎ। তাহলে কি লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বদল হবে? প্রশ্নটা বিজেপি নেতার তরফে ভাসিয়ে দেওয়া হলেও তৃণমূল এই ইস্যুতে এখনও চুপ।

    ঠিক কী বলেছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ?

    তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “আমাদের কাছে যে খবর আছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্তত ২৫ টা সিট বিজেপি (BJP) পাচ্ছে। এ খবর শুধু আমরা নয় রাজ্যের গোয়েন্দা দপ্তরের। নিঃসন্দেহে নির্লজ্জ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পৌঁছে দিয়েছেন। আমাদের কাছে যে খবর আছে তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের (Resign) তোড়জোড় করছেন। কারণ এই চুরির মক্ষীরানীর পক্ষে আর সম্ভব নয় এই রাজ্য চালানো। তিনি একজন চুরির রানী হিসেবে পরিচিত হয়ে গেছেন। তাঁকে এখন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বদল করতেই হবে। আর এই জায়গায় তিনি একজন চুরির রাজাকে বসিয়ে দিয়ে যাবেন। যিনি তাঁর নিকট আত্মীয়। এভাবে তিনি হিমালয়ে চলে যাবেন। আর বাকি চুরিটা তার আত্মীয় করবে।”

    আর কী বললেন?

    রতুয়ার সভা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) আরও বলেন, “তৃণমূলের দালালরা ভোট চাইতে এলে জিজ্ঞেস করবেন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি তৃণমূল সরকার দিয়েছিল সেগুলি কোথায়? এদিকে সন্দেশখালীর ইস্যুকে সামনে রেখে পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী সভার নাম দেওয়া হয়েছে নারী শক্তি সম্মান সম্মেলন।

    আরও পড়ুনঃ “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    নতুন মুখ কে হবেন?

    প্রসঙ্গত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ এক বছর থেকে বিভিন্ন মঞ্চে তাঁর অসুস্থতার কথা তুলে ধরেছেন। স্পেনে গিয়ে তিনি আঘাত পেয়েছিলেন। কিছুদিন আগেই বাড়িতে পড়ে যান। তিনি আঘাত পান মাথায়। বাম জমানাতেও বহুবার তিনি চোট আঘাত পেয়েছেন বলে দাবি করে এসেছেন নির্বাচনী প্রচার সভা থেকে। সম্প্রতি কয়েকবার মমতা বলেছেন তাঁর হাঁটতে কষ্ট হয়। তবে দল এবং প্রশাসনে তাঁর অবসরের পরেও নতুন মুখকে মেনে নিতে কি কোনও অসুবিধা হবে না? তবে এই নতুন মুখকে হতে পারেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। দলনেত্রীর পর দলের সেনাপতি যে নতুন মুখ হবেন সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। কিন্তু তৃণমূলের তরফে এখনও এবিষয়েও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ভোটের মুখে অর্জুনের গড়ে রক্ত ঝরল বিজেপি নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Barrackpore: ভোটের মুখে অর্জুনের গড়ে রক্ত ঝরল বিজেপি নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের রক্ত ঝড়ল বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভার বাসুদেবপুর থানার জগদ্দল বিধানসভার  কাউগাছি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অম্বিকাপল্লিতে। বিজেপির জগদ্দল মণ্ডল-৪-এর  সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব করকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত বিজেপি নেতাকে তাঁর বাড়িতে দেখতে যান অর্জুন সিং।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিপ্লববাবু স্থানীয় বিজেপি নেতা। বারাকপুরে (Barrackpore) দলীয় প্রার্থীর হয়ে দেওয়াল লিখন, বাড়ি বাড়ি প্রচার করছেন তিনি। শাসক দলের স্থানীয় নেতারা তা মেনে নিতে পারছে না বলে বিজেপির অভিযোগ। হনুমান জয়ন্তী পুজো নিয়ে বিপ্লববাবুর সঙ্গে তৃণমূল কর্মী বিশাল সিংয়ের বচসা হয়। বিশাল তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন। সোমবার ভোর রাতে বাড়ির বাইরে শৌচালয়ে যেতেই তাঁর ওপর তৃণমূল কর্মী বিশালের লোকজন হামলা চালায়। বিপ্লববাবুর বাঁ হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। আক্রান্ত বিজেপি নেতা বিপ্লব কর বলেন, আসলে এলাকায় আমি বিজেপির নেতৃত্ব দিই। সেটা তৃণমূলের লোকজন মেনে নিতে পারে না। তাই, সামান্য কারণে আমার সঙ্গে ঝগড়া করে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আসলে পাড়ার মন্দিরে হনুমান জয়ন্তী পালন করা নিয়ে তৃণমূল কর্মী বিশাল সিংয়ের সঙ্গে তাঁর বচসা হয়েছিল। সকলের অনুমতি ছাড়া হনুমান জয়ন্তী করা যাবে না বলে বিশালকে আমি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলাম। সেটা ও মেনে নিতে পারিনি। সামান্য বিষয় নিয়ে ও আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের! কী বললেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বলেন, আসলে তৃণমূল এলাকায় তোলাবাজি করে। পুজোর নাম করে তোলাবাজির চেষ্টা করছিল। আমাদের ওই এলাকার দলীয় নেতা তার প্রতিবাদ করেছিল। তাই ওর ওপরে এরকম হামলা হল। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। যদিও এই ঘটনা নিয়ে কাউগাছি-২ পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপ-প্রধান শেখ ইমতিয়াজ আলি বলেন, এটা কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নয়। পড়শিদের মধ্যে কোনও কারণে ঝামেলা হয়েছে। অকারণে রাজনীতিকে জড়াচ্ছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: ফের ভোট অরুণাচলে! ৮টি বুথে হবে পুনর্নির্বাচন, জানাল কমিশন

    Arunachal Pradesh: ফের ভোট অরুণাচলে! ৮টি বুথে হবে পুনর্নির্বাচন, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের ৮টি বুথে ফের পুনর্নির্বাচন হবে। অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) মুখ্যনির্বাচনী অধিকারী লিকেন কোয়ু সোমবার জানিয়েছেন, “আগামী ২৪ এপ্রিল বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত ওই বুথগুলিতে ফের ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রসঙ্গত শুক্রবার ভোট গ্রহণে অনিয়ম, হিংসা ও ইভিএম মেশিনে গোলযোগের কারণে পুনর্নির্বাচনে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মধ্যে মণিপুরে কিছু কেন্দ্রে আরও একবার ভোট নেওয়ার কথা কমিশন আগেই জানিয়েছে।  

    কোন কোন বুথে পুনর্নির্বাচন (Arunachal Pradesh)?

    অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) যে বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে তার মধ্যে রয়েছে, তার মধ্যে হল, পূর্ব কামেং জেলার বামেং বিধানসভা কেন্দ্রের সারিও, কুরুং কুমেয়ের নিয়াপিন বিধানসভা আসনের লংটে লথ, ডিংসের, বগিয়া সিয়ুম, জিম্বারি এবং আপার সুবনসিরি জেলার নাচো বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে লেঙ্গি ভোটকেন্দ্র। এছাড়া সিয়াং জেলার রামগং বিধানসভা কেন্দ্রের বোগনে এবং মোলোম বুথেও পুনর্নির্বাচন হবে।

    আরও পড়ুনঃ অঙ্কিতা-ববিতার পর এবার চাকরি গেল অনামিকারও, হতাশ হলেও লড়াই ছাড়তে নারাজ

    ২০১৯ সালে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিজেপি

    শুক্রবার অরুণাচল (Arunachal Pradesh) প্রদেশের দুটি লোকসভা আসনের পাশাপাশি বিধানসভার ভোটগ্রহণ হয়েছে। এই রাজ্যের ৬০টি বিধানসভার (Assembly election) মধ্যে ইতিমধ্যেই সাতটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছে শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি। কংগ্রেস ২০১৪ সালে বিধানসভা ভোটে জিতে অরুণাচল প্রদেশের সরকার গঠন করলেও পরবর্তী সময়ে অধিকাংশ বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন পেমা খাংডু। এরপর তিনি সেখানে বিজেপির (BJP) হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন। ২০১৯ সালের ভোটে সেখানে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিজেপি। এবার ময়দানে কংগ্রেস (congress), এনপিপি সহ একাধিক দল থাকলেও সেখানে বিজেপির ক্ষমতা ফিরে আসার বিষয় কার্যত নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। লোকসভার ভোটের গণনা দেশ জুড়ে ৪ জুন হলেও অরুণাচলের বিধানসভার ভোটের গণনা হবে ২ জুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Scam: অঙ্কিতা-ববিতার পর এবার চাকরি গেল অনামিকারও, হতাশ হলেও লড়াই ছাড়তে নারাজ

    SSC Recruitment Scam: অঙ্কিতা-ববিতার পর এবার চাকরি গেল অনামিকারও, হতাশ হলেও লড়াই ছাড়তে নারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার জায়গায় ববিতা, তার জায়গায় অনামিকা। মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো আদালতের নির্দেশে এবার অনামিকারও স্কুল শিক্ষিকার চাকরি গেল। নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় সোমবার হাইকোর্ট প্রায় ২৬ হাজার জনের নিয়োগ বাতিলের রায় দিয়েছে। সেই তালিকায় শিলিগুড়ির অনামিকা রায়ের নাম রয়েছে। তিনি মনে করেন,  অযোগ্যদের জন্য যোগ্যদের চাকরি যাচ্ছে, বারবার পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। এক বড় মানসিক ধাক্কা।

    কীভাবে চাকরি পেয়েছিলেন অনামিকা?(SSC Recruitment Scam)

    নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় তৃণমূল নেতা রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর চাকরি যায়। হাইকোর্টের নির্দেশে সেই পদে চাকরি পান শিলিগুড়ির ববিতা সরকার। ফের নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ২০২৩ সালে চাকরি যায় ববিতার। তাঁর জায়গায় চাকরি পেয়েছিলেন শিলিগুড়ির অনামিকা রায়। শিলিগুড়ি শহর লাগোয়া জলপাইগুড়ির জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের হরিহর হাইস্কুলে চাকরিতে যোগ দেন তিনি। সোমবার তারও চাকরি গেল।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের! কী বললেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা?

     হতাশ হলেও লড়াই ছাড়তে নারাজ অনামিকা

    এদিন হাইকোর্টের রায় বের হওয়ার আগেই স্কুলে পৌঁছে গিয়েছিলেন অনামিকা। স্কুলে বসে চাকরি হারানোর খবর পান তিনি। চাকরি যাওয়ার খবর শোনার কিছুক্ষণ বাদেই ফিরে আসেন শিলিগুড়ির পূর্ব বিবেকানন্দ পল্লির বাড়িতে। তিনি বলেন, মামলা করেছিলাম। এদিন রায় বের হবে জানতাম। কিন্তু, এই ধরনের রায় হবে ভাবতেও পারিনি। বিচার ব্যবস্থার প্রতি যে আস্থা ছিল তা কিছুটা ক্ষুন্ন হল। অযোগ্যদের জন্য এই রায়। অযোগ্যদের জন্য যোগ্যদের চাকরি যাচ্ছে। বারবার পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। এভাবে চাকরি হারানোটা বড় মানসিক ধাক্কা। যারা অযোগ্য তাদের বাতিল করতে পারত। কেননা সিবিআই তদন্ত করে নিশ্চয় বের করেছে কাদের নিয়োগে অনিয়ম রয়েছে। হতাশ হলেও লড়াই ছাড়তে নারাজ অনামিকা। চাকরি ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে আমি আশাবাদী। তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থার প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করব। আমি চাকরি ফিরে পাব। কেননা আমার নিয়োগে কোথাও কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) হয়নি। 

     তৃণমূল সরকারকে বরখাস্তের দাবি রাজু বিস্তার

    বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা বলেন, যাদের চাকরি গেল তাদের কোনও দোষ নেই। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে, আদালতের রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে বরখাস্ত করা দরকার। কেননা তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও তাদের ‘চামচা’রা টাকা নিয়ে চাকরি দিয়েছে। তাদের সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয়, যে সরকার নিয়োগ দুর্নীতি করেছে, সেই সরকারই আবার আদালতে গিয়ে বলছে নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে। তাই আগে তৃণমূল সরকারকে বরখাস্ত করা দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের! কী বললেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা?

    Recruitment Scam: দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের! কী বললেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন পুরোদস্তুর ভোটের হাওয়া। আর এরই মধ্যে রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam ) নিয়ে বিরাট রায় ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court )। একসঙ্গে প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, ৪ সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের ১২ শতাংশ সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে হবে। অতিরিক্ত পদে নিয়োগকারীদের প্রয়োজনে নেওয়া যাবে হেফাজতে। মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। রাজ্য জুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    চাকরিপ্রার্থীদের বক্তব্য (Recruitment Scam)

    তবে আদালতের এই রায়ে সম্পূর্ণ খুশি হতে পারছেন না আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থী রাসমণি পাত্র সহ অন্যান্যরাও। উল্লেখ্য গত ডিসেম্বরে এই রাসমণিই এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থানের ১০০০তম দিনে প্রতিবাদ স্বরূপ নিজের মাথার চুল কামিয়ে ফেলেছিলেন। মঙ্গলবার বিচারপতির রায় শুনে রাসমণি বলেন, “আদালত ও বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা ছিল। যারা অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছে তারা যে যথাযথ শাস্তি পেয়েছে সেটা কাম্য। সত্যের জয় হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “প্যানেল বাতিল (Recruitment Scam) আমাদের দাবি ছিল না। আমাদের দাবি ছিল যে অন্যায় আমাদের সঙ্গে হয়েছে, যে চাকরিটা আমাদের চুরি হয়েছে, সেটা ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমরা পরীক্ষা দিয়েছিলাম, আমাদের ওএমআর সঠিক। আমরা র‌্যাঙ্কেও এসেছিলাম। তা হলে চাকরিটা কেন আমাদের দেওয়া হল না? আজকে রায়দানে পুরোপুরি খুশি হতে পারছি না। এখনও তো অনিশ্চয়তা রয়েছে। নতুন নিয়োগ (Recruitment) কবে হবে, কতদিনে প্যানেল প্রকাশ হবে তা এখনও সম্পূর্ণ দৃশ্যমান নয় আমাদের কাছে।”

    আরও পড়ুনঃ “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই”, দাবি সুকান্তর

    অন্য চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি

    সর্বোপরি ধর্নামঞ্চে থাকা অন্য চাকরিপ্রার্থীদেরও বক্তব্য, “অবৈধ উপায়ে চাকরি (Recruitment Scam) পাওয়া ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়া হোক। কিন্তু যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের কেন বঞ্চিত করা হবে।” উল্লেখ্য মঙ্গলবার আদালতের তরফে বলা হয়েছে, টেন্ডার ডেকে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট (OMR Sheet) পুনর্মূল্যায়নেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সমস্ত ওএমআর শিটের কপি আপলোড করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: শান্তনু ঠাকুরের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর, প্রতিবাদে হেলেঞ্চায় অবরোধ বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: শান্তনু ঠাকুরের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর, প্রতিবাদে হেলেঞ্চায় অবরোধ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠল। ভোটের ( Lok Sabha Election 2024) মুখে সোমবার সকালে বাগদার পুরাতন বাজার এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মহিলারা বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়। বিজেপির অভিযোগ, মহিলাদের সামনে রেখে তৃণমূল এই কাজ করেছে। সোমবার সকালে এই ঘটনার জেরে বাগদার হেলেঞ্চায় পথ অবরোধে বসেন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে বাধা! ( Lok Sabha Election 2024)

    চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের ( Lok Sabha Election 2024) প্রচারে বেরিয়ে সোমবার সকালে বাগদার পুরাতন বাজারের কাছে তৃণমূল সমর্থিত মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন শান্তনু ঠাকুর। পাশাপাশি তাঁর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। তৃণমূলের লোকজনই এসব করেছে বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি। যদিও বিক্ষোভকারী মহিলারা বলেন, “আমরা বিক্ষোভ দেখাতে আসিনি। আমফান-করোনা মহামারী গিয়েছে, সাংসদকে আমরা পাইনি। আমরা শুধু দেখা করতে এসেছিলাম, জানতে এসেছিলাম। শান্তনু ঠাকুরই বিজেপির গুন্ডাবাহিনী নিয়ে এসে আমাদের মহিলাদের ওপরে আক্রমণ করেন।” যদিও বিজেপি নেতৃত্ব তা অস্বীকার করে।

    গাড়ি থামিয়ে পুলিশের তল্লাশি

    জানা গিয়েছে, সিএএ-এনআরসি কার্যকর হলে মুসলিমরা বিপদে পড়লে খুন হবেন, ঠাকুরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে। এমন হুমকি চিঠি আগেই পেয়েছিলেন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। আর এবার প্রচারে গিয়ে তৃণমূলীদের হামলার মুখে পড়লেন তিনি। পরে, বনগাঁ বিডিও অফিসের সামনে শান্তনুর গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করে পুলিশ। তা নিয়েও ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী।

    আরও পড়ুন: ‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    আমাকে খুনের চেষ্টা হচ্ছে, বললেন শান্তনু

    এদিকে শান্তনু ঠাকুর বলেন, মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার করার সময় তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী বন্দুক, লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করার পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি ফিরে আসার সময় আমার গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর মারা হয়, আহত হয় কয়েকজন মহিলা। আমাকে খুনের চেষ্টাও করা হয়। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। পুলিশের সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন শান্তনুর কর্মীরা। রাস্তায় বসে অবরোধ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা করেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শাব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এরফলে বাতিল হয়ে গিয়েছে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। রায় নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। আর আদালতের এই রায় ঘোষণার পরই মুখ খুললেন প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) । এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ  ভূমিকা রয়েছে তাঁর। রায় শোনার পরই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন।

    বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি (Abhijit Ganguly)

    প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ (Abhijit  Ganguly) বলেন, “যাঁরা যোগ্য প্রার্থী তাঁদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তাঁদের ঠকিয়েছেন এই মিথ্যাচারী মুখ্যমন্ত্রী। বঞ্চিতদের মধ্যে হিন্দু, মুসলমান সকলে আছেন। সকলের উচিত মমতাকে বয়কট করা। ওঁকে এখনই পদত্যাগ করতে হবে। আমার খারাপ লাগছে, এমন একজন মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে আছি। তিনি জোচ্চুরিকে প্রশ্রয় দেন। বিন্দুমাত্র লজ্জা থাকলে পদত্যাগ করা উচিত। যোগ্যদের বঞ্চিত করেছেন। তাতে হিন্দু-মুলসিম সকলেই ছিলেন। হিন্দু মুসলিম সকলের উচিত মুখ্যমন্ত্রীকে বয়কট করা। রাষ্ট্রপতি শাসনের অধীনে নির্বাচন হওয়া উচিত। আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থা সাধারণত অবিচার থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরাও সেই কাজ করেছেন। এখন আমাদের আনন্দের দিন নয়। আমি যখন বিচার করছিলাম, অনাচার ধরা পড়েছিল। আবার ধরা পড়েছে। উপযুক্ত রায় দিয়েছে আদালত।”

    আরও পড়ুন: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

     মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন অভিজিৎ

    এসএসসি মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে অভিজিতের (Abhijit Ganguly)। তিনিই প্রথম এই মামলা শোনেন এবং ৮১৬১টি চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন। ডিভিশন বেঞ্চেও সেই নির্দেশ বহাল ছিল। পরে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যায়। সেখান থেকে এসএসসি মামলা আবার ফেরানো হয় হাই কোর্টে। বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে মে মাসের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। সাড়ে তিন মাসেই সেই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ২০ মার্চ বিচার শেষে রায় স্থগিত রেখেছিল আদালত। এদিন আদালত রায় ঘোষণা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puja Rituals: নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    Puja Rituals: নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মে (Hindu religion) পুজো-অর্চনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রীতি। বাড়িতে পুজো করলে একটা গঠনমূলক ভাবনা প্রবাহিত হয়। এছাড়া ভক্তি সহকারে ঠাকুরের আরাধনা করলে মনে শান্তি লাভ করা যায়। যে বাড়িতে নিয়মিত পুজো-অর্চনা (Puja Rituals) হয়, সেখানে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বজায় থাকে। ঠাকুরের দয়ায় জীবনের সব সমস্যা কেটে যায় ও সাফল্য লাভ করা সম্ভব হয়। এই কারণেই সনাতন ধর্মে সঠিক নিয়ম মেনে পুজো করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যে, দু-বেলা পুজো করা উচিত। মন্ত্র জপের পাশাপাশি পুজোয় অন্নদানের গুরুত্ব রয়েছে। সঠিক পদ্ধতিতে নৈবেদ্য দিলেই ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন। তবে কতক্ষণ ঠাকুরের সামনে প্রসাদ (Pujo Prasad Rules) রাখা উচিত, তা জানেন কি?

    ভোগ দেওয়ার সময় (Puja Rituals)

    ধর্মীয় শাস্ত্র অনুসারে, পুজো (Puja Rituals) দেওয়ার পর অবিলম্বে ঠাকুরের কাছ থেকে প্রসাদ সরিয়ে নেবেন না, বা দীর্ঘ সময়ের জন্যও ঠাকুরের সামনে প্রসাদ রেখে দেবেন না। পুজোর পর ঠাকুরের সামনে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য ভোগ রাখা ভালো। এরপরে, ভোগ গ্রহণ করুন এবং প্রত্যেকে এটি প্রসাদ হিসাবে গ্রহণ করুন। তবে ভোগকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠাকুরের সামনে ফেলে রাখবেন না। কারণ এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। উল্লেখ্য ঠাকুরকে ভোগ নিবেদন করার পর এই প্রসাদ মাটিতে রাখবেন না। আবার ঠাকুরের ভোগ প্রসাদ হয়ে গেলে তা আর মূর্তির খুব বেশি কাছাকাছি রাখবেন না। এছাড়া ঠাকুরকে খাবার দেওয়ার সময় সঙ্গে জল নিবেদন করতে ভুলবেন না। ঠাকুরের ভোগ সব সময় পিতল, রূপো, সোনা বা মাটির বাসনে নিবেদন করবেন। একই ভাবে কলাপাতায় প্রসাদ (Prasad) বিতরণ করা শুভ বলে মনে করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    নৈবেদ্যর জন্য মন্ত্রপাঠ

    তবে যদি আপনি উপবাস রেখে পুজো (Puja Rituals) করেন, তাহলে ভগবানকে অন্ন নিবেদনের জন্য মন্ত্র (Mantra) পাঠ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা বিশ্বাস করা হয় যে নৈবেদ্যর জন্য মন্ত্রপাঠ করলেই ঈশ্বর নিবেদন গ্রহণ করেন। তাই অন্নভোগ অর্পণ করার সময় মন্ত্রপাঠ করা উচিত। তবে পুজোর পর নিজের জন্য নিজে প্রসাদ নেবেন না। এই প্রসাদ আপনি প্রথমে সবার মধ্যে ভাগ করে দিন। এরপর নিজে প্রসাদ নিন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: কথা রাখল বিজেপি, দুর্গতদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন বিধায়ক

    Alipurduar: কথা রাখল বিজেপি, দুর্গতদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটে গেলে নেতারা ফিরেও চায় না। এরকম অভিযোগ অনেকে করে থাকেন। কিন্তু, ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পরও যে দুর্গত মানুষের পাশে নেতারা থাকেন, তার জ্বলন্ত উদাহরণ হচ্ছে আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওঁরাও। তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে ঝড়ে বিধ্বস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন। বিজেপি বিধায়কের এই পদক্ষেপে খুশি দুর্গতরা।

    দুর্গতদের ত্রাণ বিলি করলেন বিজেপি বিধায়ক (Alipurduar)

    প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরুর আগে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার কুমারগ্রাম বিধানসভা এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের দাপটে বাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গিয়েছিল। ভেঙে পড়েছিল বাড়ি। কিন্তু, সে সময় নির্বাচনের বিধিনিষেধ থাকার কারণে বিজেপি বিধায়ক দুর্গতদের কাছে গেলেও ত্রাণ-সাহায্য করতে পারেননি। তবে, পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন। এবার ভোট মিটতেই দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিলেন কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বিধ্বস্ত মানুষের পাশে সাহায্য নিয়ে গেলেন কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওঁরাও।

    আরও পড়ুন: স্বস্তির বার্তা, তাপপ্রবাহের মধ্যেই তিন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) ভোট হয়ে যাওয়ার পর রবিবার কুমারগ্রামের রায়ডাক, খোয়ারডাঙা-১, ধনতলি টাপুতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সঙ্গে নিয়ে যান ত্রিপল ও শুকনো খাবার। যদিও দুর্যোগের খবর পেয়ে আগেই এলাকায় গিয়েছিলেন শাসকদলের তৃণমূল প্রার্থী প্রকাশ চিক বরাইক। নির্বাচনী বিধিনিষেধ থাকায় তাঁকেও খালি হাতেই যেতে হয়েছিল। তবে আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন ভোট মিটলে যাবেন। কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওঁরাও বলেন, আসলে ঝড়ে এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি নিজে গিয়ে দেখে এসেছিলাম। ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পর আমরা দুর্গতদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছি।

    দুর্গতদের কী বক্তব্য?

    দুর্গতদের বক্তব্য, ঝড়ে বাড়ি-ঘর সব ভেঙে গিয়েছে। বিজেপি বিধায়ক নিজে নদী পেরিয়ে আমাদের কাছে ত্রাণ পৌছে দিয়েছেন। সকলের অভাব অভিযোগ শুনেছেন। আমরা এলাকার সমস্যার কথা জানিয়েছি। তিনি প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “এতদিন বাঘিনী ছিলেন, এখন বিড়াল হয়ে গিয়েছেন”, মমতাকে তোপ দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: “এতদিন বাঘিনী ছিলেন, এখন বিড়াল হয়ে গিয়েছেন”, মমতাকে তোপ দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এতদিন বাঘিনী, ভোট হয়ে গেলেই বিড়াল হয়ে মেউ মেউ। আমি মেয়ে, আমি মহিলা, আমাকে একা দেখুন ঘিরে ফেলেছে। যা কর্ম করেছেন, তার ফল ভোগ করতে হবে, আর কোনও সহানুভূতি পাবেন না।” নির্বাচনী প্রচারে বের হয়ে ফের তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতাকে কটাক্ষ করলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghsoh)।

    মমতাকে ঠিক কী বললেন?

    সোমবার পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মির্জাপুরে মাঠে প্রাতঃভ্রমণে আসেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এরপর চায় পে চর্চা অনুষ্ঠানে দেওয়ানদিঘির মোড়ে আসেন দিলীপ। সেখানে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) লক্ষ্য করে বলেন, “ভোট হয়ে গেলেই নাকি তিনি টার্গেট হন। এতদিন বাঘিনী ছিলেন, এখন বিড়াল হয়ে গিয়েছেন। তিনি কোনও ভাবেই রেহাই পাবেন না। যা কর্ম করেছেন, তার ফল পাবেন। নেতাদের চোর বানিয়েছেন, চোরেদের নেতা বানিয়েছেন। যত ইলেকশন এগিয়ে আসছে ততই নির্বাচনে হারার ভয়ে হিংস্র হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল।”

    শত্রুঘ্নকে আক্রমণ

    প্রধানমন্ত্রীর প্লেনে চড়া নিয়ে আসানসোলের (Asansol) তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার (Satrughna Sinha) মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কারও বাপের টাকায় চড়ছেন নাকি? ১৪০ কোটির দেশের প্রধানমন্ত্রী, তাঁর জো বাইডেনের থেকেও দামী প্লেনে চাপা উচিত। আমরা ভিখারি পার্টি নই, ভিখারি দেশও নয়। যারা ভিখারি বানিয়েছে তারা এটা করছে। শত্রুঘ্ন সিনহা এবং কীর্তি আজাদ (Kirti Azad) ওনার এখানকার পরিস্থিতি জানেন না। বাইরে থেকে এসেছেন, ফরেনার তো আগে ভোটটা লড়ুন। শুনলাম একজন বিহার যাচ্ছেন। আর-একজন ভয়ে বেরাচ্ছেন না। এরা কী রাজনীতি করবেন।”

    আরও পড়ুনঃ নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বাতিল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি

    অভিষেককে আক্রমণ

    অন্যদিকে, অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কেও কড়া আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপিকে ২ নম্বর বলার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “তিনি একমাত্র ভদ্রলোক! যার বাড়ির বউ থেকে চাকর বাকর, কুকুর সবাইকে ইডি ডাকছে। সোনা নিয়ে যাচ্ছে, রাস্তায় চোর চোর বলে সবাই ডাকছে। ওঁর চোদ্দপুরুষ চোর। আজ মুখ্যমন্ত্রীকেও চোর চোর শুনতে হচ্ছে।”

    সোমবার এসএসসির রায়দান নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এরাজ্যের লোক তাকিয়ে থাকে আদালতের দিকে আর কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। কেন্দ্রীয় সরকার উন্নয়ন করে আর আদালত ন্যায় বিচার করে। এই তৃণমূল সরকার কিছু করে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share