Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sukanta Majumdar: মমতা-অভিষেকের প্রচার বন্ধ করার দাবিতে কমিশনের কাছে আর্জি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: মমতা-অভিষেকের প্রচার বন্ধ করার দাবিতে কমিশনের কাছে আর্জি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ির টর্নেডো পীড়িতদের সহায়তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বিধি ভেঙে রাজনীতি করার অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুকান্তবাবু তৃণমূলের এই দুই সর্বোচ্চ নেতা-নেত্রীর বিরুদ্ধে প্রচার বন্ধের দাবি তুলেছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার বালুরঘাটে এক সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “নির্বাচন কমিশন মুখ্যসচিবকে উপভোক্তাদের সহায়তা করতে বলেছেন। কিন্তু, এনিয়ে রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ম ভাঙায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি কমিশনের কাছে।” পাশাপাশি বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে জড়িতদের পশ্চিমবাংলায় গ্রেফতার প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন, ‘বিজেপি সংকল্পপত্রে ভারতবর্ষকে ওয়েডিং ডেস্টিনেশন হিসেবে অযোধ্যা নগরীর ধাঁচে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে সন্ত্রাসবাদীদের ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন। নইলে এমন কুখ্যাত জঙ্গিরা রাজ্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ঘুরে বেড়াল, অথচ পুলিশের কাছে খবর পর্যন্ত ছিল না। পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত।’

    আরও পড়ুন: “তোলাবাজ ভাইপোকে উত্তরসূরি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করাই একমাত্র এজেন্ডা মমতার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রী ভাঁওতা দিচ্ছেন

    বালুরঘাট জেলা পার্টি অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি, স্বরূপ চৌধুরী। জেলার এয়ারপোর্ট, মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণ করেছেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অশোকবাবু বলেন, “উনি সব জায়গায় বলছেন সবকিছু করে দিয়েছি। বাস্তবে বালুরঘাটের বিশ্ববিদ্যালয় চোখে দেখা যায় না। এমনকী মেডিক্যাল কলেজও রাজ্য সরকার করতে পারেনি। ভোটের সময় মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের নেতারা এসে শুধু ভাঁওতা দিচ্ছেন।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মোদিজি বালুরঘাটে প্রথম আসছেন। বালুরঘাটে মোদি ঝড় হবে। রাস্তায় তৃণমূল বাদে সবাই মাঠে থাকবে। সবাইকে বলব, তাড়াতাড়ি মাঠে যাওয়ার জন্য। নাহলে পরে আর জায়গা থাকবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ভোটের প্রচারেই আবাস যোজনার বাড়ির প্রতিশ্রুতি তৃণমূল নেতার, আচরণবিধি ভঙ্গ!

    Jalpaiguri: ভোটের প্রচারেই আবাস যোজনার বাড়ির প্রতিশ্রুতি তৃণমূল নেতার, আচরণবিধি ভঙ্গ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছলে বলে কৌশলে চলছে তৃণমূলের রাজনীতি। রাজনীতি কথাটায় যে নীতি আছে, তার তোয়াক্কা অনেকেই করেন না। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ির (jalpaiguri) একটি ঘটনাকে ঘিরে এমনই অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি (BJP)। বিজেপির অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। ভোটের দুদিন আগে আবাস (PM Awas) যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছেন মমতার এই দূতেরা। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ এলাকার পানকৌড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। টেবিল-চেয়ার পেতে রীতিমতো শিবির খুলে আবাস যোজনার ফর্ম পূরণ করানোর প্রক্রিয়া চলছে। উদ্যোক্তা পানকৌড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) নেত্রী পাপিয়া দে। শিবির খোলার আগে এলাকায় প্রচার করা হয় আবাস যোজনার বাড়ি পেতে আগ্রহীরা শিবিরে যোগাযোগ করুন।

    রাজনৈতিক তরজা কেন?

    এই ঘটনা আদর্শ আচরণ (MCC) বিধি ভঙ্গের শামিল বলে দাবি বিজেপির। ভোটের মুখে এই ধরনের কাজ করা যায় না। যারা শিবিরে আসছে না তাদের বাড়ি গিয়ে ফরম পূরণ করানো হচ্ছে। বাড়িতে পৌঁছে তৃণমূল কর্মীরা বলছেন, “আমরা দিদির হয়ে এসেছি। এবার দিদিই ঘর দেবেন। বাংলার আবাস যোজনার একটা ফর্ম দিয়ে যাচ্ছি। ভোটের পর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অর্থাৎ এবছরের মধ্যেই আপনি ঘরের টাকা পেয়ে যাবেন। এবার কেন্দ্রের ভরসায় থাকতে হবে না।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূল নেত্রী পাপিয়া দে সরকার বলেন, “২০১৮ সালে একটি সার্ভে করা হয়েছিল। ২০২৪ সাল হয়ে গেলেও কেন্দ্রের টাকা আটকে থাকায় অনেকে ঘর পাননি। মুখ্যমন্ত্রী আগেই বলেছেন রাজ্যই এবার থেকে বাড়ি বানিয়ে দেবে। সেই মতোই স্থানীয়দের মধ্যে যারা ঘর পায়নি তাদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দিদি যেমন ১০০ দিনের টাকা দিচ্ছেন, লোকসভা ভোট মিটে গেলে আবাস যোজনার টাকাও দেবেন। ২০১৮ সালে যাদের তালিকা নাম ছিল, যারা প্রকৃত দরিদ্র সীমার নীচে, তারা ঘর যাতে পায় সেই ব্যবস্থাই করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে নিখোঁজ স্বামীর খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্তের দাবি স্ত্রী’র

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির দাবি, তৃণমূল নির্বাচনে বিধি ভেঙে এসব কাজ করছে। স্থানীয় বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য নিতাই কর বলেন, “ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে এসব করা যায় না। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও এসব কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু তার দলের লোকেরা পাড়ায় পাড়ায় এসব করে বেড়াচ্ছে। আসলে তৃণমূল হতাশায় ভুগছে। তারা জানে উত্তরবঙ্গে তারা ভালো ফল করতে পারবে না। তাই এসব করছে ওরা। একাধিক এলাকায় পঞ্চায়েতেও হেরেছে তৃণমূল। ঘর দেবে বলে সাধারণ মানুষকে দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো হচ্ছে। আর বাড়ি যখন আসবে তখন পঞ্চায়েত প্রধানের আত্মীয়, স্বজনেরা বাড়ি পাবে। যারা ঘর পাওয়ার যোগ্য তারা বঞ্চিত হবে। আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Vote 2024: কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজর রাখতে জেলাস্তরে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

    Lok Sabha Vote 2024: কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজর রাখতে জেলাস্তরে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Vote 2024) এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতি জেলায় একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে সব জেলাশাসক তথা জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজরদারি (Lok Sabha Vote 2024)

    সম্প্রতি ভোটে (Lok Sabha Vote 2024) বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার ও পুলিশ অবজারভার। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কমিশন সূত্রের খবর, সিএপিএফ-এর জন্য এই নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। জানা গেছে এই নোডাল অফিসারেরা (nodal officers) মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজরদারি চালাবেন। এর আগে ৬ এপ্রিল দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বৈঠকে এই একই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ঠিক করা হয়েছিল জেলাস্তরে একজন নোডাল অফিসারকে নিযুক্ত করা হবে, যিনি জেলায় জেলায় সবকটি কন্ট্রোল রুমের (Control Room) মধ্যে যোগসূত্র বজায় রাখবেন। এবার সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুন: ফের বাংলায় সফট টার্গেট বন্দে ভারত! কাচ ভাঙল ইটে, চিন্তায় রেল

    প্রথম দফায় ভোট ১৯ এপ্রিল

    উল্লেখ্য আগামী ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট (Lok Sabha Vote 2024) হবে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে। উত্তরবঙ্গের ওই তিনটি লোকসভা কেন্দ্রে ৫,৮১৪ টি ​​বুথ রয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, সুষ্ঠুভাবে ভোট (Election) সম্পন্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রথম দফার আগে রাজ্যে এসে পৌঁছেছে ২৭৭ কোম্পানি। যার মধ্যে ২৬৩ কোম্পানি ব্যবহার করা হবে প্রথম দফার নির্বাচনে। বাহিনীর পাশাপাশি ভোটের কাজে লাগানো হচ্ছে রাজ্য পুলিশকেও। কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হতে পারে প্রথম দফার ভোটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মমতার আসল এজেন্ডা ঠিক কী, খোলসা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন তিনি?

    Suvendu Adhikari: মমতার আসল এজেন্ডা ঠিক কী, খোলসা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নরেন্দ্র মোদিজি যেটা ভেবেছেন, যেটা করছেন, জনস্বার্থে করছেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেন, যা ভাবেন, ধান্দার জন্য ভাবেন। আর কীভাবে তোলাবাজ ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করা যায় তাঁর উত্তরসূরি হিসাবে, এটাই তাঁর একমাত্র এজেন্ডা।” সোমবার উত্তর দিনাজপুর জেলায় ইসলামপুরের কোর্ট ময়দানে দলীয় প্রার্থী কার্তিকচন্দ্র পালের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এসে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবেই তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ।

    মোদিজি জনস্বার্থে সব কিছু করছেন (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রাক্তন হবেন তা জানেন। তাই, তিনি এক দেশ এক ভোটের বিরোধিতা করছেন। এক একটা রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন করতে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হয় দেশের। এই টাকা যদি সাশ্রয় হয়, এই টাকা দিয়ে নতুন কয়েকশো মেডিক্যাল কলেজ, কয়েক হাজার কিলোমিটার রেললাইন, কয়েক হাজার কিলোমিটার জাতীয় সড়ক, একাধিক নতুন এয়ারপোর্ট, কয়েক কোটি জনগণের পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়া যেতে পারে। তাই নরেন্দ্র মোদিজি যেটা ভেবেছেন, যেটা করছেন, জনস্বার্থে করছেন।”

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    তৃণমূল চুরি-দুর্নীতি ছাড়া কোনও কাজ করেনি

    পাশাপাশি ইসলামপুরকে আলাদা জেলার দাবি প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “সঠিক দাবি। ইসলামপুরে কোনও উন্নয়ন হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পুরবোর্ডের নির্বাচন হয় না। এখানে মাঝে মাঝেই উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু, উন্নয়ন হয় না। একটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হয়েছে, না আছে নিউরো সার্জেন, না আছে এমআরআই মেশিন, না আছে আইসিইউ। ওটাকে বলা হয় রেফার হসপিটাল। যে আসবে তাকে নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজে রেফার করাই হচ্ছে কাজ। তৃণমূল চুরি-দুর্নীতি ছাড়া কোনও কাজ করেনি।”

    মন্ত্রীর পরিবারের লোক চাকরি পেয়েছেন

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী তথা গোয়ালপোখরের বিধায়ক গোলাম রব্বানী ও চোপড়ার দাপুটে বিধায়ক হামিদুল রহমানকেও তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, “চাকরি দুর্নীতি, গরু পাচার, জমি দখল, এইদিকে হামিদুল রহমানের। আদিবাসীদের জমি পর্যন্ত দখল করেছে। আর যত চাকরি রব্বানীর পরিবার, হামিদুল রহমানের পরিবারের লোকজন পেয়েছে।” পাশাপাশি চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানকে তীব্র হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। তিনি বলেন, “হামিদুল রহমানকে বলে যাই, তোমার থেকেও বড় গুন্ডা ছিল শাহজাহান। তার যা অবস্থা হয়েছে তোমার অবস্থা তার থেকেও খারাপ হবে।” অন্যদিকে, দাড়িভিটে দুই ছাত্র খুনের বিচার প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেহেতু বাংলা ভাষার পক্ষে লড়েছিল, মমতা ব্যানার্জি সেই কারণে তার লোক দিয়ে খুন করিয়েছে, এনআইএ, সিট তদন্তে বাধা দিয়েছে। আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি কথা দিতে পারি, বিচার হবে, খুনিরা শাস্তি পাবে।”

    রাম নবমী নিয়ে মমতাকে তোপ

    এদিকে রাম নবমী প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছে ১৭ তারিখ দাঙ্গা ডে। এই রকম একটা জালি হিন্দুর পক্ষে এই ধরনের কথা বলা সম্ভব। গোটা ভারতবর্ষে ২২ শে জানুয়ারি রামমন্দির উদ্বোধনের দিন এমনকী বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীরাও ছুটি দিতে বাধ্য হয়েছেন। আর উনি পাল্টা মিছিল করেছেন। জনগণ সব দেখছে। এগুলো করছেন সংখ্যালঘু ভোটকে নিজের কাছে আনার জন্য। আর শাহজাহান, আরাবুল, শওকত মোল্লা, গোলাম রব্বানীদের সৃষ্টি করার জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: কথা রাখলেন সুকান্ত, কমিশনের অনুমতিতে চালু হল বালুরঘাট-দিল্লি এক্সপ্রেস

    Sukanta Majumdar: কথা রাখলেন সুকান্ত, কমিশনের অনুমতিতে চালু হল বালুরঘাট-দিল্লি এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা রাখলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ভোটের আগেই বালুরঘাটবাসী পেলেন দিল্লিগামী এক্সপ্রেস ট্রেন। সোমবার ভোটের আগেই বালুরঘাট-দিল্লি সেই ট্রেন চালু হল। নির্বাচন কমিশনের অনুমতিতে এদিন বালুরঘাট থেকে ওই ট্রেন পথ চলা শুরু করল। উপকৃত হলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।   

    ট্রেনের চালকসহ যাত্রীদের ফুল ছুঁড়ে অভিনন্দন জানান সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ মার্চ রেলের তরফে বালুরঘাট থেকে সরাসরি দিল্লির ট্রেন চালুর ঘোষণা হয়েছিল। মালদার ফরাক্কা এক্সপ্রেসটি বালুরঘাট থেকে চলবে। তবে, ভোট ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় এই ট্রেন চালু করতে আইনি বাধার মুখে পড়ে রেল। তাই এনিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল রেল মন্ত্রক। এরপরই সেই অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রেল এখনও বালুরঘাট- দিল্লি এক্সপ্রেসের সময়সূচি না জানালেও অতি দ্রুত এই ট্রেন চালু হবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে। এদিন সেই দিল্লি -বালুরঘাট ট্রেন চালু হল। নির্বাচন বিধি লাগু থাকায় দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তিনিও ফুল ছুঁড়ে অভিনন্দন জানান চালকসহ যাত্রীদের। পাশাপাশি সারাদিনের ভোটের প্রচার সারলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন বাজার ও বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচার সারেন সুকান্ত মজুমদার। প্রচারে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বালুরঘাট -দিল্লি ট্রেন চলার কথা জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    জেলার মানুষকে দিল্লি পাঠালাম

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিদায়ী সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমি বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচার সারলাম। এদিন থেকে বালুরঘাট দিল্লি ট্রেনটি চালু করা হল। আমরা যা কথা দিয়েছিলাম, সে কথাই রাখলাম, এটাই আর একবার প্রমাণিত হবে। বিরোধীদের চমকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতই কথা বলুক, এক্ষেত্রে আইনত বাধা নেই। জেলার মানুষ জানে এই কৃতিত্ব কার। আমি জেলার মানুষকে দিল্লি পাঠালাম, আমাকে জেলার মানুষ এবার দিল্লি পাঠাক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    Siliguri: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তাই, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে এরাজ্য। সোমবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে প্রচারে এসে এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন কেন্দ্রের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গরিব ও সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না।

     জঙ্গিদের আশ্রয় দেয় তৃণমূল সরকার (Siliguri)

    এদিন শিলিগুড়িতে (Siliguri) নির্বাচনী প্রচারে রাজু বিস্তাকে জেতানোর আহ্বান জানান অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশজুড়ে উন্নয়নের কাজ হয়েছে। তার শরিক হয়ে রাজু বিস্তাও গত পাঁচ বছরে এই অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন। মানুষ বুঝেছেন যে নরেন্দ্র মোদি গরিব ও সাধারণ মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ করেছেন, আগামী দিনেও করবেন। সেখানে রাজ্যের তৃণমূল সরকার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ঘৃণা, বিরক্তি এসে গিয়েছে। কলকাতা থেকে রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে গেলে তৃণমূল সরকার সম্পর্কে শোনা যায় দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারীদের আশ্রয়দাতা। ক্রমে জঙ্গিদেরও আশ্রয়দাতা হয়ে উঠেছে। বেঙ্গালুরু বা দেশের যে কোনও প্রান্তে  নাশকতা ঘটিয়ে জঙ্গিরা পশ্চিমবঙ্গে এসে  আশ্রয় নিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের মনেও প্রশ্ন উঠেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের জঙ্গিরা কেন পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছে? সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছে যে, তৃণমূল সরকার জঙ্গিদেরও আশ্রয় দেয়। 

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির পথেই কি নন্দীগ্রাম? তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ মহিলাদের 

    এরাজ্যের গরিবদের বঞ্চিত করছে তৃণমূল

    তৃণমূল রাজ্যে গরিব মানুষের ক্ষতি করে চলেছে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত সহ কৃষকদের বিমা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি এরাজ্যে লাগু করেননি। অথচ ১০০ দিনের কাজের  টাকার জন্য তিনি চিৎকার করে যাচ্ছেন। এরাজ্যের গরিব ও সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছেন, সরাসরি তাদের উপকার লাগে এমন কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি মুখ্যমন্ত্রী এরাজ্যে কেন লাগু হতে দেননি। তাই এবার  রাজু বিস্তা সহ রাজ্যের সব বিজেপি প্রার্থীকে জেতানর জন্য ভোটাররা মনস্থির করে ফেলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: লোকসভা ভোটের আগে প্রকাশ্য দিবালোকে শুটআউট আসানসোলে! তীব্র উত্তেজনা

    Asansol: লোকসভা ভোটের আগে প্রকাশ্য দিবালোকে শুটআউট আসানসোলে! তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনেদুপুরে ব্যবসায়ীকে শুটআউট (Shootout)! লোকসভা ভোটের মুখে গুলিতে খুন মাইক্রো ফিনান্স সংস্থার মালিক। আসানসোলের (Asansol) কুলটি থানার চিনাকুড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Asansol)?

    সোমবার বেলা পৌনে বারোটা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে চিনাকুড়ি (Asansol) এলাকায় একটি বেসরকারি মাইক্রো ফিনান্স সংস্থা অফিসে ঢোকে এক দুষ্কৃতী। তার মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিলো। এরপর অফিসের মধ্যে ঢুকে অফিসে বসে থাকা উমা শংকর চৌহানকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কুলটি থানার পুলিশ (Police), এরপর গুলিবিদ্ধ উমা শঙ্কর চৌহান ( ৩৫) কে উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    অফিসের কর্মীদের বক্তব্য

    ঘটনায় ওই অফিসের কর্মীরা বলেন, “এক দুষ্কৃতীরা এসে উমা শঙ্কর চৌহানকে লক্ষ্য করে পরপর ৪-৫ রাউন্ড গুলি করে। সেই গুলিতে জখম হয়ে অফিসের মধ্যে লুটিয়ে পড়েন উমাশংকর। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গেছে, এই ঘটনার কয়েক মিনিট আগে এক যুবক অফিসে এসে একজনের খোঁজ করছিলো। তারপরেই মুখ বাঁধা ওঁই যুবক আসে। ঠিক ভোটের মুখে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায় (Asansol)।” পুলিশ তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যুবকের খোঁজে তল্লাশি (Investigation) চালানো হচ্ছে। তবে কী কারণে আততায়ীর নিশানা হলেন উমা শঙ্কর, তা বুঝতে পারছেন না তাঁর পরিবারের লোকজনও।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে নিখোঁজ স্বামীর খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্তের দাবি স্ত্রীর

    ১৩ মে ভোট আসানসোলে

    উল্লেখ্য ১৩ মে চতুর্থ দফা ভোট আসানসোলে (Asansol)। ইতিমধ্যেই প্রচার পর্ব চলছে জোরকদমে। ভোট নিয়ে মেতে রয়েছেন আসানসোলের মানুষ। আর তারই মধ্যে এই ঘটনায় হইচই পড়ে গেছে এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, অফিসের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভির ফুটেজ। পাশাপাশি উমাশঙ্করের সঙ্গে কারও টাকা পয়সা নিয়ে কোনও গন্ডগোল ছিল কিনা তাও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ভোটের মুখে এই ঘটনা তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: স্বাধীনতার পর প্রথম আসছেন কোনও প্রধানমন্ত্রী, জন-সুনামি হবে মোদির সভায়, দাবি বিজেপির

    Narendra Modi: স্বাধীনতার পর প্রথম আসছেন কোনও প্রধানমন্ত্রী, জন-সুনামি হবে মোদির সভায়, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী জনসভা করতে আসছেন রায়গঞ্জে। বিজেপি নেতা, কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি উন্মাদনা তুঙ্গে সাধারণ মানুষেরও। পাড়ায়-পাড়ায়, হাটে-বাজারে, প্রতিটি চায়ের দোকানের আড্ডায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) নিয়ে চর্চা চলছে।

    মোদির সভার প্রস্তুতি চলছে তুঙ্গে (Narendra Modi)

    জানা গিয়েছে, ১৯৮৬ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার পথে শিলিগুড়ি মোড় এলাকায় সস্ত্রীক এসেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। সেই সময়ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে দেখার ব্যাপক উৎসাহ দেখা গিয়েছিল। এমনকী ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ি ও দোকানের ছাদে উঠে সাধারণ মানুষ ভিড় করেছিলেন। একটি ছাদ ভেঙে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন একাধিক মানুষ। পথসভা করলেও কোনও প্রধানমন্ত্রী জনসভা করেননি রায়গঞ্জে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী কার্তিকচন্দ্র পালের সমর্থনে আগামী ১৬ই এপ্রিল নির্বাচনী জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রায়গঞ্জ শহর সংলগ্ন দক্ষিণ গোয়ালপাড়া এলাকায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সভার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এসপিজি কমান্ডোরা জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং বিজেপি নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করে, সভাস্থল সহ আসা-যাওয়ার রাস্তা, হেলিপ্যাড এবং গোটা শহরের সার্বিক অবস্থা সমস্তটাই খতিয়ে দেখছেন।

    জন্মের পর প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পাব, বলল রায়গঞ্জবাসী

    ইতিমধ্যে বায়ুসেনার একাধিক MI17 হেলিকপ্টার এসে রায়গঞ্জ স্টেডিয়াম ও মিরুয়ালে অবস্থিত বিএসএফ ক্যাম্পের হেলিপ্যাডে এসে ট্রায়াল দিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সভা ঘিরে বিজেপি নেতা-কর্মীদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো। শুধু বিজেপি নেতা-কর্মী নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও চরম উদ্দীপনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে। গণেশ দাস নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা খুব উৎসাহী, প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে দেখতে পাব। জন্মের পর থেকে এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রীকে রায়গঞ্জে দেখতে পাব।” বাপ্পা সাহা নামে রায়গঞ্জের অপর এক বাসিন্দা বলেন, “এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে সভা করবেন। অবশ্যই দেখতে যাব। আমরা সাধারণ মানুষ খুবই উৎসাহী।” রায়গঞ্জের অপর এক বাসিন্দা তথা ছাত্রী সুস্মিতা দাস বলেন, “প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে আসছেন, আমরা খুবই এক্সাইটেড। খুব ভালো লাগছে যে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে আসবেন। রায়গঞ্জের উন্নয়ন হোক এটাই চাই।” কৌশিক সরকার নামে এক কংগ্রেস কর্মী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তো কোনও দলের নয়, প্রধানমন্ত্রী সবার। এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে আসছেন, অবশ্যই ভালো। সাধুবাদ জানাই।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির পথেই কি নন্দীগ্রাম? তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ মহিলাদের

    জন সুনামি হবে 

    বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেন, “আগামী কাল লক্ষাধিক মানুষের জন-সুনামি হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ,উদ্দীপনা, রোমাঞ্চ কাজ করছে, তা কল্পনাতীত। আমাদের কর্মীরা বিভিন্ন বাজারে, দোকানে, প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সভাতে আসার নিমন্ত্রণ করতে গিয়ে তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত উৎসাহ লক্ষ্য করেছে। আমরা চিন্তায় রয়েছি যে এত লোককে কোথায় জায়গা দেব? তাই সাধারণ মানুষের যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয়, এবং প্রধানমন্ত্রীর সভা যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সমস্তটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের মুখে আরও এক ডিআইজি বদল, বিরোধীদের অভিযোগ তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ!

    Murshidabad: ভোটের মুখে আরও এক ডিআইজি বদল, বিরোধীদের অভিযোগ তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘তৃণমূলের হয়ে কাজ’ করছেন আইপিএস অফিসার (IPS Officer), সম্প্রতি এমনই অভিযোগ করেছিলেন বহরমপুরের বিদায়ী কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan  Chowdhury)। আর কাকতালীয় ভাবে তার পরেই মুর্শিদাবাদের ডিআইজিকে (DIG) অপসারণ করল নির্বাচন কমিশন। লোকসভা ভোটের মুখে বাংলার আরও এক অফিসার ডিআইজি মুকেশ কুমারকে সরালো নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিকেল ৫টার মধ্যে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ডিআইজি পদের জন্য তিন জনের নাম বাছাই করে কমিশনকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে। তাঁদের মধ্যে থেকে এক জনকে নতুন ডিআইজি পদে নিয়োগ করবে কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (Murshidabad)

    কমিশনের তরফে আইপিএস অফিসার মুকেশ কুমারকে ভোটের সঙ্গে যোগ নেই, পুলিশের এমন পদে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথাও বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা অধীরের অভিযোগ, “মুকেশ মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) এসপি থাকাকালীন থানায় যে কজন ওসি বা আইসি ছিলেন, ডিআইজি হওয়ার পর সেই অফিসারদেরই তিনি আবার থানায় নিয়ে এসেছেন। ওই সব পুলিশ আধিকারিকেরা তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দিনের পর দিন কাজ করে গিয়েছেন। এই গোটা ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন এই আইপিএস মুকেশ কুমার।” এই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের (Election commission ) নজরে এনে আগেই অভিযোগ জানিয়েছিলেন অধীর। তাঁর মতে, হয়তো তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির পথেই কি নন্দীগ্রাম? তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ মহিলাদের

    আগে চার জেলার জেলাশাসককে সরানো হয়েছিল

    উল্লেখ্য ২০১৯ সালে মুকেশ কুমার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার এসপি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাঁকে মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া রেঞ্জের ডিআইজি করা হয়। তবে ঠিক কী কারণে ভোটের মুখে আইপিএস মুকেশ কুমারকে নির্বাচন কমিশন সরাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও এমন ঘটনা প্রথম নয়, লোকসভা ভোটের মুখে (Lok Sabha Vote 2024) এর আগে রাজ্যের চার জেলার জেলাশাসককেও সরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। আর এবার সরানো হল মুর্শিদাবাদের ডিআইজিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: “বিজেপি ভোট চাইতে এলে চেলা কাঠ দিয়ে মারুন”, প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার হুমকি ভাইরাল

    Basirhat: “বিজেপি ভোট চাইতে এলে চেলা কাঠ দিয়ে মারুন”, প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার হুমকি ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলা রেখা পাত্রকে প্রার্থী করে মাস্টার স্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা বুথে বুথে মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন। এমনই দাবি গেরুয়া শিবিরের। আর শাহজাহানের কীর্তি এবং দুর্নীতি ইস্যুতে বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে তৃণমূল। তাই, এবার বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বসিরহাটের (Basirhat) এক তৃণমূল নেতা।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (Basirhat)

    দলীয় প্রার্থী হাজী নুরুল ইসলামের সমর্থনে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহাকুমার বসিরহাট (Basirhat) উত্তর বিধানসভার বিবিপুর বেগমপুর তৃণমূলের পক্ষ থেকে পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে ওঠেন তৃণমূলের বিবিপুর বেগমপুরের অঞ্চল সভাপতি মিয়াজুল ইসলাম বাবুয়া। দলীয় সভা থেকে প্রকাশ্যে বলেন, বিজেপি ভোট চাইতে এলে চেলা কাঠ নিয়ে যুব সমাজ তৈরি থাকবেন। মা-বোনেরা ঝাঁটা নিয়ে তৈরি থাকবেন। ভোট চাইতে এলেই মা, বোনেরা ঝাঁটা নিয়ে তাড়া করবেন। আর যুবকরা চেলা কাঠ দিয়ে পেটাবেন। এরপর তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কথা রাখেননি। মুখ্যমন্ত্রী ২ টাকা কিলো চাল সহ সব প্রতিশ্রুতি রেখেছেন। তাই, বিজেপির কেউ ভোট চাইতে এলেই তাঁদের চেলা কাঠ দিয়ে মারবেন। ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতার সেই বক্তব্য ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সভার পরে, তাঁকে এই ধরণের উস্কানিমূলক বক্তব্যের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ‘আরও বেশি বলা উচিত ছিল। যদিও তৃণমূল নেতার বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুলতে বালুরঘাটে আসছেন মোদি, চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি নেতা পলাশ সরকার বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত দল হচ্ছে তৃণমূল। মানুষ ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাই, এখন এই ধরনের হুমকি দিয়ে আমাদের কর্মীদের আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। সামনে ভোটে ওদের উচিত শিক্ষা দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share