Tag: West Bengal

West Bengal

  • BSF: ভারতের জমি দখল নিয়ে বিজিবির মিথ্যাচার, ইউনূস সরকারের মুখোশ টেনে খুলে দিল বিএসএফ

    BSF: ভারতের জমি দখল নিয়ে বিজিবির মিথ্যাচার, ইউনূস সরকারের মুখোশ টেনে খুলে দিল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় এখন ইউনূস সরকার। যতদিন যাচ্ছে ইউনূস প্রশাসনের কদর্য রূপ বিশ্ববাসীর কাছে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আর কত মিথ্যা বলবে বাংলাদেশ? এবার ইউনূসের সেনার মিথ্যার মুখোশ টেনে খুলে দিল বিএসএফ (BSF)। ঝিনাইদহে বিতর্কিত ৫ কিলোমিটার ভূখণ্ডকে ‘ভারতের দখলমুক্ত’ করা হয়েছে বলেই দাবি করে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেই বিবৃতি দিয়ে জানাল বিএসএফ।

    ঠিক কী নিয়ে বিতর্ক? (BSF)

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মাটিলা সীমান্ত (India-Bangladesh Border) ঘেঁষে বয়ে গিয়েছে কোদলা বা কোদালিয়া নদী। এই নদীর পাঁচ কিলোমিটার অংশ নিয়েই বিতর্ক। বিএসএফ (BSF) এবং বিজিবি— উভয়েই তাদের কোদালিয়া নদীর পাশে দায়িত্ব পালন করে। ওই এলাকাটি কাঁটাতার বিহীন হওয়ায়, চোরাচালান এবং সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে বাংলাদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশের ঝুঁকি থাকে সর্বদাই। বিএসএফ এই এলাকা থেকে আন্তঃসীমান্ত অনুপ্রবেশ ঠেকাতে অনেক ব্যবস্থা নিয়েছে এবং এখন এই এলাকা থেকে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা নগণ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ দাবি করেছে, এই ভূখণ্ড নাকি তাদের। কিন্তু, সেখানে কোনও বাংলাদেশি মাছ ধরতেও যেতে পারত না। দুই দেশেরই টহল চলে এই এলাকায়। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করে, ওই এলাকাকে নাকি দখলমুক্ত করেছে বিজিবি। সেখানে বাংলাদেশের দখল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে বেড়া দিতে বাধা! বিএসএফের রণমূর্তির দেখে পগার পার বাংলাদেশিরা

    নদীতে না নামার হঁশিয়ারি

    নদীতে কেউ নামবেন না, কারণ কোদালিয়া নদীটি পুরোপুরি বাংলাদেশের মধ্যে। বাংলাদেশের বিজিবি-র পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতীয়দের দাবি, ওই নদী ভারতের সীমান্তের মধ্যে। নদিয়ার কৃষ্ণনগর বিএসএফ (BSF) রেঞ্জের অধীনঘাট রংঘাট, কৃষ্ণ প্রতাপপুর সহ একাধিক সীমান্তবর্তী এলাকা রয়েছে। সেই সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই দেশের মাঝে একটি কোদালিয়া নদী রয়েছে। এই নদীটি উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়ার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে,  দীর্ঘদিন ধরেই সেটা ভারত সীমান্তের মধ্যে রয়েছে। কিন্তু, কিছুদিন ধরে বাংলাদেশ সেনা মাইক প্রচার করছে সেই নদী নাকি তাদের দখলে। সেই কারণে কোনও ভারতীয় যাতে সেই নদীতে না নামেন, কিংবা না ব্যবহার করেন। যা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয়দের দাবি, ওই নদী দীর্ঘদিন ধরেই ভারত সীমান্তর মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই নদী বিভিন্ন স্নানের কাজে অথবা মাছ ধরার কাজে ব্যবহার করে আসছেন। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তরফে কিছু সিমেন্টের পিলার ছিল সীমানা নির্ধারিত করার জন্য, সেই পিলারগুলিও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তুলে দিয়েছে। ভারতীয়রা মনে করছেন, বাংলাদেশ ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের সঙ্গে একটি ঝামেলা তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সীমান্তের বাসিন্দাদের বক্তব্য, ভারতের যে অংশ সে অংশ যাতে বাংলাদেশ সরকার কখনও দখল করতে না পারে। সেই কারণেই পাকাপোক্তভাবে সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দিতে হবে।

    বিএসএফ কী বলল?

    বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হতেই নজরে আসে বিএসএফেরও। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিএসএফ (BSF) জানিয়েছে, ওই এলাকাটি ভারতের দিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা ব্লকের রাংঘাট গ্রামের অন্তর্গত, যেখানে আন্তর্জাতিক সীমান্ত কোদালিয়া নদীর পাশ দিয়ে চলছে। নদীপথের কারণে আন্তর্জাতিক সীমান্তের দুই পাশে রেফারেন্স পিলার ভালভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফের ডিউটি প্যাটার্নের কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    ভারতীয় ভূমির এক ইঞ্চিও দখল করা হয়নি, জানাল বিসিএফ

    ‘ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নির্দেশিকা ১৯৭৫’-এর বোঝাপড়া অনুযায়ী, প্রকৃত স্থল পরিস্থিতি অক্ষুণ্ণ এবং উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শান্তিপূর্ণ আধিপত্যের অধীন— এ কথা মনে করিয়ে দিয়েছে বিএসএফ। বিএসএফ (BSF) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের অখণ্ডতা রক্ষা করে তারা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশি নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে যে, গত ১৯ ডিসেম্বর বিজিবি সদস্যরা নদীর ওপর নিয়ন্ত্রণ পেতে মোটর চালিত নৌকা এবং এটিভি ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টা  টহল শুরু করেছিল। এটি একটি মনগড়া গল্প ছাড়া কিছুই নয়। ৫৮ বিজিবির নবনিযুক্ত কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিক ইসলামের করা মিথ্যা, মন গড়া দাবিগুলি অস্বীকার করা হয়েছে। এই ধরনের নিবন্ধ এবং মিডিয়া রিপোর্ট দুই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সদ্ভাবকে নষ্ট করবে বলেই সতর্ক করেছে বিএসএফ। পাশাপাশি বিএসএফ আশ্বস্ত করেছে যে ভারতীয় ভূমির এক ইঞ্চিও দখল করা হয়নি বা ভবিষ্যতেও প্রতিপক্ষের দ্বারা দখল করা হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Fishermen: ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার বাংলাদেশে, ইউনূসদের আসল চেহারা বের হচ্ছে

    Indian Fishermen: ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার বাংলাদেশে, ইউনূসদের আসল চেহারা বের হচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। এই আবহে ৯৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) বাংলাদেশে ধরা পড়েছিলেন। সম্প্রতি, বাংলাদেশ থেকে ওই ৯৫ জন মৎস্যজীবী ভারতে ফিরেছেন। বাংলাদেশি নৌসেনারা যে কী অত্যাচার চালিয়েছেন, তার জলজ্যান্ত প্রমাণ তাঁদের শরীরে অবস্থা দেখলেই টের পাওয়া যাবে। তাঁরা দু’পায়ে দাঁড়াতে পারছেন না। কীভাবে হয়েছে অত্যাচার? শুনলে আঁতকে উঠতে হয়। মুখে গামছা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, লাঠি মুখে ঢুকিয়ে গুঁজে দেওয়া হয় গামছা, এরপর এক পায়ে দাঁড় করিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। বাথরুম যেতে দেওয়া হত না, দু’দিন খেতে দেওয়া হয়নি, ভয়ঙ্কর বক্তব্য উঠে আসছে তাঁদের মুখে। অথচ বাংলাদেশের মৎস্যজীবীরা যখন কেউ ধরা পড়েন ভারতের জলসীমায় তখন তাদের কীভাবে যত্নে রাখা হয়। চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। আর তার বিনিময়ে উল্টো ব্যবহার পেলেন ভারতের মৎস্যজীবীরা। নিজের আসল পরিচয় দেখিয়ে দিল ইউনূস প্রশাসন।

    আতঙ্কে মৎস্যজীবীরা (Indian Fishermen)

    বাংলাদেশ থেকে ৯৫ জন বন্দি মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) দেশে ফিরলেও এখনও ভয়ে শিঁটিয়ে তিলোকচন্দ্রপুর গ্রামের ফেরত আসা মৎস্যজীবীরা। এই গ্রামের ৮০ শতাংশ মানুষই মৎস্যজীবী। প্রায় প্রত্যেক বাড়ি থেকে কেউ না কেউ ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে যান। এই গ্রামের ৯৬ জন মৎস্যজীবী বাংলাদেশে আটকে পড়েছিলেন। গত অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ভারতীয় মৎস্যজীবী ভারতের জলসীমানা লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের জলসীমানায় ঢুকে পড়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তারপরে বাংলাদেশের (Bangladesh) পটুয়াখালি এবং মঙ্গলায় আটক ছিলেন তাঁরা। দুই দেশের তরফে মৎস্যজীবীদের আন্তর্জাতিক জল সীমানা লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরই মধ্যে বাংলাদেশ জুড়ে শুরু হয় হিংসা। তার মধ্যে তাঁদের ওপরেও চলেছে অকথ্য অত্যাচার।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে বেড়া দিতে বাধা! বিএসএফের রণমূর্তির দেখে পগার পার বাংলাদেশিরা

    এখনও ফেরেননি এক মৎস্যজীবী!

    জানা গিয়েছে, এখনও একজন মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) ফেরেননি। বদলে ফিরেছে তাঁর জামাকাপড়। তাঁরই স্ত্রী গুরুমণি। তাঁর স্বামী ভয়ে ট্রলার থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। আর খোঁজ মেলেনি তাঁর। বাংলাদেশি নৌসেনাদের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। গুরুমণি বলেন, “আমার স্বামী তো ভয়ে ঝাঁপ দিয়েছেন। ওই যে নেভি ধরছে, কোস্ট গার্ড ধরছে, মারছে, খুব মারছে, সেই দেখেই ভয়ে ঝাঁপ দিয়েছে। ওরা যদি এভাবে মারধর না করত, তাহলে তো বেঁচে ফিরত আমার স্বামী।”

    ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বললেন মৎস্যজীবীরা

    বাংলাদেশে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন একাধিক মৎস্যজীবী। অত্যাচারের বর্ণনা করতে গিয়ে অনেকে কেঁদেও ফেলছেন রণজিৎ দাস নামে এক মৎস্যজীবী। তাঁকেও আটক করে রাখা হয়েছিল। এখনও সে দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে ভয়ে কেঁপে ওঠে তাঁর গলা। বলেন, “আমাদের সামনেই (Indian Fishermen) অফিসাররা বলছিল, পেটে ছুরি মেরে জলে ফেলে দে ওদের। এমন মারত, কত যে লাঠি ভেঙেছে। এক পায়ে দাঁড় করিয়ে পায়ের পাতায় মারত। চোখ বেঁধে রেখে নিতম্বে লাঠি দিয়ে মেরে দগদগে ঘা করে দেওয়া হয়।” অপর এক মৎস্যজীবী বলেন, আমাদের কাছে জিপিএস ছিল। কিন্তু সেটা ঠিকঠাক কাজ করছিল না। আমরা বাংলাদেশের জলসীমায় চলে যাই। মাঝি জানে না ঠিক করে। আমরা আত্মসমর্পণ করেছিলাম। তারপরেও আমাদের প্রচুর মারধর করল। মাঝি আর ইঞ্জিন মিস্ত্রি দুজনকে ট্রলারে রাখল। বাকিদের সারা রাত হাত বেঁধে রাখল। মারল। এরপর হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে গেল। সেখানে উল্টো-পাল্টা কথা বলছিল।

    ‘‘ইন্ডিয়ান, তোকে জল দেওয়া যাবে না’’

    বাংলাদেশ ফেরত অত্যাচারিত মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) সুভাষ দাস বলেন, “আমার সীমান্তে এসে কেন আমাকে নিয়ে যাবে? এইজন্য ওদের সঙ্গে একটু তর্কাতর্কি করি। ওরা আমাকে মারে। এরপর আমার ৫ জন লোক জলে পড়ে যান। যখন বোটটা কাত হয়ে যায়, তখন পড়ে যায়। তুলতে দিচ্ছিল না, তাও অনেক কষ্টে চেষ্টা করে ৪ জনকে তুলেছি। আর একজনকে খুঁজতে দেয়নি। অক্টোবরের ১৬ তারিখ রাত তখন ৩টে বাজে। আমার একটা লোক তখনও আছে। বলে, এখানে থাকা যাবে না। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী আসতে পারে। দড়ি দিয়ে সবাইকে বেঁধে ফেলেছে। মারধর আরম্ভ করছে সবাইকে। আমার ছেলে কান্নাকাটি করল। লোকজন কান্নাকাটি করল। আমার গলায় পা রাখে। পায়ের তলায় মারে। আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। ছেলে বলে, আমার বাবার বুকে অসুবিধা। বাবাকে ছেড়ে দেন। নাহলে, আমার বাবা বাঁচবে না। বললাম, একটু জল দেন। বলে, ইন্ডিয়ান। তোকে জল দেওয়া যাবে না।” 

    মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক কী বললেন?

    সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘‘অতীতেও অনেকবার এ দেশের মৎস্যজীবীরা বাংলাদেশ জল সীমানায় ঢুকে পড়েছে। কিন্তু কোনও বার এত অত্যাচার করা হয়নি। এবার বাংলাদেশের অশান্তির প্রেক্ষিতে অত্যাচার সীমা ছাড়িয়েছে। ৯৫ জনের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” প্রশ্ন উঠছে, কেন মারধর করা হল ভারতীয় মৎস্যজীবীদের? তাঁরা তো জলদস্যু নন, তারপরেও কেন এই ব্যবহার পেলেন তাঁরা? তবে কি ভারতীয় বলেই পেটানো হল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তাঁর ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট, পুলিশে নালিশ জানালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: তাঁর ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট, পুলিশে নালিশ জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ছবি লাগিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট করার অভিযোগ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। বিষয়টি নজরে আসে খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতির। তিনি এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য জেলা সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Sukanta Majumdar)

    বেসরকারি লোন দানকারী সংস্থার বিজ্ঞাপনে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ছবি দেওয়া রয়েছে। সেখানে বড় বড় হরফে লেখা রয়েছে সুদ ছাড়াই ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন দেওয়া হচ্ছে মা, বোনেদের। আর এই ছবি সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে দেখা মিলতেই নড়েচড়ে বসেছে বিজেপির আইটি সেল। সুকান্ত মজুমদারের অ্যাসিস্ট্যান্ট পার্সোনাল সেক্রেটারি বিষয়টি প্রথমে নজরে আনেন। আর তারপরই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সুকান্তবাবু। রাজনৈতিক কাজে এই মুহূর্তে জেলার বাইরে রয়েছেন তিনি। সেখান থেকেই জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর নাম ও ছবি অনুমতি ছাড়াই কেন ওই ঋণদানকারী সংস্থা ব্যবহার করছে তা জানতে চান। পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন,“আমি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি যে আমার ছবি অবৈধভাবে ব্যবহার করে একটি অ্যাপে ঋণ দেওয়ার একটি প্রকল্পের প্রচার করা হচ্ছিল। আমি দেখেছি ওই অ্যাপগুলোতে শুধু আমি নই, দেশের বহু মুখ্যমন্ত্রী ও বিভিন্ন মন্ত্রীদের ছবি নিয়ে তারা এইরকম অপপ্রচার করছে। তারা কম সুদে লোন দেবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। আমি এই বিষয়ে নিয়ে অভিযোগ করেছি। আমি আশা করছি পুলিশ এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “আমি যার দিকে তাকাই, ধ্বংস হয়ে যায়,” কাকে বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: “আমি যার দিকে তাকাই, ধ্বংস হয়ে যায়,” কাকে বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সাত সকালে তিক্ত হয়ে উঠল নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক আবহাওয়া। নন্দীগ্রামের ভাঙাবেড়ায় ৭ জানুয়ারি সিপিএমের দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহতদের স্মরণ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) বেনজির আক্রমণ করলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান। পালটা শুভেন্দুর হুমকি, “আমি যার দিকে তাকাই, ধ্বংস হয়ে যায়।”

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন সূর্যোদয়ের আগে নন্দীগ্রামের (Nandigram) ভাঙাবেড়ায় শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠান ছিল তৃণমূলের। সেখানে হাজির ছিলেন দলের জেলা নেতৃত্ব। সভা থেকে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নাম করে কুমন্তব্য করেন তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান। তৃণমূলের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর বিজেপির শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন স্থানীয় বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে শেখ সুফিয়ানকে পালটা আক্রমণ করে তিনি বলেন, “এখানে তারাচাঁদবাড়ের একটা চোর এসেছিল একটু আগে। জাহাজ বাড়ি করেছে। অসংখ্য বউ। সকালবেলা অনেক গালাগালি করে গেছে। দেবব্রত মাইতির খুনের মামলায় শর্তাধীন জামিনে আছে। আমি যার দিকে তাকাই ধ্বংস হয়ে যায়। শাহজাহান ধ্বংস হয়েছে। কেষ্ট ২ বছর জেল খেটেছে। তারাচাঁদবাড়ের এই চোরটাকে আমি বলে গেলাম তোমার অবস্থা আমি কী করব দেখে নেবে। দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মতো ফুলবি।”

    মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ

    ওড়িশার বিজেপি সরকার জঙ্গল থেকে বাঘ ছেড়ে দিচ্ছে। আর সেই বাঘ ধরতে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ বনবিভাগকে। মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগ প্রসঙ্গে তাঁকে সংযত বক্তব্য রাখার পরামর্শ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এমন কিছু বলবেন না যাতে বাঙালি হিসেবে আমরা লজ্জিত হই।” মমতাকে তাঁর পরামর্শ, ‘উনি তিনবার মুখ্যমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেছেন। আমি ওঁকে বলব, আপনি কান দিয়ে দেখবেন না। চোখ দিয়ে দেখুন। আপনার কাছ থেকে মানুষ এই ধরণের কথা আশা করে না। আপনার অনেক বয়স হয়েছে। আপনি এই ধরণের কথা বললে লোকে হাসে। আমরা আপনার বিরোধী, কিন্তু আমরা পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যদি ওড়িশার লোক খিল্লি করে যে আমরা বাঘ ছেড়ে দিচ্ছি, এটা পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে গায়ে লাগে। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, এমন কিছু বলবেন না যাতে বাঙালি হিসাবে আমরা লজ্জিত হই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নিজের ডায়াবেটিস ধরা পড়ার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভুরিভোজের আয়োজন করলেন নদিয়ার বৃদ্ধ!

    Nadia: নিজের ডায়াবেটিস ধরা পড়ার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভুরিভোজের আয়োজন করলেন নদিয়ার বৃদ্ধ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধুমেহ হল মধুময়। নিজের ডায়াবেটিস ধরা পড়ার সুবর্ণ জয়ন্তীতে এলাহি আয়োজন করলেন নদিয়ার (Nadia) পলাশীপাড়া থানার পলশন্ডা গ্রামের ৭৪ বছরের নিতাই প্রামাণিক। পেশায় তিনি গৃহশিক্ষক। বিয়ে করেননি। পরিবারের অন্যান্যদের সঙ্গে তিনি থাকেন। প্রায় ৫০ বছর ধরে মধুমেহ রোগ বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। আর এই রোগের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যেই তিনি মহাভোজের আয়োজন করেছেন। আর গৃহশিক্ষকের এই উদ্যোগ দেখে হতবাক সকলে।

    মেনুতে কী কী ছিল? (Nadia)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর যখন ২৪ তখনই সুগার (Nadia) ধরা পড়ে তাঁর। তারপর থেকেই ক্রমাগত ইনসুলিন এবং ওষুধের ওপর থাকতে হয় তাঁকে। মনে চাইলেও ভালো-মন্দ খেতে পারেন না। আর তাই তাঁর ইচ্ছা ছিল, নিজে যখন খেতে পারেন না, অন্যান্যদের বছরের প্রথমেই বাড়িতে পাত পেড়ে খাওয়াবেন। তাঁর আমন্ত্রণে অসংখ্য ডায়াবেটিস রোগীসহ অনান্যরা সাড়া দেন। হাজির হন তাঁর বাড়িতে। শুধু এলাকার লোকই নয়, দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য লোক এসেছিলেন। তাঁরা বলেন, রোগের ৫০ বছর উপলক্ষে এই ধরনের ভোজনের আয়োজন আগে কেউ করেছে বলে জানা নেই। এটা রেকর্ড হয়ে থাকবে। এই ধরনের ঘটনার আমরা সাক্ষী হতে পেরে খুবই খুশি। জানা গিয়েছে, নিতাইবাবুর মেনুতে ছিল ডিমের ডেভিল, মটরশুঁটির কচুরি, ছোলার ডাল, ফ্রায়েড রাইস, পনির, চিংড়ি দিয়ে ফুলকপির তরকারি, চাটনি, দই, রসগোল্লা, কমলাভোগ।

    আরও পড়ুন: শীতের সকালে তিব্বতে জোরালো ভূমিকম্প! তীব্রতা ৭.১, কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু থেকে কলকাতা

    কী বার্তা দিলেন নিতাইবাবু?

    এমন এক কঠিন ব্যাধি নিয়েও যে অর্ধশতবর্ষ অতিক্রম করা যায় তার জ্বলন্ত প্রমাণ নিতাইবাবু (Nadia) নিজে। আর সেই ইচ্ছেতেই তিনি এমন আয়োজন করেছেন। শুধু সুস্থ মানুষরাই নয় অসংখ্য ডায়াবেটিস রোগীরাও কব্জি ডুবিয়ে খেলেন। নিতাইবাবু বলেন, “আসলে ৫০ বছর ধরে আমি সুগারের রোগী। এই রোগকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। নিয়মিত ব্যায়াম আর খাওয়া-দাওয়া নিয়ন্ত্রণ করলে এই রোগ কিছুই করতে পারবে না। এই বার্তা দিতেই আমি এই আয়োজন করেছিলাম। নতুন বছরের শুরুতে সকলে মিলে একসঙ্গে খেতে পেরেও আমার ভালো লাগছে। আমি সারাদিনে ১২০ গ্রাম চালের ভাত খাই। আর তিন ঘণ্টার বেশি পেট খালি রাখি না। নিয়ম মেনে চললে সুগার নিয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা সম্ভব। আমি নিজেই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পশ্চিমি ঝঞ্ঝার জের, কুয়াশায় ঢাকল রাজ্য, দার্জিলিঙে বৃষ্টি-তুষারপাতের সম্ভাবনা

    Weather Update: পশ্চিমি ঝঞ্ঝার জের, কুয়াশায় ঢাকল রাজ্য, দার্জিলিঙে বৃষ্টি-তুষারপাতের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে রাজ্যে বাধা পাচ্ছে উত্তুরে হাওয়া। আর এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে আজ ঠান্ডা তো কাল গরম। বাড়ছে আপেক্ষিক আর্দ্রতাও। যার হাত ধরে কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকবে রাজ্যজুড়ে। ঘন কুয়াশায় ঢাকবে উত্তরবঙ্গ। দক্ষিণেও কুয়াশা দিনভর। নতুন করে ১০ জানুয়ারি একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দু’দিন পর থেকে তাপমাত্রা (Weather Update) আবার নামতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পৌষ সংক্রান্তিতে যেমন কনকনে ঠান্ডা থাকে, এবার তা অনেকটা কম অনুভূত হবে। তবে, কুয়াশার দাপট থাকবে।

    কুয়াশার দাপট কোন কোন জেলায়?(Weather Update)

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৩ ডিগ্রি বেশি। আগামী দু’দিন উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি বাড়তে পারে। তার পর আবার দুই থেকে চার ডিগ্রি তাপমাত্রা কমবে। যদিও, নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হলে শীত কমে যাবে আবার। ফলে এখনই জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণবঙ্গে এই মুহূর্তে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে কুয়াশার দাপট থাকবে। আগামী দু’দিন কুয়াশার (Fog) প্রভাব বেশি থাকবে দুই ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে। কয়েকটি জায়গায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটার পর্যন্ত কমে যেতে পারে। বাকি জেলাতেও ঘন কুয়াশা থাকবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, তাপমাত্রা ওঠানামা এবং আর্দ্রতার কারণে কুয়াশা আরও ঘনীভূত হবে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আপাতত দক্ষিণের সব জেলাতেই শুকনো আবহাওয়া থাকবে।

    আরও পড়ুন: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা কোথায়?

    পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে (Weather Update) উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিঙে মঙ্গলবার বৃষ্টি ও তুষারপাত হতে পারে। কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া শুরু হবে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঘন কুয়াশা থাকবে। কয়েকটি জায়গায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে যেতে পারে। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর ও মালদায় কুয়াশার প্রভাব বেশি থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Passport Scam: পাসপোর্ট জালিয়াতিতে নজরে রাজ্যের আরও ৪ পুলিশকর্মী, সর্ষের মধ্যেই লুকিয়ে সব ভূত?

    Passport Scam: পাসপোর্ট জালিয়াতিতে নজরে রাজ্যের আরও ৪ পুলিশকর্মী, সর্ষের মধ্যেই লুকিয়ে সব ভূত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাসপোর্ট জালিয়াতি (Passport Scam) কাণ্ডে ধরা পড়েছেন এক প্রাক্তন পুলিশকর্মী। এবার তদন্তকারীদের নজরে কলকাতা পুলিশের (Police) আরও ৪ জন কর্মী। এমনই দাবি করা হচ্ছে রিপোর্টে। জানা গিয়েছে, স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমের নজরে থাকা পুলিশকর্মীদের মধ্যে আছেন দুই অফিসার, এক কনস্টেবল এবং একজন হোমগার্ড। এই চারজনের কাছ থেকে পাসপোর্ট কাণ্ডে সক্রিয় থাকা চক্রের আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তাহলে সর্ষের মধ্যেই কি লুকিয়ে রয়েছে সব ভূত?

    পাসপোর্ট জালিয়াতি কাণ্ডে গ্রেফতার কত? (Passport Scam)

    জানা গিয়েছে, তদন্তকারীদের নজরে (Passport Scam) থাকা পুলিশ অফিসারদের একজন একটি থানায় কর্মরত ছিলেন। এদিকে অপর অফিসার ছিলেন সিকিউরিটি কন্ট্রোল রুমে। এছাড়া যে পুলিশ কনস্টেবলের ওপর সিটের নজর আছে, তিনিও সিকিউরিটি কন্ট্রোলরুমেই কর্মরত ছিলেন। এই তিন পুলিশকর্মী সহ হোমগার্ডকে আপাতত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাসপোর্ট জালিয়াতি কাণ্ডে এই চার পুলিশকর্মীর ভূমিকা কতটা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিন দুয়েক আগেই পাসপোর্ট জালিয়াতি কাণ্ডে এক প্রাক্তন পুলিশকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের নাম আবদুল হাই। কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন সাব ইন্সপেক্টর তিনি। কলকাতা পুলিশের সিকিউরিটি কন্ট্রোলের অফিসেও কাজ করেছেন। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে ধরা হয়েছিল তাঁকে। আড়াই বছর কাজ করেছেন পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন অফিসার হিসেবে। সবমিলিয়ে পাসপোর্ট জালিয়াতি কাণ্ডে এখনও ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পাসপোর্ট পিছু ২৫ হাজার টাকা!

    জানা গিয়েছে, পাসপোর্টের কারবারের (Passport Scam) সূত্রেই সমরেশের সঙ্গে পরিচয় হয় আবদুলের। কিছুদিন পর আবদুলকে টাকার টোপ দেন সমরেশ। সেই টোপ গিলেও নেন আবদুল হাই। তার পরই শুরু হয় জালিয়াতির কারবার। পাসপোর্ট কাণ্ডের অন্যতম চক্রী সমরেশ বিশ্বাসের অ্যাকাউন্ট থেকে আবদুল হাইয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গত কয়েক বছরে গিয়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা। পাসপোর্ট পিছু ২৫ হাজার টাকা করে নিতেন এই আবদুল হাই। এই আবহে ধৃতকে জেরা করে আর কোন কোন আধিকারিক এই দুর্নীতিতে যুক্ত তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ১৫০ জনেরও বেশি অনুপ্রবেশকারীকে ভারতীয় পাসপোর্ট করিয়ে বিদেশে পাঠিয়েছে সমরেশ। তার মধ্যে ৫০টির বেশি পাসপোর্ট তৈরি হয়েছে আবদুল হাইয়ের হাত ধরে। এদিকে পাসপোর্ট জালিয়াতির তদন্তে এই নিয়ে মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এই চক্রের জাল আরও দূর পর্যন্ত ছড়ানো বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে পাসপোর্টকাণ্ডে ধৃত মূল চার অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫টি মোবাইল ফোন। সেই ফোনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। সেই তথ্য ফিরে পেতে ফোনগুলির ফরেন্সিক পরীক্ষা করাতে চান তাঁরা। গোয়েন্দাদের অনুমান, ওই ফোনগুলির তথ্য পাওয়া গেলে ধৃতদের সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ ছিল তা জানা যাবে। পাশাপাশি এই চারজনের কাছ থেকে গোটা চক্রের আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santipur Hospital: মহিলা চিকিৎসককে দ্বিতীয় ‘অভয়া’ করে দেওয়ার হুমকি হাসপাতাল সুপারের

    Santipur Hospital: মহিলা চিকিৎসককে দ্বিতীয় ‘অভয়া’ করে দেওয়ার হুমকি হাসপাতাল সুপারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা না শুনলে দ্বিতীয় অভয়া করে দেব। মহিলা চিকিৎসককে হুমকি সরকারি হাসপাতাল সুপারের। চরম আতঙ্কে অবশেষে স্বাস্থ্য দফতর এবং পুলিশের দ্বারস্থ হলেন ওই মহিলা চিকিৎসক। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে (Santipur Hospital)। ওই মহিলা চিকিৎসকের নাম সুকন্যা রায়। তিন মাস আগে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে প্যাথলজি বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসেবে কাজে যোগ দেন তিনি।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Santipur Hospital)

    মহিলা চিকিৎসের (Santipur Hospital) অভিযোগ, “কাজে যোগদানের পর থেকেই হাসপাতাল সুপার তারক বর্মন আমার ওপর বিভিন্নভাবে মানসিক নির্যাতন করতেন। আমি প্যাথলজি বিভাগে কাজ করলেও আমাকে জোর করে জরুরি বিভাগে কাজ করাতে বাধ্য করতেন। পাশাপাশি নাইট ডিউটি জোর করে করাতেন। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে আমাকে হুমকি দিতেন হাসপাতাল সুপার। আমি নাইট ডিউটি করতে অস্বীকার করলে, আমাকে দ্বিতীয় অভয়া করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।” এরপরেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই মহিলা চিকিৎসক। নিরুপায় হয়ে স্বাস্থ্য দফতর এবং থানার দ্বারস্থ হন তিনি। শান্তিপুর থানায় অভিযুক্ত তারক বর্মনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা চিকিৎসক। তিনি চাইছেন অবিলম্বে তাঁকে যেন এই হাসপাতাল থেকে অন্যত্র বদলি করে স্বাস্থ্য দফতর।

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    হাসপাতালের সুপার কী বললেন?

    ওই মহিলা চিকিৎসকের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শান্তিপুর হাসপাতাল (Santipur Hospital) সুপার তারক বর্মন। তিনি বলেন, “ওই মহিলা চিকিৎসক আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “এ বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে যা বলার জেলা স্বাস্থ্য অধিকর্তা বলবেন।” অন্যদিকে ওই মহিলা চিকিৎসকের অভিযোগের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য অধিকারিক জ্যোতিষ চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, “আমি ওই মহিলা চিকিৎসকের অভিযোগ হাতে পেয়েছি। ইতিমধ্যেই তা জেলা স্বাস্থ্য দফতরে পাঠিয়ে দিয়েছি। তবে ওই মহিলা চিকিৎসক নিজেও মানসিক রোগের ওষুধ খান। আমি জানিয়েছি, ওই চিকিৎসককে স্বাস্থ্য দফতর অন্যত্র স্থানান্তরিত করলে আমার কোনও আপত্তি নেই।”

    বিজেপি নেতা কী বললেন?

    বিজেপি নেতা সোমনাথ কর বলেন, “আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করব, যাতে পুরো বিষয়টি (Santipur Hospital) তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এই থ্রেট কালচার দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Militant: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল! জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান গোয়েন্দারা

    Militant: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল! জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল বিস্তৃত করেছে জঙ্গিরা! সেই জালের মধ্যে থাকা একের পর এক জঙ্গিকে (Militant) গ্রেফতার করতে শুরু করেছে পুলিশ। গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, জেল থেকে জঙ্গিদের একাংশ আনসারুল্লা বাংলা টিমের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে এখনও। বিষয়টির গভীরে যেতে জেলবন্দি জঙ্গিদের নতুন করে জেরা করতে চান গোয়েন্দারা। তাদের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করে ফেলেছেন গোয়েন্দারা। এই জঙ্গিদের জেরা করতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তদ্বির করতে শুরু করেছেন।

    বাংলায় নাশকতার ছক!(Militant)

    সূত্রের খবর, রাজ্যের নানা জেলে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এবং আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) প্রায় ৪০ জন বন্দি আছে। তাদের মধ্যে আছে খাগড়াগড় এবং বিহারের বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণে অভিযুক্তরাও। এদের পাঁচজন বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলায় (Militant) এরা নাশকতা করতেই জড়ো হয়েছিল। ত্রিপুরা, অসম, বিহার থেকে এখানে এসে নাশকতা করার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। ক্যানিং থেকেও ধরা পড়েছে জঙ্গি। তাকে জেরা করা হয়েছে। সেখান থেকে নানা তথ্য হাতে এসেছে। আবার সুন্দরবনের উপকূল এলাকায় লস্কর-ই- তৈবার জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়েছে বলে গোয়েন্দারা গোপন সূত্রে খবর পেয়েছেন।

    জেলবন্দি বাংলাদেশি জঙ্গিদের জেরা

    গোয়েন্দাদের দাবি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতেই এবিটি’র প্রধান জসিমুদ্দিন রহমানির নির্দেশে সক্রিয় হয় জঙ্গিরা। তাদের বাকি পরিকল্পনা জানতেই এবার জেলবন্দি বাংলাদেশি জঙ্গিদের (Militant) জেরা করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। বাংলার জেলে এখন বন্দি আছে খাগড়াগড় ও বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণে অভিযুক্ত বাংলাদেশ নাগরিক রহমতুল্লা ওরফে সাজিদ, জাহিদুল ওরফে কওসর, তারিকুল ওরফে সুমন, লিয়াকত ওরফে রফিক। এদের মধ্যে তারিকুল এখন বহরমপুর জেলে বন্দি। আর তারিকুলের সঙ্গে মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার হওয়া এবিটি’র জঙ্গি মিনারুল শেখ ও আব্বাস আলির যোগ রয়েছে। সেই প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তাই গোয়েন্দারা তারিকুলকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চান। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত ১২ জন এখন সাজা শেষ করে বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। তারা আবার নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কিনা সেটার খোঁজও শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

    গোপনে বাংলায় সংগঠন এবিটি-র!

    গোয়েন্দাদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াগড় কাণ্ডের পরেও বাংলায় জঙ্গি (Militant) নেটওয়ার্ক নির্মূল হয়নি। ২০২২ সালে অসম এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে এবিটি’র কয়েকজন জঙ্গি গ্রেফতার হতেই জানা যায়, গোপনে বাংলায় সংগঠন তৈরি করেছে আল-কায়দার উপমহাদেশীয় শাখা এবিটি। এবার অসম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া নূর ইসলাম মণ্ডলকে জেরা করে উঠে এসেছে, খাগড়াগড় বিস্ফোরণের আগে বর্ধমানের শিমুলিয়া মাদ্রাসায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিল সে। ২০২৪ সালে বাংলার নানা জায়গায় ঘুরেছিল নূর। আব্বাস এবং মিনারুলের সঙ্গে বৈঠকও করেছিল নূর। গোয়েন্দারা এবার সব বিষয়টা খুঁজে বের করতেই এখন জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “সীমান্তে নকল আধার, এপিক কার্ড তৈরিতে জড়িত তৃণমূল নেতারা”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “সীমান্তে নকল আধার, এপিক কার্ড তৈরিতে জড়িত তৃণমূল নেতারা”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে যে সব হিন্দুরা এখানে চলে আসছে তাদের বেছে বেছে গ্রেফতার করে জেলে ভরছে পুলিশ। রোহিঙ্গা মুসলিমদের জায়গা দিচ্ছে তৃণমূল। আর মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভাইপো বিএসএফদের গালাগালি দিচ্ছে। এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ।” শনিবার নদিয়ার শান্তিপুর ফুলিয়ায় হ্যান্ডলুম কলেজের উদ্বোধনে এসে রাজ্য সরকারকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    নকল আধার, এপিক কার্ড তৈরিতে জড়িত তৃণমূল নেতারা (Suvendu Adhikari)

    এদিন ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হ্যান্ডলুম টেকনোলজির নতুন ভবন উদ্বোধন হয়। সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “এ রাজ্যের কোটি কোটি মানুষের কোনও নিরাপত্তা নেই। এখানে সীমান্ত এলাকা রয়েছে। প্রায় ৬০০ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিএসএফদের কাজ করতে দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। আর ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে ওপার বাংলা থেকে যে সব হিন্দু এখানে আসছেন তাদের বেছে বেছে গ্রেফতার করে জেলে পাঠাচ্ছে রাজ্য পুলিশ। আর যখন রোহিঙ্গা মুসলিমরা এ রাজ্যে ঢুকছে তাদের জায়গা দিচ্ছে তৃণমূল। আর তাদের তৃণমূল নেতারা নকল আধার কার্ড থেকে শুরু করে বিভিন্ন নথি তৈরি করে কোটি কোটি টাকা রোজগার করছে।” তিনি বলেন, “বর্ডার এলাকাগুলিতে নকল আধার, এপিক কার্ড তৈরিতে তৃণমূল নেতারা জড়িত। এই তদন্তভার অবিলম্বে এনআইএর নেওয়া উচিত।”

    বামেদের অনুষ্ঠানে আসছেন বাংলাদেশের শিল্পী

    বামেদের একটি অনুষ্ঠানে আসছেন বাংলাদেশের শিল্পী। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভারতের পতাকাকে অপমান করেছে সেখানকার মৌলবাদীরা। ওই শিল্পীকে এদেশের মাটিতে এসে আগে ক্ষমা চাইতে হবে। তারপর এখানে এসে তিনি অনুষ্ঠান করবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share