Tag: West Bengal

West Bengal

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কর্মীর বা়ড়িতে বিজেপি প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার বার্তা

    South 24 Parganas: তৃণমূলের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কর্মীর বা়ড়িতে বিজেপি প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দিরবাজার কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খেলারামপুর। চলেছিল গুলি, আর সেই গুলিতেই গুরুতর আহত হয়েছিলেন বিজেপির অন্ধ ভক্ত সমর্থক সাইরাজ মোল্লা (২৫)। অভিযোগের তির ছিল শাসকদলের দিকে। এই ঘটনার পর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় বেশ কয়েকজন। বাড়িতে রয়েছে বিজেপি কর্মীর  স্ত্রী এবং একমাত্র সন্তান। তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপির বর্তমান লোকসভার প্রার্থী অশোক পুরকাইত,অগ্নিমিত্রা পল সহ কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধান এবং বহু এলাকার মানুষ।

    হাসপাতালে একমাস লড়াই করার পর মৃত্যু (South 24 Parganas)

    ঘটনার পর পরই বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল আহতের বাড়িতে আসেন। জখম বিজেপি কর্মীকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার হাসপাতাল থেকে কলকাতা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করতে থাকেন সাইরাজ। প্রায় এক মাস ধরে লড়াই করা পর সোমবারই সবই শেষ। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তে এলাকায় প্রচুর মানুষ ভিড় করতে থাকেন। বিজেপি কর্মীর দেহ খেলারামপুরে বাড়িতে আনার আগেই মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইত  সহ বিজেপি নেতৃত্বরা সেখানে হাজির হন। তবে, মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এলাকায়। মৃতের পরিবার সহ এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে সাংবাদিকদের এলাকায় ছবি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেয়। সাইরাজের অকাল মৃত্যুতে শোকোস্তব্ধ এলাকা। বিজেপি লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের সুন্দরবন জেলার (South 24 Parganas) সভাপতি তথা মন্দির বাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার বলেন, এই মৃত্যুর ঘটনা অবশ্যই বেদনাদায়ক। আমরা সমবেদনা জানাই ওর পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে। তবে বিজেপি অহেতুক এই মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে। এই জিনিসটি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তবে ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসন এই ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করেছে এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের পর বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ি যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। পাশে থাকার বার্তা দেন। আর লোকসভা ভোটের মুখে রাতে তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জলপাইগুড়িতে পৌঁছে যাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

    প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস! (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে। কারণ, রাজনৈতিক কর্মী এবং জনপ্রতিনিধিরা এই মুহূর্তে নির্বাচনী বিধির আওতায় পড়ছেন। তাই ইচ্ছা থাকলেও বিশেষ কিছু করতে পারবেন না। কাল থেকে ওখানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবী এবং জেলার কর্মীরা কাজ করছেন। নির্বাচনী বিধি মাথায় রেখে আমাদের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর দ্রুততার সঙ্গে হস্তক্ষেপ করেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণ কাজও চালিয়েছে। জলপাইগুড়িতে প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বাড়িগুলি টিন দিয়ে তৈরি ছিল। এই সময়ে সরকারের উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কারণ, বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে সরকার আদর্শ আচরণবিধির আওতায় পড়ে না।

    ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান, তোপ শুভেন্দুর

    জলপাইগুড়ির ঝড়ে প্রাণহানির খবর পেয়ে রবিবার রাতেই সেখানে পৌঁছে যান মমতা। মমতা রবিবার রাত সাড়ে ৯টার পর চার্টার্ড ফ্লাইটে জলপাইগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। আর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ। অর্থাৎ, তাঁদের যাত্রার সময়ের ব্যবধান প্রায় ১৩ ঘণ্টা। এ প্রসঙ্গে সোমবার সকালে বিমানবন্দর থেকে শুভেন্দু বলেন, “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, তাই উনি রাতে চলে গিয়েছেন। আমাদের সাধারণ বিমান, যখন সময় হবে, আমি যাব। মমতার দ্রুত যাওয়া নিয়ে নির্বাচনী বন্ডের প্রসঙ্গও তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো নির্বাচনী বন্ড থেকে অনেক টাকা পেয়েছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা৪০০ কোটি টাকা দিয়েছে। ডিয়ার লটারি দিয়েছে ৬০০কোটি টাকা। ভোররাতে, মাঝরাতে যখন খুশি চার্টার্ড ফ্লাইটে ওঁরা যেতে পারেন। তবে আমি তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, মাল নদীতে হড়পা বানের সময়ে যদি ওঁর এইতৎপরতা দেখতে পেতাম, তা হলে ভাল লাগত। তা হলেবুঝতাম আপনি রাজধর্ম করছেন, ভোটধর্ম করছেন না।”বাগডোগরায় নেমে শুভেন্দু আর এক প্রস্থ কটাক্ষ করেন মমতাকে। বলেন, “রাতে কী কাজ? ওঁর এত তাড়াহুড়ো করার কী ছিল? মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা, হাসপাতালে যাওয়া- এগুলো তো উনি সকালেও করতে পারতেন, যেমন রাজ্যপাল করেছেন। দুর্গাপুজোর সময়ে মালবাজারে যা হল, তখন উনি কোথায় ছিলেন?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: সৌগতর সভায় গরহাজির নেতারা! ভোটের মুখে খড়দায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    Khardah: সৌগতর সভায় গরহাজির নেতারা! ভোটের মুখে খড়দায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমদম লোকসভার খড়দা (Khardah) বিধানসভা এলাকায় নির্বাচনী রণকৌশলের থেকে খড়দার গোষ্ঠী কোন্দল মেটানো এখন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত খড়দার ক্ষেত্রে লড়াইটা এবার যত না বেশী বিজেপি ও সিপিএমের সঙ্গে, তার থেকেও বেশি তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের! আর এটাই এখন তৃণমূলের প্রার্থীর কাছে মস্তবড় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত (Khardah)

    দমদম লোকসভা কেন্দ্রের অধীন খড়দায় (Khardah) দলের কোন্দল মেটা তো দূরে থাক, উল্টে যত দিন যাচ্ছে তত বেআব্রু হচ্ছে কোন্দল। সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী এবং বিজেপির শীলভদ্র দত্ত যখন খড়দহে চুটিয়ে প্রচার সারছেন তখন তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত। দলীয় প্রার্থী সৌগত রায়কে নিয়ে কে কোথায় প্রচার করবেন, দেশের সরকার নির্বাচনে খড়দায় প্রচারের রণকৌশল কী হবে সেদিকে যেন কোনও ভ্রুক্ষেপই নেই স্থানীয় স্তরের নেতা কর্মীদের একটা বড় অংশের। প্রার্থী হিসেবে সৌগত রায়ের ভূমিকা কি, কি ই বা ভূমিকা স্থানীয় বিধায়ক তথা কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন দলেরই একাংশ। দিন কয়েক আগে রহড়া বাজারে দলীয় একটি সভায় স্থানীয় এক নেতার সঙ্গে মঞ্চে বিতর্কে জড়ান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    সৌগত রায়ের সভায় গরহাজির একাধিক নেতা

    কিছুদিন আগে ব্যবসায়ীকে তোলা চেয়ে মারধরের ঘটনায় প্রকাশ্যে আসে তৃণমূলের কোন্দল। সেখানে একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল। তারও কয়েক মাস আগে খড়দহ গ্রামীণ এলাকায় দুপক্ষ নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্যে মারপিটে জড়িয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারের একটি হোটেল মালিকের কাছে তোলা চেয়ে না পেয়ে সেখানে ঢুকে মারপিট এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় তৃণমূলের এক নেতার ভাই ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। সেটিতেও প্রতিবাদের সুর শোনা গিয়েছিল শোভনদেবের গলায়। পরিস্থিতি যা তাতে খড়দা (Khardah) শহর এবং গ্রামীণ উভয় এলাকাতেই তৃণমূলের প্রতিপক্ষ এখন তৃণমূলই। মিটিং মিছিল থেকে দলীয় সভায় লোক হাজির করাতে গিয়ে কার্যত হিমশিম অবস্থা! রবিবার খড়দহ রবীন্দ্রভবনে দলের প্রার্থী সৌগত রায়ের সমর্থনে একটি কর্মী সভার আয়োজন করা হয়েছিল। যার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেখানেও দলের কতিপায় কাউন্সিলর যেমন গরহাজির ছিলেন, তেমনি গ্রামীণ এলাকার কয়েকজন নেতাকেও সেখানে দেখা যায়নি।

    কী বললেন সৌগত?

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করে নিয়ে  সৌগত রায় বলেন, ‘ কারও কারও অভিযোগ আছে। ইতিমধ্যেই দু তিন বার তাদের নিয়ে বসেছি এবং অনুরোধ করেছি। রবিবারের মিটিংয়েও কেউ কেউ অনুপস্থিত ছিল। আবার ওদের সঙ্গে বসবো এবং ওদের বোঝাবো নির্বাচনটা একটা আলাদা প্রেক্ষিত। এখানে ব্যক্তির কোনও বিষয় নেই, দলের বিষয় থাকে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন যিনি জয় শ্রীরাম ডাক শুনতে পারতেন না, তিনি এখন রামনবমী ছুটি দিয়েছেন। কথায় বলে ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনওদিনই পূরণ হবে না, হতে পারে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বালুরঘাটের জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় এসে এইভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি।  

    তৃণমূল ছেড়ে প্রায় আড়াইশো জন কর্মীর বিজেপিতে যোগদান (Sukanta Majumdar)

    এদিনের নির্বাচনী প্রচার সভায় আরএসপি-র পঞ্চায়েত সদস্য ও তৃণমূলের প্রায় আড়াইশো জন কর্মী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। মূলত, এদিন বালুরঘাট ব্লকের জলঘর গ্রামপঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় একটি যোগদান কর্মসূচি ও একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভাতে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, তৃণমূলের থেকে কর্মীদের মোহভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে, এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। ভোটের মুখে দলে দলে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক আমাদের দলে নাম লেখাচ্ছেন। এতে আমাদের সংগঠন আরও অনেক মজবুত হল। আগামীদিনেও আরও বহু তৃণমূল কর্মী আমাদের দলে যোগদান করবেন। মানুষ তিতি বিরক্ত। তৃণমূলের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের সঙ্গে কেউ আর থাকতে চাইছে না।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) এই কটাক্ষককে উড়িয়ে দিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন , সুকান্তবাবু শিক্ষিত অধ্যাপক, তিনি মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গে যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন তা কাম্য নয়। পাশাপাশি বাম পঞ্চায়েত সদস্যের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বামেরা বিজেপিকে সাহায্য করছে, তা জানি। তবে, যত সংখ্যা বলছেন, তত সংখ্যায় যোগদান করেনি। মাত্র কয়েকজন যোগদান করেছেন। তৃণমূল থেকে কেউ যোগদান করেনি। ওরা মিথ্যা দাবি করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    Jalpaiguri: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের সামনে দেখলাম, ধুলোয় ধুলোয় এলাকা ঢেকে গেল, চোখের সামনেটা অন্ধকার হয়ে এল। মূহূর্তের মধ্যে ঘরের বাড়ির আশপাশের বড় বড় গাছ, সুপারি গাছ ভাঙতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে বাড়ি ও আশপাশের সব গাছ ভেঙে যাচ্ছে, দেখতে পাচ্ছি। ঝড়ের তান্ডবের পর জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ির বার্ণিশ গ্রামের বাসিন্দারা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন।

    হাওয়ার দাপটে ঘরের চাল উড়ে গেল (Jalpaiguri)

    গ্রামের (Jalpaiguri) এক বাসিন্দা ঘটনার সময় মাঠে ছিলেন। তিনি বলেন, প্রথমে হালকা হাওয়া হচ্ছিল। মাঠের গরু-ছাগল সব বাড়িতে নিয়ে এসেছিলাম। আচমকাই প্রচণ্ড হাওয়া সঙ্গে ধুলো উড়ছিল আশপাশে। এ রকম হাওয়া আগে কোনও দিন দেখিনি। শুধু কি হাওয়া! সঙ্গে বিকট শব্দ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, পাহাড় ভেঙে যেন আমাদের দিকে তেড়ে আসছে। বৃষ্টি হচ্ছিল না, শুধু প্রচণ্ড হাওয়া বইছিল। মানে, যেন উড়িয়ে নিয়ে যাবে! বেশ ভয় হচ্ছিল তখন।  নিজের ঘরে আশ্রয় নিয়েও পার পেলাম না। ঘরের টিনের চালের উপরে ভেঙে পড়ল পাশের একটা বড় গাছের ডাল। এর পরে ঘরের সব টিন উড়ে গেল। সে কী শব্দ! আমার মাথায় ও ঘাড়ে ঘরের একাংশ ভেঙে পড়ল। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছি বলতে পারেন। প্রায় কুড়ি মিনিটের মধ্যে ঘর-বাড়ি সব ভেঙে গেল চোখের সামনে।

    আরও পড়ুন: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    প্রাণ বাঁচাতে খাটের তলায় আশ্রয় নিই

    বার্ণিশ অঞ্চলের বাসিন্দা ভবেন রায় কোনোক্রমে প্রাণে রক্ষা পান। তিনি বলেন, তখন বিকেল সাড়ে তিনটা, দুপুরের আহার সেরে একটু বিশ্রাম নিয়ে মাঠে  যাবেন বলে বাড়ি থেকে বেড় হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই প্রবল জোড়ে  আওয়াজ শুনতে পাই। প্রথমে বুঝতে পারিনি। কিন্তু নিমেশেই বুঝতে পারি ঝড় আসছে। গোটা এলাকা অন্ধকার করে দিয়ে এলাকার গাছ, বাঁশ ঝাড় বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ঝড়ের গতি দেখেই হতচকিত হয়ে পড়ি। সম্বিত ফিরে পেতেই বাঁচার জন্য ফের বাড়িতে ঢুকে পড়ি। কিন্তু তাতেই নিস্তার পাইনি প্রকৃতির রোষ থেকে। ঝড়ের তান্ডবে আমার বাড়ির একটি গাছ ভেঙ্গে পড়ে ঘরের ওপর। প্রাণ বাঁচাতে ঘরে ঢুকে খাটের তলায় আশ্রয় নিই। কিন্তু তাতেও রক্ষা পাইনি। গাছ পড়ায় বেশ আহত হয়েছি। ঝড় থামার পর যখন বাইরে বের হই তখন সব শেষ। গোটা এলাকা তখন চিনতে পারছি না। এলাকার ঘর বাড়ি গুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কোনো বাড়ি ঘর আস্ত নেই। কারো বাড়ির টিন উড়ে গেছে, কারো বাড়ির দেওয়াল ভেঙ্গে গেছে। রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি উলটে গেছে। আশের পাশের ২০০ ও বেশী বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। চারিদিকে শুধু আর্তনাদ কেউ গাছের তলায় চাপা পড়েছে কেউ আবার প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। কারও গায়ে আবার চালের টিন উড়ে এসে পড়েছে।

    ঝড়ের দাপটে ধান-ফসলের ক্ষতি হয়েছে

    পনেরো মিনিট ধরে ঝড় হয়। আর তারপরই গ্রাম জুড়ে শুধু চিৎকার-আর্তনাত। কারও মাথায় গাছের ডাল ভেঙে পড়েছ। কেউ আবার ঘরের একাংশ ভেঙে পড়়ায় জখম হয়েছেন। সবমিলিয়ে কে কাকে উদ্ধার করবেন তার লোক পাওয়া যাচ্ছিল না। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার কার্য শুরু করে। তবে, ঝড়ের তাণ্ডবে জমিতে ধান সব মাটিতে শুয়ে পড়েছে। বেগুন ক্ষেত আর নেই, বিরাট ক্ষতি হয় চাষের জমিতে। ঝড়ের মধ্যেই গ্রামে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক মানুষ জখম হয়েছে। ময়নাগুড়ি হাসপাতালে জখমদের ভিড় উপচে পড়েছে। অনেকের অবস্থার অবনতি হওয়ায় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ১৫ মিনিটের ঝড়ে জলপাইগুড়িতে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচশো বাড়ি, মৃত ৪

    Jalpaiguri: ১৫ মিনিটের ঝড়ে জলপাইগুড়িতে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচশো বাড়ি, মৃত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৫ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বেশ কয়েকটি এলাকা। ব্লকের বার্ণিশ, সাপটিবাড়ি সহ আশেপাশের প্রায় দশ কিলোমিটার এলাকা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের দাপটে এখনও পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ১৫০ জন। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ৫০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, মৃত্যু হয়েছে চারজনের (Jalpaiguri)

    রবিবার বিকেলে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বেশ কয়েকটি এলাকায় হঠাৎই ঝড় আসে, ঝড়ের গতিবেগ এতটাই ছিল যে ওই এলাকার প্রায় ৫০০ বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে গেছে। পাকা বাড়ির টিনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে। কাঁচা বাড়ি গুলি ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে। প্রচুর গাছ উপড়ে পড়েছে। গাছের ডাল পড়ে আহত হয়েছেন বহু মানুষ। গাছের ডালের আঘাতে এবং ঝড়ের হাত থেকে বাঁচতে পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে চার জনের। তাছাড়া ঝড়ের তান্ডবে বেশ কয়েকটি গাড়িও উল্টে যায়। এর পাশাপাশি বেশ কিছু বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়ে এলাকাগুলি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঝড় থামতেই এলাকার লোকজন আহতদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন। খবর যায় ব্লক প্রশাসনের কাছে। ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডু তার দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তার সঙ্গেই বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ময়নাগুড়ি থানার আই সি সুবল চন্দ্র ঘোষ। ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে পাঠানো হয়,পরে সেখান থেকে গুরুতর আহতদের জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। জলপাইগুড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু হয়, পরে হাসপাতালে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। আহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    জখমদের দেখতে হাসপাতালে বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি রিলিফ সেন্টার খোলা হয়েছে। একটি পুটিমারি হাই স্কুল এবং অন্যটি বার্ণিশ হাই স্কুলে। ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এদিন খবর পেয়েই প্রচার বন্ধ করে জলপাইগুড়ি  (Jalpaiguri) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী ডা: জয়ন্ত কুমার রায়। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। ঝড়ে ক্ষতির পরিমাণ এখনও পর্যন্ত বলা সম্ভব হয়নি। তবে, প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের অনুমান বেশ কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Siliguri: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুঁশিয়ারির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এই পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ল সেই ছবি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির (Siliguri) বাগডোগরার গোঁসাইপুর এলাকায়। প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার হাতে অস্ত্র নিয়ে হুমকি দিতে দেখে সাধারণ মানুষ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার শিলিগুড়ির (Siliguri) বাগডোগরার গোঁসাইপুরের এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর দোকানে যান আপার বাগডোগরার গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য কুলপ্রসাদ শর্মা ওরফে উজ্জ্বল শর্মা। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীর দোকান থেকে রড কেনার পর তার গুণগুত মান খারাপ হওয়ায় টাকা ফেরতের দাবি করেন অভিযুক্ত উজ্জ্বল। দোকানে ঢুকে কর্মরত কর্মচারী ও ক্রেতাদের ধাক্কাধাক্কি করার পাশাপাশি জিনিসপত্র ভাঙচুর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে। তাঁর এই কুকর্মে কার্যত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দোকানের কর্মচারী সহ ক্রেতারা। এরপরই সিসিটিভি ক্যামেরাবন্দি এই ছবি নিয়ে বাগডোগরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই ব্যবসায়ী। এ দিকে, এই ঘটনার পর উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে দল। উজ্জ্বল শর্মাকে অঞ্চল যুব সভাপতির পদ থেকে এবং সমস্ত দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করেছে দার্জিলিং জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সমতল। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, ব্যবসায়ী দোকান থেকে খারাপ সামগ্রী দিয়েছে। তবে তাঁকে ভয় দেখানোর জন্য অস্ত্র নিয়ে গিয়েছিলাম। হামলা করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত কোচবিহার! বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূলের

    ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ব্যবসায়ী মহল। বাগডোগরা ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের বক্তব্য, এভাবে দিনেদুপুরে অস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢুকলে রাতে কী হবে? তৃণমূল নেতা বলে কী পুলিশ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। নাহলে আগামীদিনে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। আমরা আর ব্যবসা করতে পারব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রবিবাসরীয় প্রচারে বালুরঘাটে চুটিয়ে জনসংযোগ করলেন সুকান্ত, হল যোগদান পর্ব

    Sukanta Majumdar: রবিবাসরীয় প্রচারে বালুরঘাটে চুটিয়ে জনসংযোগ করলেন সুকান্ত, হল যোগদান পর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করল প্রায় ৩০ টি পরিবার। রবিবার বিজেপির প্রার্থী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত ধরে হল যোগদান পর্ব। মূলত, বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের খরাইল বুথ থেকে তৃণমূলের কর্মীরা বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার।

    বালুরঘাটে জনসংযোগে সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    পাশাপাশি রবিবার সাত সকালে ভোট প্রচারে বের হন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বালুরঘাট পাইকারি বাজারে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোট প্রচার শুরু করলেন তিনি। কথা বললেন ক্রেতা- বিক্রেতা সকলের সঙ্গে। আলোচনায় উঠে এল সিএএ, কৃষক সম্মান নিধির মতো বিভিন্ন বিষয় যা সাধারণ মানুষের জীবনকে ছুঁয়ে যায়। রবিবার সকাল সকাল ভোট প্রচারে বেরিয়ে সুকান্ত বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিলেন। কিছুদিন আগেই এই পাইকারি বাজার নিয়ে পুরসভার সঙ্গে কৃষকদের সমস্যা হয়েছিল। স্থায়ী বাজার চেয়ে কৃষকরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। সুকান্ত মজুমদার এদিন সেই সমস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। কথা বলেন, পাইকারি বাজারের বাজার করতে আসা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    ভোটের দলীয় প্রচার নিয়ে গানের ভিডিও -অডিও রিলিজ

    বালুরঘাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রবিবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিগত পাঁচ বছরে সাংসদ হিসেবে তার বরাদ্দ টাকা কোথায় কী খরচ করেছেন তার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। এছাড়া কোন কোন প্রকল্প তিনি শুরু করেছেন তারও পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। এছাড়াও লোকসভা ভোটের দলীয় প্রচার নিয়ে একটি গানের ভিডিও -অডিও রিলিজ করেন সুকান্তবাবু, যা ভোট প্রচারে আগামীদিনে গোটা রাজ্যজুড়ে ব্যবহার হবে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগামী ৭ এপ্রিল বালুরঘাট ও জলপাইগুড়িতে সভা করতে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, সকালে আমি বালুরঘাট পাইকারি বাজারে প্রচার করলাম। প্রচারে গিয়ে ব্যাবসায়ীদের অভাব অভিযোগ শুনলাম। আমার হাত ধরে ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের একটি বুথ থেকে তৃণমূল ছেড়ে ২৫-৩০ পরিবার বিজেপিতে যোগদান করে। এছাড়া বিগত পাঁচ বছরে সাংসদ হিসেবে আমার বরাদ্দ টাকা কোথায় কী খরচ হয়েছে তা তুলে ধরেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    Jalpaiguri: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবাসরীয় প্রচারে ডাবগ্রাম ফুলবাড়িকেই বেছে নিলেন জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকা বিজেপির দখলে রয়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও এই বিধানসভা এলাকায় লিড ছিল বিজেপি-র। তাই এই এলাকা নিয়ে বেশ নিশ্চিন্ত জয়ন্ত বাবু। রবিবার সকাল থেকেই দলের নেতা কর্মীদের নিয়ে এই এলাকায় প্রচারে নেমেছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থীর রোড শোয়ে জনজোয়ার দেখা গেল।

    নাম কীর্তন করলেন বিজেপি প্রার্থী (Jalpaiguri)

    প্রচারে গিয়ে বিভিন্ন ট্রেনের স্টপেজ, এলাকার বেশ কয়েকটি স্টেশনকে মডেল স্টেশন তৈরি করার পাশাপাশি জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) সার্কিট বেঞ্চ এবং জলপাইগুড়ি হাসপাতালকে মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করার বিষয়গুলি তুলে ধরছেন জয়ন্তবাবু। শুধু তাই নয়, ভোটের প্রচারে গিয়ে নাম কীর্তন করতে দেখা গেল বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় কে জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের নাথুয়া চরে। শনিবার জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় রাজগঞ্জ বিধানসভার অধীন বোদাগঞ্জ ভ্রামরী দেবীর মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন। তার পরেই নাথুয়া চরে এক নাম কীর্তন আসরে খোল বাজিয়ে কীর্তন করতে করতে প্রচার সারেন তিনি। এর পরেই জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেন। প্রথমে টাকিমারি বাজার এলাকায় প্রচার করেন। সঙ্গে দেখা যায় অসংখ্য বিজেপি কর্মীদের। জয়ন্ত রায়ের রাজগঞ্জে প্রচারের প্রথম দিন জনজোয়ার দেখা গেল। টাকিমারি থেকে মিলনপল্লি এলাকায় প্রচার সারেন তিনি। শনিবার সারাদিন রাজগঞ্জের আমবাড়ি, বন্ধু নগর, ভুটকি, কালিনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচারে ব্যস্ত দেখা যায় জয়ন্ত কুমার রায়কে।

    আরও পড়ুন: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন তৃণমূল প্রার্থী

    জয়ের ব্যবধান বাড়বে

    রবিবারের প্রচারেও কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, “প্রচারে যেভাবে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে গত লোকসভা ভোটের ফলাফলের চেয়েও ব্যবধান বাড়বে।” এছাড়াও কয়েক দিন আগে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল এক শিশুর আমবাড়ি ফালাকাটায়। সেই শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। পরিবারকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন কীর্তি আজাদ

    Durgapur: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন কীর্তি আজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করে গরম গরম কথা বলে কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর অনেক চেষ্টা করেছেন তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। কিন্তু, এসব করে যে কোনও কাজের কাজ কিছুই হয়নি তার জ্বলন্ত প্রমাণ মিলল রবিবাসরীয় প্রচারে। এদিন প্রচারে বেড়িয়ে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে চরম বিড়ম্বনায় পড়লেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার তথা বর্ধমান – দুর্গাপুর (Durgapur) লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি থেকে রেহাই পেতে মন্দিরের আশ্রয় নেন তৃণমূল প্রার্থী। আর এই ঘটনা সামনে আসতে শাসক দলের নেতারা চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Durgapur)

    দুর্গাপুরের (Durgapur) ১২ নম্বর ওয়ার্ড আমরাই গ্রামে এদিন প্রচারে যান বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। তাঁর সামনেই তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা বেধে যায়। পরে, বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। প্রার্থী কীর্তি আজাদ মিছিল করে প্রচার শুরু করার সময় তাঁকে সম্বর্ধনা জানানোর জন্য তৈরি ছিলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। আর তখনই প্রার্থীর সামনে শুরু হয়ে গেল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা এবং হাতাহাতি। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় আর তাঁর সামনেই প্রকাশ্যে  তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। একদিকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বহিষ্কৃত শ্রমিক সংগঠনের নেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের দলবল দাঁড়িয়েছিল। অন্যদিকে, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বর্তমান শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় ও শেখ আমিরুল রহমানের দলবল। এই দুই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয় প্রার্থীর সামনে। মূলত প্রার্থীর কাছাকাছি কোনও গোষ্ঠীর ছেলেরা থাকবে তা নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি। প্রার্থীর সামনে মারামারি হতেই তিনি ছুটে স্থানীয় একটি শ্মশান কালী মন্দিরে আশ্রয় নেন কীর্তি আজাদ। তৃণমূল নেতা শেখ শাহাবুদ্দিন বলেন, এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নেতৃত্বকে বলব।

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    তৃণমূল প্রার্থী বলেন, দলীয় কোন্দল নয়। আসলে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। কর্মীদের অতি উৎসাহের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। বিরোধীরা অপপ্রচার করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। তৃণমূলের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন, দলের কর্মীদের কাছে এদিন বিধায়ক ঘাড়ধাক্কা খেলেন। এবার ভোটারদের কাছে  ঘাড় ধাক্কা খেতে হবে। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীক লড়াই রাজ্যের মানুষ পরখ করলেন। ভোট বাক্সে ফল পেয়ে যাবে তৃণমূল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share