Tag: West Bengal

West Bengal

  • Birbhum: বিরোধীদের হাত কেটে নেওয়ার হুমকি, কেষ্টর বুলি জটিলের গলায়

    Birbhum: বিরোধীদের হাত কেটে নেওয়ার হুমকি, কেষ্টর বুলি জটিলের গলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডল গুরু পাচার মামলায় এখন তিহার জেলে রয়েছেন। ভোটের আগে যে ভাবে কু-কথা বলে বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিতেন কেষ্ট, সেই ঢঙে এবার বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিলেন বীরভূমের (Birbhum) ময়ূরেশ্বর-২ ব্লকের এক তৃণমূল নেতা। নাম জটিল মণ্ডল। তিনি পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি। তিনি আবার কেষ্টর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে তিনি পরিচিত। জটিলের বক্তব্য নিয়ে কেষ্ট গড়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    মেরে হাড়গোর ভেঙে দেওয়ার নিদান (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) ময়ূরেশ্বর-২ ব্লকের উলকুণ্ডা অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ের সামনে সম্প্রতি লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি বৈঠক ছিল। অভিযোগ, সেখান থেকেই অনুব্রত ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত জটিল মণ্ডল বলেন,’আমাদের খাচ্ছে আর আমাদের সর্বনাশ করছ? ভদ্রভাবে না হলে ডাং পিটা করে পিটিয়ে দিতে হবে। কেন্দ্র বাহিনী তোর বাবার বন্ধু লয়, ভোট হলেই চলে যাবে আর তখন তুই থাকবি না। কারণ গ্রাম পঞ্চায়েত আমাদের। পঞ্চায়েত সমিতি আমাদের। জেলা পরিষদ আমাদের। বিধানসভা আমাদের। ভদ্রভাবে যা বলছি শোন, তুই ভোট দিস আর না দিস, তুই ঘর থেকে বেরোবি না। ভোটে বেইমানি’ সইব না। তৃণমূলকে ভোট না দিলে বা দলের নামে কোনওরকম ‘অপপ্রচার’ হলে মেরে হাড়গোরও ভেঙে দেওয়া হবে। হাত কেটে নেওয়া হবে। এই কথাটা এখনই একটা রাউন্ড বলে দিতে হবে।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    যদিও জটিল মণ্ডল তাঁর এই বক্তব্যে আসলে ঠিক কী বলতে চেয়েছেন সেটার আর ব্যাখ্যা দেননি। তবে, বিজেপি সহ বিরোধী কর্মী-সমর্থকদের কার্যত তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিজেপি তাঁর এই বক্তব্যকে সামনে রেখে ময়দানে নেমে পড়েছে। বিজেপির রাজ্য সম্পাদক শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, যদি কারও হাত কাটতে পারেন, তাহলে এমন মানুষও থাকবে যে তাঁর হাত কাটতে পারে। তৃণমূল নেতার ওই বক্তব্যকে সামনে রেখে আইনের দ্বারস্থ হব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘রাজ্যে রোহিঙ্গাদের পাকাপাকি ব্যবস্থা করতেই বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’, কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘রাজ্যে রোহিঙ্গাদের পাকাপাকি ব্যবস্থা করতেই বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’, কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধার কার্ড বাতিল ইস্যুতে বালুরঘাটের এক সভায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সাংসদ বলেন, ‘অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তৃণমূল ‘বাংলা সহায়তাকেন্দ্র’ তৈরি করেছে। এই সব কেন্দ্র তৈরির আসল কারণ, বাংলায় রোহিঙ্গাদের পাকাপাকি ব্যবস্থা করা। বিজেপি কিছুতেই তা হতে দেবে না।’ সাংসদ এও বলেন, ‘আধার কার্ড নিয়ে কারও কোনও সমস্যা নেই। যদি হয়ে থাকে, তাহলে সরাসরি তাঁরা যেন সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’

    সন্দেশখালি নিয়ে সরব সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    বাংলায় আইনের শাসন নেই বলেও অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। উত্থাপন করেন সন্দেশখালির ঘটনা। তিনি বলেন,আদালত থেকে রাজ্যকে বলা হয়েছে যেভাবে হোক শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে হবে। রাজ্য পুলিশ সেই নির্দেশ কার্যকর করছে না। উলটে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। মানুষ আইন হাতে তুলে নিতে শুরু করেছে। ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নেমে এসেছে মহিলারা। শাহজাহান ও তাঁর বাহিনী সন্দেশখালিতে এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তৃণমূল নেতাদের ওপর জনরোষ আছড়ে পড়বে। আর বেশি দিন নেই, এরপর একের পর এক নেতাদের গাছে বেঁধে রাখবে।’

    আধার কার্ড নিয়ে মিথ্যা প্রচার করছে তৃণমূল

    আধার কার্ড নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যে প্রচারের অভিযোগ তোলার পাশাপাশি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) মুখ খোলেন সন্দেশখালি নিয়েও। আধার কার্ড নিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কয়েকদিন ধরে মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। জলঘোলাও কম হয়নি। আধার কার্ড বাতিল করার চিঠি পেয়েছেন অনেকে। তৃণমূলের তরফ থেকেও শুরু হয় পাল্টা প্রচার। খোদ সুপ্রিমোকে মুখ খুলতে দেখা যায়। এদিকে আবার তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের নেতৃত্ব এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়া নিয়েও আবার মুখ- খুলেছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, মিথ্যে কথা বলতেই ওই প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে। আধার কার্ড নিয়ে মিথ্যা প্রচার করছে তৃণমূল। কারও কোনও সমস্যা নেই। সমস্যা হওয়ার কথাও না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বিজেপি কর্মী খুনেও অভিযুক্ত ছিল শাহজাহান, চার্জশিট থেকে বেমালুম উধাও তাঁর নাম!

    Sheikh Shahjahan: বিজেপি কর্মী খুনেও অভিযুক্ত ছিল শাহজাহান, চার্জশিট থেকে বেমালুম উধাও তাঁর নাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও পুলিশ ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকী বহু ক্ষেত্রে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ পর্যন্ত জমা নিত না। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট-পরবর্তী হিংসায় সন্দেশখালির ভাঙ্গিপাড়া গ্রামে ৩ বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় এফআইআরে নাম ছিল শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan)। ন্যাজাট থানায় খুন ও অস্ত্র আইনে শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ঘটনায় তৃণমূল ও বিজেপি দু’দলই থানায় এফআইআর করেছিল। বিজেপির পক্ষ থেকে শাহজাহানের নামে অভিযোগ করা হয়েছিল। তৃণমূলের তরফে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। কিন্তু, বিজেপির অভিযোগপত্রে নাম থাকা শেখ শাহজাহানের নাম নেই চার্জশিটে! এটা নিয়ে ফের চর্চা শুরু হয়েছে।

    বিজেপি কর্মীর দেহ মেলেনি

    সন্দেশখালির ভাঙ্গিপাড়া গ্রামে ভোট-পরবর্তী সংঘর্ষে ২০১৯ সালে খুন হয়েছিলেন বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডল। সেই সময় পুলিশের কাছে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) নামে অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে আতঙ্কিত তাদের পরিবার। এখনও পরিবারের লোকজন এখানে বসবাস করে না। তাঁর মা বাড়িতে আছেন। এতটাই আতঙ্কিত তাঁরা কথা বলতে চাইছেন না। প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডলের মৃতদেহ পাওয়া গেলেও এত বছর পরও দেবদাস মণ্ডলের মৃতদেহ মেলেনি। নিহত বিজেপি কর্মী দেবদাস মণ্ডলের বোন বলেন, রাজনীতি করতে গিয়ে গন্ডগোল হয়েছিল। দাদা নিখোঁজ। তার আর কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। থানায় অভিযোগ জানানো হলেও পুলিশ কাউকে ধরেনি।

    সন্দেশখালি নিয়ে আদালতে কী বললেন সরকারি আইনজীবী

    সোমবার হাইকোর্টে সন্দেশখালি সংক্রান্ত একটি মামলায় রাজ্য সরকারের আইনজীবী বলেন, শেষ ৪ বছরে ৪৩টি এফআইআর হয়েছে। যার মধ্যে ৪২টিতে চার্জশিট হয়েছে। ধর্ষণের ধারাও যুক্ত আছে। বাকি তদন্ত চলছে। জমি দখলের অভিযোগে ৭টি এফআইআর হয়েছে। সেগুলিতে চার্জশিট হয়েছে। ৮ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৪টি এফআইআর হয়েছে। ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ১৫ জনকে। যেখানে ১৪৪ ধারা ছিল, সেখানে যাননি রাজ্যের মন্ত্রীরা।

    ৪২টি মামলার চার্জশিটে ৪ বছর সময় লাগল

    প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘তার মানে ৪ বছর ধরে এই ঘটনা ঘটছিল। কিন্তু, কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিস্ফোরণ ঘটেছে। রাজ্য বলছে, যে জমি দখল করা হয়েছে, সেগুলি ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তার মানে কিছু একটা ঘটেছে। আর কী প্রমাণের দরকার, সরাসরি সাজা দিতে হবে। আদালত বিস্মিত যে, ৪২টা মামলার চার্জশিট দিতে ৪ বছর কেন লাগল? পরে আমরা চার্জশিটও খতিয়ে দেখব। ক্রমাগত মানুষ ওখানে যাচ্ছেন, তার ফলে ভালোও হতে পারে, আবার খারাপও হতে পারে। আইনকে আইনের পথে চলতে দেওয়া হোক।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: বিশেষ ট্রেনে সিউড়ি থেকে দেড় হাজার রামভক্ত গেলেন রাম মন্দির দর্শনে

    Ram Mandir: বিশেষ ট্রেনে সিউড়ি থেকে দেড় হাজার রামভক্ত গেলেন রাম মন্দির দর্শনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রেল। দেশজু়ড়ে ‘আস্থা’ নামে বিশেষ ট্রেন চালাচ্ছে রেল। বীরভূমের সিউড়ি বিধানসভা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য রেলের এই বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোমবার রেলের এই বিশেষ ট্রেনে করে রামভক্তরা অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দেন। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১ মার্চ রামপুরহাট থেকেও অযোধ্যাগামী একটি ট্রেন ছাড়বে।

     ‘আস্থা ট্রেন রাম মন্দির যেতে খরচ কত? (Ram Mandir)

    সোমবার দুপুর থেকে সিউড়ি স্টেশনে রামভক্ত এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ভিড় করতে শুরু করেন। বিজেপির পক্ষ থেকে কপালে তিলক কেটে সম্বর্ধিত করার পাশাপাশি তাঁদের থাকা- খাওয়ার জন্য দলের কর্মীদের প্রতিটি কোচে পাঠানো হয়েছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন বিকেলে রওনা হয়ে মঙ্গলবার ২৮ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যায় পৌঁছবে ট্রেন। রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শন সেরে বুধবারেই সিউড়ির উদ্দেশ্যে ফিরতি ট্রেনে রওনা হবেন বীরভূমের বাসিন্দারা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেন ভাড়া বাবদ ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে প্রত্যেককে। রামমন্দির উদ্বোধনের আগে থেকেই মন্দির নিয়ে প্রচার কর্মসূচি নিয়েছিল গেরুয়া শিবির। ৫ ফেব্রুয়ারি রামমন্দির দর্শনে বীরভূম থেকে অযোধ্যায় গিয়েছিলেন করসেবক ও স্বয়ংসেবক মিলিয়ে প্রায় শ’দুয়েক জেলাবাসী।

    সাধারণ মানুষও নিজেদের খরচে রাম মন্দিরে যাচ্ছেন

    বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় নিজে ট্রেন ছাড়ার সময় স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন। রামভক্তদের তিনি স্বাগত জানান। তিনি বলেন, দেশজুড়ে আস্থা ট্রেন চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে রেল। এবার শুধু সিউড়ি বিধানসভার জন্যই এই বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইআরসিটিসির আস্থা প্রকল্প থেকে এককালীন দেড় হাজার যাত্রীর টিকিট বুকিং করা হয়েছে অযোধ্যার জন্য। দলীয় তৎপরতায় এটা সম্ভব হয়েছে। কেবল বিজেপির সদস্যরা নন, নিজেদের খরচে সপরিবার অযোধ্যা যাচ্ছেন সাধারণ মানুষও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্টর গড়ে ধাক্কা খেল শাসক দল, তৃণমূলের যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Birbhum: কেষ্টর গড়ে ধাক্কা খেল শাসক দল, তৃণমূলের যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে অনুব্রত মণ্ডলের খাস তালুকে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। খয়রাশোলের দাপুটে যুব তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নীলমাধব চৌধুরী এবার ভোটের মুখে যোগ দিলেন বিজেপিতে। যুব তৃণমূল নেতার সঙ্গে আরও ৩০টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে তাদের দলে যোগ দিয়েছে। এমনিতেই কেষ্ট-হীন বীরভূমে (Birbhum) তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল তুঙ্গে। কাজল অনুগামীদের সঙ্গে কেষ্ট অনুগামীদের লড়াই লেগেই রয়েছে। এরই মধ্যে নতুন করে দলের দাপুটে যুব তৃণমূল নেতা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় শাসক শিবির বড়সড় ধাক্কা খেল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    তৃণমূলে দম বন্ধ হয়ে আসছিল (Birbhum)

    সোমবার বিজেপির বীরভূম (Birbhum) জেলা কার্যালয়ে এই যোগদানপর্ব চলে। বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহার হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন ওই যুব নেতা। বিজেপিতে যোগদানের পর যুব নেতা নীলমাধব চৌধুরীর বক্তব্য, তৃণমূলের সন্ত্রাসের রাজনীতিকে সমর্থন করি না। ওই দলে দমবন্ধ হয়ে আসছিল। পাশাপাশি মোদিজি যেভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন, তাঁর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা বিজেপিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এদিন আমার সঙ্গে আরও দুই সাধারণ তৃণমূল নেতা-কর্মী মদন মণ্ডল ও সাধন দাস বৈরাগ্যও ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলে যোগ দিয়েছেন। আগামী দিনে তিন হাজার জন যোগদান করবে। যদিও এই দল বদলকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছে না জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের বক্তব্য, আসলে স্বার্থ পূরণ হয়নি বলে কেউ দলবদল করেছে। তাতে দলের কোনও ক্ষতি হবে না। লোকসভা ভোটে কোনও প্রভাব প়ড়বে না।

    খয়রাশোলে তৃণমূল গোল্লা পাবে

    বিজেপির বীরভূম (Birbhum) জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, খয়রাশোলে আমাদের সংগঠন ভালো। আর যুব নেতা যোগদানের কারণে সামনের লোকসভা ভোটে আমাদের ভালো ফল হবে। আগামীদিনে আরও অনেকে আমাদের দলে যোগদান করবে। আর তৃণমূল কংগ্রস খয়রাশোলে গোল্লা পাবে। বিজেপির ব্যাপক জয় হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, রাস্তা অবরোধকারী প্রতিবাদীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ছেলে

    Birbhum: ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, রাস্তা অবরোধকারী প্রতিবাদীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তায় প্রকাশ্যে এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলে সহ তিনজনের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) মাড়গ্রামে। এই ঘটনার প্রতিবাদে গ্রামের লোকজন একজোট হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান। রাস্তা অবরোধ করলে প্রতিবাদীদের উপর ইট পাটকেল ছুঁড়ে ও লাঠি নিয়ে হামলার চালানোর অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় আহত ৪-৫ পাঁচজন প্রতিবাদী জখম হন। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত তিনজনকে পুলিশ আটক করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    সোমবার দুপুরে বীরভূম (Birbhum) মাড়গ্রাম থানা এলাকার এক ছাত্রী সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিল। সেই সময় তিন যুবক একটি মোটর সাইকেলে চড়ে এসে ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে। তাদের মধ্যে একজন অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য বাসার শেখের ছেলে। তৃণমূল নেতার বউমা বর্তমানে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য। রাস্তায় প্রকাশ্যে নির্যাতিতা হওয়ার পর ছাত্রীটি বাড়ি ফিরে বাড়ির লোকজনকে  সেই ঘটনা কথা জানায়। বাড়ির লোকজন সমস্ত বিষয়টি গ্রামবাসীদের জানান। এরপর তার বাড়ি ও গ্রামের বাসিন্দারা ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। নির্যাতিতা ছাত্রীর বক্তব্য, আমি পাশের গ্রামে কম্পিউটার ক্লাসে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে সাইকেল চালিয়ে ফিরছিলাম। রাস্তাতেই তিনজন বাইকে করে আসে। তৃণমূল নেতার ছেলে ফুলবাবু আমার শ্লীলতাহানি করে।

    বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য?

    বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে আমরা রাস্তা অবরোধ করি। সেই সময় অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে এসে আমাদের ওপর চড়াও হয়। আমাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। ইটের আঘাতে ৪-৫ জন বিক্ষোভকারী গুরুতর জখম হন। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী  ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি সামাল দেয়। দিনে দুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশের টহলদারি শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    TMC: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রানাঘাটের এক তৃণমূল (TMC) নেতা। রবিবার রাতে রানাঘাট থানার আইসতলা থেকে সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডু নামের ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে ডায়মন্ডহারবার জিআরপি পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিত যুবকের নাম পার্থ মাইতি। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া এলাকায়। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে পার্থ মাইতির সঙ্গে বেশ কয়েকজনের আলাপ হয় শিয়ালদা ডায়মন্ড হারবার শাখার হোটর স্টেশনে। রাজ্য সরকারের কর্মচারী বলে নিজেদেরকে পরিচয় দেন তাঁরা। এমনকী পার্থ মাইতিকে তাঁরা জানান যে রাজ্য সরকারের গ্রুপ ডি তে তাঁরা চাকরি করে দিতে পারেন। এরপরেই অর্থের বিনিময়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তাঁরা। এই ঘটনায় ডায়মন্ডহারবার জিআরপি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পাঁশকুড়ার বাসিন্দা পার্থবাবু। অভিযোগের পর ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে রানাঘাটের এই তৃণমূল (TMC) নেতার নাম সামনে আসে। আর এর পরই রবিবার রাতে আইসতলা থেকে ওই তৃণমূলের নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদিয়া জেলা পরিষদের আসনে আইসতলা থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী ছিলেন সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডু নামের ওই তৃণমূল নেতা। ধৃত সৌভিক ঘোষের পাশাপাশি আরও চারজনের নাম উঠে আসে তদন্তে। ধৃত সৌভিক ঘোষকে সোমবার ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালতে  হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    অনেকের কাছে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা অভিযোগ

    এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব ছিল তৃণমূল (TMC) নেতা সৌভিক ঘোষের। একাধিক মানুষের কাছ থেকে এই ভাবেই চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছে ওই তৃণমূল নেতা। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে রানাঘাট ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে, ওই তৃণমূল নেতাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করেছে ধৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের লোকজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, ৮০ হাজার টাকা লুট! থানায় নতুন এফআইআর শাহজাহানের নামে

    Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, ৮০ হাজার টাকা লুট! থানায় নতুন এফআইআর শাহজাহানের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার পর থেকে বেপাত্তা সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। তাঁকে ধরার বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। শাহজাহানকে গ্রেফতারির দাবিতে ক্ষোভে ফুঁসছেন সন্দেশখালিবাসী। এই আবহের মধ্যে এবার শাহজাহানের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করা হল। গৌর দাস নামে এক ব্যক্তি দাপুটে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঘর ভাঙচুর, ৮০ হাজার লুটে অভিযুক্ত শাহজাহান! (Sheikh Shahjahan)

    আগে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সাহস ছিল না। কেউ বুকে সাহস নিয়ে থানায় গেলেও পুলিশ অভিযোগ জমা না নিয়ে ফিরিয়ে দিত। জনরোষ তৈরি হতেই  দুয়ারে পুলিশ ক্যাম্প শুরু হয়েছে। সেখানে অভিযোগ জমা নেওয়া চলছে। পাশাপাশি থানাতেও অভিযোগ জমা নেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, নতুন এফআইআরে শাহজাহানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী গৌরবাবুর ৮০ হাজার টাকা লুট করা হয়েছে। এছাড়া, তাঁর ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে। তবে, শুধু শাহজাহান একা নন, শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার-সহ মোট আট জনের বিরুদ্ধে ওই এফআইআর হয়েছে। এতদিন যে পুলিশ অভিযোগ নিত না, সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বসিরহাট জেলা পুলিশ। এমনই মত এলাকাবাসীর।

    শাহজাহানকে গ্রেফতারে বাধা নেই, জানিয়ে দিল হাইকোর্ট

    শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের বিধিনিষেধের কারণে পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারছে না বলে সাফাই দিয়েছিলেন। সোমবার হাইকোর্টে সেই প্রসঙ্গে উঠলে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম স্পষ্ট করে জানান, ইডির মামলায় সিট গঠনের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। শাহজাহানকে গ্রেফতার করার বিষয়ে কোনও স্থগিতাদেশ আদালত দেয়নি। পুলিশ চাইলেই তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে। শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) এই মামলায় যুক্ত করে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি। এর পরেই জানা গেল সন্দেশখালি থানায় শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর দায়ের হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “ভাইদের কর্মকাণ্ডের জন্যই মুখ্যমন্ত্রী মুখ দেখাতে পারছেন না”, কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “ভাইদের কর্মকাণ্ডের জন্যই মুখ্যমন্ত্রী মুখ দেখাতে পারছেন না”, কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইদের কর্মকাণ্ডের জন্য সন্দেশখালির মহিলাদের সামনে নিজের মুখ দেখাতে পারছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই, বাঁকুড়া সহ বিভিন্ন জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী গেলেও সন্দেশখালিতে তিনি যাচ্ছেন না। সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন, সন্দেশখালি আসলে তার জন্য চোরাবালি হয়ে উঠেছে। আর চোরাবালিতে গেলে তিনি ভিতরে ঢুকে যাবেন, তাই তিনি সন্দেশখালিমুখো হতে সাহস পাচ্ছেন না। ওনার ভাই শেখ শাহজাহানরা যা কাণ্ড করেছেন, তারপরে উনি কোন মুখ নিয়ে ওই সন্দেশখালির মহিলাদের সামনে দাঁড়াবেন?

    বিজেপি-র জন্য ১৪৪ ধারা! (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, যেভাবে সন্দেশখালিতে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া হয়েছিল, তার প্রতিরোধ শুরু হয়েছে। তাই অজিত মাইতির মতো নেতাদের সাধারণ মানুষ তাড়া করছেন। মানুষ কোনও বাধা মানতে চাইছে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব শাহজাহান ও তাঁর সঙ্গীসাথীদের গ্রেফতার করা উচিত। এদিকে এদিন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকানোর সমালোচনা করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। শাসক দলের নেতা ও বাম নেতাদের সেখানে ঢুকতে গেলে কোনও সমস্যা হচ্ছে না, কিন্তু বিজেপি বা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হচ্ছে।  শুধু তাই নয়,  মিডিয়াকেও কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। গ্রেফতার করা, মারধর করা, বের করে দেওয়া চলছেই। আসলে সন্দেশখালির  ঘটনা লুকাতে চাইছে শাসক দল। তাই যা যা করার, সব করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ সব বুঝছে।

    এইমস নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    এদিকে কল্যাণীতে এইমস উদ্বোধনের পর উত্তরবঙ্গের এইমস নিয়েও সরব হলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কল্যাণী এইমস উদ্বোধনের আগে কল্যাণী জুড়ে মুখ্যমন্ত্রীর ছবিতে ভরিয়ে তোলা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের ছাড়পত্র না দেওয়াকে কটাক্ষ করেছেন সুকান্তবাবু। তিনি বলেন, এইমস তৈরিতে মুখ্যমন্ত্রীর এক পয়সা কোনও দান নেই। রাজ্য শুধু জমি দিয়েছে, তাও ভূতুড়ে বাড়ির মতো জমি দেওয়া হয়েছিল। এখন এইমস তৈরি হওয়ায় জায়গাটা সেজেগুজে উঠেছে। আবার প্রধানমন্ত্রীর ডাকা কোনও বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এমনিতেই আসেন না। তবুও মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দিয়ে ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ  ছাড়পত্র না দিয়ে আসলে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। মানুষের স্বার্থে, উন্নত পরিষেবার স্বার্থে এইমস তৈরি হচ্ছে। তাতে বাধা দিতে এলে মানুষেরই কাজে বাধা দেওয়া। তাই এমন হাসপাতালের সংখ্যা আরও বেশি বেশি করে হওয়া উচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ঝাঁটা হাতে মহিলারা, জ্বলল খড়ের গাদা, ভাঙচুর তৃণমূল নেতার বাড়ি

    Sandeshkhali: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ঝাঁটা হাতে মহিলারা, জ্বলল খড়ের গাদা, ভাঙচুর তৃণমূল নেতার বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ সিরাজউদ্দিন, অজিত মাইতির পর আরও এক তৃণমূল নেতা শঙ্কর সর্দারের শাস্তির দাবিতে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর গ্রামের পোলপাড়ায় লাঠি, ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ দেখালেন আদিবাসী মহিলারা। তৃণমূল নেতা শঙ্করের বাড়়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘরের সব জিনিস ভেঙে ফেলা হয়। রান্না ঘরের বেড়া টেনে হিঁচড়ে ভেঙে ফেলা হয়। রান্না করা খাবার ফেলে দেওয়া হয়। খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়। ফলে, রবিবারের পর সোমবারও নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশখালি।

    তৃণমূল নেতা শঙ্করের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? (Sandeshkhali)

    রবিবার তৃণমূল নেতা অজিত মাইতিকে তাড়া করেন মহিলারা। চার ঘণ্টা একটি বাড়িতে তাঁকে ঘেরাও করে রাখা হয়। পরে, পুলিশ আটক করার পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন তৃণমূল নেতা শঙ্কর সর্দারের ওপর ক্ষোভ গিয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুরের পোলপাড়ায় ৪২ বিঘা জমি ভুয়ো নথি তৈরি করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ শেখ সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে। সেই কাজে সিরাজউদ্দিনকে সাহায্য করেছিল অজিত মাইতি, শঙ্কর সর্দার। এমনই দাবি বিক্ষোভকারী মহিলারা। কীভাবে অজিত মাইতি হুমকি দিতেন তাঁর ভাইরাল অডিও এদিন প্রকাশ্যে আনলেন মহিলারা। সেই সঙ্গে একরাশ ক্ষোভ। পারিবারিক অশান্তির জেরে এক মহিলা শঙ্করের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও করেন। কথা না শুনলে কী ভাবে সিরাজউদ্দিন বাহিনী মারধর করে, তাও অভিযোগে উঠে এসেছে। আইন হাতে তুলে না নেওয়ার কথা বলে পুলিশ। তাতে আরও রাগ বেড়ে যায় বিক্ষোভকারীদের। এক বিক্ষোভকারী মহিলা জানালেন, “আমাদের জমি দখল করেছে শঙ্কর। মুরগি পুষতাম তাও নিয়ে নিয়েছে। ওকে ছেড়ে দেব? যখন আমাদের উপর অত্যাচার হয়েছে কোথায় ছিল প্রশাসন?” যদিও তৃণমূল নেতার মেয়ে বলেন, “আমার পিসি অসুস্থ। বাবা ওনাকে দেখতে গিয়েছে। তাও শুনল না। বাড়ি ভাঙচুর করল। আমার বাবা কোনও অন্যায় করেনি।”

     তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ

    তৃণমূল নেতা শঙ্কর সর্দারের পাশাপাশি প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান তপন সর্দারের বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। জবকার্ড সংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দঙ্গলপাড়ার গ্রামবাসী। তৃণমূল নেতা জব কার্ড নিয়ে প্রচুর দুর্নীতি করেছেন। তবে পুলিশ পৌঁছে হটিয়ে দেয় বিক্ষোভরত মহিলাদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share