Tag: West Bengal

West Bengal

  • Murshidabad: ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! মুর্শিদাবাদে হদিশ মিলল আক্রান্তের

    Murshidabad: ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! মুর্শিদাবাদে হদিশ মিলল আক্রান্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। এবার মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) হদিশ পাওয়া গেল করোনা আক্রান্তের। আক্রান্তের বাড়ি মুর্শিদাবাদ- জিয়াগঞ্জ ব্লকের একটি গ্রামে। অন্য রোগ নিয়ে ভর্তি ওই তরুণের শ্বাসকষ্টের কারণে বৃহস্পতিবারই চিকিৎসকের পরামর্শে প্রথমে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হয়। তাতে রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। পরে, আরটিপিসিআরেও রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বিষয়টি জানতে পারার পরই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তরফে। গুরুতর অসুস্থ ওই রোগীকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।

    মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি আক্রান্ত যুবক (Murshidabad)

    প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, আক্রান্ত যুবক দিদিমার কাছে থাকতেন। বাড়িতে দিদিমা ছাড়া কেউ নেই। ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজও করতেন। পরে, কলকাতায় শ্রমিকের কাজ করতেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পরে তিনি অসুস্থ হন। তাঁকে ৫-৬ দিন আগে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে তাঁর বাড়ির আশপাশে বা দিদিমা কেউই অসুস্থ হননি বা তাঁদের মধ্যে করোনার কোনও উপসর্গ নেই। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি অনাদি রায়চৌধুরী বলেন, “ওই যুবক মেনিনগো এনসেফেলাইটিস রোগ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার তাঁর করোনা পজিটিভ হয়েছে। আমরা সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি।”

    জেলাজুড়ে আতঙ্ক!

    নতুন করে বছরখানেক পরে করোনা পজিটিভ রোগী মেলায় উদ্বিগ্ন জেলার বাসিন্দারা। কারণ মুর্শিদাবাদের বহু লোকজনের কলকাতায় যেমন যাতায়াত রয়েছে, তেমনই বহু পরিযায়ী শ্রমিক ভিন্ রাজ্যে কাজে যান। তাঁরা বাড়ি ফিরলেও করোনা পরীক্ষা হয় না। ফলে উদ্বিগ্ন জেলার বাসিন্দারা। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অমিতকুমার দাঁ বলেন, “কোভিডের প্রোটোকল মেনে যা যা করণীয় তা করা হচ্ছে। যে সব চিকিৎসক নার্স বা অন্য হাসপাতাল কর্মী তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন তাঁদের র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হয়েছে। তাতে করোনা নেগেটিভ এসেছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৮টি শয্যার করোনা রোগীদের জন্য ওয়ার্ড প্রস্তুত রয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Humayun Kabir: আইপ্যাকের নাম করে হুমায়ুন কবীরকে মন্ত্রী করার টোপ! চাওয়া হল ১০ লক্ষ টাকা

    Humayun Kabir: আইপ্যাকের নাম করে হুমায়ুন কবীরকে মন্ত্রী করার টোপ! চাওয়া হল ১০ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাকের নাম করে তৃণমূলের এক বিধায়ককে মন্ত্রী করার টোপ দেওয়া হয়। আর তার বিনিময়ে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার শক্তিপুর থানা এলাকায়। তৃণমূল বিধায়কের নাম হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তিনি ভরতপুরে বিধানসভার বিধায়ক। শক্তিপুর থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। ধৃতের নাম রঞ্জন সরকার। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম এলাকার পূর্বদাস পাড়াতে। শনিবার সকালে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Humayun Kabir)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ওই যুবক একটি পোর্টালে কাজ করেন।  হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন,”প্রায়  ১৫ মাস আগে রঞ্জন সরকার প্রথম আমাকে ফোন করেন এবং নিজেকে রাজ্যের কয়েকজন মন্ত্রী এবং আইপ্যাক-এর শীর্ষ কয়েকজন কর্তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দেন। সেই সময় ওই ব্যক্তি আমাকে রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য করে দেবে এই আশ্বাস দিয়ে আমার কাছ থেকে বেশ কয়েক হাজার টাকা দাবিও করেন । আমি কোনও মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জন্য টাকা দিতে অস্বীকার করলে ওই যুবক আমাকে বারবার ফোন করতে থাকেন।” সূত্রের খবর -এরপর রঞ্জন সরকার বিপদে পড়েছেন এমন দাবি করে হুমায়ুন কবীরের  কাছ থেকে কয়েক ক্ষেপে প্রায় এক লক্ষ টাকা নিয়েছেন। এরপরই হুমায়ুন কবীর, রঞ্জন সরকারের টাকা চাওয়ার বিষয়টি কলকাতা পুলিশের নজরে আনেন। মুর্শিদাবাদ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার্স) মজিদ ইকবাল খান বলেন,” বিধায়কের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ওই ব্যক্তিকে মধ্যমগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছি।”  আদালত ধৃত রঞ্জন সরকারের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করেছে।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    হুমায়ুন কবীর  বলেন,” এরপর প্রায় ১ বছর আমার কাছ থেকে রঞ্জন সরকারের টাকা চাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু গত ২২ তারিখ থেকে আবার ওই ব্যক্তি আমাকে আইপ্যাক-এর নাম করে বারবার হোয়াটসঅ্যাপে এবং আমার ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করে বিরক্ত করতে থাকেন এবং টাকা চাইতে থাকেন। আমি ওই ব্যক্তিকে ফোন করতে বারণ করলেও বারবার নম্বর বদল করে আমাকে  ফোন করতে থাকেন। এরপরই আমি গোটা ঘটনাটি আইপ্যাক-এর কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিকের নজরে আনি। তখন আমাকে জানানো হয় ওই নামে আইপ্যাক সংস্থাতে কেউ কাজ করে না এবং মন্ত্রিত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা চাওয়ার বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।” শুক্রবার রাতে হুমায়ুন কবীর তাঁর নিজের বাড়ির কাছে শক্তিপুর থানাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মৃত বৃদ্ধার বার্ধক্যভাতার টাকা মাসের পর মাস তুলে নেওয়া হচ্ছে! কাঠগড়়ায় তৃণমূল

    South 24 Parganas: মৃত বৃদ্ধার বার্ধক্যভাতার টাকা মাসের পর মাস তুলে নেওয়া হচ্ছে! কাঠগড়়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে মাসের পর মাস উঠে যাচ্ছে বার্ধক্য ভাতার টাকা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দির বাজার বিধানসভার কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। তৃণমূলের পঞ্চায়েত হাতছাড়়া হতেই এই দুর্নীতি সামনে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,  মৃত বৃদ্ধার নাম অনুমতি হালদার। তাঁর বয়স ৭৫ বছর। ২০২০ সালের ৪ঠা জুন তাঁর মৃত্যু হয়। সেই মর্মে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সেই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর কয়েক মাস পরেও তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে  প্রতিমাসেই বার্ধক্য ভাতার টাকা তুলে নেওয়া হয়। আর যা দেখে চক্ষু চরক গাছ তার পরিবারের লোকেদের। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিতে দুর্নীতির আঁতুরঘর, এমনটাই অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। জানা গিয়েছে, এতদিন গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল বোর্ড ছিল। গত পঞ্চায়েতে বিরোধী জোট পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় আসে। স্থানীয় এক ব্যক্তি আরটিআই করেন। আর তাতেই পরিষ্কার হয়ে যায় সমস্ত বিষয়টি। জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    অনুমতি হালদার হালদারের নামে শুধুমাত্র একটি বার্ধক্য ভাতার অ্যাকাউন্ট নয়। রয়েছে দু দুটি বার্ধক্য ভাতার অ্যাকাউন্ট। একটিতে তাঁর নামের সঙ্গে তাঁর অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়া থাকলেও অন্যটিতে তাঁর নামের পাশে অ্যাকাউন্ট নম্বরটি অন্যজনের। কিন্তু সেই নম্বরটি কার তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। মৃতের ছেলে সঞ্জীবন হালদার বলেন, এই বিষয় নিয়ে সঠিক তদন্ত হোক। কে বা কারা আমার মায়ের নাম করে দুটি  অ্যাকাউন্ট থেকে দিনের পর দিন টাকা তুলছে তার অবিলম্বে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা মোহন হালদার বলেন, এই সমস্ত কিছুই হয়েছে তৃণমূলের বোর্ডে। সেই সময়ে পঞ্চায়েতের দায়িত্ব থাকা প্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির মদতে এসব দুর্নীতি হয়েছে। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় পাইক বলেন, এখনও আমাদের কাছে এই ধরনের কোনও অভিযোগ আসেনি। এমন যদি হয়ে থাকে তার সঠিক তদন্ত করা হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: জলসায় নর্তকীদের সঙ্গে নাচতে দিতে বাধা, বন্দুক উঁচিয়ে দাপিয়ে বেড়ালেন যুবক

    Egra: জলসায় নর্তকীদের সঙ্গে নাচতে দিতে বাধা, বন্দুক উঁচিয়ে দাপিয়ে বেড়ালেন যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সাধারণ মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে আগ্নেয়াস্ত্র। এটা বিরোধীদের কোনও অভিযোগ নয়। এই ঘটনার জ্বলন্ত প্রমাণ মিলল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় (Egra)। প্রকাশ্যেই জলসার মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে দাপিয়ে বেড়ালেন এক যুবক। আর এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Egra)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এগরা (Egra) থানার বাথুয়াড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের রামচক গ্রামে এক জলসার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই জলসায় নৃত্য শিল্পীদের সঙ্গে নাচ করতে চেয়েছিল। কিন্তু আয়োজক কমিটির সদস্যরা তাতে রাজি হননি। আর এরপরই প্রকট হল যুবকের আসল রূপ। বন্দুক উঁচিয়ে তাণ্ডব শুরু করে দেয় জলসার মঞ্চের সামনে। আর তাতেই একেবারে হুলুস্থুল কাণ্ড। দর্শক আসনে যাঁরা বসে ছিলেন, তাঁরা সব ভয়ে ছুটে পালান। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে এগরা থানার পুলিশ। ধৃত যুবকের নাম গোপাল মাঝি। তাঁর বাড়ি এগরা থানা এলাকাতেই। যুবকের থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও বেশ কয়েক রাউন্ডগুলি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কীভাবে ওই যুবকের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র এল, ওই জলসায় ঠিক কী ঘটেছিল, সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন পুলিশকর্মীরা। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে এগরা থানার আইসি অরুন কুমার খান জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোথা থেকে ওই বন্দুক এল, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এর থেকে বেশি কিছু মুখ খুলতে রাজি হননি তিনি।

    আয়োজক কমিটির সদস্যরা কী বললেন?

    আয়োজক কমিটির সদস্যদের বক্তব্য,ওই যুবক জলসার অনুষ্ঠান মঞ্চের সামনে যখন চলে আসেন, তখন আমরা তাঁকে পিছনে গিয়ে বসার জন্য অনুরোধ করি। আর সেখান থেকেই শুরু হয় বিপত্তি। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্ত ওই যুবক তাতে উত্তেজিত হয়ে পকেট থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে উঁচিয়ে ধরে। এভাবে ওই যুবক পকেট থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করবে তা ভাবতে পারিনি।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ইটভাটায় ধর্ষণ করে থেঁথলে খুন! মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Malda: নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ইটভাটায় ধর্ষণ করে থেঁথলে খুন! মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে নবম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল মালদায় (Malda)। শুক্রবার সন্ধ্যায়  মৃতদেহ বাসিন্দাদের নজরে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদা ব্লকের ভাবুক অঞ্চলের বিষণপুর এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকার রক্তাক্ত মৃতদেহ ইট ভাটায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন মালদা (Malda) থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অনুমান ওই নাবালিকাকে প্রথমে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। মাথায় ইটের আঘাত রয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত নাবালিকার নাম সেবিকা মুর্মু (১৫)। তার বাড়ি সংশ্লিষ্ট এলাকায়। সে স্থানীয় ভাবুক রাম মার্ডি হাই স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়াশোনা করত। শুক্রবার সন্ধ্যায় গ্রামে একটি অনুষ্ঠান দেখতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর ওই স্কুল ছাত্রীর আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে দিন গড়িয়ে গেলেও সন্ধ্যা নাগাদ পরিবারের লোক জানতে পারেন পাশেই একটি পরিত্যক্ত ইট ভাটায় তাদের মেয়ের মৃতদেহ পড়ে রয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, অনুষ্ঠান থেকে সন্ধ্যার মধ্যে তার বাড়ি ফেরার কথা ছিস। আর গ্রামের মধ্যে অনুষ্ঠান হওয়ায় আমরা কোনও সন্দেহ করিনি। কিন্তু, সন্ধ্যা পেরিয়ে যাওয়ার পরও সে বাড়ি না ফেরায় চারিদিকে তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করি। কিন্তু, বাস্তবে তার হদিশ পাইনি। আমাদের অনুমান, প্রথমে  তাকে ধর্ষণ এবং তারপর খুন করে তাদের মেয়েকে মারা হয়েছে। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মালদা থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান বিরোধী আন্দোলন দমাতে গ্রামে গ্রামে পুলিশ ক্যাম্প, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি

    Sandeshkhali: শাহজাহান বিরোধী আন্দোলন দমাতে গ্রামে গ্রামে পুলিশ ক্যাম্প, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলন দমাতে সন্দেশখালিতে আরও সক্রিয় হল পুলিশ। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। আপাতত বেড়মজুর এলাকার কাঠপোলে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প করা হয়েছে। বসানো হয়েছে তিনটি সিসি টিভি। আন্দোলনকারীদের ওপর নজরদারি করার জন্য করা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। শনিবার সকাল থেকে থেকে কমব্যাট ফোর্স মোতায়েন রয়েছে গ্রামে।

    দুয়ারে ক্যাম্প! (Sandeshkhali)

    শাহজাহান বাহিনী সন্দেশখালি জুড়ে তাণ্ডব করে বেড়াত। গ্রামবাসীরা সাহস করে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে ফিরিয়ে দেওয়া হত। অভিযোগ নেওয়া হত না। এমনই অভিযোগ করেছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। এখন গ্রামে ক্যাম্প করে অভিযোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, আগে পুলিশ এই পদক্ষেপ নিল সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এই রুপ রাজ্যবাসীকে দেখতে হত না। পুলিশ নিষ্ক্রিয় হওয়ার কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। এখন ঠেলায় পড়ে পুলিশের টনক নড়েছে। জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকে থানার আইসি, এসডিপিও এবং বারাসত রেঞ্জের ডিআইজি ভাস্কর মুখোপাধ্যায় সন্দেশখালিতে রয়েছেন। ডিআইজি বলেন, এদিন বেড়মজুর গ্রামে ক্যাম্প করা হয়েছে। ধীরে ধীরে বাকি গ্রামগুলিতে  ক্যাম্প করে অভিযোগ জমা নেওয়া হবে। যে কোনও ধরনের অভিযোগ জানানো যাবে ক্যাম্পে। তার উপর ভিত্তি করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিটি ক্যাম্পে একজন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার থাকবেন। এছাড়াও থাকবেন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।  দু-তিনজন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

     শাহজাহান অনুগামীদের ওপর চড়াও হন গ্রামবাসীরা

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে সন্দেশখালির কাছারি এলাকায় শাহজাহান শেখের এক ‘অনুগামী’র মাছের ভেড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। বেড়মজুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও হাতে লাঠি-ঝাঁটা নিয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় মহিলারা। দখল হয়ে যাওয়া জমিজমা ফেরতের দাবি জানান তাঁরা। পাশাপাশি,শাহজাহানকে গ্রেফতারেরও দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। এই পরিস্থিতিতে ওই দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। বেলার দিকে পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূল নেতা অজিত মাইতিকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশের গাড়ির সামনে রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন গ্রামের মহিলারা। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সহ একাধিক জনকে আটক করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দুধের শিশুকে সপাটে গালে চড়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ

    Hooghly: দুধের শিশুকে সপাটে গালে চড়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের দুধের শিশুকে গালে কষিয়ে চড় মারার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে। তৃণমূল নেত্রী আবার অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা। কর্মী। ওই শিক্ষিকার মারে ওই ছোট্ট গালে পাঁচ আঙুলের ছাপ পড়ে যায় বলে অভিযোগ। অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরের বড়া বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর নাম যাদবী ঘোষ। তিনি হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। অন্যান্য দিনের মতো এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এলাকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা আসে। অভিযোগ, শুক্রবার স্কুল চলাকালীন তিন বছরের ওই পড়ুয়ার গালে চড় মারেন অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা। এতটাই জোরে ওই শিশুটির গালে তিনি মেরেছেন যে কিছুক্ষণের জন্য সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। আর বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিভাবকরা সেখানে জড়ো হয়। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা তথা তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর বক্তব্য, তৃণমূল নেত্রী বলে তিনি নিজের দায়িত্ববোধ ভুলে গিয়েছেন। তিন বছরের দুধের শিশুর গায়ে এভাবে কেউ হাত তোলে। যদিও ছেলেটা দুষ্টুমি করে বা পড়া না পারে তারজন্য এভাবে কাউকে মারধর করা উচিত। আমরা ওই নেত্রীর কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এরপর এলাকার মানুষ থানায় খবর দেন।

    তৃণমূল নেত্রী কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেত্রী যাদবী ঘোষ বলেন, এখানে ৬ মাস কাজ করছি। কেউ আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ আনতে পারবে না। আর এখানে আমি তৃণমূল নেত্রী নয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা। ছাত্রকে মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এরকম অভিযোগের কোনও ভিত্তিই নেই। এ কাজ আমি করিনি। করতে পারি না। এটা ইচ্ছা করে করা হচ্ছে। তবে, তারা কেন করছে না আমি বুঝতে পারছি না। সমস্ত পড়ুয়াদের আমি ভালোবাসি।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digha: দিঘায় তৈরি করা হবে রাম মন্দির! শুরু হল জোর তৎপরতা

    Digha: দিঘায় তৈরি করা হবে রাম মন্দির! শুরু হল জোর তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমুদ্রের টানে পর্যটকরা দিঘার ভিড় করেন। এবার সেখানে বাড়তি আকর্যণ হিসেবে গড়ে উঠেছে জগন্নাথ মন্দির। জোর কদমে এই মন্দির তৈরির কাজ চলছে। কিছুদিনের মধ্যেই দিঘায় বলেই জগন্নাথ দেবকে দর্শন করতে পারবেন পর্যটকরা। তবে, শুধু জগন্নাথ দেব নয়, এবার দিঘায় রাম মন্দিরও (Ram Mandir) গড়়ে তোলার জন্য জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। যা নিয়ে দিঘাজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    রাম মন্দির তৈরির জন্য জমা পড়ল আবেদন (Ram Mandir)

    ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ব্যবসায়ী কমিটি (দিঘা) ও সনাতনীবৃন্দের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কমিটির সদস্যরা দিঘায় মিছিল করে দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা করেন। প্রশাসনের কাছে জমা পড়েছে রাম মন্দির তৈরির আবেদন। রাজ্যের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র দিঘায় যাতে রাম লালার মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করা হয়, সেই আবেদন জানানো হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দিঘায় বহু ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটে। তাঁদের কথা ভেবেই রাম মন্দির তৈরি করা হোক। দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সৌভিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপি নেতা তপন মাইতি বলেন, দিঘায় জগন্নাথ দেবের মন্দির তৈরি হয়েছে। রাম লালার মন্দির তৈরি হলে পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়বে। কারণ, প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আসেন দিঘায়। অনেকেই সমুদ্রে স্নান করার পর মন্দিরে যেতে চান। সেই মন্দিরের জন্য দু একর জমির জন্য আবেদন জানিয়েছে ওই কমিটি। আমরা চাই, এই ধরনের উদ্যোগ কার্যকরী হোক। যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন, রাম মন্দিরে (Ram Mandir) আপত্তি নেই। তবে, জগন্নাথ মন্দির তৈরি হওয়ার পর রাম মন্দিরের কথা ভাবা যাবে। এমনকী দিঘায় মসজিদ নির্মাণের দাবিও উঠেছে সম্প্রতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভে মহিলারা

    Sandeshkhali: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে ফিরে যেতেই অ্যাকশন মুডে চলে যায় পুলিশ। শুরু হয় গ্রাম জুড়ে ধরপাকড়। বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ চেষ্টা করলে মুহূর্তের মধ্যে ছবি বদলে যায়। আগুনে ঘি ঢালার মতো পুলিশের ওপর জনরোষ আছড়ে পড়ে। পুলিশের গাড়ির সামনেই গাছের গুঁড়ি ফেলে মহিলারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। হাতে গাছের ডাল নিয়ে পথে নামেন মহিলারা। পুলিশ ভ্যানে সামনেই রাস্তায় শুয়ে পড়েন এক বৃদ্ধ মহিলা। সব মিলিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সন্দেশখালির মহিলারা।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    এতদিন শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ আছড়ে পড়েছিল। শুক্রবার শাহজাহান ঘনিষ্ঠ দুজন তৃণমূল নেতার ওপর জনরোষ গিয়ে পড়ে। অজিত মাইতি নামে এক তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আর তৈয়ব মোল্লার ভেড়ির আলাঘরে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। নতুন করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) অশান্ত হওয়ার খবর পেয়ে শুক্রবার রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার আসেন। বিক্ষোভ দমাতে গ্রামবাসীদের আইন হাতে তুলে নিলে গ্রেফতারি করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সন্দেশখালি থেকে ডিজি ফিরে যাবার পরেই কার্যত অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ। এলাকা জুড়ে একের পর এক ধর পাকড় শুরু হয়। বেড়মজুড় গ্রামের সাঁকোর এক প্রান্তে পুলিশ বাহিনী। অন্যপ্রান্তে গ্রামবাসীরা জড়ো হন। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন। এক মহিলা বলেন, আমার ছেলে উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল। ভ্যান চালিয়ে খুব কষ্ট করে সে পড়াশোনা করছে। পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে পুলিশ তাকে তুলে নিল। এটা পুলিশের কী আচরণ। এই পুলিশের গাড়ির সামনে মাটিতে শুয়ে এক গ্রামবাসী কাকুতি মিনতি করতে থাকেন। চ্যাংদোলা করে তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীকে না ধরে গ্রামবাসীদের ধরতে ব্যস্ত পুলিশ!

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের বক্তব্য, ইডি-র ওপর হামলার পর থেকেই শাহজাহানের খোঁজ নেই। তাঁর অনুগামীরাও এলাকা ছাড়া। যারা এলাকায় এক সময় অত্যাচার করেছিল তাদের গ্রেফতার করার বিষয়ে পুলিশের কোন হেলদোল নেই। অত্যাচারীদের জন্যই সন্দেশখালির আজ এই চেহারা নিয়েছে। শাহজাহানকে না ধরে এখন গ্রামবাসীদের ধরতে ব্যস্ত পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর, বিক্ষোভ দমাতে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি ডিজি-র

    Sandeshkhali: ফের শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর, বিক্ষোভ দমাতে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি ডিজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় যারা গ্রামের পর গ্রাম জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল, সেই শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে সন্দেশখালি। বৃহস্পতিবারের মতো শুক্রবারও জ্বলছে সন্দেশখালি। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর এলাকায় লাঠি, বাঁশ-হাতে রাস্তায় নেমেছেন গ্রামের মহিলারা। শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি, তোয়েব মোল্লাদের বিরুদ্ধে জনরোষ আছড়ে পড়ল।

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর (Sandeshkhali)

    শুক্রবার সকাল থেকে নতুন করে অশান্ত হতে শুরু করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। গ্রামবাসীদের জমি দখল করে ভেড়়ি করা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তোয়েবের বিরুদ্ধে জনতারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ভেড়ির আলাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে, সমস্ত ক্ষোভ গিয়ে পড়ে তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির ওপর। বেড়মজুর এলাকার মানুষের অভিযুক্তদেরও তালিকায় প্রথম নাম রয়েছে তাঁর। শুক্রবার সকালে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতেই হামলার অভিযোগ ওঠে। বেড়ার পাঁচিল ভেঙে ফেলা হয়।  বাড়ির ভিতর ঢুকেও চলে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, একুশের নির্বাচনের পর থেকে ওই তণমূল নেতার দলবল আমাদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার চালিয়েছে। বাড়িঘর দখল করেছে, জমি দখল করেছে, প্রতিবাদ করলেও মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে ব্যাপক মারধরও করা হয়েছে। এবার সেই ক্ষোভই আছড়ে পড়ল তৃণমূল নেতার পরিবারের ওপর। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূলনেতার স্ত্রীর বক্তব্য,  “আমার স্বামী কিচ্ছু করেনি। কোনও ভাঙচুর করেনি। সব ওরা গায়ের জোরে করছে। শাহজাহান শেখের সঙ্গে দল করে, এটাই ওদের রাগ।” আক্রান্ত তৃণমূল নেতার বক্তব্য, “গ্রামবাসীদের অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তাহলে আইনের শাসন মেনে নেব।

    সন্দেশখালিতে রাজ্য পুলিশের ডিজি

    এদিকে, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করল বসিরহাট জেলা পুলিশ। ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। শুক্রবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকায় যান রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তিনি বলেন, আইন হাতে তুলে নেবেন না। যা অভিযোগ রয়েছে, সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি এদিন বেড়মজুরে যান এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেন। জেলাশাসকের সঙ্গে ফোনে গ্রামবাসীদের কথা বলিয়ে দেন।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share