Tag: West Bengal

West Bengal

  • Hooghly: গলা কেটে কচু পাতা দিয়ে ঢাকা বিজেপি কর্মীর মায়ের দেহ, থানা ঘেরাও লকেটের

    Hooghly: গলা কেটে কচু পাতা দিয়ে ঢাকা বিজেপি কর্মীর মায়ের দেহ, থানা ঘেরাও লকেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) পোলবায় এক বিজেপি কর্মীর মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জ্যোৎস্না জানা। তাঁর বয়স ৫৫ বছর। তাঁর ছেলে রাজকুমার জানা বিজেপির সক্রিয় কর্মী। সুগন্ধায় ছেলের কাছে এসেছিলেন মা। সোমবার দুপুর থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরে, একটি ইটভাটার কাছে থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার থানা ঘেরাও করল বিজেপি। সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে থানায় বিক্ষোভ দেখানো হয়। লকেট বলেন, মৃতার স্বামীকে চাপ দিয়ে ভুল বয়ান টিপ সই দিয়ে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা নতুন করে বয়ান লিখি। ওখানে দুজন ছিল, যারা এখন পলাতক। ওই দুজনই কিছু করছিল, সেটা দেখে ফেলাতেই গলা কেটে খুন করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) পোলবার সুগন্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের জগন্নাথবাটি গ্রামে জ্যোৎস্না জানার দুই ছেলে রাজকুমার ও রবি জানার বাড়ি। ছেলেরা গয়নার কাজ করেন। এদিকে জ্যোৎস্নার স্বামী একটি ইটভাটা চালাতেন। জ্যোৎস্না স্বামী পূর্ণচন্দ্রের শরীর ভালো নেই। স্বামী-স্ত্রী সেখানেই থাকতেন। তবে প্রায় ছেলেদের বাড়িতে আসতেন মা। জ্যোৎস্না জানার ছেলের বউ পারমিতা জানা বলেন, সোমবার দুপুর থেকে শাশুড়িকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তারপর ইটভাটা লাগোয়া একটি পরিত্যক্ত কেমিক্যাল কারখানার ঝোপে মৃতদেহ পরে থাকতে দেখা যায়। আমাদের আশঙ্কা, শাশুড়িকে খুন করা হয়েছে। খুন করে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমরা ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। খুনিদের অবিলম্বের গ্রেফতার করতে হবে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব সোমবার রাতেই জ্যোৎস্নার বাড়িতে যায়। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    মৃতদেহ উদ্ধার প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সম্পাদক দীপাঞ্জন গুহ বলেন, “আমাদের এক কর্মীর মাকে খুন করা হয়েছে। তাঁর ছেলে আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। ছেলেই ফোন করে জানায় এই ঘটনা। আমরা খবর পেয়ে এসেছি। বলা হচ্ছে গলা কাটা, কচু পাতা দিয়ে ঢাকা ছিল। বিষয়টি জানার পরই তড়িঘড়ি পুলিশও ঘটনাস্থলে এসে দেহ নিয়ে চলে গেল। সন্দেহ হচ্ছে আমাদের। তাঁকে খুন করা হয়েছে। আমরা চাই, খুনের ঘটনা সঠিক তদন্ত হোক।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: “রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকতেও মহিলাদের সম্মানই ভূলুণ্ঠিত”, সরব নিশীথ প্রামাণিক

    Nisith Pramanik: “রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকতেও মহিলাদের সম্মানই ভূলুণ্ঠিত”, সরব নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজগার মেলার মাধ্যমে প্রায় এক লক্ষ ছেলেমেয়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল সোমবার। কেন্দ্রীয় সরকারের রোজগার মেলা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১০ লক্ষ যুবক-যুবতীর হাতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি নিয়োগ করার যে ঘোষণা দেশের প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন, তা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে রোজগার মেলা কর্মসূচির মাধ্যমে। তারই অঙ্গ হিসেবে সোমবার রাজগঞ্জের রাধাবাড়ি বিএসএফ ক্যাম্পে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১৪৭ জন যুবক-যুবতীর হাতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের জন্য নিয়োগপত্র তুলে দেন দেশের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)।

    রোজগার মেলা নিয়ে কী বললেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)

    এই বিষয়ে নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী ১০ লক্ষ যুবক-যুবতীকে রোজগার মেলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেই কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। সোমবার বিভিন্ন জায়গায় প্রায় এক লক্ষ যুবক-যুবতীর হাতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের জন্য নিয়োগপত্র হাতে তুলে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কথা দিলে কথা রাখেন। তারই অঙ্গ হিসেবে বেকার যুবক-যুবতীদের হাতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল।

    সন্দেশখালি নিয়ে সরব

    এদিন এই অনুষ্ঠানে এসে সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়েও মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে।তৃণমূল কংগ্রেসের পলাতক নেতা শেখ শাহজাহান গ্রেফতার না হওয়ার পিছনে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তোলেন তিনি। এদিনই সন্দেশখালির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সোমবার শিলিগুড়ি সংলগ্ন রাধাবাড়ি এলাকায় বিএসএফ হেডকোয়ার্টারে রোজগার মেলায় যোগ দেন নিশীথ প্রামাণিক। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,”সন্দেশখালিতে যা হচ্ছে তা দু:খজনক ঘটনা। রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকতেও মহিলাদের সম্মান ভুলুন্ঠিত হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে মহিলাদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে, অশালীন আচরণ করা হচ্ছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে শাহজাহানের পর শিবুর কীর্তি নিয়ে চর্চা

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে শাহজাহানের পর শিবুর কীর্তি নিয়ে চর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহান ‘বেপাত্তা’ হওয়ার পরে হাজারো ক্ষোভের জ্বালামুখ খুলে গিয়েছে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। মহিলাদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ওপরে অত্যাচার সামনে আসছে বিভিন্ন অভিযোগ। অভিযোগ, গত সাত-আট বছরে এ ভাবেই সন্দেশখালি গ্রামে একরের পর এক জমি হাতিয়ে নিয়েছিলেন জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্য শিবপ্রসাদ হাজরা এবং তাঁর বাহিনী। ইদানীং এ সবের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন গ্রামের মানুষ।

    জমিতে নোনা জল ঢুকিয়ে মাছ চাষ! (Sandeshkhali)

    ইডি হানা দেওয়ার পর থেকে ফেরার সন্দেশখালির (Sandeshkhali)  ডন শাহজাহান। তাঁর বাহিনী এসে এলাকা দখলের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু, লাভ কিছু হয়নি। এলাকার মানুষের প্রতিরোধে শাহজাহান বাহিনী পিছু হটেছে। এলাকার অত্যাচারিত মানুষ একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, জেলিয়াখালি ৬ নম্বর স্লস গেট চত্বরে বছর পাঁচেক আগে ৭-৮টি পরিবারের কাছ থেকে খুব অল্প দামে প্রায় ৮ একর জমি কেনেন শিবপ্রসাদ। সে সময়ে তিন লক্ষ টাকা বিঘা সেই জমির দাম শিবপ্রসাদ দিয়েছিলেন মাত্র এক লক্ষ টাকা করে। এই এলাকারই ৬ নম্বর পাড়ায়, যেখানে শিবপ্রসাদের পোলট্রি, সেই জমির পরিমাণও নয় নয় করে আট একর। এখানে কিছু পরিবারের বাস ছিল। তাঁরা জমি ছাড়তে চাননি। অভিযোগ, জোর করে জায়গা-জমি লিখিয়ে নিয়ে, মারধর করে তাঁদের গ্রামছাড়া করা হয় বলে অভিযোগ। জেলিয়াখালি পঞ্চায়েতের ভাঙা তুষখালি মৌজায় প্রায় ৭০০ বিঘা জমি লিজ়ে নিয়ে শিবপ্রসাদ মাছের চাষ করেন। বছর তিনেক ধরে চলছে সেই কারবার। বহু মানুষকে লিজ়ের টাকা দেননি, টাকা চাইলে উল্টে মারধর করতেন বলে অভিযোগ। জমিতে নোনা জল ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে শিবুর বাহিনীর বিরুদ্ধে। বহু জমি এভাবে দখলে রেখেছে।

    জলাভূমি ভরাট

    সন্দেশখালি-২ ব্লক অফিস ও থানার সামনে একটি জলাভূমি ভরাট করার অভিযোগ আছে শিবুর বিরুদ্ধে। মালিককে সামান্য কয়েক হাজার টাকা হাতে ধরিয়েছিলেন। শিবুর দাপটে কেউ মুখ খোলেননি সেই সময়ে। ওই জমি ভরাট করে দরমার বেড়া দিয়ে স্কুল তৈরি হচ্ছে। গ্রামের এক মহিলার কথায়, “স্কুল তৈরি তো বাহানা। আসলে জায়গাটা নজরে পড়েছে শিবুর, তাই যে ভাবে হোক দখলে রাখতেই এমন কাজ।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সন্দেশখালির পথে শুভেন্দুদের বাস বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়েতে আটকাল পুলিশ

    Suvendu Adhikari: সন্দেশখালির পথে শুভেন্দুদের বাস বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়েতে আটকাল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে পদে পদে তৃণমূলীদের বাধা পেয়ে সন্দেশখালি পৌঁচ্ছাতে হয়। সেখানে গিয়ে তিনি মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনেছেন। এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দলের সন্দেশখালি যাওয়ার কথা ছিল। বসে করেই তাঁরা রওনা দেন। সায়েন্স সিটির কাছে বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ের মুখে তাঁদের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    পুলিশি বাধা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি বিধায়করা? (Suvendu Adhikari)

    এদিন তিনটি বাসে করে বিধানসভা থেকে বিজেপি বিধায়করা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে সন্দেশখালির পথে রওনা দেন। কিন্তু, পুলিশ সায়েন্স সিটির কাছে বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ের মুখে ব্যারিকেড করে বিজেপি বিধায়কদের বাধা দেয়। সেখানে বিজেপি বিধায়করা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি, অগ্নিমিত্রা পল বলেন, সন্দেশখালিতে ৬০ কিলোমিটার দূরে আমাদের আটকে দেওয়া হল। এখানে ১৪৪ ধারা নেই। তারপরও তৃণমূলের দলদাস পুলিশ এটা করল। আমাদের কেন ভয় পাচ্ছে তৃণমূল? মহিলা বিধায়কদের তো যেতে দিতে পারে, সেটাও তারা দিচ্ছে না। আসলে শাহজাহানদের এই সরকার মদত দিচ্ছে। মহিলাদের ওপর যে অত্যাচার হত তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। সেখানকার মানুষদের কথা শুনতেই আমরা সন্দেশখালি যেতাম। সেটাও পুলিশ করতে দিল না। শাহজাহানকে ধরতে পারছে না পুলিশ। আর আমাদের আটকানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।

    শাহজাহান নিয়ে কী বললেন অগ্নিমিত্রা?

    ইডি ওপর হামলার পর থেকে শাহজাহান ফেরার। এখনও পুলিশ তার টিকি ছুঁতে পারেনি। তবে, তাঁর এক শাগদের উত্তম সর্দারকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এরই মধ্যে শাহজাহানের হদিশ দিলেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, রবিবার হেমনগর এলাকায় শাহজাহানকে দেখা গিয়েছে। ৬জন সঙ্গে নিয়ে স্পিড বোটে তাঁদের দেখা গিয়েছিল। তাঁরা জঙ্গলের দিকে তিনি চলে যান। আমরা সব জানতে পারছি, অথচ মমতার পুলিশ কিছুই জানতে পারছে না। আসলে শাহজাহানকে পুলিশ বাঁচাতে চাইছে। আর এসবই হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Nadia: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে এক ব্যবসায়ীকে গলার নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) করিমপুর থানার গোপালপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম দুলাল বিশ্বাস (৬০)। তিনি তেহট্ট উত্তর এরিয়া কমিটির গোপালপুর শাখার সদস্য ছিলেন। প্রকাশ্যে এভাবে ব্যবসায়ীকে খুন করার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে পুলিশের টহলদারি গাড়ি থাকে। রাস্তার মধ্যে এভাবে একজনকে খুন করে দিয়ে চলে গেল পুলিশ টের পর্যন্ত পেল না।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলালবাবু সুদের ব্যবসা করতেন। প্রতিদিন পাওনা টাকা আদায় করে বাড়ি ফিরতেন। অন্যদিনের মতো রবিবারও তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। এরপরই রাতের দিকে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। রাস্তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন তিনি। এরপরেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এবং এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে তাঁকে নদিয়ার (Nadia) করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে করিমপুর থানার পুলিশ। পরবর্তীকালে পুলিশ মৃতদেহটি হাসপাতাল থেকে থানায় নিয়ে যায়। ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও কারণে বচসার জেরে খুন হতে পারে বলে অনুমান স্থানীয়দের। যদিও এই ঘটনায় এখন কোনও অভিযুক্ত গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

    ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    এ বিষয়ে মৃত দুলাল বিশ্বাসের ভাইপো বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, রবিবার  রাতে আমাদের কাছে খবর আসে রক্তাক্ত অবস্থায় কাকা রাস্তায় পড়ে রয়েছে। আমরা তারপরেই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে, কাকাকে উদ্ধারের সময় যেটুকু মনে হয়েছে ওর সঙ্গে কয়েকজন ধস্তাধস্তি করেছে। পরবর্তীকালে ভোজালি দিয়ে কাকার গলায় কোপ মেরেছে। তিনি আরও বলেন, বহু মানুষের কাছে কাকা ধারের টাকা ফেরত পেত। সেই টাকা তাগাদা করতে গিয়েই এই খুন হতে পারে। আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

    Sandeshkhali: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়িতে এসে পার্টি ছেলেরা দেখে যেত, কার বাড়িতে সুন্দরী বউ রয়েছে। রাতে তাঁকে পার্টি অফিসে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হত। স্বামীই তাঁর সুন্দরী স্ত্রীকে পার্টি অফিসে পৌঁছে দিতেন। রাতভর নির্যাতন চালানোর পর ভোররাতে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হত। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের বাহিনী দিনের পর দিন এই কর্মকাণ্ড করত বলে অভিযোগ। এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন মহিলারা। এবার তৃণমূল পার্টি অফিসের ভিতরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল শাহজাহানের বিরুদ্ধে। গোটা ঘটনায় রাজ্যের ডিজিপি রাজীব কুমারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    শাহজাহান-বাহিনী নিয়ে সরব বাসিন্দারা (Sandeshkhali)

    ইডির ওপর হামলার পর থেকে ফেরার শাহজাহান। তাঁর শাগরেদ উত্তম সর্দারকে তৃণমূল সাসপেন্ড করার পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। শিবু হাজরা এখনও গ্রেফতার হয়নি। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা। তাঁদের বক্তব্য, শেখ শাহাজাহান একা নয়, গ্রামে এরকম আরও অনেক গুন্ডা রয়েছে, যাদের অত্যাচারে এতদিনে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে গ্রামের মেয়েদের। এক মহিলা অভিযোগ জানিয়ে বলেছিলেন, “বাড়ির মেয়েদের কোনও সম্মান দেয়নি। মেয়েদের শেষ করে ফেলেছে। রাত সাড়ে দশটার সময়েও মেয়েদেরকে উঠিয়ে আনত পার্টি অফিসে। বিষয়টি সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। জানা গিয়েছে, রাজ্যেও আসতে পারে তদন্তকারী দল। গোটা ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তারা।

    রাজ্যজুড়ে মহিলাদের নির্যাতনের ভিডিও দেখাবে বিজেপি

    এই আবহের মধ্যেই সোমবার রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস সন্দেশখালির (Sandeshkhali) উদ্দেশে রওনা দেন। বিজেপি-র প্রতিনিধি দলও সেখানে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এদিন দিনভর সন্দেশখালিতে উত্তেজনা রয়েছে। পাশাপাশি সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর নির্যাতনে ভিডিও বিজেপি-র পক্ষ থেকে রাজ্য জুড়ে দেখানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিজেপির সব কর্মসূচির আগে-পরে এই ভিডিয়ো ব্যবহার করা হবে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মনুয়াকাণ্ডের ছায়া অশোকনগরে! প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন করল স্ত্রী

    North 24 Parganas: মনুয়াকাণ্ডের ছায়া অশোকনগরে! প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন করল স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথের কাঁটা সরাতে প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে খুন করেছিল মনুয়া। হাড়হিম করা সেই খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। বারাসতের সেই মনুয়া কাণ্ডের ছায়া এবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরে শিমুলতলা এলাকায়। প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে  স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম হারাধন রায় (৩৫)। তাঁর বাড়ি অশোকনগর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শিমুলতলা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে হারাধন রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সবিতার। হারাধন পেশায় দিনমজুর। তাঁদের তিন সন্তানও রয়েছে। সবিতা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে একটি পানশালায় নর্তকীর কাজ করেন। বেশ কিছুদিন ধরেই সবিতা বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্বামী-স্ত্রীর অশান্তি চরমে ওঠে। অশান্তি মেটাতে এলাকায় সালিশি সভাও বসে। পরে সবিতা তাঁর প্রেমিকের সঙ্গেই থাকতে শুরু করেন। অন্যদিকে, শ্রমিকের কাজ নিয়ে মাস তিনেক আগে ওড়িশায় চলে যান হারাধন। পরিবারের দাবি, সম্প্রতি সবিতা ফোন করে একসঙ্গে থাকবেন বলে অশোকনগরে চলে আসতে বলেন স্বামীকে। স্ত্রীর কথা শুনে এক সপ্তাহ আগে ফেরেন হারাধন। বারাসতে ভাড়া বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে হারাধনবাবু ছিলেন। বারাসতের নপাড়ায় রেলের কারশেড এলাকার রেললাইনের ধার থেকে হারাধনবাবুর মৃতদেহ উদ্ধার করে বারাসতের রেল পুলিশ। রেল পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে বারাসতে এসে দেহ শনাক্ত করেন হারাধন রায়ের পরিবার। শনিবার রাতে দেহ অশোকনগরের শিমুলতলায় পৌঁছতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ভাই এবং প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশ করে স্ত্রী সবিতাই খুন করেছে হারাধনকে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবার এনং স্থানীয়রা। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। জনরোষের মুখে পড়ে মৃতের স্ত্রী সবিতা এবং শ্যালক-সহ সবিতার প্রেমিককে আটক করেছে অশোকনগর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান নাকি ‘জাতির জনক’! অনুগামীদের গানে বিতর্ক তুঙ্গে

    Sheikh Shahjahan: ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান নাকি ‘জাতির জনক’! অনুগামীদের গানে বিতর্ক তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি হানার পর থেকে সন্দেশখালির ‘ডন’ শেখ শাহজাহান এখন গর্তে ঢুকে রয়েছেন। পুলিশ তার টিকি ছুঁতে পারছে না। শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন এলাকার মহিলারা। আর তাকে কেন্দ্র করেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে সন্দেশখালি। এই আবহের মাঝে তৃণমূলের ফেরার নেতা শাহজাহানকে নিয়ে গান ভাইরাল হয়েছে। আর সেই গানে তৃণমূল নেতাকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    ভাইরাল হওয়া গানে কী রয়েছে? (Sheikh Shahjahan)

    এমনিতেই এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন হতে অনেকেই তাঁকে নানা মণীষীর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। অনেক সময় মণীষীদের সঙ্গে তাঁর ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চাও হয়েছে। এবার সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচারকারী তৃণমূল নেতা শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) ‘জাতির জনক’ বলায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। মহাত্মা গান্ধীকে জাতির জনক বলা হয়। শাহজাহানের মতো কুখ্যাত নেতাকে জাতির জনক বলায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভাইরাল গানটিতে দেখা যাচ্ছে রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে হাঁটছেন। কোথাও আবার ঝাঁঝালো বক্তৃতা দিচ্ছেন। আর তাতেই মন মজেছে শাহজাহানের অনুগামীদের। গানের প্রতিটি লাইনে বারবার বলা হয়েছে, ‘বাদশা তুমি শাহজাহান ভাই, উত্তর ২৪ পরগনা তোমাকেই চায়’। কোথাও তিনি ‘বাদশা’, কোথাও ‘জাতির জনক’, কোথাও ‘নারীদের ত্রাতা” থেকে ‘গরিবের রবিন হুড’ হেন কোনও বিশেষণ বাদ দেননি তাঁর অনুগামীরা। আর এই নিয়ে একটি গানও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শাহজাহান বাহিনী সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করত। সেই সময় তৃণমূল নেতার অনুগামীদের তৈরি করা গানে বলা হচ্ছে তিনিই নারীদের ত্রাতা। গানের লাইন ঠিক এই রকম, ‘বাজি রেখে প্রাণ, যে বাঁচায় নারীর সম্মান, রাখি মন কুটিরে, স্বপ্ন জুড়ে ভাই শাহজাহান।’ এখানেই শেষ নয়, অনুগামীরা মজেছেন শাহজাহানের হাসিতেও। গানে-গানে তাই গাইতে শোনা গিয়েছে, ‘তোমার মিষ্টি হাসি-ভালবাসি লাভ ইউ সুলতান।’

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    শাহজাহানের অন্যতম সাগরেদ উত্তম সর্দারকে সাসপেন্ড করে বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। এখন শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) মাথা থেকে হাত সরায়নি শাসক দল। তবে, সন্দেশখালি ইস্যুতে যেভাবে দিনে দিনে পায়ের তলায় মাটি হারাচ্ছে তৃণমূল, তাতে শাহজাহানের ওপর কতদিন দল আস্থা রাখতে পারে, তা নিয়ে অনুগামীরাও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তাই, শাহজাহানের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁর অনুগামীরা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জাতির জনক বলতে আমরা মহাত্মা গান্ধীতে বুঝি। এভাবে মহিলাদের ওপর নির্যাতনকারী, তোলাবাজকে জাতির জনক বলায় মহাত্মা গান্ধীকে অপমান করা। এই ধরনের গান অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santipur: স্কুল ছাত্রদের নিয়ে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিপুরের কলেজ পড়ুয়া অতনু

    Santipur: স্কুল ছাত্রদের নিয়ে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিপুরের কলেজ পড়ুয়া অতনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদবী পাল নয়। বংশে কেউ কোনওদিন প্রতিমা তৈরি করেননি। তাতে কী হয়েছে? মনের মধ্যে ইচ্ছা ছিল মৃৎশিল্পী হওয়ার। পড়াশুনার পাশাপাশি নিজের শিল্প সত্তাকে ফুটিয়ে তুলেছেন নদিয়ার শান্তিপুরের (Santipur) অতনু বিশ্বাস। গত চার বছর আগে বিদ্যালয়ের সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করার জন্য আগ্রহী হয়েছিলেন তিনি। যদিও তখন তিনি স্কুল ছাত্র ছিলেন। এক সময় তিনি শান্তিপুর তন্তুবাই হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন। তাঁর ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান শিক্ষককে। এরপর প্রধান শিক্ষকের অনুমতি মেলায় শুরু করে সরস্বতী প্রতিমা তৈরির কাজ।

    কী বললেন কলেজ পড়ুয়া প্রতিমা শিল্পী? (Santipur)

    প্রথম বছরই প্রতিমা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের। তারপর চার বছর ধরে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করছেন অতনু। ২০২৩ এ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি এখন শান্তিপুর (Santipur) কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। কিন্তু, বিদ্যালয়ের প্রতি ভালোবাসা এতটুকুও কমেনি তাঁর। এবছরও বিদ্যালয়ে তৈরি করছেন সরস্বতী প্রতিমা। তবে, অতনুর সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়েছেন অন্যান্য ছাত্ররা। এখন দিনরাত এক করে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত অতনুসহ তাঁর সহকারীরা। অতনু বলেন, আমার এই অদম্য ইচ্ছা শক্তির একটাই কারণ হচ্ছে, প্রতিমা তৈরির জন্য কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়, সেখানে শান্তিপুরেও স্বনামধন্য অনেক মৃৎশিল্পী থাকলেও তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হয় না। আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, মৃৎ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত না হয়েও শুধু ইচ্ছা শক্তি থাকলে সবই সম্ভব।

    শিল্পীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধান শিক্ষক

    অতনুর এই আত্মবিশ্বাসকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনুপ সাহা। তিনি বলেন, ও বরাবরই শিল্পপ্রেমী। পড়াশোনাতে খুব একটা ভালো না হলেও ওর মধ্যে অদ্ভুত পাগলপনা আছে। সব থেকে বড় কথা অতনু বরাবরই খুবই বাধ্য ছেলে। প্রথমবার প্রতিমা তৈরি করে সকলের নজর কেড়েছিল। অন্যবারের মতো এবারও আমাদের স্কুলে ও প্রতিমা তৈরি করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীর নামে থাকা বার্ধক্য ভাতা হাতিয়ে নিতেন তৃণমূল নেতা!

    South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীর নামে থাকা বার্ধক্য ভাতা হাতিয়ে নিতেন তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূল পঞ্চায়েতকে হাত করে একসঙ্গে দুটি বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন এক তৃণমূল নেতা। হাতিয়ে ছিলেন অন্যের আবাস যোজনার বাড়িও। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার বাবুরমহল গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামে। এতদিন এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল। এবার পঞ্চায়েতে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। আর তার পরই দুর্নীতি পর্দাফাঁস হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার বাবুরমহল গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামে স্থানীয় তৃণমূল নেতার নাম বাসুদেব মাইতি। তাঁর দাদা বসুদেব মাইতি বিজেপি কর্মী। তৃণমূল নেতা নিজের নামে বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করেন। আর তাঁর দাদা বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু, তাঁর নামে কোনও টাকা এলেও তিনি তা পেতেন না। সরাসরি সেই টাকা তৃণমূল নেতার অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেত। বিজেপি কর্মী বসুদেব মাইতি বলেন, বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন করেছি। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। এমনকী তাঁর আরও অভিযোগ, আমার নামে আসা আবাস যোজনার বাড়িও হাতিয়ে নিয়ে তৃণমূল নেতা ভাই। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা বাসুদেব মাইতির সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি কোনও কিছুই বলতে রাজি হননি। বিজেপি বোর্ড ক্ষমতায় এসে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে জানতে পারেন, তালিকায় নাম আলাদা হলেও অ্যাকাউন্ট নম্বর তৃণমূল নেতার ছিল। ফলে, বিজেপি কর্মী ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কুলপির বিডিও সৌরভ গুপ্ত বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কুলপি ব্লকের শিক্ষার কর্মাধ্যক্ষ সুপ্রিয় হালদার বলেন, এই ধরনের কোনও অভিযোগ এখনও আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। তবে, ওই ব্যক্তি ব্লকে এসে যোগাযোগ করলে অবশ্যই তিনি তাঁর টাকা ফেরত পাবেন। বিজেপি নেতা বিকাশ মণ্ডল বলেন, ওই বৃদ্ধ আমাদের দলের কর্মী বলে তাঁর বার্ধক্য ভাতা পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া অন্য কোনও কিছুই কারণ নয়। আমাদের দাবি, বকেয়া সমস্ত টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share