Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sukanta Majumdar: ”সম্প্রীতি মিছিল’ করে হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা করছেন মমতা’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ”সম্প্রীতি মিছিল’ করে হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা করছেন মমতা’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনই ‘সম্প্রীতি মিছিল’ করতে চলেছে তৃণমূল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই আবহের মধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ২২ জানুয়ারি ‘সম্প্রীতি মিছিল’ করে হিংসায় উস্কানি দিতে চাইছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের উচিত হিংসায় উস্কানি দেওয়ার পরিকল্পনাকে ভেস্তে দেওয়া। জানা গিয়েছে, এই মিছিলের জেরে রাজ্যে সম্প্রীতি বিঘ্নিত হতে পারে, এমন দাবি করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত স্বাভাবিক বলেই মনে করেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি।

    ‘সম্প্রীতি মিছিল’ করে হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা (Sukanta Majumdar)

    বুধবার হুগলির ধনেখালিতে বিজেপির রাজ্য চিকিৎসক সেলের কো-কনভেনার ড. অরূপকুমার দাস বাড়িতে আসেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সেখানে তিনি বলেন, ২২ জানুয়ারি আপনারা জানেন যে রামমন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে। হিন্দু সমাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেদিন মন্দিরে মন্দিরে পুজো করবে। ভগবান রামের আরধানা করবে এবং যে দেবতার মন্দির, তাঁর আরাধনা করবে। এই পরিস্থিতিতে এই মিছিলের ডাক দিয়ে আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উস্কানি দিয়ে হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন। এই হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা আদালতের উচিত ভেস্তে দেওয়া।

    লাদেনের শেষ পরিণতির মতো খুঁজে পাওয়া যাবে না শাহজাহানকে!

    এ দিন তিনি শেখ শাহজাহান প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, শেখ শাহজাহানকে ধরতে পারছে না বলাটা ঠিক নয়। আসলে পুলিশ তৃণমূল কংগ্রেসের কথায় এই নাটক করছে।  সত্যের অপলাপ হচ্ছে। বিচারপতি তো আর অত খুলে বলতে পারবেন না। বলা সম্ভবও নয়। পুলিশ জানে শাহজাহান কোথায় লুকিয়ে আছে। দরাদরি চলছে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। তবে এটা ঠিক একবার যখন ইডির গায়ে হাত দিয়েছে, অত সহজে ছাড় পাবে না। গুহায় লুকিয়ে থেকে লাদেন একসময় অডিয়ো – ভিডিয়ো বার্তা পাঠাত। লাদেনের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল সবাই জানে। কোথায় তাকে কবর দেয়া হয়েছিল কেউ জানে না। শেখ শাহজাহানেরও সেই রকমই একটা পরিণতি হবে। খুঁজে পাওয়া যাবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠার দিন নন্দীগ্রামে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বলবে’, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠার দিন নন্দীগ্রামে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বলবে’, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠার দিন নন্দীগ্রামে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বলবে। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ১৭ টি এলাকায় ২০ হাজার পরিবারের হাতে এক লক্ষ দীপ দান করা হয়। দীপ দান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।

    দুর্নীতিবাজদের দলে নেওয়া হবে না, বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত পরেশ অধিকারী বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ফেক সংবাদ, ভারতীয় জনতা পার্টি এগুলো নিয়ে ভাবছে না। যারা দুর্নীতিবাজ বা যুব সমাজের খাবার কেড়ে নিচ্ছে দল তাদের নেবে না। অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে কি বিজেপিতে যোগদান করার জন্য আপনার সঙ্গে নেতারা কি যোগাযোগ করছে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করছে না। আমি জনগনের সঙ্গে কাজ করি। আমার সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক, নেতাদের সঙ্গে নয়। কেন এমন কথা বললেন শুভেন্দু। যা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    মঞ্চ বেঁধে হল প্রদীপ বিলি!

    সকাল থেকেই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে মঞ্চ বেঁধে এলাকার মানুষের হাতে প্রদীপের বাক্স তুলে দেওয়া হয়। হাজার হাজার মানুষ এদিন প্রদীপ নিয়ে যান। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) উদ্যোগী হয়ে মাটির প্রদীপ তুলে দেন। রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন সকলকে অকাল দীপাবলি পালনের আবেদন জানান বিরোধী দলনেতা। ট্যুইট করেন তিনি। 

    Hon’ble Prime Minister Shri @narendramodi Ji asked the countrymen to light up Diyas and illuminate our homes with ‘Ram Jyoti’ 🪔 and celebrate Diwali for the homecoming of Ram Lalla, on the auspicious occasion of the Consecration Ceremony of Ram Lalla Idol and Ram Temple… pic.twitter.com/ZIU8w1X7Y4

    শাহজাহান নিয়ে ফের মুখ খুললেন শুভেন্দু

    সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলাকারীর মূল হোতা শেখ শাহজাহান এখনও নিখোঁজ। এই ঘটনায় সাতজনকে কয়েক দফায় পুলিশ গ্রেফতার করতে পারলেও শাহজাহানের হদিশ পায়নি পুলিশ। আর এই ঘটনাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন,যতক্ষন না তদন্তভার সিবিআই নেয়, ততক্ষণ মমতার আলালের ঘরে দুলালরা ধরা পড়বে না। তাই অবিলম্বে সিবিআই কিংবা এনআইএর হাতে তদন্তভার তুলে দিলে তবেই শাহজাহানরা ধরা পড়বে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: স্ত্রীর দেহ টুকরো টুকরো করে খালে ফেলে থানায় ডায়েরি, আত্মহত্যার নাটক স্বামীর!

    North 24 Parganas: স্ত্রীর দেহ টুকরো টুকরো করে খালে ফেলে থানায় ডায়েরি, আত্মহত্যার নাটক স্বামীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যমগ্রামে দিল্লির শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া! স্ত্রীকে কুপিয়ে টুকরো টুকরো করে খালে ফেলল স্বামী। এখনও পর্যন্ত উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রামের সেই খাল থেকে মুখের কিছুটা অংশ, হাতের টুকরো উদ্ধার করতে পেরেছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে গলার নীচ থেকে পেট পর্যন্ত অংশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই মহিলার নাম সায়রা বানু। পরে, থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তাঁর স্বামীও বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তিনি বারাসত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশের নজরবন্দি রয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    স্ত্রীর দেহ টুকরো টুকরো করে খালে ফেলে দেওয়া হয় (North 24 Parganas)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রীকে খুন করে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলেন স্বামী। তার পর সেই টুকরো ছড়িয়ে দেন খালের জলে। যাতে কারও সন্দেহ না হয় সে জন্য উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রাম থানায় লিখিতভাবে স্ত্রীর নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগও জানান বছর ৫৫-এর নুরউদ্দিন মণ্ডল। কিন্তু, শেষ রক্ষা হল না। পুলিশি তদন্ত খানিকটা এগোতেই তদন্তকারীরা বুঝতে পারেন, নুরউদ্দিন নিজেই স্ত্রীকে খুন করেছেন। তার পর দেহকে কয়েক টুকরো করে মধ্যমগ্রাম থানার রোহান্ডার খালের জলে ছড়িয়ে দিয়েছেন। মধ্যমগ্রামের এই ঘটনায় দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকার ঘটনার ছায়া দেখছেন অনেকে। ২০২২ সালের ঘটনায় শিউড়ে উঠেছিল দেশ। লিভ ইন পার্টনারের দেহ ৩৫ টুকরো করে তা ফ্রিজে ভরে রেখেছিল অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। তারপর ধীরে ধীরে তা জঙ্গলে ফেলে আসত। সেই একই ঘটনা সাক্ষী থাকল মধ্যমগ্রাম।

    জমি নিয়ে বিবাদেই খুন!

    নুরউদ্দিনের স্বীকারোক্তি অনুসারে তার বাড়ির পাশে রাতেই তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। তল্লাশিতে সায়রা বানুর একাধিক দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। বাকি দেহাংশের খোঁজে তল্লাশি জারি রয়েছে। ওদিকে অভিযুক্ত বর্তমানে বারাসত হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। তাকে নজরবন্দি করে রেখেছেন পুলিশকর্মীরা। হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হবে বলে সূত্রের খবর। নুরউদ্দিনের শ্যালক কালাম সাহেব বলেন, জমি নিয়ে দিদির সঙ্গে জামাইবাবুর ঝামেলা চলছিল। দিদির নামে থাকা জমি জামাইবাবু নিজের নামে করতে চাইছিলেন। সেটা নিয়ে গন্ডগোল চলছিল। তিনদিন ধরে খোঁজ মিলছিল না। পরে, খালের ভিতর থেকে বস্তার মধ্যে দেহের অংশ উদ্ধার হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: সরকারি জমিতে পার্টি অফিস তৈরি করে দাপট দেখাচ্ছে তৃণমূল, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

    North 24 Parganas: সরকারি জমিতে পার্টি অফিস তৈরি করে দাপট দেখাচ্ছে তৃণমূল, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি জমিতে তৃণমূলের কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠল। সরকারি জমিতে রয়েছে শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) দত্তপুকুর থানার কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুল গ্রামে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, স্কুলের জমি দখল করে কার্যালয় নির্মাণ করছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শাহাবুদ্দিন সর্দার। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (North 24 Parganas)  

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) লক্ষ্মীপুল শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের জমিতে তৃণমূলের কার্যালয় তৈরির ঘটনায় অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুল লাগোয়া জমিতে রাজনৈতিক কার্যালয় তৈরি করলে পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হবে। নির্মাণের জন্য বালির স্তূপ জড়ো করা রয়েছে স্কুলের সামনে। ফলে পড়ুয়াদের যাতায়াতে অসুবিধা হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, ইতিমধ্যে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তবে তৃণমূলের যাঁরা কার্যালয়টি তৈরি করছেন, তাঁদের দাবি, স্কুলের জমি দখল করা হয়নি। শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আমিনা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে আমি প্রতিবাদ করিনি। তবে আমাকে বিডিও অফিস থেকে বলা হয়েছিল, নির্মীয়মাণ কার্যালয়ের ছবি পাঠাতে। আমি তা পাঠিয়েছি। জানিয়েছি, স্কুল ও দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে কতটা দূরত্ব রয়েছে।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেতা শাহাবুদ্দিনসাহেব বলেন, স্কুলের জমিতে নয়, জেলা পরিষদের জমিতে পার্টি অফিস তৈরি হচ্ছে। জেলা পরিষদের ৩.৫ শতক জমি স্কুলের নামে রয়েছে। সম্পূর্ণ জমি আছে ৫ শতক। স্কুলের সীমানার বাইরের জমিতে রাতে বসার জন্য পার্টি অফিস করছি। এতে কারও কোনও সমস্যা হবে না।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির কোটরা-কদম্বগাছি মণ্ডল সভাপতি কালীপদ ঘোষ বলেন, তৃণমূল তো এ রকমই করে। এটাই ওদের সংস্কৃতি। সরকারি জমি দখল করে পার্টি অফিস হবে, সরকারি জমি দখল করে প্লটিং হবে। ওদের একেবারে উপর থেকে তলা পর্যন্ত এই জিনিস চলছে। গায়ের জোরে এই কাজ করছেন পঞ্চায়েত সদস্য। প্রশাসন উদাসীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Naihati: দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে খুন করে আত্মঘাতী হলেন বাবা, নৈহাটিতে চাঞ্চল্য

    Naihati: দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে খুন করে আত্মঘাতী হলেন বাবা, নৈহাটিতে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ বছরের ছেলে এবং ৯ বছরের মেয়েকে বিষ খাইয়ে মেরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হলেন বাবা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটি (Naihati) শিবদাসপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জ্যোতিপ্রকাশ মণ্ডল, জয়মাল্য মণ্ডল (৫) এবং লাজবন্তী মণ্ডল (৯)। মঙ্গলবার এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Naihati)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  জ্যোতিপ্রকাশবাবু পেশায় হাইস্কুলের শিক্ষক। তিনি নৈহাটির (Naihati) বুদরিয়া এলাকায় থাকেন। দশ বছর আগে লাবনী মণ্ডলের সঙ্গে জ্যোতিপ্রকাশের বিয়ে হয়। তাঁদের প্রথমে কন্যা সন্তান হয়। পরে, পুত্র সন্তান হয়। এলাকায় এক মহিলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক রয়েছে বলে স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা ছিল না। প্রতিবেশীদের বক্তব্য, মাঝে মধ্যেই গন্ডগোল লেগেই থাকত। জানা গিয়েছে, সোমবার লাবনীদেবীর এক আত্মীয়ের মৃত্যু হওয়ায় তিনি বাপের বাড়়ি চলে যান। বাড়িতে দুই সন্তানকে রেখে যান। প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে বের হন জ্যোতিপ্রকাশবাবু। আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। মঙ্গলবার মাঠের মধ্যে দুই সন্তানকে স্থানীয় বাসিন্দারা পড়ে থাকতে দেখেন। আর জ্যোতিপ্রকাশবাবু দেহ উদ্ধার হয় মাঠের মধ্যে একটি শ্যালো মেশিনের ঘরে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জ্যোতিপ্রকাশ শিক্ষক হিসেবে ভালো। তিনি ভালো মানুষও ছিলেন। সন্তানদের তিনি খুব ভালোবাসতেন। প্রতিদিন বিকালে মাঠে খেলা করতে নিয়ে যেতেন। সেই মানুষ এভাবে নিজের সন্তানকে মেরে দেবে তা ভাবতেই পারছি না।

    আত্মঘাতী শিক্ষকের স্ত্রী কী বললেন?

    এদিন বিষয়টি জানার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ভিড় করেন। জ্যোতিপ্রকাশবাবুর স্ত্রী লাবণী মণ্ডল বলেন, আমার ঠাকুমা মারা গিয়েছেন বলে আমি চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু, ও এভাবে আমার সন্তানদের খুন করে দেবে আমি ভাবতে পারিনি। এর আগেও ও আমাকে একবার খুন করার চেষ্টা করেছিল। আমি ভাগ্য জোরে বেঁচে গিয়েছিলাম। ও আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিল। আমি ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। তবে, এভাবে আমার সন্তানদের ও খুন করে সব শেষ করে দেবে তা ভাবতে পারিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: তৃণমূলের জমানাতেই চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা!

    Balurghat: তৃণমূলের জমানাতেই চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। শাসক দলের অনেক নেতা-মন্ত্রী এখন জেল খাটছেন। তৃণমূলের জমানাতেই ফের চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, প্রতারকের নাম নিতাই ঘোষ। চাকরি না পেয়ে প্রতারকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসলেন প্রতারিত যুবক সজল ঠাকুর। সোমবার বিকেলে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) শহরের চকভৃগু নদীপার উচ্চ বিদ্যালয় পাড়া এলাকায়। তবে,অভিযুক্ত ওই ব্যবসায়ী টাকা নেওয়ার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

    প্রতারকের বাড়ির সামনে ধর্না (Balurghat)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারক আগে ঠিকাদারি করলেও বর্তমানে অভিযুক্তর একটি তেলের মিল, গাড়ি ও কাঠের ব্যবসা রয়েছে। কিন্ত, এসবের পরেও তিনি নিজেকে প্রভাবশালী তকমা দিতেন। প্রশাসনের অনেক আধিকারিকের সঙ্গে আলাপের কথা বলতেন। সেই ফাঁদে পা দিয়েই এই যুবক প্রতারিত হয় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, চাকরি পাওয়ার আশায় ৫ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন সজল ঠাকুর নামে প্রতারিত যুবক। সজলবাবুর বাড়ি তপন থানার করদহ এলাকায়। তিনি বলেন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মী হিসেবে চাকরি পাইয়ে দেবে বলে বছর আড়াই আগে ৫ লক্ষ টাকা নেন নিতাই ঘোষ। কিন্ত, মেলেনি কোনও চাকরি। টাকাও ফেরত দেননি ওই ব্যক্তি। অবশেষে সোমবার বিকেলে তপন থেকে বালুরঘাটে (Balurghat) এসে ওই ব্যক্তির বাড়িতে আমি টাকা চাই। কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার আমি ধর্নায় বসে যাই নিতাই ঘোষের সদর দরজায়। তবে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে তিনি একটি ফেস্টুন সঙ্গে নিয়ে এসেছিলাম। মুহূর্তে এলাকায় ভিড় জমে যায়। তিনি আরও বলেন, জমি বন্ধক রেখে আমি নগদ টাকার ব্যবস্থা করেছিলাম। বেশ কয়েকবার ভুয়ো নিয়োগপত্র দিয়েছিলেন নিতাই ঘোষ। কিন্ত, প্রতারণা ধরা পড়তেই তিনি টাকা দেবেন বলে জানান। বেশ কয়েকবার তাঁর পিছনে ঘুরেও টাকা পাইনি। অবশেষে এই পথ অবলম্বন ছাড়া আর উপায় ছিল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘অকাল দীপাবলি’ পালনের আবেদন জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘অকাল দীপাবলি’ পালনের আবেদন জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনে জোরদার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে অযোধ্যায়। ২২ জানুয়ারি মন্দির উদ্বোধন হবে। বিশেষ ওই দিনে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য দেশবাসীর কাছে আবেদন রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আবহের মধ্যে এবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন সকলকে ‘অকাল দীপাবলি’ পালন করতে বললেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ‘অকাল দীপাবলি’ পালনের আবেদন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    সোমবার মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে খেজুরি-২ ব্লকের নিজকসবা এলাকায় শতাব্দী প্রাচীন গঙ্গোৎসবের সূচনা করেন শুভেন্দু। সঙ্গী হিসেবে স্থানীয় বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক এবং উত্তর কাঁথির বিধায়ক সুমিতা সিংহ উপস্থিত ছিলেন।  মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘২২ তারিখ অকাল দীপাবলী উদযাপন করুন। রামের নামে ঝড় বইবে। আমি এক লক্ষ প্রদীপ কিনেছি। নন্দীগ্রামের কুড়ি হাজার মানুষকে সেই প্রদীপ তুলে দেব।’ পাশাপাশি তিনি বলেন, খেজুরির গঙ্গা মন্দির এলাকার বিধায়ক এবং বিজেপির প্রতীকে জয়ী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় সংস্কার করা হবে।

    রামের নামে সুনামি হবে, বললেন শুভেন্দু

    আগামী দিনে পূর্ব মেদিনীপুরে ‘রামের নামে সুনামির’ ইঙ্গিতও দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। তিনি  বলেন, ‘রাম নামে ঝড় বইবে। সমুদ্রে সুনামি দেখেছেন। ২২ তারিখ রামের নামে সুনামি বইবে। উল্লেখ্য, বিভিন্ন সময়ে দলীয় কর্মসূচিতে শুভেন্দুর মুখে শোনা গিয়েছে, ‘তমলুক আর কাঁথিতে বিজেপি জিতবে। তমলুক আর কাঁথি লোকসভা নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দেওয়ার কথা তিনি বলেছেন। গত বিধানসভা ভোটে প্রাপ্ত ভোটের নিরিখে কাঁথি এবং তমলুক দু’টি আসনে এগিয়ে রয়েছে পদ্ম শিবির। জেলার ১৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটিতে জয়ী হয়েছে তারা। লোকসভা ভোটের আগে অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার আবহে শুভেন্দু জেলা জুড়ে হিন্দুত্ব আবেগের ঝড় তুলতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Galsi: দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, ছুড়ে ফেলা হল পতাকা, তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    Galsi: দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, ছুড়ে ফেলা হল পতাকা, তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পর এবার গলসি (Galsi)। ফের তৃণমূলের কোন্দলের ঘটনা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াইয়ে ভাঙচুর হল দলীয় কার্যালয়। রাস্তায় ছুড়ে ফেলা হল দলের পতাকা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে গলসির জগুলিপাড়া মোড়ে। আর এই ঘটনার জেরে কার্যত মুখ পুড়েছে শাসকদলের নেতাদের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Galsi)

    গলসি-১ (Galsi) নম্বর ব্লকে প্রাক্তন ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন এবং বর্তমান ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় এবং স্থানীয় বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই এই তিন জনের তিনটি গোষ্ঠী রয়েছে বলে তৃণমূলের একটি সূত্রে খবর। এর আগেও বেশ কয়েক বার গোষ্ঠীকোন্দলে জড়িয়েছে তিন গোষ্ঠী। গত ২ জানুয়ারি বিধায়ক নেপালের গোষ্ঠী এবং ব্লক সভাপতি জনার্দনের লোক জনের মধ্যে গন্ডগোলে এলাকায় বোমাবাজিরও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে ফের কোন্দল সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, গলসির জাগুলিপাড়া মোড়ে তৃণমূলের একটি কার্যালয় রয়েছে। গত বছরের ২৫ নভেম্বর ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় সেটির উদ্বোধন করেছিলেন। তখন থেকে তাঁর অনুগামীরাই মূলত ওই কার্যালয়ে বসতেন। অভিযোগ, রবিবার রাতে দলীয় কার্যালয়ের ছাউনির একাংশ এবং শহিদ বেদি ভেঙে দেওয়া হয়। বসার বেঞ্চগুলো ছুড়ে বাইরে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। বিধায়ক গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে এই হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এর আগেও ব্লক সভাপতি এবং বিধায়কের মধ্যে একাধিকবার গন্ডগোলে ঘটনা সামনে এসেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এই গন্ডগোল এবং ভাঙচুর নিয়ে গলসির (Galsi) বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই কোনও মন্তব্য করতে চাননি। রাজ্য তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস অবশ্য জানান এ নিয়ে তাঁরা অবহিত। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাটি জেনেছি। খোঁজখবর নিয়ে জানব, কারা এই কাজ করেছেন। আর দলীয় অফিস যারা ভেঙেছে, তাদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।                                                

  • BSF: মাটির নীচে সোনার বিস্কুট-কাশির সিরাপ, অভিনব পাচার ভেস্তে দিল বিএসএফ

    BSF: মাটির নীচে সোনার বিস্কুট-কাশির সিরাপ, অভিনব পাচার ভেস্তে দিল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফের (BSF)  চোখে ধুলো দিতে এখন পাচার সামগ্রী পুঁতে রাখা হচ্ছে বাড়ির উঠোনে! পরে পরিস্থিতি ঠান্ডা হলে, সীমান্তে নজরদারি শিথিল হলেই সুযোগ বুঝে তা বার করে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে গন্তব্যে। অভিনব কায়দায় পাচার করার ছক কষেছে পাচারকারীরা। তদন্তে নেমে বিএসএফের কাছে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য হাতে এসেছে।

    পাচারকারীদের পাচারের নতুন কী কৌশল? (BSF)  

    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে গৃহস্থের বাড়ির উঠোন খুঁড়ে মিলেছিল ১৫ কেজি মতো অবৈধ সোনা। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি সীমান্তেও একই ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। কাঁটাতারের বেড়া থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে একটি বাড়ির মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। এই দু’টি ঘটনার সূত্র ধরে নতুন পাচার কৌশলের খোঁজ পেলেন সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর তদন্তকারীরা। বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে নদিয়ায় কৃষ্ণগঞ্জ থানার বিজয়পুর গ্রামে একটি বাড়িতে হানা দেয় ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ান-সহ কলকাতার রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকেরা। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে তাঁরা ১০৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায় যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, বিস্কুটগুলি পাচারের উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটগুলির ওজন ১৪.২৯৬ কেজি। জেরায় ধৃতেরা জানিয়েছেন, সোনার বিস্কুটগুলি বাংলাদেশের নাস্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ ও নাসির নামের দুই চোরাচালানকারীর কাছ থেকে তাঁরা সংগ্রহ করেছিলেন। সেগুলি বিজয়পুর এলাকা সংলগ্ন গেদে গ্রামের বাসিন্দা সন্তোষ হালদারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। সীমান্তে বিএসএফের অতি তৎপরতা থাকায় নজরদারি এড়াতে কিছু দিনের জন্য পাচারকারীর বাড়িতেই পুঁতে রাখা হয়েছিল সোনার বিস্কুটগুলি। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্য একটি ঘটনায় মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানা এলাকার পরাশপুর সীমান্তে একটি বাড়ির উঠোনের নীচে কাশির সিরাপ রাখা ছিল। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি কী বললেন? (BSF)

    দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি একে আর্য বলেন, কৌশল বদলে বেশ কিছু ক্ষেত্রে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির উঠোন থেকে পাচার সামগ্রী মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়েছে। উঠোন থেকে পাচার সামগ্রী মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রথমে বেগ পেতে হলেও ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য হাতে এসেছে। পাচারকারীদের নতুন কৌশল ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: তোলা না পেয়ে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, বনধ ডাকলেন ব্যবসায়ীরা

    Barrackpore: তোলা না পেয়ে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, বনধ ডাকলেন ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলার টাকা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা চালানোর ঘটনার ঘটেছিল। বারাকপুরের (Barrackpore) সদর বাজার এলাকায়। আক্রান্ত ব্যবসায়ী গৌরব রায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সদর বাজারের ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বনধের ডাক দিলেন। এদিন সদর বাজারে কোনও দোকান খোলেনি। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, হামলা চালানোর একটা অভিযোগ হয়েছে। হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore) সদর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী  গৌরব রায়কে বেশ কিছুদিন ধরে ফোনে হুমকি দিচ্ছিল স্থানীয় যুবক সোনু সাউ। তার কাছ থেকে বারংবার টাকা দাবি করা হচ্ছিল।  কিন্তু কয়েকদিন ধরে সনুর  গৌরব রায় ফোন ধরা বন্ধ করে দেয়। রবিবার সকালে গৌরব রায় যখন নিজের কর্মস্থলে যান, সেই সময় সেখানে সনু উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ী গৌরব কে  ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। আহত অবস্থায় তাকে ব্যারাকপুর জগদীশ চন্দ্র বসু জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।  ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে উপস্থিত হন ব্যারাকপুর থানার পুলিশ। আহত যুবক গৌরব রায বলেন, আমার ফার্নিচারের দোকান রয়েছে। আমি এটা ফ্ল্যাট তৈরি করছি। এটাই আমার অপরাধ। কয়দিন ধরে ফোন করে আমাকে তোলা চায় সনু। আমি ওর ফোন ধরা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। ও আমার ফ্ল্যাটের কাজ বন্ধ করে দেয়। মিস্ত্রিদেরকে  সেখান থেকে বের করে দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে আমি ঘটনাস্থলে যাই। সনু কে এই ধরনের ও আচ্ছা  আচরণ করতে নিষেধ করি। উল্টে সে আমাকে ধারালো অস্ত্র  দিয়ে কোপ মারে। আমার ভাই বাঁধা দিতে গেলে তাকে মারধর করে। আমার এক বন্ধু সেখানে এলে তার উপরও চড়াও হয়। পরে এলাকার লোকজন  জড়ো হতে  ও পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি।

    ব্যবসায়ীরা কী বললেন?

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ব্যবসা করার জন্য তোলা দিতে হলে এই এলাকায় কেউ আর ব্যবসা করতে পারবে না। এটা ঠিক নয়। আমরা তাই ব্যবসা বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছি। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি-র বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই তোলাবাজির সঙ্গে তৃণমূল জড়িত। তৃণমূলের দৌরাত্ম্যে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ। সারা রাজ্য জুড়ে এইভাবে তোলাবাজি চলছে। তৃণমূল নেতা সঞ্জীব সিং বলেন, ঘটনাটি ঠিক হয়নি। তবে, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত নয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share