Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তর বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না প্রশাসন, ক্ষুব্ধ বিজেপি

    Sukanta Majumdar: সুকান্তর বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না প্রশাসন, ক্ষুব্ধ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না পুলিশ। আগামীকাল স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে সাংসদের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই বাইক মিছিলের অনুমতি দেওয়া হল না। ফলে, বিজেপি কর্মীরা ক্ষুব্ধ।

    বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না প্রশাসন (Sukanta Majumdar)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার যুব দিবসের দিন সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে গঙ্গারামপুর থেকে বালুরঘাট বিজেপির বাইক মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই কর্মসূচি কার্যকর করতে অনুমতি চেয়ে বিজেপির তরফে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলেও তার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। লোকসভা ভোট ঘোষণা না হলেও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সাংসদ নিবিড় জনসংযোগের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এমনিতেই এই লোকসভায় বিজেপির শক্ত মাটি। তৃণমূলের কাছে এই আসন যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। তাই, তাঁর জনসংযোগমূলক কর্মসূচি পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে বানচাল করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, মিছিলের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    বাইক মিছিল করা হবে, হুঁশিয়ারি বিজেপি নেতৃত্বের

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, আগামীকাল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুর থেকে বালুরঘাট পর্যন্ত বাইক নিয়ে মিছিল করা হবে। নেতৃত্বে থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কিন্তু, এই জেলার পুলিশ ও তৃণমূল আমাদের এই বাইক মিছিল নিয়ে নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে। তৃণমূল জানে যে তারা আগামীদিনে রাজ্যে থাকবে না। পুলিশ দিয়ে আমাদের মিছিল বন্ধ করার চেষ্টা করছে। আমরা আগামীকাল এই বাইক মিছিল করব।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, আগামীকাল স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন মানুষের কাছে আবেগ। প্রশাসন যদি মনে করে এমন কোনও কাজ করলে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হবে, প্রশাসনের অসুবিধা হবে বলেই অনুমতি দেয়নি। আমরা তাতে কোনও হস্তক্ষেপ করিনি।  আর বিজেপি তো কথায় কথায় হাইকোর্ট যায়, তারা হাইকোর্টে যেতেও পারে। হাইকোর্ট কী নির্দেশ দিচ্ছে তা মানুষ দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santipur: তৃণমূলের মদতে সক্রিয় মাটি মাফিয়ারা, চুরি হয়ে যাচ্ছে চাষিদের জমি

    Santipur: তৃণমূলের মদতে সক্রিয় মাটি মাফিয়ারা, চুরি হয়ে যাচ্ছে চাষিদের জমি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার শান্তিপুরে (Santipur) ভাগীরথীর চরে মাটি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তৃণমূলের প্রধানের মদতেই চলছে এই বেআইনি কারবার। বাধা দিতে গেলে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হামলা চালানোর হুমকি দিচ্ছে মাটি মাফিয়ারা। চরম আতঙ্কিত চাষিরা। পুলিশ-প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে চাষিদের অভিযোগ।

    তৃণমূলের মদতেই সক্রিয় মাটি মাফিয়ারা (Santipur)

    শান্তিপুরের (Santipur) হরিপুর পঞ্চায়েতের চৌধুরীপাড়ার গঙ্গার চরে চাষিদের জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সেই জমিতে চাষ করছেন তাঁরা। সেখানেই থাবা বসাচ্ছে মাটি মাফিয়ারা। জমির মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভোর থেকে মাটি ট্রলারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে, নতুন করে এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী। আর তৃণমূলের প্রধান এই বেআইনি কারবারে মদত দিচ্ছেন। এমনকী তাঁর পরিবারের লোকজনও এই বেআইনি কারবারে যুক্ত রয়েছেন। অভিযোগ মাটি কাটতে বাধা দিতে গেলে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে মাটি মাফিয়ারা।

    জমিতে চাষ করতে পারছেন না চাষিরা

    চাষিদের বক্তব্য, গঙ্গার ধারে প্রচুর জমি ছিল। ভাঙনের কারণে সব তলিয়ে গিয়েছে। তাই, গঙ্গার চরে আমরা চাষ করি। সেই জমি থেকে দেদার মাটি কাটা হচ্ছে। তৃণমূলের প্রধানের মদতে মাটি মাফিয়ারা এসে এই কারবার চালাচ্ছে। আমরা আর জমিতে চাষ পর্যন্ত করতে পারছি না। জমিই আমাদের ভরসা। সেই জমি কেড়ে নিলে আমরা আর সংসার চালাতে পারব না। চরম সংকটে পড়ব। পুলিশ-প্রশাসনের কাছে বার বার জানানোর পরও তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধ হোক।

    তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের প্রধান বীরেন মাহাত বলেন, মাটি কাটার বিষয়ে আমার জানা নেই। কেউ মাটি কাটলে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আর এই সব বেআইনি কারবারে কাউকে মদত দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ওরা আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rupam Islam: রূপম ইসলামের অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা, পুলিশের লাঠিচার্জ

    Rupam Islam: রূপম ইসলামের অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা, পুলিশের লাঠিচার্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেগঙ্গায় অনুপম রায়ের পর এবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় রূপম ইসলামের (Rupam Islam) অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হল। দর্শকদের ভিড়ে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। তাতে বেশ কয়েকজন জখম হন। কয়েকজনকে আটক করা হয়। ধৃতদের মধ্যে চারজনের কাছে অস্ত্র পাওয়া যায়। গানের অনুষ্ঠানে অস্ত্র নিয়ে কেন এসেছিল এরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Rupam Islam)

    পূর্ব বর্ধমানের কালনাতে ‘খাদ্য পিঠে-পুলি’ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রূপম ইসলাম (Rupam Islam) ও তাঁর ব্যান্ড ফসিলস। সন্ধ্যে থেকেই গান শুনতে মাঠে দর্শকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। সময় যত বাড়তে থাকে, গায়ককে এক ঝলক দেখতে মাঠের বাইরেও ভিড় জমে যায়। ভিতরেও ভিড়, বাইরেও ভিড়। ফলে,পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কালনা থানার পুলিশ। ভিড় খালি করার নির্দেশ প্রথমে দেওয়া দেওয়া হলেও সেখানে উপস্থিত একাংশ দর্শক তা কানে তোলেনি। সকলেই ব্যস্ত রূপমের গান শুনতে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কালনা থানার পুলিশ আসে। দর্শকরা পুলিশের কথা কানে না তুলতেই লাঠচার্জ করা শুরু হয়। এরপরই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় মেলার ভিতরে। সূত্রের খবর, অনেক মানুষ রাস্তাতেই পড়ে যান। এমনকী পাঁচিল টপকেও কেউ কেউ বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কার্যত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশের ভ্যানে তোলা হয় অনেককে। তবে চারজনকে অস্ত্র সমেত আটক করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

    কালনার বিধায়ক কী বললেন?

    কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ এই পিঠে-পুলি উৎসবের আয়োজন করেন। একটি কমিটিও রয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ প্রসঙ্গে কালনার বিধায়ক বলেন, সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। অতিরিক্ত ভিড়ে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যায়। পুলিশ উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেত। তবে, অনুষ্ঠানে কেউ অস্ত্র হাতে এলে কি পুলিশ ছেড়ে দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: এক পায়ে সাইকেল চড়ে অযোধ্যার রাম মন্দিরের পথে ক্যান্সার আক্রান্ত যুবক

    Ram Mandir: এক পায়ে সাইকেল চড়ে অযোধ্যার রাম মন্দিরের পথে ক্যান্সার আক্রান্ত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের জন্য সমস্ত রকম প্রস্তুতি চলছে। ২২ জানুয়ারি মন্দিরের উদ্বোধন হবে। সেই মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত হওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা সামিল হচ্ছেন। অযোধ্যার সেই কর্মযজ্ঞের সাক্ষী হতে উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা থেকে সৌমিক গোলদার নামে এক যুবক এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে পাড়ি দিলেন। তাঁর এই অদ্যম ইচ্ছাশক্তিকে কুর্ণিশ জানিয়েছে পরিবার, পরিচিত এবং এলাকার বাসিন্দারা। সাহায্যের জন্য সঙ্গে একজন বন্ধু নিয়ে মঙ্গলবার তিনি রওনা দিয়েছেন।

    দুর্ঘটনায় একটি পা খুইয়েছিলেন গোবরডাঙার সৌমিক (Ram Mandir)

    স্থানীয় এবং পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গোবরডাঙার বাবুপাড়ার বাসিন্দা সৌমিকের ২০২০ সালে ডান পায়ে ক্যান্সার ধরা পড়ে। তারপর দীর্ঘ দু’বছর ধরে চলা চিকিৎসায় সাড়াও মিলছিল। কিন্তু, ২০২২ সালে স্কুটি করে যাওয়ার সময় তিনি পড়ে যাওয়ায় ঘটে বিপত্তি। আঘাত লাগে পায়ে বসানো প্লেটে। সেখানে ইনফেকশন হয়ে তা গোটা পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসকরা কোনও উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে সৌমিকের ডান পা বাদ দেন। তারপর থেকে বাঁ পায়ের উপর ভরসা করেই শুরু হয় যুবকের বাকি জীবনের পথ চলা। এদিকে, অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হওয়ার ছবি দেখে গোবরডাঙার এই যুবকের সেখানে যাওয়ার ইচ্ছে জাগে। পরিচিত এবং বন্ধুরাও তাঁকে উৎসাহ দেন। কিন্তু, এতটা পথ এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে কীভাবে যাবে, তা ভেবে বাবা বাসুদেব গোলদার এবং মা ইতিকাদেবী ছেলেকে বহুবার বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, ছেলের প্রবল ইচ্ছেশক্তির কাছে হার মানেন তাঁরা। সৌমিক তাঁর মা-বাবাকে বোঝাতে সক্ষম হন। কলকাতায় লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠেও এক পায়ে স্কুটি চালিয়ে তিনি গিয়েছিলেন। তারপরই তিনি ঠিক করেন, ৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার অযোধ্যার উদ্দেশে পাড়ি দেবেন।

    পরিবেশ দূষণ রোধের বার্তা দিতেই সাইকেলে অযোধ্যা

    সৌমিক বলেন, প্রায় ৯৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথ যেতে সময় লেগে যাবে ১১ দিন। মূলত দিনের আলোতেই প্রতিদিন ৮০ কিমির বেশি পথ যাব। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী থেকে পূণ্য লাভের জন্য পাড়ি দিচ্ছি অযোধ্যায়। পরিবেশ দূষণ রোধের বার্তা দিতেই সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি সাইকেল চালালে শরীর সুস্থও থাকে। এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে যাব ঠিক করার পর পরিবার প্রথমে চায়নি। কিন্তু, বোঝানোর পর পরিবারই আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। গোবরডাঙাবাসীর থেকেও উৎসাহ পেয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রাজ্যে জাল আধার কার্ড চক্রের পর্দাফাঁস! কীভাবে চলত এই কারবার?

    Murshidabad: রাজ্যে জাল আধার কার্ড চক্রের পর্দাফাঁস! কীভাবে চলত এই কারবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে আধার জালিয়াতি চক্র। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের মোটা টাকার বিনিময়ে আধার কার্ড করিয়ে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের গিরিয়া এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের নাম আব্দুর রহমান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পূর্ব পাড়ে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত। কাঁটাতার পেরিয়ে জেলায় মাঝে মধ্যে অনুপ্রবেশকারীরা চলে আসে। বাংলাদেশিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করতেন এই আব্দুর। বিনিময়ে তিনি মোটা টাকাও নিতেন। দীর্ঘদিন জঙ্গিপুর গিরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় কম্পিউটার দোকান খুলে এই বেআইনি কারবার তিনি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর দোকানে হানা দেয়। সেখান থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, বায়োমেট্রিক মেশিন-সহ একাধিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম তথা গ্যাজেট। উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু আধার কার্ডও। ধৃত ব্যক্তি মিঠিপুর এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এই বেআইনি কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিক হওয়ার অন্যতম ঠিকানা ছিল এই আব্দুরের দোকান। বাংলাদেশীদের ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করে দিতেন আব্দুর। বিভিন্ন রকম অপরাধমূলক কাজকর্মে সহযোগিতা করার অভিযোগও রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। ধৃত আব্দুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই কম্পিউটার দোকানের আড়ালে বেআইনি কারবার চালাচ্ছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশ কিছু ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। আর এই ধরনের কারবার কারও একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। ফলে, এর পিছনে কেউ বা কারা রয়েছে। তাদের খোঁজে আমরা তল্লাশি শুরু করেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বালি পাচারেও মদত তৃণমূলের! পথে নেমে আন্দোলন বিজেপি-র

    Birbhum: বালি পাচারেও মদত তৃণমূলের! পথে নেমে আন্দোলন বিজেপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের জমানায় বীরভূম (Birbhum) জুড়ে গরু পাচারের পাশাপাশি বালি পাচারও সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। গরু পাচার মামলায় কেষ্ট এখন তিহারে রয়েছেন। তারপরও এই জেলায় বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য কমেনি। শাসক দল এবং প্রশাসনের কর্মীদের একাংশের মদতে বেআইনিভাবে পাম্পের সাহায্যে বালি তুলে তা পাচার করা চলছে। বিজেপির পক্ষ থেকেই এমনই অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রশাসনের সব স্তরে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

     বালি পাচার রুখতে আন্দোলনে বিজেপি (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া এবং ময়ূরেশ্বর থানা এলাকায় ময়ূরাক্ষী নদীতে বহু বালিঘাট রয়েছে। বৈধ ঘাটের সঙ্গে একাধিক অবৈধ ঘাট রয়েছে বলেও অভিযোগ। অবৈধ ঘাটগুলি থেকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালি পাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বৈধ ঘাটগুলি থেকেও বিভিন্নভাবে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ-প্রশাসনের একটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ময়ূরেশ্বরের কলেশ্বর মোড়ে একটি ছাপাখানায় হানা দিয়ে বালির ঘাটের বেশ কিছু নকল চালান উদ্ধার করে। গ্রেফতার করা হয় ওই ছাপখানার মালিককে। ওই চালান দিয়েই দীর্ঘদিন ধরে বালিপাচার হচ্ছিল বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বেআইনি বালি পাচারের অভিযোগ তুলে সম্প্রতি বিজেপির পক্ষ থেকে সাঁইথিয়ার তালতলা থেকে কোটাসুর পর্যন্ত পদযাত্রা, পথসভা হয়। কোটাসুর মোড়ে দীর্ঘক্ষণ পথ অবরোধও করা হয়। তারপরেও বেআইনি বালি পাচার থামেনি বলে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ। মঙ্গলবার বিজেপি-র পক্ষ থেকে জেলাশাসক, ময়ূরেশ্বর থানার ওসি ও জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিককের কাছে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

    পাম্প বসিয়ে বালি তোলা চলছে, সরব বিজেপি

    বিজেপি-র রাজ্য সহ-সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, শাসক দল ও প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মীর মদতে সাঁইথিয়া থেকে ময়ূরেশ্বর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় নৌকার উপরে পাম্প মেশিন বসিয়ে ময়ূরাক্ষী নদীর নীচে থেকে যথেচ্ছ হারে বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে। এর ফলে শুধু রাজস্ব ক্ষতিই হচ্ছে না, ধস নেমে জনবসতি ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অবিলম্বে বেআইনি এই কারবার বন্ধ করতে হবে।  

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, আমাদের দলের কেউ বেআইনি বালি পাচারের সঙ্গে যুক্ত আছে বলে জানা নেই। যদি থেকে থাকে তাহলে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করলে দল মাথা ঘামাবে না।

    অতিরিক্ত জেলাশাসক কী বললেন?

    বীরভূমের (Birbhum) অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও ভূমি রাজস্ব) অসীম পাল বলেন, পাম্পের সাহায্যে নদীগর্ভ থেকে বালি তোলা সম্পূর্ণ বেআইনি। ওই অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে জোরকদমে। এই আবহের মধ্যে বাংলাতেই রাম মন্দির তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি বা দুটি নয়, তিনটি রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে কোচবিহারে। আর এই মন্দির তৈরির মূল উদ্যোক্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আর একটি মন্দির তো অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে। সেই মতো প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কোচবিহারের কোথায় তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির? (Ram Mandir)

    কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের পাশাপাশি মাথাভাঙা এবং শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করতে উদ্যোগী বিজেপি নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ছড়ারকুঠি গ্রামে দুই ট্রাক বেলেপাথর এসে পৌঁছেছে। খরচ প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা। ওই বেলেপাথর রাজস্থান থেকে নিয়ে আসার তদারকি করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেই। জানা গিয়েছে, কোচবিহার উত্তর বিধানসভার ছড়ারকুঠি এলাকায় প্রায় সাত দশক পুরানো কালীমন্দির রয়েছে। প্রত্যেক দীপাবলিতে সেখানে পুজো হয়। এবার দীপাবলিতে কালীপুজোর সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে তাঁরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি মন্দিরের ফাঁকা স্থানে রামমন্দির তৈরি করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি হওয়ায় রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী নিজেই রাজস্থান থেকে প্রয়োজনীয় বেলেপাথর এবং কারিগরদের নিয়ে এসেছেন।

    অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে এই মন্দিরের উদ্বোধনের পরিকল্পনা

    কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায় বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ছড়ারকুঠি এলাকায় রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হচ্ছে। সেই মন্দির তৈরি করার জন্য সহযোগিতা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেও। মন্দিরটি ৩০ ফুট উচ্চতা এবং ১৫ ফুট চওড়া। মন্দিরের জন্য রাম সহ ৯টি মূর্তি চলে এসেছে। সব ঠিক থাকলে এই মন্দিরটি আগামী ২২ জানুয়ারি সূচনা করা হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখানে স্পোর্টস হাব তৈরি করার ঘোষণা করেছিলেন এখনও সেটা হয়নি। নারায়ণী সেনা তৈরি করার আশ্বাস দিয়েছিলেন সেটাও হয়নি। রাম সকলের হৃদয়ে রয়েছেন। কাজেই তাঁকে নিয়ে রাজনীতি কখনওই করা উচিৎ নয়। সেটা না করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির উচিৎ কোচবিহারের হাজার-হাজার মানুষের ১০০ দিনের বকেয়া টাকা দ্রুত প্রদান করা এবং বাংলা আবাস যোজনার আটকে রাখা টাকা প্রদান করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ঠেলার নাম বাবাজি, চাপে পড়ে আবাস যোজনায় প্রধানমন্ত্রীর নাম লেখার নির্দেশ রাজ্যে

    Uttar Dinajpur: ঠেলার নাম বাবাজি, চাপে পড়ে আবাস যোজনায় প্রধানমন্ত্রীর নাম লেখার নির্দেশ রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের বরাদ্দ বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। বহু আবেদন করেও মেলেনি টাকা। ‘হাউস ফর অল’ প্রকল্পে এবার ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ (শহর) লেখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। সামনের মাসে কেন্দ্রীয় টিম রাজ্যে আসছে। তাই, তড়িঘড়ি প্রকল্পের নতুন নামকরণ বাধ্যতামূলকভাবে লেখার নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য। অন্যান্য জেলার মতো উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইসলামপুর ও ডালখোলা পুরসভাতেও আবাস যোজনার ফলক বদল নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু। ১০০ দিনের মতো এই প্রকল্পের টাকা বন্ধের আশঙ্কায় রাজ্য সরকার এখন কেন্দ্রের দেওয়া নির্দেশ মানতে শুরু করেছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    নতুন নির্দেশিকায় কী রয়েছে? (Uttar Dinajpur)

    গ্রামীণ এলাকায় সরকারি আবাস যোজনার ফলকে ‘বাংলা আবাস যোজনা’র নাম মুছে ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ লেখার ঘটনা ঘটেছে। শহরের ‘সবার জন্য বাড়ি’-প্রকল্পের বাড়িতে তা ছিল না বলে অভিযোগ। নির্দেশ অনুযায়ী, ফলকে ইংরেজি ও বাংলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা লেখার পাশাপাশি, উপভোক্তার নাম, কোন অর্থবর্ষের টাকায় বাড়িটি তৈরি হয়েছে, কত টাকায় তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে কেন্দ্র রাজ্য এবং উপভোক্তাদের অংশ কতটা সবই লিখতে হবে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, শহর অঞ্চলে বসবাসকারী অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মানুষদের জন্য বাড়ি দেওয়া হয়। এই প্রকল্পে মোট বরাদ্দ তিন লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। কেন্দ্র দেয় দেড় লক্ষ, রাজ্য দেয় এক লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা। বাকি ২৫ হাজার টাকা প্রকল্পের উপভোক্তাকে দিতে হয়। আর এতদিন ফলক দেওয়া বাধ্যতামূলক না থাকায় উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলায় একাধিক পুরসভায় এই প্রকল্পের বাড়ি শাসক দলের ঘনিষ্ঠরা পেয়ে গিয়েছেন। বিরোধীদের অভিযোগ, এমন বহু মানুষ আছেন, যাঁদের একাধিক পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। ফলক দেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়ায়, অযোগ্য হয়েও যাঁরা বাড়ি নিয়েছেন তাঁরা ধরা পড়ার ভয় পাচ্ছেন।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    ইসলামপুর পুরসভার পুরপ্রধান কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, নির্দেশ কার্যকর করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ির পাশাপাশি বাংলার বাড়ি লেখা যেতে পারে। ডালখোলার পুরপ্রধান স্বদেশ সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসার কথা রয়েছে। তার আগে, নামের ফলক বদলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুর দফতর। নির্দেশ কার্যকর করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • East Medinipur: ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার সঙ্গে খুঁটিপুজোয় মন্ত্রী-পুত্র

    East Medinipur: ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার সঙ্গে খুঁটিপুজোয় মন্ত্রী-পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) কাঁথি শহর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূলের এক ছাত্র নেতা। এমনকী মন্ত্রী অখিল গিরির ছেলে তথা যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরির সঙ্গে সরস্বতী পুজো খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছে। আর এতেই আতঙ্কিত নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন।

    আদালতের কী নির্দেশ রয়েছে? (East Medinipur)  

    গত বছর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) কাঁথির শাসকদলের এক ছাত্র নেতা শুভদীপ গিরির বিরুদ্ধে। পকসো আইনে মামলা রুজু করেছিল কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ। প্রথমে অভিযুক্ত অধরা থাকলেও হাই কোর্টের নির্দেশে কাঁথি মহকুমা আদালতে ওই ছাত্র নেতা আত্মসমর্পণ করেন। পরে জামিনে ছাড়া পান। তবে তাঁকে জেলার বাইরে থাকার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশকে অমান্য করে সোমবার কাঁথি শহরের সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় একটি ক্লাবের সরস্বতী পুজোর খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন শুভদীপ। আর তাঁর সঙ্গে সেখানে ছিলেন কাঁথি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা যুব তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি। অভিযুক্ত ছাত্র নেতার মোবাইল বন্ধ থাকায় তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আতঙ্কিত নির্যাতিতা পরিবারের লোকজন

    নির্যাতিতার বাবা বলেন, অভিযুক্ত যুবক বহাল তবিয়তে কাঁথিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শাসক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা করছেন। বন্ধুদের নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয়ে সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে। বিষয়টি জানানোর পরও পুলিশ কিছু করেনি। খুব আতঙ্কে রয়েছি।

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই ছাত্র নেতার সঙ্গে থাকা ছবি ফেসবুকেও পোস্ট করেন তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ। আদলতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে যে এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাঁকে সমর্থন করছেন? প্রশ্ন করা হলে যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন,আইনি বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। কোনও মন্তব্য করব না।

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বিজেপি-র

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল বলেন, তৃণমূল করে বলে সাত খুন মাফ। আদালতের নির্দেশকে মানছেন না। আসলে তৃণমূলের দৌলতে গোটা রাজ্য অপরাধীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: জীবিতকে মৃত দেখিয়ে চাকরি চুরি তৃণমূল নেতার! চাঞ্চল্য

    Hooghly: জীবিতকে মৃত দেখিয়ে চাকরি চুরি তৃণমূল নেতার! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার চাকরি চুরির অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। আর তারজন্য চাকরির প্রকৃত প্রাপককে মৃত দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) আরামবাগ এলাকায়। এখনও চাকরির জন্য সরকারি দফতরগুলিতে ঘুরছেন ওই ব্যক্তি। বিষয়টি জানাজানি হতে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) আরামবাগের প্রতাপনগর এলাকায় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরকে জায়গা দান করেন জীবনকৃষ্ণ নাথ নামে এক ব্যক্তি। জমি দেওয়ার বিনিময়ে তাঁর চাকরি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, তা তিনি পাননি। এখন তাঁকে মৃত বলে দাবি করে সেই চাকরি করছেন তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেনের ভাই মহম্মদ সিদ্দিকী। জীবনকৃষ্ণবাবু বলেন, প্রতাপনগর জল প্রকল্পের জন্য জমি দিয়েছি। প্রকল্পের কাজ যখন শুরু হয় তখন আমাকে বা আমার ছেলেকে চাকরি দেওয়া হয়নি। বদলে চাকরি পান এলাকার তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেনের ভাই। এ নিয়ে কোর্টকাছারি করছিলাম বলে বাড়ি থেকে উৎখাতেরও চেষ্টা হয়। নানা হুমকি দেওয়া হয়। তাই, এলাকা ছেড়ে চলে যাই। আর এই সুযোগে তৃণমূল নেতা আমাকে মৃত দেখিয়ে তাঁর ভাইকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছি। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা ও তাঁর ভাই কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেন বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এসব অভিযোগ করে কোনও লাভ নেই। নিয়ম মেনে ভাই চাকরি পেয়েছে। কারও চাকরি চুরি করা হয়নি। তৃণমূল নেতার ভাই মহম্মদ সিদ্দিকী বলেন, অপারেটর পদে আমি দীর্ঘদিন ধরেই চাকরি করছি। আমার বেতনও আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসে। সমস্ত কাগজপত্র আছে। সরকারি নিয়ম মেনেই সবটা হয়েছে। আর ওই ব্যক্তি তো আদালতে গিয়েছেন। আদালত নিশ্চয়ই একটা নির্দেশও দেবে। তখনই সব কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে।

    তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    স্থানীয় আরান্ডি-১ গ্রামপঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান তেগদিরা খাতুন বলেন, সদ্য পদে বসেছি। এ নিয়ে কিছু জানি না। আদালতে বিষয়টি গড়িয়েছে। সেখানে যা নির্দেশ দেবে, সেই নির্দেশ কার্যকরী করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share