Tag: West Bengal

West Bengal

  • Weather Update: ঘন কুয়াশার সতর্কতা ৮টি জেলায়, সপ্তাহান্তে রাজ্যে আরও নামবে পারদ

    Weather Update: ঘন কুয়াশার সতর্কতা ৮টি জেলায়, সপ্তাহান্তে রাজ্যে আরও নামবে পারদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রা নামার ইঙ্গিত দিল হাওয়া অফিস (Weather Update)। আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গে আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গের জন্যও একই ইঙ্গিত মিলেছে। বেশিরভাগ সময়ই জেলাগুলিতে থাকবে ঘন কুয়াশার দাপট। ইতিমধ্যেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি হল দার্জিলিং-সহ উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায়। কুয়াশার চাদরে ঢাকবে দক্ষিণের তিন জেলাও। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার পর তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    কবে থেকে পারদ কমবে? (Weather Update)

    চলতি সপ্তাহের শেষেই ১৫ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলবে কলকাতার পারদ। এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update)। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে মঙ্গলের সকালেও সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা (Winter) ছিল পুরুলিয়ায়। তাপমাত্রা ছিল ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া, ঝাড়গ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি, কল্যাণীতে ১৫.২ ডিগ্রি, শ্রীনিকেতনে ১৩.৬ ডিগ্রি, কৃষ্ণনগরে ১৩.২ ডিগ্রি, বর্ধমানে ১৩.৬ ডিগ্রি, দমদমে ১৭.০ ডিগ্রি এবং বাঁকুড়ায় ১৫.১ ডিগ্রি। বুধবার থেকেই তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১০ ডিগ্রি বা তারও নীচে নামতে পারে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা খানিকটা কমবে। শনিবারের মধ্যে তিন থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পারদ নামতে পারে শহরে। সপ্তাহের শেষে ফিরবে শীতের আমেজ।

    দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ফের দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এই নিম্নচাপ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। এর অভিমুখ থাকবে শ্রীলঙ্কা এবং তামিলনাড়ুর উপকূলের দিকে। এই কারণে দক্ষিণবঙ্গে শীতকে আরও কিছুটা পিছিয়ে দিয়েছে। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হচ্ছে না বলে জানিয়েছে আলিপুর।

    কুয়াশার দাপট কোন কোন জেলায়?

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা সহ বাকি জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়লে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। তবে কোথাও কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণবঙ্গেও বুধবার সকালে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের কিছু কিছু জায়গা ঘন কুয়াশায় ঢাকতে পারে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় বুধবার সকালে ঘন কুয়াশা থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং মালদায় কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। সে জন্য সকালের দিকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে কুয়াশার হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আবাস নিয়ে তৃণমূলের ব্যাপক দুর্নীতি! পুরুলিয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    BJP: আবাস নিয়ে তৃণমূলের ব্যাপক দুর্নীতি! পুরুলিয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনার (Awas Yojana) তালিকা তৈরি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। তার জেরে এর আগে বাতিল হয়েছিল গ্রামসভা। এ বারে সেই আবাসের তালিকা তৈরিতে দুর্নীতির অভিযোগ এনে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে চলল বিক্ষোভ। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ১ ব্লকের শাঁকা পঞ্চায়েতের ঘটনা। মূলত বিজেপির (BJP) স্থানীয় নেতৃত্বের তরফে আয়োজিত ওই বিক্ষোভে শামিল হন এলাকার শতাধিক মহিলা।

    ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ (BJP)

    বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাধারণ মহিলারা ঝাঁটা হাতে পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের মধ্যে বাঘাডাবর গ্রামের চিন্তা মাহালি, বারমেস্যা গ্রামের বিজলা হেমব্রমরা বলেন, “আমাদের কাঁচা বাড়ি আছে। দিনমজুরি করে সংসার চলে। প্রথমে তালিকায় নাম থাকলেও পরে বাদ গিয়েছে। কেন আমাদের নাম বাদ গিয়েছে, তার উত্তর নিতেই পঞ্চায়েতে এসেছি।” পঞ্চায়েত সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ১৭১৯ জন উপভোক্তার নাম ছিল আবাসের তালিকায়। শেষমেশ তা ঠেকেছে ৮১৭ জনে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ও বিজেপির অভিযোগ, দ্বিতীয় দফার সমীক্ষা যথাযথভাবে হয়নি। যাঁরা দুঃস্থ, কাঁচা ভাঙা বাড়িতে বসবাস করে, তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। পরিবর্তে এমন অনেকের নাম রয়েছে, যাঁরা যথেষ্ট সচ্ছল।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির (BJP) স্থানীয় নেতা সন্তু তেওয়ারি বলেন, ‘‘প্রথম বার সমীক্ষা শেষে আবাস তালিকা প্রকাশের পরে তাতে গোলমাল নজরে এসেছিল। আমাদের তৎকালীন পঞ্চায়েত প্রধান গোটা রাত ব্লক অফিস চত্বরে বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। এ বারে ফের সমীক্ষার পরে দেখা যাচ্ছে, যোগ্যদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, বিজেপির প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য থেকে কর্মীদের অনেকে ভাঙা বাড়িতে থাকলেও তাঁদের নাম তৃণমূলের চাপে প্রশাসন বাদ দিয়েছে। অভিযোগ মানতে নারাজ পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধা তৃণমূলের সুপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘দ্বিতীয় দফ সমীক্ষা তথা সুপার সার্ভে সবটাই ব্লক প্রশাসন করেছে। পঞ্চায়েতের কোনও ভূমিকাই ছিল না।’’ ব্লকের সমাজকল্যাণ দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আধিকারিক কল্যাণপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘তালিকা প্রকাশের পরে যাঁরা নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জনের নাম তালিকায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু গ্রামসভার দিনে গ্রামবাসী তা ব্যাখ্যা করার সুযোগটাই দেননি।’’  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা বাসিন্দাদের দেখাল বিএসএফ

    BSF: অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা বাসিন্দাদের দেখাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই উত্তাল বাংলাদেশ। হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত হামলার ঘটনা ঘটছে। কলকাতা দখলের হুমকি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দফতরও সক্রিয়। এই আবহের মধ্যে রাজ্যের উত্তরবঙ্গ সীমান্তে বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল। যুদ্ধক্ষেত্রে কীভাবে অস্ত্র ব্যবহার করতে হয়, তা সীমান্ত এলাকার আমজনতাকে দেখাল বিএসএফ।

    বিএসএফের পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়? (BSF)

    সীমান্তে শত্রু পক্ষের সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বিএসএফের (BSF) ব্যবহৃত অত্যাধুনিক অস্ত্র প্রদর্শনী-সহ সীমান্তে অপরাধমূলক কাজ রুখতে ডগ স্কোয়াডের প্রদর্শনীও হয়। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের পক্ষ থেকে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলার গ্রাম এবং শহরগুলিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার জলপাইগুড়ি শহরে অস্ত্র প্রদর্শনী, কেরিয়ার কাউন্সিলিং-সহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়র রাজীব গৌতম সহ ৯৮/১৫১/০৬/৪০ নম্বর কোম্পানির উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন, “সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্তের জন্য ব্যাপক বড় পরিকল্পনা আনছি। নিরাপত্তা বলয়ে কমপ্রিহেনসিভ ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আনছি।” এই পরিস্থিতি বিএসএফের এই উদ্যোগ অভিনব।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সীমান্তে কড়া নজরদারি বিএসএফের

    বাংলাদেশ জুড়ে অশান্ত পরিবেশ। এই অবস্থায় বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশের ঘটনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তারা। কারণ, ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তের (BSF) ৯০০ কিলোমিটারের বেশি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এর মধ্যে আবার ৪০০ কিলোমিটারের বেশি বর্ডারে কাঁটাতার নেই। এইসব কাঁটাতারহীন সীমান্ত দিয়ে অবাধ অনুপ্রবেশ করতে পারে বাংলাদেশিরা। বিশেষ করে দুই ২৪ পরগনা এবং নদিয়া জেলার বর্ডারকেই টার্গেট করে। কারণ, এই তিন জেলা থেকে ভারতে প্রবেশ করলে খুব সহজেই শহর কলকাতার ভিড়ে মিশে যাওয়া যায়। কিছুদিন আগেই কলকাতার একটি হোটেল থেকে সেলিম মাতব্বর নামে একজন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বাংলাদেশের বিএনপি দলের একজন সক্রিয় সদস্য বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে জেরা করে জানা গিয়েছে, তিনি ২০২৩ সালে নদিয়া জেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। সেই কারণে বর্ডার এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিএসএফ।

    দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ডিআইজি কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিএসএফের (BSF) দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ডিআইজি নীলোৎপল কুমার পাণ্ডে বলেন, “বিএসএফ সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান রুখতে কড়া নজরদারি চালায়। বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতির জেরে অনুপ্রবেশ রুখতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। জওয়ানদের সব সময়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, জওয়ানদের সাইকেল, সার্চ লাইট, দূরবীন সহ বিভিন্ন সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: বাংলাদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ, সাফ জানিয়ে দিলেন দার্জিলিংয়ের হোটেল ব্যবসায়ীরা

    Darjeeling: বাংলাদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ, সাফ জানিয়ে দিলেন দার্জিলিংয়ের হোটেল ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জাতীয় পতাকাকে প্রকাশ্যে অপমান। এমনকী ভারতকে নিয়ে নানা কটূ মন্তব্য মেনে নিতে পারছেন না এপারের বাসিন্দারা। আগেই এপার বাংলার বহু চিকিৎসক বাংলাদেশিদের চিকিৎসা করা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই আবহের মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল ব্যবসায়ীরা। দার্জিলিংয়ের কোনও হোটেলে আর বাংলাদেশি (Bangladeshis) পর্যটকদের জায়গা হবে না। সোমবার এমনই সিদ্ধান্তের কথা জানাল পাহাড়ের হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন।

    বাংলাদেশি পর্যটকদের বয়কট (Darjeeling)

    পাহাড়ের হোটেলে (Darjeeling) বাংলাদেশি পর্যটকদের বয়কট করার জল্পনা চলছিল কয়েক দিন ধরে। বিভিন্ন সংগঠন এবং হোটেল ব্যবসায়ী সম্মিলিত ভাবে এই বয়কটের কথা ঘোষণা করলেন। ‘গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর তরফে সোমবার বলা হয়, দার্জিলিং পুলিশ জেলার অন্তর্গত বিভিন্ন হোটেল এবং তার বাইরেও যে সমস্ত হোটেল রয়েছে তাদের মধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটাভুটি হয়েছে। সেখানে অধিকাংশ ভোট গিয়ে পড়ে বাংলাদেশি পর্যটকদের বিরুদ্ধে। তাই এই সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে। শীতের মরসুমে পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছরই এই সময় গড়ে ২৫ থেকে ৩০ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক শৈলশহরে বেড়াতে আসেন। তাঁদের ‘বয়কট’ করার সিদ্ধান্ত কঠিন বলে মেনে নিয়েও ব্যবসায়ী সংগঠন বলছে, “দেশের থেকে বড় কিছুই নয়।”

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    আগে দেশ, ব্যবসার ক্ষতি হবে, হোক!

    সাংবাদিক বৈঠকে ‘গ্রেটার শিলিগুড়ি (Darjeeling) হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, “বিভিন্ন সংগঠন স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। কিন্তু সেটা বড় কথা নয়। যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কিছু নিয়ম মানতে হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী ভোটপ্রক্রিয়া হয়েছিল। তাতে প্রায় ৯৭ শতাংশ ভোট বাংলাদেশিদের বিপক্ষে পড়েছে।” তিনি আরও বলেন, “সেই কারণে বাংলাদেশের পর্যটকদের আপাতত হোটেলে জায়গা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত যেন সবাই মেনে চলেন। মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণও করা হবে। এমনকী, ‘স্টুডেন্ট’ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত ভিসা দেখিয়েও দার্জিলিংয়ের কোনও হোটেলে বাংলাদেশের কোনও নাগরিক জায়গা পাবেন না। ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং ভারতের প্রতি কটূক্তির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যত দিন না ওই ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ দুঃখপ্রকাশ এবং ক্ষমাপ্রার্থনা করে বিবৃতি দেবে, তত দিন ওই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।” পাশাপাশি ‘ইস্টার্ন হিমালয়ান ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটর’-এর সদস্য দেবাশিস মৈত্র বলেন, “আমাদের কাছে আগে দেশ। ব্যবসার ক্ষতি হবে, হোক। হোটেল সংগঠন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সঠিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আচমকা রাজ্যে বৃষ্টি, শীতের দুপুরে বদলে গেল বঙ্গের আকাশ, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: আচমকা রাজ্যে বৃষ্টি, শীতের দুপুরে বদলে গেল বঙ্গের আকাশ, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেও নেই জাঁকিয়ে ঠান্ডা। এবার শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। হালকা শীতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে বঙ্গবাসীকে। এবার সেই হালকা শীতও (Winter) দিন কয়েকের জন্য উধাও হবে দক্ষিণবঙ্গ থেকে। পশ্চিম ঝঞ্ঝার জেরে বাড়বে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। একইসঙ্গে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ। ফলে, রাজ্যজু়ড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বলে হাওয়া (Weather Update) অফিস জানিয়েছে। সকালে রোদের দেখা মিললেও দুপুরের পর হঠাৎ বদলাতে শুরু করে আবহাওয়া। রাজ্যের একাধিক জেলায় দুপুর হতেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাদ গেল না কলকাতাও। বিকেলের পর শহরের চেহারা বদলে গেল অনেকটাই। শুরু হয়েছে বৃষ্টি। রোদ একেবারে উধাও। আর এই আবহাওয়ার জেরেই কমল ঠান্ডা।

    তাপমাত্রা কত নামবে?(Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা আগামী ৪৮ ঘণ্টায় কমবে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নামতে পারে। কুয়াশার আধিক্য থাকবে উত্তরবঙ্গে। ঘন কুয়াশার দাপটে সড়ক চলাচল ও বিমান চলাচলে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা। দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে (Weather Update)। সোমবার ও মঙ্গলবার ঘন কুয়াশার দাপট উত্তরবঙ্গ জুড়ে। কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?

    আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপর একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রূপে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যেতে পারে। এর অভিমুখ থাকবে তামিলনাড়ু উপকূল। এই নিম্নচাপের জেরে বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। সোমবার বিকেলে কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া হালকা বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে। দার্জিলিঙে আগামী কয়েক দিন তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। বৃষ্টি হতে পারে মঙ্গলবার পর্যন্ত। এ ছাড়া, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরে সোমবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে সিকিমে তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। তার প্রভাব পড়তে পারে সিকিম সংলগ্ন দার্জিলিঙের উঁচু পার্বত্য এলাকা সান্দাকফু এবং টুমলিং-এর মত এলাকায়। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভু এখন বাংলাদেশের (Bangladesh) জেলে রয়েছেন। তাঁর জামিনের মামলার পরবর্তী শুনানি হবে নয়া বছরে। এদিকে চিন্ময় প্রভু যাতে কোনও রকম আইনি সহায়তা না পান, তার জন্যে ক্রমাগত হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে চট্টগ্রামের আইনজীবীদের একটা অংশ। এমনকী, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে কোনও আইনজীবী যদি আদালতে সওয়াল করেন, তাহলে সেই আইনজীবীকে গণপিটুনি দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এই আবহের মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে এবার চিঠি লিখলেন ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ ও সম্পাদক স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ। এই নিয়ে সেদেশের সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছেন স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ। তাতে চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে কী বলা হয়েছে? (Bangladesh)

    রামকৃষ্ণ মিশনের লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, হিন্দু সন্ন্যাসীকে মুক্ত করলে অন্তর্বর্তী সরকারেরই ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই চিঠিতে রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী লেখেন, ‘‘সম্প্রতি দেশের (Bangladesh) সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শ্রীচিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কারামুক্তি প্রদান করলে আপনার সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে আমরা মনে করি। আশা করি, এবিষয়ে আপনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের আশ্বস্ত করবেন। ’’ এর আগে, এই গ্রেফতারের বিরুদ্ধে ভারতের রাম জন্মভূমি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত সরব হয়েছিলেন। চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে, আগামী ১৩ ডিসেম্বরও সনাতনীদের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল বাংলাদেশে। কিন্তু সূত্রের খবর, বর্তমান পরিস্থিতির জেরে সেটিও বাতিল করা হয়েছে।

    ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট কী বললেন?

    এদিকে বাংলাদেশের (Bangladesh) অশান্তি আবহ প্রসঙ্গে চরম আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। তিনি বলেছেন, ‘‘খুব বিপজ্জনক। আমাদের ভক্তরা খুব চিন্তিত। সবচেয়ে চিন্তার বিষয়, যদি এই রকম মৌলানারা পুরো বাংলাদেশে ঘুরে, এই রকম সভা করছে যেখানে হাজার হাজার মানুষ তাঁদের শুনছে। সোশাল মিডিয়াতে যখন পোস্ট করা হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ ভিউ পাচ্ছে। একসঙ্গে এত মানুষের যদি মগজ ধোলাই হয়, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পুলিশ, সেনা যদি ভাবে আমরা সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেব, এত লক্ষ লক্ষ মানুষকে কেউ সামলাতে পারবে না। ওরা যেটা বলছে, গণহত্যা যদি শুরু করে দেয়, এটা কারও নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।’’ ইসকনকে নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনা তাদের নেই বলে, ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে ইউনূস সরকারের পক্ষ থেকে। তাহলে কার মদতে ইসকনকে মুছে ফেলার ডাক দিচ্ছে মৌলবাদীরা? কোন সাহসে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে বলছে? এবার কি ওই সব কট্টরপন্থীর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে ইউনূসের প্রশাসন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: কাজ পরিদর্শনে জিএম, মার্চেই মেট্রোয় চেপে রুবি থেকে সোজা সল্টলেক!

    Kolkata Metro: কাজ পরিদর্শনে জিএম, মার্চেই মেট্রোয় চেপে রুবি থেকে সোজা সল্টলেক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে অনেকেই ভরসা করেন মেট্রোর (Kolkata Metro) ওপর। এবার সেই মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকেই বড় সুখবর দেওয়া হল। জানানো হল, আরও একটি নতুন রুটে মেট্রো চলাচল শুরু হতে চলেছে। নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রো করিডরের (কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন) চিংড়িঘাটা-সল্টলেক মেট্রো লাইনে গড়াল চাকা। প্রথমবার ট্রলি ইনস্পেকশন হল।

    স্টেশন পরিদর্শনে মেট্রো রেলওয়ের জিএম (Kolkata Metro)

    চিংড়িঘাটা থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত প্রথমবার ট্রলি ইনস্পেকশন চালাল মেট্রো (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষ। শনিবার নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রো করিডরের গৌরকিশোর ঘোষ (চিংড়িঘাটা) স্টেশন থেকে আইটি সেন্টার (সল্টলেক সেক্টর ফাইভ) পর্যন্ত প্রথমবার ট্রলি ইনস্পেকশন হয়েছে। আপাতত ওই মেট্রো করিডরের নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত অংশে পরিষেবা চালু আছে। এবার সল্টলেক পর্যন্ত মেট্রো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার সকালে প্রথম গৌরকিশোর ঘোষ স্টেশন পরিদর্শন করেন মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডি। ওই অংশ পরিদর্শনের সময় প্ল্যাটফর্ম, মেঝে, স্টেশনে ঢোকার রাস্তা, বেরনোর রাস্তার ওপরে জোর দেন মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার। বিভিন্ন স্টেশনের আপৎকালীন সিঁড়ি এবং যাত্রীদের প্রদান করা সুযোগ-সুবিধা খতিয়ে দেখেন। শুধু তাই নয়, নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট করিডরের নলবন স্টেশনের কাজ কতটা এগিয়েছে, সেটাও খতিয়ে দেখেন। তারপর আইটি সেন্টার মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত ট্রলি ইনস্পেকশন করেন। সঙ্গে ছিলেন মেট্রো রেলওয়ে এবং নিউ গড়িয়া- এয়ারপোর্ট মেট্রো করিডরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা রেলওয়ে বিকাশ নিগম লিমিটেডের (আরভিএনএল) শীর্ষ আধিকারিকরা।  

    আরও পড়ুন: এবার ঢাকার ইসকন মন্দিরে আগুন লাগাল মৌলবাদীরা, পুড়ল লক্ষ্মী-নারায়ণের মূর্তি

    কবে চালু হবে পরিষেবা?

    এমনিতে ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে রুবি থেকে সল্টলেক (Salt Lake) সেক্টর ফাইভে (Kolkata Metro) পৌঁছে যেতে চাইছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিকভাবে রুবি থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মেট্রো এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এমনকী গত মার্চের শেষের দিকে ওই অংশে পরিদর্শন সেরেছিলেন চিফ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি (সিআরএস) জনককুমার গর্গ। তবে সেইসময় ওই অংশের কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই পরিস্থিতিতে একেবারে রুবি থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পরিষেবা চালু করার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। আর সেই পরিষেবা চালু হয়ে গেলে দু’দিক থেকে জুড়ে যাবে কলকাতার তথ্যপ্রযুক্তি হাব সল্টলেক সেক্টর ফাইভ। একদিকে নিউ গড়িয়ায় পৌঁছানো যাবে। অন্যদিকে শিয়ালদায় পৌঁছাতে পারবেন যাত্রীরা। আর ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের পুরো অংশে পরিষেবা চালু হয়ে গেলে সরাসরি হাওড়ায় পৌঁছানো যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerosene: দেশের কেরোসিন খরচের ৬৭ শতাংশ লাগে বাংলায়! ব্যবহার না পাচার? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    Kerosene: দেশের কেরোসিন খরচের ৬৭ শতাংশ লাগে বাংলায়! ব্যবহার না পাচার? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে ক্ষমতা আসার পর পরই মোদি সরকার শুরু করে উজ্জ্বলা যোজনা। এর ফলে দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে রান্নার গ্যাসের সুবিধা। তবে এখনও পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে, দেশের মোট কেরোসিন তেলের (Kerosene) চাহিদার মধ্যে বাংলাতেই রয়েছে প্রায় ৬৭ শতাংশ। এ নিয়ে শাসক দল তৃণমূলকে একহাত নিল বিজেপি। এত বিপুল পরিমাণ কেরোসিন তেলের চাহিদা বাংলায় কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতার বক্তব্য, এর কারণ কি দারিদ্রতা, নাকি কালোবাজারি, নাকি অনুপ্রবেশ! তথ্য বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গকে ৭ লাখ ৪ হাজার ১৬ কিলোলিটার কেরোসিন তেল দেওয়া হয়েছে, বলে সে সময় জানিয়েছিলেন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী। সারাদেশের কেরোসিন তেলের চাহিদা ছিল ১০ লক্ষ ৬০ হাজার ৫২৪ কিলোলিটার অর্থাৎ কেরোসিন তেলের ৬৭ শতাংশই এসেছে শুধু পশ্চিমবঙ্গে। অন্যদিকে, বিহার রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে, সেখানে কেরোসিন তেল পৌঁছেছে ৬ শতাংশ।

    অমিত মালব্যর ট্যুইট  

    এক্স হ্যান্ডলে অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘ যদি লজ্জার কোনও তালিকা থাকে, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাক শীর্ষে থাকবে। দেশে ব্যবহৃত কেরোসিনের ৬৭ শতাংশ লাগে বাংলায়। এত এলপিজি-র মধ্যেও! কী কারণে এত গ্রাহক (Kerosene)? দারিদ্র্য? কালোবাজারি? নাকি প্রচুর অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, যারা শাসক তৃণমূলের কাছে ভোটব্যাঙ্ক?’’

    কী বলেছিলেন শমীক ভট্টাচার্য? 

    প্রসঙ্গত, বাংলায় (West Bengal) কেরোসিন তেলের (Kerosene) চাহিদা নিয়ে রাজ্যসভায় প্রশ্ন করেন সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। জবাবে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রান্নার কাজ এবং আলোর জন্য এখনও রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে কেরোসিন তেল পাঠায় কেন্দ্র। রেশন দোকানের মাধ্যমে তা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যায়। কেন্দ্রের অভিযোগ, বাংলায় পেট্রোল, ডিজেলের মতো জ্বালানিতে ভেজাল হিসেবে কেরোসিন ব্যবহার করা হয়। কেরোসিনের (Kerosene) অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য গত জুন মাসেই পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক রাজ্য সরকারকে চিঠি দেয়। এরপরে সাংবাদিকদের রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘বাংলা পিছিয়ে রয়েছে ভাবলে ভুল হবে। এখান থেকে বিপুল পরিমাণে কেন্দ্রের দেওয়া ভর্তুকিযুক্ত কেরোসিন বাংলাদেশে পাচার হয়। খোঁজ করলে এমন পরিবার পাবেন না, যারা বাড়িতে কেরোসিন (Kerosene) ব্যবহার করেন। অনেকে রেশন থেকে কেরোসিন নেনও না। তবু সবটাই বিক্রি হয়ে যায়!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Halisahar: টেস্টে অকৃতকার্য! স্কুলে মোবাইল জমা দিলেই মিলছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার সুযোগ

    Halisahar: টেস্টে অকৃতকার্য! স্কুলে মোবাইল জমা দিলেই মিলছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইল জমা নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়াদের ফর্ম ফিলাপের অনুমতি দিচ্ছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষায় পড়ুয়ারা যাতে ঠিক মতো প্রস্তুতি নিতে পারেন, তাই এরকম অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে হালিশহর (Halisahar) হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সকলের জন্য এই নির্দেশ রয়েছে, এমন নয়। যে সকল পড়ুয়ারা টেস্ট পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল করেছে, তাদের জন্যই স্কুল কর্তৃপক্ষ এই কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে।

    কেন এই উদ্যোগ? (Halisahar)

    এমনিতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ফোন বা ট্যাব কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। অনেকে আবার বাবা-মা নিজের সন্তানকে ফোন কিনে দেন। ফলে, পড়ুয়াদের হাতে হাতে ঘোরে মোবাইল। পড়াশুনা শিকেয় তুলে দিয়ে মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকে বহু পড়ুয়া। ফলে, পরীক্ষার প্রস্তুতি অনেকের ঠিক মতো হয়নি। তাই, কিছুদিন আগে হওয়া টেস্ট পরীক্ষার ফেল বের হতেই মাথায় হাত হালিশহর হাইস্কুল কর্তৃপক্ষের। জানা গিয়েছে, এই স্কুল থেকে (Halisahar) এবার ১৮০ জন পড়ুয়া উচ্চ মাধ্যমিক পররীক্ষা দিচ্ছেন। এবার টেস্ট পরীক্ষায় দেখা যায়, ৪৫ জন পড়ুয়া এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল করেছে। এই পড়ুয়াদের জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ নতুন ফতোয়া জারি করেছে। আর অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, ওই ছাত্রছাত্রীরা দিনের অধিকাংশ সময় মোবাইল নিয়ে সময় কাটান। তাই, স্কুলের এই উদ্যোগকে সকলেই প্রশংসা জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    স্কুলের প্রধান শিক্ষক কী বললেন?

    স্কুলের (Halisahar) প্রধান শিক্ষক মনোতোষ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘প্রথমে টেস্টে এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল করা পড়ুয়াদের (HS Students) উচ্চ মাধ্যমিকে বসতে দেওয়ার অনুমতি দেব না ভেবেছিলাম। কিন্তু, পরে, অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে মোবাইল ফোনের জন্য এই অবস্থা তা জানতে পারলাম। তাই, ৪৫ জনকে ফোন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। ২০টি মোবাইল জমা হয়ে গিয়েছে। আশা করি, বাকি সবই জমা হয়ে যাবে। শুক্রবারের মধ্যে ওই ছাত্রদের মোবাইল ফোন জমা দিয়ে যেতে হবে। ফোন ছেড়ে দেওয়ার পর এই কয়েক মাসে ভালো প্রস্তুতি নিলে সকলেই পাশ করবে আমার বিশ্বাস। পড়়ুয়াদের স্বার্থে আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PMAY: ক্ষমতা দেখালেন তৃণমূল নেত্রী! ছেলে- আত্মীয় পরিজন মিলে ৯ জনের আবাস যোজনার তালিকায় নাম, সরব বিজেপি

    PMAY: ক্ষমতা দেখালেন তৃণমূল নেত্রী! ছেলে- আত্মীয় পরিজন মিলে ৯ জনের আবাস যোজনার তালিকায় নাম, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁচা বাড়ি থাকলেও আবাসের তালিকায় নাম নেই গ্রামের অনেকেরই, অথচ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তাঁর ছেলে সহ পরিবার ও আত্মীয় পরিজন মিলে ৯ জনের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY) তালিকায় নাম রয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপির ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের দ্বারি কৌতলা গ্রামে। বিষয়টি জানা জানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দারা জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?(PMAY)

    তৃণমূলের ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা মমতাজ বিবি মিস্ত্রির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, আবাসের তালিকায় পঞ্চায়েত সদস্যার নিজের পুত্রসহ পরিবার ও আত্মীয় পরিজন মিলে ৯ জনের নাম আবাস (PMAY) তালিকায় রয়েছে। অথচ তাদের প্রত্যেকের পাকা বাড়ি রয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি ও আই এস এফের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধুমাত্র ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতে নয়, প্রত্যেকটি জায়গায় তৃণমূল নেতারা স্বজন পোষণ করেছেন। প্রশাসন অবিলম্বে সঠিকভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    পঞ্চায়েত সদস্য কী বললেন?

    এই বিষয় নিয়ে পঞ্চায়েত সদস্য মমতাজ বিবি বলেন, “আমি কিছুদিন আগে পঞ্চায়েত সদস্যা হয়েছি। কিন্তু, যখন আবাসের (PMAY) তালিকা তৈরি করা হয়. তখন আমাদের মাটির বাড়ি ছিল। পরে, পাকা বাড়ি হয়েছে। প্রশাসন সার্ভে করছে। এ বিষয়ে আমার আর কিছু বলার নেই।” তবে প্রশ্ন উঠছে যখন তিনি জানতে পারলেন তার পাকা বাড়ি এসেছে, তখন কেন নিজের থেকে ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানালেন না।

    আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি বিজেপির

    বিজেপি নেতা কৃত্তিবাস সর্দার বলেন, আবাসের (PMAY) তালিকা নিয়ে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে। যদি পঞ্চায়েত সদস্যাই ৯ খানা বাড়ি পান, তাহলে সাধারণ উপভোক্তারা কি আর বাড়ি পাবে? এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। আমরা দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে আন্দোলনে নামব। আইএসএফের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন মোল্লা বলেন, এই বিষয় নিয়ে আমরা বারে বারে ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছি। তারপরেও কাজ হয়নি। এবারে কাজ না হলে বিডিও অফিস ঘেরাও করব।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পে

LinkedIn
Share