Tag: West Bengal

West Bengal

  • Weather Update: শীতের ক্যামব্যাক রাজ্যে! দার্জিলিংয়ে ফের তুষারপাত, কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?

    Weather Update: শীতের ক্যামব্যাক রাজ্যে! দার্জিলিংয়ে ফের তুষারপাত, কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবেই এবার শীতের কামব্যাক রাজ্যে। রাজ্যজুড়েই তাপমাত্রা নিম্নগামী, শীতের আমেজ। কেঁপে ঠান্ডা না পড়লেও এতদিন পর শীতের এইটুকু আমেজ পেয়েই খুশি বাঙালি। সোয়েটার বা হালকা জ্যাকেট চাপিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন অনেকেই। দার্জিলিংয়ের বাকি পার্বত্য এলাকায় শনিবার থেকে সোমবারের মধ্যে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া (Weather Update) দফতর। বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক জায়গায় হতে পারে স্নোফল। তুষারপাত, বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি হবে সিকিম সহ পার্বত্য এলাকায়।

     কবে থেকে জাঁকিয়ে শীত?(Weather Update)

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্র ও শনিবার দু থেকে চার ডিগ্রি তাপমাত্রা নামতে পারে। উইকেন্ডে শীতের আমেজ। রবিবার থেকে ফের সামান্য বাড়বে তাপমাত্রা। দু-দিনে দুই থেকে তিন ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে জাঁকিয়ে শীতের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, উত্তুরে হাওয়ার জোর বাড়তেই কমেছে তাপমাত্রা, ফলে বাড়ল ঠান্ডার আমেজ। তবে এই পারদপতন সাময়িক। সোমবার থেকে ফের ধাক্কা খাবে ঠাণ্ডা। আবারও বাড়বে তাপমাত্রার পারদ। শহর কলকাতায় পরিষ্কার আকাশ। আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমার দিকে। দিনের পারদ সামান্য বাড়লেও রাতের পারদ নামল। রাতের তাপমাত্রা ১৭.৬ থেকে কমে ১৬.৭ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান ৯৫ থেকে ৩৯ শতাংশ। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রিপোর্ট বলছে, শনিবার আরও কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি হতে পারে?

    আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবি ও সোমবার বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি এই পাঁচ জেলাতে। শীতল দিনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে উত্তরের কোনও কোনও জেলায়। দক্ষিণবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূবালী গরম হাওয়ার সঙ্গে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার শীতল হওয়ার সংস্পর্শে বৃষ্টির সম্ভাবনা। শনি এবং রবিবার পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলায় হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ঘরে-বাইরে চাপ! ড্যামেজ কন্ট্রোলে সব ধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক ইউনূসের

    Bangladesh: ঘরে-বাইরে চাপ! ড্যামেজ কন্ট্রোলে সব ধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক ইউনূসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের পর থেকে উত্তাল বাংলাদেশ। লাগাতার হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে। দেশের মধ্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সংখ্যালঘুরা। হিন্দুদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারকে একাধিকবার বার্তা দিয়েছে ভারত। এমনকী, বিশ্ব দরবারে সমালোচিত হচ্ছে ইউনূস সরকার। অবশেষে ঘরে-বাইরে চাপের কাছে নতিস্বীকার করল ইউনূস প্রশাসন। জাতীয় ঐক্য নিয়ে মত বিনিময় করতে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মহম্মদ ইউনূস।

    বৈঠকের পর কী বললেন ইউনূস? (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের (Md Yunus) ডাকে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ সহ সকল ধর্মের ধর্মীয় নেতারা বৈঠকে যোগ দেন। এদিন বিকালে রাজধানী ঢাকার বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এই বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে ইউনূস বলেন, ‘‘আলাদা আলাদা মতামত থাকলেও আমরা একই পরিবারের সদস্য। আমরা পরস্পরের শত্রু নই। আমরা সকলেই বাংলাদেশি।” তিনি আরও বলেন, ‘‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর কোনও হামলা হলে তৎক্ষণাৎ তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।” বাংলাদেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকার বলেও বৈঠকে মন্তব্য করেন ইউনূস।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ইউনূস

    এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh) প্রধান উপদেষ্টা। এক বিবৃতিতে ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছিলেন, জাতীয় ঐক্যের আহ্বান নিয়ে ছাত্রনেতা, রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন মহম্মদ ইউনূস। এর মধ্যে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাত্র নেতাদের সঙ্গে, বুধবার প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউনূস। আর বৃহস্পতিবার ধর্মীয় নেতাদের বৈঠক করলেন। মঙ্গলবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। সেই বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘‘কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে আগে দেখা হয়েছে। এখন সবার সঙ্গে দেখা হল, ভালো লাগছে। সরকারের কাছে তারা কী চাইছে, কী আশা করছে, সেগুলো জানতে চাইলাম।” ছাত্র নেতাদের ইউনূস রাষ্ট্রের অভিভাবক উল্লেখ করে বলেন, ‘‘তোমাদের কারণেই আজ বাংলাদেশ নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। তোমাদের দায়িত্ব আছে রাষ্ট্র যেন ঠিক পথে চলে, যেন বিচ্যুত না হয়।”

    ইউনূসকে চিঠি দিলেন ভারতের বিশিষ্ট মুসলিমরা

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে ইউনূসকে বৃহস্পতিবারই চিঠি দিয়েছেন ভারতের বিশিষ্ট মুসলিমরা। সেই তালিকায় রয়েছেন ভারতের প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এসওয়াই কুরেশি, দিল্লির সাবেক উপরাজ্যপাল নাজিব জং, প্রাক্তন সাংসদ ও নইদুনিয়া কাজের সম্পাদক শাহিদ সিদ্দিকি, দেশের অবসরপ্রাপ্ত উপ সেনাপ্রধান লেফট্যান্যান্ট জেনারেল জামিরউদ্দিন শাহ এবং শিল্পপতি শাহিদ মুস্তাফা শেরওয়ানি। বৃহস্পতিবার ইউনুসকে লেখা চিঠিতে তাঁরা বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন, নির্যাতনের ঘটনায় মুসলিম হিসেবে আমরা লজ্জিত ও ব্রিবত বোধ করছি। ইসলাম কখনও এই ধরনের হিংসা অনুমোদন করে না। ইসলাম বরং সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাই শেখায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Partha Chaterjee: ‘‘আমাকে বাঁচান”! পার্থর কাতর আর্জি কাজে এল না, ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    Partha Chaterjee: ‘‘আমাকে বাঁচান”! পার্থর কাতর আর্জি কাজে এল না, ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) অনেকে জামিন পেয়েছেন। আশা ছিল, তিনিও জামিন পেয়ে যাবেন। আর তাই জামিনের জন্য কাতর আবেদন করেই চলেছেন। কিন্তু, তাতে কোনও লাভ হচ্ছে না। এদিন দীর্ঘ শুনানির পরেও মিলল না জামিন। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় খারিজই হয়ে গেল পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chaterjee) ও সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন। ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের। এখন পরবর্তী শুনানিতে কী হয় সেটাই দেখার।

    আদালতে কী হল?(Partha Chaterjee)

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর জামিনের মামলার শুনানিতেও দুই বিচারপতির বেঞ্চ পার্থকে (Partha Chaterjee) ভর্ৎসনা করে। তাঁকে ‘আপাত দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি’ বলে উল্লেখ করেন। আবার, নিম্ন আদালতে এজলাস পরিবর্তনের দাবি করলে, পার্থর আইনজীবীকেও শেষ পর্যন্ত ভৎর্সনার মুখে পড়তে হয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীকে কলকাতার বিচার ভবনের বিচারক বলেন, ‘‘আপনি বেঞ্চ নিয়ে এত ভাবছেন কেন? আপনি শুধু শুধু আদালতের সময় নষ্ট করছেন ৷ কোন আদালতে মামলা থাকবে, সেটা আপনি ঠিক করবেন না ৷’’

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার ফের কলকাতা হাইকোর্টে নিয়োগ মামলায় অভিযুক্তদের জামিনের পক্ষে সওয়াল করলেন আইনজীবীরা। তাঁদের যুক্তি, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যদের দীর্ঘদিন কারাবাসের পরে এখনও নিম্ন আদালতে বিচারপর্ব শুরু হয়নি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ চারজনের জামিনের আবেদনে সরকারি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়ার নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল তৃতীয় বেঞ্চে। বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর প্রশ্ন, ‘‘রাজ্য যদি অনুমতি না দেয় তবে তো বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে প্রভাবশালী তত্ত্বের কি যুক্তি রয়েছে? এদের যদি আদালত জামিন দেয় তাহলে সাক্ষী ও তথ্য প্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা কি থাকছে না? যখন, ডিভিশন বেঞ্চে এক বিচারপতি এটাই আশঙ্কা করেছেন। সরকারি অনুমোদনের ব্যাপারে মুখ্যসচিব কেন অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করছে না?”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    ‘‘আমাকে বাঁচান”, কাতর আর্জি পার্থর

    আইনজীবী মিলন মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chaterjee) ও শান্তি প্রসাদ সিন‍্‍হার পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে বলেন, ‘‘পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে রাজ্যপাল অনুমোদন দিয়েছেন কিন্তু বাকি সরকারি আধিকারিকদের ক্ষেত্রে কারও অনুমোদন নেওয়া হয়নি। সুতরাং এই মামলার বিচারপর্ব কবে শুরু হবে কোনও ঠিক নেই। তাই প্রত্যেকে জামিনের আবেদন করছে। প্রত্যেকেই অসুস্থ ও সিনিয়র সিটিজেন।” পার্থকে নির্দোষ প্রমাণে দিনভর কার্যত মরিয়া দেখায় তাঁকে। তাঁর দাবি, তাঁর মক্কেল কোনও ভাবে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন। যদিও সিবিআইয়ের দাবি, এজেন্ট মারফৎ টাকা তুলে ৭৫২ জন অযোগ্য চাকরি প্রার্থীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। ৩১০ জন অযোগ্যের চাকরি নিশ্চিতও করা হয়েছিল। সিবিআইয়ের অভিযোগ, এই তালিকা পাঠিয়েছিলেন পার্থ নিজেই। যদিও তারপরেও থামেনি পার্থর কাতর আর্জি। বারবার বলতে থাকেন, ‘‘আমাকে জামিন দিন। আমি কিছুই করিনি। যা করেছে বোর্ড করেছে। আমাকে বাঁচান।” কিন্তু, আপাতত আদালতের নির্দেশে ১৬ তারিখ পর্যন্ত হেল হেফাজতেই থাকছেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে উত্তাল বাংলাদেশ। সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগাম ছাড়া অত্যাচার হচ্ছে। বাংলাদেশ মৌলবাদীদের হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পথে নেমেছে সনাতনী সমাজ। হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে ৫০টি সংগঠনের ডাকে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। আর সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে মঞ্চ থেকেই হিন্দুদের জেগে ওঠার বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা।

    কী বললেন শুভেন্দু ? (Suvendu Adhikari)

    এদিন সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ওপারে যাহা ইউনূস, এপারে তাহাই মমতা। ওপারের মতো এপারেও হিন্দুদের ওপর হামলা। ফালাকাটা, গার্ডেনরিচ, শ্যামপুর, বেলডাঙার মতো ঘটনা ঘটেছে। বিরোধীদের বেলডাঙায় যেতে পর্যন্ত দেয়নি। মমতা ও ইউনূসের মধ্যে পার্থক্য নেই। এই লড়াই বেঁচে থাকার লড়াই। জাগো হিন্দু জাগো।’’ বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ‘গণহত্যা’ হিন্দু নিপীড়নের একের পর এক ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সুনামগঞ্জে একের পর এক বাড়ি-দোকান ভাঙচুর। ভাঙা হয়েছে অন্তত ২টি মন্দির। শুভেন্দু বলছেন, ‘‘এখনও বাঙালি হিন্দুরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি। একুশে মমতা আমাকে হারাতে এসেছিলেন, আমি হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হতে বলেছিলাম। নন্দীগ্রামে ৬৫% হিন্দুকে ঐক্যবদ্ধ করে মমতাকে হারিয়েছিলাম। রাজ্যে ওয়াকফ বোর্ড থাকলে সনাতনী বোর্ড হবে না কেন? কেন লাভ জেহাদ, ধর্মান্তরণের বিরুদ্ধে আইন হবে না? হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, এই লড়াই চলবে।’’

    আরও পড়ুন: আজাদ ময়দানে চাঁদের হাট, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ

    বাংলাদেশের পতাকা অবমাননায় গ্রেফতারি নিয়ে সরব

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ভারতের পতাকার অবমাননা হতে দেখলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও পদক্ষেপ করেন না। কিন্তু বাংলাদেশের (Bangladesh) পতাকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জনানোয় ৩ জনকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মুক্তি না দিলে আমরা বারাসতেও আন্দোলন করব।’’ জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে ভারতের পতাকার অবমাননার প্রতিবাদে বুধবার সন্ধ্যায় বারাসত স্টেশনে বাংলাদেশের পতাকা পায়ে মাড়াতে দেখা যায় ৩ যুবককে। আর্য দাস, সুবীর দাস এবং রিপন চট্টোপাধ্যায় নামে ওই তিন যুবককে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করে বারাসত থানার পুলিশ। ধৃতরা বজরং দলের সদস্য বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে ভারতীয় পতাকা এঁকে রাখা হয়েছে। তার ওপর দিয়েই যাতায়াত করছেন ছাত্রছাত্রীরা। ভারতীয় জাতীয় পতাকার এই অবমাননার অভিযোগে এখনও সেদেশে কেউ গ্রেফতার হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়নি।

    শৌর্য দিবস পালনের ডাক

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘১৯৭১-এ পাকিস্তানকে সরাতে দেড় বছর লেগেছিল। আমাদের জন্যই বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে। ভারতীয় সেনা বাংলাদেশের জন্য কী করেছিল, মনে নেই? বিএনপি নেতা তাঁর স্ত্রীর শাড়ি পোড়াচ্ছেন! ভারতীয় পণ্য বয়কটের কথা বলছেন।’’ আগামীকাল ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার শৌর্য দিবস পালনের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু। শ্যামবাজার থেকে সিঁথির মোড় পর্যন্ত মিছিল রয়েছে। বাংলাদেশে লাগাতার হামলার প্রতিবাদ করায় এবার আক্রান্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। মৌলবাদীদের হাতে আক্রান্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কুশলবরণ চক্রবর্তী। বেধড়ক মারধর করা হয় অধ্যাপককে, ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে।

    বাংলাদেশে কি তালিবান-শাসনের ছায়া?

    এদিকে বাংলাদেশে কি তালিবান-শাসনের ছায়া? এমনই প্রশ্ন তুলে দিলেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের। ভিডিও পোস্ট করে অগ্নিমিত্রা লিখেছেন, ‘‘আফগানিস্তানের অত্যাচারী শাসনের সমান্তরালে বাংলাদেশে নারীদের বিরুদ্ধে একটি জঘন্য ফতোয়া ঘোষণা করা হয়েছে। সবথেকে বিস্ময়কর বিষয় হল, এটা ঘটেছে গোপালগঞ্জে। যে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়ি। গোপালগঞ্জের গোহরডাঙায় কট্টরপন্থী মুসলিমরা মহিলাদের বাজারে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে যে ফতোয়া। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক একটি জেলায় এই ধরনের পশ্চাদপসরণমূলক বিধিনিষেধ আরোপ করা লজ্জাজনক এবং উদ্বেগজনক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baranagar: দক্ষিণেশ্বরে মা  ভবতারিণীর আগে তৈরি হয়েছিল কৃপাময়ী কালী মন্দির, জানুন ইতিহাস

    Baranagar: দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিণীর আগে তৈরি হয়েছিল কৃপাময়ী কালী মন্দির, জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরানগর-মালপাড়ার (Baranagar) কুঠিঘাট অঞ্চলের কৃপাময়ী কালীবাড়ি দেবী দর্শনে আসেন বহু ভক্ত। এই মন্দিরও দেখার মতো। তবে, এই মন্দির কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তা এখনকার প্রজন্মের কাছে অজানা। এই প্রতিবেদনে কালীবাড়ি তৈরির ইতিহাস তুলে ধরা হল।

    মন্দির কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন? (Baranagar)

    শোভাবাজার (Baranagar) অঞ্চলের বাসিন্দা জয়নারায়ণ মিত্র (Joy Mitra Kalibari) ছিলেন সে যুগের এক স্বনামধন্য বিত্তবান বাবু মানুষ। বাড়িতে দোল- দুর্গোৎসবের মতো অনুষ্ঠান হত মহা সমারোহে। তাঁর অর্থ-বিত্ত নিয়ে অনেক গল্প আছে। নাম উহ্য রেখে হুতোম পেঁচার নকশাতেও জয় মিত্রের দুর্গাপুজোর এই বর্ণনা আছে। যাইহোক, ১৮৫৫ সালে দক্ষিণেশ্বরে রানি রাসমণির ভবতারিণী কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারও আগে ১৮৪৮  সালে বরানগর কুঠিঘাট (Kuthi Ghat) এলাকায় এই কালী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি কালী ভক্ত ছিলেন। তাই, গঙ্গার ধারে মন্দির স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। কৃপাময়ী কালীর বিগ্রহ যুক্ত একটা নবরত্ন মন্দির ও বারোটা আটচালা শিবমন্দির নিয়ে এই মন্দির-চত্বর নির্মাণ করা হয়। প্রতিষ্ঠাতার নাম অনুসারে এই কৃপাময়ী কালীর মন্দিরটি ‘জয় মিত্রের মন্দির’ নামেই পরিচিত। খুবই প্রাচীন এই মন্দিরে আগে বিভিন্ন পুজোয় খুব সমারোহ হত। এখনও বারোমাস নিত্যপুজো এবং কালীপুজো হলেও আগের সে রমরমা আর নেই। বস্তুত মূল কোনও কালী মন্দিরের সঙ্গে চার-ছয়-আট-বারো বা তারও বেশি আটচালা শিবমন্দির যুক্ত যে সমস্ত ‘টেম্পল-কমপ্লেক্স’ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে দেখা যায়, এটাও তার ব্যাতিক্রম নয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এক সময়ে জীর্ণতার ছাপ লেগেছিল এই মন্দিরগুলোর গায়ে। তবে কয়েক বছর আগে বিপুল অর্থব্যয় করে সংস্কার করার ফলে সৌন্দর্য অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে কৃপাময়ী কালী মন্দিরের।

    ঠাকুর রামকৃষ্ণ আসতেন এই মন্দিরে!

    স্থাপত্যশৈলীর বিচারে কৃপাময়ী মন্দির ‘নবরত্ন’ শ্রেণির। রত্ন’ শব্দটি মন্দির নির্মাণ শিল্পে কথাটি চূড়ার সমার্থক। ঢালু ছাদ ও বাঁকানো কার্নিসযুক্ত মন্দির শীর্যের ওপর চুড়া বসিয়ে এই রীতির মন্দির নির্মিত হয়। কৃপাময়ী কালীর নবরত্ন শৈলীর মন্দির (Baranagar)  হলেও এর স্থাপত্য অন্যান্য নবরত্ন মন্দিরের থেকে কিছুটা অন্য রকম। এখানে চিরাচরিত বাঁকানো চালের শৈলী লঙ্ঘন করে দোতলা দালান মন্দিরের প্রতি তলে চারটে করে মোট আটটা রত্ন বা চূড়া বসিয়ে এবং একেবারে শীর্ষদেশে আকারে বড় আরও একটা রত্ন বসিয়ে নবরত্ন মন্দিরের চেহারা দেওয়া হয়েছে। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ এই মন্দিরে একাধিকবার এসেছেন বলে জানা যায়।

    মন্দিরের শিবলিঙ্গগুলির কী নাম?

    মন্দিরের (Baranagar) ঠিক সামনে একটা বড় নাটমন্দির ছিল। কিন্তু তার ছাদ ভেঙে পড়েছে বহুকাল আগে। টিকে ছিল শুধু গোলাকার থামগুলি। সম্প্রতি অবশ্য নতুন করে নির্মিত হয়েছে নাটমন্দির। কিন্তু তা পুরনো স্থাপত্যের সঙ্গে একেবারেই বেমানান। নবরত্ন মন্দিরের পাশে প্রতি সারিতে ছটা করে, মুখোমুখি দুসারি মোট বারোটা আটচালা শিবমন্দির রয়েছে। গর্ভগৃহে রক্ষিত শিবলিঙ্গগুলি ‘অমরনাথ’, ‘বৈদ্যনাথ’, ‘পশুপতিনাথ’, ‘চন্দ্রনাথ’, ‘ভুবনেশ্বর’ প্রভৃতি বিভিন্ন নামে পরিচিত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: অশান্ত বাংলাদেশ! গেদে সীমান্তে রেল লাইনে বাঁশের ব্যারিকেড বিএসএফের

    Bangladesh: অশান্ত বাংলাদেশ! গেদে সীমান্তে রেল লাইনে বাঁশের ব্যারিকেড বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ রয়েছে ভারত এবং বাংলাদেশের রেলপথে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা মৈত্রী এক্সপ্রেস। বাংলাদেশের (Bangladesh) বর্তমান পরিস্থিতিতে আবার কবে চালু হবে মৈত্রী এক্সপ্রেস, তা স্পষ্ট নয়। চরম সমস্যায় দুই দেশের নাগরিকরা। রেল পথে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এবং ভারত থেকে বাংলাদেশ যাওয়ার জন্য দুই দেশের তত্ত্বাবধানে চালু হয়েছিল মৈত্রী এক্সপ্রেস। মূলত কলকাতা থেকে রওনা দিত এই ট্রেন। নদিয়ার গেদে সীমান্ত হয়ে পৌঁছত বাংলাদেশে।

    রেল লাইনে বাঁশের ব্যারিকেড, কড়া নজরদারি বিএসএফের (Bangladesh)

    দিন কয়েক আগে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরেই উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা বাংলাদেশ। সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর অরাজনৈতিকভাবে নির্মম অত্যাচার করা হয়। মন্দির এবং বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় ভারতের জাতীয় পতাকা অবমাননা করার ছবি। যার আঁচ এসে পৌঁছায় ভারতে। বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে রীতিমতো নিন্দার ঝড় ওঠে ভারতে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন সংগঠনকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতেও দেখা যায়। ভারতীয়দের দাবি, যারা ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা করে সেই সমস্ত ভারতবিদ্বেষী বাংলাদেশিরা কীভাবে ভারতে এসে বিনা মূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পেতে পারে। ভারত সরকারকে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সকলে। বিএসএফ সূত্রে খবর, বহুদিন ধরে রয়েছে এই মৈত্রী এক্সপ্রেস। বর্তমানে বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি চলছে, যাতে তার মধ্যে নিরাপত্তা বজায় থাকে সেই কারণে রেললাইনের ওপর বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে রেল লাইন ধরে যাতে কেউ না আসতে পারে, তারজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ।

    আরও পড়ুন: ভীত বাংলাদেশ! ত্রিপুরার উপ-দূতাবাস বন্ধ করল ঢাকা, অমিল ভিসা পরিষেবা

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    গেদে সীমান্তবর্তী এলাকার (Bangladesh) বাসিন্দা সাধন মণ্ডল, কার্তিক চন্দ্র ঘোষদের দাবি, মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ হওয়ার কারণে অনেকটাই সমস্যায় পড়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকরাও। তারা বৈধ পাসপোর্ট এবং ভিসা নিয়ে বিভিন্ন কাজে অনায়াসে রেলপথে যাতায়াত করতেন বাংলাদেশ থেকে ভারতে। কিন্তু মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে সেই সমস্যা অনেকটাই বেড়েছে তাদের। তারাও চাইছেন বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির যত দ্রুত সম্ভব সামাল দিক বাংলাদেশ প্রশাসন। তবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি মিটে গিয়ে দুই দেশের আভ্যন্তরীণ আলোচনার মধ্য দিয়ে আবার কবে শুরু হয় ট্রেন পরিষেবা, তা নিয়েই দিন গুনছে সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘প্রিন্স অফ ক্যামাক স্ট্রিটের” সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বলেই কি পুলিশের রদবদল? বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘প্রিন্স অফ ক্যামাক স্ট্রিটের” সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বলেই কি পুলিশের রদবদল? বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে গোয়েন্দা প্রধান রাজাশেখরনকে। কলকাতা পুলিশে একাধিক রদবদল হচ্ছে। হাওড়া পুলিশেও এই বদলির ইস্যু বাদ পড়েনি। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শাসক দলের অন্দরে কোন্দল কতটা রয়েছে তা তিনি এই বদলি ঘটনাতেই স্পষ্ট বলে জানিয়ে দিলেন।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুদার (Sukanta Majumdar) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করলেন, আর তুলে ধরলেন রাজনৈতিক তত্ত্ব। রাজ্য পুলিশের রদবদলের নির্দেশিকার পরই সুকান্ত লিখলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ কয়েকটি সিদ্ধান্তে বোঝা যাচ্ছে তৃণমূল অন্দরে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুর পরিবর্তন হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনার তদন্তে নেমে সরকারের পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আনুগত্য দেখানোর সীমা লঙ্ঘন করেছিল। তারপরও তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ন্ত্রিত পুলিশ একাধিক সমালোচনার মুখে পড়ে। কারণ তারা দলের নেতা এবং কাউন্সিলরদের সুরক্ষা দিতে পারেনি। তাই অজানা কিছু শক্তির চাপেই রদবদল হল।”

    ‘‘প্রিন্স অফ ক্যামাক স্ট্রিটের” সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বলেই পুলিশের রদবদল

    সম্প্রতি, নবান্ন সভাঘরের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য পুলিশ ও সিআইডি-র একাংশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। সেদিনই ডিজি-কে বলে দিয়েছিলেন, শীঘ্রই তিনি সিআইডি-তে বদল আনবেন। তারপরই এদিন রাজ্য পুলিশে বদলের নির্দেশিকা। সব থেকে উল্লেখ্যযোগ্য চারটে পদে বদল। সরিয়ে দেওয়া হল গোয়েন্দা প্রধানকেই। আর এই ইস্যুতে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে  বলেন, ‘‘প্রিন্স অফ ক্যামাক স্ট্রিটের প্রভাবে পুলিশ ফোর্স এতদিন বিরোধীদের কণ্ঠস্বর দাবিয়ে রাখত। প্রিন্সের ঘনিষ্ঠ পুলিশ আধিকারিকের বদলি এটা বুঝিয়ে দিল মুখ্যমন্ত্রী এখন গোটাটাই একা হাতে নিয়ন্ত্রণ করবেন। প্রশাসন ও দল দুটোই।’’ সুকান্ত খোঁচা দিয়ে লিখলেন, ‘‘এরপরও বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের অন্তর্দ্বন্দ্ব আর কতটা প্রতীয়মান হবে?’’

    মমতাকে তোপ

    বেলডাঙ্গা, শ্যামপুর, রাজাবাজারের অশান্তির ঘটনা নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে আক্রমণ করেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) । তাঁর অভিযোগ, তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে সীমা ছাড়িয়ে ফেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই এইসব জায়গার অশান্তির ঘটনা তাঁর চোখে পড়ে না। শাসক দলের হয়ে কু-কাজ করা নেতাদের সুরক্ষা না দিতে পারায় পুলিশের বদলি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হলে সরকার চুপ। সুকান্ত মজুমদারের প্রশ্ন, এটাই কি গণতন্ত্রের ছবি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal: গত পাঁচ বছরে রাজ্য থেকে বিদায় নিয়েছে ২,২৭৭টি কোম্পানি! শমীকের প্রশ্নে বলল কেন্দ্র

    West Bengal: গত পাঁচ বছরে রাজ্য থেকে বিদায় নিয়েছে ২,২৭৭টি কোম্পানি! শমীকের প্রশ্নে বলল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ঘটা করে শিল্প সম্মেলন হচ্ছে বাংলায় (West Bengal)। ছোট-বড়-মাঝারি শিল্পপতিরাও আসছেন। সরকারি পয়সায় মোচ্ছবও হচ্ছে। তবে ক’টা শিল্প হয়েছে তৃণমূলের জমানায়, তা জানা যায়নি (Companies Left)। দু’-একটা স্পঞ্জ আয়রন কারখানা হওয়ার কথা থাকলেও, সেগুলির কী হাল, তাও জানা যায়নি। রাজ্যের এহেন ‘শিল্পছবি’র গায়ে লাগল কেলেঙ্কারির কালো রং।

    পাততাড়ি গুটিয়েছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান 

    জানা গিয়েছে, মমতা জমানার (Mamata Banerjee) শেষ পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) থেকে ব্যবসা গুটিয়ে ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছে ২ হাজার ২৭৭টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৩৯টি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিও রয়েছে। রাজ্যসভার একটি প্রশ্নের উত্তরে এ খবর জানানো হয়েছে কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) এক প্রশ্নের উত্তরে এ খবর জানায় কর্পোরেট বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। শমীকের প্রশ্ন ছিল, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার কি এই কোম্পানিগুলির স্থানান্তরের কারণ নির্ধারণ করেছে এবং ব্যবসা আকৃষ্ট ও ধরে রাখার জন্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে? উত্তরে, কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়— প্রশাসনিক, কার্যকরী সুবিধা, খরচ-সাশ্রয় এবং উন্নত নিয়ন্ত্রণ-সহ আরও কিছু কারণে এই স্থানান্তর ঘটেছে।

    শমীকের প্রশ্ন

    শমীকের (Shamik Bhattacharya) প্রশ্ন, (ক) কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী কি অনুগ্রহ করে ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) থেকে অন্যান্য রাজ্যে তাদের রেজিস্টার্ড কার্যালয় স্থানান্তরিত করা কোম্পানিগুলির মোট সংখ্যা, (খ) সেই কোম্পানিগুলির মধ্যে কতগুলি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত এবং তারা মূলত কোন খাতে অন্তর্ভুক্ত, (গ) সরকার কর্তৃক চিহ্নিত স্থানান্তরের কারণ, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে যে কোনও অসুবিধা বা চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করা হয়েছে এবং (ঘ) এই সমস্যাগুলির সমাধান ও পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা ধরে রাখা এবং আকৃষ্ট করার জন্য সরকার গ্রহণ করা পদক্ষেপগুলি জানানোর জন্য সম্মতি প্রকাশ করবেন (Mamata Banerjee)?

    মন্ত্রকের জবাব

    মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে অন্যান্য রাজ্যে তাদের রেজিস্টার্ড অফিস স্থানান্তরিত করেছে ২২২৭টি কোম্পানি। (খ) উপরে উল্লিখিত ২২২৭টি কোম্পানির মধ্যে ৩৯টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি। এই কোম্পানিগুলি উৎপাদন, অর্থায়ন, কমিশন এজেন্ট, বাণিজ্যিক কার্যক্রম ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত। (গ) ও (ঘ) কোম্পানিগুলিকে তাদের রেজিস্টার্ড অফিস এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে স্থানান্তর করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে কোম্পানি আইন, ২০১৩-এর ধারা ১৩(৪) এবং কোম্পানি (ইনকর্পোরেশন) বিধি, ২০১৪-এর রুল ৩০ অনুসারে। কোম্পানিগুলি তাদের আবেদনপত্রে রেজিস্টার্ড অফিস স্থানান্তরের কারণ হিসেবে প্রশাসনিক, কার্যকরী সুবিধা, ব্যয় সাশ্রয়, ভালো নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি উল্লেখ করেছে।

    আরও পড়ুন: ফড়ণবীশেই সিলমোহর, বৃহস্পতিতে জমকালো অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ দেবেন্দ্রর

    সরকারের নীতিগুলির উল্লেখ নেই

    উল্লেখ্য যে, ভবিষ্যতে এমন কোম্পানিগুলির স্থানান্তর প্রতিরোধে সরকারের নীতিগুলির উল্লেখ করা হয়নি। এদিকে, বিজেপির জাতীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বে থাকা এবং পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) কো-ইনচার্জ অমিত মালব্যও এই তথ্য তুলে ধরে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোকে আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্পোরেট স্থানান্তরের রিপোর্ট কার্ড এবং একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি কতটা বিশাল বিপর্যয়, তার উদাহরণ। তিনি বলেন, এটি একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা, যা পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) চাকরি, ব্যবসা এবং শিল্প বৃদ্ধির অভাবের করুণ ছবি তুলে ধরে। এই তথ্যটি রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক দিয়েছে। বিজেপির দাবি, রাজ্যের বর্তমান সরকার শিল্পবিরোধী এবং এই উন্নয়ন তৃণমূল কংগ্রেস প্রশাসনের জন্য বড় অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

    আরও পড়ুন: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ঘূর্ণিঝড়ের মেঘ সরতেই রাজ্যে ফিরল শীতের আমেজ, দার্জিলিঙে তুষারপাতের পূর্বাভাস

    Weather Update: ঘূর্ণিঝড়ের মেঘ সরতেই রাজ্যে ফিরল শীতের আমেজ, দার্জিলিঙে তুষারপাতের পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড়ের মেঘ সরতেই ফিরল ঠান্ডার আমেজ। চলতি সপ্তাহের শেষেই পারদপতনের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর। একদিনে কমল ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, সপ্তাহান্তেই জমিয়ে শীতের আমেজ ফিরতে পারে দক্ষিণবঙ্গে।

    তাপমাত্রার পারদ কত নামতে পারে? (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে খবর, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না। তবে পরবর্তী তিন দিনে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি নামতে পারে পারদ। দক্ষিণের জেলাগুলিতে কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সর্বত্র শুষ্কই থাকবে আবহাওয়া। সপ্তাহভর পরিষ্কার থাকবে আকাশ। তবে উপকূল- সংলগ্ন কিছু জেলায় আকাশ আংশিক মেঘে ঢাকতে পারে। সব জেলাতেই সকালের দিকে কমবেশি হালকা কুয়াশা দেখা যাবে। বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশায় ঢাকতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার কয়েকটি এলাকা। শুক্রবার মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় মাঝারি কুয়াশা সতর্কতা রয়েছে। বুধবার আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। জেলাতেও নামল পারদ। বৃহস্পতিবার আরও কিছুটা পারদ নামার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, শ্রীনিকেতনে পারদ ১৪.০ ডিগ্রি, কৃষ্ণনগরে ১৫.২ ডিগ্রি, বাঁকুড়ায় ১৬. ০ ডিগ্রি এবং দমদমে ১৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।

    আরও পড়ুন: ভীত বাংলাদেশ! ত্রিপুরার উপ-দূতাবাস বন্ধ করল ঢাকা, অমিল ভিসা পরিষেবা

    দার্জিলিঙে তুষারপাত!

    পর্যটকদের জন্য রয়েছে সুখবরও। দার্জিলিং ও কালিম্পঙের উঁচু জায়গাগুলিতে হতে পারে তুষারপাত। আলিপুর (Weather Update) জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষে উত্তরের জেলাগুলিতেও ধীরে ধীরে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমবে। বৃহস্পতির রাত থেকে রবিবারের মধ্যেই এক ধাক্কায় ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি নামতে পারে পারদ। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর এবং মালদা জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার সকালে কুয়াশার চাদরে ঢাকতে পারে দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলা। শনি ও রবিবার দার্জিলিং ও কালিম্পঙের উঁচু জায়গাগুলিতে হালকা বৃষ্টি কিংবা তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: বাংলাদেশি রোগীদের বয়কটের ডাক বিজেপির, কল্যাণী এইমসের সামনে বিক্ষোভ

    BJP: বাংলাদেশি রোগীদের বয়কটের ডাক বিজেপির, কল্যাণী এইমসের সামনে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ভারতের জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করা হচ্ছে। আর সেই সব জেহাদিরা ভারতে এসে চিকিৎসার সুবিধা নিচ্ছে। আমরা সেই সব ভারত বিদ্বেষীদের কখনওই আমাদের দেশে চিকিৎসা করাতে দেব না। মূলত এই দাবি তুলে বিজেপি (BJP) বিধায়ক অম্বিকা রায়ের নেতৃত্বে কল্যাণী এইমসের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন দলের নেতা-কর্মীরা।  

    চিকিৎসকদের কাছে বাংলাদেশি রোগীদের বয়কটের ডাক (BJP)

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ (Bangladesh) পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন চিন্ময় প্রভু। শুধু মৌলবাদীদের হুমকির জেরে তাঁর পক্ষে কোনও আইনজীবী আদালতে সওয়াল না করায় তিনি জামিন পর্যন্ত পাচ্ছেন না। সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ চলছে। সেখানকার মন্দির ভেঙে দেওয়া হচ্ছে এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বাংলাদেশের কলেজে গেটের সামনে মাটিতে ভারতের জাতীয় পতাকা আঁকানো রয়েছে। আর তার ওপর দিয়ে হেঁটে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীরা। এটা ভারতবাসীর কাছে অপমানের। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার এবং জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ তুলে এদিন কল্যাণী এমস হাসপাতালে গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলেন কল্যাণী বিজেপি (BJP) বিধায়ক অম্বিকা রায় সহ বিজেপি সমর্থকরা। প্রত্যেকের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা, চিন্ময় প্রভুকে মুক্তি দিতে হবে। এইমস হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে বাংলাদেশি রোগীদের বয়কট করতে হবে।

    আরও পড়ুন: দ্রুত নামবে পারদ! মাঝ-ডিসেম্বর থেকেই শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং, বলছে পূর্বাভাস

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    এ বিষয়ে বিধায়ক (BJP) অম্বিকা রায় বলেন, “কিছু ভারতবিদ্বেষী রয়েছে, যারা ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা করছে। অথচ তারাই এসে বিনামূল্যে ভারতের চিকিৎসা সুবিধা নিচ্ছে। ১৪০ কোটি মানুষের এই ভারতবর্ষকে নিয়ে অপমান করার সাহস তারা কোথা থেকে পায়? কিন্তু দেখা যাচ্ছে এ রাজ্য সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। আমরা চাই সেই সমস্ত ভারত বিদ্বেষী বাংলাদেশিরা যাতে আমাদের দেশে কোনও চিকিৎসা পরিষেবা না পায় সেই ব্যবস্থা করুক সরকার। সেই কারণেই এদিন আমরা এইমস হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখালাম। আমরা কোনও মতেই ভারত বিরোধী কোনও বাংলাদেশিকে ভারতবর্ষের কোনও সুবিধা পেতে দেব না”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share