Tag: West Bengal

West Bengal

  • Cooch Behar: পাচারে যুক্ত পুলিশ! ব্রাউন সুগার সহ গ্রেফতার ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মী

    Cooch Behar: পাচারে যুক্ত পুলিশ! ব্রাউন সুগার সহ গ্রেফতার ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের হাতেই পুলিশকর্মী গ্রেফতারের ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ব্রাউন সুগার সহ দু’জনকে গ্রেফতার করল কোচবিহারের (Cooch Behar) কোতোয়ালি থানার পুলিশ। যার মধ্যে একজন পুলিশ কনস্টেবল রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত কনস্টেবলের নাম শেখ আজিজুল। অন্য জনের নাম শেখ শাহবাজ। দু’জনের বাড়ি মালদহের রতুয়ার বাহারাল-সাহাপুরে। শাহবাজ সম্পর্কে আজিজুলের শ্যালক। পুলিশের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে একশো গ্রামের বেশি ব্রাউন সুগার উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য দেড় লক্ষ টাকার মতো।

    পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ ছিল? (Cooch Behar)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখ আজিজুল বছর তিরিশের যুবক। বছর চারেক আগে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি পান তিনি। এক বছর আগে, কোচবিহার ক্রাইম ব্রাঞ্চের সদস্য করা হয় তাঁকে। অভিযোগ, তারপর থেকেই একাধিক অভিযান ব্যর্থ হতে শুরু করে ক্রাইম ব্রাঞ্চের। তার মধ্যে সবগুলিই ‘ব্রাউন সুগার’ সম্পর্কিত ঘটনা। বেশ কয়েকটি ঘটনায় নির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে অভিযান শুরু করা হয়। ওই অভিযানের প্রত্যেকটিতে শামিল ছিলেন আজিজুল। কিন্তু নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর আগেই দেখা যায়, দুষ্কৃতীরা পালিয়ে গিয়েছে। তাদের মোবাইলও বন্ধ। এক পুলিশ অফিসার বলেন, অনেক ক্ষেত্রে আমরা গ্রাহক সেজে অভিযান করি। কিন্তু দেখা যায়, আগে থেকেই সব জেনে যাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। তখনই আমাদের সন্দেহ দানা বাঁধে, পুলিশকর্মীদের মধ্যে থেকেই পাচার করে দেওয়া হচ্ছে অভিযানের তথ্য। তদন্তে নেমে আজিজুলকে সন্দেহ করা হয়। তাঁর মোবাইলে ফাঁদ পাততেই উঠে আসে একের পরে এক তথ্য। জানা গিয়েছে, আশ্রমঘাটে ফাঁদ পাতে কোচবিহারের (Cooch Behar) কোতোয়ালি থানার পুলিশ। ব্রাউন সুগার-সহ গ্রেফতার করা হয় দু’জনকে। রতুয়ায় বেশ অবস্থাপন্ন আজিজুলের পরিবার। বেশ কিছু জমিজমাও রয়েছে তাঁদের। কিন্তু আজিজুল ব্রাউন সুগারের কারবারের সঙ্গে জড়িত তা বিশ্বাস করতে পারছেন না গ্রামবাসীরা।

    জেলা পুলিশ সুপার কী বললেন?

    কোচবিহারের (Cooch Behar) পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য জানান, ধৃতদের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাতে আরও নতুন তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যানের, কেন জানেন?

    Cooch Behar: পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যানের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে শাসকদলের দলদাস সহ নানা অভিযোগ করে বিরোধীরা। এবার সেই পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের কোচবিহার (Cooch Behar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। শুধু পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুলে তিনি চুপ থেকেছেন তা নয়, তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার জরুরি ভিত্তিতে কোচবিহার পুরসভার বোর্ড মিটিং করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কেন পুলিশের বিরুদ্ধে চটলেন তৃণমূল নেতা? (Cooch Behar)

    কোচবিহার (Cooch Behar) রাসমেলার আয়োজন করে পুরসভা। মেলার সূচনা ও সমাপ্তি- দুই পর্বই পুরসভা ঘোষণা করে। সেখানে মেলা শেষ হওয়ার তিন দিন আগে থেকেই মেলার সমাপ্তির কথা জানিয়ে মাইকে প্রচার করে পুলিশ। ২৭ নভেম্বর এ বার মেলা শুরু হয়। কুড়ি দিনের মেলা শেষ হয় ১৬ ডিসেম্বর। ব্যবসায়ীরা মেলার মেয়াদবৃদ্ধির দাবি করলেও, তা মানা হয়নি। অভিযোগ, ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২টার পর থেকে পুলিশ দোকান ভেঙে নিতে ব্যবসায়ীদের উপরে চাপ তৈরি করে। ঐতিহ্যবাহী রাসমেলার শেষ মুহূর্তে ব্যবসায়ী ও পুরকর্মীদের উপরে অত্যাচার করেছে পুলিশ। তা নিয়ে দু’দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছেন কর্মীরা। তাতে শহর জুড়ে আবর্জনা ছড়িয়ে পড়েছে। রাসমেলার মাঠ, ভবানীগঞ্জ বাজারে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় শহরে মিছিল করে পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান পুরকর্মীরা। পরে, পুরসভার চেয়ারম্যান তাঁদের কাছে কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার আবেদন করেন। চেয়ারম্যানের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে নালিশ জানান পুরকর্মীরা। এরপরই তৃণমূল নেতা তথা পুরসভার চেয়ারম্যান পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, এ বারের রাসমেলায় পুলিশের একটি অংশের ভূমিকা মোটেই ভাল ছিল না। নিরীহ ব্যবসায়ীদের মারধর করা হয়েছে। তাঁদের জিনিসপত্র নিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানাব।

    জেলা পুলিশের এক কর্তা কী বললেন?

    কোচবিহার জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, মেলা শেষ হওয়ার পরেও একটি অংশ আটকে কেনাবেচা করা হচ্ছিল। তাতে ভিড় বাড়ছিল। সে জন্যেই সবাইকে দোকান ভেঙে নিতে বলা হয়েছে। পুরকর্মীরা যে অভিযোগ করছে তা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: গ্যাসেও কাটমানি! আধার সংযোগ করতে মন্ত্রীর স্ত্রী নিচ্ছেন ২০০ টাকা! বাড়ির সামনে বিক্ষোভ

    Nadia: গ্যাসেও কাটমানি! আধার সংযোগ করতে মন্ত্রীর স্ত্রী নিচ্ছেন ২০০ টাকা! বাড়ির সামনে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল মন্ত্রীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে গ্যাসের কেওয়াইসি করানোর অভিযোগ। মন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ গ্রাহকদের। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Nadia)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    আধার লিংক করাতে ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে! (Nadia)

    রাজ্যের মন্ত্রী তথা কৃষ্ণনগর (Nadia) দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাসের স্ত্রীর নামে গ্যাসের ডিলারশিপ রয়েছে। কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী গোটা দেশ জুড়ে চলছে গ্যাস সিলিন্ডারের সঙ্গে আধার কার্ডের লিংক করানোর কাজ। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিভিন্ন গ্যাসের ডিলারের অফিস থেকে এই কেওয়াইসি করার নির্দেশ রয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফে। সেই মতো বিভিন্ন জায়গায় গ্রাহকরা গিয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাঁদের আধার লিঙ্ক করিয়ে আনছেন। অথচ দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের স্ত্রী সোমা বিশ্বাস গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে বলা হচ্ছে এখানে কেওয়াইসি করা যাবে না। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গ্রাহকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে সোমা বিশ্বাস এবং তাঁর কর্মীদের বিরুদ্ধে। মূলত এই অভিযোগ তুলেই একাধিক গ্রাহক মন্ত্রীর বাড়ির সামনে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গ্রাহকদের বক্তব্য, কেন ২০০ টাকার বিনিময়ে আমরা কেওয়াইসি করব, যেখানে সরকারি নির্দেশ রয়েছে সম্পন্ন বিনামূল্যে এই কাজ করা যাবে। কৃষ্ণনগরে অন্য গ্যাস অফিসে কোথাও নেওয়া হচ্ছে না।

    মন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    যদিও গ্রাহকদের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল মন্ত্রীর স্ত্রী সোমা বিশ্বাস। তিনি বলেন, কেওয়াইসির বিনিময়ে কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে না। গ্যাসের যে পাইপ লাইন রয়েছে সেই পাইপ দেওয়ার বিনিময়ে ওই ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটা শুধু আমার এখানে নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন গ্যাসের ডিলাররা একই নিয়মে কাজ করছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, গোটা দেশজুড়ে একই নিয়ম চলছে। আর আমরা তো দেশের বাইরে নই। যার সমস্যা হবে সে আসবে না।

    গ্যাসেও কাটমানি নিচ্ছে তৃণমূল

    এ বিষয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা সন্দীপ মজুমদার বলেন, কোথাও নিয়ম নেই পাইপ না নিলে কেওয়াইসি করা যাবে না। এটা সম্পূর্ণ জোড়পূর্বক করা হচ্ছে। গ্যাসেও কাটমানি খাওয়ার ধান্দা। তৃণমূলের এটাই পরিচয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: আগুনে পুড়ে ছাই শতাধিক বাড়ি, শীতে খোলা আকাশের নীচে বাসিন্দারা

    Howrah: আগুনে পুড়ে ছাই শতাধিক বাড়ি, শীতে খোলা আকাশের নীচে বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেল হাওড়ার (Howrah) ব্যাটরা থানার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের কাছে ড্রেনেজ ক্যানাল রোডের ধারে একটি বস্তি।  প্রায় শতাধিক ঝুপড়ি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গিয়েছে। যার জেরে সর্বহারা হলেন কয়েকশো মানুষ। এই কনকনে শীতের মধ্যে মাথার ছাদ টুকু চলে গেল সবার। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে, দমকলের প্রাথমিক অনুমান গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন লাগতে পারে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)  

    মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ হঠাৎ করেই হাওড়ার (Howrah) ড্রেনেজ ক্যানেল রোডের ওই  ঝুপড়ির একটি বাড়িতে আগুন লাগে। তারপর সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের ঝুপড়ি বাড়ি গুলিতে। কাঁথা কম্বল থেকে শুরু করে কাঠ, বাঁশের বেড়া, চাঁচের ঘর এই সব থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তা দেখে ঝুপড়ির বাসিন্দারা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন রাস্তায়। তারপর বস্তির ঘরে  থাকা গ্যাস সিলিন্ডার গুলিতেও আগুন লেগে বিস্ফোরণ হতে থাকে। আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে নিজেরাই ঘরের মধ্যে যা জল ছিল এবং পাশে একটি ঝিল থেকে জল তুলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, তাতেও আগুন নেভানো যায়নি। তারপর তারা ব্যাটার থানায় এবং পরে দমকলে খবর দেন। হাওড়া ময়দান দমকল কেন্দ্র থেকে দমকলের ছটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে, আরও চারটি ইঞ্জিন আসেন। মোট ১০টি ইঞ্জিন একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে বস্তির কোনও কিছুই আস্ত পাওয়া যায়নি। আসবাব থেকে বস্তির বেড়া পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, রান্নার থালা, গ্লাস, বাটি আগুনে দুমড়ে মুচড়ে দলা পাকিয়ে গেছে।

    বস্তিবাসীদের কী বক্তব্য?

    কল্যাণী অধিকারী নামে এক বাসিন্দা বলেন, হঠাৎ করেই দেখলাম ঘর থেকে ধোঁয়া উড়ছে। ঘর বের হতেই সম্পূর্ণ বাড়িটা পুড়ে ছাই হয়ে গেল। কোনও কিছুই ঘর থেকে বের করতে পারলাম না। এখন এই ঠান্ডায় পরিবার নিয়ে কোথায় যাব, কোথায় রাত কাটাবো, কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। অসীমা দলুই নামে এক বাসিন্দা বলেন, এমনিতেই অভাবের সংসার। কোনও রকমে রিকশা টেনে সংসার চলে। এই বস্তিতে মাথা গোঁজার আশ্রয় নিয়েছিলাম। আগুনে পুড়ে সেটাও চলে গেল। এখন কী করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।

    দমকলমন্ত্রী কী বললেন?

    হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী ঘটনাস্থলে আসেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি বলেন, কী করে আগুন লাগলো তা তদন্ত করে দেখা হবে। তবে, যাদের বাড়ি পুড়েছে তাদের জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের টাকায় তাঁদের বাড়িগুলি তৈরি করে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bayron Biswas: সাত সকালে বিধায়ক বাইরনের বাড়িতে আয়কর হানা, কেন জানেন?

    Bayron Biswas: সাত সকালে বিধায়ক বাইরনের বাড়িতে আয়কর হানা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে আয়কর দফতর হানা দিয়েছিল। পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানোর খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার মুর্শিদাবাদের সাঘরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের (Bayron Biswas) বাড়িতে হানা দিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। বুধবার সকালে বিধায়কের শামসেরগঞ্জের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা। আয়কর ফাঁকির অভিযোগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাইরনের বাড়িতে হানা দিয়েছে আয়কর বিভাগ। মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমের একাধিক এলাকাতেও আয়কর হানা চলছে। বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে তিনি কর ফাঁকি দিয়েছেন। সেই কারণেই বাইরনের বাড়িতে হানা দিয়েছেন আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা।

    বিধায়কের বাড়ি ছাড়াও আর কোথায় কোথায় তল্লাশি চালানো হয়? (Bayron Biswas)

    সাত সকালে মুর্শিদাবাদের শামসেরগঞ্জের ধূলিয়ানের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল হানা দেয়। যে বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল হানা দিয়েছে সেটি অবশ্য বাইরন বিশ্বাসের (Bayron Biswas) বাবা বাবর আলির নামে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বাড়িতে বিধায়ক আছে কিনা তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। বাবর আলির এই বাড়িতে বিড়ির কারখানা রয়েছে। শুধু এক জায়গায় নয় শামসেরগঞ্জের পাশাপাশি সাগরদিঘির বাড়িতেও বিধায়কের বিড়ির কারখানা, হাসপাতাল, চা কোম্পানি এবং ডাকবাংলার বাড়িতেও আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, বাইরন বিশ্বাস উপনির্বাচনে দাঁড়াবার আগে নির্বাচন কমিশনে তাঁর আয়ের যে তথ্য দিয়েছিলেন তাতে দেখা যাচ্ছে যে তিনি বিড়ির ব্যবসা শুরু করেই অন্যান্য ব্যবসা শুরু করেন। তাঁর নামে একাধিক নার্সিংহোম, রাসায়নিক ফ্যাক্টরি রয়েছে।

    অভিষেকের হাত ধরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন বাইরন

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে মারা যান সাগরদিঘির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহা। চলতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘির উপনির্বাচন হয়। ২ মার্চ উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ হলে দেখা যায় তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে ২২ হাজার ৯৮০ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন (Bayron Biswas)। কিন্তু, জুন মাসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসংযোগ যাত্রা ঘাটালে পৌঁছলে সেখানে গিয়ে তৃণমূলে যোগদান করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: স্বামী-সন্তানকে নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন মহিলা! লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত অনেকেই

    Fraud: স্বামী-সন্তানকে নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন মহিলা! লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত অনেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে প্রতারিত হওয়ার ঘটনা প্রায় ঘটছে। এবার সহানুভূতি কিংবা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার (Fraud) অভিযোগ উঠল এক দম্পতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির কোন্নগর এলাকায়। প্রতারিতরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, নির্দিষ্ট ধারায় অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কীভাবে প্রতারণা করতেন দম্পতি? (Fraud)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকদের নাম সোমা কর, তাঁর স্বামী গৌতম কর ও তাঁর ছেলে কৌশিক কর। তাঁদের বাড়ি কোন্নগর পঞ্চাননতলা এলাকায়। মোটা টাকা ঋণ করিয়ে দেওয়ার নাম করে এক ব্যক্তির কাছে থেকে কয়েক ধাপে প্রায় আট লক্ষ টাকা নিয়েছেন তাঁরা। ঋণ না পেয়ে প্রতারিত ব্যক্তি টাকা ফেরত চাইলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। যে টাকা নেওয়া হয়েছে তার সমস্ত কাগজপত্র আছে। কিন্তু, টাকা কিছুতেই ফেরত দিতে চায়নি বলে শেষে প্রতারিত ব্যক্তি উত্তরপাড়া থানার দ্বারস্থ হন। আরেক প্রতারিত লিলি বোস বলেন, ওই কর দম্পতি আমার বাড়িতে এসে আর্থিক সমস্যার কথা বলে পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু অনেকদিন হয়ে যাওয়ায় টাকা ফেরত চাইতে গেলে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে পুলিশে অভিযোগ জানাই। প্রতারণার খবর জানাজানি হওয়ার পরেই পলাতক তিন অভিযুক্ত। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে, তাঁদের বাড়িতে ঝুলছে তালা। অভিযুক্তকে ফোন করা হলেও সঠিক উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। কখনও বলছেন তাঁরা বাড়িতে নেই, আবার কখনও বলছেন, এটা ভুল নম্বর। জানা গিয়েছে, এক বা দুজন নয়, এই এলাকায় বহু মানুষের থেকে নানা কৌশল করে তাঁরা প্রতারণা (Fraud) করে টাকা নিয়েছেন। এদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। না হলে তাঁরা এই ধরনের কারবার আরও চালাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: চিকিৎসা তো নেই-ই, কনকনে শীতে মেডিক্যাল কলেজে জুটছে না কম্বলও

    Cooch Behar: চিকিৎসা তো নেই-ই, কনকনে শীতে মেডিক্যাল কলেজে জুটছে না কম্বলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিষেবার হাল কেমন তা জানতে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু, রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি যা শুনলেন তা হতবাক হওয়ার মতো। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কনকনে শীতেও হাসপাতালে মিলছে না কম্বল! (Cooch Behar)

    কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের উপরে জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ নির্ভরশীল। প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী ওই হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে হাজির হন। তাঁদের মধ্যে অনেককেই ভর্তি করে নেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সব সময় প্রায় পাঁচশো জনের উপরে রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। তার মধ্যে যেমন সদ্যোজাত শিশু রয়েছে, তেমনই রয়েছে প্রবীণ মানুষেরাও। মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার পর থেকেই ওই হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার উপরে জোর দেওয়া হয়। কিন্তু, শীতের মধ্যে রোগীদের কম্বল দেওয়া হচ্ছে না। প্রবীণ এক রোগী বলেন, ঠান্ডায় আমার খুব অসুবিধা হচ্ছিল। সে জন্য আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কম্বল চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে কম্বল দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে বাড়ির লোককে বলে কম্বল নিয়ে এসেছি। রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান জানতে আসায় হাসপাতালের কী হাল তা সব জানিয়েছি।

     মুখ খুললেন রোগী কল্যাণের চেয়ারম্যান

    রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় বলেন, রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত কম্বল রয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। তার পরেও তা কেন দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে আলোচনা করব। শীঘ্রই বৈঠক ডাকা হবে।  দ্রুত রোগীদের যাতে কম্বল দেওয়া হয়, সে বিষয়ে বলা হয়েছে। কারও গাফিলতি থাকলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    হাসপাতালের সুপার কী সাফাই দিলেন?

    কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এমএসভিপি রাজীব প্রসাদ বলেন, এমন হওয়ার কথা নয়। প্রত্যেক রোগীর জন্য কম্বল রয়েছে। নির্দিষ্ট এক-দুটি ওয়ার্ড থেকে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপির রাস্তা হাইজ্যাক করল তৃণমূল! তারপর কী হল জানেন?

    Balurghat: বিজেপির রাস্তা হাইজ্যাক করল তৃণমূল! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্প হাইজ্যাক করার নজির তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক রয়েছে। এবার পুরসভা এলাকার সামান্য রাস্তাও হাইজ্যাক করার চেষ্টা করল তৃণমূল। যদিও বিরোধীদের বাধায় সেই পরিকল্পনা মাঝ পথেই ভেস্তে যায়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    বিজেপির বিধায়ক অশোক লাহিড়ীর বিধায়ক তহবিলের টাকায় রাস্তা তৈরি করছে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা। সেই রাস্তার কাজের সূচনাও করেছেন চেয়ারম্যান। কিন্তু, সেই রাস্তার কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিধায়ককেই আমন্ত্রণ করা হয়নি বলে অভিযোগ বিজেপির। এনিয়ে বালুরঘাট শহরে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক। পুরসভার সূচনার পরে সেই একই রাস্তার উদ্বোধন করল বালুরঘাট টাউন বিজেপি নেতৃত্ব। আমন্ত্রণ না পেয়ে বিধায়কের নির্দেশে ফের মঙ্গলবার ওই রাস্তার কাজের সূচনা হয়। বিধায়কের নির্দেশে মঙ্গলবার ওই একই রাস্তার কাজের সূচনা করলেন বালুরঘাট টাউন বিজেপি সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত। এদিন ফিতে কেটে ও নারকেল ফাটিয়ে কাজের সূচনা করেন বিজেপি নেতা। বালুরঘাট শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদিমপুর স্কুলপাড়া এলাকার রাস্তার ঘটনা।

    ফের বিজেপির উদ্যোগে রাস্তার শিলান্যাস করা হল

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদিমপুর স্কুলপাড়া এলাকায় প্রায় ১০০ মিটার এই ঢালাই রাস্তাটির জন্য বিধায়ক তহবিল থেকে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। দিন পনেরো আগে এই রাস্তার সূচনা করে পুরসভা। ইট পাতা থেকে পাশের নর্দমার কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে বিধায়ক তহবিলে এই কাজ হলেও বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি শিলান্যাসের সময়। এই বিষয়ে বিজেপির টাউন সভাপতি সমীর দত্ত বলেন, বিধায়ক তহবিল থেকে এই রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। কাজের অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে বিধায়ককে ডাকা হয়নি। তাই আমরা এদিন ফের রাস্তাটির শিলান্যাস করে ফের নতুন করে কাজ শুরু করি।

    তৃণমূলের বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই বিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, পুরসভার পক্ষ থেকে বিধায়ককে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। তিনি আসেননি কেন তা জানি না। এখন ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    বিজেপি বিধায়কের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) বিধানসভার বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী বলেন, এই রাস্তার উদ্বোধনে আমাকে আমন্ত্রণ করা হয়নি, তার জন্য আমি খুব খুশি। তবে, রাস্তাটা যাতে ভালোভাবে হয় সেটা পুরসভা দেখলেই হল। পুরসভার চেয়ারম্যান আবার এই রাস্তাটির ব্যান্ড বাজিয়ে ধূমধাম করে উদ্বোধন করলে আমি আরও খুশি হব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Registry Marriage: আঙুলের ছাপ দিতে বর-কনেদের কলকাতায় তলব, দুর্ভোগে বাড়ছে ক্ষোভ

    Registry Marriage: আঙুলের ছাপ দিতে বর-কনেদের কলকাতায় তলব, দুর্ভোগে বাড়ছে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে রেজিস্ট্রি বিয়ে (Registry Marriage) করতে গিয়ে ফাঁপড়ে পড়ছেন নবদম্পতিরা। ঘরে বসে সুবিধা লাভের আশায় পরিবারের লোকজন যে উদ্যোগ নিচ্ছেন, তা কার্যকরী করতে গিয়ে  নবদম্পতির কালঘাম ছুটছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রি বিয়ে নিয়ে জেলায় জেলায় ক্ষোভ বাড়ছে।

    আঙুলের ছাপ দিতে কলকাতায় দৌড়তে হচ্ছে নবদম্পতিদের (Registry Marriage)

    অনলাইনে রেজিস্ট্রি বিয়ে (Registry Marriage) চালু হয়েছিল ২০১৯ সালে। চলতি বছরের ১ নভেম্বর নতুন নির্দেশিকা জারি করে ‘রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ম্যারেজেস’-এর দফতর। বিয়ে নথিভুক্ত করতে গেলে পাত্র-পাত্রীর আঙুলের ছাপ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পরেও রেজিস্ট্রির দিন দেখা যাচ্ছে যে, আঙুলের ছাপ মিলছে না। ফলে ওই দিন রেজিস্ট্রি বিয়ে নাকচ হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যজুড়ে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রি বিয়ে করতে গিয়ে নাকাল হতে হচ্ছে অনেককেই। যাঁদের আঙুলের ছাপ মিলছে না তাঁদের ম্যারেজ রেজিস্ট্রি আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে জেলা থেকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে কলকাতায়। আচমকা কলকাতা যাওয়ার ডাক পেয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন। এরই মধ্যে ১৪ ডিসেম্বর রাজ্যের ‘রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ম্যারেজেস’ বিভিন্ন জেলার ৩১ জন ম্যারেজ রেজিস্ট্রি আধিকারিককে নোটিস পাঠিয়েছেন। বলা হয়েছে, আঙুলের ছাপ মেলেনি এ রকম পাত্র-পাত্রীকে ২১ ডিসেম্বর কলকাতায় আরজিএম (রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ম্যারেজেস) অফিসে নির্দিষ্ট দিনে এসে আঙুলের ছাপ দিয়ে যেতে হবে। ওই তালিকায় পূর্ব মেদিনীপুরের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদা জেলার অনেকে রয়েছেন। পাশাপাশি পুরুলিয়া, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া জেলার লোকেদের ১৮-২০ ডিসেম্বর ডাকা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ক্ষেত্রে এখনও দিন নির্ধারণ হয়নি।

    কলকাতায় নবদম্পতিদের তলব নিয়ে কর্তৃপক্ষের কী সাফাই?

    এ বিষয়ে ‘রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ম্যারেজেস’ দীপ্তার্ক বসু জানিয়েছেন, বিবাহ আইনে উল্লেখ রয়েছে, বাম আঙুলের ছাপ বাধ্যতামূলক। যেহেতু ৩০ জন অফিসারের কাছে কোনওভাবেই পাত্র-পাত্রীরা বাম আঙুলের ছাপ দিতে পারছিলেন না, তাই নির্দিষ্ট ভাবে শুধু তাঁদেরকেই কলকাতায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। সরকারি আধিকারিকের সামনে তাঁরা অন্য আঙুলের ছাপ দিয়ে রেজিস্ট্রি বিয়ে (Registry Marriage) সম্পূর্ণ করতে পারেন। যদি তাঁদের অসুবিধে থাকে সে কথা আমাদের জানালে ভিডিও কনফারেন্স হতে পারে। বা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী মাসের শিবির আয়োজন করে তা সমাধান করা যেতে পারে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: বর্ধমান স্টেশনের বিপর্যয়কাণ্ড! পূর্ব রেলের কতগুলি জলের ট্যাঙ্ক ভাঙা পড়ছে জানেন?

    Burdwan: বর্ধমান স্টেশনের বিপর্যয়কাণ্ড! পূর্ব রেলের কতগুলি জলের ট্যাঙ্ক ভাঙা পড়ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে চারজনের মৃত্যু হয়। ৩৪ জন যাত্রী জখম হন। সেই ঘটনার পরই এবার নড়েচড়ে বসল রেল কর্তৃপক্ষ। নতুন করে এই ধরনের বিপর্যয় যাতে না হয়, তার জন্য রেলের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    রেলের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল?

    পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে একটি করে জলাধার আছে। এর মধ্যে একাধিক জলের ট্যাঙ্ক ব্রিটিশ আমলে তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে হাওড়া ডিভিশনের তিনটি, আসানসোল ডিভিশনের আটটি এবং মালদা ডিভিশনের একটি জলের ট্যাঙ্ক। বিপদ এড়াতে এই সব ক’টি ট্যাঙ্ককেই ভেঙে ফেলা হবে। পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে সব মিলিয়ে মোট ৪৮টি জলাধার আছে। সেগুলির সব ক’টিকেই নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই তালিকায় আছে শিয়ালদা ডিভিশনের সাতটি, আসানসোল ডিভিশনের ২৩টি, হাওড়া ডিভিশনের ১৪টি এবং মালদা ডিভিশনে চারটি ট্যাঙ্ক। প্রসঙ্গত, হেরিটেজ তকমা পাওয়া বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনে গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা নাগাদ বিপর্যয় ঘটে। স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মধ্যে থাকা ১৮৯০ সালে তৈরি ট্যাঙ্ক আচমকা ভেঙে পড়ে। ভিড়ে ঠাসা প্ল্যাটফর্মের শেডের উপর আছড়ে পড়ে বিপুল পরিমাণ জল ও ভাঙা ট্যাঙ্কের ধাতব অংশ। ওই দুর্ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের নাম ক্রান্তি বাহাদুর (১৪), সোনারাম টুডু (৩৫), মফিজা বেগম (৩৫) এবং সুধীর সূত্রধর। ক্রান্তি এবং সোনারাম দু’জনেই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। বর্ধমান শহরের লাকুড্ডির বাসিন্দা ছিলেন মফিজা। এই ঘটনার পরই রেল কর্তৃপক্ষ বহু পুরানো জলাধার ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    পূর্ব রেলের আধিকারিক কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনের বিপর্যয়ের পর বিভিন্ন স্টেশনে আরও কিছু জলাধার চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপজ্জনক হিসেবে সেগুলিকেও পরে নষ্ট করে ফেলা হবে। আপাতত নষ্ট করার আগে সব চিহ্নিত জলাধারগুলিতে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক জল ভরা হবে। যদি মনে হয় কোনওটির রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন, সেগুলির সংস্কার করা হবে। সে কাজেও হাত দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফেলা হবে বলে আশা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share