Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যে  নির্যাতন চলছে, তা মানবতাবিরোধী’’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যে নির্যাতন চলছে, তা মানবতাবিরোধী’’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘স্থলবন্দর পরিদর্শন করে বিএসএফের কাছ থেকে খবর নিয়েছি, ওপারের অবস্থা ভালো নয়। ভারত সরকার শুধুমাত্র মেডিক্যাল ভিসা দিচ্ছে। যে কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৫০০ জন যাত্রীর জায়গায় ১৫০ জন পারাপার করছেন। ভারত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে যে পরামর্শ বিএসএফকে দেওয়ার, সেটাই দেওয়া হয়েছে।’’ হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখার পর এমনই মন্তব্য করলেন উত্তর- পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    স্থলবন্দর পরিদর্শনে বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar)

    বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar)। পরিদর্শনের সময় স্থলবন্দরে কর্তব্যরত বিএসএফ আধিকারিকদের থেকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর করেন। জিরো পয়েন্টে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় করেন তিনি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সীমান্ত সমস্যা ও দুই দেশের সম্পর্কে অবনতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিয়ে সীমান্তে চলছে অনিশ্চয়তা। এহেন অবস্থায় সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন সুকান্ত মজুমদার। স্থলবন্দরে পৌঁছে সীমান্ত প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি নিয়ে বিএসএফ আধিকারিককে সতর্ক করেন উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী। এরপরেই তিনি হিলির চোদ্দো হাত কালীর মেলায় পৌঁছান। সেখানে মন্দিরে পুজো দিয়ে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেন বালুরঘাটের সাংসদ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    কী বললেন সুকান্ত?

    পরে, এই প্রসঙ্গে উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে এপারের বাঙালিরা দুঃখিত। সেদেশে যেভাবে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চলছে, তা মানবতাবিরোধী। প্রতিবেশী রাষ্ট্রে সংখ্যালঘুদের ওপর অবিলম্বে আক্রমণ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।” উত্তরবঙ্গে আট জেলার অধীনে থাকা প্রায় ১৯৩৭ কিলোমিটার ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন রয়েছে বিএসএফ। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈরি হওয়া অস্থিরতার কারণে ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বিএসএফের তরফে। অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েনের পাশাপাশি থার্মাল ক্যামেরা, নাইট ভিশন ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা ও ড্রোনে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমান্তে পারাপারে বসানো হয়েছে বায়োমেট্রিক মেশিন। তবে চলতি বছরে জলপাইগুড়ি জেলার অধীনে মিলন মেলা নিয়ে ধন্দ প্রকাশ করেছেন আইজি। মিলন মেলা আয়োজিত হলে যেন সরকারিভাবে নিয়ম মেনে ও সরকারি অনুমোদনে আয়োজিত হয় সেই কথা জানিয়েছেন আইজি।

    কী বললেন বিএসএফের আইজি?

    অস্থিরতার জেরে ইন্দো-বাংলাদেশ (Bangladesh) সীমান্ত দিয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে অনুপ্রবেশ। গত চার মাসে শুধু মাত্র উত্তরবঙ্গে মোতায়েন থাকা বিএসএফের শিলিগুড়ি ফ্রন্টিয়ারের অধীনে অনুপ্রবেশের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে অনুপ্রবেশকারীদের কড়া হাতে প্রতিরোধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিলিগুড়ি ফ্রন্টিয়ারের বিএসএফ আধিকারিকরা। বিএসএফের আইজি সূর্যকান্ত শর্মা বলেন, ‘‘সীমান্তে টানা ও নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা রাখা হয়েছে। তবে অগাস্ট মাসের পরে ওপার থেকে সংখ্যালঘুদের এপারে আসার একটা চাপ ও প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজিবির সঙ্গে আলোচনা করে খুব দক্ষতার সঙ্গে সেইসব সমস্যা মেটানো হচ্ছে। পাশাপাশি ফেন্সিংয়ের জন্য জমি অধিগ্রহণে রাজ্য সরকারের ভালো সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। ফ্রন্টিয়ারের অধীনে থাকা মোট সীমান্তের ১০ শতাংশে ফেন্সিং নেই। খুব তাড়াতাড়ি সেই জায়গায়ও ফেন্সিং করা হবে।’’

    কত বাংলাদেশিদের গ্রেফতার?

    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে বিএসএফের নর্থ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার ইন্দো বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী ১২৭ জন বাংলাদেশি ও ১৭৩ জন ভারতীয়কে গ্রেফতার করে। কিন্তু চলতি বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে ১৯৪ জন বাংলাদেশি, ১৯৭ জন ভারতীয়, তিন জন রোহিঙ্গা ও তিন জন অন্য অনুপ্রবেশকারী মিলিয়ে মোট ৩৯৭ জন অনুপ্রবেশকারীদের পাকড়াও করে। সব থেকে আশ্চর্যের বিষয় হল, চলতি বছরের অগাস্ট মাস থেকে নভেম্বর পর্যন্ত গত চার মাসেই ১৪৯ জন অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ। যার মধ্যে ৩৫ জন ভারতীয় ও ১১৪ জন বাংলাদেশি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বাংলাদেশিদের শেল্টার দেওয়ার কথা বলার সময় কেন্দ্রকে মনে ছিল না?” মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “বাংলাদেশিদের শেল্টার দেওয়ার কথা বলার সময় কেন্দ্রকে মনে ছিল না?” মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান এবং তাঁর মন্তব্যকে দ্বিচারিতা বলে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলাদেশ ইস্যুতে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরে তাঁর সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা। কার্যত তাঁর বক্তব্য সামনে নিয়ে তাঁকে তুলোধনা করলেন।

    ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করছি, যাতে তারা রাষ্ট্রপুঞ্জকে বলে, যে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ওখানে একটা পিসকিপিং ফোর্স পাঠানো হোক।” তাঁর কথায়, “এটা কেন্দ্রের ব্যাপার। পররাষ্ট্রের ব্যাপার। তবে এও ঠিক যে, আমাদের অনেক বন্ধু আত্মীয়স্বজন বাংলাদেশে রয়েছে। ধর্ম, বর্ণ, জাতি যেখানেই আক্রান্ত হোক আমরা নিন্দা করি। আমরা চাই শান্তি ফিরুক। তা নিশ্চিত করা হোক। এই সভা থেকে প্রস্তাব নেওয়া হোক যে আমাদের বন্ধুদের ওপর যেন অত্যাচার না হয়।” 

    দ্বিচারিতা বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রীর পররাষ্ট্রের দিকে বল ঠেলে দেওয়ার ব্যাপারটাকে হাতিয়ার করেই দ্বিচারিতা বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “যখন বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলন চলছিল, যখন হাসিনা সরকার দমনপীড়ন চালাচ্ছিল তখন মমতা আহ্বান করেছিলেন যে ‘যাঁরা আক্রান্ত হবেন আসুন আমি শেল্টার দেব। তখন ওঁর পররাষ্ট্রের কথা মনে পড়েনি?” শুভেন্দুর কথায়, “এখন যখন হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন, শুধু বাংলাদেশ কেন গোটা পৃথিবী জুড়ে যখন হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন তখন হিন্দু সনাতনীরা রাস্তায় নেমেছেন। জনবিস্ফোরণ হচ্ছে। ওঁর দলের হিন্দুদের মধ্যেও ব্যাপক জনরোষ তৈরি হয়েছে, তখন তিনি প্রধানমন্ত্রীর দিকে দায়িত্ব ঠেলছেন। দায়িত্ব ওঁকেও নিতে হবে। একই অঙ্গে বিভিন্ন রূপ না দেখিয়ে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে করুক।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    বাংলাদেশে রফতানির বন্ধের হুঙ্কার দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    সনাতনী হিন্দু সংগঠনের ডাকে সোমবার দুপুরে পেট্রাপোল সীমান্তের মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। অরাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখান থেকে হিন্দুদের জোট বাঁধার ডাক দেন তিনি। এর পর হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে জিরো পয়েন্টের দিকে পদযাত্রা করেন। সেখানে কালো বেলুন উড়িয়ে প্রতিবাদ দেখান। তার পর প্যাসেঞ্জার টার্মিনাস ধরে অভিবাসন কেন্দ্রের দিকে রওনা দেন। সকাল থেকেই এই চত্বরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন প্রচুর মানুষ। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু। হাতও মেলান। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথায়, “হাজার হাজার মানুষ জমায়েত করেছে। এরা কোনও বিজেপি নয়। হিন্দুরা জোট বাঁধছে।’’

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, ‘‘এটা আমরা ট্রেলার দেখিয়ে গেলাম। অত্যাচার বন্ধ না হলে এর পরের সপ্তাহে, প্রভু মুক্তি না পেলে আমরা ৫ দিন বন্ধ করব। তারপরে আমরা ২০২৫ সালে লাগাতার বন্ধ করে ওদের আলু-পেঁয়াজ কী করে খায় আমরা সেটা দেখিয়ে দেব। ভারতের পতাকা যারা পদদলিত করেছে, ‘৭১-এর রাজাকারের মতো, যেমন পাকিস্তানে আমি চিফ আত্মসমর্পণ করেছিলেন, এই রাজাকারের নতুন বাচ্চাদের ভারত আত্মসমর্পণ করাবে। ভারত আজ একটা দেশ নয়, পৃথিবীর একটা শক্তিশালী রাষ্ট্র নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Land: ‘‘যেখানে নমাজ পড়া হবে, সেটাই ওয়াকফ সম্পত্তি’’! বিতর্কিত মন্তব্য কল্যাণের, তুলোধনা বিজেপির

    Waqf Land: ‘‘যেখানে নমাজ পড়া হবে, সেটাই ওয়াকফ সম্পত্তি’’! বিতর্কিত মন্তব্য কল্যাণের, তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ বিলের (Waqf Land) সংশোধনের বিরোধিতায় কলকাতার রানি রাসমণি রোডে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের পক্ষ থেকে সমাবেশ করা হয়। সেখান থেকে ওয়াকফ বিল সংশোধনের প্রসঙ্গে বিজেপিকে নিশানা করতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব বেজায় ক্ষুব্ধ। কল্যাণের কড়া সমালোচনা করেন বিজেপি নেতারা।

    যেখানে নমাজ পড়া হবে, সেটাই ওয়াকফ সম্পত্তি হয়ে যাবে (Waqf Land)

    দলীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আপনি যেখানে নমাজ পড়বেন বা যাঁরাই নমাজ পড়বেন কোনও এক জায়গায়, সেটাই ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Land) হিসেবে বিবেচিত হবে। যে কোনও একটা জায়গায় যদি ২০ জন বা ২৫ জন বা ১৫ জন বা পাঁচজন নিয়মিত নমাজ পড়েন, সেটাকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আর নমাজ যে মসজিদে পড়তে হয়, সেটার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    তীব্র কটাক্ষ করলেন সুকান্ত

    কল্যাণের এই বিতর্কিত বক্তব্য নিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতৃত্ব। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ যে মন্তব্য করেছেন, তাতে কলকাতার একটা বড় অংশই ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। কল্যাণের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিমানবন্দর, পার্ক, রেললাইনের মতো জায়গাকেও ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। তাঁর দাবি, ‘‘পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মতো বাংলায় হিন্দুদের সম্পূর্ণ নির্মূল নিশ্চিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করে ছাড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেস। ’’বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি বলেন, ‘‘এটার (কল্যাণের মন্তব্য) অর্থ হল, যে কোনও অজুহাতে রাস্তা, রেললাইন, বিমানবন্দর, পার্ক-সহ অন্যান্য জায়গায় নমাজ পড়া হলে সেটাকে ওয়াকফ জমি (Waqf Land) হিসেবে দাবি করা যেতে পারে। এই ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কলকাতার একটা বড় অংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের হাতে চলে যাবে।’’ তিনি তৃণমূল সাংসদের বক্তব্যটি পোস্টও করেছেন।

    কল্যাণকে খোঁচা যুব মোর্চার

    সত্যিটা বলার জন্য ধন্যবাদ, কল্যাণকে খোঁচা দেন বঙ্গ বিজেপির যুব মোর্চার সহ-সভাপতি তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তিনি বলেন, ‘‘সত্যিটা এত সোজাভাবে বলে দেওয়ার জন্য তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়কে ধন্যবাদ। তাঁর কথা শুনলে বোঝা যায়, কীভাবে ওয়াকফের মাধ্যমে জমি দখল হয়।’’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘এখন এরা দাবি করছে যে ভারতবর্ষের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ স্থান তাদের। পুরো দক্ষিণ কলকাতা, ধর্মতলা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা নাকি এদের। ওয়াকফ আইনের মাধ্যমে এরা ভারতবর্ষ দখল করার একটা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতবর্ষ দখলের এদের এই পরিকল্পনায় সম্পূর্ণ সাহায্য করছে তৃণমূল, কংগ্রেস এবং বামপন্থী দলগুলো। ওয়াকফ কতটা ভয়ংকর, সেটা আপনারা একটু খোঁজ নিলেই বুঝতে পারবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের জেলে বন্দি ৯৫ ভারতীয় মৎস্যজীবী, আতঙ্কে দিন কাটছে পরিবারের

    Bangladesh: বাংলাদেশের জেলে বন্দি ৯৫ ভারতীয় মৎস্যজীবী, আতঙ্কে দিন কাটছে পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ক্রমাগত রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার ৯৫ জন ভারতীয় জেলেদের ভাগ্যের ওপর দীর্ঘ ছায়া ফেলেছে। সামুদ্রিক সীমানা অতিক্রমের অভিযোগে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের হাতে গ্রেফতার হওয়া এই জেলেরা বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি রয়েছেন। আতঙ্কে পরিবারের লোকজন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপ ও নামখানার (Bangladesh) জেলেদের আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। প্রথম ঘটনাটি ঘটে ১৩ অক্টোবর, যখন ৩১ জন জেলেকে আটক করা হয়। একইসঙ্গে দুটি নৌকা, ‘মা বাসন্তী’ এবং ‘জয় জগন্নাথ’  কে আটক করা হয়। এরপর ১৪ অক্টোবর ‘অভিজিৎ’, ‘অভিজিৎ-৩’ ও ‘নারায়ণ’ নামের তিনটি নৌকাসহ আরও ৪৮ জেলেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর নভেম্বর মাসে ফের নতুন করে আরও ১৬ জন মৎস্যজীবীকে (Indian Fishermen) গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, গত ১৫ নভেম্বর সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য রওনা দিয়েছিল ‘এফবি ঝড়’ নামক ট্রলারটি। কাকদ্বীপের হারউড পয়েন্ট এলাকা থেকে এটি যাত্রা শুরু করেছিলেন মৎস্যজীবীরা। এরপর ২২ নভেম্বর তাদের আটক করা হয়। ধৃত সব মৎস্যজীবীরা দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের বাসিন্দা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    কাকদ্বীপের (Bangladesh) পশ্চিম গঙ্গাধরপুর এলাকার বাসিন্দা তেজেন্দ্র মাঝিকে আটক করেছে বাংলাদেশের প্রশাসন। বিষয়টি জানতে  পেরে উদ্বেগে রয়েছেন পরিবারের লোকজন। কাকদ্বীপের অক্ষয় নগর বসন্তপুরের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাসও বাংলাদেশের জেলে রয়েছেন। তিনি পরিবারের একমাত্র কর্মঠ ছিলেন। ছোট্ট একটি দরমার ঘরে কোনও ক্রমে ত্রিপল ঘিরে মা-বোনকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতেন। হঠাৎ করে বাংলাদেশ প্রশাসনের হাতে আটকে পড়ে প্রসেনজিৎ সেই খবর পরিবারের কাছে এসে পৌঁছাতে কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। হাউ হাউ করে কাঁদছেন প্রসেনজিতের মা। কিছু বলতে পারছেন না। অক্ষয় নগর বসন্তপুরের বাসিন্দা রাধা দাস। মাসখানেক আগেই তাঁর স্বামী মাছ ধরতে গিয়ে আটকে পড়েন বাংলাদেশ প্রশাসনের হাতে। এবার তাঁর ভাই অভি দাস গিয়েছিলেন মাছ ধরতে, তিনিও আটকে পড়েন বাংলাদেশের জেলে। স্বামী ও ভাই দুজনে আটকে পড়ায় এখন দিশেহারা এই পরিবার।

    মৎস্যজীবি শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি কী বললেন?

    দক্ষিণ ২৪-পরগনা জেলার জেলেদের সংগঠন সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবি শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘‘আমরা জেলেদের মুক্তির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। যাইহোক, আমরা জানতে পেরেছি যে তাদের (বাংলাদেশে বন্দি জেলেদের) বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি। জেলেদের আইনি সহায়তা দিতে আমরা আমাদের লোক পাঠিয়েছি বাংলাদেশে (Bangladesh)। কিন্তু সেখানে বর্তমান প্রশাসনের ভূমিকা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে আক্রান্ত কলকাতাগামী বাস, ভারতীয়দের প্রাণনাশের হুমকি! প্রতিবাদ ত্রিপুরার

    Bangladesh: বাংলাদেশে আক্রান্ত কলকাতাগামী বাস, ভারতীয়দের প্রাণনাশের হুমকি! প্রতিবাদ ত্রিপুরার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু নির্যাতনের ঘটনায় যখন বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারের তীব্র সমালোচনা চলছে নানা মহলে, ঠিক তখনই ত্রিপুরা লাগোয়া বাংলাদেশ সীমান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কলকাতাগামী একটি বাস ঘিরে যাত্রীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ত্রিপুরা থেকে কলকাতাগামী বাসে হামলা চালানোর অভিযোগ। বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবেড়িয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে কলকাতাগামী ওই বেসরকারি পরিবহণ সংস্থার বাসে ধাক্কা মারে একটি ট্রাক, এমনটাই জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনায় অল্প আঘাত পান যাত্রীরা। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীও বাংলাদেশের হামলার কড়া নিন্দা করেন। হামলা না থামালে কড়া পদক্ষেপের কথাও বলেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, ৩০ নভেম্বর ত্রিপুরার আগরতলা থেকে কলকাতা (Kolkata) আসছিল শ্যামলী পরিবহণের বাস। বাংলাদেশের (Bangladesh) বিশ্ব রোডে হঠাৎ বাসটিকে সজোরে ধাক্কা মারে একটি বড় ট্রাক। কোনওমতে ব্রেক কষে বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ান বাসের চালক। গোটা ঘটনায় চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। অভিযোগ, দুর্ঘটনার পরই বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভারত বিরোধী স্লোগানও দেওয়া হয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ত্রিপুরা সরকার। ত্রিপুরার পরিবহণমন্ত্রী সুশীল চৌধুরী বলেন, ‘‘ত্রিপুরা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবেড়িয়ায় আক্রান্ত হয়েছে শ্যামলী পরিবহণের একটি বাস। বাসটি রাস্তার এক ধার ধরে যাচ্ছিল। হঠাৎ বাসটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্ঘটনার কবলে ফেলার জন্য ধাক্কা দেয় পণ্যবাহী একটি ট্রাক। একই সময় রাস্তায় থাকা একটি অটো বাসের সামনে চলে আসে এবং শ্যামলী – বাসটির সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন – বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের ক্রমাগত হুমকি দিতে থাকেন। ভারত- বিরোধী নানা স্লোগান দিয়ে এবং কটু মন্তব্য করে যাত্রীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। আর বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের প্রশাসনকে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’’

    সরব হয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

    ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ভারতীয় যাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রশাসনকে এই বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘এরকম ঘটনা ঘটতে পারে তা ভাবা যায়নি। বাংলাদেশে যা চলছে তা কোনও মতেই মেনে নেওয়া যায় না। ওরা যদি নিজেদের শুধরে না নেয়, তাহলে ফল ভুগতে হবে। ওখানে যা হচ্ছে তা মোটেও ভালো নয়।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘ওখানে সংখ্যালঘুদের ওপর যেভাবে অত্যাচার চলছে, তা গোটা বিশ্ব দেখছে। আমি আশা করছি, আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার এবং কেন্দ্রীয় নেতারা পুরো বিষয়টির ওপর নজরদারি চালাচ্ছেন। সঠিক সময়ে তাঁরা নিশ্চয়ই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন। যেহেতু ত্রিপুরার তিন দিকে বাংলাদেশ সীমান্ত তাই আমরা নজরদারির জন্য বিএসএফ এবং ডিজিপির সঙ্গে কথা বলেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সপ্তাহের শেষে পারদ পতন, ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের, কবে থেকে শীত কলকাতায়?

    Weather Update: সপ্তাহের শেষে পারদ পতন, ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের, কবে থেকে শীত কলকাতায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরের শুরুতেও সেভাবে শীতের দেখা নেই শহরে। শীত-কাতুরে বাঙালির এখন একটাই চিন্তা কবে, থেকে জাঁকিয়ে শীত (Winter in Kolkata) পড়বে শহরে? এখনও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কলকাতার তাপমাত্রা, তবে সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গে পারদ পতনের ইঙ্গিত দিল হাওয়া অফিস (Weather Update)। জমিয়ে শীতের আমেজ ফেরার সম্ভাবনা আগামী সপ্তাহ থেকেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ২ দিন পর থেকেই ধীরে ধীরে পারদ নামবে। চলতি সপ্তাহের শেষেই ২-৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমার আশা রয়েছে।

    শহরের আবহাওয়া

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই পারদ নামতে পারে কলকাতায়। সেই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও ঠান্ডা পড়বে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে যা ৩.৪ ডিগ্রি বেশি। রবিবার ১৯ ডিগ্রিতে নেমেছিল শহরের (Winter in Kolkata) তাপমাত্রা। সোমে তা আবার এক ডিগ্রি বেড়েছে। যদিও দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের চেয়ে কম রয়েছে। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৩ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ। আপাতত রাজ্যের কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা আর নেই বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সর্বত্র থাকবে শুকনো আবহাওয়া।

    আরও পড়ুন: খাবার নেই, জল নেই! কুয়েত বিমানবন্দরে ১৩ ঘণ্টা দুর্ভোগের শিকার ভারতীয় যাত্রীরা

    কুয়াশা ঘেরা সকাল

    রাজ্যে সেভাবে শূত না পড়লেও সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশায় ঢাকছে আকাশ। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা এবং দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ায় কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। শহর কলকাতাতেও ভোরের দিকে কুয়াশা থাকছে। দক্ষিণে সেভাবে শীত না পড়লেও ইতিমধ্যে পারদ নামতে শুরু করেছে পাহাড়ে। দার্জিলিংয়ের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি সিকিমেও চলছে তুষারপাত। কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে কালিম্পং, কার্শিয়াং। সান্দাকফুতে বরফ দেখতে নেমেছে পর্যটকদরে ঢল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ভারতীয় হিন্দু জানতেই খুনের চেষ্টা ঢাকায়! বেলঘরিয়ার যুবক ফিরলেন প্রাণ হাতে করে

    Bangladesh: ভারতীয় হিন্দু জানতেই খুনের চেষ্টা ঢাকায়! বেলঘরিয়ার যুবক ফিরলেন প্রাণ হাতে করে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) গিয়ে আক্রান্ত হলেন উত্তর ২৪ পরগনার বেলঘরিয়ার যুবক। অভিযোগ, ভারতীয় হিন্দু পরিচয় (Indian Hindu Assaulted) প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর ওপর চড়াও হন বাংলাদেশের কট্টরপন্থীরা। টাকা, মোবাইল ছিনতাইয়ের পাশাপাশি তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয়। এলোপাথাড়ি কিল, চড়, ঘুষির সঙ্গে মুখে ছুরি দিয়ে এবং মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। জখম যুবকের মুখে দু’টি এবং মাথায় চারটি সেলাই পড়েছে। এমনকী, তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে প্রহৃত হয়েছেন সঙ্গে থাকা মুসলিম বন্ধুও। হামলাকারীরা সেই বন্ধুর মোবাইল ফোনটিও ছিনিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এমনকী, যুবকের অভিযোগ, বাংলাদেশের পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সাহায্য তো মেলেইনি, উলটে কোথাও কোনও অভিযোগ জানালে তাঁদের খুন করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bangladesh)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ভারতীয় যুবকের (Bangladesh) নাম সায়ন ঘোষ (২২)। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বেলঘরিয়ার (Belghoria) ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেশপ্রিয় নগর এলাকায়। ২৩ নভেম্বর ঢাকায় বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। ফেরার কথা ছিল নভেম্বরের ২৬ তারিখ। অভিযোগ, ফেরার আগের দিন বন্ধুর সঙ্গে ঢাকার বাজারে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন সায়ন। সে সময়ই আচমকা এক দল লোক এসে তাঁদের ঘিরে ধরেন। শুরু হয় ‘জেরা’। ভারত থেকে গিয়েছেন এবং হিন্দু পরিচয় (Indian Hindu Assaulted) জানতে পেরেই নাকি তাঁর ওপর চড়াও হন তাঁরা। শুরু হয় মারধর। প্রকাশ্য রাস্তায় এমন ঘটনা দেখেও এগিয়ে আসেননি কেউই। শেষ পর্যন্ত ওই বন্ধুর তৎপরতায় দুষ্কৃতীরা পিছু হটে। তবে তত ক্ষণে রক্তে ভেসে যাচ্ছে সায়নের গোট শরীর।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    আক্রান্ত যুবক কী বললেন?

    সায়নের অভিযোগ, থানায় (Bangladesh) গিয়েও কোনও লাভ হয়নি। প্রথমেই পুলিশ চিকিৎসা করে আসতে বলে। কিন্তু সে ব্যাপারে কোনও সাহায্য করেনি। তার পর আহত অবস্থাতেই একের পর এক হাসপাতালে ঘুরেছেন সায়ন এবং তাঁর বন্ধু। কেউই সায়নের চিকিৎসা করতে রাজি হননি। শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে এসে চিকিৎসা হয় তাঁর। অভিযোগ, সায়নের কাছে থাকা মোবাইল এবং টাকাপয়সা সব কেড়ে নিয়েছে দুষ্কৃতীরা। ওই অবস্থাতেই ভয়ে কোনও মতে প্রাণ হাতে করে গেদে সীমান্ত থেকে চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে চলে আসেন সায়ন (Indian Hindu Assaulted)। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানিয়েছেন সায়ন। সোমবার তিনি বিষয়টি নিয়ে কলকাতায় বাংলাদেশ (Bangladesh) ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে গিয়ে অভিযোগ জানাবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pankaj Dutta: প্রয়াত প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত, স্তব্ধ হয়ে গেল আপোষহীন কণ্ঠস্বর

    Pankaj Dutta: প্রয়াত প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত, স্তব্ধ হয়ে গেল আপোষহীন কণ্ঠস্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত (Pankaj Dutta)। শনিবার বারাণসীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। জানা গিয়েছে, বারাণসীর থিওসফিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার একটা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়েছিলেন পঙ্কজ দত্ত। সেই অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময়ই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এরপর তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল বারাণসীর একটা হাসপাতালে। একমাসেরও বেশি সময় ধরে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। শনিবার প্রয়াত হন তিনি।

    স্পষ্টবক্তা হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত ছিলেন

    জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে রাজ্য পুলিশের (Pankaj Dutta) আইজি পদে থাকাকালীন অবসরগ্রহণ করেন পঙ্কজ দত্ত। স্পষ্টবক্তা হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত ছিলেন তিনি। এদিকে পঙ্কজ দত্ত প্রতি সন্ধ্যায় টেলিভিশনের টকশোয়ে অংশ নিতেন। সেখানে আপোশহীন বক্তব্য রাখতেন তিনি। এজন্য তাঁকে নানা সময়ে নানা সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে, চাপের মুখেও পড়তে হয়েছে। শাসকদলের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। আরজি করকাণ্ডের পর তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে চাপানউতোর শুরু হয়েছিল। একাধিক থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের হয়। তেমনই একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বড়তলা থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল প্রাক্তন এই আইপিএস অফিসারকে। অভিযোগ, বেশ কয়েক ঘণ্টা থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু, চা-বিস্কুট তো দূরের কথা, জলও দেওয়া হয়নি। ওই ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই ঘটনার পর তিনি কিছুটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। পরে, বারাণসীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে অসু্স্থ হয়ে পড়েন। সেখানকার হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীনই তাঁর মৃত্যু হয়।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ ভারতে ধেয়ে আসছে ‘ফেনজল’, ল্যান্ডফল বিকেলেই, কলকাতায় মেঘলা আকাশ

    বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া

    এদিকে পঙ্কজ দত্তের (Pankaj Dutta) প্রয়াণে বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আইনজীবী জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমে বলেন, পঙ্কজ দত্ত চলে গেলেন এই খবরে আমরা অত্যন্ত বিষণ্ণ হয়ে পড়েছি। আগাগোড়া তিনি গঠনমূলক সমালোচনা করে গিয়েছেন। তিনি বার বার মুখ খুলেছেন। বটতলা থানায় ডেকে নিয়ে গিয়ে তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছিল।আমি বার বার অনুরোধ করেছিলাম ওঁকে ছেড়ে দিন। এরপর তিনি বারাণসীতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পঙ্কজদার মতো মানুষ বার বার ফিরে আসুন। বাঙালি পরে বুঝতে পারবে কী ক্ষতি হয়ে গেল। চিত্রশিল্পী সমীর আইচ বলেন, যেভাবে শাসকদল তাঁর কণ্ঠস্বরকে রোধ করলেন, তা ভাবতে পারছি না। শাসকদল তাদের কুচক্রে থাকা কিছু মানুষকে দিয়ে যেভাবে অভব্যতা করেছিল তা ভাবতে পারছি না। আজ বাঙালির অত্যন্ত বেদনাময় দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি, ২ দিনে মৃত্যু তিনজনের, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ১ হাজার!

    Dengue: রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি, ২ দিনে মৃত্যু তিনজনের, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ১ হাজার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নভেম্বরের শেষেও ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ। সূত্রের খবর, গত দু’দিনে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ডেঙ্গির সংক্রমণে এক স্বাস্থ্য কর্মী-সহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে, বেসরকারি সূত্রের খবর, চলতি মাসে অন্তত পাঁচ-ছ’জনের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। সূত্রের খবর, ডেঙ্গির সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে গড়িয়ার এক বাসিন্দার। তিনি স্বাস্থ্য দফতরের কর্মী। এছাড়াও বেলেঘাটা আইডিতে ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি থাকা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দুই রোগীরও মৃত্যু হয়েছে। জেলায় জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। যা চরম আতঙ্কের।

    রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কত?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার। এর আগে গত ৯ নভেম্বর কলকাতার জোড়াবাগান থানা এলাকায় ডেঙ্গির সংক্রমণে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছিল ডেঙ্গির। তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের অন্দরেও। যেহারে মশার উপদ্রব বাড়ছে তাতে সংক্রমণের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কাও করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে চলতি বছরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৮ হাজার। এর মধ্যে গত ১৯ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর- এক সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্যের প্রায় এক হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। 

    ২ সপ্তাহে আক্রান্ত ২ হাজার!

    রাজ্যে শেষ ২ সপ্তাহে নতুন করে ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় চার হাজার জন। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হন ২৩ হাজার ২২৭ জন। উদ্বেগের বিষয়, তারপর ৪ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত, মাত্র ১৪ দিনে সেই সংখ্যাটাই বেড়ে হয়েছে ২৭ হাজার ১৪২। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে টেস্ট করানোর পর ডেঙ্গি পজিটিভ হয়েছেন ২১ হাজার ২০৯ জন। বেসরকারি হাসপাতাল এবং ল্যাব থেকে ডেঙ্গি টেস্টের পর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে ৫ হাজার ৯৩৩ জনের।

    গত চার মাসের আক্রান্তের পরিসংখ্যান

    স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, গত জুলাই মাসে রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত হন ১ হাজার ৮৮৮ জন। অগাস্টে আক্রান্ত হন ৪ হাজার ৫১৬ জন। সেপ্টেম্বরে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ১৯৯। অন্যদিকে, অক্টোবরে নতুন করে আক্রান্ত হন ৭ হাজার ৫১ জন এবং নভেম্বরের ১৮ তারিখ পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২২৩ জন।

    সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মুর্শিদাবাদে

    এর মধ্যে সব থেকে বেশি ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত হয়েছে মুর্শিদাবাদে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ১৪৭। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালদা, এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৩৩৩। পাশাপাশি, ২ হাজার ২৭৮ জন আক্রান্ত হওয়ায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই তালিকাতে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে কলকাতা। এখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭৩ জন। শীত বাড়লে কমতে পারে ডেঙ্গির প্রকোপ, এমন মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ ভারতে ধেয়ে আসছে ‘ফেনজল’, ল্যান্ডফল বিকেলেই, কলকাতায় মেঘলা আকাশ

    ম্যালেরিয়ার উপদ্রবও

    ডেঙ্গির (Dengue) পাশাপাশি ম্যালেরিয়ার উপদ্রবও দেখা দিয়েছে রাজ্যের ৮টি জেলায়। এর মধ্যে রয়েছে আলিপুরদয়ার, মালদা, দিনাজপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বিষ্ণপুর স্বাস্থ্য জেলা। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। এর আগে পুজোর সময় ডেঙ্গির পাশাপাশি চিকুনগুনিয়া নিয়েও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, পুজোর আগে থেকেই মালদা, মুর্শিদাবাদের একাংশে অজানা জ্বরের উপদ্রব দেখা দিয়েছিল। জ্বরের সঙ্গে মাথা ধরা, অসহ্য হাতে পায়ে ব্যথা। তবে প্রথমের দিকে অনেকেই এটিকে সাধারণ জ্বর ভেবেছিলেন। কিন্তু কারও কারও দু’সপ্তাহ পরেও জ্বর বা মাথা ব্যথার প্রকোপ না কমায় নতুন করে ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে আক্রান্তদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তখনই জানা যায়, সাধারণ কোনও জ্বর নয়, গ্রামের অনেকেই চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত। ফলে মশাবাহিত মারণ রোগের মোকাবিলায় শুরু হয়েছে মশা নিধন পর্ব। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জোর দেওয়া হয়েছে সচেতনতা প্রচারেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ‘‘ইউনূসের নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া উচিত’’, বাংলাদেশ ইস্যুতে বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: ‘‘ইউনূসের নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া উচিত’’, বাংলাদেশ ইস্যুতে বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে অশান্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ভারতেও বিক্ষোভ আন্দোলন হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। সোমবার সীমান্ত অবরুদ্ধ করার ডাক দিয়েছে বিজেপি। এই আবহের মধ্যে মহম্মদ ইউনূসকে কড়া বার্তা দিলেন প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)।

    ইউনূসের নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া উচিত (Abhijit Ganguly)

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, ‘‘অত্যন্ত অন্যায় হয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ সরকার এই নিয়ে বিশেষ কিছু করছে বলে মনে হচ্ছে না। এই ইউনূস, যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন, আমার মনে হয়, এই ইউনূস যেভাবে গত ৯০ দিন ধরে চালাচ্ছেন, একটা বেআইনি সরকার চলছে, কারণ তাঁদের প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেননি এখনও। যেভাবে অন্য ধর্মের ওপর, বিশেষত হিন্দু ধর্মের ওপর যে আক্রমণ চলছে, তাতে আমি মনে করি নোবেল কমিটির এই মুহূর্তে তাঁর নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। আপনারা হয়ত আমায় জিজ্ঞেস করতে পারেন, নোবেল কমিটির এই রুল আছে কিনা? আমি বলতে পারব না। কিন্তু একটা সাধারণ নিয়ম আছে, কোনও কর্তৃপক্ষ, যদি কোনও একটা কাজ করতে চান, অর্থাৎ কোনও একটা কাজ করানোর ক্ষমতা থাকে, তাহলে তার সেই কাজ নাকচ করানোরও ক্ষমতা থাকে।’’

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ ভারতে ধেয়ে আসছে ‘ফেনজল’, ল্যান্ডফল বিকেলেই, কলকাতায় মেঘলা আকাশ

    ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আবেদন খারিজ

    ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আবেদন খারিজ করেছে সেদেশের হাইকোর্ট। সরকারের কোর্টে বল ঠেলে বিচারপতিরা বলেন, ‘‘দেশের জনগণের প্রাণ ও সম্পত্তি, কারও যেন কোনও ক্ষতি না হয়, এটা সবারই চিন্তা।’’ এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি হিন্দুদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে কলকাতায় মিছিল করে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারিতে তা চরম আকার নিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। ঢাকাকে বার্তা দিয়েছে দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share