Tag: West Bengal

West Bengal

  • Suvendu Adhikari: ‘‘নবজোয়ার যাত্রার জোয়ারে তৃণমূলে বাকিদের তিহাড় যাত্রা হবে’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘নবজোয়ার যাত্রার জোয়ারে তৃণমূলে বাকিদের তিহাড় যাত্রা হবে’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রাই তিহাড় যাত্রার পথ প্রশস্ত করে দেবে তৃণমূল নেতাদের, এমনটাই মত শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে নিশানা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শুক্রবার বাঁকুড়ায় সাফ জানালেন, নবজোয়ার যাত্রা নয়, এই জোয়ারেই তিহাড় যাত্রা নিশ্চিত হবে। তৃণমূলে আর নবজোয়ার আসবে না বলেও এদিন কটাক্ষ করেন তিনি। বলেন, ‘‘বড় মস্তান ছিল লক্ষ্মণ শেঠ বা কেষ্ট মণ্ডল-রা। দেখেছেন তো কী হাল হল তাদের। এবার তৃণমূলের নবজোয়ার আনতে গিয়ে না এই জোয়ারে বাকিদের তিহাড় যাত্রা হয়ে যায়।’’

    ইন্দাসের সভায় শেখ হামিদকে পাল্টা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলায় জেলায় সভা সমাবেশ করছেন শুভেন্দু। শুক্রবার তিনি হাজির ছিলেন বাঁকুড়াতে। বিকেলে ইন্দাসের শাসপুরে দলের এক সভায় বক্তব্য রাখছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভা থেকেই তিনি ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ হামিদকে একহাত নেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি দলের এক সভায় ইন্দাস ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ হামিদ শুভেন্দুকে ‘ইতিহাস’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তার পাল্টা নিজের দলের কর্মীদের খাতা কলমে তা লিখে রাখার নিদান দেন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আমার হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। আর আজ হুমকি দিচ্ছেন। তাঁরা একসময় ঘরছাড়া ছিলেন। তাঁদের তেল, নুন আমি দিতাম। এখন সাধারণ হক যদি বন্ধ করা হয়, বিরোধী দলনেতা হিসাবে আমি তাঁর দায়িত্ব নিলাম।

    চাকরি প্রার্থীদের পাশে থাকার বার্তা বিরোধী দলনেতার

    শুভেন্দু বলেন, জাল ওএমআর শিট সব বেরিয়ে এসেছে। কোনো তথ্য ও প্রমাণের পরিবর্তন হবে না। রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কথা দিচ্ছি, হকের চাকরি হবে। তার জন্য লড়াই চলছে, লড়াই চলবে। দুর্নীতিগ্রস্তদের পতন হবেই, আর যাঁরা রোদ, ঝড়, জল, মাথায় নিয়ে হকের চাকরির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের লড়াই বৃথা হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lightning Death: রাজ্যের ৫ জেলায় বজ্রপাতে মৃত্যু ১৫ জনের, আজ আকাশ থাকবে কেমন?

    Lightning Death: রাজ্যের ৫ জেলায় বজ্রপাতে মৃত্যু ১৫ জনের, আজ আকাশ থাকবে কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালেও ছিল রোদ ঝলমলে আকাশ। কিন্তু দুপুর গড়াতেই পাল্টে যায় রাজ্যের কয়েকটি জেলার আবহাওয়ার রূপ। দুপুরের কালো মেঘ ঢেকে দেয় সূর্যের আলো। প্রথমে ঝোড়ো হাওয়া, তারপরই শুরু হয় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। কোথাও হাল্কা, কোথায় আবার মাঝারি বৃষ্টির দাপট ছিল। গোটা রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত্যু (Lightning Death) হয়েছে ১৫ জনের।

    বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে মৃত্যু (Lightning Death)

    ঝোড়ো হাওয়ার দাপটের পাশাপাশি বজ্রপাতের ঘটনাও কমবেশি সব জেলায় দেখা যায় এদিন। জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বাজ পড়ে মৃত্যু (Lightning Death) হয়েছে ১৫ জনের। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদে ৩ জনের, হাওড়া জেলায় ৩ জনের, পূর্ব বর্ধমান জেলায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় মৃতের সংখ্যা ২ ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় মৃত্যু (Lightning Death) হয়েছে ৩ জনের।
    মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের কাগ্রাম এলাকার মাঠে কাজ করছিলেন পাঁচজন। সেই সময় আচমকাই মাঠের উপর বাজ পড়ে। তাতে গুরুতর আহত হন পাঁচ জন। আহত অবস্থায় তাঁদের সালার প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে দু’জনের মৃত্যু হয়। এছাড়াও সামসেরগঞ্জের লক্ষ্মীনগর থানায় বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে আরও এক যুবকের।
    এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার মছলন্দপুর-২ পঞ্চায়েত এলাকায় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে মিলন বিশ্বাস ও ধীরাজ শর্মা-র। হাওড়া গ্রামীণ এলাকার আমতা ও বানানে আরও তিন জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। বর্ধমানের কালনা, ভাতার, মঙ্গলকোটে পৃথক পৃথক ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন বোলপুরে শিলাবৃষ্টিও হয়। প্রকৃতির এই হঠাৎ পরিবর্তনে ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি মিলেছে রাজ্যের মানুষের। কিন্তু আচমকা বাজে প্রাণ কেড়ে নিল অনেকেরই (Lightning Death)।

    আগামী কয়েকদিন চলবে এমন বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী ৪/৫ দিন বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। শনি ও রবিবার থেকে বাড়বে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গের ওপরের দিকের পাঁচ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে মালদা ও দুই দিনাজপুরে। তবে এই বৃষ্টি যে দীর্ঘমেয়াদি নয় সেটাও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। শুক্র ও শনিবার তাপমাত্রাও বাড়বে। তিন দিনে তিন-চার ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। যেখানে বৃষ্টি বেশি হবে সেখানে তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় বাড়বে অস্বস্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘কলকাতা লন্ডন না হলেও, মালদা হয়েছে আমেরিকা’’! বন্দুকবাজকাণ্ডে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘কলকাতা লন্ডন না হলেও, মালদা হয়েছে আমেরিকা’’! বন্দুকবাজকাণ্ডে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা লন্ডন না হলেও তৃণমূলের রাজত্বে মালদা আমেরিকা হয়ে গিয়েছে। বুধবার মালদার স্কুলে পড়ুয়াদের পণবন্দি করে বন্দুকবাজের শাসানির প্রতিক্রিয়ায় এমনই দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। 

    সুকান্তর দাবি

    সুকান্তের কথায়, কালিয়াগঞ্জের ভিডিওতে দেখা গেল, পুলিশকে জনতা পেটাচ্ছে। এখানে দেখা গেল স্কুলে বন্দুক নিয়ে ঢুকে পড়ছে দুষ্কৃতী। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই। মালদার এক স্কুলে (Malda School) বুধবার পিস্তল হাতে ঢুকে পড়েছিল এক ব্যক্তি (Gunman in School)। সটান ক্লাসরুমে। হাতে পিস্তল। টেবিলে রাখা দুটি বোতল। বোতলের মাথাগুলি সাদা কাপড়ে মোড়া। পিস্তল উঁচিয়ে ভরা ক্লাসরুমে ছোট ছোট পড়ুয়াদের সামনে শাসক দল তৃণমূল ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে যাচ্ছিল ওই ব্যক্তি। অতীতে মার্কিন মুলুকে এমন স্কুলের ভিতের বন্দুকবাজের হানার কথা বহুবার শোনা গিয়েছে। কিন্তু এ দৃশ্য বাংলার কোনও স্কুলে অন্তত সাম্প্রতিক অতীতে দেখা যায়নি। কর্নাটকে প্রচার সেরে কলকাতায় ফিরেই সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন কলকাতাকে লন্ডন করবেন। তা আদতে স্বপ্নই রয়ে গিয়েছে। তবে কলকাতা লন্ডন না হলেও মালদা আমেরিকা হয়ে গিয়েছে। আমেরিকাতে এরকম বন্দুকবাজের তাণ্ডব হয়। এখন সেটা পশ্চিমবঙ্গের গ্রামেগঞ্জেও হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখুন বাংলার আইন-শৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি!”

    আরও পড়ুন: স্কুলব্যাগে বিশ্ব বাংলা লোগো! কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    দিলীপ ঘোষের মন্তব্য

    মালদায় স্কুলে বন্দুকবাজের তাণ্ডবে দিল্লির চক্রান্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই মন্তব্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে পালটা আক্রমণ শানিয়েছে মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “বাংলার পাড়ায় পাড়ায় যে খুন-ধর্ষণ হচ্ছে, সেটা কি দিল্লি করাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী যখনই কোনও কাজে ব্যর্থ হন তখনই অন্যের ঘাড়ে দায় ঠেলেন। উনি পুলিশমন্ত্রী হয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ। তাই এখন দিল্লির ঘাড়ে দায় ঠেলার চেষ্টা করছেন। এটা অযোগ্যতার প্রাথমিক লক্ষ্মণ। এভাবে উনি পার পাবেন না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    Vande Bharat: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা পেল আরও একটি বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। কিন্তু দ্বিতীয় বন্দে ভারত (Vande Bharat) ছুটবে কোন রুটে? শোনা যাচ্ছে, হাওড়া-পুরী ও হাওড়া-রাঁচী রুটে বন্দে ভারত চালানোর বিষয়ে আগ্রহের কথা বোর্ডকে জানিয়েছিল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। নিউ জলপাইগুড়ি-গুয়াহাটিও সম্ভাব্য রুট। জানা গিয়েছে, প্রথম শ্রেণির সেই ট্রেনের রেক ইতিমধ্যে হাওড়া অভিমুখে রওনা হয়ে গিয়েছে।

    রেলের চিঠি

    বেশ কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বাংলার ভাগ্যে আসতে চলেছে আরও একটি বন্দে ভারত। এবার সেই সম্ভাবনাই সত্যি হল। সূত্রের খবর, চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি বা আইসিএফ-কে পঞ্চদশ ও ষোড়শ বন্দে ভারতের রেক দক্ষিণ-পূর্ব রেল এবং উত্তর-সীমান্ত রেলের জন্য বরাদ্দ রাখার নির্দেশ দেয় রেল বোর্ড। সরকারি নির্দেশ অনুসারে ওই দু’টি রেক রেলের এই দুই জোন বা বিভাগের কাছে আসার কথা। রেল বোর্ডের তরফে চেন্নাইয়ের আইসিএফ এবং দুই বিভাগের কাছে ২৪ এপ্রিল পাঠানো চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই এই নিয়ে জল্পনা ছড়ায়। তার পরেই নতুন রেকের রওনা হওয়ার খবর মেলে।

    হাওড়া-রাঁচী রুটের প্রধান অন্তরায়…

    হাওড়া-রাঁচী রুটে শতাব্দী এক্সপ্রেসের গড় গতিবেগ ঘণ্টায় মাত্র ৫৯ কিলোমিটার। ধানবাদের পরে বোকারো-চন্দ্রপুরা শাখায় খনি এলাকায় ভূগর্ভস্থ আগুনের জন্য ট্রেনটি ঘণ্টায় মাত্র ৩০ কিলোমিটার গতিবেগে ছোটে। রেলপথের সমস্যা ওই রুটে বন্দে ভারত চালু করার অন্তরায়। খড়্গপুর, টাটানগর, পুরুলিয়া হয়ে রাঁচী যাওয়ার পথও বিবেচনায় আছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, হাওড়া-পুরী রুটে যাত্রী বেশি। রেললাইনের সমস্যাও কম। তীর্থক্ষেত্র ও পর্যটনের নিরিখে পুরীর গুরুত্ব সমধিক।

    কী বলছেন রেল আধিকারিকরা

    রেল আধিকারিকরা বলছেন, বন্দে ভারত কোথায় কী ভাবে চলবে, সেই সিদ্ধান্ত নেয় রেল মন্ত্রক তথা রেল বোর্ড। দুই বিভাগের জন্য ১৬ কোচের পূর্ণাঙ্গ বন্দে ভারত বরাদ্দ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19: রাজ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ!  উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষায় অনীহা অনেকের

    Covid-19: রাজ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ! উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষায় অনীহা অনেকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনে দিনে রাজ্যে বাড়ছে কোভিড (Covid-19) আক্রান্তের সংখ্যা। এক সপ্তাহ আগে দৈনিক সংক্রমণ ছিল ১০০-এর নীচে। এখন সেটিই পৌঁছে গিয়েছে দেড়শোর উপরে। কয়েক দিনের মধ্যে রাজ্যে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যাও হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। দেশের সামগ্রিক পজিটিভিটি রেট যেখানে ৫.৪৬%, সেখানে রাজ্যের হার তার দ্বিগুণেরও বেশি।

    রাজ্যে সংক্রমণ

    চিকিৎসকদের দাবি, রাজ্যে এখনও পরীক্ষার হার অনেক কম। করোনার (Covid-19) উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও অনেকে পরীক্ষা করাতে চাইছেন না। এখন দিনে গড়ে ১০০০ থেকে ১২০০ পরীক্ষা হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। এটিকে অন্তত ৩-৪ হাজার করতে হবে। দেশেও সংক্রমণ হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে। দৈনিক সংক্রমণ ১২ হাজারের গণ্ডি পার করায় দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ কোটি ৪৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৯২। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ২৯ জন। মহারাষ্ট্রে ৬, ছত্তিশগড়ে ৪, দিল্লিতে ৫, হিমাচল প্রদেশ, কেরালা ও রাজস্থানে ২ জন করে করোনায় বলি হয়েছেন। এছাড়া কর্নাটকে ৩, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু, উত্তরাখণ্ড ও পাঞ্জাবে ১ জন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃত্যু হার ১.১৮ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: ভিজল ডুয়ার্স! দক্ষিণবঙ্গে আজও চলবে তাপপ্রবাহ, সব জেলায় বৃষ্টি কবে?

    চিকিৎসকদের মত

    ওমিক্রনের নয়া সাব-ভ্যারিয়েন্টের (XBB.1.16) প্রভাবে এই সংক্রমণ বৃদ্ধি বলে মনে করছেন কোভিড (Covid-19) বিশেষজ্ঞরা। দেশে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে কেরালা, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্নাটক ও রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলিতে। এদিকে, সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা পি কে মিশ্র। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এখন যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের বড় অংশেরই গুরুতর সমস্যা হচ্ছে না। শ্বাসকষ্টের রোগীও সংখ্যায় কম। কিন্তু বয়স্ক ও কোমর্বিডিটিতে আক্রান্তরা করোনায় সংক্রমিত হলে, তা বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। সংক্রমণ রুখতে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের উপর জোর দিতে বলা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বৈশাখের কাছে কালবৈশাখীর আশা! অসহ্য গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী

    Weather Update: বৈশাখের কাছে কালবৈশাখীর আশা! অসহ্য গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাপটে ব্যাট শুরু করল বৈশাখ। চৈত্র যেখানে শেষ করেছে সেখান থেকেই শুরু। নববর্ষের সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা কিনা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় নিরিখে কলকাতা গত পাঁচ বছরের রেকর্ড ভাঙার পথে। আগামী বুধবার অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে এই ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে, এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। 

    রেকর্ড গরম

    দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী পাঁচদিনের জন্য তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে ৪৩ ডিগ্রি ছুঁই-ছুঁই। শনিবার কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি থাকতে পারে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সকালে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি বেশি। 

    আরও পড়ুন: ‘নব রবিকিরণে’ বৈশাখ-বরণ বাঙালির! কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন

    বাইরে নয়

    দুপুরের সময় অতিরিক্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বার না হওয়ার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের কথায়, বাইরে বার হলে সুতির হালকা রংয়ের পোশাক পরা বাঞ্ছনীয়, জল খেতে হবে বেশি করে। শিশু বা প্রবীণদের দুপুরে রোদের সময় বাইরে বার না হওয়াই ভালো। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, রাজ্যে উত্তর পশ্চিম দিক থেকে গরম হাওয়া প্রবেশ করছে। একইসঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প অনেক কম পরিমাণে প্রবেশ করছে। ফলে অস্বস্তি বাড়ছে। রাজ্যে কবে বৃষ্টি হবে সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যবাসী।  হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আপাতত রাজ্যে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। কবে কালবৈশাখী নামতে পারে, সেই বিষয়েও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। বাংলার গরমের স্বাভাবিক চরিত্র অনুযায়ী কিছু দিন পর পর কালবৈশাখী আসার কথা। অর্থাত্‍, কিছু দিন ধরে তাপমাত্রা বাড়লে, সাময়িক স্বস্তি দিতে কালবৈশাখী হাজির হয়ে যায়। যার সাক্ষী সদ্য পেরিয়ে আসা মার্চই। কিন্তু চৈত্রের শেষ থেকে তা উধাও। এখন বৈশাখের কাছে কালবৈশাখীর আশা বঙ্গবাসীর।

  • Weather: শুকনো গরমে নাজেহাল! ৪০ ডিগ্রি ছুঁল কলকাতা, পুড়ছে জেলাও, কী বলছেন আবহবিদরা?

    Weather: শুকনো গরমে নাজেহাল! ৪০ ডিগ্রি ছুঁল কলকাতা, পুড়ছে জেলাও, কী বলছেন আবহবিদরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ১৪২৯ বঙ্গাব্দের শেষ দিন। চৈত্র সংক্রান্তির দিনে জ্বলছে কলকাতা-সহ গোটা বাংলা (Kolkata Weather)। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতায় (Kolkata Weather) তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পৌঁছে যেতে পারে, বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বৃহস্পতিবারই কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রিতে ঠেকেছে। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করবে।

    কোথায়, কেমন তাপমাত্রা

    পশ্চিমবঙ্গের ১৫ জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার কয়েকটি অংশে তাপপ্রবাহ হবে। ওই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলায় দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা অস্বস্তিকর গরম থাকবে। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদার কয়েকটি অংশে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। 

    বদলেছে গরমের ধরন

    এবার গরমটা যেন অন্য রকমের। শুকিয়ে যাচ্ছে ঠোঁট-হাত-পা। নাক জ্বালা করছে গরম হাওয়ায়। আবার অনেকেই বলছেন নাক দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। বাইরের গরম হাওয়ায় শরীর জ্বালা করছে। গরম হলেও ঘামের রেশ পর্যন্ত নেই। এমন গরম আগে দেখেননি শহরবাসী। কলকাতার (Kolkata Weather) গরম সাধারণ ঘর্মাক্ত হয়। ঘাম বেশি হয়। তার জন্য অস্বস্তি বেশি থাকে। এই প্রথম এমন গরম দেখছেন শহরবাসী। এরকম গরম বিহার-উত্তর প্রদেশে দেখা যায়। বাংলায় পুরুলিয়া, বাঁকুড়াতেও এই ধরনের শুকনো গরম থাকে। তবে কলকাতায় এই প্রথম। আবহাওয়াবিদদের কথায়, কলকাতায় গরমের এই ধরন পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে এলনিনো প্রভাব। তার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন। কলকাতার উপর দিয়ে যে উচ্চচাপ বলয় অবস্থান করছে তার জেরে বাতাসের জলীয় বাষ্প শুকিয়ে যাচ্ছে। সেকারণে নদীর পাড়ে হলেও কলকাতার বাতাসে আর্দ্রতা কমে গিয়েছে। তাই আর শরীরে ঘাম দেখা যাচ্ছে না।

    আরও পড়ুুন: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    নয়া রেকর্ড

    কলকাতার তাপমাত্রা (Kolkata Weather) তৈরি করল নতুন রেকর্ড। এক নয়, একাধিক। সাত বছর পর এপ্রিলে চল্লিশ ছুঁল কলকাতার পারদ। শেষ বার ২০১৬ সালের ১ মে ৪০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গরম সইতে হয়েছিল কলকাতাকে। এবছর শুকনো গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গোটা বাংলা। আপাতত ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। তবে তার স্থায়িত্ব আরও বাড়তে পারে। ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত কলকাতার তাপমাত্রা ৪০-৪১ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করার আশঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবার দহন-জ্বালায় দিল্লিকেও (৩৮.৬ ডিগ্রি) পিছনে ফেলেছে কলকাতা। রাজস্থানের জয়সালমেরের সঙ্গেও আলিপুরের মধ্যে সমানে টক্কর। একবিন্দুতে দাঁড়িয়ে দু’জায়গার তাপমাত্রা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mid Day Meal: মিড ডে মিলে ৬ মাসে ১০০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ! রাজ্যকে তুলোধোনা শুভেন্দু-অমিতের

    Mid Day Meal: মিড ডে মিলে ৬ মাসে ১০০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ! রাজ্যকে তুলোধোনা শুভেন্দু-অমিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিলে ৬ মাসে ১০০ কোটি টাকার তছরুপের অভিযোগ উঠেছে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। মিড ডে মিল নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে এই বিস্ফোরক অভিযোগ কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের (Mid Day Meal)। রাজ্যে মিড ডে মিল প্রকল্পের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে যে রিভিউ মিশন গঠন করা হয়েছিল, সেই মিশনের রিপোর্টে এমন দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, গত বছর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এই বিপুল টাকার দুর্নীতি হয়েছে। হিসেব চাইলে ১৬ কোটি অতিরিক্ত মিড ডে মিল দেখানো হয় (Scam)। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে ৭০ শতাংশ কম মিড ডে মিল খাবার সরবরাহ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। 

    প্রধানমন্ত্রী পুষ্টি প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী পুষ্টি প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে একটি প্যানেল তৈরি করা হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখে শিক্ষা মন্ত্রকের জয়েন্ট রিভিউ প্যানেল একটি রিপোর্ট তৈরি করে। সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তাতেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে, গত বছর প্রথম দুই অর্থবর্ষে রাজ্যের তরফে ১৪০ কোটি ২৫ লক্ষ মিড ডে মিলের রিপোর্ট পেশ করা হয়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের রিপোর্টে  ১২৪ কোটি ২২ লক্ষ মিড ডে মিলের উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ, ভাত-ডাল এবং সবজি রান্নার ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ কম খরচ করা হয়েছে। ওই প্রকল্পের টাকা অন্যান্য খাতে ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    মিড ডে মিল প্রকল্পে দুর্নীতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনা করেছে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে ট্যুইট করে লেখেন, “রাজ্য সরকার মিড ডে মিলে ১০০ কোটি টাকা বেশি দেখিয়েছে, জয়েন্ট রিভিউ মিশনের রিপোর্টে উল্লেখ। আগেই বলেছিলাম, পড়ুয়াদের খাবারের প্লেট থেকেও চুরি করতে ইতস্তত করে না তৃণমূল সরকার”। তাঁর কথায়, “মাত্র ২টি অর্থবর্ষেই ১০০ কোটির তছরুপ, গত ১২ বছরে কত টাকা চুরি হয়েছে ভাবুন। প্রশাসন চালানোর নামে দিনেদুপুরে ডাকাতি করছে রাজ্য সরকার”।

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্য ট্যুইটে লিখেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে দুর্নীতি ব্যাপক। এমনকী তার প্রশাসন প্রধানমন্ত্রী পোষণ তহবিলও ছাড়েনি। রাজ্য ও কেন্দ্রের যৌথ পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে পশ্চিমবঙ্গ অন্য উদ্দেশে ১০০ কোটি টাকা সরিয়েছে! শিশুদেরকে কম খাওয়ানো হয়েছে। সরবরাহ কাটা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ দায়ের করেছিলেন’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: চালিয়ে খেলছে চৈত্র! জানেন হাঁসফাঁস গরমে সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

    Heatwave: চালিয়ে খেলছে চৈত্র! জানেন হাঁসফাঁস গরমে সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখ এখনও ব্যাট করতে নামেনি। চালিয়ে খেলছে চৈত্র। গরমে হাঁসফাঁস করছে শহরবাসী। একই ছবি চোখে পড়ছে সর্বত্র। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ রাঙাচ্ছে সূর্যমামা। এই পরিস্থিতিতে বাড়ির বাইরে বেরোতে মন চাইছে না। তাই বলে ঘরে বসে থাকা যায়! অফিস রয়েছে, রয়েছে অন্য কাজকর্ম। রান্না-বান্না থেকে ছেলে-মেয়েদের স্কুল থেকে আনার দায়িত্ব। মন না চাইলেও চড়া রোদ মাথায় নিয়েই ছুটতে হচ্ছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। গরমের জেরে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। শরীরে ঘাম জমে বাড়ছে নানা রোগ। তার সঙ্গে তো রয়েছে নিত্যদিনের ফ্লু ও জ্বরজালা। এই পরিবেশে নিজেকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন বেশ কিছু টোটকা।

    গরমে সতেজ থাকতে কী করবেন?

    ১) অবশ্যই ব্যাগে রাখুন জলের বোতল। প্রয়োজনে গ্লুকোজ কিংবা লেবুর জলও ঘন ঘন খাওয়া যেতে পারে। তবে ভুলেও রাস্তার ধারে ঠেলা ওয়ালাদের থেকে কোনওভাবেই রঙিন পানীয় চুমুক দেওয়া উচিত হবে না। তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে।

    ২) পকেটে বা ব্যাগে রাখুন রুমাল। প্রয়োজনে দু’টো রুমাল ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ, অতিরিক্ত ঘাম নির্গমনের ফলে রুমাল ভিজে যায়। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় রুমাল কাজে দেবে।

    ৩) সানগ্লাস ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে প্রখর তাপ থেকে যেমন স্বস্তি মিলবে, তেমনি চোখের পক্ষেও আরামদায়ক।

    ৪) ছেলেরা অবশ্যই টুপি ব্যবহার করুন। না হলে অবশ্যই ছাতা। আর মেয়েরা স্কার্ফ পরতে পারেন। এখন হাতের স্ক্রিন গার্ডও বাজারে উপলব্ধ। এতে ত্বক ও শরীর দুই বাঁচবে।

    ৫) গরমে মুখ চ্যাটচ্যাটে হয়ে যায়। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক সেনসেটিভ, তাঁরা ভেজা রুমাল বা ওয়েট টিস্যু ব্যবহার করতে পারেন।

    ৬) শরীরে ঘাম জমলে অনেক সময় দুর্গন্ধ ছাড়ে। সেক্ষেত্রে অফিসে বা স্কুল কলেজে কিংবা অনুষ্ঠান বাড়িতে সমস্যায় পড়তে হয়। এটা থেকে বাঁচার সেরা উপায় বডি স্প্রে ব্যবহার করা। তবে সেটা যাতে অতিরিক্ত না হয়, তাও খেয়াল রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন: বৃষ্টির দেখা নেই, তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁই! কাঠফাটা গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী

    গরমে কী খাবেন ?

    ১) তেল মশলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে যাওয়া উচিত। স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের অবশ্যই বিশেষ যত্ন নিতে হবে। দু’টি করে টিফিন দিন। একটিতে খাবার থাকুক। অন্যটিতে স্যালাড বা ফল।

    ২) ছাতুর সরবত লু রুখতে অত্যন্ত কার্যকরী। ডাবের জল, নারকেলের জল, বাটারমিল্ক, লেবুর সরবত খেলে তাপপ্রবাহ দূরে রাখা যাবে।

    ৩) শসা, তরমুজ, টম্যাটো, জামরুলের মতো ফল বেশি করে খেতে হবে। এতে শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকবে, ডিহাইড্রেশন এড়ানো যাবে।

    ৪) জিরে ভেজানো জল রাখতে পারেন ডায়েটে। পেট ঠান্ডা থাকবে। হলুদ ভেজানো জলও পেট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে। সঙ্গে থাকুক দই ও দইজাতীয় খাবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Supreme Court: শিক্ষকদের চাকরি বাতিলে হাইকোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: শিক্ষকদের চাকরি বাতিলে হাইকোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট তিন দফায় মোট ২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দায়ের হয়েছিল মামলা। ২৩ ডিসেম্বর ও ৪ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে যাঁরা মামলা করেছিলেন, মূলত তাঁদের আবেদনের উপরই সুপ্রিম কোর্ট এই চাকরি বাতিলের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। এদিন সুপ্রিম কোর্ট তার মধ্যে ১৯৬ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস ও বিচারপতি জে কে মাহেশ্বরীর বেঞ্চ সোমবার এই নির্দেশ দিয়েছে। বুধবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।

    সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ

    মূলত ২০১৪ সালে টেট পাশ করে ২০১৭ সালে চাকরি পেয়েছিলেন ২৬৯ জন। ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁদের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেয়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে সেই মামলার শুনানি হয়েছিল। ২৩ ডিসেম্বর ৫৩ জনের চাকরি বাতিল হয়, ৪ জানুয়ারি ১৪৩ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁরাই যান সুপ্রিম কোর্টে। আগামী ১২ এপ্রিল শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য মামলার সঙ্গে এই মামলার শুনানি হবে।

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ খারিজ ডিভিশন বেঞ্চের

    অন্যদিকে, মঙ্গলবার প্রাথমিক স্কুলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ যে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল, মঙ্গলবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ তা খারিজ করে দিয়েছে। ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পর্ষদ জানিয়েছিল, টেট উত্তীর্ণ যে সব প্রার্থী ২০২০-২২ সালে ডিএলএড প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি হয়েছেন, তাঁরা চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। পর্ষদের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন সৌমেন পাল-সহ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী। 

    আরও পড়ুন: এই প্রথম! টেট দুর্নীতিতে ইডির দফতরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচী

    মামলাকারীদের আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের বক্তব্য, ২০১৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী ডিএলএড প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন যাঁরা, তাঁরাই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ২০২০-২২ সালের প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে তাঁরা কী ভাবে চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন? বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মামলাকারীদের আবেদন খারিজ করে পর্ষদের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন। আজ, মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চে তা খারিজ করে দেয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share