Tag: West Bengal

West Bengal

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে সরকারের পতন আসন্ন! ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে সরকারের পতন আসন্ন! ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে খুব শীঘ্রই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পতন হবে। রাজ্যে সরকার ‘আর টিকবে না’ বলে আবারও হুমকি দিলেন বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়,’দেখতে থাকুন, মহারাষ্ট্রের পর ঝাড়খণ্ড, ঝাড়খণ্ডের পর পশ্চিমবঙ্গ। দেখতে থাকুন।’ ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের উপরই জোড় দিলেন বিজেপি নেতা। শিক্ষক নিয়োগ, কর্মী নিয়োগ থেকে শুরু করে কয়লা পাচার, গরু পাচার হরেক দুর্নীতিতে জর্জরিত তৃণমূল সরকার। তাই এই সরকারের আয়ু আর বেশি দিন নেই বলেই অভিমত, শুভেন্দুর।

    আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি! আদালতে ফের সরব শুভেন্দু

    কী বললেন শুভেন্দু

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে তৃণমূলের মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্য, নিয়োগ কেলেঙ্কারি ও পাচার কাণ্ডের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার ডাকে সোমবার কলেজ স্কোয়ার থেকে মিছিল হয়। পরে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলের সভায় শুভেন্দু বলেন, “মানুষ সব দেখছে। এই সরকার আর টিকবে না। মহারাষ্ট্র,ঝাড়খণ্ডের পরই পশ্চিমবঙ্গ। আপনারা শুধু অপেক্ষা করুন আর দেখতে থাকুন।” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সরাসরি না করে তাঁর দাবি, “শুধু ভাতিজা (ভাইপো) নয়, বুয়াকেও (পিসি) ভেতরে (জেলে) যেতে হবে।” শুভেন্দুর আরও দাবি, “রাজ্যের একাধিক শিল্পপতি, সুদীপ্ত সেন, গৌতম কুণ্ডুরা কেন বাংলার লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির ছবি কিনেছে সব সামনে আসবে। অপেক্ষা করুন।” 

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্যের জের, প্রতিবাদে পথে জনজাতি সমাজ

    সুকান্তর নিশানা

    এদিন মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, মোর্চার সভানেত্রী তনুজা চক্রবর্তী প্রমুখ। লকেটের অভিযোগ, “মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে প্রতিদিন রাজ্যে নারী নির্যাতন বাড়ছে। নারীরা সুরক্ষিত নন।” অখিলের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। সুকান্ত বলেন, “ডিসেম্বরে যত ঠান্ডা পড়বে ততই কাঁপুনি বাড়বে তৃণমূলের। গোটা মন্ত্রিসভা জেলের ভেতরে থাকবে।” বেশ কয়েক মাস ধরেই বারবার ডিসেম্বর-ডেডলাইনের কথা শোনা যাচ্ছে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের গলায়! গত  অগাস্ট মাসেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন,’ছ’মাস তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে না৷ তার আগেই ডিসেম্বরের মধ্যে ঝাপ গুটিয়ে যাবে তৃণমূলের’। গত সেপ্টেম্বরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষও বলেন, ‘ভোট এখন নেই, হয়তো ডিসেম্বরের বিধানসভা ভোটটা  হয়ে যেতে পারে’। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dengue: জেনে নিন ‘ডেঙ্গি’- র অ আ ক খ…

    Dengue: জেনে নিন ‘ডেঙ্গি’- র অ আ ক খ…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি মশার (Dengue mosquito)আতঙ্কে ভুগছে সারা রাজ্য। ডেঙ্গি রোগের বাহক মশার নাম এডিস ইজিপ্টাই (Dengue mosquito) । বলা হয়ে থাকে এডিস মশার (Dengue Mosquito) প্রথম উৎপত্তি স্থান ছিল আফ্রিকায়। বর্ষাকাল এবং অতিরিক্ত আর্দ্র পরিবেশে এডিস মশার(Dengue Mosquito) দ্রুত বংশ বিস্তার হয়।  একসময় আফ্রিকা থেকে জাহাজের মাধ্যমে সমুদ্রপথে আমেরিকা এবং এশিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে এই মশা। 

    কীভাবে চিনবেন এডিস মশা (Dengue mosquito)? 

    এডিস ইজিপ্টাই (Dengue mosquito) মশা খালি চোখে দেখে শনাক্ত করা সম্ভব। কিভাবে শনাক্ত করবেন আসুন জানা যাক।

    ১) ডেঙ্গি রোগ বহনকারী এই মশার (Dengue mosquito) দেহে সাদা কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে, তাই এটিকে অনেক সময়  টাইগার মশাও বলা হয়ে থাকে। খালি চোখে দেখলেই বুঝতে পারবেন।

    ২) এডিস মশা (Dengue mosquito) মাঝারি আকারের হয়ে থাকে। অর্থাৎ খুব বড়ো বা খুব ছোট হয়না। 

    ৩) এডিশ মশার (Dengue Mosquito) অ্যান্টেনা বা শুঙ্গটি কিছুটা লোমশ দেখতে হয়।

    ৪) এডিস মশার(Dengue mosquito) অ্যান্টেনায় অনেকটা দাড়ির মত থাকে। পুরুষ মশার অ্যান্টেনা স্ত্রী মশার চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি লোমশ দেখতে হয়।

    ৫) পুরনো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম বা ব্যারেল, অন্যান্য জলাধার, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনের ব্লক, ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, গাছের ফোকর ও বাঁশ, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, ছাদে, অঙ্কুরোদগম উদ্ভিদ, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে এডিস মশা (Dengue Mosquito) জন্ম নেয়।

    এডিস মশা (Dengue Mosquito) কখন কামড়ায়?

    ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) দিনের বেলায় সব চেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে বলেই বিশেষজ্ঞ দের মত রয়েছে। বলা হয় যে সকাল ও বিকেলে ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) কামড়ানোর সম্ভাবনা সব চেয়ে বেশি। গবেষণা অনুসারে, মশা দিনের বেলায় সব চেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে, সূর্যোদয়ের প্রায় ২ ঘন্টা পরে এবং সূর্যাস্তের কয়েক ঘন্টা আগে। যদিও, এডিস ইজিপ্টাই (Dengue Mosquito) মশা সূর্যাস্তের পরেও মানুষকে কামড়াতে পারে বলেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এডিস মশা (Dengue Mosquito) একাধিক বার কামড়াতে পারে, যখন তাদের ডিম পাড়ার সময় হয়। ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) শরীরের বিভিন্ন অংশ, যেমন পায়ের গোড়ালি, কনুইয়ের চারপাশে কামড়ায়। ডেঙ্গি মশার(Dengue Mosquito) একটি কামড়ই একজন ব্যক্তিকে সংক্রমিত করতে পারে।

    আরও পড়ুন: আসামে নাবালিকা পরিচারিকা খুন মামলায় নয়া মোড়, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার জেলাশাসক

    ‘ডেঙ্গি’ শব্দটি এলো কোথা থেকে 

    আফ্রিকার সোয়াহিলি ভাষায় একটি  প্রবাদ আছে ‘কান্ডডিঙ্গা পেপো’। এখান থেকেই থেকে ‘ডেঙ্গি’ নামটি এসেছে বলে মনে করা হয়। এই শব্দের অর্থ- শয়তানের শক্তির কাছে আটকে যাওয়ার মতো ব্যথা। ডেঙ্গি হলে শরীরে ব্যাথা যন্ত্রণা হয় যে। কারও কারও ধারণা স্প্যানিশ ডেঙ্গি শব্দ থেকে এ রোগের নামকরণ করা হয়, যার অর্থ ‘হাড়ভাঙা জ্বর’। ‘দুষ্ট আত্মার সংস্পর্শে এলে মানুষের হাড়গোড় ভাঙার ব্যাথার যন্ত্রণা সমেত জ্বর হয়। অনেকের ধারণা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের গোলাম বা দাসরা এ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অনেকটা এঁকে বেঁকে হাঁটতো, তখন তাদের হাঁটার ভঙ্গিমা ডান্ডি নৌকার মতো হতো বলে, এই জ্বরকে বলা হতো ‘ডান্ডি ফিভার’, সেখান থেকে ডেঙ্গি নাম। 

    ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) কামড়ের লক্ষণ 

    সাধারণ ডেঙ্গি মশা কামড় দিলে (Dengue Mosquito)  চোখে পড়ে মূলত নিম্নলিখিত এই লক্ষণগুলি-

    ১.  তীব্র জ্বর এবং এই জ্বর সাধারণত দুই থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়।
    ২. মাথায় তীব্র যন্ত্রণা
    ৩. চোখের পেছনের অংশে যন্ত্রণা।
    ৪. জ্বরের পাশাপাশি সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
    ৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা সঙ্গে কোমরে ব্যথা।
    ৬. গা বমি দেওয়া।
    ৭. ত্বকে র‌্যাশ কিংবা লাল লাল দানা  দেখা দেয়া।

    রক্তপাতসহ ডেঙ্গিজ্বরের ক্ষেত্রে :

    ১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ কিংবা বমির সঙ্গে রক্তপাত।
    ২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে কিংবা পেটে জল জমে যাওয়া।

    ডেঙ্গি প্রতিরোধে করণীয়:

    একথা মনে রাখতে হবে যে ডেঙ্গি ভাইরাসের কোন স্বীকৃত টিকা বা ভ্যাকসিন নেই। সুতরাং জীবাণুবাহী ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণ করা এবং তার কামড় থেকে নিজে সুরক্ষিত রাখতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণ করতে কয়েকটি কর্মসূচীর সুপারিশ করেছে: (১) ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণে প্রচার, সামাজিক সক্রিয়তা, এবং জনস্বাস্থ্য সংগঠন গুলিকে শক্তিশালী করতে আইন প্রণয়ন করতে হবে প্রতিটি দেশকে। (২) স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিটি বেসরকারি সংস্থার সাথে সরকার কে সমন্বয় রেখে চলতে হবে। (৩) প্রতিটি দেশের সম্পদের সর্বাধিক ব্যবহার করতে হবে ডেঙ্গি মশার (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণের জন্য। (৪) ডেঙ্গি প্রাদুর্ভাব এর সময় সরকার কে প্রমাণ ভিত্তিক সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) কে নিয়ন্ত্রণ করার প্রাথমিক পদ্ধতি হ’ল এর বৃদ্ধির পরিবেশকে ধ্বংস করে ফেলা। জল জমার জায়গা খালি করে অথবা কীটনাশক প্রয়োগ করে অথবা এইসব জায়গায় বায়োলজিক্যাল কন্ট্রোল এজেন্টপ্রয়োগ করে, ডেঙ্গি মশাকে (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মানব স্বাস্থ্যের উপর কীটনাশকের কুপ্রভাব ব্যাপক। তাই এই কথাকে মাথায় রেখে পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি তে  জমা জল কম করাটাই ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে ভাল উপায়। বিশ্রামের সময় মশারি ব্যবহার  করে ডেঙ্গি মশার (Dengue Mosquito) কামড় এড়ানো যেতে পারে।

    আমরা কী কী করতে পারিে? 

    ১. বাড়ির আশপাশ যতটা সম্ভব পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করতে হবে।

    ২.  ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলতে হবে এবং জল জমার পাত্র থেকে দ্রুত জল বের করতে হবে।

    ৩. ডেঙ্গু মশা (Dengue Mosquito) নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত তিন বার স্প্রে বা ফগিং করতে হবে‌।

    ৪. পাড়ার আশপাশে কোথাও জল জমে থাকলে, সকলে মিলে পরিষ্কার করতে হবে‌।

    ৫. রাত্রি বা দিনে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে।

    ৬. বৃষ্টির জল দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে কোথাও জমতে দেওয়া যাবেনা । কারণ , এডিস মশা (Dengue Mosquito) এই জায়গাতেই ডিম পাড়ে।

    ৭. ডেঙ্গু মশার(Dengue Mosquito) প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির পাশাপাশি ম্যাট ব্যবহার করতে হবে।

    ৮. এডিস মশা(Dengue Mosquito) যেহেতু দিনের বেলাতে কামড়ায় তাই , দিনের বেলায় সাবধানতা বেশী অবলম্বন করতে হবে।

    কী কী সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে?

    মশা তাহলে আমাদের জন্য শুধু বিরক্তির কারণই নয় বরং ক্ষুদ্র এই পতঙ্গ থেকে যেকোনো মানুষের জীবন নাশের ঝুঁকিও থাকছে। এটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। তাই সাবধানতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মশা, মশাবাহিত রোগ, মশার দমনে এখন আর উদাসীন থাকলে চলবে না। যেভাবে ডেঙ্গি বাড়ছে। মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ডেঙ্গি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়না। ডেঙ্গি মশার (Dengue Mosquito) কামড় খেয়ে হাসপাতাল যাওয়ার থেকে ডেঙ্গি মশার (Dengue Mosquito) থেকে সাবধানতা অবলম্বন করাটা বেশি জরুরী। ডেঙ্গি প্রতিকারের চেয়ে মশার প্রতিরোধই হবে যুক্তিযুক্ত। মশা নিয়ন্ত্রণ সফল করতে পারলে নিশ্চিত ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা কমবে এবং ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। তাই এ বছর ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে মশা দমনে আমাদেরকে বেশী মনোযোগী হতে হবে। আর এ জন্যে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতার বিকল্প নাই।

    ডেঙ্গি মশা (Dengue Mosquito) কিন্তু আমাদের ঘরের ভেতরেও বংশবৃদ্ধি করতে পারে যেমন- আমাদের  ঘরের ভিতরে ফুলদানি, রান্নাঘরে বা বাথরুমে জমে থাকাজল, কলসি বা বালতিতে রেখে দেওয়া পানি প্রভৃতিতে। তাই ঘরের ভিতরের এসব স্থানগুলো আমাদেরকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে যাতে মশারা বংশবৃদ্ধি করতে না পারে। বাড়ির মহিলারা এ কাজে বেশি সচেতন হতে পারেন। ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়াতে মশা সর্ম্পকে আমাদেরকে কিছু সাধারণ জ্ঞান রাখতে হবে যেমন- কোন প্রজাতির মশা আমাদের জন্য ক্ষতিকর বা কোন মশা কখন কামড়ায়, মশাদের জীবনচক্র কেমন, কোথায় কিভাবে বংশবৃদ্ধি করে ইত্যাদি। মশা সম্পর্কে ধারণা থাকলে মশা দমন কিছুটা সহজ হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Panchayat Election: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    Panchayat Election: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শহরে তাপমাত্রার পারদ ওঠা নামার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনীতির পারদও চড়ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election)আসন্ন। তার আগে প্রচারে ব্যস্ত শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই। কে-কাকে টেক্কা দেবে? চলছে সেই প্রস্তুতি। বিজেপির হয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে মঙ্গলবার রাজ্যে এলেন মিঠুন চক্রবর্তী ( Mithun Chakraborty )। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন মহাগুরু।বুধবার পুরুলিয়ায় বিজেপির ( BJP ) পঞ্চায়েত সম্মেলনে যোগ দেবেন মিঠুন চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া, শুক্রবার বিষ্ণুপুর, শনিবার আসানসোলে সভা। রবিবার অনুব্রত-গড় বীরভূমে সভা করবেন মিঠুন চক্রবর্তী। পঞ্চায়েত ভোটে ব্লক স্তরে সংগঠনকে মজবুত করাই লক্ষ্য, জানিয়েছেন বিজেপি নেতা।

    আরও পড়ুন: অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে! সারদা-প্রসঙ্গে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    ময়দানে মহাগুরু

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে জন সংযোগ বাড়াতে মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) ময়দানে নামাচ্ছে বিজেপি (BJP)। দলীয় সূত্রে খবর, ২৩ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত মিঠুন চক্রবর্তীর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে  রাজ্যে। জেলায় জেলায় পঞ্চায়েত সম্মেলনেও অংশ নেবেন তিনি।  মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে জেলা সফরে থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মিঠুন চক্রবর্তী শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের আইকন। চলতি মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেওয়ার পাশাপাশি আগামী দিনে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করবেন।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যে সরকারের পতন আসন্ন! ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    বাঙালি আবেগ

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও মিঠুন চক্রবর্তীকে রাজ্যের নানা প্রান্তে সভা করতে দেখা গিয়েছিল। বলি-তারকার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে প্রচার সভা করে গেরুয়া শিবির। তাঁকে ঘিরে বাঙালির যে আবেগ এবারও তাকেই হাতিয়ার করা হয়েছে। এর মধ্যেই সাংগঠনিক তোড়জোড় শুরু করেছে বিজেপি। ‘শক্তি মণ্ডল’ তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে তারা বুথ কমিটিও তৈরি করবে। দলীয় সূত্রে বলা হচ্ছে,পঞ্চায়েত ভোটে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপাবে বিজেপি। সেই জন্য প্রচারের কাজে লাগানো হবে মিঠুন চক্রবর্তীকে।  পুজোর আগে গত সেপ্টেম্বরে কলকাতায় এসেছিলেন মহাগুরু। নিয়োগ দুর্নীতিতে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি তখন তোলপাড়। সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে হতাশ মিঠুন বলেছিলেন, ‘‘এই পরিস্থিতি দেখে আমার হতাশ লাগছে। ৪৩ বছরের কেরিয়ারে ২০০ কোটি টাকা দেখিনি। আর কামাতেও পারলাম না।’’ তৃণমূলের ২১ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি! আদালতে ফের সরব শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি! আদালতে ফের সরব শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগে আদালতে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ১০০ দিনের কাজ নিয়ে বারবার অভিযোগ জানিয়েছিল বিজেপি। এই নিয়ে আদালতে মামলাও দায়ের করেছিলেন বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ধাক্কা রাজ্য প্রশাসনের! শুভেন্দুকে সভার অনুমতি আদালতের 

    কী অভিযোগ

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের রিপোর্ট তুলে ধরে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অভিযোগ, ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক দুর্নীতির হদিশ মিলেছে। তাঁর দাবি,’কয়েকটি ক্ষেত্রে জেলাশাসক ও বিডিও-র এফআইআরের সুপারিশ কার্যকর করা হয়নি। বহু ব্লকে জনসংখ্যার তুলনায় জবকার্ড বেশি রয়েছে।’ বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিরও জবকার্ড রয়েছে, অভিযোগ বিরোধী নেতার। ২০১১ থেকে ২০২২ এর মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জবকার্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ হাইকোর্টে অতিরিক্ত হলফনামা পেশ করেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্যের জের, প্রতিবাদে পথে জনজাতি সমাজ

    বহু দিনের অভিযোগ

    বাংলায়(Bengal) ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে(100 Days Work Project) দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে ভুরি ভুরি, এমন অভিযোগ বঙ্গ বিজেপির নেতাদের। তাঁদের সেই সব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দফায় দফায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে মোদি সরকার(Modi Government)। সেই প্রতিনিধিদল নানা জায়গায় ঘুরে বেশ কিছু ক্ষেত্রে গরমিল খুঁজে পান। সেই সম্পর্কে তাঁরা রিপোর্টও পাঠান কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকে। সেখান থেকে আবার চিঠি আসে নবান্নে(Nabanna)। যেখানে যেখানে গরমিল হয়েছে ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রে সেই সব জায়গায় পদক্ষেপ করুক রাজ্য সরকার, এমনটাই ছিল কেন্দ্রের চিঠিতে। ১০০ দিনের কাজে রাজ্য সরকার কারচুপি করে টাকা নয়ছয় করেছে, এমনটা অভিযোগ এনে আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি লিখেছিলেন বিরোধী দলনেতা। তারপর কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের টাকা তছরুপ করার অভিযোগ এনে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু অধিকারী। এই মর্মে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন ছিল সেই মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানি আগামী সোমবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Abhijit Ganguly: তদন্ত কবে শেষ হবে? সিবিআইকে প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Ganguly: তদন্ত কবে শেষ হবে? সিবিআইকে প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইকে দ্রুত নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি আরও দুর্নীতির ইঙ্গিত তিনি পাচ্ছেন জানিয়ে তদন্তে লোক বাড়ানোর কথাও বলেছেন হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    সিবিআইকে যা বললেন বিচারপতি

    সোমবার তিনি সিবিআইয়ের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, কবে তদন্ত শেষ হবে? এমনকী আরও দুর্নীতি লুকিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিন একটি মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘গতকাল আমি একটা অনুষ্ঠানে গেছিলাম। সেখানে সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের অনেকেই আমার কাছে জানতে চান, সিবিআই তদন্ত কবে শেষ হবে? আমারও একই প্রশ্ন?’একই সঙ্গে সিবিআই তদন্তের গতি নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, ‘লোক কোথায়? সিটে লোক বাড়ান। দরকার হলে আরও লোক বাড়ানোর নির্দেশ দেব। আমার মনে হয় আরও দুর্নীতি লুকিয়ে রয়েছে।’ প্রসঙ্গত, দিন সাতেক আগেই দিনের শুরুতে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে, সিবিআইকে  বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, সিটের কয়েকজন আধিকারিক ঠিক মতো কাজ করছেন না। প্রয়োজনে তাঁদের বদল করা হতে পারে। কিন্তু দিনের শেষে,তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে কথা বলার পর, সিবিআই তদন্তের ওপরই আস্থা রেখেছিলেন মাননীয় বিচারপতি। তিনি বলেছিলেন,‘সিবিআই ম্যাজিক দেখাতে পারে,আশা করব,তারা তা দেখাবে’।

    আরও পড়ুন: জামিন হল না পার্থ-সুবীরেশ সহ ধৃত ৭ জনের! এসএসসি কাণ্ডে ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    উল্লেখ্য, এই মাসের শুরুতে আর একটি মামলা চলাকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘নিয়োগ দুর্নীতিতে আসল অপরাধী কে সবাই জানে। আমার জীবদ্দশায় তারা ধরা পড়বে বলে তো মনে হয় না। আমি তো নিজে ধরতে যেতে পারব না। সবাই মিলে চেষ্টা করে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ‘ তাঁর যুক্তি, সিবিআই আরও বহু মামলার তদন্ত করছে, তাই তাদের সময় লাগছে। লোক বাড়াতেই হবে না হলে তদন্তে গতি আসবে না,মন্তব্য বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি নিয়ে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ, কলকাতায় বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

    Dengue: ডেঙ্গি নিয়ে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ, কলকাতায় বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণ। মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক। এই নিয়ে ক্রমাগত বিরোধীরা আক্রমণ করছে রাজ্য সরকারকে। রাজ্যের বিরুদ্ধে ডেঙ্গি নিয়ে তথ্য-গোপনের অভিযোগও করেছেন বিরোধীরা। এবার বিরোধীদের সেই অভিযোগের পক্ষেই কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বারবার কেন্দ্র তথ্য চাইলেও রাজ্যের তরফে তা মিলছে না। 

    কী অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর? 

    কলকাতায় নাইসেডের অনুষ্ঠানে এসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভারতী প্রবীণ পাওয়ার অভিযোগ করে বলেন, “ডেঙ্গি নিয়ে কেন্দ্রকে সঠিক দিচ্ছে না রাজ্য। বারবার বলা সত্ত্বেও কেন্দ্রের থেকে তথ্য গোপন করছে রাজ্য। দ্রুত ডেঙ্গি আক্রান্তর পরিসংখ্যান সামনে আনা প্রয়োজন। ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্যকে টাকা দেয় কেন্দ্র। সব রাজ্য তথ্য দিলেও বাংলা দেয় না। বিভিন্ন সময়ে ডেঙ্গি নিয়ে রাজ্যকে সাহায্য করে কেন্দ্র। কিন্তু সঠিক তথ্য না দিলে পশ্চিমবঙ্গকে সাহায্য করা সম্ভব নয়। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের তরফে ডেঙ্গি সংক্রান্ত কোনও তথ্য কেন্দ্রকে দেওয়া হয়নি।”

    আরও পড়ুন: উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জন্যে ১.৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রের 

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর এই অভিযোগের উত্তরে রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কেন্দ্রকে ডেঙ্গি-তথ্য জানাতে বাধ্য নয় রাজ্য।”

    প্রসঙ্গত, জাতীয় ভেক্টর কন্ট্রোল প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটে গত মে মাসে শেষ ডেঙ্গি সংক্রান্ত তথ্য পাঠিয়েছিল রাজ্যে। তবে তারপরে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫০,০০০ – এরও গণ্ডি ছাড়িয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রকে আর কোনও তথ্য পাঠায়নি রাজ্য। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধান্ত নিয়োগী বলেন, “অনেক মাস অবধি তথ্য পাঠানো হয়েছে। হয়তো কিছু জায়গায় তথ্য ওঠেনি। অনেক সময় তথ্য পাঠানোর পরেও দেরি করে আপডেট করা হয়।”    

    অন্যদিকে ডেঙ্গি নিয়ে কলকাতার বোরোগুলিতে বিক্ষোভ করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। এ নিয়ে একটি বৈঠকও করবে রাজ্য বিজেপি। মূলত বোরো ভিত্তিক বিক্ষোভ চালাবে বিজেপি। ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ পশ্চিমবঙ্গ সরকার, মূলত এই অভিযোগেই বিক্ষোভ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Al Qaeda: রাজ্যে ফের আল কায়দার জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার যুবক

    Al Qaeda: রাজ্যে ফের আল কায়দার জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্রমশ জঙ্গিদের দৌরাত্ম বেড়েই চলেছে। কারণ ফের জঙ্গি সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল এসটিএফ। ধৃতের নাম মনিরুদ্দিন খান (২০)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। সূত্রের খবর অনুযায়ী ধৃত জঙ্গি আল কায়দা জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও ফয়জল নামে এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর কাছে থেকেই মেলে একটি পেন ড্রাইভ। আর সেই পেন ড্রাইভের সূত্রেই আরও কয়েকজনের হদিশ মেলে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। মনিরুদ্দিনকে নিয়ে মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করল এসটিএফ।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মনিরুদ্দিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারাসাতের ধ্রবচাঁদ হালদার কলেজের, ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। অভিযোগ উঠেছে, সে আল কায়দার শাখা সংগঠন ‘আলকায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাব কন্টিনেন্ট’ (একিউআইএস)-এর সঙ্গে যুক্ত। এসটিএফ সূত্রের মাধ্যমে আরও জানা গিয়েছে, মনিরুদ্দিন আল কায়দা, এবিটি (ABT), একিউআইএস (AQIS) সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনের হয়ে লজিস্টিকের কাজ করত। জঙ্গিদের জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে তা ব্যবহার করে একাধিক সিম কার্ড জোগাড় করা এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে দেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে ওস্তাদ এই যুবক। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় আল কায়দার স্লিপার সেল তৈরি করা এবং সংগঠনটির হয়ে প্রচার করার কাজে জঙ্গি নেতাদের সে সাহায্য করত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

    পুলিশরা তদন্ত শুরু করেছে যে, কীভাবে মনিরুদ্দিনের সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের যোগাযোগ হল, কীভাবে সে বাংলাদেশ থেকে আসা জঙ্গিদের সাহায্য করছে, সবকিছু বিশদে জানতে তার মোবাইলও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত শুক্রবার মথুরাপুর থানার পুলিশের সহযোগিতায় মনিরুদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। এর পর ধৃতকে কলকাতা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করানো হয়।বিচারক ওই যুবককে আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশের ব্লগার খুনের সঙ্গে জড়িত ফয়জল নামে এক যুবককে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর গত শনিবার মথুরাপুরেরই বাসিন্দা আজিজুল হক নামে এক যুবককে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত অগাস্টেই গ্রেফতার করা হয় ২ সন্দেহভাজন আল কায়দা জঙ্গি। সেপ্টেম্বরেও রাজ্যে ৪ আল কায়দা জঙ্গিকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। ডায়মন্ডহারবার থেকে গ্রেফতার করা হয় আল কায়দা জঙ্গি সমীর হোসেন খানকে। মুম্বই থেকেও সাদ্দাম হোসেন শেখ নামে এক জঙ্গি গ্রেফতার হয়। উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় মালদার হাসনাত শেখকে। ফলে একের পর এক জঙ্গি গ্রেফতারি থেকে বোঝাই যাচ্ছে, রাজ্যে আল কায়দা জঙ্গি সংগঠন পায়ের তলার মাটি শক্ত করে চলেছে। তবে কি বাংলাকে নিরাপদ মনে করছে জঙ্গিরা? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। 

  • MGNREGA: ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক অনিয়ম, সিবিআই তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    MGNREGA: ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক অনিয়ম, সিবিআই তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একশো দিনের কাজ (MGNREGA) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে একাধিকবার সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারিকে (Suvendu Adhikari)। এবার ওই একই অভিযোগে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে (Giriraj Singh) চিঠি লিখলেন তিনি। দাবি করেছেন সিবিআই তদন্তেরও। চার পাতার ওই চিঠিতে একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    গিরিরাজকে শুভেন্দু যে চিঠি পাঠিয়েছেন, তাতে তারিখ রয়েছে সোমবারেরই। এদিন এনিয়ে একটি ট্যুইটও করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানেই গিরিরাজকে পাঠানো চিঠিটি পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার মানুষকে, বিশেষত গ্রাম বাংলার বাসিন্দাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছে। যাঁদের জবকার্ড রয়েছে, তাঁদের তথ্যের অপব্যবহার করে রাজ্য সরকার ভুয়ো কর্মসংস্থানের তালিকা তৈরি করছে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বক্তব্য, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই এই ভুয়ো তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হচ্ছে। যাতে রাজ্য সরকার আগামিদিনে বলতে পারে, একশো দিনের কাজে (MGNREGA) কেন্দ্রের পাঠানো টাকার পরিমাণ কমে গেলেও, তারা গ্রাম বাংলায় প্রচুর পরিমাণে কর্মসংস্থান করতে পেরেছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই অনৈতিক কাজে সরকারকে সাহায্য করছে রাজ্যের প্রশাসন।

    সম্প্রতি এই মর্মে রাজ্য প্রশাসনের তরফে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। (মাধ্যমে সে খবর প্রকাশিতও হয়েছে) চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে বলা হয়েছে, তারা যেন তাদের অধীনস্থ প্রকল্পগুলি রূপায়ণের সময় কেবল জবকার্ড থাকা অসংগঠিত ক্ষেত্রের উপভোক্তাদেরই নিয়োগ করে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের দাবি, জবকার্ড হোল্ডাররা যাতে কাজ পান, তা নিশ্চিত করতে সরকার এই নির্দেশিকা জারি করেনি। তাদের উদ্দেশ্য হল, কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নথি প্রস্তুত করা। তাঁর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের আধিকারিকদের এক্ষেত্রে ভুয়ো তথ্য নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন স্তরে এই সীমাহীন দুর্নীতির তদন্ত সিবিআই (CBI) কিংবা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে করানোর আর্জিও জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: এটি আর্থিক তছরুপের সহজ পন্থা, ফের ডিয়ার লটারি নিয়ে সরব শুভেন্দু

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Crime by Police: কলকাতায় পাঁচ মাসে ১১ পুলিশ কর্মী গ্রেফতার, কোন কোন ‘অপরাধে’ জানেন?

    Crime by Police: কলকাতায় পাঁচ মাসে ১১ পুলিশ কর্মী গ্রেফতার, কোন কোন ‘অপরাধে’ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ষকই ভক্ষক! চুরি-ডাকাতি সহ নানা অপরাধে দুষ্কৃতীদের ধরাই যাঁদের কাজ, সেই পুলিশই কী না গ্রেফতার পুলিশের (Police) হাতে! আজ্ঞে হ্যাঁ। গত পাঁচ মাসে কলকাতায় (Kolkata) অন্তত ১১ জন পুলিশ (Kolkata Police) কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে। ধৃত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে রয়েছে অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর সব অভিযোগ। এই সব সমস্যায় পড়লে বিপদগ্রস্ত মানুষ যেখানে পুলিশের ভরসায় থাকেন, সেখানে পুলিশই অভিযুক্ত হওয়ায় রাজ্যজুড়ে হাসির ছররা!

    অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর অভিযোগে যেসব পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা সবাই যে সাধারণ পুলিশ কর্মী, তা নন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে যেমন ন জন কনস্টেবল রয়েছেন, রয়েছেন একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, তেমনি রয়েছেন একজন অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইনসপেক্টরও।  

    ধৃত পুলিশ কর্মীদের অপরাধের ধরনও আলাদা। জনবহুল বাজার থেকে কাউকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে কোনও এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। অপহৃত ব্যক্তিকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ার আগে সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। যাঁরা সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র দিতে চাননি, তাঁদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগও উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: “মাঝরাতে মহিলাদের আটক করা যায়?” প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন

    কিছুদিন আগেই রাজ্যে ইনসপেক্টর জেনারেল পদ থেকে অবসর নিয়েছেন প্রবীণ এক আইপিএস আধিকারিক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আধিকারিক বলেন, এত কম সময়ে এক সঙ্গে এতজন পুলিশ কর্মীর, যাঁদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল চার্জ রয়েছে, গ্রেফতারি আমি চাকরি জীবনে দেখিনি। তিনি বলেন, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এই দফতরটা দেখেন।

    জানা গিয়েছে, সাদা পোশাক পরে অপরাধ (Crime by Police) করেননি গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীরা। অপরাধ করার সময় তাঁরা পরেছিলেন পুলিশের উর্দিই। যার অর্থ, পুলিশের পরিচয়েই অপরাধ করেছেন তাঁরা। পুলিশের পরিচয়ে তাঁরা প্রথমে শিকারের বিশ্বাস অর্জন করেছেন, পরে সব কেড়ে নিয়ে নিঃস্ব করে ছেড়েছেন। এক পুলিশ কর্মীর সরস মন্তব্য, অপরাধ করলে পুলিশও যে পার পাবে না, এটা একটা ভাল লক্ষণ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • West Bengal: প্রসব পরবর্তী চিকিৎসা রাজ্যে অবহেলিত, সরকারি হাসপাতালে ফের মৃত্যু

    West Bengal: প্রসব পরবর্তী চিকিৎসা রাজ্যে অবহেলিত, সরকারি হাসপাতালে ফের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন দুয়েক আগে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়। সেই ঘটনা ফের প্রশ্নের মুখে ফেলে রাজ্যের প্রসব পরবর্তী চিকিৎসাকে। কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, এ রাজ্যে ৯০ শতাংশ মায়ের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে প্রসব হলেও প্রসব পরবর্তী চিকিৎসা ১০ শতাংশ মায়েরাও পান না। যার জেরে সামগ্রিক ভাবে রাজ্যে মায়েদের স্বাস্থ্য অবহেলিত হয়। 

    স্ত্রীরোগ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রসব পরবর্তীকালে মায়েদের শারীরিক খেয়াল রাখা বিশেষভাবে জরুরি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মায়েদের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেয়। শরীর দুর্বল থাকে। তার সঙ্গে থাকে মানসিক অবসাদ। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রসব পরবর্তী কালে মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা হয় না। 

    পোস্টপার্টোম ডিপ্রেশন (Postpartum Depression) কী? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সন্তান জন্মের পরে নতুন মায়েদের মধ্যে একটা মানসিক চাপ কাজ করে। তারা অনেক সময়েই নতুন ভূমিকায় মানিয়ে নিতে পারেন না। সেই থেকেই তৈরি হয় অবসাদ। 
    কী কী উপসর্গ রয়েছে?

    সন্তান জন্মের পরে মায়ের যদি অকারণে রাগ হয়, বিরক্তি তৈরি হয়, পেশির যন্ত্রণা, অস্থিরতার মতো লক্ষণ দেখা যায়, তাহলেই বোঝা যাবে এগুলো পোস্টপার্টোম ডিপ্রেশনের উপসর্গ। 

    স্ত্রীরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,  রাজ্যের অধিকাংশ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রসবের পরে কোনও রকম যত্ন মায়েরা পান না। অকারণে অস্ত্রোপচার করে প্রসব করানো এখন রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কার্যত কেন্দ্রের সিজার অডিটকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সময় বাঁচাতেই দেদার সিজার হচ্ছে রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে। কোনও রকম নজরদারিও করা হচ্ছে না। যার ফলে, প্রসূতিদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। আর অস্ত্রোপচারের জেরে যে বাড়তি শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিচ্ছে, তার জন্য কোনও রকম বাড়তি যত্ন সরকারি হাসপাতালে নেই। যার সাম্প্রতিক উদাহরণ ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের রোগী মৃত্যুর ঘটনা। ময়না তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই প্রসূতি আত্মহত্যা করেছেন। হাসপাতালের কার্নিশ থেকে ঝাঁপ দিয়েই তার মৃত্যু বলে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে। আর এখানেই সরকারি হাসপাতালে প্রসব পরবর্তী চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 

    একজন প্রসূতির পোস্টপার্টোম ডিপ্রেশন হয়েছিল কিনা, সে সম্পর্কে হাসপাতাল একেবারেই অন্ধকারে ছিল? অর্থাৎ, কোনও রকম যত্ন নেওয়া হয়নি। তাছাড়া, হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, অস্ত্রোপচার করে সন্তান জন্ম হয়েছিল। সিজারের পরে একজন রোগী কীভাবে একা একা শৌচাগার গিয়েছিলেন? কেন তার সঙ্গে কোনও স্বাস্থ্য কর্মী ছিলেন না? শৌচাগার থেকে তিনি কীভাবে ছাদে উঠলেন? কোনও নিরাপত্তা রক্ষীর কেন চোখে পড়ল না? তাহলে হাসপাতালের নিরাপত্তাও কি নেই? 

    যদিও এর কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষকে এই প্রশ্ন করলে তাদের উত্তর, “প্রত্যেক প্রসূতির খুঁটিনাটি দেখা সম্ভব নয়। এত রোগীর চাপে সেটা অসম্ভব। তবে, হাসপাতালের কোনও কর্মীর গাফিলতি প্রমাণ হলে, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনা এই প্রথম নয়। প্রসব পরবর্তী অবসাদ থেকে এর আগেও আরজিকর, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কিংবা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে রোগী মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারপরেও হুশ ফেরেনি সরকারের। প্রসবের পরে মায়েদের যে যত্নের দরকার, এ যেন চোখ এড়িয়ে যায় সরকারের। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রচার সর্বস্ব হয়ে উঠেছে। সস্তার বিজ্ঞাপন ছাড়া, রোগী পরিষেবা নিয়ে প্রশাসন ভাবতে আগ্রহী নয়। আর তাই এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। হাসপাতাল কিংবা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রসব যথেষ্ট নয়। সর্বাঙ্গীন পরিষেবার দিকে নজরদারি প্রয়োজন, যা এই রাজ্যে অনুপস্থিত।

LinkedIn
Share