Tag: West Bengal

West Bengal

  • Suvendu at BJP Rally: “তৃণমূল জমানায় বাংলায় বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu at BJP Rally: “তৃণমূল জমানায় বাংলায় বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালের ২ মে-র পর বাংলায় যে ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাস (Post poll violence) দেখা গিয়েছিল, তা অন্য কোনও ভোটে হয়নি। এমনটাই জানালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Opposition leader) বললেন, তৃণমূল (TMC) জমানায় বাংলায় (West Bengal) বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। 

    ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের (2021 Assembly elections) পর রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার বর্ষপূর্তিতে পথে নেমেছিল বিজেপি। ভোটের পরে বিজেপি কর্মীদের ওপর যে অত্যাচার চালানো হয়েছিল এবং গণতন্ত্র লুঠ করা হয়েছিল তার প্রতিবাদে আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংকল্প মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত মিছিল। মিছিলে সামিল সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী। 

    এরপর রানী রাসমণি অ্যাভিনিউয়ের মঞ্চ থেকে নিজের বক্তব্য রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, বাংলায় বর্তমানে বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে। ২০২১ সালের ২ মে-র পরে ভোট পরবর্তী যে সন্ত্রাস দেখা গিয়েছিল তা আর কোনও নির্বাচনের পরে দেখা যায়নি।

    শুভেন্দুর মতে, ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় একাধিক বিজেপি কর্মীদের আক্রান্ত হতে হয়েছে। সেই সময় বিজেপি নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১২ হাজার এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল । তাঁর প্রশ্ন, শিখ দাঙ্গার ১৫ বছর পর অভিযুক্ত কংগ্রেস নেতার যদি জেল হতে পারে তাহলে ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগে অভিযুক্তদের জেল কেন হবে না?

    আসন্ন অমিত শাহর রাজ্য সফর প্রসঙ্গেও বলেছেন শুভেন্দু। বললেন, বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, বাংলাকে ভয়মুক্ত করবেন। ২১৩ আসনে জিতেও শান্তিতে নেই তৃণমূল কংগ্রেস। পাশে থাকতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ‍বাধ্য করাবে বঙ্গ বিজেপি।

    পাশাপাশি, আগামী ৮ মে নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও ঘোষণা করলেন বিজেপি বিধায়ক। বললেন, ৮ মে নন্দীগ্রামে স্বৈরাচারী শাসকের পরাজয়ের বর্ষপূর্তি পালন করা হবে। ১১ মে দেউচা পাঁচামি (Deucha Pachami) যাব, সঙ্গে থাকবেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)।

     

  • ED raid: রাজ্যে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানাচ্ছে বাংলাদেশিরা! কলকাতা সহ ১০ জায়গায় হানা ইডি-র

    ED raid: রাজ্যে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানাচ্ছে বাংলাদেশিরা! কলকাতা সহ ১০ জায়গায় হানা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে রাজ্যে এসে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে বসবাস করছে এমন ব্যক্তিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাল ইডি (ED)। শুক্রবার কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগণার আট থেকে দশটি জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগরের তিনটি জায়গায়, দমদমের একটি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’টি জায়গা মিলিয়ে মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারী অফিসারেরা। এদিন সকাল থেকে ইডি-র প্রায় ৬০-৭০ জন আধিকারিক একাধিক দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি অভিযান চালান। 

    ইডি সূত্রে দাবি, বাংলাদেশের তদন্তকারী সংস্থার দেওয়া খবরের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়। এক আন্তর্জাতিক টাকা পাচার চক্রের মাথা প্রশান্তকুমার হালদার। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। বাংলাদেশি হলেও, এপার বাংলায় ঢুকে নিজেকে ভারতীয় বলে পরিচয় দেন প্রশান্তকুমার পাল। তিনি নিজেকে পরিচয় দেন শিবশঙ্কর হালদার বলে। এমনকী, এদেশে ভুয়ো আধার কার্ড, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড তৈরি করেন তিনি। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সেইসব জাল নথি ব্যবহার করে এদেশে প্রশান্ত কুমার পাল ও তাঁর সহযোগীরা প্রায় হাজার কোটি টাকা পাচার করেন। প্রশান্তকুমার হালদারের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। বেআইনি টাকার হদিশ পেতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি দেখে এদেশে ভুয়ো পরিচয়পত্রই বানিয়ে ফেলেছে অভিযুক্তেরা। শুধু তাই নয়, ভুয়ো পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে এরাজ্যে বাংলাদেশিরা রীতিমতো ব্যবসা খুলে বসেছে। বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বানিয়েছে। 

     স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অশোকনগরের মাছ ব্যবসায়ী সুকুমার মৃধাও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তদন্তে জানা গিয়েছে, সুকুমার মাছ ব্যবসার আড়ালে হাওয়ালার কারবারে যুক্ত। বিভিন্ন অঞ্চলে জমি জায়গা কিনে ব্যবসা করেন তিনি। অশোকনগরে তাঁর একাধিক বাড়ি ও দোকান রয়েছে। এর সঙ্গে উঠে আসছে প্রশান্ত হালদার নামে এক ব্যক্তির নাম। প্রশান্ত মারফৎ এদেশে টাকা নিয়ে আসেন সুকুমার। শুক্রবার অশোকনগরে সুকুমার মৃধা-সহ প্রণব হালদার ও স্বপন মিশ্রর বাড়িতে একযোগে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। ইডির এক আধিকারিক জানান, রাজ্যে হালদারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন মৃধা। মনে করা হচ্ছে, শহরের বিভিন্ন জায়গায় বেনামে জমি কিনেছে তারা। মৃধা এবং হালদারের পরিবারের লোকজনদের থেকে খোঁজখবর নিচ্ছে ইডি।

  • insas rifle snatched: “বাংলা জেহাদিদের আঁতুড়ঘর”, বিএসএফের রাইফেল ছিনতাইকাণ্ডে ট্যুইট সুকান্তর

    insas rifle snatched: “বাংলা জেহাদিদের আঁতুড়ঘর”, বিএসএফের রাইফেল ছিনতাইকাণ্ডে ট্যুইট সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলের রাজত্বে বাংলা হয়েছে জেহাদিদের (jihadi) আঁতুড়ঘর। রাজ্যটি জেহাদিদের প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে।” এমনটাই মনে করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (sukanta majumder)। মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের কাছে বিএসএফের (BSF) কর্তব্যরত এক মহিলা কনস্টেবলের কাছ থেকে ইনস্যাস (Insas) রাইফেল ছিনতাই প্রসঙ্গে এমন ট্যুইট করেন সুকান্ত।

    বিএসএফ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে ১৫৩ ব্যাটেলিয়নের এক মহিলা কনস্টেবল পাহারা দিচ্ছিলেন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে (India Bangladesh border) ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের কাছে। আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় ইনসাস অ্যাসল্ট রাইফেল (Assault rifle) ও ২০ রাউন্ড গুলি। বিএসএফের এক আধিকারিক জানান, প্রহরারত মহিলা কনস্টেবলকে মারধর করে দুষ্কৃতীরা তাঁর সঙ্গে থাকা রাইফেল ও গুলি ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।  

    এরপরই এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু করে বিএসএফ। আটক করা হয় এক ডজনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে। তবে বুধবার সন্ধে পর্যন্ত হদিশ মেলেনি খোয়া যাওয়া রাইফেলের। শেষমেশ বিএসএফের তরফে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বসিরহাট থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার জোবি টমাস কে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তাদের একটি ইনসাস রাইফেল (insas rifle) চুরি গিয়েছে বলে আমরা বিএসএফের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। সেই অনুযায়ী, আমরা মামলা শুরু করেছি। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তদন্ত চলছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। পুলিশের একটি অংশের মতে, রাইফেলটি ছিনিয়ে নিয়ে দুষ্কৃতীরা বাংলাদেশে গা-ঢাকা দিতে পারে।

    বিএসএফের এক মহিলা কনস্টেবলকে মারধর করে রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ট্যুইট করেন তিনি। লেখেন, “তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ জেহাদিদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। ঘোজাডাঙার এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এ রাজ্য জিহাদিদের প্রিয় জায়গায় পরিণত হয়েছে।”

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই ট্যুইটের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

  • Partha Chatterjee: ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা পার্থর, সন্ধের মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজিরা না দিলে আদালত অবমাননা?

    Partha Chatterjee: ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা পার্থর, সন্ধের মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজিরা না দিলে আদালত অবমাননা?

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অস্বস্তিতে পড়লেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।  সিবিআইয়ের কাছে হাজিরার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু, মামলায় নির্দেশ দিতে অস্বীকার করে হরিশ ট্যান্ডনের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। 

    এসএসসি নবম-দশম ও গ্রুপ-সি গ্রুপ-ডি দুর্নীতি কাণ্ডে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে ফের সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আজ, বুধবার সন্ধে ছটার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরের হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ চাইতে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু, আদালত তাঁর সেই আবেদনের ভিত্তিতে কোনও নির্দেশ দিতে অস্বীকার করে। ফলে ডিভিশন বেঞ্চ থেকে কোনওরকম রক্ষাকবচ না মেলায় সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ বহাল থাকল। মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সিবিআই অফিসে হাজির হতে হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। না হলে, তা হবে আদালত অবমাননার সামিল।

    এর আগে সকালে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, এদিন সন্ধে ৬টার মধ্যে সিবিআই দফতরে গিয়ে হাজিরা দিতে হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজন সরকারি আধিকারিককে। ফলে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মন্ত্রীর সুপারিশে গঠিত নিয়োগ সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির পাঁচ সদস্যকে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হওয়ার কথা। এমনকী তদন্তে সহযোগিতা না করলে মন্ত্রী-সহ বাকি আধিকারিকদের প্রয়োজনে গ্রেফতার করারও সবুজ সঙ্কেত দিয়ে রাখে আদালত।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এদিন বিকেলের মধ্যে যাঁদের সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়, তসেই তালিকায় রয়েছেন এসএসসি চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদ সিনহা, শিল্পমন্ত্রীর ওএসডি প্রদীপ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেপুটি ডিরেক্টর অফ স্কুল অলোক সরকার, প্রোগ্রাম অফিসার সমরজিৎ আচার্য এবং ল অফিসার তাপস পাঁজা। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টোর মধ্যে আদালতে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    “সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে কোনও ভুল নেই”, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বহাল সিবিআই তদন্ত

    পাশাপাশি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে সুপারিশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি বলেন, “আমি মনে করি, মুক্ত ও স্বচ্ছ সমাজ গড়ার স্বার্থে পার্থ চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করবেন বা তাঁকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এটা আমার অনুরোধ।” এর পাশাপাশি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এও জানান, “কাস্টোডিয়াল জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়া এই দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হবে না”। তবে নিজেই জানান, এটা শুধুমাত্র একটা সুপারিশ, কোনও নির্দেশ নয়।

    এর আগে ১২ এপ্রিল হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও সেবার ডিভিশন বেঞ্চ থেকে সেই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ আনা হয়। মামলার উপরেও স্থগিতাদেশ আনা হয়। তারপর আজ, বুধবার ওই মামলাগুলির শুনানি হয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ই বহাল রেখে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তারপরেই ফের সিঙ্গল বেঞ্চের তরফে সিবিআইয়ের কাছে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।  

    এদিকে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দায়ের হওয়া মূল ৭টি মামলায় ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে রাজ্য। শীর্ষ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষা দফতরকে। সূত্রের খবর, ডিভিশন বেঞ্চের অর্ডার কপি দেখে সুপ্রিম কোর্টে মামলা ফাইল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল শিক্ষা দফতরের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আইনজীবীদের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী কথা বলেছেন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে। আজই আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

     

     

  • Cyclone Asani: ‘অশনি সঙ্কেত’, শক্তি বাড়াল নিম্নচাপ, বাংলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Cyclone Asani: ‘অশনি সঙ্কেত’, শক্তি বাড়াল নিম্নচাপ, বাংলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অশনি (Cyclone Asani), এমনই পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) একটি নিম্নচাপ বলয় তৈরি হয়েছে। শনিবার আরও শক্তি বাড়িয়েছে দক্ষিণ আন্দামান এবং দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ওই নিম্নচাপ। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস,  ৮ মে, রবিবার ওই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তৈরি হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ও (Cyclonic storm)। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে ‘অশনি’। হাওয়া অফিসের মতে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসবে ভারতের উত্তর-পশ্চিম অর্থাৎ অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের দিকে।

    [tw]


    [/tw]

    তবে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে পশ্চিমবঙ্গও। নিম্নচাপ আবহে ১০ মে থেকে ১৩ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা জুড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর। ১০ মে থেকে মৎস্যজীবীদের মাঝসমুদ্রে যেতে বারণও করা হয়েছে। যে কোনও সময়ে দিক পরিবর্তন করে নিম্নচাপটি বাংলার দিকে ঘুরতে পারে ভেবে ইতিমধ্যেই বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকছে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলি। তারই মধ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। জেলার প্রতিটি সাব-ডিভিশন এবং ব্লক স্তরে কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি, প্রশাসনের তরফ থেকে পাঁচটি আপৎকালীন ‘কুইক রেসপন্স টিম’ তৈরি করা হয়েছে। এক একটি দলে ২০ জন করে কর্মী থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে সব থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা মোতায়েন থাকবেন। প্রয়োজনে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর সাহায্য নেওয়া হবে বলেও প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আসছে সাইক্লোন? ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় চরম সতর্কতা ওড়িশায়, বাংলায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা?

    মৎস্যজীবীরা যাতে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে না যান, তার জন্য ইতিমধ্যেই ‘মাইকিং’ শুরু হয়েছে। অর্থাৎ, উপকূলবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মাইকে আপৎকালীন প্রচার শুরু করেছে প্রশাসন। রবিবার থেকেই আবহাওয়ার অবনতি হতে পারে বলে প্রশাসনের একাংশের অনুমান। যে কোনও রকমের বিপর্যয়ের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে ভেবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রিপল, চাল, ওষুধ, শুকনো খাবার এবং জলের বোতল মজুত করতে শুরু করেছে প্রশাসন। জরুরি অবস্থার জন্য হাসপাতালগুলিকেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। এ ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে নৌকা রাখা হয়েছে, যাতে বিপদগ্রস্তদের অতি সত্ত্বর অন্যত্র নিয়ে যাওয়া যায়। দুর্গতদের থাকার জন্য একাধিক অস্থায়ী আশ্রয়স্থল তৈরির কাজও শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি, গাছ ভেঙে পড়লে বা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতেও প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন।

  • Cattle smuggling case: কয়েক হাজার টাকা মাসমাইনেতে কীভাবে রাইস মিলের মালিক? অনুব্রত-কন্যা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    Cattle smuggling case: কয়েক হাজার টাকা মাসমাইনেতে কীভাবে রাইস মিলের মালিক? অনুব্রত-কন্যা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সিবিআই (CBI) হানা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandol) বাড়িতে। শুক্রবার দুপুরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বোলপুরের (Bolpur) নীচুপট্টি এলাকায় বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতির বাড়িতে হাজির হয়। কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, এক ঘণ্টা ১০ মিনিট ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। সুকন্যা মণ্ডলের বয়ান রেকর্ড করতে এদিন সকালেই পৌঁছয় সিবিআই টিম। কয়েক হাজার টাকা মাসমাইনেতে কীভাবে রাইস মিলের মালিক? প্রশ্নের উত্তর পেতে সুকন্যার বয়ান রেকর্ডের উদ্যোগ সিবিআইয়ের। সিবিআই দলে রয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা অফিসার।  তাঁদের নিয়েই চলে কথোপকথন।

    অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতেই বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কার্যালয়। সেখানে বসেই যাবতীয় কাজকর্ম করতেন কেষ্ট। সেখানেই এদিন সিবিআই আধিকারিকরা চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন। অনুব্রত গ্রেফতারের পর থেকে বন্ধ ছিল এই ঘরটি। শুক্রবার তালা খুলে ঢুকতে হয় সিবিআই আধিকারিকদের। সকাল ১১টা নাগাদ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে সোজা পৌঁছে যান অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে। সিবিআই আধিকারিকদের হাতে ছিল একটি খাম। যা দেখে অনুমান করা হয়, সুকন্যাকে নোটিস ধরিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে গিয়ে ‘মিথ্যা’ মামলায় গ্রেফতার, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

    উল্লেখ্য, গত ১৭ অগাস্ট সুকন্যাকে জেরা করতে চেয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। কিন্তু মানসিক অসুস্থতার অজুহাতে সেদিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে এড়িয়ে গিয়েছিলেন কেষ্ট-কন্যা। তাই এবার যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সেরেই সিবিআই আধিকারিকরা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

    অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের পর একাধিক বেনামি সম্পত্তির হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই বিগত কয়েক দিন বীরভূমের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় সিবিআই। গোয়েন্দাদের অনুমান, দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের একাধিক সম্পত্তি মেয়ে সুকন্যার নামে রয়েছে। তাই দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে চান তদন্তকারীরা। প্রসঙ্গত, গতকালই অসানসোল সংশোধনাগারে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। তার ঠিক পরেই সুকন্যাকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সিবিআই সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর দেহরক্ষী সায়গলকে জেরা করে যে সব তথ্য হাতে এসেছে, তার ভিত্তিতেই সুকন্যাকে জেরা করে সিবিআই।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Paresh Adhikary: শনিবার টানা চার ঘণ্টা জেরা পরেশকে, ডাকা হতে পারে আবারও?

    Paresh Adhikary: শনিবার টানা চার ঘণ্টা জেরা পরেশকে, ডাকা হতে পারে আবারও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই (cbi) কর্তাদের টানা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পরেশ অধিকারী (Paresh Chandra Adhikary)। স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School service commission) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Teachers recruitment scam) মামলায় আজকের ধরে পরপর তিনদিন তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখে পড়লেন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। 

    বৃহস্পতিবার একপ্রস্ত জেরা করার পর শুক্রবার ফের একদফা জেরা করা হয় তাঁকে। শনিবার হয় আরও একবার। এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ তাঁকে জেরা করতে শুরু করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা। নিজাম প্যালেস থেকে বের হন ঘণ্টা চারেক পরে। সিবিআইয়ের একটি সূত্রের খবর, আগামিকাল, রবিবার ফের একবার নিজাম প্যালেসে ডাকা হতে পারে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে।

    এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (ssc recruitment scam) মামলায় তৃণমূল নেতা তথা শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে মেয়ে অঙ্কিতাকে অনৈতিকভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে  জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেয়। তার পরেও প্রথম নির্দেশে হাজিরা না দেওয়ায় পরেশ ও তাঁর মেয়ে অঙ্কিতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে সিবিআই।  

    আরও পড়ুন : চাকরি থেকে বরখাস্ত পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা, বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথমবার নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হন পরেশ। সেদিন কয়েক ঘণ্টা জেরার পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। শুক্রবার ফের জেরা করা হয় পরেশকে। এদিন প্রায় সাড়ে ছ’ঘণ্টা সিবিআইয়ের প্রশ্নবাণের সামনে বসেছিলেন তিনি। যদিও নিজাম প্যালেসে তাঁকে থাকতে হয়েছিল ন’ ঘণ্টা। শনিবার ফের নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হন পরেশ। এদিন তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পুরো পর্ব এদিন ভিডিওগ্রাফি করা হয়। এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহার দেওয়া বয়ানের সঙ্গে পরেশের বয়ান মিলিয়েও দেখা হয়।

    কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পরেশ। বেশ কিছু প্রশ্নের জবাবে ছিলেন নীরব। তাই সন্তুষ্ট নন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই রবিবার ফের ডাকা হতে পারে তাঁকে। সিবিআই সূত্রে খবর, কোন কোন প্রভাবশালীর সঙ্গে পরেশের যোগাযোগ রয়েছে, এদিন মন্ত্রীর কাছে তা জানতে চাইতে পারেন গোয়েন্দারা। বাম জমানার মন্ত্রী পরেশ তৃণমূলে যোগ দেওয়ার আগে কোন কোন নেতার সঙ্গে কী কী বিষয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছিল, তাও জানতে চাইতে পারেন। নির্দিষ্ট কোনও বিষয়ে পরেশের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও রফা হয়েছিল কিনা, তাও জানতে চাইতে পারেন গোয়েন্দারা।  

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu) দাবি করেছিলেন, তিনটি শর্তে পরেশ যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। প্রথম শর্ত, মেধা তালিকায় ওয়েন্টিং লিস্টে না থাকা সত্ত্বেও মেয়ের চাকরি। দ্বিতীয় শর্ত, চ্যাংরাবান্ধা উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানের পদ এবং তৃতীয় শর্ত, কোচবিহার লোকসভার টিকিট। তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে এই প্রথম শর্তটি নিয়ে তাঁর সত্যি সত্যিই কোনও আলোচনা হয়েছিল কিনা, রবিবার তা জানতে চাইতে পারেন তদন্তকারীরা।

     

  • SSC Recruitment Scam: চাকরি থেকে বরখাস্ত পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা, বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের

    SSC Recruitment Scam: চাকরি থেকে বরখাস্ত পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা, বেতন ফেরতের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC recruitment scam) মামলায় আদালতের নির্দেশে চাকরি গেল রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর (Paresh Adhikary) কন্যা অঙ্কিতার। তাঁকে স্কুলের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। পাশাপাশি, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দু’টি কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে বেতনের টাকা, নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বেতন বাবদ পাওয়া সমস্ত টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে। 

    অঙ্কিতা (Ankita Adhikary) কোচবিহারের (Coochbehar) মেখলিগঞ্জের ইন্দিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বাবার প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ভাবে শিক্ষকতার চাকরি (Teachers recruitment scam) নেওয়ার অভিযোগ ছিল। অভিযোগ করেছিলেন ববিতা সরকার (Babita Sarkar) নামে এক এসএসসি (SSC) পরীক্ষার্থী । অঙ্কিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়ে আদালত জানিয়েছে, নিজেকে শিক্ষক হিসাবেও পরিচয় দিতে পারবেন না অঙ্কিতা। আদালতের নির্দেশ, তিনি আর ওই স্কুলে ঢুকতেই পারবেন না। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রায় ৪১ মাসের বেতন দুই কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে অঙ্কিতাকে। প্রথম কিস্তি দিতে হবে ৭ জুন। দ্বিতীয় কিস্তির তারিখ ৭ জুলাই।

    আরও পড়ুন: কলকাতা না এসে মেয়েকে নিয়ে নামলেন বর্ধমান স্টেশনে, হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেলেন মন্ত্রী পরেশ অধিকারী

    পরেশ অধিকারীর মেয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য সহকারী শিক্ষিকা পদে চাকরি পেয়েছিলেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় মেধাতালিকায় অঙ্কিতার নাম ওঠে। অভিযোগ, মেরিট লিস্টের প্রথম কুড়ি জনের তালিকায় নাম না থাকা অঙ্কিতাকে দ্বিতীয় তালিকার একেবারে প্রথমে নিয়ে আসা হয় ‘অবৈধ’ ভাবে।

    স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্টে পরেশের মেয়ে অঙ্কিতা পেয়েছিলেন ৬১ নম্বর। এবং এই মামলায় মামলাকারী ববিতা সরকার পেয়েছিলেন ৭৭ নম্বর। মেধাতালিকার ২০ নম্বরে ছিলেন ববিতা। কিন্তু, মামলাকারীর চেয়ে ১৬ নম্বর কম পেয়েও পরেশ-কন্যাকে অবৈধভাবে প্রথম স্থান দেওয়া হয়। এর ফলে, মামলাকারী সেই তালিকা থেকে ছিটকে যান। ববিতা চাকরির সুযোগ হারান।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে পরেশ অধিকারী, মন্ত্রীকে হাজিরার ‘ডেডলাইন’ হাইকোর্টের

    এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার সময়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, গোটা বিষয়টি শুনে মনে হচ্ছে অঙ্কিতা অধিকারীর মাথায় কিছু ক্ষমতাশালী ব্যক্তির অদৃশ্য হাত ছিল। এখানে দুর্নীতি হয়েছে মনে হচ্ছে। নইলে এ ভাবে একজন প্রার্থীকে মেধা তালিকায় আমদানি করে তাঁকে প্রথম স্থানে বসানো যায় না।

    সম্প্রতি ঘটনাটির কথা আদালতকে জানিয়েছিলেন এসএসসির সদ্য ইস্তফা দেওয়া চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। এর পরেই অঙ্কিতার বাবা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশকে সিবিআইয়ের সামনে হাজির হতে বলে কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতায় এসে নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের (CBI) দফতরে হাজির হন মন্ত্রী পরেশ। কিন্তু, জেরায় সন্তুষ্ট হয়নি তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার সকালে তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। অঙ্কিতাকে নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ আসে পরেশের জেরা চলাকালীনই।

    আরও পড়ুন: এফআইআর হতেই বিমান ধরে সোজা কলকাতায় পরেশ, হাজিরা দিলেন নিজাম প্যালেসে

  • PFI in West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে ১৭টি শাখা খুলে অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে পিএফআই, যোগ মাওবাদীদের সঙ্গেও

    PFI in West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে ১৭টি শাখা খুলে অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে পিএফআই, যোগ মাওবাদীদের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল সারা দেশজুড়ে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) বিভিন্ন দফতরে তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ (NIA), ইডি (ED), কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং রাজ্য পুলিশ (West Bengal Police)। সূত্রের খবর, প্রায় শতাধিক পিএফআই (PFI) নেতা-কর্মীকে নির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক হয়েছে দেড়শোর বেশি ফোন, কম্পিউটার অন্যান্য নথি। মূলত দেশজুড়ে উগ্রপন্থা ছড়ানো এবং জঙ্গি কার্যকলাপে (Terror activities) আর্থিক মদতের অভিযোগে পিএফআইয়ের উপর দেশজুড়ে তল্লাশি চলেছে। এনআইএ-র তদন্তে অন্তত চারটি জঙ্গি হানার পিছনে পিএফআইয়ের প্রত্যক্ষ যোগ পাওয়া গিয়েছে। তাতে বাদ যায়নি পশ্চিমবঙ্গও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি পশ্চিমবঙ্গে পিএফআইয়ের সক্রিয়তা দেখেও চমকে উঠেছে।

    বিশেষ করে, গত ১০-১১ বছরে তৃণমূল সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ-ছয়টি জেলায় ব্যাপকহারে বেড়েছে পিএফআইয়ের সক্রিয়তা। খোদ কলকাতার বুকেও ট্রেনিং ক্যাম্প করে ক্যাডার নিয়োগ করেছে তারা। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কেরল-কর্নাটক থেকে শুরু হওয়া এই সংগঠন বাংলায় প্রথমে মুর্শিদাবাদে কাজ শুরু করে। ক্রমেই অনুকূল পরিস্থিতি পেয়ে এখন দুই ২৪ পরগনা, মালদহ,নদিয়া, বীরভূম, হাওড়া, কলকাতা এবং উত্তর দিনাজপুরে সব মিলিয়ে কয়েক হাজার ক্যাডার নিয়োগ করেছে তারা। বেশ কিছু হোলটাইমারও পিএফআইয়ের সংগঠন বাড়াতে দিন-রাত কাজ করছে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের দাবি।

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-যোগ! পিএফআই কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আর্জি দেশজুড়ে, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল এনআইএ?

    জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে মুর্শিদাবাদে প্রথম পিএফআই কাজ শুরু করে। কলকাতার তপসিয়া এলাকায় রাজ্য দফতর তৈরি হলেও সংগঠনের অধিকাংশ নেতা মুর্শিদাবাদ-মালদহ জেলার। এ রাজ্যে পিএফআইয়ের সভাপতি হলেন হাসিবুল ইসলাম। গত পাঁচ-ছয় বছর পিএফআই কিছুটা অন্তরালে থেকেই কাজ করত। কিন্তু সিএএ-র (CAA) বিষয়টি সামনে আসার পর এ রাজ্যেও পিএফআই প্রকাশ্যে এসে কার্যকলাপ শুরু করে। ২০১৯ এর ৯ নভেম্বর রামমন্দির (Ram Mandir) সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায় আসার পর মুর্শিদাবাদে ১৩ নভেম্বর কয়েকশো ক্যাডার নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল করে পিএফআই। ইদানীং কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকা, মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমের উত্তরাংশে প্রচার পুস্তিকা এবং লিফলেটও ছড়াচ্ছে তারা।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, সাংগঠনিক ভাবে পূর্ণিয়া জোনের অধীনে পিএফআইয়ের মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা পড়ছে। তার মধ্যে পিএফআইয়ের জঙ্গিপুর ডিভিশনের সুতি, সামশেরগঞ্জ, লালগোলা, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, বহরমপুর ডিভিশনে ডোমকল, ইসলামপুর, দৌলতাবাদ, বেলডাঙায় শাখা তৈরি হয়েছে। পিএফআইয়ের বেঙ্গল জোনের অধীনে রয়েছে কলকাতা সংলগ্ন এলাকা এবং ওড়িশা। কলকাতা জেলার অধীনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ডিভিশনে মগরহাট ও উস্থিতে শাখা তৈরি হয়েছে পিএফআইয়ের। এছাড়া কলকাতা, হাওড়া, তেলেনিপাড়া, ঘুটিয়ারি শরিফ, সংগ্রামপুর, মল্লিকপুর, বারুইপুরেও পাকাপোক্ত শাখা তৈরি হয়েছে পিএফআইয়ের।

    আরও পড়ুন: পরিকল্পনা করেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে অভিযান! দেশে জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কলকাতায় অফিস থাকলেও বহরমপুর থানার অন্তর্গত বাখুরি গ্রামে রয়েছে পিএফআইয়ের সদর দফতর। সেখান থেকে রাজ্যজুড়ে কাজের নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে। কালিকট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এক ব্যক্তি রাজ্যে পিএফআইয়ের ক্রমেই অন্যতম মাথা হয়ে উঠছে। এছাড়া রাজ্যে মাওবাদীদের শাখা সংগঠন হিসাবে পরিচিত বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গেও পিএফআই নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। যে ভাবে গত কয়েক বছরে ১৭টি শাখা খুলে পিএফআই বাংলায় তাদের ক্যাডার নিয়োগ এবং জাল বিস্তার করে চলেছে তাতে পরিস্থিতি ঘোরালো হতে পারে বলে জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিএএ বিরোধী আন্দোলনে বহরমপুরে যে দু-তিনটি স্টেশনে ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিতে পিএফআই ক্যাডারদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। দুটি এলাকাতেই পিএফআইয়ের সাংগঠনিক শাখা তৈরি হয়েছে। একইভাবে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকা ঘাঁটি তৈরি হলেও নেপথ্যে ছিল পিএফআই। সেই কারণে গত কালের তল্লাশির পর বাংলা নিয়েও বিশেষ পদক্ষেপ করতে চলেছে এনআইএ, ইডি এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি।   

  • Paresh Adhikary: এফআইআর হতেই বিমান ধরে সোজা কলকাতায় পরেশ, হাজিরা দিলেন নিজাম প্যালেসে

    Paresh Adhikary: এফআইআর হতেই বিমান ধরে সোজা কলকাতায় পরেশ, হাজিরা দিলেন নিজাম প্যালেসে

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: একেই বলে ঠেলার নাম বাবাজি। গত দুদিন ধরে পরেশ অধিকারী কোথায় আছেন, তা জানতে পারছিল না কেউ-ই। আদালতের নির্দেশে সিবিআই-হাজিরার ফরমান সত্ত্বেও এড়িয়ে যাচ্ছিলেন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। 

    কিন্তু, আদালত কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিতেই পট-পরিবর্তন। বাগডোগরা থেকে সোজা বিমান ধরে কলকাতায় এলেন এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ড মামলায় অভিযুক্ত পরেশ অধিকারী। বিকেল চারটে নাগাদ বাগডোগরা বিমানবন্দরে দেখা যায় মন্ত্রীকে। বলেন, ‘কিছু বলব না। কলকাতা যাচ্ছি।’ বিকেল ৫.৫৫ মিনিটে বাগডোগরা থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। তবে সঙ্গে ছিলেন না কন্যা অঙ্কিতা। সোজা যান সিবিআই দফতরে।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে পরেশ অধিকারী, মন্ত্রীকে হাজিরার ‘ডেডলাইন’ হাইকোর্টের

    এদিন সকালে পরেশকে হাজিরা দেওয়ার ডেডলাইন বেঁধে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় নির্দেশ দেন, দুপুর তিনটের মধ্য়ে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে পরেশকে। কিন্তু, মন্ত্রীর আইনজীবী দাবি করেন, পরেশ রয়েছেন কোচবিহারে। বিকেল পাঁচটায় বাগডোগরা থেকে কলকাতাগামী বিমানে উঠবেন তিনি। সাড়ে ৬টা নাগাদ পৌঁছাবেন। বিচারপতির নির্দেশ, ‘মন্ত্রী বিমানবন্দরে নামলে তাঁকে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের প্রহরায় সোজা নিজাম প্যালেসে নিয়ে যেতে হবে। আর যদি বিমানবন্দরে না নামেন তাহলে তা আদালত অবমাননা বলে গন্য হবে।’

    এদিকে, দুপুর তিনটের ডেডলাইন পার হওয়ার পরও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হাজিরা না দেওয়ায় বাধ্য হয়েই কড়া পদক্ষেপ নিতে হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে কন্যা-সহ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: কলকাতা না এসে মেয়েকে নিয়ে নামলেন বর্ধমান স্টেশনে, হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেলেন মন্ত্রী পরেশ অধিকারী

    এর আগে, গত মঙ্গলবার রাতেই তাঁকে সিবিআইয়ের দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু, তখন কোচবিহারে থাকায় তা পারেননি মন্ত্রী পরেশ অধিকারী ও তাঁর কন্যা অঙ্কিতা। ওই রাতেই মন্ত্রী ও তাঁর কন্যা উত্তরবঙ্গ থেকে পদাতিক এক্সপ্রেসে উঠতে দেখা যায়। তাঁদের গন্তব্য ছিল অবশ্যই কলকাতা। কিন্তু বুধবার সকালে ট্রেন কলকাতায় পৌঁছলেও দেখা মেলেনি তাঁদের। যদিও বর্ধমান স্টেশনে তাঁদের দেখা যায়। এরপর কলকাতায় দেখা যায়নি মন্ত্রী ও তাঁর কন্যাকে।

    অন্তরালে থেকেই সিঙ্গলবেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলার আবেদন করেন পরেশ অধিকারী। যাদিও তা খারিজ হয়ে যায়। এরপরই আজ বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল যে, আজ বিকেল ৩টের মধ্যে পরেশ অধিকারীকে সিবিআই দফতরে যেতে হবে। বেকায়দায় পড়েছেন বুঝে অন্তরাল থেকে বেরিয়ে এসে হাজিরা দিতেই মনস্থির করেন পরেশ। 

LinkedIn
Share