Tag: West Bengal

West Bengal

  • Kolkata: ভরদুপুরে রাজাবাজারে হানা, কলকাতায়ও শত্রু সম্পত্তি সমীক্ষা শুরু কেন্দ্রের

    Kolkata: ভরদুপুরে রাজাবাজারে হানা, কলকাতায়ও শত্রু সম্পত্তি সমীক্ষা শুরু কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ছেড়ে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়া ব্যক্তিদের সম্পত্তি দখল করতে মাঠে নামল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। গোটা দেশ থেকে সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই সম্ভব হচ্ছিল না। এবার কলকাতায় (Kolkata) শুরু হল এনিমি প্রপার্টি (Enemy Property Survey) বা শত্রু সম্পত্তির সমীক্ষা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ এনিমি প্রপার্টি ডিপার্টমেন্ট এই সমীক্ষার শুরু করল। এই প্রথমবার এমন সমীক্ষা হচ্ছে। বুধবার ভরদুপুরে রাজাবাজারে এরকমই একটি সম্পত্তিতে হানা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে সমীক্ষা (Kolkata)  

    জানা গিয়েছে, কলকাতার (Kolkata)  রাজাবাজারের ১৭০ নম্বর কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিটে এই সমীক্ষা চলছে। প্রায় ৪৪ কাঠা জমির উপরে দীর্ঘদিন ধরেই বসবাস করছেন ৭০০০ বাসিন্দা। রয়েছে ২৫টি দোকান। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর এখানকার অনেক নাগরিকই এই সম্পত্তি ছেড়ে পাকিস্তানে চলে যান। তাঁরা কেউ এই সম্পত্তি দাবি না করায়, তা এনিমি প্রপার্টি ডিপার্টমেন্টের অধীনস্থ হয়ে যায়। বুধবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই ব্যাটেলিয়ন জওয়ান এনে এই সমীক্ষা শুরু করেছে এনিমি প্রপার্টি ডিপার্টমেন্ট। জানা গিয়েছে, রাজাবারের বহুতলটিতে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি তলে অনেকে বসবাসও করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা বলেন, “এই সম্পত্তিটি এনিমি প্রপার্টি। তাই দেশের আইন অনুসারে এটি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সম্পত্তি। ফলে এবার থেকে এখানে থাকতে গেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে ভাড়া দিতে হবে। সম্পত্তিটি নিয়ে একটি মামলা ছিল। যা সম্প্রতি মিটেছে। তাই আমরা সম্পত্তির দখল নিতে এসেছি। এই সম্পত্তিতে অনেক জবরদখলকারী রয়েছেন। তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে কথা বলছি। আপাতত আমরা এই ভবনের বাসিন্দাদের নাম নথিভুক্ত করতে এসেছি।”

    আরও পড়ুন: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    এনিমি প্রপার্টি কী?

    দেশ ভাগের পর যারা পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন, তাঁদের মালিকানাধীন ভারতীয় সম্পত্তি বণ্টনের বৈধকরণ ও নিয়ন্ত্রণের আইন হল শত্রু সম্পত্তি আইন ১৯৬৮। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর এই আইন পাশ করা হয়েছিল। এই আইন অনুযায়ী, ভারত সরকার এই সম্পত্তির মালিক হবে। শত্রু আইনে যদি সম্পত্তির মালিকানা ‘শত্রু’র কাছে থেকে যায়, তবে সম্পত্তির অধিকার ও মালিকানা (Kolkata) কাস্টডিয়ান বা হেফাজতকারীর হাতে থাকে। আসল মালিকের অনুপস্থিতিতে কাস্টডিয়ান বা বসবাসকারী এই জমি বা সম্পত্তি ভাগাভাগি বা বিক্রি করতে পারে। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ৪ হাজার ৩০১টি এই ধরনের সম্পত্তি রয়েছে, যেগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রপার্টি ডিপার্টমেন্টের অধীনস্থ। দেশজুড়ে প্রায় ১২ হাজার এই ধরনের সম্পত্তি রয়েছে। সবথেকে বেশি এই ধরনের সম্পত্তি রয়েছে উত্তর প্রদেশে। ৫৩৬১টি এনিমি প্রপার্টি বা শত্রু সম্পত্তি রয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে দিতে হবে মাসিক ভাড়া

    জানা গিয়েছে, কলকাতায় (Kolkata)  ৯৬টি এনিমি প্রপার্টি রয়েছে। সারা রাজ্যে প্রায় ৪৫০০ এই ধরণের সম্পত্তি রয়েছে। সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণে এনে তার থেকে আয়ের রাস্তা খুঁজছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, এর আগেও একদিন বাড়িটিতে এসেছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা। সেদিন তাঁদের বাধা দেন স্থানীয়দের একাংশ। তাই বুধবার আধাসেনা ও কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের নিয়ে বাড়িটিতে হানা দেন তাঁরা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, এবার থেকে এই বাড়িতে থাকতে গেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বেঁধে দেওয়া মাসিক ভাড়া দিয়ে থাকতে হবে। তবে কেউ চাইলে সম্পত্তি কিনতেও পারেন। সম্পত্তির বাজারমূল্য ১ কোটি টাকার কম হলে উপযুক্ত নথি দেখিয়ে সম্পত্তি কেনার জন্য আবেদন করতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ রাজ্য, বন্যা মোকবিলায় সেনার সাহায্য নিক সরকার’, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ রাজ্য, বন্যা মোকবিলায় সেনার সাহায্য নিক সরকার’, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিনের নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে জলে ভাসছে পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলির আরামবাগ সহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা। আর এই পরিস্থিতির জন্য রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে দায়ী করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কারণ, দীর্ঘ সময় ধরে বাঁধের কোনও পরিচর্যাই করা হয়নি। এই মুহূর্তে কী করা উচিত সরকারের, সেই ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন তিনি।

    বন্যা মোকাবিলায় সেনা নামানোর বার্তা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বন্যা পরিস্থিতির জন্য সময় মতো নদীবাঁধ সংস্কার না করাকে দায়ী করেন তিনি। শুভেন্দুবাবু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, বর্ষার আগে নদীবাঁধ সংস্কারের কোনও কাজ করেনি সেচ দফতর। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য ব্যর্থ। কারণ, দেউলিয়া রাজ্য সরকারের কাছে বাঁধ সংস্কার করার মতো টাকা নেই। যার ফলে হুগলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও পূর্ব মেদিনীপুরের একাংশে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। বাঁধ ভেঙে জল জনবসতিতে ঢুকে পড়ায় জনগণ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর তাদের কোনও সহযোগিতা করছে না। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর বার্তা, ২০১৩ এবং ২০১৫ সালে যেমন সেনাবাহিনীর সাহায্য নেওয়া হয়েছিল, এখনও বন্যা পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য সরকারের তাই করা উচিত। তাহলেই বহু মানুষের প্রাণ বাঁচানো যাবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে উদ্দেশ্য করে বার্তা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে আমি সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চাইতে অনুরোধ করব। যাতে ফের বাঁধগুলিতে শক্ত করা হয়। এতে প্রাণ ও সম্পত্তিহানি এড়ানো যাবে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে যত তাড়াতাড়ি এনডিআরএফ মোতায়েন করবেন তত মঙ্গল।

    বন্যার আশঙ্কা

    এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি, তাতে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি (Flood Situation) সৃষ্টি হতে পারে হুগলি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বর্ধমান, হাওড়া সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জেলায়। রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে বুধবার হুগলির পুড়শুড়া যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন দুর্গতরা। আর মুখ্যমন্ত্রী বন্যার জন্য ডিভিসিকে দায়ী করে নিজের সরকারের দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন বলে বিরোধীদের অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood Situation: ‘‘উনি এসে টাটা-বাইবাই করে চলে গেলেন’’, মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন দুর্গতরা

    Flood Situation: ‘‘উনি এসে টাটা-বাইবাই করে চলে গেলেন’’, মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন দুর্গতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটানা বৃষ্টিতে পুজোর আগে বন্যা (Flood Situation) পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হুগলিতে। জলের পরিমাণ এতটাই বেড়েছে যে ডুবেছে রাস্তা। ডুবেছে বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত চাষভূমি। হুগলির আরামবাগ, পুড়শুড়া, খানাকুল— যেদিকে তাকানো যায় সব দিকে একই পরিস্থিতি। খতিয়ে দেখতে বুধবার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে, প্রশাসনের বিরুদ্ধে মানুষের মনের ক্ষোভ আঁচ ভালোমতো টের পেলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ। দুর্গতরা মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) সামনেই ক্ষোভ উগড়ে দেন।

    মমতার সামনেই ক্ষোভ জানালেন দুর্গতরা (Flood Situation)

    এদিন, বন্যা পরিস্থিতি (Flood Situation) সরজমিনে খতিয়ে দেখতে জেলা সফরে বেরিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে পুড়শুড়া পৌঁছন তিনি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। সেখানেই কেউ কেউ মুখ্যমন্ত্রীর সামনেই নিজেদের ক্ষোভের কথা তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রীকে একজন বলেন, “একটা ত্রিপল পর্যন্ত আসেনি। খাবার পর্যন্ত আসেনি।” আরও এক মহিলা বলেন, “আমরা প্রতিবছর বন্যায় ভুগি।” উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি জানি। জল ছাড়ছে তো।’’ মমতা এলাকা ছাড়তেই বিক্ষোভ শুরু হয় বন্যা দুর্গতদের।

    গোপাল জানা নামে এক ব্যক্তি জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে কথা বলেননি। ওই ব্যক্তি বললেন, ‘‘মাইকে অঞ্চল থেকে হেঁকে যাচ্ছেন, উঁচু জায়গায় ঠাঁই নাও। কিন্তু যাবটা কোথায়? একটা ত্রিপল নেই, কিচ্ছু নেই। দিদি এলেন। নামলেন। সব মহিলাদের সঙ্গে কথা কি বলেছেন? আর নেতাগুলো একবার আসে।” আরও এক মহিলা অভিযোগ করে বললেন, ‘‘উনি যে এলেন একবার দাঁড়িয়ে অন্তত দেখতে পারতেন। উনি সাহায্য করবেন না? নাকি আমরা হড়কা বানে ভেসে যাব। বাঁধটা অন্তত ঠিক করে দিন। উনি এলেন আর টাটা-বাইবাই করে চলে গেলেন।’’ এলাকার আরও এক মহিলা বলেন, ‘‘এসে দাঁড়িয়ে তো দেখতে হবে? জোর হাত করে এসে চলে গেলে হবে?’’

    আরও পড়ুন: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    খোঁজ নেয়নি কেউ, ক্ষোভ জানালেন জলমগ্ন বাসিন্দারা

    হুগলির পাশাপাশি বন্যা-পরিস্থিতি পশ্চিম মেদিনীপুরেও। ঘাটালের চন্দ্রকোণার শিলাবতী নদীর জল বিপদ সীমা ছাড়িয়েছে। নদীর জল (Flood Situation) গ্রামের অলিতে-গলিতে বাড়িতে কড়া নাড়ছে। বাড়ির উঠোন পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে নদীর জল। ডুবেছে বাড়ির উঠোনে থাকা রান্না করার উনুন। বন্ধ দু’বেলার রান্না। গ্রামের মহিলা থেকে পুরুষ সবাই নিজের নিজের উঠোনে মাটির বাঁধ দিয়ে বাড়ির ভিতর বন্যার জল প্রবেশ আটকাতে হিমশিম খাচ্ছে। ইতিমধ্যে জলের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েকটি মাটির বাড়ি। যে হারে নদীর জল গ্রামে প্রবেশ করছে, তাতে বসতবাড়ি রক্ষা হবে কি না, পরিবারের সদস্যদের কোথায় ঠাঁই হবে, এনিয়ে দুশ্চিন্তায় খাওয়া-দাওয়া থেকে রাতের ঘুম উড়েছে চন্দ্রকোনার ভবানীপুর গ্রামের ২০০টি পরিবারের। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন জলবন্দি বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামে এহেন পরিস্থিতিতে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য থেকে প্রশাসনে জানিয়েও কেউ খোঁজ নেয়নি। জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার হেক্টর চাষের জমি জলের তলায় রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘মুখ্যমন্ত্রী আগে পদক্ষেপ নিলে আজ আমার কোল খালি হত না’’, বিস্ফোরক নির্যাতিতার মা

    RG Kar Incident: ‘‘মুখ্যমন্ত্রী আগে পদক্ষেপ নিলে আজ আমার কোল খালি হত না’’, বিস্ফোরক নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার মুখ খুললেন নির্যাতিতার বাবা-মা (RG Kar Incident)। মঙ্গলবার পানিহাটির সোদপুরে বাড়ির সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাঁরা বলেন, “আসল জয় আমাদের সেদিনই হবে, যেদিন আসল খুনিদের ধরা হবে এবং বিচার হবে। সুপ্রিম কোর্টের ওপর আমাদের ১০০ শতাংশ ভরসা রয়েছে। এই বিচারব্যবস্থাই সঠিকভাবে গাইড করে নিয়ে যাবে এবং সমাধান করার চেষ্টা অবশ্যই করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।” নির্যাতিতার মা (RG Kar Incident) এদিন আক্ষেপের সুরে বলেন, “২০২১ সালে যখন এই সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, তখন যদি মুখ্যমন্ত্রী এই পদক্ষেপগুলি নিতেন তাহলে আজ আমার কোল খালি হত না। আমার মেয়েটা হারিয়ে যেত না।”

    মেয়ের আসল খুনিরা গ্রেফতার হলেই জয় হবে (RG Kar Incident)

    তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ নিয়ে সিবিআইকে এবং প্রকৃত বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে তাদের দেওয়া চিঠি প্রসঙ্গে নির্যাতিতার বাবা (RG Kar Incident) বলেন, ‘‘সর্বোচ্চ আদালত তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে সিবিআইয়ের দেওয়া স্ট্যাটাস রিপোর্টের ভিত্তিতে বিচলিত হওয়ার বিষয়টি যথার্থই বলেছেন। আমরা প্রথম দিন থেকে বলে এসেছি। আদালত শুনানিতে সেটাই তুলে ধরেছে এদিন। কারণ, তথ্যপ্রমাণ লোপাট করলে একটা সংস্থাকে খুঁজে পেতে সমস্যা হয়। এখানে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং একজনকে গ্রেফতার করেছে।’’ একইসঙ্গে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে যা হয়েছে, সেটাকে ‘জয়’ হিসেবে দেখতে রাজি নন নির্যাতিতার বাবা। স্পষ্টভাবে তিনি বলেছেন, ‘‘জয় সেদিনই হবে, যেদিন আমার মেয়ের আসল খুনিদের বিচার হবে।’’ একই সুর মৃত তরুণীর পরিবারের অন্য সদস্যদেরও।  সকলেই জানান, একটা সকালই তাঁদের জীবনের সব ‘খুশি’ এবং ‘আনন্দ’ ছিনিয়ে নিয়েছে। তাঁরা বলেন,  ‘‘আমাদের মেয়েটা যদি ফিরে আসত, সেটাই আমাদের কাছে খুশির বিষয় হত। তাছাড়া আরও কোনও বিষয়ে আমাদের খুশি বা আনন্দের ব্যাপারই নেই।’’

    আরও পড়ুন: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা

    জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন (RG Kar Incident) প্রসঙ্গে এদিন ফের আর একবার বাবা-মা বলেন, ‘‘ জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁদেরকে আমরা নিজেদের ছেলে-মেয়েদের মতো মনে করি। বিচারের জন্য তাঁরা যেভাবে কষ্ট করে রাস্তায় বসে রয়েছেন, এটা দেখলে আমাদেরই কষ্ট লাগে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারসহ পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অপসারণ নিয়ে বাবা বলেন, আমি একটাই কথা বলব, যারা যারা এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন, যারা প্রমাণ লোপাটের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন, সবাইকে যেন তদন্তের আওতায় আনা হয় এবং সকলে যেন শাস্তি পায়।’’ আর সেই কথাটা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতার মা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape Murder: সুপ্রিম-নির্দেশের পরই নির্যাতিতার বাড়িতে সিবিআই, সন্দীপের ওপরেও ‘অন্য মাথা’?

    RG Kar Rape Murder: সুপ্রিম-নির্দেশের পরই নির্যাতিতার বাড়িতে সিবিআই, সন্দীপের ওপরেও ‘অন্য মাথা’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্যাতিতার বাবার লেখা চিঠিতে যে সব ‘সূত্র’ মিলেছে, তা ধরে সিবিআইকে এগনোর নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। এরপরই মঙ্গলবার রাতেই নির্যাতিতার বাড়িতে সিবিআইয়ের (CBI) একটি দল পৌঁছে যায় বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে প্রায় ১ ঘণ্টা কথা বলেন। অন্যদিকে, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সামনে এনেছে সিবিআই। যা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। 

    নির্যাতিতার বাড়িতে সিবিআই (CBI)

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৯টার পর নির্যাতিতার বাড়িতে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (CBI) পাঁচ সদস্যের একটি দল। এক ঘণ্টার কিছু বেশি সময় সেখানে ছিলেন তদন্তকারীরা। চিঠির সূত্র ধরে নির্যাতিতার মা-বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি ক্রাইম সিনে তাঁরা কী দেখেছিলেন, সেই বিষয় নিয়েও ফের কথা হয় তদন্তকারীদের। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি মঙ্গলবার শুনানির সময় তাঁর পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিলেন, নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবার চিঠিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট রয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে গুরুত্ব সহকারে সেটি বিবেচনা করে দেখতে বলেন তিনি। এই নিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, ‘‘আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত নিয়ে নির্যাতিতার বাবা যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তা প্রকৃত।’’ পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট দেখেছি। আমরা যে যে বিষয়গুলির উত্থাপন করেছিলাম, সেটার জবাব দিয়েছে সিবিআই। চালান দেওয়া হয়েছিল কি না, ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া কী রকম ছিল, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে কি না সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে সিবিআই। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য হাতে এখনও সময় আছে। সিবিআইকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে আমাদের। ওরা ঘুমোচ্ছে না। সত্য উদঘাটনের জন্য ওদের সময় দিতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    সিবিআইয়ের রিপোর্ট পেশ

    মঙ্গলবার শিয়ালদা আদালতে একটি রিপোর্ট পেশ করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা(CBI)। সেই রিপোর্টেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্ফোরক অভিযোগ। উল্লেখিত রিপোর্টে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে’ যুক্ত থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে সিবিআই। এদিকে আদালতে সিবিআই (CBI) জানিয়েছে, ৯ অগাস্ট ইচ্ছাকৃতভাবেই সেমিনার রুমে যাননি আরজি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। যদিও সেখানে তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বেশ কয়েকজনকেই দেখা গিয়েছে। এদিকে শিয়ালদা আদালতে সিবিআই যে রিপোর্ট জমা করেছে, তাতে পুলিশের কর্মপদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমনকী পুলিশ যেভাবে বয়ান রেকর্ড করেছে, তা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে সিবিআই রিপোর্টে।

     অন্য কারও নির্দেশ!

    জানা গিয়েছে, গত ৯ অগাস্ট জেনারেল ডায়েরি করা হয়েছিল দুপুর ২টো ৫৫ মিনিটে। টালা থানার সেই ৫৪২ নম্বর জিডিতে লেখা হয়, আরজি কর হাসপাতালের চেস্ট মেডিসিন বিভাগের সেমিনার রুমে সেখানকারই এক পড়ুয়া চিকিৎসকের অচেতন দেহ পাওয়া গিয়েছে। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। দুপুরের মধ্যে এই খুনের ঘটনা সর্বত্র রাষ্ট্র হয়ে গিয়েছিল। তাহলে কেন ‘অচেতন অবস্থায় দেহ মিলেছে’ বলে উল্লেখ করা হয় জিডি-তে? সিবিআই (CBI) প্রশ্ন তুলেছে, ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল তথ্য দিয়ে তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করতেই কি সেই জিডি? এদিকে সিবিআই বলছে, সন্দীপের উচিত ছিল, ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করা। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে যত শীঘ্র সম্ভব পুলিশে এফআইআর দায়ের করা। কিন্তু তিনি তা করেননি। এই আবহে সন্দীপের ভূমিকা নিয়ে সিবিআইয়ের বক্তব্য, অন্য কারও নির্দেশে, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার হিসেবে সন্দীপ ঘোষ এফআইআর করা থেকে বিরত থেকেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সন্দীপের নির্দেশে দেরিতে এফআইআর!

    সিবিআইয়ের (CBI) আইনজীবী বলেন, সম্ভবত সন্দীপ ঘোষের নির্দেশেই টালা থানার ওসি দেরিতে এফআইআর দায়ের করেছিলেন। এদিকে, সেই ৯ অগাস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ মৃতার পরিবার খুনের অভিযোগ করে ছিল। তবে, এরপরও এফআইআর হতে হতে পৌনে ১২টা বেজেছিল। অভিযোগ, এর পরেই পুলিশের তৎপরতায় তড়িঘড়ি দাহ করে ফেলা হয় দেহ। এদিকে সন্দীপ ঘোষের ফোন রেকর্ড ঘেঁটে দেখা হচ্ছে তিনি সেদিন কার কার সঙ্গে কতক্ষণ কথা বলেছিলেন। ধৃত দু’জনেরই কল-লিস্টে বেশ কয়েকটি ‘সন্দেহভাজন’ নম্বর রয়েছে বলে দাবি করল সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আরজি কর ইস্যুতে দোষীদের শাস্তি ও মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, ফের পথে নামছেন সুকান্ত-শুভেন্দুরা

    BJP: আরজি কর ইস্যুতে দোষীদের শাস্তি ও মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, ফের পথে নামছেন সুকান্ত-শুভেন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় ধর্না অবস্থানের শেষ দিনের মঞ্চ থেকেই আগামীদিনে রাজ্যজুড়ে বিজেপির (BJP) একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বুধবার থেকে টানা দু’সপ্তাহ ব্যাপী রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পথসভা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করছে পদ্ম শিবির। এদিন দমদম নাগেরবাজারে আরজি করের ঘটনায় দোষীদের শাস্তি ও মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্ব বিক্ষোভ মিছিল হবে। একই দাবিতে এদিন নিজের খাসতালুক কাঁথিতে পথে নামতে চলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরজি কর ইস্যুকে হাতিয়ার করে শুধুমাত্র আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ানোই নয়, আরজি করের ঘটনায় আন্দোলন জিইয়ে রাখতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি।

    বুধবার থেকে লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি (BJP)

    জানা গিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর পথসভা দিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি শুরু করবে বিজেপি। চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিটি ওয়ার্ডে পথসভা করবেন বিজেপির (BJP) নেতা-কর্মীরা। পঞ্চায়েত এলাকায় দু’ থেকে তিনটি করে পথসভা করবে বিজেপি। এক কোটি সই সংগ্রহ করে তা বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে সাংসদ ও বিধায়করা তুলে দেবেন রাজ্যপালের হাতে। ২৫ সেপ্টেম্বর ‘হাজরা চলো’ কর্মসূচি বিজেপির। ‘থানা সাফাই’ অভিযানেরও ডাক দিয়েছে। ঝাঁটা আর গঙ্গাজল দিয়ে ২৩ তারিখ এই অভিযান করবে বিজেপির মহিলা মোর্চা। এছাড়া ২৩ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি রেল স্টেশনে সভা করার ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ তারিখ কালীঘাট চলোর ডাক দেওয়া হয়েছে। ওই দিন হাজরা মোড়ে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার কর্মসূচির প্রথম দিন বিকেলে কাঁথির ভবতারিণী মন্দির থেকে মহামিছিলের ডাক দিয়েছে বিজেপি। যে কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন শুভেন্দু অধিকারী। মিছিল শেষে পথসভাতেও বক্তব্য রাখবেন শুভেন্দু। অন্যদিকে, এদিন বিকেলেই দমদমের নাগেরবাজার থেকে সেন্ট মেরি স্কুল পর্যন্ত বিজেপির প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন সুকান্ত।

    আরও পড়ুন: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

    এমনিতেই আরজি কর ইস্যুতেই প্রতিদিনই রাস্তায় নামছেন সাধারণ মানুষ। এই ইস্যুকে সামনে রেখে বিজেপির (BJP) নেতা-কর্মীরাও পথে থাকতে চাইছেন। এই আন্দোলন প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমাদের এখন দফা এক দাবি এক মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। যতদিন না পর্যন্ত এই ঘটনায় যারা জড়িত তারা কঠোর শাস্তি পাচ্ছে এবং মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন ততদিন পর্যন্ত বিজেপি রাস্তায় থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: সন্দীপ-অভিজিৎকে ফের তিনদিনের সিবিআই হেফাজত, আবারও আদালতে বিক্ষোভ

    RG Kar Case: সন্দীপ-অভিজিৎকে ফের তিনদিনের সিবিআই হেফাজত, আবারও আদালতে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় মঙ্গলবার সিজিও থেকে শিয়ালদা কোর্টে নিয়ে যাওয়া হল সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। এর আগে দুজনকে তিন দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি হয় শিয়ালদা কোর্টে। এদিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান প্রচুর সাধারণ মানুষ। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে, প্রত্যেকের মুখে শোনা যায়, বিচার চাই। এরমধ্যে এক প্রতিবাদী জানান, ‘আমরা দুর্গা পুজো করব না, ওকে ছেড়ে দিন আমাদের হাতে..।’

    আদালতে ঠিক কী হল? (RG Kar Case)

    এদিন সন্দীপ ও অভিজিৎকে ফের তিন দিনের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে সিবিআই। কোর্টে সিবিআইয়ের তরফে বলা হয় আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Case) এখনও পর্যন্ত গণধর্ষণের প্রমাণ মেলেনি। কিন্তু, চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর ষড়যন্ত্র করেছেন সন্দীপ ঘোষ এবং টালার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। সিবিআই জানিয়েছে, ‘মোবাইল ফোনের কল রেকর্ডের ভিত্তিতে দু’জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। টালা থানা থেকে সিসি ক্যামেরার যে হার্ডডিস্ক উদ্ধার করা হয়েছে, সেগুলো তদন্ত করে দেখা দরকার।’ শিয়ালদা কোর্টের বিচারক জানতে চেয়েছেন, তাহলে কি ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় সরাসরি যুক্ত টালা থানার ওসি? এর উত্তরে সিবিআই জানিয়েছে, ‘দিল্লি থেকে কিছু রিপোর্ট আসা বাকি আছে। ধাপে ধাপে তদন্ত করা হচ্ছে। সিবিআই আদালতে আরও জানিয়েছে, ‘সঞ্জয়কে আগে থেকেই চিনতেন টালা থানার ওসি। তাই আরজি করে অবাধ যাতায়াত ছিল ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারের।’ শুধু তাই নয়, মত্ত অবস্থাতেই হাসপাতালে ঘুরে বেড়াতেন বলেও উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অভিজিৎকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে তারা বলেছে, ৯ অগাস্ট রাতে সঞ্জয় কেন হাসপাতালে গিয়েছিলেন? কেউ কি তাঁকে ওই রাতে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন? কেন বেশ কয়েকবার ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল ওসির? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতেই টালা থানার ওসিকে ফের নিজেদের হেফাজতে চেয়ে সওয়াল করে সিবিআই। বিচারক তিনদিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    ফের সন্দীপকে জুতো

    এদিকে, সন্দীপকে পেশ করা ঘিরে মঙ্গলবার উত্তাল হল বিশেষ সিবিআই আদালত। আদালত থেকে বেরনোর সময় সন্দীপের প্রিজন ভ্যানে চটির বাড়ি মারলেন এক ব্যক্তি। দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান মহিলা আইনজীবীরা। সন্দীপ ঘোষ আদালত থেকে বেরিয়ে প্রিজন ভ্যানে ওঠার পর তাতে জুতোর বাড়ি মারা হয়। আরজি কর (RG Kar Case) মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন এক ব্যক্তি। ফের চোর, চোর স্লোগান দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে শনিবার রাতে টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। গত রবিবার সকালে সিজিও থেকে ওসি টালাকে মেডিক্যাল টেস্টে নিয়ে যাওয়ার সময় সিজিওর সামনেও তাঁকে ঘিরে প্রবল বিক্ষোভ দেখায় জনতা। কেউ কেউ জুতোও দেখান তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: আরজি করকাণ্ডে আরও চাপ বাড়বে! ইডির পূর্বাঞ্চলীয় শাখার দায়িত্বে এলেন দুঁদে অফিসার

    ED: আরজি করকাণ্ডে আরও চাপ বাড়বে! ইডির পূর্বাঞ্চলীয় শাখার দায়িত্বে এলেন দুঁদে অফিসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে রাজ্যজুড়়ে তোলপাড় চলছে। নির্যাতিতা খুনের ঘটনার কয়েকদিন পরই তদন্ত শুরু করে সিবিআই। একইসঙ্গে আরজি করে হওয়া আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত চলছে জোরকদমে। সিবিআইয়ের সঙ্গে মাঠ দাপাচ্ছেন ইডি-র তদন্তকারী আধিকারিকরাও। দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষকে দফায় দফায় জেরা করে অনেক তথ্য পেয়েছেন ইডি (ED) আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই আরজি করের ঘটনা নিয়ে হাইকোর্ট থেকে জল গড়াচ্ছে সুপ্রিম কোর্টেও। ঠিক এই আবহের মধ্যে ইডির পূর্বাঞ্চলীয় শাখার স্পেশাল ডিরেক্টর বদলি হলেন।

    নতুন দায়িত্বে সত্যব্রত কুমার (ED)

    বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন ইডির (ED) পূর্বাঞ্চলীয় শাখার স্পেশাল ডিরেক্টর পদে ছিলেন সুভাষ আগরওয়াল। তাঁর জায়গায় স্পেশাল ডিরেক্টর হলেন সত্যব্রত কুমার। পূর্বাঞ্চলীয় শাখার সদর দফতর কিন্তু কলকাতায় সিজিও কমপ্লেক্সেই। সূত্রের খবর, ২০০৪ সালের ব্যাচের আইআরএস অফিসার এই সত্যব্রত। নীরব মোদি, মেহুল চকসি, বিজয় মাল্য, ইকবাল মির্চির-র মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে যুক্ত ছিলেন তিনি। নীরব মোদি ও মেহুল চকসির প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট  (PMLA) মামলায় দেশের মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে ফিরিয়েছেন এই সত্যব্রত কুমার।

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    বাংলায় দুর্নীতির টাকা খুঁজে বের করতেই কি নতুন দায়িত্ব?

    এমনিতেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে। এই দুর্নীতির শিকড় আর কোথায় রয়েছে তার খোঁজ চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে তদন্তকারী অফিসাররা। এবার বাংলায় দুর্নীতির লুকিয়ে রাখা টাকা খুঁজে বের করতেই কী সত্যব্রতকে দায়িত্ব দিল দিল্লি? বাড়ছে জল্পনা। ওয়াকিবহাল মহলের বড় অংশের মতে, রেশন দুর্নীতি থেকে শিক্ষা দুর্নীতি, একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ কেসে অভিযুক্তদের জামিন নিয়ে ক্ষুব্ধ দিল্লি। এই আবহের মধ্যে নতুন আধিকারিকের দায়িত্বে আসা নতুন মাত্রা পেয়েছে। যদিও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) অফিসারদের দাবি, এটা রুটিন বদলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vishwakarma Puja: বারাসতে আলো বন্ধ করে মণ্ডপে তাণ্ডব, বিশ্বকর্মার মূর্তি ভেঙে জঙ্গলে ফেলল দুষ্কৃতীরা!

    Vishwakarma Puja: বারাসতে আলো বন্ধ করে মণ্ডপে তাণ্ডব, বিশ্বকর্মার মূর্তি ভেঙে জঙ্গলে ফেলল দুষ্কৃতীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এবার কলকাতা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বিশ্বকর্মার (Vishwakarma Puja) মূর্তি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বারাসতের (Barasat) ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুভাষপল্লি এলাকায়। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Vishwakarma Puja)

    বারাসতের সুভাষপল্লি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা বিশ্বকর্মা পুজোর (Vishwakarma Puja) আয়োজন করেছিলেন। রাস্তার ধারে মণ্ডপ তৈরি করে সেখানে বিশ্বকর্মার মূর্তি রাখা হয়। রাত দেড়টা পর্যন্ত মণ্ডপ সাজানোর কাজ করেছেন পাড়ার ছেলেরা। মণ্ডপে আলো জ্বেলে সকলেই বাড়ি ফিরে যান। সকালে এসে দেখেন, মণ্ডপ থেকে প্রতিমা উধাও। মণ্ডপে ভাঙচুর করা হয়েছে। বিশ্বকর্মার মূর্তি ভাঙচুর করে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মূর্তিতে থাকা সোলার সাজ সবই ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সকালে নজর পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। যদিও খবর পেয়ে পুলিশ এসে ফের পুজো যাতে হয়, তার ব্যবস্থা করে। তবে, কী করে এই ধরনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন।

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহু বছর ধরে এখানে পুজো হয়ে আসছে। এই ধরনের ঘটনা আগে ঘটেনি। এক মহিলা বলেন, মণ্ডপে আলো জ্বলছিল। সেই আলো নিভিয়ে এই কাজ করা হয়েছে। আর বিশ্বকর্মা মূর্তি (Vishwakarma Puja) ভাঙচুর করে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে, এটা কোনও একজনের পক্ষে সম্ভব নয়। এর পিছনে আরও অনেকে জড়িত। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। কারণ, এই ধরনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য।

    পুলিশ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে, সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    এ বিষয়ে এদিন বিজেপির রাজ্য কমিটির মুখপাত্র তথা শিক্ষা সেলের কো-কনভেনর দীপঙ্কর সরকার বলেন, এরকম ঘটনা আমরা আগে কোনদিনও বারাসতে (Vishwakarma Puja) দেখিনি। মূলত আমরা শুনে আসছি বাংলাদেশে এরকম হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার চলছে, তাদের মন্দির-মূর্তি সব ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, বারাসতে এ ঘটনা নিন্দনীয়। সবথেকে দুঃখের বিষয় ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে সমস্ত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করার কথা না বলে আগে পুজো করার কথা বলছে। আমরা অবিলম্বে চাই, যারা দোষী তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: নির্যাতিতার বিচার চেয়ে বারাসত থেকে আরজি কর ১৮ কিমি রাস্তা জুড়ে মানববন্ধন

    RG Kar Protest: নির্যাতিতার বিচার চেয়ে বারাসত থেকে আরজি কর ১৮ কিমি রাস্তা জুড়ে মানববন্ধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর ইস্যুতে (RG Kar Protest) রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলছে। রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন স্কুলের প্রাক্তনীরা পথে নেমে আন্দোলন করছেন। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান তুলে প্রতিদিনই রাস্তায় নামছেন সাধারণ মানুষ থেকে তারকারাও। গত ১৪ অগাস্ট গোটা রাজ্য জুড়ে ‘রাত দখল’ কর্মসূচি পালন করেন মহিলারা। যতদিন এগিয়েছে, প্রতিবাদের আওয়াজ আরও জোরালো হয়েছে। এই আবহের মধ্যে সোম-সন্ধ্যায় বারাসত (Barasat) সাক্ষী থাকল আরও এক অভিনব প্রতিবাদের।

    বারাসত থেকে আরজি কর ১৮ কিমি রাস্তা জুড়ে মানববন্ধন (RG Kar Protest)

    আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Protest) মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে যে নারকীয় ঘটনা ঘটেছে, তার দ্রুত বিচার সম্পন্ন হয়ে দোষীরা শাস্তি পাক, সেই আওয়াজ উঠল এদিনের মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে। জানা গিয়েছে, বারাসত হাসপাতাল থেকে বারাসত ডাকবাংলো মোড়, দমদম, নাগের বাজার হয়ে আরজি কর পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। আন্দোলন কর্মসূচিতে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ আওয়াজ তুলে প্রতিবাদ জানান প্রতিবাদীরা। নিত্যযাত্রীরা অনেকেই এই কর্মসূচিতে যোগদান করে প্রতিবাদীদের স্লোগানের সঙ্গে গলা মেলান। রাস্তার একপাশে হাতে হাত রেখে প্রতিবাদ করেন তাঁরা। তাঁদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যান চলাচলের কোনওরকম ব্যাঘাত ঘটানো হয়নি। আরজি করকাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে মানববন্ধন কর্মসূচিতে সামিল হন কয়েক হাজার মানুষ।

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    আন্দোলনকারীদের কী বক্তব্য?

    আন্দোলনকারী (RG Kar Protest) সঙ্গীতা দত্ত বলেন, ‘‘আমরা নির্যাতিতার বিচার চেয়ে এদিন পথে নেমেছি। আমরা ছোটবেলায় ‘হীরক রাজার দেশে’ সিনেমা দেখেছিলাম। আমরা সেই রকমই হীরক রানির দেশে আছি। তাই, এদিন আমাদের কর্মসূচির একাধিক রাস্তার মোড়ে ‘হীরক রাজার দেশে’ সিনেমা আমরা চালিয়ে এই সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছি।’’ নাগরিকদের এই মানববন্ধন কর্মসূচি আরজি কর নিয়ে লাগাতার প্রতিবাদে নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share