Tag: West Bengal

West Bengal

  • Durga Puja Grant: ‘লাগবে না ৮৫ হাজার’, আরজি করের প্রতিবাদে দুর্গা-অনুদান ফেরাল একাধিক ক্লাব

    Durga Puja Grant: ‘লাগবে না ৮৫ হাজার’, আরজি করের প্রতিবাদে দুর্গা-অনুদান ফেরাল একাধিক ক্লাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া দুর্গাপুজোর অনুদান (Durga Puja Grant) ফেরাচ্ছে একের পর এক ক্লাব। সকলেই আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে। ফলে, পুজো যত এগিয়ে আসছে, ‘দুর্গার ভান্ডার’ -এ প্রত্যাখ্যানের সংখ্যা তত বাড়ছে। এবার সেই তালিকায় এবার নাম লেখাল কলকাতা থেকে শুরু করে উত্তর ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, শিলিগুড়ির ক্লাব। সকলেরই একটাই কথা— লাগবে না ৮৫ হাজার।

    ‘‘৮৫ হাজার টাকা আমাদের দরকার নেই’’

    কলকাতার ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেহালা মধ্যপাড়া আবাহনী ক্লাব এবার সরকারি অনুদানের ৮৫ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিল। এবার ৫০ বছরে পা দিচ্ছে আবাহনী ক্লাবের পুজো। পুজো কমিটির উদ্যোক্তা দেবাশিস পাল বলেন, “আমরা ভাবতে পারছি না একজন ডাক্তার পড়ুয়ার এমন পরিণতি। আরজি করের একটা অসাধু চক্রই তো ওকে মারল। এই অন্যায় আমরা মানব না। আমরা মনে করি এখানে সরকারেরও কিছু অক্ষমতা আছে। এটা আমরা মানতে পারছি না। তাই ৮৫ হাজার টাকা আমাদের দরকার নেই। অনাড়ম্বরেই এবার আমরা পুজো করব।”

    মুখ ফেরাল দক্ষিণেশ্বরের ক্লাব (Durga Puja Grant)

    উত্তর ২৪ পরগনার দক্ষিণেশ্বরের একটি ক্লাব ও রাজ্য সরকারের পুজোর অনুদান (Durga Puja Grant) ফিরিয়ে দিল। ওই ক্লাবের তরফে স্থানীয় থানায় চিঠি দিয়ে অনুদান না গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর বিজয় সঙ্ঘের পুজো এ বছর ২৩ বছরে পদার্পণ করেছে। এ প্রসঙ্গে পুজো উদ্যোক্তা রনিতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ক্লাবের তরফে আমরা সকলে মিলে স্থির করেছি, যত দিন না আরজি করের নির্যাতিতা বিচার পাচ্ছেন, তত দিন এই অনুদান আমরা নেব না। পুজো হবে। তবে তা হবে আড়ম্বরহীন। পুজো হবে, কিন্তু উৎসব নয়। আমাদের বোন মারা গিয়েছে। সারা পৃথিবী দেখছে। এটা আমাদের কলকাতার লজ্জা। কেউ সমালোচনা করবেন না।’’

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

     তালিকায় তৃণমূলের শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়রের ওয়ার্ডের ক্লাব

    ‘দুর্গার ভান্ডার’ ফিরিয়ে দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের একটি ক্লাবও। তৃণমূলের দাপুটে নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের ওয়ার্ড হাকিমপাড়া। এই এলাকার মহিলা পরিচালিত পুজো কমিটির নাম আহ্বান। এই ক্লাব দুর্গাপুজোর আয়োজনের জন্য সরকারি অনুদান (Durga Puja Grant) নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন উদ্যোক্তারা। পুজোর আয়োজনে আড়ম্বরও বর্জন করা হয়েছে। শিলিগুড়ির ওই ক্লাবটি মূলত মহিলা পরিচালিত। শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ার আহ্বান ক্লাব এ বছর ২১ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। ক্লাবের সদস্য এবং পুজো উদ্যোক্তা মানসী দে বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনার সুবিচার চেয়ে, ন্যায়ের দাবি জানিয়ে আমরা এ বারের দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিচ্ছি।’’

    অনুদান নেবে না দুই মেদিনীপুরের দুটি ক্লাব

    দুই মেদিনীপুরের দু’টি দুর্গাপুজো কমিটি প্রত্যাখ্যান করলো রাজ্য সরকারের দেওয়া পুজোর অনুদান (Durga Puja Grant)। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Protest) ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদে ও নির্যাতিতার বিচারের দাবিতেই তাদের এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে পুজো কমিটি দু’টির তরফে। তাদের মধ্যে একটি হল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের সাগরপুর সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি এবং অন্যটি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার দিঘা মোড় সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি।

    অনুদান ফেরাল অশোকনগরের ক্লাবও

    আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের একটি পুজো কমিটি গত কয়েকবার সরকারের অনুদানের (Durga Puja Grant) টাকা নিলেও এবার তারা তা নেবে না বলে এদিন জানিয়ে দিয়েছে। অশোকনগরের বাবা পঞ্চানন্দতলা দুর্গাপুজো কমিটিও এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকারের অনুদান না নেওয়ার। পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ অসিত ঘোষ বলেন, ‘‘এই অভয়ার জন্য আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার খারাপ লাগছে খুব। আমাদের গ্রামে কত মেয়েরা আছে। তাদের কথা ভাবি আমার মেয়ের কথা ভাবি। আমরা এজন্য এ বছরে টাকা নিচ্ছি না। এবারে আমরা চাই সুবিচার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    Junior Doctor: বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই ‘থ্রেট কালচার’-এর দাপটে জুনিয়র ডাক্তাররা ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। আরজি করকাণ্ডের পর জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) লাগাতার আন্দোলনের ফলে এই বিষয়টি সামনে এসেছে। থ্রেট কালচারের সঙ্গে যুক্তদের নাম প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। চাপে পড়ে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। এই আবহের মধ্যে এবার বর্ধমান (Burdwan Medical) মেডিক্যাল কলেজের মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারণ, জুনিয়র ডাক্তাররা মুখ খুললে সিন্ডিকেটের আরও অনেক গোপন তথ্য সামনে চলে আসবে। মুখ বন্ধ করতে হোয়াটসঅ্যাপ কল করে হুমকি দিতে শুরু করেছে অভীকদের গ্যাং। এমনই অভিযোগ করছেন আন্দোলনকারীরা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা? (Junior Doctor)

    আন্দোলনকারী  এক জুনিয়র ডাক্তার শুভব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে তাঁরা জানেন কারা কারা অভিযোগ করতে পারে। এর ফলে যাঁরা অভিযোগ করছেন বা করতে পারেন, তাঁদেরকে অপরিচিত হোয়াটস্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁদেরকে মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বর্ধমান মেডিক্যালের মোট ২১ জন চিকিৎসককে কলেজ ক্যাম্পাসে যাতে ঢুকতে না পারে সেই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে, তাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পেরে অপরিচিত নম্বর থেকে ভয় দেখানো শুরু করেছেন। এটা তো পরিস্কার যে যাঁরা হুমকি দিচ্ছেন, তাঁদের পিছনে কোনও বড় হাত রয়েছে। নাহলে তাঁরা এত সাহস পায় কীভাবে? এটা তদন্তে মনে হয় বের হবে। বেশিরভাগ কল মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন পুরুষ জুনিয়র ডাক্তারও রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

    বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক বাহিনীর দাপট!

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দাপিয়ে বেড়াতেন অভীক দে। তাঁর বাহিনী জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) ওপর খবরদারি করত বলে অভিযোগ। গত ১১ অগাস্ট বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের লেকচারার থিয়েটারে রাত ১১টা পর্যন্ত বেশ কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার ও পিজিটি-কে নিয়ে বৈঠক করেন অভীক দে। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধে সাতটার পর এই লেকচারার থিয়েটার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। সেখানে কোন অধিকারে একজন রাত ১১টার সময় সেখানে বৈঠক করেন? অভিযোগ, সেদিনের ওই বৈঠকে চিকিৎসক পড়ুয়া এবং জুনিয়র ডাক্তারদের সামনে অভীক স্বীকার করেছিলেন, তিনি ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্যাতিতা চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ দেখেছিলেন। অভিযোগ, ওই বৈঠকে অভীক আরও দাবি করেন, ‘ধর্ষণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। সন্দীপ ঘোষ দোষী নন।’

    আরও অভিযোগ, এভাবেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত করেছেন চিকিৎসক অভীক দে এবং তাঁর অনুগামীরা। জুনিয়র ডাক্তার গৌরাঙ্গ প্রামাণিক জানান, সম্প্রতি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের জিবি বৈঠকে অভীক দে এবং তাঁর অনুগামীরা আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেন। এমনকী, কলেজের মধ্যেও তাঁদের হুমকি দিচ্ছে বহিরাগতরা। আন্দোলনকারীদের হস্টেল থেকে বের করে দেওয়া হবে। পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হবে না বলেও বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনের জেরে কর্তৃপক্ষ ২১ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরও হুমকি ফোন আসছেই। ইতিমধ্যেই কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নাম দিয়ে অভিযোগ জমা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: রাত থেকে টানা বৃষ্টি, গভীর নিম্নচাপের দাপটে দক্ষিণবঙ্গে দিনভর দুর্যোগ

    Weather Update: রাত থেকে টানা বৃষ্টি, গভীর নিম্নচাপের দাপটে দক্ষিণবঙ্গে দিনভর দুর্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপের দাপটেই শুক্রবার রাত থেকে টানা বৃষ্টি চলছে কলকাতা এবং সংলগ্ন শহরতলিতে। কখনও বৃষ্টির বেগ বাড়ছে, কখনও কমছে। আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দিনভর ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শহরে। সেই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।

    দক্ষিণবঙ্গের কোন কোন জেলায় বৃষ্টি? (Weather Update)

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সব ক’টি জেলাতেই বৃষ্টি হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ায় জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। ওই দুই জেলায় শনিবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ২০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে কোথাও কোথাও। এছাড়া হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে অতিভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার থেকে বৃষ্টি কমবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। রবিবার শুধু পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে আবহাওয়া সংক্রান্ত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

    বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গেও

    অন্যদিকে, বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গেও। শনিবার উত্তরবঙ্গের সব জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) অনেকাংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। প্রতিটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে না। রবিবার বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং উত্তর দিনাজপুরে।

    গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি (Weather Update) শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ক্রমেই পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে সরে দক্ষিণবঙ্গের ওপরে চলে এসেছে। এই মুহূর্তে তার অবস্থান বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন গাঙ্গেয় বঙ্গের উপর। এর আগে, ১৩ তারিখ বিকেল নাগাদ সেটি বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করে স্থলভাগে ঢুকেছে। গত ছ’ঘণ্টায় তার গতি ছিল ঘণ্টায় ২৩ কিলোমিটার। এই আবহে রাতভর দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। আর এই নিম্নচাপের জেরে আজ সকাল থেকেও বর্ষণ জারি আছে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আজও ভারী বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায়। এদিকে নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ প্রয়া ৬৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গভীর নিম্নচাপ রূপেই তা ক্রমে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে সরবে। তার পর শক্তি হারিয়ে ঝাড়খণ্ডের দিকে চলে যাবে।

    মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ

    নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও বাংলাদেশ উপকূলে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঝোড়ো হাওয়া বইবে। হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার। শনিবার গাঙ্গেয় বঙ্গের উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তালিকায় রয়েছে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম। রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৫ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৭৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে থাকবে। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৭২.৪ মিলিমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করে ফের গেল সিবিআই, নজরে এবার প্ল্যাটিনাম জুবিলি ভবন

    CBI: আরজি করে ফের গেল সিবিআই, নজরে এবার প্ল্যাটিনাম জুবিলি ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar) বিচারের দাবিতে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষেরা। লাগাতার আন্দোলন চালাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তারেরাও। বিভিন্ন পেশার মানুষ এক যোগে সরব। সুপ্রিম কোর্টও স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে এই মামলার শুনানি করছে। এই আবহের মধ্যে শুক্রবার ফের আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে গেল সিবিআইয়ের (CBI) একটি দল। এর আগেও একাধিক বার তদন্তের স্বার্থে হাসপাতালে যায় সিবিআই। ঘটনাস্থল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখে তারা। কথা বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। শুক্রবার তদন্তকারীরা হাসপাতালের অধ্যক্ষ যে বিল্ডিংয়ে বসেন, সেই প্ল্যাটিনাম জুবিলি বিল্ডিংয়ে গিয়েছেন। তার পাশাপাশি, অন্যান্য জায়গাও ঘুরে দেখছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।

    কেন বারবর প্ল্যাটিনাম বিল্ডিংয়ে যাচ্ছে সিবিআই? (CBI)

    এই বিল্ডিংটি মূলত এটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ভবন। এখানে ডিন এবং অধ্যক্ষের অফিস রয়েছে। এই বিল্ডিংয়েই পরপর বেশ কয়েকদিন এসেছেন গোয়েন্দারা। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এখানকার বিল্ডিং প্ল্যান থেকে শুরু করে চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রার সহ সকল অফিশিয়াল ডকুমেন্ট খতিয়ে দেখছেন তারা। এর পাশাপাশি অধ্যক্ষের যে কম্পিউটার রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখছে তারা (CBI)। এখান থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য আদৌ নির্যাতিতার ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। তদন্তের সূত্রে এর আগে বেশ কয়েক বার আরজি করে গিয়েছে সিবিআই। ঘটনাস্থলে থ্রিডি ম্যাপিংও করা হয়েছে। ধৃত-সহ সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট করেছে সিবিআই। এ বার ধৃতের নার্কো টেস্ট করানোর আর্জি জানানো হয়েছে শিয়ালদা আদালতে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত তদন্তে যা উঠে এসেছে, তার সত্যতা যাচাই করতেই সিবিআই ধৃতের নার্কো টেস্ট করাতে চাইছে।

    আরও পড়ুন: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    দুর্নীতির তদন্তে আগেও গিয়েছে সিবিআই

    চিকিৎসক খুনের ঘটনার আবহেই এই আরজি কর মেডিক্যালে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ ওঠে, তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতি চলেছে। সে বিষয়ে তদন্তের জন্য গত ১৬ অগাস্ট রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়। এক দিন পরেই উচ্চ আদালতের নির্দেশে রাজ্য পুলিশের পরিবর্তে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় সিবিআইয়ের (CBI) হাতে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে একাধিক বেনিয়মের তত্ত্ব উঠে এসেছে। মর্গ থেকে দেহ উধাও হওয়া থেকে শুরু করে রয়েছে হাসপাতালের জৈব বর্জ্য নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও! এ বিষয়ে পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেও আরজি করে এর আগেও গিয়েছে সিবিআইয়ের দল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি কর-কাণ্ডে রাজ্যের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ, ‘শিক্ষারত্ন’ সম্মান ফেরাচ্ছেন মুর্শিদাবাদের শিক্ষক

    RG Kar Protest: আরজি কর-কাণ্ডে রাজ্যের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ, ‘শিক্ষারত্ন’ সম্মান ফেরাচ্ছেন মুর্শিদাবাদের শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Protest) বিচার চেয়ে দিকে দিকে চলছে প্রতিবাদ। কোথাও কোনও শিল্পী সরকারি কমিটির পদ ছেড়েছেন, কোথাও শিক্ষক ফিরিয়েছেন পুরস্কার। আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে এবার রাজ্য সরকার প্রদত্ত শিক্ষারত্ন সম্মান ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) এক স্কুলশিক্ষক। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে জেলাশাসক এবং স্কুল শিক্ষা দফতরে ইমেল করেছেন বলে জানিয়েছেন হরিহরপাড়া হাজি আলমবক্স সিনিয়র মাদ্রাসার প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তাফা সরকার।

     রাজ্য সরকারের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ (RG Kar Protest)

    ২০১৬ সালে শিক্ষারত্ন পুরস্কার পেয়েছিলেন গোলাম সাহেব। স্মারকের সঙ্গে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিলেন তিনি। এখন সাম্মানিক অর্থমূল্য এবং স্মারক, দুটোই সরকারকে ফিরিয়ে দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তিনি। ওই শিক্ষক জানিয়েছেন, আরজি করের (RG Kar Protest) ঘটনায় প্রেক্ষিতে সরকারের ভূমিকায় তিনি সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেন, “আরও বৃহত্তর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জায়গা ছিল। রাজ্য সরকারের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে এই পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গোটা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতরকে জানিয়ে দিয়েছি।” তাঁর সংযোজন, “আমি হালকা হতে চাইছি। আমাদের মেয়ের মতো ওই মহিলা ডাক্তার। ওঁকে ধর্ষণ, খুন করার প্রতিবাদে আমার এই পদক্ষেপ।” তাঁর আরও অভিযোগ, ‘প্রশাসনিক ভাবে প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা ভয়ানক ব্যাপার। এর প্রতিবাদে ২৫ হাজার টাকা এবং পুরস্কার ফেরত দিতে চাই আমি।’

    আরও পড়ুন: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    ফেরতের তালিকায় রয়েছেন আরও অনেকে

    আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Protest) প্রতিবাদে এর আগে বঙ্গরত্ন ফেরানোর কথা ঘোষণা করেছেন সাহিত্যিক তথা শিক্ষক পরিমল দে। শিক্ষারত্ন ফিরিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার রামশঙ্করপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক দীপক মজুমদার। সংশ্লিষ্ট পুরস্কার ফেরানোর কথা ঘোষণা করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক অরূপকুমার দাস। বর্তমানে তিনি কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক। ওই তালিকায় নয়া সংযোজন গোলাম মোস্তাফা সরকার। এছাড়াও বিদ্যাসাগর পুরস্কার ফিরিয়েছিলেন কৃত্যপ্রিয় ঘোষ ও আশিস লাহিড়ি। সনাতন দিন্দা-সহ একাধিক শিল্পী পদ ছেড়েছেন, পুরস্কারও ফিরিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, উত্তাল সমুদ্র, ভারী বৃষ্টি! পুজোর আগেই কি বাংলায় বন্যা পরিস্থিতি?

    Weather Update: ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, উত্তাল সমুদ্র, ভারী বৃষ্টি! পুজোর আগেই কি বাংলায় বন্যা পরিস্থিতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার তৈরি হচ্ছে গভীর নিম্নচাপ। ফের ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা বাড়ছে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার ও শনিবার ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া (Weather Update) দফতর। জানা গিয়েছে, শনিবারের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ওপর তৈরি হতে চলেছে সেই নিম্নচাপ। যার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণের বেশ কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। বাকি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশ্ন জাগছে, পুজোর আগে কি বন্যা পরিস্থিতি হবে বাংলায় (West Bengal)? 

    রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগ! (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়ায় লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। এই দুই জেলায় একদিনে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নদী-খাল-বিল ভরা থাকায় বানভাসি হওয়ার আশঙ্কাও থাকছে। নিম্নচাপের প্রভাবে ঝাড়খণ্ডেও প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা। ফলে, ডিভিসি জল ছাড়লে আরও বাড়তে পারে বিপদ। পাশাপাশি, পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বীরভূমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে ভারী বৃষ্টির (৭০-১১০ মিলিমিটার) পূর্বাভাস রয়েছে। সেখানে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কলকাতার আবহাওয়া কেমন থাকবে?

    অন্যদিকে, শনিবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বাংলাদেশ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ৩৫ থেকে ৪৫ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। রবিবার পর্যন্ত সমুদ্র থাকবে অশান্ত। সে কারণে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। নিম্নচাপের কারণেই শুক্র থেকে রবিবার দক্ষিণবঙ্গে এই দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    ভাসবে উত্তরবঙ্গও

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার সকালে তৈরি হয়েছিল ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে রাতে তৈরি হয় নিম্নচাপ। সেই নিম্নচাপ বৃহস্পতিবার রাতে তৈরি হওয়ার পর থেকে ক্রমে পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়েছে। এখন উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপর রয়েছে সেই নিম্নচাপ। তার সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের ওপর রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। নিম্নচাপ অঞ্চলটি আরও পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোতে এগোতে শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন সাগরের ওপর নিম্নচাপে পরিণত হবে। তার প্রভাবেই এই ভারী বৃষ্টি। রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও। শনিবার উত্তরের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ- সহ বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: ‘স্বাস্থ্য-দুর্নীতিতে পদক্ষেপ নেয়নি রাজ্য’, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    Junior Doctor: ‘স্বাস্থ্য-দুর্নীতিতে পদক্ষেপ নেয়নি রাজ্য’, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যভবনের সামনে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) অবস্থান-বিক্ষোভ অব্যাহত। তাঁদের লাইভ স্ট্রিমিং-এর দাবি নবান্ন মেনে না নেওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হয়নি। বলা যেতে পারে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাহায্য চেয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনে ইমেল করলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। জুনিয়র ডাক্তারদের সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।

    কী রয়েছে চিঠিতে? (Junior Doctor)

    বৃহস্পতিবার বিকেলে নবান্ন ও জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) স্নায়ুর লড়াই দেখেছে রাজ্য। নবান্নর বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার জন্য প্রশাসনিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। আর সেই ব্যর্থতাকে সামনে রেখেই নাকি অচলাবস্থা কাটাতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু যে চিঠির কপি সামনে এসেছে, তা ভেস্তে যাওয়া নবান্ন-বৈঠকের পর পাঠানো হয়নি। ডাক্তাররা খোলসা করে বলেছেন, ‘‘ওই চিঠি ৯ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পর পাঠানো হয়েছিল। ভেবেছিলাম আরজি করের যাবতীয় ঘটনা উল্লেখ করে সব প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে বলব। সেই মর্মেই ১২ সেপ্টেম্বর আমরা রাষ্ট্রপতিকে (President Of India) চিঠি পাঠাই।’’ কী কী উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিঠিতে? রাজ্যের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে একের পর এক দুর্নীতির পরও এতদিন কোনও পদক্ষেপ করেনি স্বাস্থ্যভবন। সেই নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তার ইস্তফার কথা বলে তাঁদের পাঁচ দফা দাবির কথা সেখানে বলা হয়।

    আরও পড়ুন:সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    কী বললেন জুনিয়র ডাক্তাররা?

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) বৈঠক না হওয়ার পর ডাক্তাররা বলেছিলেন, ‘‘আমরা নবান্নর দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছিলাম। কী চেয়েছিলাম? আমাদের বোনের সঙ্গে যে জঘন্য ঘটনা ঘটে গিয়েছে তার বিচার। ভবিষ্যেতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে তার নিশ্চয়তা। তা নিশ্চিত করার জন্য যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, যাঁরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন তাঁদের শাস্তি চেয়েছিলাম। মখ্যমন্ত্রীর চেয়ারের ওপর ভরসা রেখেই আমরা গিয়েছিলাম। গত ৩৩ দিন ধরে আমরা রাস্তায়। দরকারে আরও ৩৩ দিন আমরা রাস্তায় পড়ে থাকব। কিন্তু বিচার আমাদের চাই। আমরা চেয়ার চাই না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘এক মঞ্চে থাকব না’’, মুখ্যমন্ত্রীকে সামাজিকভাবে বয়কটের ঘোষণা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ‘‘এক মঞ্চে থাকব না’’, মুখ্যমন্ত্রীকে সামাজিকভাবে বয়কটের ঘোষণা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে লাগাতার আন্দোলন চলছে। চিকিৎসকরা পথে নেমে সরব হয়েছেন। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন সিনিয়র ডাক্তাররা। এই আবহের মধ্যে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে (Mamata Banerjee) সামাজিকভাবে বয়কট করার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। বৃহস্পতিবার রাজভবন থেকে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় একথা জানিয়েছেন তিনি। আরজি কর কাণ্ডের প্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে রাজ্যপাল জানান, সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন ছাড়া কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাজির থাকবেন না তিনি। ‘লেডি ম্যাকবেথ’-এর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর তুলনা টেনে রাজ্যপাল জানিয়ে দেন, হুগলি নদীর সব জল দিয়েও তিনি তাঁর নোংরা হাত দু’টো পরিষ্কার করতে পারবেন না।

    মুখ্যমন্ত্রীকে সামাজিকভাবে বয়কট ঘোষণা রাজ্যপালের (CV Ananda Bose)

    বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে ৫ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন রাজ্যপাল। সেখানেই রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “সড়কে হিংসা, ঘরে হিংসা, ক্যাম্পাসে হিংসা, হাসপাতালে হিংসা, গ্রামে হিংসা, শহরে হিংসা। সব জায়গায় হিংসা। আর মানুষের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বহুমত গণতন্ত্রের অংশ। চুপ করাবেন না। এই নিঃস্তব্ধতাও হিংসা। লোকে বলছে, আজকে বাংলা কোন নৈরাজ্যের দেশে পরিণত হয়েছে? এর দায়িত্ব তো কাউকে নিতে হবে। যতদিন বাংলার মানুষ বিচার না পাচ্ছেন, দোষীদের গ্রেফতারির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া না হচ্ছে, যতক্ষণ মানুষের মনে এই আস্থা না জন্মায় যে সুবিচার হয়েছে — আমি রাজ্যপাল হয়ে অপেক্ষা করতে পারি না। তাই আমি সংকল্প নিচ্ছি যে, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে সামাজিকভাবে বয়কট করব। আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোনও প্রকাশ্য মঞ্চে থাকব না। আমি এমন কোনও প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে থাকব না যেখানে মুখ্যমন্ত্রী হাজির রয়েছেন। রাজ্যপাল হিসেবে আমার ভূমিকা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এর থেকে কমও না বেশিও না।” শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, রাজ্যপাল তাঁর ক্ষোভ উগরে দেন কলকাতার নগরপাল বিনীত গোয়েলকে নিয়েও। তাঁর বক্তব্য, রাজভবনের তরফে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নিয়ে পদক্ষেপের কথা বলা হলেও, তা করা হয়নি। নিঃসন্দেহে রাজ্যপালের এই বক্তব্যের পর রাজ্য-রাজভবন তরজাই নয়, রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যেও একটা টানাপোড়েন চলে এল।

    লেডি ম্যাকবেথ বলে কটাক্ষ

    এদিনের ভিডিও বার্তায় রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) মুখে শোনা গিয়েছে ‘লেডি ম্যাকবেথ’ প্রসঙ্গও। রাজ্যপাল বলেন, “আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন উদ্ভূত সংকট মোকাবিলায় রাজ্যপাল কী পদক্ষেপ করবেন? আমি সংবিধান, জনতা ও মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। সরকার বর্তমান সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রবলভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। সব থেকে বড় বিড়ম্বনা হল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই, স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনিই আবার মুখ্যমন্ত্রী। মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে তাদের বিরোধিতা করছেন বাংলার লেডি ম্যাকবেথ। হুগলি নদীর সব জল দিয়েও বাংলার লেডি ম্যাকবেথ নিজের নোংরা হাত দু’টো পরিষ্কার করতে পারবেন না।”

    আরও পড়ুন: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: সন্দীপের শ্যালিকার বাড়ি থেকে উদ্ধার ডাক্তারি পরীক্ষার প্রচুর উত্তরপত্র! বলছে ইডি

    ED: সন্দীপের শ্যালিকার বাড়ি থেকে উদ্ধার ডাক্তারি পরীক্ষার প্রচুর উত্তরপত্র! বলছে ইডি

    মাধ্যম নিউ ডেস্ক: আরজি করের দুর্নীতি মামলায় এই মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) গ্রেফতার হতেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসছে। শুধু সন্দীপ নন, এই দুর্নীতি মামলায় তাঁর একাধিক আত্মীয়ও তদন্ত সংস্থার স্ক্যানারে। একাধিকবার সন্দীপের বাড়ি, শ্বশুরবাড়ি, শ্যালিকার বাড়িতে হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। আরজি কর দুর্নীতি মামলায় তল্লাশি চালিয়ে নয়া তথ্য হাতে এসেছে ইডির (ED)। সন্দীপের শ্যালিকার বাড়ি থেকে মিলেছে বিপুল পরিমাণে ডাক্তারি পরীক্ষার উত্তরপত্র। যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারী আধিকারিকদের।

    শ্যালিকার বাড়িতে মিলল উত্তরপত্র (ED)

    কলকাতা এয়ারপোর্ট সংলগ্ন এলাকায় বাড়ি সন্দীপের শ্যালিকার। আরজি করের দুর্নীতির তদন্তে নেমে সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) স্ত্রী সঙ্গীতা ঘোষ এবং শ্যালিকা অর্পিতা বেরাকে প্রায় ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি (ED)। তার আগে শ্যালিকার বাড়িতে প্রায় ১০ ঘণ্টা তল্লাশি করেছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথি নিয়ে শ্যালিকাকে এজেন্সির আধিকারিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। শ্যালিকার বাড়ি থেকেই বিপুল পরিমাণে উত্তরপত্র মেলে বলে খবর। জানা গিয়েছে, প্রায় ২০০ পাতার উত্তরপত্র উদ্ধার হয়েছে। এরমধ্যে ডাক্তারি পরীক্ষার উত্তরপত্র রয়েছে। এই উত্তরপত্রের কপি নিয়ে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে ইডি (ED)।

    উদ্ধার আরও টেন্ডার, দলিল, সম্পত্তির কাগজ

    এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে টেন্ডারের কপি, দলিল, সম্পত্তির কাগজপত্রও উদ্ধার করেছে ইডি। এর আগে, শ্যালিকার বাড়ি থেকেই সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) ল্যাপটপ উদ্ধার করেছিল ইডি (ED)। এছাড়া, শ্যালিকার বাড়ির পাশেই যেখানে সন্দীপের শ্বশুর-শাশুড়ি থাকেন, সেখান থেকে একটি কালো ট্রলি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছিল। প্রসঙ্গত, সন্দীপের শ্যালিকাও ইএসএআই হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের ডাক্তার। পাশাপাশি সন্দীপ ঘোষের শ্যালিকার স্বামী এসএসকেএমের একজন ডাক্তার। প্রশ্ন উঠছে, এত উত্তরপত্র সেখানে কেন? এই কপি কীভাবে সন্দীপ ঘোষের শ্যালিকার বাড়ি থেকে পাওয়া গেল, তা জানার জন্য আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চলেছে ইডি। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দি থাকা সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) সঙ্গে এই বিষয় কথা বলতে চান ইডি-র (ED) তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    দুর্নীতিতে সন্দীপের গোটা পরিবার যুক্ত!

    এ প্রসঙ্গে চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, “কত বড় জালিয়াতি, দুর্নীতি, একে একে সব বেরোচ্ছে। সন্দীপ ঘোষ একা নয়, গোটা পরিবার যুক্ত। প্রথম থেকেই বলছি, এটা একটা সিন্ডিকেট। সন্দীপরা মাঝের অংশ। নিচে কিছু স্যাঙাত আছে, ওপরে আছে মাথারা। এই শ্যালিকা আবার দেশছাড়া না হয়ে যান।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে আরজি কর হাসপাতালে যে দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনার প্রথম সামনে আনেন সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার (নন-মেডিক্যাল) আখতার আলি। তবে, গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চারতলার সেমিনার রুমে চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সামনে আসার পর সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে মুখ খোলেন তিনি। আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির ঘটনার তড়িঘড়ি তদন্ত শুরু করে রাজ্য সরকার। গঠিত হয় সিট। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে সেই তদন্তভারও চলে যায় সিবিআই দুর্নীতি দমন শাখার হাতে। যেহেতু আর্থিক তছরুপের ঘটনা, ফলে সিবিআই-এর দুর্নীতি দমন শাখার পাশাপাশি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করছে ইডিও (ED)। আর ইডি-র হাত ধরে বেরিয়ে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ও নথি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বাংলায় বিচারকদেরও নিরাপত্তা নেই! সিবিআই তদন্ত, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বাংলায় বিচারকদেরও নিরাপত্তা নেই! সিবিআই তদন্ত, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে বিচারকদের আবাসনে দুষ্কৃতী হামলার ঘটনা নিয়ে মহকুমা আদালতের বিচারকরা আগেই সরব হয়েছিলেন। পুলিশের ওপর আস্থা হারিয়ে জেলা জজের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। এবার এই ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই সঙ্গে বিচারকদের আবাসন এবং রাজ্যের সব কটি বিচারালয়ের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

    চিঠিতে কী লিখেছেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আরজি করে নির্যাতিতা ডাক্তারি ছাত্রীর প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন। তাঁর কথায়, ‘আরজি করে নিজের কর্মস্থলে ডাক্তারি ছাত্রীকে খুন-ধর্ষণের নৃশংস ঘটনার শিকার হতে হয়েছে। এবার দুষ্কৃতীদের নজরে বিচারকরা।’ এক পুলিশ অফিসারের মদতেই এই ষড়যন্ত্র ঘটানো হয়েছে বলেও চিঠিতে অভিযোগ করেছেন তিনি। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলায় বিচার বিভাগও আক্রমণের মুখে! বিচারকের রায় পছন্দ না হওয়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে গভীর রাতে তাঁদের আবাসনে হামলা চালানো হয় এবং ওই ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন এক পুলিশ অফিসারও। এই ঘটনার সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’’  এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলায় বিচারবিভাগের জন্য যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের জন্যও কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে আবেদন রাখলেন বিরোধী দলনেতা। এর আগে এই ঘটনা নিয়ে বুধবারই কেন্দ্রকে চিঠি লিখেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, গত ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। সেদিন নবান্ন অভিযানে যাওয়া তিনজন মহিলা নেত্রীকে পকসো কেস দিয়ে গ্রেফতার করে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ। আদালত সূত্রের খবর, ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড চাওয়া হয়। আইন না মানায় বিচারক পুলিশ রিমান্ড দেননি। এরপরই গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে দুজন দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ অফিসার কুমারেশ দাস বিচারকদের আবাসনে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এ ব্যাপারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা বিচারককে চিঠি লিখে নিজেদের নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের এসিজেএম আদালতের তিনজন বিচারক। সেখানে দুষ্কৃতীদের সঙ্গে পুলিশ কর্তা কুমারেশ দাসের যুক্ত থাকার অভিযোগও এনেছেন ওই তিন বিচারক। ঘটনার জেরে তাঁরা যে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, তাও উল্লেখ করেছেন বিচারকেরা। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারকে চিঠি লিখেছেন জেলা বিচারক শুভদীপ মিত্র। প্রসঙ্গত, বিচারকদের আবাসনে হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যে এক পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশ। গ্রেফতারও করা হয়েছে একজনকে। আবাসনে হামলার ঘটনা নিয়ে এবার সরব হলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)।

    আরও পড়ুন: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share