Tag: West Bengal

West Bengal

  • Jute Mill: পুজোর মুখে পর পর বন্ধ হচ্ছে জুটমিল! কর্মহীন কয়েক হাজার, হেলদোল নেই মমতা-সরকারের

    Jute Mill: পুজোর মুখে পর পর বন্ধ হচ্ছে জুটমিল! কর্মহীন কয়েক হাজার, হেলদোল নেই মমতা-সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা কয়েকদিন পরই বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। ঠিক পুজোর মুখে রাজ্যে একের পর এক জুটমিলে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কর্মহীন হয়ে পড়ছেন হাজার হাজার শ্রমিক। পুজোর মুখে মিল (Jute Mill) কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে বেজায় ক্ষুব্ধ মিল শ্রমিকরা। মিল খোলার বিষয়ে তৃণমূল সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলেই শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

    বন্ধ হল দাসনগর জুটমিল (Jute Mill)

    রাতারাতি বন্ধ হয়ে গেল হাওড়ার (Howrah) দাসনগরের ভারত জুটমিল (Jute Mill)। পুজোর মুখেই চাকরিহারা কয়েক হাজার শ্রমিক। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার সময় দাসনগরের ভারত জুটমিলের কর্মীরা ডিউটিতে আসলে দেখেন, মিলের গেট বন্ধ। গেটে ঝুলছে সাসপেনশন অব ওয়ার্কের নোটিশ। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল জুটমিল। পুজোর বোনাস পাননি, বেতন-গ্রাচুয়িটির হিসেব-নিকেশ তো দূর-অস্ত! এভাবে হঠাৎ জুটমিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাথায় হাত শ্রমিকদের। পুজোর মুখে কী করবেন, কোথা থেকে রোজগার হবে, তা ভেবেই দিশেহারা। জুটমিলের বাইরে ঝোলা নোটিশে বলা হয়েছে, তাঁত বিভাগের অবৈধ ধর্মঘটের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে মালিক কর্তৃপক্ষ। শ্রমিকদের দাবি, শাসক দল ঘনিষ্ঠ ইউনিয়ন তাদের এবং কর্তৃপক্ষের ওপরে চাপ সৃষ্টি করছে। দুটির বদলে চারটি মেশিন চালানোর জন্য জোর করছে। এর জেরেই সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের জেরে আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়, জানাল হাওয়া অফিস

    বন্ধ কাঁকিনাড়ার নফরচাঁদ জুটমিল

    কয়েকদিন আগে, বন্ধ হয়ে যায় উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুরের কাঁকিনাড়ার একটি জুটমিলও (Jute Mill)। তার জেরে কর্মহীন হয়ে পড়েন কারখানার প্রায় তিন হাজার স্থায়ী-অস্থায়ী শ্রমিক। শ্রমিক-মালিক অসন্তোষের জেরে কাঁকিনাড়ার নফরচাঁদ জুট মিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। পুজোর মুখে কর্মহীন হয়ে পড়ায় দিশেহারা শ্রমিকরা। মিলের ভিতরে শ্রমিক-মালিক অসন্তোষের চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। তারপরে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, কাঁকিনাড়ার এই মিলে শ্রমিক অসন্তোষ এই প্রথম নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এই জুট মিল। গত ডিসেম্বরেও একইভাবে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। তার জেরে তুমুল শ্রমিক অসন্তোষ শুরু হয়েছিল মিলে। তখন সেই কাজ বন্ধ রাখা হয়। তবে, পুজোয় যেখানে সকলে নতুন পোশাক কিনে থাকেন সেই জায়গায় শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়াই স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়েছে তাদের পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: তদন্তে বড় ভরসা মর্গে মোবাইলে তোলা ১৫টি ছবিই, দিল্লিতে পাঠাল সিবিআই, কী আছে তাতে?

    CBI: তদন্তে বড় ভরসা মর্গে মোবাইলে তোলা ১৫টি ছবিই, দিল্লিতে পাঠাল সিবিআই, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar) তরুণী চিকিৎসকের খুন-ধর্ষণের ঘটনার তদন্তে নেমে ময়না তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ বার বার সামনে আসছে। ময়না তদন্তের ভিডিওগ্রাফি থেকে রিপোর্ট তৈরি, সবেতেই রয়েছে প্রশ্ন। ফলে, তদন্তের গতি কিছুটা হলেও ব্যাহত হচ্ছে। এই অবস্থায় ভরসা বলতে ১৫টি ছবি, যা ৯ অগাস্ট সন্ধ্যায় আরজি করের মর্গে (RG Kar Morgue) তিলোত্তমার ময়না তদন্তের সময়ে খুব কাছ থেকে মোবাইলের ক্যামেরায় বন্দি করা হয়েছিল। ওই সমস্ত ছবি দিল্লিতে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য সিবিআই (CBI) পাঠিয়েছে বলে খবর।

    ভিডিওগ্রাফি বিভিন্ন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা! (RG Kar)

    সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, তরুণী চিকিৎসকের ময়না তদন্তকারী দলে তিনজনের একজন সূর্যাস্তের পরে ময়না তদন্তে আপত্তি করেছিলেন। সূত্রের খবর, অন্যদের মতো তাঁকেও কয়েক বার তলব করেছে সিবিআই। তখন তিনি নিজে থেকেই তদন্তকারীদের ওই ১৫টি ছবির কথা জানান বলে খবর। এর পরেই তাঁর মোবাইলে থাকা ছবিগুলি সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। ময়না তদন্তের (RG Kar Morgue) যে ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে, তাতে মৃতের দেহের আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট না হওয়ায় তদন্তে সমস্যা হচ্ছে। ময়না তদন্তের ভিডিওগ্রাফি বিভিন্ন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে আঘাতের বিষয়ে নিশ্চিত একটা জায়গায় পৌঁছতে চাইছেন তদন্তকারীরা (CBI)। এজন্য দিল্লি এবং কল্যাণী এমসের ফরেন্সিক বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ওই ভিডিওগ্রাফি দেখানো হয়েছে। কিন্তু, খুব স্পষ্ট কিছু বোঝা গিয়েছে, তেমনটা নয় বলেই খবর।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের জেরে আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়, জানাল হাওয়া অফিস

    মর্গে (RG Kar Morgue) কী হয়েছিল

    সিবিআই সূত্রের খবর, মর্গে (RG Kar) ডিজিটাল ফরেন্সিকের মাপকাঠি অনুযায়ী প্রতিটি ছবি ঠিকঠাক তোলা হয়েছে। তা বিকৃত বা তাতে কারিকুরি করা হয়নি বিষয়ে নিশ্চিত হয়েই সেগুলি সংগ্রহ করা হয় এবং পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সূর্যাস্তের পরে ময়না তদন্ত কেন হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরেও ওই চিকিৎসক যখন দেখেন যে ওই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, বিষয়টি তাঁর কাছে গোলমেলে লেগেছিল বলেই জেনেছেন তদন্তকারীরা (CBI)। সূত্রের খবর, মর্গে হাজির অন্য এক চিকিৎসক-পড়ুয়াকে তিনি নিজের মোবাইলটি দিয়েছিলেন ছবি তোলার জন্য। মৃতের শরীরের বাইরের বিভিন্ন আঘাত, ব্যবচ্ছেদের পরে ভিতরের অংশের আঘাত, যৌনাঙ্গের ক্ষত এবং যে যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই সমস্ত ছবি সামনে থেকে মোবাইল বন্দি করিয়েছিলেন তিনি (RG Kar Morgue)।

    ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ কী বললেন?

    রাজ্যে কাজ করা ফরেন্সিক মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ, ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকেরা (RG Kar Morgue) জানাচ্ছেন, বিদেশের মতো এখানে ফরেন্সিক ভিডিওগ্রাফি সব সময়ে করা হয় না। এক সিনিয়র ফরেন্সিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কথায়, “জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশানুযায়ী বিচারাধীন বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে, ময়না তদন্তে ভিডিওগ্রাফি বাধ্যতামূলক। সে ক্ষেত্রে অনেক সময়ে আমরা বলে দিই, কী ভাবে, কতটা সামনে থেকে কোন ছবি তুলতে হবে।” তিনি জানাচ্ছেন, অন্যান্য ক্ষেত্রে সাধারণত ময়না তদন্ত যেখানে হচ্ছে, তার কিছুটা দূর থেকে ভিডিওগ্রাফি করা হয় (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সিজিওতে অপূর্ব-মর্গ কর্মীকে মুখোমুখি জেরায় পরস্পর বিরোধী তথ্য পেল সিবিআই

    RG Kar Incident: সিজিওতে অপূর্ব-মর্গ কর্মীকে মুখোমুখি জেরায় পরস্পর বিরোধী তথ্য পেল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের ঘটনায় যেসব বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে তার অন্যতম হল ময়নাতদন্ত (Post mortem) প্রক্রিয়া। অপেক্ষাকৃত কম আলোয় ও কম সময়ে নির্যাতিতার ময়নাতদন্ত করা হয়েছিল বলে খবর। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এটা কি ইচ্ছাকৃত? নাকি অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি। এই আবহের মধ্যেই বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই (CBI) দফতরে ফের হাজিরা দিলেন নির্যাতিতার ময়নাতদন্তকারী দলে থাকা অন্যতম চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। সেই সঙ্গে আরজি কর (RG Kar Incident) মর্গের এক কর্মীকেও সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়। তাঁদের দু’জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। এ নিয়ে পর পর তিনদিন হাজিরা দিলেন অপূর্ব বিশ্বাস। তার আগেও একবার হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের জেরে আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়, জানাল হাওয়া অফিস

    নির্যাতিতার আগে ৭টি ময়না তদন্ত সূর্যাস্তের আগে (CBI)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন আরজি করের (RG Kar Incident) মর্গে সাতটি ময়নাতদন্তই হয়েছিল সূর্যাস্তের আগে। শুধুমাত্র নির্যাতিতার সূর্যাস্তের পরে। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে সিবিআই (CBI) আধিকারিকদের খটকা লাগছে। সূত্রের খবর, এক চিকিৎসক সূর্যাস্তের পর তাড়াহুড়ো করে ময়নাতদন্ত করার ব্যাপারে আপত্তি তুললেও তা শোনা হয়নি। ময়নাতদন্তের (RG Kar Incident) পুরোটাই ভিডিওগ্রাফি করা হলেও সেই ছবি বেশ আবছা রয়েছে। তাতে মনে হচ্ছে, সেখানে আলো প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল। এই বিষয়গুলি নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করা – হয়েছে ময়নাতদন্তকারী অন্যতম চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাসকে। কিন্তু এই প্রশ্নের জবাবে তিনি নীরব থেকেছেন বলে খবর।

    দুই ডোমকেও জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    এর আগে, ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত দু’জন ডোমও জিজ্ঞাসাবাদে যা জানিয়েছিলেন, তাতে সিবিআই (CBI) নিশ্চিত যে, সেদিন গাফিলতি হয়েছিল (RG Kar Incident)। জানা গিয়েছে, এদিন আরজি করের মর্গের ‘ক্লার্ক’ পর্যায়ের এক কর্মীকেও এ দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ময়নাতদন্তের পরের পর্যবেক্ষণ লেখায় ওই কর্মীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ওই দিন ময়নাতদন্ত কী ভাবে হয়েছিল, তা নিয়ে ওই কর্মীকে অপূর্বের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাতে পরস্পর বিরোধী তথ্য উঠে এসেছে এবং অপূর্বের আগের বয়ানের সঙ্গে এ দিন ওই ক্লার্কের বয়ানের পার্থক্য রয়েছে বলে (RG Kar Incident) তদন্তকারীদের সূত্রের দাবি। কী লুকোনোর চেষ্টা হয়েছিল? কে সত্যি বলছেন বা কে মিথ্যা বলছেন? সবটাই জানার চেষ্টা করছে সিবিআই (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood Situation In Bengal: জল ছাড়া নিয়ে ‘অসত্য’ বলছেন মুখ্যমন্ত্রী, ফাঁস করে দিল কেন্দ্র

    Flood Situation In Bengal: জল ছাড়া নিয়ে ‘অসত্য’ বলছেন মুখ্যমন্ত্রী, ফাঁস করে দিল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর অভিযোগ, রাজ্যকে না জানিয়েই বিপুল পরিমাণ জল ছেড়েছে ডিভিসি। তাই বানভাসি হয়েছে বাংলার (Flood Situation In Bengal) একাংশ। এই অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তিনি (Nabanna) দুটি চিঠিও পাঠিয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার হুমকিও দিয়েছিলেন ‘সস্তা রাজনীতি’ করতে অভ্যস্ত (নিন্দকরা বলে) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যে ‘মিথ্যে’ বলেছেন, তা ফাঁস করে দিল কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রক। তারা সাফ জানিয়েছে, রাজ্য ও ডিভিসির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত কমিটিই ঠিক করে কখন এবং কতটা জল ছাড়া হবে। তাই রাজ্যকে না জানিয়ে জল ছাড়া হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী যে দাবি করছেন, তা  অসত্য।

    জল ছাড়ার কথা সকলেই জানত (Flood Situation In Bengal)

    ডিভিসিরও দাবি, জল যে ছাড়া হবে, তা সকলেই জানতেন। রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের একটি মেমো থেকেও স্পষ্ট, জল ছাড়ার কথা আগে থেকেই জানত রাজ্য। ২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে প্রথম চিঠি লেখেন মমতা। এর ঠিক তিনদিন আগে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর-সহ আটটি জেলাকে সতর্ক করেছিল নবান্ন। মেমোতে এও উল্লেখ করা হয়েছিল (Flood Situation In Bengal), ডিভিআরআরসি এবং সিডব্লিউসি জানিয়েছে, আবহাওয়ার কারণে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধারে জলস্তর বাড়ছে দ্রুত।

    আরও পড়ুন: “ট্রেনে অন্তর্ঘাত দূর করতে রেলওয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে”, বললেন বৈষ্ণব

    মেমোতেও উল্লেখ করা হয়েছে 

    এই পরিস্থিতিতে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ডিভিআরআরসি আড়াই লাখ কিউসেক জল ছাড়বে। তার ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলে যা মোকাবিলার যাবতীয় ব্যবস্থাও নিয়ে রাখতে বলা হয় ওই মেমোতে। প্লাবিত হতে পারে এমন এলাকার মানুষকে প্রয়োজনে যেন নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তাও বলা হয়েছিল মেমোতে। মেমোতে আরও বলা হয়েছিল, কংসাবতী বাঁধ থেকেও জল ছাড়া হতে পারে। তেমন হলে পূর্ব মেদিনীপুরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হবে। কংসাবতী বাঁধের সঙ্গে ডিভিসিও জল ছাড়ায় হলদি ও রূপনারায়ণের জলস্তর বাড়বে। ডিভিসির এক কর্তা বলেন, “প্রয়োজন হলে জল ছাড়তেই হয়। সেটা কমিটিই ঠিক করে।” বিজেপির রাজ্য সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আরজি করকাণ্ডের বিরুদ্ধে (Nabanna) আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই (মুখ্যমন্ত্রীর) এই অপচেষ্টা (Flood Situation In Bengal)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দুই সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ

    RG Kar: আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দুই সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিকেলে সিজিও কমপ্লেক্সে গেলেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজে নির্যাতিতার দুই সহপাঠী। তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হয়। সিবিআই সূত্রের খবর, তাঁদের সঙ্গে তদন্তকারীরা আগেও কথা বলেছেন। দুই পিজিটিকে সঙ্গে নিয়ে আসেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। তিনি বেরিয়ে বলেন, “আমাকে কিছু নথি জমা দিতে বলা হয়েছিল। সে সব নথিতে আমি সই করলাম। দুই পিজিটিকে কেন আসতে বলা হয়েছিল, সেই নিয়ে কিছু বলতে পারব না। কারণ, তদন্ত চলছে।” একইসঙ্গে এদিন হাসপাতালের প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠকেও সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

    ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা ছিলেন দুই পিজিটি! (RG Kar)

    নির্যাতিতার (RG Kar) ওপর নৃশংসতার তদন্তে নেমে সিবিআই-এর হাতে উঠে আসছে একের পর এক নাম। আর তার সঙ্গে ঘটনার মোড় ঘুরছে নিত্যনতুন। এবার নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করে খুনকাণ্ডে তলব করা হয়েছিল আরজি করের ২ পিজিটি-কে। ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন এই দুই পিজিটি। মঙ্গলবার তাঁদের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও  করা হয়। এদিন হাসপাতাল সুপারের গাড়িতে ওই দুই মহিলা পিজিটি সিজিও-তে যান। কেন তাঁরা ঘটনার পর থেকে কার্যত দু’মাস বেপাত্তা ছিলেন, সেই তথ্যই জানতে চান তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই সিবিআই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে পিজিটি জুনিয়র চিকিৎসকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্টর বাড়ি ফেরার দিনেই মমতার বীরভূম সফর! ‘‘বড় মিলন উৎসব’’, কটাক্ষ দিলীপের

    নির্যাতিতার সঙ্গে ঝগড়া

    এবার এই দুই মহিলা পিজিটি-কে সিবিআই (CBI) দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ঘটনার পর থেকেই এই দুই মহিলা পিজিটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সূত্রের খবর, সিবিআই আগে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমন কিছু জানতে পেরেছিলেন, যার সঙ্গে এই দুই মহিলা পিজিটি-র নিশ্চিত যোগ রয়েছে। আরজি কর সূত্রে জানা যাচ্ছে, একজন মহিলা পিজিটির সঙ্গে নির্যাতিতার (RG Kar) ঝগড়া হয়েছিল। আর ঝগড়া এমন পর্যায়ে পৌঁছয়, যে ডাক পাওয়া মহিলা পিজিটি বলেছিলেন, তিনি চেস্ট মেডিসিন ছেড়ে দেবেন। তিনি মূলত দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা। ঘটনার পর তিনি বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। আরও এক মহিলা পিজিটিও বেপাত্তা ছিলেন। এতদিন ধরে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না। আন্দোলন থিতু হওয়ার পর তাঁরা হাসপাতালে ফিরে আসেন।

    ফের সিজিওতে চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় প্রতিদিনই সিজিও দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। মঙ্গলবার দুপুরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে পৌঁছন চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। তিনি নির্যাতিতার দেহের ময়নাতদন্ত করেছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ছিলেন সিজিওতে। যদিও কী কারণে তাঁকে তলব করা হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। সিবিআই দফতর থেকে বার হওয়ার পর কোনও মন্তব্য করতে চাননি চিকিৎসক। এর আগেও দু’বার তাঁকে তলব করা হয়েছিল সিবিআই দফতরে। রবিবার সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে বের হয়ে তিনি দাবি করেছিলেন, মৃতার দেহের দ্রুত ময়নাতদন্ত করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল। মৃতার কাকা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তির তরফে এই চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayushman Bharat: মোদি সরকারের সাফল্য! আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ৬ বছরে কী পেলেন সুবিধাভোগীরা?

    Ayushman Bharat: মোদি সরকারের সাফল্য! আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ৬ বছরে কী পেলেন সুবিধাভোগীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পগুলোর মধ্যে একটি হল আয়ুষ্মান ভারত যোজনা (Ayushman Bharat Scheme)। যা প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা নামেও পরিচিত। ছ’বছর আগে মোদি সরকারের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ চালু হয়। পরিবার পিছু বছরে ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা মেলে এই প্রকল্পে। নীতি আয়োগের সদস্য ভিকে পলের অধীনে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি এখন এই বিমার মূল্য বাড়ানো সম্ভব কি না তা খতিয়ে দেখছে। ছয় বছরে ১২.৩৭ কোটি পরিবার আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে যোগ দিয়েছে। 

    কেন চালু করা হয়

    দেশের সমস্ত মানুষ যাতে চিকিৎসা করাতে পারেন এবং টাকার অভাবে যাতে কারোর চিকিৎসা ব্যাহত না হয় সেই লক্ষ্য নিয়ে চালু করা হয় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (Ayushman Bharat Scheme)। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে ২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এই প্রকল্প চালু করেন নরেন্দ্র মোদি। দেশের একেবার গরিব বা প্রান্তিক শ্রেণির পরিবারগুলিও যাতে চিকিৎসা পেতে পারেন সেই লক্ষ্য নিয়েই চালু করা হয় এই প্রকল্প। সম্প্রতি প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সুখবর শুনিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার থেকে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় ৭০ বছর কিংবা তার বেশি বয়সিরাও বছরে ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আসবেন।

    বিশ্বের সবথেকে বড় স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প

    কেন্দ্রের দাবি, এটাই বিশ্বের সবথেকে বড় স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প (Ayushman Bharat Scheme)। এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারেন দেশের প্রায় ৬০ কোটি মানুষ। কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন তার হিসাব করেই এই কথা দাবি করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশের ২৭ হাজার ৩৪৩টি হাসপাতালে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। এই প্রকল্প চালু হওয়ার ছয় বছর পূর্ণ হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই প্রকল্প জনপ্রিয় করতে ২০২৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি অ্যাপ চালু করেছে কেন্দ্র। হয়েছে আয়ুষ্মান ভব্য অভিযানও। যার মাধ্যমে চারটি সহজ ধাপে আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি করা যায়। এই প্রকল্পে নাবালিকা, মহিলা ও প্রবীণ নাগরিকদের বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে এটাও উল্লেখ্য যে এই কার্ডটি তৈরির ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের সংখ্যা ও তাঁদের বয়স নিয়ে কোনও বাধা নিষেধ নেই। 

    আয়ুষ্মান ভারত কার্ড থাকলে সুবিধা

    আয়ুষ্মান ভারত কার্ড (Ayushman Bharat) থাকলে ক্যান্সার, কার্ডিয়াক সার্জারি ও অন্যান্য মারণ রোগের চিকিৎসা করাতে পারবেন সহজে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও ইউরোলজিস্টদের পরামর্শ ও পরিষেবা মিলবে বিনামূল্যে। এই কার্ড থাকলে সরকারি হাসপাতালে বাধ্য থাকবে চিকিৎসা করতে। যাঁদের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রয়োজন তাঁদের থেকে কোনওভাবে মুখ ঘুরিয়ে রাখা যাবে না। এই প্রকল্পের অধীনে থাকা পরিবারগুলি ভারতজুড়ে চিকিৎসা পরিবেষা পাবেন। আর তার জন্য পকেটে নগদ টাকা না থাকলেও কোনও সমস্যা নেই। সমস্ত সরকারি ও তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলি রোগীদের থেকে কোনও অতিরিক্ত অর্থও দাবি করতে পারবে না।

    ৫৫ কোটি মানুষকে নিয়ে আসার লক্ষ্য

    ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, দেশে প্রায় ১ লক্ষ ৭৪ হাজার ৪৫৩টি আয়ুষ্মান আরোগ্য (Ayushman Bharat) কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১ লক্ষ ১২ হাজার ৬৫৩টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, ২৩ হাজারের বেশি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, পাঁচ হাজার শহুরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সাড়ে ৫ হাজার শহুরে স্বাস্থ্য ও সুস্থতা কেন্দ্র এবং ১২ হাজার ১৭৩টি আয়ুষ-সম্পর্কিত কেন্দ্র রয়েছে৷ নরেন্দ্র মোদি সরকারের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের অধীনে ৫৫ কোটি মানুষকে নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লি এখনও এই প্রকল্পে যোগ দেননি। তাই এখনও পর্যন্ত ৩৫.৩৬ কোটি মানুষকে ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের দাবি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পুজোর আগে ফের তৈরি নিম্নচাপ! সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: পুজোর আগে ফের তৈরি নিম্নচাপ! সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি আর জলাধারের ছাড়া জলের জেরে রাজ্যের (West Bengal) একাধিক জেলায় বন্যা হয়ে গিয়েছে। এই আবহেই বঙ্গোপসাগরের ওপর মঙ্গলবার ফের তৈরি হয়ে গিয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। ফলে, চলতি সপ্তাহে যে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে সেই আভাসও মিলল। নিম্নচাপের জেরেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। তার প্রভাবেই চলতি সপ্তাহ জুড়ে আবার বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। মাটি হতে পারে পুজোর বাজার। মাঝে কয়েক দিন রেহাই দিয়েছিল বৃষ্টি। মঙ্গলবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণের (Weather Update) বেশির ভাগ জেলায় আবার শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

    কতদিন পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা? (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানিয়েছে, বুধবার থেকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হবে দক্ষিণবঙ্গে। যা চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। কোনও কোনও জেলায় আবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জারি করা হয়েছে সতর্কতা। উত্তরেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭.৬ কিলোমিটার উঁচুতে রয়েছে সেই ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর অন্ধ্র এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের কাছে সমুদ্রের ওপর তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। তার প্রভাবেই বঙ্গোপসাগর থেকে ছুটে আসছে জলীয় বাষ্প, যার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন: পুড়ছে পাহাড়! শরতের গরমে জেরবার দার্জিলিং, কমছে পর্যটকের সংখ্যা

    দক্ষিণবঙ্গে কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?

    ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপ- এই দু’য়ের জেরে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারও নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া এবং পূর্ব বর্ধমান বাদ দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার। ওই দিন রাজ্যের উপকূলবর্তী দুই জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দুই মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বুধ এবং বৃহস্পতিবার ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গেও

    শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও। মঙ্গল এবং বুধবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে মালদা, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু এলাকায়। শুক্রবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায়। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ মায়ানমার উপকূল সংলগ্ন এলাকায় দু’টি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। মৌসুমি অক্ষরেখা বিস্তৃত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকার উপর দিয়ে। তা ছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল থেকে দক্ষিণ মায়ানমার উপকূল পর্যন্ত আরও একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: কেষ্টর বাড়ি ফেরার দিনেই মমতার বীরভূম সফর! ‘‘বড় মিলন উৎসব’’, কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: কেষ্টর বাড়ি ফেরার দিনেই মমতার বীরভূম সফর! ‘‘বড় মিলন উৎসব’’, কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবছর পর জামিন পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বীরভূমের বাড়িতে ফিরলেন গরু চুরির দায়ে জেল খাটা দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। আর এদিনই বীরভূম সফরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই দিনে তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার ঘরে ফেরা এবং মুখ্যমন্ত্রীর ওই জেলা সফরকে ‘‘বড় মিলন উৎসব’’ বলেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। 

    অনুব্রতর ফেরার দিনেই মমতার জেলা সফরকে কটাক্ষ (Dilip Ghosh)

    অনুব্রতর (Anubrata Mondal) এই ঘরে ফেরার দিনেই বীরভূম জেলা সফরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বোলপুর গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। এই নিয়ে মমতার বীরভূম সফরকে তীব্র কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘বীরভূম থেকে দলের আয় কমে গিয়েছে। আবার মালকড়ি আসার প্রস্তুতি কী হল, সবকিছু খতিয়ে দেখার জন্য বীরভূমে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি সবকিছু ঠিক আছে কি না, নাকি কাজল শেখ সব খেয়ে নিল, এগুলোও দেখতে দিদি বীরভূম যাচ্ছেন। সেখানে আজ বিরাট বড় মিলন উৎসব হবে। পার্টি হবে। চুরির দায়ে জেল খাটা নেতা ছাড়া পেয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে এরাই গর্ব। এরাই তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে বাঘ, সিংহ, হাতি। কারণ এদের সম্পত্তি আছে তো। যাঁরা সৎ সাধারণ নেতা তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে তাঁদের কোনও গুরুত্ব নেই।’’

    আরও পড়ুন: পুড়ছে পাহাড়! শরতের গরমে জেরবার দার্জিলিং, কমছে পর্যটকের সংখ্যা

    বন্যা নিয়ে মমতাকে তোপ

    মঙ্গলবার সকালে বর্ধমান শহরের টাউন হল এলাকায় প্রাতঃভ্রমণ করতে যান দিলীপ ঘোষ। সেখানে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘গত ১৩ বছরে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী পদক্ষেপ করেছেন? বৃষ্টি কমে গিয়েছে ওঁর কপাল ভালো। চাষ করার দরকার নেই কারণ কেন্দ্রীয় সরকার চাল দিচ্ছে। সেই চাল খেয়ে বেঁচে আছি। উত্তরবঙ্গে বন্যা হচ্ছে আর উনি বন্যা দেখতে যাচ্ছেন। গোড়ালি পর্যন্ত জলে দাঁড়িয়ে উনি সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দিয়ে চলে আসছেন। সেটাই ওঁর দায়িত্ব। বাকি এনজিও আর কেন্দ্রীয় সরকার ত্রাণ দেবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: পুড়ছে পাহাড়! শরতের গরমে জেরবার দার্জিলিং, কমছে পর্যটকের সংখ্যা

    Darjeeling: পুড়ছে পাহাড়! শরতের গরমে জেরবার দার্জিলিং, কমছে পর্যটকের সংখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমতলে তো বটেই, শরতে পাহাড়েও অধরা হিমের পরশ। সকালের দিকে হালকা হিমেল হাওয়া থাকলেও বেলা বাড়তেই হাঁসফাঁস গরমে নাজেহাল অবস্থা শৈলশহর দার্জিলিংয়ে (Darjeeling)। পরিস্থিতি এমন যে, ভ্যাপসা গরম থেকে রেহাই পেতে পাহাড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকরাও দিনের বেলায় হোটেলের বাইরে বেরই হচ্ছেন না। রাস্তাঘাট শুনশান। শীতল আবহাওয়ায় (Weather) অভ্যস্ত পাহাড়বাসীর গলদঘর্ম অবস্থা। পরিস্থিতি এমন যে, স্থানীয়রা এখন এসি কিনতে ছুটছেন! কালিম্পং, সিকিমেও একই পরিস্থিতি। ক্ষতির মুখে পর্যটন শিল্পও। শৈলশহরে এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেছেন বলে মনে করতে পারছেন না আবহাওয়াবিদরা।

    পুড়ছে পাহাড়! (Darjeeling)

    সাধারণত, সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকেই পাহাড়ে (Darjeeling) শীতের আমেজ শুরু হয়। কিন্তু এবার যেন উলটপুরাণ। দুপুরে রাস্তাঘাট জনশূন্য থাকলেও বিকেলের পর ভিড় বাড়ছে ম্যাল সহ শহরের অন্যত্র। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে পাহাড়ে সর্বোচ্চ  তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। সোমবার তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রির আশপাশে। এবার প্রায় ৩০ বছরের উষ্ণতার রেকর্ড ভেঙেছে পাহাড়। আবহাওয়া দফতর বলছে, ক্রমশ উষ্ণতা বাড়ছে পাহাড়ে। শিলিগুড়ি থেকে জলপাইগুড়ি- কোথাও তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি, তো কোথাও ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিকিম আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সিকিমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দার্জিলিংয়ে দুপুরে তাপমাত্রা ছিল ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শিলিগুড়িতে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারের পর থেকে বিক্ষিপ্ত জায়গায় বৃষ্টি শুরু হতে পারে। এমন বেশ কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বন্যা মোকাবিলায় কেন্দ্রের পদক্ষেপ তুলে ধরে রাজ্যকে পরামর্শ রাজ্যপালের

     পাহাড়ে এমন তাপমাত্রা কেন?

    পরিবেশবিদরা এর জন্য দায়ী করছেন বছরের পর বছর ধরে পাহাড়ে হয়ে চলা অপরিকল্পিত নির্মাণকে। আর এই নির্মাণ বাড়ার কারণে গরমও বাড়ছে বলে দাবি করেন তাঁরা। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত মনে করছেন, কোনও জায়গায় বাধা না পেয়ে সূর্যরশ্মি পড়লে গরম বাড়ে। দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) গরমের কারণ এটাই। দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপ ছিল। উত্তরের আকাশের পরিষ্কার হওয়ার কারণে গরম বেড়েছে।

    গরমে কমছে পর্যটক!

    হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক এর সম্পাদক সম্রাট স্যানাল বলেন, গরমের কারণেই পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যা খুবই কম। দিনের বেলায় ম্যাল মোটামুটি ফাঁকাই থাকছে। দাজিলিং (Darjeeling) শহরে তাপমাত্রা বাড়লেও পাহাড়ের গ্রামীণ জায়গাগুলোতে তাপমাত্রা কিন্তু স্বাভাবিকই রয়েছে। আর ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ থাকার ফলে পর্যটকদের একাংশ হয়ত ভাবছেন, দার্জিলিংয়ে যাতায়াত এখন বন্ধ। কিন্তু সেটা তো নয়।

    পর্যটকরা কী বললেন?

    দার্জিলিং (Darjeeling) বেড়াতে এসে তীব্র গরমে হতাশ পর্যটকরা। এক পর্যটক বলেন, গরমে একটু স্বস্তির জন্য দার্জিলিং এসেছিলাম। কিন্তু এখানে গত দু’দিন ধরে যা গরম, তাতে হোটেলের বাইরে বেরোনো যাচ্ছে না। আনন্দটাই মাটি হয়ে গেল। আর এক পর্যটক বলেন, এই সময়ে আগেও দার্জিলিতে এসেছি। কিন্তু এরকম আবহাওয়া দেখিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করকাণ্ডে সিবিআই খুলবে সিএফএসএল রিপোর্ট, নার্কো টেস্ট নিয়ে কী জানাল আদালত?

    CBI: আরজি করকাণ্ডে সিবিআই খুলবে সিএফএসএল রিপোর্ট, নার্কো টেস্ট নিয়ে কী জানাল আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনাস্থলের নমুনা সংক্রান্ত সিএফএসএল রিপোর্ট সিবিআইয়ের (CBI) হাতে এল। সেই রিপোর্ট খোলার অনুমতি দিল আদালত। অন্যদিকে, সন্দীপ ঘোষের নার্কো অ্যানালাসিস টেস্টের অনুমোদন নেওয়ার দিন পিছিয়ে গেল। কারণ, সিবিআই শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। সোমবার আলিপুর কোর্টে ছিল সন্দীপ ঘোষের দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি। অন্যদিকে, শিয়ালদা কোর্টে ছিল নির্যাতিতার-মামলার শুনানি। সিএফএসএল রিপোর্ট আসার বিষয়টি আদালতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    আদালতে কী আবেদন জানাল সিবিআই? (CBI)

    সিএফএসএল রিপোর্ট খোলার জন্য আদালতে আবেদন করে সিবিআই। আদালত সেই অনুমতি দেয়। নিয়ম অনুযায়ী, সাক্ষীদের উপস্থিতিতে রিপোর্ট খোলাই নিয়ম। জানা গিয়েছে, টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল ও সন্দীপ ঘোষের নার্কো টেস্টের অনুমতি নেওয়ার আবেদন জানানোর কথা ছিল সোমবার। কিন্তু, তা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানায় সিবিআই। কেন্দ্রীয় সংস্থার (CBI) কথায় সিএফএসএল এক্সপার্ট অন্য মামলায় ব্যস্ত থাকবেন। তাই ২৫ সেপ্টেম্বর আদালতের অনুমতি নেওয়ার আবেদন জানালে ভালো হয়। সিবিআই-এর এই আর্জি মেনে নিয়েছে আদালত। অর্থাৎ সন্দীপের নার্কো আর অভিজিতের পলিগ্রাফ পরীক্ষা হবে কিনা তা ঠিক করা হবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর। সিবিআই-এর আইনজীবী আদালতে জানান, ঘটনাস্থল থেকে নতুন বেশ কিছু নমুনা বাজেয়াপ্ত করেছে। সেগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুন: বন্যা মোকাবিলায় কেন্দ্রের পদক্ষেপ তুলে ধরে রাজ্যকে পরামর্শ রাজ্যপালের

    সন্দীপরা প্রভাবশালী!

    সিবিআই (CBI) এদিন আদালতে জানায়, সন্দীপরা (Sandip Ghosh) প্রভাবশালী। ডিজিটাল ডেটা ক্লোন করতে দেওয়া হয়েছে। তাই তদন্তের স্বার্থে তাদের ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠানো হোক। ধৃত সন্দীপ ঘোষ-সহ চারজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালত। আরজি করে চিকিৎসক হত্যা ও খুনের ঘটনা ঘটে গত ৯ অগাস্ট। সেই সময় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন সন্দীপ ঘোষ আর টালা থানার ওসি ছিলেন অভিজিৎ মণ্ডল। পরবর্তীকালে দুজনকেই তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে, এই মামলায় এবার দুইজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share