Tag: West Bengal

West Bengal

  • Balurghat: জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি নয়, গাফিলতিতে মৃত্যু, সরকারি ক্ষতিপূরণ ফেরাল পরিবার

    Balurghat: জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি নয়, গাফিলতিতে মৃত্যু, সরকারি ক্ষতিপূরণ ফেরাল পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে রাজ্যে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সরকারের প্রকাশিত তালিকাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকরা। আর সেই তালিকায় থাকা প্রথম নামের পরিবারই প্রশ্নের মুখে ফেলে দিল সরকারকে। শিবম শর্মা নামে বালুরঘাটের (Balurghat) বাসিন্দা ওই শিশুর পরিবার জানিয়েছে, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের সঙ্গে তাঁদের বাড়ির ছেলের মৃত্যুর কোনও সম্পর্ক নেই। এক চিকিৎসকের গাফিলতির কারণেই তাঁদের বাড়ির ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এমনই দাবি করল বালুরঘাটে পথদুর্ঘটনায় মৃত শিশুর পরিবার। এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে সরকারের দু’লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ নিতেও অস্বীকার করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    গত ৯ অগস্ট আরজি কর-কাণ্ডে বিচার চেয়ে কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা (Junior Doctor)। আর তার তিন দিন পরে ১২ অগাস্ট পথদুর্ঘটনায় জখম হয়ে পরে বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালে মারা যায় তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া শিবম শর্মা। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি করানোর কয়েক ঘণ্টা পরেও সেখানে কোনও চিকিৎসক আসেননি। কার্যত বিনা চিকিৎসায় ওই শিশুর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে শিবমের আত্মীয়স্বজন অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে হাসপাতালে ভাঙচুর করেন। তাঁরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন হাসপাতালের সুপার এবং জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে। সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কমিটিও তৈরি করে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। কিন্তু ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা জানানো হয়নি বলে দাবি পরিবারের। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    মৃতের পরিবারের লোকজনের (Balurghat) বক্তব্য, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের জেরে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে বলে যা প্রচার করা হচ্ছে, তা মিথ্যা। তাই তাঁরা টাকা চান না, বিচার চান। চিকিৎসকের শাস্তিও দাবি করেন তাঁরা। মৃত শিশুর পিসতুতো দাদা পবিত্র সূত্রধর বলেন, “ঘটনার দিন আমার ভাইকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর কয়েক ঘণ্টা পরে চিকিৎসক আসেন। চিকিৎসায় দেরির কারণেই আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।” নিহত শিশুর দিদি রিঙ্কি শর্মা বলেন, “বালুরঘাটে কোনও মেডিক্যাল কলেজই নেই, জুনিয়র ডাক্তার থাকবে কী করে? জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের সঙ্গে আমার ভাইয়ের মৃত্যুর কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা দোষী চিকিৎসকের শাস্তি চাই। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিচ্ছে না।”

    সরব সুকান্ত

    বালুরঘাটের (Balurghat) শিশুর নাম ক্ষতিপূরণ প্রাপকদের তালিকায় দেখে প্রশ্ন তুলেছিলেন স্থানীয় সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর প্রশ্ন, আমার জেলায় কোনও মেডিক্যাল কলেজ নেই, তাহলে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির জন্য সেখানে কারও মৃত্যু হতে পারে কী করে? সুকান্তর সাংবাদিক বৈঠকের পরেই মুখ খোলে শিবম শর্মার পরিবার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: আরজি কর-কাণ্ডে ওসি’র গ্রেফতারিতে স্পষ্ট পুলিশের ভূমিকা, দিল্লিতেও আওয়াজ তুললেন ডাক্তাররা

    Junior Doctor: আরজি কর-কাণ্ডে ওসি’র গ্রেফতারিতে স্পষ্ট পুলিশের ভূমিকা, দিল্লিতেও আওয়াজ তুললেন ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) পাশে দাঁড়ালেন দিল্লির জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার দিল্লির প্রেস ক্লাবে দিল্লির জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন ‘রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন’ (আরডিএ) পশ্চিমবঙ্গে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট’-এর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করল। বিপ্রেশ চক্রবর্তী-সহ অন্যান্য চিকিৎসকরা এদিন তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি, প্রাথমিক অবস্থা থেকেই শুরু হয়েছিল তথ্যপ্রমাণ লোপাটের কাজ। তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। এদিন পাঁচ দফা দাবি আবারও পেশ করেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    পাঁচ দফা দাবি (Junior Doctor)

    দিল্লির সাংবাদিক সম্মেলনে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) বলেন, আরজি করের (RG Kar) ঘটনার পরে পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, ওসির গ্রেফতারির ঘটনাতেই তা স্পষ্ট। কেন আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারকে জানানো হল? কেন ক্রাইম সিন প্রোটেক্ট করা হল না? কেন চালান ছাড়াই পিএম হল? দেহ দাহ করার এত তাড়া কেন ছিল? কেন পুরো সিসিটিভি ফুটেজ হস্তান্তর করা হল না? এরপরই তাঁরা পাঁচ দফা দাবি জানান। তাঁরা বলেন, নির্যাতিতার বিচার চাই। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা, স্বাস্থ্য অধিকর্তার অপসারণ। কারণ এঁরাই স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ। আরও দাবি, কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে সরানো হোক। ডিসি নর্থ এবং ডিসি সেন্ট্রালের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থাগ্রহণ করতে হবে বলে তাঁরা দাবি তুলেছেন। এছাড়া হাসপাতালে মহিলা এবং পুরুষ চিকিৎসকদের আলাদা টয়লেট, প্রতি ডিউটি রুমে প্যানিক বাটন, যথাযথ নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, সিসিটিভি নতুন করে মোতায়েন, রেফারেল পদ্ধতিকে স্ট্রিমলাইন করা, বেডের লাইভ আপডেট করা এসবও রয়েছে। তাঁদের আরও পরামর্শ, সাইকোলজিস্ট নিয়োগ করতে হবে রোগীর পরিজনদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য। সর্বোপরি থ্রেট কালচার বন্ধ করার দাবি তো আছেই।

    আরও পড়ুন: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    আন্দোলনকারীদের পাশে সিনিয়র ডাক্তাররা

    প্রসঙ্গত, সোমবার দিল্লিতে সিনিয়র ডাক্তারদের ৪টি সংগঠন সাংবাদিক সম্মেলনে ৭ দফা দাবি জানায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctor) ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না করা। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল ভেঙে দেওয়া। সুবর্ণ গোস্বামী, কৌশিক চাকি, অদীশ বসু, সিদ্ধার্থ দাগা, রাজীব পান্ডে, তুহিন দত্তের মতো চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এইসব দাবি। সোমবার তাঁরা বলেন, “আগামীকাল শুনানি। আমরা তাকিয়ে রয়েছি। গণতান্ত্রিক উপায়ে, অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘পুলিশের চরম মানসিক চাপে মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে পারিনি’’, বিস্ফোরক নির্যাতিতার মা

    RG Kar: ‘‘পুলিশের চরম মানসিক চাপে মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে পারিনি’’, বিস্ফোরক নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। চারজন পুলিশ (Kolkata Police) অফিসারকে সিবিআই তলব করেছে। এই আবহের মাঝে টালা থানার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। দাবি করলেন, পুলিশের ক্রমাগত চাপের জন্য মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে পারেননি তাঁরা। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী-আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক নিয়ে মুখ খুললেন অভয়ার বাবা-মা।

    দেহ দাহ করতে পুলিশের চাপ (RG Kar)

    সোমবার নির্যাতিতার (RG Kar) মা বলেন, ‘‘টালা থানায় গিয়ে চেয়েছিলাম মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে, কিন্তু, পুলিশ তা হতে দেয়নি। পুলিশ আধিকারিকরা চেয়েছিলেন যেন আমার মেয়ের দেহ তাড়াতাড়ি পোড়ানো হয়। আমাদের ওপর চরম মানসিক অত্যাচার করেছিল টালা থানার পুলিশ। পুলিশের চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করতে হয় আমাদের। কারণ, প্রায় ২০০-৩০০ পুলিশ কর্মী ছিলেন আমাদের সামনে। আর আমরা ছিলাম সংখ্যায় ৩-৪ জন। কিন্তু, দেহ সৎকার করার জন্য কেন তাড়াহুড়ো করছিল, এর পিছনে কী উদ্দেশ্য ছিল সেটা তারাই বলতে পারবেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ক্রাইম সিন বদলানো হয়েছে। মেয়ের যাখানে দেহ রাখা হয়েছিল, ওখানে এই ঘটনা ঘটেনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, প্রশাসন সকলেরই ভূমিকা ছিল। পুলিশ বেশি মাত্রায় সক্রিয় ছিল।’’ অন্যদিকে তিলোত্তমার বাবার প্রশ্ন, ‘‘পুলিশ বলছে আমার মেয়েকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। যদি তাই হয় তবে আমাদের তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হল কেন?’’ বাবা-মায়ের দুজনেরই বক্তব্য, ‘‘রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় তাহলে কিছু করার থাকে না। আমরা সমস্যায় পড়ার পর তো প্রথমে পুলিশের কাছেই যাব। সেই মতো টালা থানায় যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু কোনও সমাধান পাইনি। এই কারণেই বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে সিবিআই তদন্ত চেয়েছিলাম।’’

    আরও পড়ুন: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হোক, শুভবুদ্ধির উদয় হোক

    সোমবার আন্দোলনকারী চিকিৎসক এবং মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক নিয়ে নির্যাতিতার (RG Kar) বাবা বলেন, ‘‘প্রত্যেকেরই শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। দুই পক্ষের মধ্যে যে স্নায়ুযুদ্ধ চলছে, সেটা শেষ হোক। শুভবুদ্ধির উদয় হোক। আর ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনায় বসে মুখ্যমন্ত্রী এই সমস্যার সমাধান করে নিক। আমরা এটাই চাই। আর মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানি নিয়ে মুখ খুললেন তাঁরা। তাঁরা বলেন, সুপ্রিম কোর্টের ওপর আমাদের ভরসা আছে। সিবিআই এর ওপরে ভরসা আছে। আশা করি ন্যায়বিচার পাব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    CBI: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী পড়ুয়া-চিকিৎসককে নারকীয় ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগের আঙুল উঠেছিল কলকাতা পুলিশের দিকে। নির্যাতিতার পরিবার বারবার দাবি করেছেন, তদন্ত করার বদলে প্রমাণ লোপাট করতে ব্যস্ত হয়েছিল পুলিশ। সিবিআই (CBI) তদন্তভার নেওয়ার পর টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে। এবার কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) চারজন অফিসারকে সমন পাঠাল সিবিআই। তার মধ্যে দু’জন সাব ইনস্পেক্টর রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে তলব করা হয়েছে অভিজিতের স্ত্রী-কেও।

    চারজন পুলিশ কর্মীর ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (CBI)

    সূত্রের খবর, আপাতত তিনটি প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর খুঁজছে সিবিআই। এক, ধর্ষণ-খুনের ঘটনা কে ঘটাল? দুই, কী কী তথ্যপ্রমাণ লোপাট করা হল? তিন, সমগ্র ষড়যন্ত্রে কারা কারা জড়িত? এই তিনটি বিষয়েই একাধিক তথ্যপ্রমাণ হাতে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সমন পাঠানো চারজন পুলিশ কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলেই মনে করছেন সিবিআই (CBI) অফিসাররা। এই ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড় ঘুরতে পারে বলেই মনে করছেন সকলে। খুলতে পারে ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের’ দুয়ার। প্রসঙ্গত, সিবিআই আগেই জানিয়েছিল, খুন-ধর্ষণের পিছনে আরও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে। সে ষড়যন্ত্রে টালা থানার ওসির সঙ্গে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আঁতাত ছিল বলেই জানতে পেরেছে সিবিআই। তাতে যুক্ত থাকার সন্দেহেই আরও চারজন পুলিশ অফিসারকে সমন পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই চারজন পুলিশ অফিসার এলে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সিবিআই সূত্রে খবর, সন্দীপের নির্দেশেই পুলিশ অফিসাররা তদন্তে কারচুপি করেছেন। কেস ডায়েরিতেও অনেক গরমিল পাওয়া গিয়েছে। সেই সব স্পষ্ট করার জন্যই ওই চার পুলিশ অফিসারকে ডেকে জেরা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    কেন টালার প্রাক্তন ওসির স্ত্রীকে তলব?

    টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রীকেও তলব করল সিবিআই। সোমবারই তাঁকে সিবিআই (CBI) দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা সমনে বলা হয়েছে। তলব করা হয়েছে আইনজীবী শঙ্খজিৎ মিত্রকেও। ওসির স্ত্রীকে তলব করা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, টালা থানার ওসি কর্তব্যে গাফিলতি করেছে বলে সিবিআই অভিযোগ করেছে। প্রমাণ লোপাটের কাজের সঙ্গে সে জড়িত। সন্দীপ ঘোষের নির্দেশে ওসি অভিজিৎ মণ্ডল এমন কাজ করেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। সিবিআই সূত্রে খবর, ওসির স্ত্রীর কাছে জানতে চান ওই ঘটনার পর অভিজিৎ বাড়িতে কিছু জানিয়েছিলেন কিনা। তাঁর আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েছিল কিনা, স্বামীকে দেখে স্ত্রীর সন্দেহজনক কিছু মনে হয়েছে কিনা, তাঁর স্বামী কিছু লুকোচ্ছেন কিনা, অভিজিৎ কাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখছিলেন, ধর্ষণ-খুনের বিষয়ে কোনও তথ্য অভিজিৎ বাড়িতে জানিয়েছিলেন কিনা, সেসব জানতেই এই তলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: ৯ অগাস্ট বার বার ফোনে কথা সন্দীপ-অভিজিতের, দুজনকে মুখোমুখি জেরার ভাবনা সিবিআইয়ের

    CBI: ৯ অগাস্ট বার বার ফোনে কথা সন্দীপ-অভিজিতের, দুজনকে মুখোমুখি জেরার ভাবনা সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক-পড়ুয়াকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে। যদিও আগেই আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আর প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। এবার দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিবিআইয়ের (CBI) কর্তারা।

    সন্দীপ ও অভিজিতের ঘন ঘন সাক্ষাত! (CBI)

    তদন্তকারীদের (CBI) দাবি, ঘটনার দিন অর্থাৎ ৯ অগাস্ট চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকে সন্দীপ ও অভিজিতের মোবাইলে সবচেয়ে বেশি কথাবার্তা হয়েছিল, দেখা গিয়েছে কল ডিটেলসে। ১৪ অগাস্ট পর্যন্ত সন্দীপ ও অভিজিতের কথা হয়। বিশেষ করে ১০ অগাস্ট ওই ঘটনায় সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করে কলকাতা পুলিশ। তার পরেও সন্দীপের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ ফোনালাপের বিষয়টি সন্দেহজনক বলে মনে করা হচ্ছে। টাওয়ার লোকেশন অনুযায়ী, সন্দীপ ও অভিজিতের ঘন ঘন সাক্ষাতের তথ্য মিলেছে। অভিজিৎ ৯ থেকে ১৪ অগাস্ট পর্যন্ত নিয়মিত আরজি করে যাতায়াত করেছেন, মিলেছে তথ্য। তদন্তকারীদের কথায়, ৯ অগস্ট চিকিৎসক-পড়ুয়ার মৃতদেহ সেমিনার হল থেকে উদ্ধার হয়েছিল। পুলিশের তরফে অভিজিৎ ও তাঁর সহযোগীরা প্রথম ওই সেমিনার হলে পৌঁছন। এর পরে ওই সেমিনার হলে থিকথিকে ভিড় হয়ে যায়, দাবি তদন্তকারীদের। সে ক্ষেত্রে ‘প্লেস অব অকারেন্স’ অর্থাৎ মৃতদেহের আশপাশের নমুনা রক্ষার মূল দায়িত্ব ছিল অভিজিতের। কিন্তু অভিজিৎ ওই দায়িত্ব পালন করেননি।

    আরও পড়ুন: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    প্রমাণ লোপাটে ওসির ভূমিকা

    তদন্তকারীদের (CBI) দাবি, ময়না তদন্তকারীদের কথায়, ঘটনাক্রম অনুযায়ী সেমিনার হলে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও টালা থানার ওসি-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একটি মাত্র সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে। তারও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ধোঁয়াশা ও অস্পষ্ট। মৃতদেহ দ্রুত দাহ করার ক্ষেত্রেও অভিজিতের অতিসক্রিয়তার নানা ইঙ্গিত মিলেছে বলে খবর। তদন্তকারীদের দাবি, সন্দীপের গাড়ির চালককে আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। শনিবার লালবাজারে এক শীর্ষ কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সিবিআইয়ের এ কর্তা বলেন, একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে চিকিৎসক-পড়ুয়ার খুন ও ধর্ষণের তথ্যপ্রমাণ লোপাট করা হয়েছিল। সন্দীপ ও অভিজিৎকে জেরা করে মূল চক্রান্তকারীদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই অভিজিৎ এবং সন্দীপকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা জরুরি হয়ে উঠতে পারে, দাবি সিবিআইয়ের।

    সন্দীপ ঘোষের দেওয়া তথ্যগুলি বিভ্রান্তিকর

    সিবিআই (CBI) সূত্রের খবর, তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ অগাস্ট হাসপাতালে ধর্ষিত তরুণীর দেহ উদ্ধার হওয়ার পরে সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) প্রথমে  ঘটনার এফআইআর দায়ের করতেই চাননি। শুধু তাই নয়, বিষয়টি আদালতে চলে যাওয়ার পরেও, তিনি আইনি পরামর্শ নেন এবং আবারও এফআইআর এড়ানোর চেষ্টা করেন। আত্মহত্যা বলেই প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করেন এই ঘটনাকে। জানা গিয়েছে, অভিজিৎ মণ্ডল এবং সন্দীপ ঘোষের মধ্যে প্রথম যোগাযোগ হয় ৯ অগাস্ট, সকাল ১০টায়। কিন্তু, ওসি অপরাধস্থলে পৌঁছতে অনেক দেরি করেন। তদন্তের সময়ে সন্দীপের ভয়েস অ্যানালিসিস এবং পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই সব পরীক্ষার ফরেনসিক রিপোর্ট বলছে, তদন্তকারীদের সন্দীপ ঘোষের দেওয়া তথ্যগুলি বিভ্রান্তিকর ছিল এবং তাঁর বিভিন্ন দাবিই প্রতারণামূলক ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল মূক-বধিরদের, বিক্ষোভ পান্ডুয়া-উত্তরপাড়াতেও

    RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল মূক-বধিরদের, বিক্ষোভ পান্ডুয়া-উত্তরপাড়াতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড (RG Kar Protest) নিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। দোষীদের শাস্তির দাবিতে সাধারণ মানুষও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন। বিশেষভাবে সক্ষমরাও এই প্রতিবাদে সামিল হয়ে নির্যাতিতার খুনের সুবিচারের দাবি জানালেন। নিম্নচাপের কারণে রবিবার রাজ্যজুড়ে দিনভর বৃষ্টি হয়েছে। সেই বৃষ্টি মাথায় নিয়েই আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে রবিবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পথে নামলেন সাধারণ মানুষ।

    কোথায় কোথায় বিক্ষোভ? (RG Kar Protest)

    আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে (RG Kar Protest) পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে মোমবাতি হাতে মিছিলে শামিল হন মূক ও বধিররা। আসানসোলের রবীন্দ্রভবনের সামনে হাতে জাতীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদে শামিল হন তাঁরা। মোমবাতি জ্বালিয়েও জানানো হয় প্রতিবাদ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়। পান্ডুয়াতেও মিছিলে পা মেলায় ছাত্রসমাজ এবং প্রতিবাদী নাগরিকবৃন্দ। রবিবার সন্ধ্যায় বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই পান্ডুয়ার জিটি রোডে নামল জনতার ঢল। পান্ডুয়া স্টেশন সংলগ্ন পুরানো বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিল শুরু হয়। মিছিলে পা মেলান শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী। ছিলেন বহু সাধারণ নাগরিকও। জিটি রোডের কাছে তেলিপাড়া পর্যন্ত গিয়ে মিছিল শেষ হয়। কিছুক্ষণের জন্য জিটি রোড আটকে চলে বিক্ষোভ (Agitation)। স্থানীয় সূত্রে খবর, আরজি করের ঘটনায় জড়িত সকল দোষীরা অবিলম্বে কঠিনতম শাস্তি এবং মেয়েদের নিরাপত্তার দাবিতেই এই প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। একইভাবে উত্তরপাড়াতেও প্রায় পাঁচ হাজার লোকের জমায়েত হয়েছিল। স্থানীয় কয়েকটি স্কুলের প্রাক্তনী এবং ১৭টি ক্লাব-সংগঠনের ডাকে উত্তরপাড়ার গৌরী সিনেমা হল মোড়ে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সঙ্গে চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। মিছিলে স্লোগান উঠেছে ‘জাস্টিস ফর আরজি কর’।

    আরও পড়ুন: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    আন্দোলনকারীদের কী বক্তব্য?

    আন্দোলনকারীরা সকলেই দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, ‘‘আরজি করে চিকিৎসক পড়ুয়ার (RG Kar Protest) ওপর যে ঘটনা ঘটেছে তা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা নিরাপদ ভারতবর্ষ চাই। সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ চাই। এই ভাবে ‘উৎসব’ হয় না। আজকের এই মিছিলে হাঁটাই হল আমাদের আসল উৎসব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: ‘‘ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক পাতাতেন সন্দীপ, কামড়াতেন-মারতেন’’! বিস্ফোরক দাবি

    Sandip Ghosh: ‘‘ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক পাতাতেন সন্দীপ, কামড়াতেন-মারতেন’’! বিস্ফোরক দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। আর্থিক তছরূপের ঘটনার পাশাপাশি নির্যাতিতাকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনাতেও সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই আবহের মধ্যে এবার সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটির প্রথম সারির যোদ্ধা কাজি আলি আফতাব। তাঁর দাবি, একাধিক ট্রান্সজেন্ডারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন সন্দীপ। শুধু তাই নয়। তাঁরা সন্দীপের পাশবিকতারও শিকার হয়েছেন! বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে অত্যাচার (Sandip Ghosh)

    ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটির প্রথম সারির যোদ্ধা কাজি আলি আফতাব বলেন, “উনি (Sandip Ghosh) ফেসবুকের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডারদের ফোন নম্বর জোগাড় করতেন। তাঁদের ডেকে পাঠাতেন। এরপর তাঁদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করতেন। তারপর তাঁদের ওপর নির্যাতন করতেন। কামড়ানো-খিমচানো-মারধর করা — এই ধরনের ব্যবহার করতেন। আমাদের কমিউনিটির তিনজনের সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা থানায় সেই সময় যেতে পারেননি। যেহেতু তিনি প্রভাবশালী তার ওপর আবার ডাক্তার ছিলেন। তারপর তিনি সমাজের স্বীকৃত মানুষ।” কাজি আলির এও দাবি, “এই নিয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে হয়ত বলবে আপনি স্বেচ্ছায় সম্পর্কে গিয়েছেন। তখন নির্যাতিতা বা নির্যাতিত যেই হোন না কেন দোষী হয়ে যান।”

    আরও পড়ুন: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    সিভিকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন

    সিভিক ভলান্টিয়রের সঙ্গে কি সম্পর্ক ছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের? ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটির প্রথম শ্রেণির যোদ্ধা কাজি আলি আফতাব তেমনই আশঙ্কা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, “নির্যাতিতার ঘটনায় যে সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে, হয়ত তাঁর সঙ্গে সন্দীপের (Sandip Ghosh) কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে। নয়ত অভিযুক্ত সব দোষ নিজের মাথায় নিয়ে নিচ্ছে! এমনি-এমনি তো কেউ নিজের মাথায় দোষ নেবে না। আর ওঁর যেমন স্বভাব, উনি এমন সম্পর্কে লিপ্ত থাকবেন না এর কোনও গ্যারান্টি নেই।”

    সিভিকের ফোনে বিপুল পরিমাণে নীল-ছবি!

    প্রসঙ্গত, ‘তিলোত্তমা’র দেহ উদ্ধার পর যখন কলকাতা পুলিশের হাতে অভিযুক্ত সিভিক গ্রেফতার হয়েছিলেন, সেই সময় ও তিনি পুলিশের কাছে ফাঁসির আবেদন করেছিলেন। দোষ করে বলেছিলেন, “আমায় ফাঁসি দিন।” এ দিন হয়ত সেই বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছেন কাজি আলি আফতাব। বস্তুত, আরজি করের ঘটনার তদন্তে নামার পর অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের ফোন ঘেঁটে একাধিক নীলছবি খুঁজে পেয়েছিলেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা। কার্যত চমকে ওঠেন তাঁরা। গোয়েন্দা আধিকারিকদের দাবি ছিল, অভিযুক্ত এমন ধরনের নীলছবি দেখতেন যা সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ দেখেন না।

    ছাত্রের শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত সন্দীপ!

    এর আগে, ২০১৭ সালে হংকং এক নার্সিং ছাত্রের শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তিনি ওই ছাত্রের গোপনাঙ্গ ছোঁয়ার চেষ্টা করেন। হংকং এর কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে এই ঘটনার ঘটার অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, সন্দীপ ঘোষের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া এক গোপন ল্যাপটপ নিয়েও বেশ কিছু বিস্ফোরক বিষয় উদ্ধার হয়েছে বলে বহু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করেছে। এই ল্যাপটপ উদ্ধার করে ইডি। নথির পাশাপাশি সেই ল্যাপটপ থেকে বহু ছবি উদ্ধার হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সন্দীপের ওই ল্যাপটপে মিলেছে বহু নগ্ন পুরুষের ছবি। তবে সেই ছবি নিয়ে সেভাবে এখনও ভাবনা চিন্তা শুরু করেননি তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: বাংলাদেশের ছায়া পশ্চিমবঙ্গে! পুজোর আগেই দুর্গার মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা!

    Durga Puja: বাংলাদেশের ছায়া পশ্চিমবঙ্গে! পুজোর আগেই দুর্গার মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোর (Durga Puja) আগেই দেবী দুর্গা এবং অন্যান্য হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুর (Broke idol) করেছে দুষ্কৃতীরা। মা দুর্গার মূর্তির সঙ্গে লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তিও ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিও শেয়ার করে অমিত মালব্য বলেন, “মা দুর্গা, লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তিগুলিকে অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয় দিয়ে পুজোর আগেই ভাঙচুর করা হয়েছে। বাংলায় হিন্দুরা সঙ্কটে রয়েছেন।” ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ঘটনা কোথায় ঘটেছে (Durga Puja)?

    বাংলায় সবথেকে বড় উৎসব হল দুর্গা পুজো (Durga Puja)। কিন্তু হিন্দুদের এই উৎসবের আগেই হুগলি জেলার ঝরিয়া গ্রামে নির্মীয়মাণ দুর্গা মূর্তিগুলিকে ভাঙচুর করা হয়েছে। মুসলমান রাষ্ট্র বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তানে এই ধরনের ঘটনা প্রায় প্রায় ঘটে থাকে। এবার পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের দেবদেবীর উপর আঘাত নেমে এল। শনিবার, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডলে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “হুগলির গোঘাট থানা এলাকায় মা দুর্গা, লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার কথা জানার পরেও গোঘাট পুলিশ নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তবে পুলিশকে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের সামনে মিথ্যা আশ্বাস দিলেও অপরাধীদের ধরা এবং শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে কোনও সদর্থক ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। এই মামলাটিও অন্যান্য অগণিত মামলার মতো ধামাচাপা দেওয়া হবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা সব সময় তোষণের রাজনীতি করেন। যদি আমাদের দেবদেবীরাও নিরাপদ না থাকেন, তবে বাংলার নারীরা কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন।”

    আরও পড়ুনঃ দেহ উদ্ধারের সকালে সন্দীপ-অভিজিৎ ফোনে কথা, মোক্ষম অস্ত্র সিবিআইয়ের হাতে

    ধুপগুড়িতে আগেও হামলা হয়েছিল

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতিমা ভাঙচুরের (Broke idol) ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এই বছরের মে মাসের শুরুতেই জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে অজ্ঞাত দুষ্কৃতীরা তিনটি হিন্দু মন্দিরে ঢুকে ব্যাপক ভাবে মূর্তি ভাঙচুর করেছিল। ঘটনার পর স্থানীয় হিন্দুরা বিরাট প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করেছিল। একই ভাবে গত বছর আবার বহরমপুরে সরস্বতী মূর্তি ভাঙা হয়। ২০২২ সালে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে রাধাকৃষ্ণ, কালী মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কাউকেই আটক করতে দেখা যায়নি। উল্লেখ্য, রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী, দুর্গা (Durga Puja) পুজোর ভাসান, শিব ভক্তদের শোভা যাত্রা-সহ নানা সময়ে দুষ্কৃতীদের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। সব ক্ষেত্রেই প্রশাসন নির্বিকার বলে অভিযোগ বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Grant: ‘লাগবে না ৮৫ হাজার’, আরজি করের প্রতিবাদে দুর্গা-অনুদান ফেরাল একাধিক ক্লাব

    Durga Puja Grant: ‘লাগবে না ৮৫ হাজার’, আরজি করের প্রতিবাদে দুর্গা-অনুদান ফেরাল একাধিক ক্লাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া দুর্গাপুজোর অনুদান (Durga Puja Grant) ফেরাচ্ছে একের পর এক ক্লাব। সকলেই আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে। ফলে, পুজো যত এগিয়ে আসছে, ‘দুর্গার ভান্ডার’ -এ প্রত্যাখ্যানের সংখ্যা তত বাড়ছে। এবার সেই তালিকায় এবার নাম লেখাল কলকাতা থেকে শুরু করে উত্তর ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, শিলিগুড়ির ক্লাব। সকলেরই একটাই কথা— লাগবে না ৮৫ হাজার।

    ‘‘৮৫ হাজার টাকা আমাদের দরকার নেই’’

    কলকাতার ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেহালা মধ্যপাড়া আবাহনী ক্লাব এবার সরকারি অনুদানের ৮৫ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিল। এবার ৫০ বছরে পা দিচ্ছে আবাহনী ক্লাবের পুজো। পুজো কমিটির উদ্যোক্তা দেবাশিস পাল বলেন, “আমরা ভাবতে পারছি না একজন ডাক্তার পড়ুয়ার এমন পরিণতি। আরজি করের একটা অসাধু চক্রই তো ওকে মারল। এই অন্যায় আমরা মানব না। আমরা মনে করি এখানে সরকারেরও কিছু অক্ষমতা আছে। এটা আমরা মানতে পারছি না। তাই ৮৫ হাজার টাকা আমাদের দরকার নেই। অনাড়ম্বরেই এবার আমরা পুজো করব।”

    মুখ ফেরাল দক্ষিণেশ্বরের ক্লাব (Durga Puja Grant)

    উত্তর ২৪ পরগনার দক্ষিণেশ্বরের একটি ক্লাব ও রাজ্য সরকারের পুজোর অনুদান (Durga Puja Grant) ফিরিয়ে দিল। ওই ক্লাবের তরফে স্থানীয় থানায় চিঠি দিয়ে অনুদান না গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর বিজয় সঙ্ঘের পুজো এ বছর ২৩ বছরে পদার্পণ করেছে। এ প্রসঙ্গে পুজো উদ্যোক্তা রনিতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ক্লাবের তরফে আমরা সকলে মিলে স্থির করেছি, যত দিন না আরজি করের নির্যাতিতা বিচার পাচ্ছেন, তত দিন এই অনুদান আমরা নেব না। পুজো হবে। তবে তা হবে আড়ম্বরহীন। পুজো হবে, কিন্তু উৎসব নয়। আমাদের বোন মারা গিয়েছে। সারা পৃথিবী দেখছে। এটা আমাদের কলকাতার লজ্জা। কেউ সমালোচনা করবেন না।’’

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

     তালিকায় তৃণমূলের শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়রের ওয়ার্ডের ক্লাব

    ‘দুর্গার ভান্ডার’ ফিরিয়ে দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের একটি ক্লাবও। তৃণমূলের দাপুটে নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের ওয়ার্ড হাকিমপাড়া। এই এলাকার মহিলা পরিচালিত পুজো কমিটির নাম আহ্বান। এই ক্লাব দুর্গাপুজোর আয়োজনের জন্য সরকারি অনুদান (Durga Puja Grant) নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন উদ্যোক্তারা। পুজোর আয়োজনে আড়ম্বরও বর্জন করা হয়েছে। শিলিগুড়ির ওই ক্লাবটি মূলত মহিলা পরিচালিত। শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ার আহ্বান ক্লাব এ বছর ২১ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। ক্লাবের সদস্য এবং পুজো উদ্যোক্তা মানসী দে বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনার সুবিচার চেয়ে, ন্যায়ের দাবি জানিয়ে আমরা এ বারের দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিচ্ছি।’’

    অনুদান নেবে না দুই মেদিনীপুরের দুটি ক্লাব

    দুই মেদিনীপুরের দু’টি দুর্গাপুজো কমিটি প্রত্যাখ্যান করলো রাজ্য সরকারের দেওয়া পুজোর অনুদান (Durga Puja Grant)। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Protest) ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদে ও নির্যাতিতার বিচারের দাবিতেই তাদের এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে পুজো কমিটি দু’টির তরফে। তাদের মধ্যে একটি হল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের সাগরপুর সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি এবং অন্যটি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার দিঘা মোড় সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি।

    অনুদান ফেরাল অশোকনগরের ক্লাবও

    আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের একটি পুজো কমিটি গত কয়েকবার সরকারের অনুদানের (Durga Puja Grant) টাকা নিলেও এবার তারা তা নেবে না বলে এদিন জানিয়ে দিয়েছে। অশোকনগরের বাবা পঞ্চানন্দতলা দুর্গাপুজো কমিটিও এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকারের অনুদান না নেওয়ার। পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ অসিত ঘোষ বলেন, ‘‘এই অভয়ার জন্য আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার খারাপ লাগছে খুব। আমাদের গ্রামে কত মেয়েরা আছে। তাদের কথা ভাবি আমার মেয়ের কথা ভাবি। আমরা এজন্য এ বছরে টাকা নিচ্ছি না। এবারে আমরা চাই সুবিচার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    Junior Doctor: বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই ‘থ্রেট কালচার’-এর দাপটে জুনিয়র ডাক্তাররা ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। আরজি করকাণ্ডের পর জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) লাগাতার আন্দোলনের ফলে এই বিষয়টি সামনে এসেছে। থ্রেট কালচারের সঙ্গে যুক্তদের নাম প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। চাপে পড়ে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। এই আবহের মধ্যে এবার বর্ধমান (Burdwan Medical) মেডিক্যাল কলেজের মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারণ, জুনিয়র ডাক্তাররা মুখ খুললে সিন্ডিকেটের আরও অনেক গোপন তথ্য সামনে চলে আসবে। মুখ বন্ধ করতে হোয়াটসঅ্যাপ কল করে হুমকি দিতে শুরু করেছে অভীকদের গ্যাং। এমনই অভিযোগ করছেন আন্দোলনকারীরা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা? (Junior Doctor)

    আন্দোলনকারী  এক জুনিয়র ডাক্তার শুভব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে তাঁরা জানেন কারা কারা অভিযোগ করতে পারে। এর ফলে যাঁরা অভিযোগ করছেন বা করতে পারেন, তাঁদেরকে অপরিচিত হোয়াটস্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁদেরকে মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বর্ধমান মেডিক্যালের মোট ২১ জন চিকিৎসককে কলেজ ক্যাম্পাসে যাতে ঢুকতে না পারে সেই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে, তাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পেরে অপরিচিত নম্বর থেকে ভয় দেখানো শুরু করেছেন। এটা তো পরিস্কার যে যাঁরা হুমকি দিচ্ছেন, তাঁদের পিছনে কোনও বড় হাত রয়েছে। নাহলে তাঁরা এত সাহস পায় কীভাবে? এটা তদন্তে মনে হয় বের হবে। বেশিরভাগ কল মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন পুরুষ জুনিয়র ডাক্তারও রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

    বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক বাহিনীর দাপট!

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দাপিয়ে বেড়াতেন অভীক দে। তাঁর বাহিনী জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) ওপর খবরদারি করত বলে অভিযোগ। গত ১১ অগাস্ট বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের লেকচারার থিয়েটারে রাত ১১টা পর্যন্ত বেশ কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার ও পিজিটি-কে নিয়ে বৈঠক করেন অভীক দে। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধে সাতটার পর এই লেকচারার থিয়েটার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। সেখানে কোন অধিকারে একজন রাত ১১টার সময় সেখানে বৈঠক করেন? অভিযোগ, সেদিনের ওই বৈঠকে চিকিৎসক পড়ুয়া এবং জুনিয়র ডাক্তারদের সামনে অভীক স্বীকার করেছিলেন, তিনি ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্যাতিতা চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ দেখেছিলেন। অভিযোগ, ওই বৈঠকে অভীক আরও দাবি করেন, ‘ধর্ষণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। সন্দীপ ঘোষ দোষী নন।’

    আরও অভিযোগ, এভাবেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত করেছেন চিকিৎসক অভীক দে এবং তাঁর অনুগামীরা। জুনিয়র ডাক্তার গৌরাঙ্গ প্রামাণিক জানান, সম্প্রতি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের জিবি বৈঠকে অভীক দে এবং তাঁর অনুগামীরা আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেন। এমনকী, কলেজের মধ্যেও তাঁদের হুমকি দিচ্ছে বহিরাগতরা। আন্দোলনকারীদের হস্টেল থেকে বের করে দেওয়া হবে। পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হবে না বলেও বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনের জেরে কর্তৃপক্ষ ২১ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরও হুমকি ফোন আসছেই। ইতিমধ্যেই কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নাম দিয়ে অভিযোগ জমা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share