Tag: West Bengal

West Bengal

  • Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে উধাও শীত! বুধবার থেকে ফের নামবে তাপমাত্রা, ইঙ্গিত আলিপুরের

    Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে উধাও শীত! বুধবার থেকে ফের নামবে তাপমাত্রা, ইঙ্গিত আলিপুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তিতেও কনকনে শীতের পূর্বাভাস দিল না আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বরং আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। মোটামুটি আরামদায়ক তাপমাত্রাতেই কাটছে পৌষ সংক্রান্তি। সোমবার কলকাতার (Weather Update) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৩ ডিগ্রি। তবে, আগামী বুধবার থেকে ফের কিছুটা পারদপতন হতে পারে।

    কুয়াশার দাপট কোন কোন জেলায়? (Weather Update)

    দক্ষিণবঙ্গে শীতের (Weather Update) দাপট কম হলেও উত্তরবঙ্গ শীতে কাঁপছে। দার্জিলিঙে বৃষ্টি ও তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ঘন কুয়াশা থাকবে দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলাতেই। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় জেলায়। ঘন কুয়াশা থাকবে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। কলকাতা সহ বাকি জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রাতেও বড় একটা হেরফের হবে না।। বুধবার থেকে আবার তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নামতে পারে পারদ।

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    দার্জিলিং ৪.৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ১০.১

    দার্জিলিঙে বৃষ্টি এবং তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকছে। এর ফলে উত্তরে হাওয়া ফের বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে শীতেও বাধা পড়তে পারে। রবিবার রাজ্যের শীতলতম জেলা ছিল দার্জিলিং। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.৮। কালিম্পঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ এবং পুরুলিয়ায় ১০.১। ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা নামবে ৫০ মিটারের কাছাকাছি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে ঘন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে । বেশিরভাগ জেলাতেই দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারে নিচে থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: কাঁটাতার দিতে বাধা বিজিবি-র! সীমান্তে গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক ২ বিজেপি বিধায়কের

    BSF: কাঁটাতার দিতে বাধা বিজিবি-র! সীমান্তে গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক ২ বিজেপি বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার বৈষ্ণবনগর থেকে শুরু করে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ কিংবা দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট। বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড সংক্ষেপে বিজিবির বিরুদ্ধে বারবার সীমা কাঁটাতার বসাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে এবার, সীমান্ত পরিদর্শনে গেলেন দুই বিজেপি বিধায়ক। মালদার হবিবপুরে সীমান্ত পরিদর্শনে যান বিজেপি (BJP) বিধায়ক জুয়েল মুর্মু। চৌকিতে গিয়ে বিএসএফ (BSF) আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। অন্যদিকে, বালুরঘাটে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেন বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি।

    বৈঠকের পর কী বললেন বিজেপি বিধায়করা? (BJP)

    হবিবপুরের কেদারিপাড়া সীমান্ত চৌকিতে গিয়ে বিএসএফ (BSF) আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পরে হবিবপুরের বিধায়ক বলেন, “এখানে কোনও ফেন্সিং নেই। কেদারিপাড়া থেকে বেলডাঙা এখানে ২৫ কিমি ফেন্সিং নেই। এটা রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা। রাজ্য যদি আগে ব্যবস্থা নিত, বিএসএফ-কে বা কেন্দ্রকে জায়গা দিত, তাহলে অনেক দিন আগে ফেন্সিং হয়ে যেত।” অন্যদিকে, গত বুধবার কাঁটাতার ইস্যুতেই উত্তপ্ত হয় দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট থানা এলাকার শিবরামপুর গ্রাম। এখানে প্রায় ৬০০ মিটার এলাকা কাঁটাতার হীন। সেখানে ফেন্সিংয়ের কাজ চলাকালীন, বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে বিএসএফ (BSF)। অশান্তির জেরে বন্ধ হয়ে যায় ফেন্সিংয়ের কাজ। রবিবার, সীমান্ত এলাকায় যান বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক। কথা বলেন বিএসএফের সঙ্গে। বিধায়ককে সমস্যার কথা জানান স্থানীয় মানুষরা। বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি বলেন, “গ্রামটাকে যদি কাঁটাতারের মধ্যে নিতে হয় তাহলে ওর দূরত্ব বেড়ে যায় ৯০০ মিটার। ইন্টারন্যাশনাল বর্ডারের ১৫০ মিটারের মধ্যে কোনও কন্সট্রাকশন করা যায় না। আমি কমান্ডারদের সঙ্গে কথা বললাম। বিএসএফ (BSF) আশা করি সুরাহা করবে।”

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    সরব শুভেন্দুও

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “যদি ভারতের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে, গোটা ৫-৭ ড্রোন পাঠিয়ে দিলেই ওদের কাজ শেষ হয়ে যাবে। ওসামা বিন লাদেনের থেকেও খারাপ অবস্থা হবে।” অন্যদিকে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বাধা ঘিরে গন্ডগোলের পর থেকে, মালদার বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুরে অরক্ষিত সীমান্তে এখনও কাঁটাতার দেওয়ার কাজ বন্ধ রয়েছে। বিএসএফ-বিজিবি (BSF-BGB) ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের পরেও মেলেনি সুরাহা।

    ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে বাংলাদেশিরা

    বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুরে সীমান্তের (BSF) ওপারে দেড়শো গজ এলাকা বরাবর প্রায় হাজার বিঘা চাষের জমি রয়েছে এদেশের কৃষকদের। নিরাপত্তার কারণে কয়েকদিন কৃষকদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। শনিবার ভারতীয় কৃষকরা জমিতে গিয়ে দেখেন ফসল নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বৈষ্ণবনগরের বাসিন্দা দেবেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, “এখানে কাঁটাতার লাগাতে দিচ্ছে না বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড। ওরা করতে দিচ্ছে না। জঙ্গি, জাল টাকা সব ভারতে প্রবেশ করাবে, ওই জন্য ওরা বাধা সৃষ্টি করছে। আমরা আতঙ্কে আছি। কাঁটাতার থেকে ১৫০ গজ ভিতরে জমি আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিএসএফের ওপর চোরাচালাকারীদের হামলা, পাল্টা চলল গুলি

    BSF: সীমান্তে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিএসএফের ওপর চোরাচালাকারীদের হামলা, পাল্টা চলল গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে ফের উত্তপ্ত মালদার বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর সীমান্ত। এরই মধ্যে মালদার নওদায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালানকারীদের আটকাতে গুলি চালাল বিএসএফ। অভিযোগ, প্রথমে বিএসএফ (BSF) জওয়ানরা বাধা দেওয়ায় তাঁদের ওপরে প্রাণঘাতী হামলা চালায় চোরাচালানকারীরা। তখন আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরাও। এর পরই বাংলাদেশের দিকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে ফের একবার মালদার ভারত-বাংলাদেশ (BSF) সীমান্তে চোরাচালানকারীদের আটকাতে গিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জওয়ানদের বিভ্রান্ত করতে তাঁদের চোখে হাই বিম টর্চের আলো ফেলতে থাকে বাংলাদেশি চোরাচালানকারীরা। দুষ্কৃতীদের ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে শূন্যে গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। এরই মধ্যে জওয়ানদের ওপরে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুষ্কৃতীদের দল। শেষ পর্যন্ত আত্মরক্ষার জন্য পাচারকারীদের দিকে পর পর দুরাউন্ড গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। সীমান্ত রক্ষীদের দিকে তেড়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বাঁশ, লাঠি নিয়ে চলে আক্রমণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালায় বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বেশ ভিড় জমতে দেখেই সন্দেহ জাগে সীমান্ত রক্ষীদের। কৌতূহলের বশেই সেই ভিড়ের দিকে এগিয়ে যান প্রহরারত দুই রক্ষী। তারপরই তাদের ওপর ঘন কুয়াশার আড়াল থেকে চলে আক্রমণ। রক্ষীদের বন্দুক কেড়ে নেওয়া চেষ্টাও করে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু, ওই দুই জওয়ানকে বাগে পেলেও নিজেদের কার্য সিদ্ধি করতে পারেননি তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালায় দুই জওয়ান। গুলির ভয়ে কাঁটাতার পার করা ভুলে, প্রাণ হাতে নিয়ে পালায় ওই বাংলাদেশিরা। 

    আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    বাজেয়াপ্ত ধারালো অস্ত্র, নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ

    পাচার কাজেই বাংলাদেশ (BSF) থেকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা। এপারে আসার পরেই তাদের মদত দিতে সেখানেই দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশি চোরাচালানকারীদের ভারতীয় সঙ্গীরা। তাদের ফিসফিসে গলার শব্দ পেয়ে সেদিকে ছুটে যান দুই জওয়ান, তাঁদের দিকে হামলা চালালেও, রক্ষীদের রুখতে ব্যর্থ হয় তারা। বাজেয়াপ্ত হয় কয়েকটি ধারালো অস্ত্র, নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি। এর পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের নন্দনপুর, ফর্জিপাড়া এবং মালদা জেলার হরিনাথপুর ও চুরিয়ন্তপুর সীমান্ত দিয়েও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে ঢোকার চেষ্টা ব্যর্থ করেছে বিএসএফ। উদ্ধার করা হয় মাদক, ৫টি গরু এবং অন্যান্য বেআইনি সামগ্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে সনাতনীদের ঐক্যবদ্ধ ও একজোট হওয়ার ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুক্রবার রানিগঞ্জের নতুন এগরার সভায় তাঁর (Suvendu Adhikari) দাবি, “সনাতনী হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও তাঁরা পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন। দেশছাড়া হতে হবে তাঁদের। ”আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার রানিগঞ্জের নতুন এগরায় এদিন বিকেলে ‘সংকল্প রামরাজ্য’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সভামঞ্চ থেকে সনাতনীদের একতার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি নানা ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    হিন্দুদের একজোট হওয়ার বার্তা (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে একটা সময় হিন্দু, শিখ ও পার্সিদের সংখ্যা অনেক ছিল। তাঁদের প্রচুর সম্পত্তি ছিল। কিন্তু তাঁদের সব কিছু ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে। বাংলাদেশের কথাই ধরুন না। ১৯৪৭ সালে ওই দেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের সংখ্যা ৩৩ শতাংশ। ১৯৭১ সালে তা হয় ২২ শতাংশ। আর এখন সাড়ে ৭ শতাংশ। ১৭ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু মেরেকেটে ২ কোটি হবে। তাই বলছি, সব হিন্দুরা একজোট হন।” পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিরোধী দলেনতা বলেন, “এখন রাজ্যের সব হিন্দু এককাট্টা হয়েছেন। বাঙালি হিন্দুরাও বুঝতে পেরেছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল আর সরকারে আসবে না।” এদিনের সভায় ছিলেন আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল সহ একাধিক বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব।

    তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে সরব

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফের সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ (Suvendu Adhikari) করেন, বেআইনি কয়লা ও বালি কারবারের। তিনি বলেন, “আসানসোল, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, বারাবনি, পাণ্ডবেশ্বরে অবৈধ খননের জেরে মাটির নীচে ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। যে কোনও সময় ধসে পড়বে। বৈধর থেকে দশগুণ অবৈধ খনি রয়েছে।” তাঁর দাবি, “কিছু দিন কয়লা চুরি বন্ধ ছিল। ৩ জানুয়ারি থেকে আবার রমরমা কারবার শুরু হয়েছে। এ ছাড়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরে নদী এবং আসানসোলে অজয় ও দামোদর নদে বালি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যন্ত্রের সাহায্যে বালি তোলার মতো বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে জাতীয় পরিবেশ আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ নিয়ে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক (অগ্নিমিত্রা) লাগাতার আন্দোলন করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Government: মমতার বঞ্চনার দাবি মিথ্যে, কর বাবদ বাংলাকে ১৩,০১৭ কোটি টাকা দিল মোদি সরকার

    Modi Government: মমতার বঞ্চনার দাবি মিথ্যে, কর বাবদ বাংলাকে ১৩,০১৭ কোটি টাকা দিল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে সুখবর। রাজ্যগুলিকে কর বাবদ ১,৭৩,০৩০ কোটি টাকা বণ্টন করল কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government)। পশ্চিমবঙ্গ পেল ১৩০১৭.০৬ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২৪-এ ৮৯,০৮৬ কোটি টাকা বণ্টন করা হয়েছিল। যার তুলনায় এবারের পরিমাণ অনেক বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। এই বাড়তি অর্থ রাজ্যগুলিকে উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং জনকল্যাণ প্রকল্পগুলির খরচ মেটাতে সাহায্য করবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়মমাফিক কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তোলেন। সেই দাবি যে সর্বৈব মিথ্যে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা এই বাড়তি অর্থ বরাদ্দের ঘটনায় পরিষ্কার।

    আরও পড়ুনঃ ২২ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদে রাম মন্দিরের সূচনা, ঘোষণা অম্বিকানন্দের, কারা কারা আমন্ত্রিত?

    জিএসটি বাবদ প্রাপ্য টাকা দিল কেন্দ্র

    বয়েকা অর্থ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে (Central Government) বারবার নিশানা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রাপ্য টাকা না দেওয়া এবং বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ টাকা আটকে থাকার অভিযোগ তিনি বারবার সামনে এনেছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, বারবারই রাজ্যের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মোদি সরকার (Modi Government)। এবারও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কর বাবদ পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) ১৩ হাজার ১৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2025) পেশ হবে। তার আগে এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। 

    কেন্দ্রের মতে, রাজ্যগুলির আর্থিক শক্তি বাড়াতে এবং সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক বছরে একাধিকবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে মমতা সরকার। কিন্তু কেন্দ্রের তরফে প্রতিবারই তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে। খরচের হিসেব চাওয়া হয়েছে। কিন্তু সেভাবে সঠিক তথ্য দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। যদিও চাপানউতোরের মধ্যেই কর বাবদ বড় অংশের টাকা রাজ্যকে দিল কেন্দ্র (Modi Government)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Border: সীমান্তে তৎপর বিএসএফ, চলল গুলি, ছুটে পালাল বাংলাদেশিরা

    India Bangladesh Border: সীমান্তে তৎপর বিএসএফ, চলল গুলি, ছুটে পালাল বাংলাদেশিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সীমান্তে খোলা এলাকায় কাঁটাতার বসানো নিয়ে গন্ডগোলের খবর আসছে একাধিক সীমান্ত এলাকা থেকে। অধিকাংশ জায়গায় বিজিবি পায়ে পা লাগিয়ে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করছে। তাদের সঙ্গ দিচ্ছে ওপারের সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। এই আবহের মধ্যে এবার মালদা সীমান্তে (India Bangladesh Border) চলল গুলি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটলো মালদার খুটাদাহ বর্ডার আউট পোস্টে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (India Bangladesh Border)

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশের (India Bangladesh Border) দিক থেকে অনুপ্রবেশকারীরা রাতের অন্ধকারে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করছিল। সেই সময় ভারতের দিক থেকে বেশ কয়েকজন দালাল এবং গরু পাচারকারী বাংলাদেশের সীমানার দিকে যাচ্ছিল। বিএসএফের দুই জওয়ান ওই অনুপ্রবেশকারীদের দাঁড়াতে বলে। বারবার করে চিৎকার করা হলেও অনুপ্রবেশকারীরা কাঁটাতার কেটে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ওই সময়েই দুই জওয়ান অনুপ্রবেশকারীদের দিকে তেড়ে গেলে, পাল্টা অনুপ্রবেশকারীরা ধারাল অস্ত্র নিয়ে জওয়ানদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে তখনই এক বিএসএফ জওয়ান পরপর গুলি চালিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও অনুপ্রবেশকারীদের দিকে তাক না করে তাঁদের সতর্ক করার জন্য শূন্যে তিনি গুলি চালান। কিন্তু, তারপরেও অনুপ্রবেশকারীরা বেপরোয়াভাবে ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাচ্ছে দেখে মুহূর্তেই অন্যান্য জওয়ানরা ছুটে আসেন। বন্দুক তাক করতে না করতেই অনুপ্রবেশকারীরা ছুটে পালায়।

    আরও পড়ুন: হিন্দু হওয়ায় বাংলাদেশে চাকরি থেকে তাড়ানো হল দুই সরকারি আধিকারিক, প্রধানশিক্ষককে

    ধারাল অস্ত্র বাজেয়াপ্ত

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, পাচারকারীদের (India Bangladesh Border) সঙ্গে দেখা করার জন্য ভারতের দিকে কিছু দালালও প্রস্তুত ছিল। তাঁদের কাছে ধারাল অস্ত্র ছিল বলেও বিএসএফ সূত্রে খবর। কিন্তু, বেগতিক দেখে গরু ছেড়েই তাঁরা অন্ধকারে গা ঢাকা দেয়। ঘটনায় ভারতের দিক থেকে কারা যুক্ত রয়েছেন তাঁদের খোঁজ শুরু করেছে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা। ঘটনার পর থেকেই চাপা উত্তেজনা এলাকায়। অস্ত্রগুলি বাজেয়াপ্ত করেছেন বিএসএফের জওয়ানরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বাম আমলে শিক্ষা-দুর্নীতি! ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরিপ্রাপ্তদের নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বাম আমলে শিক্ষা-দুর্নীতি! ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরিপ্রাপ্তদের নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক, নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিরোধীরা। এই পরিস্থিতিতে বাম আমলে ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে প্রাথমিকে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এই বিষয়ে বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট।

    আদালতের কী পর্যবেক্ষণ? (Calcutta High Court)

    জানা গিয়েছে, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্ড (Calcutta High Court) ব্যবহার করে ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরি (Primary Recruitment) পান কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। অভিযোগ ওঠে, বহু চাকরিপ্রার্থী ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার ২০০৯ সালের প্রাথমিকে চাকরি পাওয়া সব শিক্ষকের এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্ড যাচাই করতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশ, পরবর্তী শুনানির দিন ওই বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থাকে। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, কার্ড জালিয়াতি করে চাকরি মামলায় আগামী ২৭ জানুয়ারি সব কার্ড যাচাই করে রিপোর্ট দিতে হবে শিক্ষা দফতরের কমিশনারকে। ওই দিনই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    সিট গঠনের ইঙ্গিত!

    প্রসঙ্গত, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ (Calcutta High Court) কার্ড ব্যবহার করে ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরি পান কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। অভিযোগ ওঠে, বহু চাকরিপ্রার্থী ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন। এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। উত্তর ২৪ পরগনায় ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে ২৬ জনের চাকরি বাতিল হয়। অন্য জেলাগুলিতে ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ। বৃহস্পতিবার সব জেলার প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলকে ২০০৯ সালে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের এক্সচেঞ্জ কার্ড খতিয়ে দেখতে বলল হাইকোর্ট। বৃহত্তর জালিয়াতির ইঙ্গিত পেলে সিট গঠন করা হতে পারে বলে বিচারপতি জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Schools Dropouts: বাংলায় ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি! কেন্দ্রের রিপোর্টে রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা

    Schools Dropouts: বাংলায় ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি! কেন্দ্রের রিপোর্টে রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাতেই (Schools Dropouts)। সম্প্রতি এই নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ওই রিপোর্ট অনুযায়ী সারা দেশের স্কুল-ছুটদের সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। পশ্চিমবঙ্গে গত শিক্ষাবর্ষে তিন হাজারেরও বেশি স্কুল রয়েছে যেখানে কোনও পড়ুয়াই ভর্তি হয়নি। সম্পূর্ণ ছাত্রশূন্য। রাজ্যের (West Bengal) স্কুলগুলির এই পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ভাতা বা বই খাতা ট্যাব পাইয়ে দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করা যায় না। তার জন্য দরকার বুনিয়াদি কাঠামোর উন্নয়ন, এমনই দাবি শিক্ষামহলের।

    কেন্দ্রের রিপোর্টে ভয়ঙ্কর তথ্য

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্কুলগুলিতে (Schools Dropouts) পড়ুয়া ভর্তির হার কেমন, তা নিয়ে সম্প্রতি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের হিসেবে ওই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ওই তালিকা অনুযায়ী বাংলায় স্কুলছুটের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। রাজ্যে ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা ৩২৫৪। অথচ কোনও পড়ুয়া না থাকা এই স্কুলগুলিতে ১৪ হাজার ৬২৭ জন শিক্ষক ছিলেন। আবার এমন অনেক স্কুলও রয়েছে যেখানে পড়ুয়া ভর্তি হলেও শিক্ষক রয়েছেন মাত্র এক জন। কেন্দ্রের রিপোর্টে গত শিক্ষাবর্ষে রাজ্যে এক জন শিক্ষক থাকা স্কুল রয়েছে ৬ হাজার ৩৬৬টি।

    অন্য রাজ্যের অবস্থান

    কেন্দ্রের তরফে প্রকাশিত ২০০ পাতার ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, গোটা দেশের নিরিখে প্রায় ১৩ হাজার (১২৯৫৪টি) স্কুলে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি গত শিক্ষাবর্ষে। সেই স্কুলগুলিতে শিক্ষক ছিলেন ৩১ হাজার ৯৮১ জন। আবার প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার স্কুলে পড়ুয়া ভর্তি হলেও সেখানে মাত্র এক জন করে শিক্ষক নিযুক্ত থেকেছেন। কোনও পড়ুয়া ভর্তি না হওয়া স্কুলের সংখ্যার নিরিখে বাংলার পরেই রয়েছে রাজস্থান। সেখানে ২১৬৭টি স্কুলে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি। তালিকায় তৃতীয় তেলঙ্গানা। দক্ষিণের এই রাজ্যে ২০৯৭টি স্কুলে গত শিক্ষাবর্ষে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি।

    রাজ্যের দেওয়া তথ্য থেকেই রিপোর্ট

    কোন রাজ্যে কেমন পরিস্থিতি সে বিষয়ে প্রতি বছরই একটি রিপোর্ট (Schools Dropouts) প্রকাশ করে কেন্দ্র। শিক্ষা মন্ত্রকের অধীনস্থ ‘ইউনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন প্লাস’ থেকে এই রিপোর্টটি দেওয়া হয়। বস্তুত, রাজ্যগুলি থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রক। রাজ্যের কোন স্কুলে কী পরিস্থিতি সে বিষয়ে রাজ্য সরকারের তরফেই একটি অনলাইন ব্যবস্থায় তথ্য আপলোড করা হয়। সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকেই তা করতে হয়। সেখান থেকে পাওয়া তথ্য এবং পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এই রিপোর্টটি প্রকাশ করে কেন্দ্র। 

    বিরোধীদের নিশানায় রাজ্য সরকার

    কেন্দ্রের এই রিপোর্ট (Schools Dropouts) প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শিক্ষা ব্যবস্থায় রাজ্যের গাফিলতি নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী ও শিক্ষক সংগঠনগুলি। বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে দেশের সবচেয়ে বেশি স্কুল ড্রপআউট রয়েছে, যা লজ্জার। তিনি বলেন, “বীরভূমে স্কুল ড্রপআউটের হার ১৭.২ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ১৬.৯ শতাংশ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৬.১ শতাংশ। তাঁর মতে, রাজ্যের সকল জেলা গুলিতেই স্কুল ড্রপআউটের হার ১২ শতাংশের বেশি। কেউ জানে না স্কুল ড্রপআউটদের কী হচ্ছে। আমাদের রাজ্য থেকে ৭০ লাখ পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছে। সারা রাজ্যে বেকারত্ব চরমে। এমন পরিস্থিতি, কেউ জানে না এই স্কুলছুট ছাত্রছাত্রীরা কোথায় যাচ্ছে।” শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারীও বলেন, “রিপোর্ট অনুসারে সারা দেশের নিরিখে এ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ছাত্রশূন্য স্কুল। বহু স্কুলে এক জন করে শিক্ষক। এটি আমাদের লজ্জা। গত ১৩ বছর ধরে তৃণমূল সরকার রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে একেবারে ভেঙে দিয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন! জানেন হিন্দু ধর্মে এই রীতির মাহাত্ম্য?

    তৃণমূল সরকারের অবহেলা

    রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ, মুখে সংখ্যালঘু উন্নয়নের কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেটা শুধু ভোটের রাজনীতি, বাস্তব ছবিটা অন্য। রাজ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (Schools Dropouts) উন্নতির জন্য কোনও কাজ হচ্ছে না। মুর্শিদাবাদে বড় একটি সংখ্যালঘু জনগণ রয়েছে, প্রায় ১৭ শতাংশ। সেখানে স্কুলছুটের সংখ্যা বেশি। এরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে তা জানতে আগ্রহী নয় সরকার।  রাজ্যের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ই প্রাইভেট এবং সেগুলিতে সিট খালি রয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে কোনও মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তৃণমূল সরকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি নিয়ে আগ্রহী নয়। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক স্তরের ড্রপআউটের হার ১৮.৭৫ শতাংশ। রাজ্য প্রশাসন এবং শিক্ষা বিভাগকে এই বিষয়টি নজর দিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Case Verdict: আরজি করকাণ্ডে শেষ হল বিচার প্রক্রিয়া, শিয়ালদা কোর্টে ১৮ জানুয়ারি সাজা ঘোষণা

    RG Kar Case Verdict: আরজি করকাণ্ডে শেষ হল বিচার প্রক্রিয়া, শিয়ালদা কোর্টে ১৮ জানুয়ারি সাজা ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Case Verdict) বিচারপর্বের চূড়ান্ত রায়দানের দিনও জানিয়ে দিল আদালত। গত ১১ নভেম্বর আরজি করের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। টানা দু’মাস ধরে তা চলল। এই মামলায় আগেই চার্জশিট দিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেখানে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কেই একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। আদালতে তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নভেম্বর থেকে মামলার শুনানি শুরু হওয়ার পর ৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার শিয়ালদা ফার্স্ট অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ (ফার্স্ট এডিজে) অনিবার্ণ দাসের এজলাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে।

    ১৮ জানুয়ারি রায় ঘোষণা (RG Kar Case Verdict)

    আদালত (RG Kar Case Verdict) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ জানুয়ারি দুপুর দুটো থেকে আড়াইটের মধ্যে এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবেন বিচারক। এই বিষয়ে এক আইনজীবী বলেন, “আমাদের দাবি বা যারা এই ঘটনায় যুক্ত তারা যে সাজা পায়। এক চার্জশিট জমা হয়েছে। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়া হতে পারে। তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।” গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হল থেকে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে ধর্ষণ এবং খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরের দিনই কলকাতা পুলিশ অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছিল। চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয় বাংলা। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রতিবাদে উত্তাল হয় দেশ থেকে বিদেশ। পরে এই ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সুপ্রিম কোর্টেও ওঠে মামলা। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ প্রথমে আর্থিক বেনিয়ম ও দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে, ধর্ষণ মামলাও যুক্ত করা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর তথ্য প্রমাণ লোপাটের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। গ্রেফতারের ৯০ দিন পরেও চার্জশিট দিতে পারেনি সিবিআই। সে কারণেই সন্দীপ-অভিজিৎকে ধর্ষণ মামলায় জামিন দিয়েছে শিয়ালদা আদালত। তবে, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলেই রয়েছেন সন্দীপ।

    সঞ্জয়ের আইনজীবী কী বললেন?

    শুনানিতে সঞ্জয়কে নির্দোষ বলে দাবি করে তার আইনজীবী (RG Kar Case Verdict) সৌরভ বন্দ্যোপাধয়ায়। এই বিষয়ে ধৃতের আইনজীবী সওয়ালে বলেন, “এই ঘটনার স্বপক্ষে সিবিআই যে প্রমাণ দিচ্ছে, তা অপর্যাপ্ত। সঞ্জয় এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। এছাড়াও নির্যাতিতার শরীরে ধস্তাধস্তির কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। গোটা ঘটনা সাজানো হতে পারে। ধৃতকে ফাঁসানো হয়েছে। অভিযুক্ত কিছুই করেনি। অভিযুক্তের আঙুলের ছাপও মেলেনি। হতে পারে পুরোটাই পরে সাজানো হয়েছে।”

    ফাঁসির দাবি করেছে সিবিআই

    আরজি কর-কাণ্ড নিয়ে আদালতে এর আগেও সিবিআই নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছে। ধৃতের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সিবিআইয়ের আইনজীবীরা। চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা বিরলতম ঘটনা বলে মন্তব্য করে সঞ্জয় রায়ের ফাঁসির দাবি করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Passport Scam: একবছরেই সমীরের একতলা বাড়ি হয়ে যায় চারতলা প্রাসদোপম অট্টালিকা, পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার ৪

    Passport Scam: একবছরেই সমীরের একতলা বাড়ি হয়ে যায় চারতলা প্রাসদোপম অট্টালিকা, পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একতলা সাধারণ বাড়ি হয়ে যায় চারতলা প্রাসদোপম অট্টালিকা। আর সেটা হয়েছিল এক বছরের মধ্যে। করোনাকাল এবং তার পরবর্তী সময়েই পাসপোর্ট (Passport Scam) জালিয়তিকাণ্ডে ধৃত সমীর দাসের জাল নথির কারবারে রমরমা হয়েছিল। রীতিমতো একটি বিশাল চক্র তৈরি করে তিনি কারবার ফেঁদে বসেছিলেন। শুধু এপার বাংলা নয়, তার হাত ছিল ওপার বাংলা পর্যন্ত। সেখান থেকেও কাজের বরাত পেতেন তিনি। আর বাংলাদেশের অশান্ত পরিস্থিতির জন্য তাঁর চাহিদাও খুব বেড়ে গিয়েছিল। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তারাও সমীর দাসের চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিল। এছাড়াও টিকিয়াপাড়া থেকে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। সব মিলিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ঠিক কীভাবে করতেন কারবার? (Passport Scam)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসাত আদালতে (Passport Scam) মুহুরির কাজ করার সুবাদে ঝুঁকি এড়াতে আদালতের হলফনামা দিয়েই জাল নথি তৈরি করতেন সমীর। জাল নথিতে থাকত তাঁরই বাড়ির ঠিকানা। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিজের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে, নিজের ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়ো পরিচয় পত্র বানিয়ে দিতেন সমীর। ইতিমধ্যেই তাঁর ২ ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পলাতক আরও একজনের খোঁজ চলছে। সমীর দাস গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন ওই ব্যক্তি। বারাসাতের নবপল্লিরই বাসিন্দা তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই সমীর দাস এবং তাঁর সহযোগীরা এই জাল নথির কারবার রমরমিয়ে চালাচ্ছিলেন। অথচ অন্ধকারে ছিল প্রশাসন। সূত্রের খবর, গত বছর মার্চ মাস থেকে বাংলাদেশে অচলাবস্থা শুরু হওয়ার পরে, ওপার বাংলা থেকে এপারে আসার চাহিদা বেড়েছে। সেই সঙ্গে হেরফের হয়েছে সমীর দাসের তৈরি করা রেট চার্টেও। টাকার অঙ্ক বেড়েছে বই কমেনি। কোনও জনপ্রতিনিধির থেকে শংসাপত্র নেওয়ার প্রয়োজনই ছিল না। বাংলাদেশ থেকে যাঁরা আসতেন, তাঁরা আগেই যোগাযোগ করতেন সমীর দাসকে। রীতিমতো বরাত দেওয়া হত। এপারে নথি তৈরি হলে খবর পৌঁছে যেত পড়শি দেশে। তারপরই হত অনুপ্রবেশ। আর আদালতের হলফনামার সাহায্যেই যাবতীয় নথিপত্র পৌঁছে যেত অনুপ্রবেশকারীদের হাতে।

    নথি জালিয়াতিতে ধৃত দুজনের কী কারবার ছিল?

    সমীর দাসের যে দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে (Passport Scam) গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে একজনের নাম কৌশিক মণ্ডল। অন্যজন চন্দন চক্রবর্তী। জানা গিয়েছে, কৌশিক মণ্ডলের বাড়ি বারাসাতের চৈতন্য নগরে। বারাসাতের চাঁদুর মোড়ে শীতলাতলা রোডে একটি দোকান ছিল তাঁর। দোকানের বয়স তিন বছর। আধার কার্ড,প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড সংশোধন-সহ বিভিন্ন নথি তৈরির কাজ হতো ওই দোকানে। তিন বছর ধরে চুটিয়ে চলছিল ব্যবসা। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাইরে থেকে অনেক লোক এসে এই দোকানে ভিড় জমাতেন। অনেক রাত পর্যন্ত চলত কাজ। কৌশিক ওই দোকানে রেশন কার্ড তৈরি করতেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সংশোধনের জন্য চড়া দামও নেওয়া হতো, প্রায় ৪০০ টাকা। এমনই অভিযোগ করেছেন এক স্থানীয় বাসিন্দা। কোনও পরিস্থিতিতেই ‘রেট’ কমত না। আর শুধু বারাসাত কিংবা অন্যান্য শহরতলি নয়, কলকাতা শহরের বিভিন্ন প্রান্তেও ছড়িয়ে রয়েছে সমীর দাসের এই জাল নথি কারবারের সহযোগীরা।

    টিকিয়াপাড়া থেকে গ্রেফতার আরও ২

    জাল পাসপোর্টকাণ্ডের (Passport Scam) তদন্তে নেমে জাল নথি তৈরির অভিযোগে টিকিয়াপাড়া থেকে ২ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ। ধৃতরা মোটা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন জাল নথি তৈরি করে দিত বলে অভিযোগ। ধৃতদের জেরা করে তারা জাল পাসপোর্টচক্রের সঙ্গে যুক্ত কি না জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতরা হল বিশ্বজিৎ দে ও ফাহরুখ আনসারি। দীর্ঘদির ধরে জাল নথির কারবারে যুক্ত এরা। জাল মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট, জাল বার্থ সার্টিফিকেট, জাল স্ট্যাম্প পেপার থেকে শুরু করে হেন কোনও জাল নথি নেই যা এরা তৈরি করে না। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জেরা শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। তারা কাদের কাদের জাল নথি তৈরি করে দিয়েছেন তা জানার চেষ্টা চলছে। ধৃতদের সঙ্গে জাল পাসপোর্ট চক্রের যোগ রয়েছে কিনা তাও জানার চেষ্টা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share