Tag: West Bengal

West Bengal

  • RG Kar Scam: ‘আরজি করে সন্দীপের হাত ধরে হওয়া দুর্নীতি বিগ স্ক্যাম’, বলল আদালত

    RG Kar Scam: ‘আরজি করে সন্দীপের হাত ধরে হওয়া দুর্নীতি বিগ স্ক্যাম’, বলল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Scam) চিকিৎসক পড়ুয়ার খুনের পাশাপাশি এই হাসপাতাল দুর্নীতির আঁতুড়ঘর। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের হাত ধরে এই হাসপাতালে বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে। তাঁর হাত ধরেই কাজের বরাত পেয়েছেন ঘনিষ্ঠরা। ইতিমধ্যেই সেই দুর্নীতির তদন্ত করছে সিবিআই। আর এই দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন আলিপুর আদালতের বিচারক সুজিত কুমার ঝা।

    আদালতে কী জানাল সিবিআই? (RG Kar Scam)

    এক সরকারি হাসপাতাল (RG Kar Scam) থেকে আরেক সরকারি হাসপাতাল। সন্দীপ ঘোষের সহচর ছিলেন বিপ্লব সিং, সুমন হাজরা-রা। সন্দীপের সঙ্গেই হাসপাতাল বদল হত বিপ্লব-সুমনদের। আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতিতে এবার ত্রিফলা যোগের দাবি করল সিবিআই। আলিপুর আদালতে তাদের দাবি, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে থাকাকালীন সন্দীপের সঙ্গে পরিচয় হয় ভেন্ডর বিপ্লব সিংয়ের। সন্দীপ ন্যাশনাল মেডিক্যালের সুপার পদে বদলি হতেই, সেখানে কাজ পেতে শুরু করেন বিপ্লব। তাঁর সূত্র ধরেই আরেক ভেন্ডর সুমন হাজরার সঙ্গে পরিচয় হয় সন্দীপের (Sandip Ghosh)। সুমনও ন্যাশনাল মেডিক্যালে বরাত পেতে শুরু করেন। এরপর সন্দীপ আরজি কর মেডিক্যালের অধ্যক্ষ হওয়ার পর যাবতীয় টেন্ডার যেত বিপ্লব-সুমনের কাছে। আর জি কর মেডিক্যালে দুর্নীতির জাল তৈরিতে প্রত্যক্ষ যোগ ছিল সন্দীপ-বিপ্লব-সুমনের। আদালতে নথি পেশ করে দাবি করেছে সিবিআই। সিবিআইয়ের আইনজীবী আরও দাবি করেন, ধৃত তিন জনের সঙ্গে সন্দীপ ঘোষের গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। সেটা সামনে আসা দরকার।

    আরও পড়ুন: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    আরজি করে ‘বিগ স্ক্যাম’

    আলিপুর বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালতের বিচারক সন্দীপ ঘোষকে সিবিআই হেফাজতে পাঠানোর আদেশনামায় লিখেছেন, ‘‘কেস ডায়েরি যত্ন সহকারে খুঁটিয়ে পড়ার পর বোঝা যাচ্ছে এই কেস একটি বড় স্ক্যাম। এজেন্সিকে এই দুর্নীতির মানি ট্রেল ও কীভাবে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা খুঁজে বের করতে হবে।’’ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আরজি করের (RG Kar Scam) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া সন্দীপ ঘোষ-সহ তিন জনকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক সুজিত কুমার ঝা-এর এজলাসে মামলাটি ওঠে। তবে সন্দীপের আইনজীবী জামিনের আর্জি জানাননি। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার তাঁদের আদালত চত্বরে দেখা মাত্রই ক্ষোভ উগরে দিলেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আইনজীবীদের একটা বড় অংশ। নিজাম প্যালেস থেকে আলিপুর আদালতে শোনা গেল চোর-চোর ও ধিক্কার স্লোগান। আদালত কক্ষ থেকে সন্দীপ-সহ চারজনকে বের করার সময়েও, ফের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আদালত চত্বর। স্লোগানের পাশাপাশি সন্দীপ ঘোষকে চড়ও মারেন একজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সন্দীপ ঘোষের মামলা অন্য রাজ্যে নিয়ে যাক সিবিআই’, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘সন্দীপ ঘোষের মামলা অন্য রাজ্যে নিয়ে যাক সিবিআই’, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজভ্যালির মামলা ভিন রাজ্যে নিয়ে গিয়ে সিবিআই তদন্ত করেছিল। আরজি কর ইস্যুতে তদন্ত করছে সিবিআই। এমনকী, এই হাসপাতালের দুর্নীতি মামলার তদন্তভার রয়েছে কেন্দ্রীয় এই সংস্থার হাতে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে সিবিআই গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এবার আরজি কর ইস্যুতে সন্দীপসহ সিবিআই হাতে থাকা মামলা ভিন রাজ্যে নিয়ে গিয়ে তদন্ত করার আর্জি জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ঠিক কী বলেছেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    আরজি কর ইস্যুতে বিজেপির সপ্তাহব্যাপী ধর্মতলায় ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধর্না মঞ্চে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখার সময় মঙ্গলবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমরা চাই সিবিআই এই রাজ্যের মামলা গুলো অন্য রাজ্যে নিয়ে যাক। যেমন রোজভ্যালির মামলা ভুবনেশ্বরে নিয়ে গিয়েছিল। সন্দীপ ঘোষের দুর্নীতি মামলাও বাইরে নিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজনে শীঘ্রই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমি সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে অনুরোধ করে চিঠি লিখব।” বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, “নির্যাতিতার পরিবারকেও এই বিষয়ে অনুরোধ করে বলব আপনারাও একই দাবি জানান।” শুভেন্দুর এই দাবি ঘিরেই বর্তমানে ফের নতুন চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কী মামলা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন শুভেন্দু? তাঁর দাবি ঘিরে সেই জল্পনাই তীব্র হতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    সন্দীপ ঘনিষ্ঠরা পেতেন টেন্ডার!

    প্রসঙ্গত, দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই সন্দীপ-সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। সন্দীপ ছাড়াও সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে আফসার আলি, সুমন হাজরা ও বিপ্লব সিং নামে তিন ব্যক্তিকে। এরমধ্যে আফসার সন্দীপের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী। বাকি দুজন ভেন্ডর হিসেবে পরিচিত। কোনও অজ্ঞাত কারণে হাসপাতালের বেশিরভাগ টেন্ডার তাঁরাই পেয়ে যেতেন বলে অভিযোগ। যদিও শুনানির শুরু থেকেই সন্দীপকে ১০ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়েছিল সিবিআই। যদিও শেষ পর্যন্ত বিচারক সুজিত কুমার ঝা অভিযুক্ত সকলেরই ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত মঞ্জুর করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ফের রাজ্যজুড়ে রাত দখলের ডাক, আন্দোলনে সামিল হবে নির্যাতিতার পরিবারও

    RG Kar Protest: ফের রাজ্যজুড়ে রাত দখলের ডাক, আন্দোলনে সামিল হবে নির্যাতিতার পরিবারও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Protest) সুবিচারের দাবিতে স্বাধীনতা দিবসের আগেরদিন রাত দখলের (Raat Dokhol) অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী ছিলেন রাজ্যবাসী। আবারও পথে নামছে আমজনতা। সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের শুনানির আগের ফের রাত দখল করার ডাক কলকাতা থেকে জেলায় জেলায়। ইতিমধ্যেই কলকাতার (Kolkata) বিভিন্ন এলাকা সহ গোটা রাজ্য জুড়ে বহু জায়গাতেই ফের রাত দখলের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এই কর্মসূচিকে স্বতঃস্ফূর্ত নাগরিক প্রতিবাদ হিসেবেই দাবি করা হচ্ছে।

    রাত দখলের ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায় (RG Kar Protest)

    সেপ্টেম্বর মামলার শুনানির আগের রাতে নিজ নিজ এলাকায় রাত দখলের (Raat Dokhol)  ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্ট। লেখা হয়েছে, ‘বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা রাত জাগছে সেই জনতা।’ প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছে বিচারব্যবস্থার দিকেও। প্রশ্ন এক, ‘২৬ দিন গেলেও ধর্ষণের বিচার নেই কেন?’ প্রশ্ন দুই, ‘কর্মক্ষেত্রে মর্যাদার প্রশ্ন আদালত কানে নেয় না কেন?’ প্রশ্ন তিন, ‘কেন্দ্রে আনা নতুন আইনে লিঙ্গ প্রশ্ন পিছনে কেন?’ ৪ সেপ্টেম্বর কর্মসূচি শুরু রাত ১১টায়। নিজ নিজ এলাকায় মানববন্ধন (RG Kar Protest) গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হয়েছে। তার আগে, রাত ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঘরে ঘরে আলো নিভিয়ে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেই আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    কোথায় কোথায় আন্দোলন?

    বুধবার রাতে আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Protest) সুবিচার চেয়ে ফের সাধারণ মানুষকে পথে নামার আর্জি জানিয়ে সমাজমাধ্যমে জোর প্রচার শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কলকাতার ধর্মতলা, শ্যামবাজার, যাদবপুর ৮বি বাস স্ট্যান্ড, গড়িয়াহাট, লেক গার্ডেন্স লর্ডস মোড়, কলেজ স্ট্রিট, নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা গেট, বেহালা, সিঁথির মোড় সহ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে আরজি কর কাণ্ডের কলেজ স্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মিছিলও হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, কল্যাণী, আসানসোল, বালুরঘাট, কৃষ্ণনগর, শ্রীরামপুর, চুঁচুড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাত দখল (Raat Dokhol) কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের শুনানি রয়েছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ফের উঠবে। স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই আরজি কর কাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগের শুনানিতে পুলিশি তদন্ত নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের বক্তব্য জানাবে রাজ্য সরকারও। শুনানির আগের রাতে রাজ্যজুড়ে ফের প্রতিবাদে সরব হবেন রাজ্যবাসী।

    রাত দখলে থাকবে নির্যাতিতার পরিবার!

    নির্যাতিতা চিকিৎসকের পরিবারও এবার পা মেলাবে ‘রাত দখল’ (Raat Dokhol) কর্মসূচিতে। তবে তাঁর বাবা-মা থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কী জানাল পরিবার? নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, “রাত দখলে (RG Kar Protest) পরিবারের সদস্যরা থাকবে। আমরা যাব কি না, গেলে কখন যাব, এখনও ঠিক হয়নি। তবে, গেলে আরজি করেই যাব।” তিনি আরও বলেন, “সন্দীপ ঘোষ দুর্নীতি মামলায় ধরা পড়েছে। আমাদের মেয়ের ব্যাপারে তো ধরা পড়েনি। তাই এই নিয়ে কি বলব! খুব তাড়াতাড়ি খুন ও দুর্নীতির মামলায় সাফল্য সিবিআই পাবে বলেই আশা রাখছি। তবে আমার মেয়ে দুর্নীতির বলি হয়েছে বলেই মনে করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি, সুকান্তের নেতৃত্বে বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

    Sukanta Majumdar: ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি, সুকান্তের নেতৃত্বে বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের চেষ্টায় অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি করেছে বিজেপি। আরজি করে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও অভিযান কর্মসূচি ছিল। সেই অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় বালুরঘাটে। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জেলা প্রশাসনিক ভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ বাধা দিলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক ভবন চত্বরে।

    মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার (Sukanta Majumdar)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে এদিন বালুরঘাটে জেলা প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে এগোলে পুলিশ ব্যারিকেড করে তাঁদের বাধা দেয়। সেই ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে যায়। একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনিক ভবনে ঢুকতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। তাতে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রতিবাদ সভাও হয়েছে। সেখানে প্রধান বক্তা ছিলেন সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “প্রশাসনিক ভবনে ঢুকতে গেলে আমাদের পুলিশ আটকে দেয়। আমাদের কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে দিয়েছে। কর্মীদের না আটকালে আরও বড় গন্ডগোলে পরিণত হত। আমরা কোনও গন্ডগোল চাই না। গোটা রাজ্য জুড়ে আরজি কর শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের সব জায়গায় মহিলারা ধর্ষিত হচ্ছে। আমরা বংশীহারীর ধর্ষণ কাণ্ডের অভিযুক্তর ফাঁসির দাবিতে এই বিক্ষোভ করলাম।”

    বিধানসভায় আনা বিল নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    বিধানসভায় ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুর বিল নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “এই বিল লোক দেখানো বিল। আমরা এই বিল সমর্থন করেছি। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর মুখোশ খোলার জন্য। একইসঙ্গে আরজি কর ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান সুকান্ত। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে আদিবাসী ওই স্কুল ছাত্রীর ঘরে ঢুকে পড়ে অভিযুক্ত। মেয়েটির পাশের ঘরে তার বাবা মা ঘুমোচ্ছিল। সেই সময় ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

    প্রমাণ না রাখার জন্য অভিযুক্ত প্যান্টের দড়ি দিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টাও করে বলেও দাবি নির্যাতিতার পরিবারের। মেয়েটির গলায় দাগ রয়েছে। তবে মেয়েটির চিৎকারে ছুটে আসে পরিবার ও প্রতিবেশীরা। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। রাতেই নির্যাতিতাকে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযুক্তকে ধরে ফেলে পুলিশ। সেই অভিযুক্তর ফাঁসির দাবিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও কর্মসূচি করে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান, ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত

    CBI: সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান, ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ৮ দিনের সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সোমবারই তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। মঙ্গলবার সন্দীপকে আদালতে পেশ করে ১০ দিনের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় সিবিআই। আদালত শেষ পর্যন্ত ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান (CBI)

    মঙ্গলবার দুপুরে গাড়িতে চাপিয়ে সন্দীপকে নিজ়াম প্যালেসে সিবিআই (CBI) দফতর থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন কয়েকজন। সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ধরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। সেসব কাটিয়েই সন্দীপকে নিয়ে আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন সিবিআই আধিকারিকরা। আদালত চত্বরেও সন্দীপের গাড়ি ঘিরে হট্টগোল শুরু হয়। সোমবার সন্দীপের সঙ্গে সিবিআই গ্রেফতার করে চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসিন্দা বিপ্লব সিংহ এবং একটি ওষুধের দোকানের মালিক সুমন হাজরাকে। গ্রেফতার করা হয় সন্দীপের নিরাপত্তারক্ষী আফসর আলিকে।

    মঙ্গলবার এই তিনজনকেও আদালতে হাজির করায় সিবিআই। আদালতে সিবিআইয়ের দাবি ছিল, আর্থিক দুর্নীতির একটি বড় চক্র রয়েছে। কারা এই চক্রে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সিবিআইয়ের তরফে বলা হয় তারা সন্দীপ ঘোষকে ১০ দিনের জন্য হেফাজতে চান। কারণ তাঁকে জেরা করলে অনেক গোপন তথ্য উঠে আসবে। অভিযুক্তদের সঙ্গে আরও অনেকে জড়িয়ে রয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই ৪ জনকে যদি জেরা করা যায় তাহলে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। আরও অনেককে গ্রেফতার করা যাবে। কারণ অপরাধের পরিধি অনেকটাই বড়।  সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) আইনজীবী জানান, সবসময় তারা সিবিআইকে সহযোগিতা করে গিয়েছেন। প্রত্যেক দিনই সন্দীপ ঘোষ সিবিআই দফতরে যেতেন। ভবিষ্যতেও সহযোগিতা করবেন। ওই সওয়াল জবাব শোনার পর সন্দীপ ঘোষ ও বাকি ৩ জনকে ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সন্দীপ

    টানা ১৫ দিন সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি হওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার হন সন্দীপ। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানানো হয়, আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন সন্দীপ। সন্দীপের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যে একটি হল বায়োমেডিক্যাল ওয়েস্ট পাচার। পাশাপাশি আরজি করের মর্গে পড়ে থাকা শনাক্ত হয়নি এমন দেহ পাচারের অভিযোগও রয়েছে সন্দীপের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: চুক্তিতে নিয়োগ পুলিশে! ‘এমনটা আর কোথাও দেখিনি’,  রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: চুক্তিতে নিয়োগ পুলিশে! ‘এমনটা আর কোথাও দেখিনি’, রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ নিয়ে ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট। সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে শুরু করে পুরসভা, সর্বত্র চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মী। যা শুনে রীতিমতো হতবাক হয়ে যান প্রধান বিচারপতি। মামলার শুনানিতে তাঁর পর্যবেক্ষণ, গোটা দেশে এমনটা কোথাও হয় না। সব সীমানা পেরিয়ে যাচ্ছে বলেও এদিন মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতির। সব মিলিয়ে চুক্তিভিত্তিক কর্মী (Contractual workers) নিয়োগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) চরম সমালোচনার মুখে পড়ল রাজ্য সরকার।

    রাজ্যকে ভর্ৎসনা (Calcutta High Court)

    গত মার্চ মাসে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় চুক্তির ভিত্তিতে আদালতের (Calcutta High Court) কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় রাজ্য। ওই বিজ্ঞপ্তিতে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ ওই নিয়োগের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে। ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। মঙ্গলবার চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত এই মামলার শুনানিতে রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী হিসেবে সওয়াল করেন ফিরদৌস শামিম। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দিয়ে জানায়, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর সিঙ্গল বেঞ্চ যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, আপাতত তা বহাল থাকবে। মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, চুক্তিভিত্তিক কর্মী দিয়ে সারা রাজ্য চলছে। ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা যেতে পারে। কিন্তু তা নিয়মিত ভাবে করা যায় না। শুনানিতে রাজ্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “সর্বত্র কী ভাবে চুক্তির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করা যেতে পারে? এমন জিনিস আমি আর কোথাও দেখিনি।” এর পাশাপাশি তাঁর প্রশ্ন, “চুক্তিতে নিয়োগ হলে কর্মীরা দায়িত্বশীল হবেন কী ভাবে? আদালতের কর্মী যদি চুক্তিভিত্তিক হন, তবে একটি ফাইল হারিয়ে গেলে তার দায় তিনি নেবেন কেন? তখন দায়িত্ব কে নেবেন?”

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    পুলিশও চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ!

    মঙ্গলবারের শুনানিতে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “যাঁরা ৩-৪ ঘণ্টার জন্য কাজ করেন, তাঁদেরকে না হয় চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করলেন। তা বলে সব কর্মী কীভাবে অস্থায়ী ভাবে নিয়োগ করা হচ্ছে? আদালতের (Calcutta High Court) কাছে এটা বোধগম্য নয়। এখানে পুলিশও চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়। সকাল থেকে সারাদিন কাজ করিয়ে ১৪ হাজার টাকা বেতন দেওয়ার জন্যই কি নিয়োগ? দেশের কোথাও আমি এমন দেখিনি।” তার পরেই ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC MLA: ‘‘এমএলএ বলে যা খুশি করবেন’’! ট্রেনের যাত্রীদের ক্ষোভের মুখে তৃণমূল বিধায়ক

    TMC MLA: ‘‘এমএলএ বলে যা খুশি করবেন’’! ট্রেনের যাত্রীদের ক্ষোভের মুখে তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। শাসক দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ। এই আবহের মধ্যে এক্সপ্রেস ট্রেনে টিকিট বিতর্কে জড়়ালেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নবগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) কানাইচন্দ্র মণ্ডল। ট্রেনের কামরার মধ্যে টিকিট পরীক্ষকের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে তিনি বচসায় জড়িয়ে পড়েন। আর সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী রয়েছে? (TMC MLA)

    হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা করার জন্য মঙ্গলবার খাগড়াঘাট স্টেশন থেকে ডাউন মালদা টাউন-হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের সংরক্ষিত এসি কামরায় ওঠেন নবগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) কানাইচন্দ্র মণ্ডল। ট্রেনে টিকিট পরীক্ষক এসে বিধায়ক কানাই চন্দ্র মণ্ডলের কাছ থেকে তাঁর পাশের সিটে বসা ভদ্রমহিলার টিকিট চান। বিধায়ক জানান যে, তাঁর স্ত্রীর টিকিট ছিল। কিন্তু, অসুস্থতার জন্য তিনি আসতে পারেননি। তাঁর পরিবর্তে ওই মহিলা যাচ্ছেন। এরপরই টিকিট পরীক্ষক এবং বিধায়ক বচসায় জড়িয়ে পড়েন।

    ‘‘আপনি এমএলএ বলে যা খুশি করবেন?’’

    ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ট্রেনের অন্দরে টিকিট পরীক্ষকের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন নবগ্রামের বিধায়ক কানাইচন্দ্র মণ্ডল। ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে, এক পুরুষ কণ্ঠ বলছেন, ‘‘আপনি এমএলএ বলে যা খুশি করবেন?’’ একইসঙ্গে মহিলা কণ্ঠও সরব হতে থাকে। এক মহিলা বলছেন, ‘‘ট্রেনে এমন একটা হ্যাজার্ড.. একটা ক্যাওস সৃষ্টি করছেন! অন্যের টিকিটে চলে আসবেন?’’ এরপরই এই বক্তব্যের জবাব দিতে উদ্যত হন তৃণমূলের বিধায়ক। ফের ওই মহিলা যাত্রীর কণ্ঠে শোনা যায়, ‘‘আপনি টিটিইকে টিকিট দেখান।’’ এই পরিস্থিতিতে গলা চড়াতে দেখা যায় বিধায়ককে। পাল্টা সহযাত্রীরাও সরব হতে থাকেন।

    ‘‘জেনারেলের টিকিট নিয়ে আপনি এখানে বসে’’!

    এই পরিস্থিতিতে কয়েকজনকে দেখা যায়, ঘটনার ভিডিও করতে। তখন দেখা যায়, আরও একজন বক্তব্য রাখছেন বিধায়কের হয়ে। আবারও সহযাত্রীরা আরও সরব হয়ে বলেন, ‘‘জেনারেলের টিকিট নিয়ে আপনি এখানে বসে..।’’ ভিডিও শেষের দিকে দেখা যায় সেই মহিলা কণ্ঠ বলছেন, ‘‘কী অবস্থা.. হয় না এসব। আপনারা যা খুশি করছেন…।’’ বারবার বক্তব্য ওঠে, ‘‘ওনার নামে তো টিকিট নেই।’’ এরপরই বিধায়ককে বলতে শোনা যায়, ‘‘আপনি কোর্টে যান..।’’ পাল্টা পুরুষ কণ্ঠকে বলতে শোনা যায়, ‘‘কেন যাব কোর্টে?’’ তখন ওই মহিলা কণ্ঠকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আপনারা পারবেন না.. এই তো চলছে দেশে।’’ এরপর তৃণমূল বিধায়ক বলেন, আপনার যা করণীয় করুন।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    সরব অগ্নিমিত্রা পল

    এই ঘটনা নিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল টুইটারে পোস্ট করে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, ‘‘নবগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) কানাইচন্দ্র মণ্ডলের সঙ্গে ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে সফর করছিলেন ২ জন, যাঁদের মধ্যে এক জনের কাছে যে টিকিট ছিল, তা তাঁর নিজের নয়। তা নিয়ে ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক প্রশ্ন করতেই পাল্টা সরব হন বিধায়ক। এরপরই ট্রেনে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। কয়েকজন নেতা যে নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে ভাবেন, এই ঘটনা ফের একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।’’

    <

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ‘‘আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে’’, সন্দীপ গ্রেফতার হওয়ায় বলল নির্যাতিতার পরিবার

    RG Kar Protest: ‘‘আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে’’, সন্দীপ গ্রেফতার হওয়ায় বলল নির্যাতিতার পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে দুর্নীতি মামলায় (RG Kar Protest) সোমবার সন্ধ্যেয় গ্রেফতার হন হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। তাঁর গ্রেফতারির দাবিতেই রাজ্যজুড়ে সরব হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। নির্যাতিতার বাবা-মা বার বার সন্দীপের গ্রেফতারির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। স্বাভাবিকভাবে  সন্দীপের গ্রেফতারিতে খুশি নির্যাতিতার পরিবার। একে নৈতিক জয় হিসেবেই দেখছেন তাঁরা।

    দোষীদের ফাঁসি চান নির্যাতিতার বাবা (RG Kar Protest)  

    নির্যাতিতার বাবা নিজের বাড়িতে (Panihati) বলেন, ‘‘আমার মেয়ে তো দুর্নীতির বলি হয়েছে, সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। পুরো বিভাগকেই আমরা এর জন্য প্রথম থেকে দায়ী করে আসছি। আজ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) গ্রেফতার হয়েছেন। আরও যাঁরা জড়িত আছেন তাঁরাও গ্রেফতার হোক। যেদিন এদের সবার ফাঁসি হবে, সেদিন মনের আশা কিছুটা পূরণ হবে।’’ অন্যদিকে, নির্যাতিতার মা বলেন, ‘‘আমি তো একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি। তাঁকে পুরো ডাক্তার তৈরি করে তারপর হারিয়েছি। এর জন্য পুরো হাসপাতালকেই (RG Kar Protest) দায়ী করব। আর এর মাথা সন্দীপ ঘোষ। একটু হলেও এখন আশা পাচ্ছি আমি বিচার পাব।’’ জুনিয়র চিকিৎসকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁরা। সন্দীপের গ্রেফতারিতে ছাত্রদের নৈতিক জয় দেখছেন নির্যাতিতার মা। তিনি আরও বলেন, ‘‘আন্দোলন আরও জোরাল করা উচিত। আমরাও যাব। আমিও ৪ তারিখ আরজি কর যাব। ওদের পাশে দাঁড়াব।’’ সন্দীপের (Sandip Ghosh) পর আর কোনও রাঘববোয়াল কি ধরা পড়বে? এই প্রশ্নের উত্তরে নির্যাতিতার কাকিমা বলেন, ‘‘সিবিআইয়ের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশা তো আছেই। আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে। একজন (সন্দীপ ঘোষ) গ্রেফতার হয়েছে। আরও নাম সামনে আসবে। সেই অপেক্ষাতেই দিন গুনছি আমরা।’’

    তলব করার পরই গ্রেফতার সন্দীপ (Sandip Ghosh)

    গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Protest) চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে নানা মহলে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এই ঘটনার তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর টানা ১৫ দিন লাগাতার জেরা করা হয় সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh)। সোমবার তাঁকে ফের তলব করা হয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের জায়গা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    RG Kar Incident: ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের জায়গা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উত্তাল সারা দেশ। জুনিয়র ডাক্তাররা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ইস্যুকে সামনে রেখে রোজই পথে নেমে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে নাগরিক সমাজ। তাঁদের এই আন্দোলনের প্রতি চরম আস্থা জ্ঞাপন করেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তাঁরা জানালেন, আগে এত কিছু জানলে মেয়েকে ডাক্তারিই পড়াতেন না। স্বপ্ন দেখতেন না স্টেথোস্কোপ গলায় ঝুলিয়ে রোগী দেখছেন মেয়ে।

    মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না! (RG Kar Incident)

    নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ, ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের (RG Kar Incident) জায়গা হয়ে উঠেছে। এমন ঘুঘুর বাসা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না।” বাবা আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘‘ডাক্তারদের মানুষ ভগবান হিসেবে মানেন। করোনার সময় আমার মেয়ের অনেকে পা ধরে বলেছিলেন, আপনার জন্য আমি প্রাণ ফিরে পেয়েছি। আপনি আমার কাছে ভগবান। এই ডাক্তারদের মানুষ ভগবান মনে করেন। আর তাঁরাই কিনা দুষ্কৃতী। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে যে ধরনের চক্র চলে, এসব আগে জানলে আমি আমার মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতে পাঠাতাম না। কারণ, ডাক্তাররা এই ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে তা ভেবেই পাচ্ছি না। তবে, আমার মেয়ের জীবন দিয়ে হাসপাতালের একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে সেটা ভালো। আমি চাই, আমাদের মতো আর কোনও পরিবারের কন্যা সন্তানকে যেন এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।’’

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    শান্তিপূর্ণ মিছিলে লোহার ব্যারিকেড!

    পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে ‘লালবাজার অভিযান’-এর ডাক দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। আর সেই শান্তিপূর্ণ মিছিল (RG Kar Incident) আটকাতে লোহার ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। আর ফুল হাতে শান্তিপূর্ণ মিছিল পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে (Panihati) নির্যাতিতার বাবা-মা জুনিয়র ডাক্তারদের ‘লালবাজার অভিযান’ কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁরা বলেন, ‘‘জুনিয়র ডাক্তাররা তো অস্ত্র বা তরোয়াল হাতে নিয়ে যাননি। তাঁরা তো ফুল হাতে নিয়ে মিছিল করেছেন। এই শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দেওয়ার জন্য পুলিশকে লোহার ব্যারিকেড করতে হল? এটার কী খুব প্রয়োজন ছিল। এটা চরম অমানবিক। আসলে ওরা যে কিছু একটা ধামাচাপা দিতে চাইছে এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। তবে, জুনিয়র ডাক্তারদের এই আন্দোলনের পাশে আমরা সব সময় রয়েছি। আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা চাই, যতদিন না আমার মেয়ে বিচার পাচ্ছে, ততদিন এভাবে ওরা আন্দোলন চালিয়ে যায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: কাকভোরে ‘জন-গণ-মন’ গাইলেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা, শুনেই পুলিশ যা করল

    RG Kar Protest: কাকভোরে ‘জন-গণ-মন’ গাইলেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা, শুনেই পুলিশ যা করল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গানে-স্লোগানে কলকাতার রাজপথে রাত জাগলেন চিকিৎসকরা। বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে একটানা ধর্নায় ডাক্তাররা। সোমবার এ এক অন্য রাত দেখল বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট। স্টেথো সরিয়ে সারা রাত গানে-গানে প্রতিবাদের (RG Kar Rally) ঝড় তুলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। উঠেছে স্লোগানও। অন্যদিকে, রাতভর চেয়ার পেতে ঠায় বসে উর্দিধারী পুলিশও। সোমবার রাতভর ধরনার পর মঙ্গলবার সকালেও রাস্তাতেই বসে তাঁরা।

    আন্দোলনকারীরা জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পুলিশ যা করল (RG Kar Rally)

    রাত তখন প্রায় ৩টে ৪৫ মিনিট। হঠাৎই জাতীয় সঙ্গীত গাইতে শুরু করেন আন্দোলনকারী (RG Kar Rally) চিকিৎসকরা। ভোরের আলো ফোটার আগে বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট শুনছে ‘জনগণমন অধিনায়ক জয় হে, ভারত ভাগ্যবিধাতা..’। জাতীয় সঙ্গীত শুনেই ধড়মড় করে উঠে দাঁড়ান পুলিশ কর্মীরা। জাতীয় সঙ্গীত শেষ হতেই আন্দোলনকারীদের বলতে শোনা যায়, ‘‘এতদিনে পুলিশ সোজা হয়ে দাঁড়াল।’’ এরপরে আন্দোলনকারীরা পুলিশকর্মীদের দিকে জলের বোতল, বিস্কুট বাড়িয়ে দেন। জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য, পুলিশও মানুষ, ডাক্তারও মানুষ। সেই মনুষ্যত্বের কারণেই পাশে থাকার চেষ্টা। রাত পেরিয়ে মঙ্গলবার সকাল। এখনও পথে বসে জুনিয়র ডাক্তাররা। কেউ কেউ গাইছেন, ‘পথে এবার নামো সাথি পথে হবে এ পথ চেনা…’। তবে কি পথই দেখাবে পথ?

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    ‘পুলিশ তোমার ডিএ বাকি, চটি কিনে দেব নাকি

    সোমবার ডাক্তারদের লালবাজার অভিযান মাঝপথেই বন্ধ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের অনেক আগেই বসানো হয় ব্যারিকেড। শান্তির মিছিলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা, তবে তাতে বাধা আসলে ডাক দেওয়া হয় ধর্নার। বিকেল থেকেই অবস্থান-বিক্ষোভে (RG Kar Rally) বসেন জুনিয়র ডাক্তাররা। উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক অভিনেতা কিঞ্জল নন্দও। তিনি সামান্য কিছু মুহূর্তের জন্য লাইভেও আসেন। কিঞ্জলের সেই ভিডিওতে দেখা গেল, জুনিয়র ডাক্তারদের উৎসাহে একচুলও ভাটা পড়েনি। মধ্যরাতেও তাঁরা সোচ্চার নিজেদের দাবিতে। পুলিশ বিরোধী স্লোগান চলছে তখনও। রব উঠছে, ‘পুলিশ তোমার ডিএ বাকি, চটি কিনে দেব নাকি’। এমনকী ‘হায় হায়’ রবও ওঠে কলকাতা পুলিশের নামে।

    সন্দীপের গ্রেফতারি নিয়ে কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারি খুশি আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, সন্দীপের গ্রেফতারি আরজি করে দুর্নীতি মামলায়। ডাক্তারি পড়ুয়া ধর্ষণ-খুন মামলার কালপ্রিটদের গ্রেফতার করার দাবিতে আমরা অনড়। কোনওভাবেই অবস্থান প্রত্যাহার নয়। সোমবারই তাঁরা জানিয়ে দিয়েছিলেন, ৩৬ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা অবধিও টানা ডিউটি করেন তাঁরা। ফলে এই অবস্থান চলবে। সোমবার দুপুর থেকে মঙ্গলবার সকাল। এরপর রাতে সৃজিত মুখোপাধ্যায় সকলের কাছে সাহায্য চান, যাতে একটি মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থা করা যায়, আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জন্য। অনেক সাধারণ মানুষই ক্রমাগত পোস্ট করতে থাকেন, লালবাজারের সামনে বাড়ি যাদের, তাঁরা যেন বিক্ষোভরত জুনিয়র ডাক্তারদের, বিশেষ করে মহিলাদের, তাঁদের বাড়ির বাথরুম ব্যবহার করতে দেন। ভোররাতেও ডাক্তারদের অবস্থান-বিক্ষোভ থেকে ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন চিকিৎসক-নেতা কিঞ্জল। যাতে দেখা যাচ্ছে, রাস্তার মাঝেই কেউ শুয়ে পড়েছে। কেউ আবার দল বেঁধে বসে রয়েছে, চোখে-মুখে ক্লান্তি থাকলেও, প্রত্যয় স্পষ্ট। বোঝা যাচ্ছে, এত সহজে হার মানবেন না তাঁরা। একদলকে সজাগ দৃষ্টিতে পাহাড়া দিতেও দেখা গেল।

    আন্দোলনকারীদের কাছে টলিউড অভিনেত্রীরা

    সোমবার দুপুর ২টোয় কলেজ স্কোয়্যার থেকে মিছিল (RG Kar Rally) করে লালবাজারের (Lalbazar) উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি। লালবাজারের সামনে ফিয়ার্স লেনেই আটকে দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই সারা রাত অবস্থান বিক্ষোভ চলে। ত্রিপল, বড় প্লাস্টিক ইত্যাদি কিনে এনে, রাস্তায় পেতে শুয়ে পড়েন তাঁরা। সেখানেই খাওয়া-দাওয়া। আন্দোলনকারীদের কাছে গিয়েছিলেন টলিউড অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল, দেবলীনা দত্ত এবং সুদীপ্তা চক্রবর্তী। জুনিয়রদের মনোবল বাড়াতে পৌঁছে যান সিনিয়র ডাক্তাররা। এমনকী, অবস্থান-বিক্ষোভে হাজির হয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি, বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share