Tag: West Bengal

West Bengal

  • Halisahar: আরজি কর নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে মদ্যপ পুলিশ, মহিলাকে হেনস্থা! তুমুল বিক্ষোভ

    Halisahar: আরজি কর নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে মদ্যপ পুলিশ, মহিলাকে হেনস্থা! তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। দোষীদের শাস্তির দাবিতে রবিবার সন্ধ্যায় হালিশহরে (Halisahar) ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সমর্থকরা মিছিল বের করেন। তাঁদের প্রিয় ফুটবল দলের পতাকা ও জার্সি গায়ে হাজির হয়েছিলেন তাঁরা। সেই মিছিলেই মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি করার অভিযোগ উঠল হালিশহর থানার এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করায় এক মহিলাকে হেনস্থাও করা হয় বলে অভিযোগ। পরে, ওই পুলিশ কর্মীকে ধরে স্থানীয় লোকজন তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Halisahar)

    রবিবার সন্ধ্যায় বীজপুর থানা মোড় থেকে হালিশহর (Halisahar) বাগমোড় পর্যন্ত আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে সুবিচারের দাবিতে মিছিল বের হয়। প্রতিবাদ মিছিলকে ঘিরে যাতে কোনও অশান্তি না ছড়ায় সেজন্য সেখানে হাজির ছিল হালিশহর থানার পুলিশ। অভিযোগ, এক কনস্টেবল সেখানে মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি করছিলেন। কাজ থেকে ফেরার পথে বিষয়টি এক মহিলার নজরে আসে। তিনি তার প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, ওই পুলিশ কর্মী উল্টে ওই মহিলাকে হেনস্থা করেন। এমনকী গালিগালাজ করেন। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। ওই পুলিশ কর্মীকে ঘিরে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। সহকর্মীরা কোনওভাবে সেখান থেকে ওই পুলিশ কর্মীকে সরিয়ে নিয়ে যান। পরে, ওই মহিলাসহ ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সমর্থকরা হালিশহর থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    মহিলা কী বক্তব্য?

    মহিলার বক্তব্য, আমি কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলাম। আরজি কর (RG Kar Incident) নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল দেখে আমি তাতে সামিল হতে যাই। সেই সময় মদ্যপ অবস্থায় এক পুলিশ কর্মী বেসামালভাবে হাঁটছিলেন। আমি তার প্রতিবাদ করতেই তিনি আমাকে গালিগালাজ করেন। আমাকে হেনস্থা করেন। আমি ওই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে হালিশহর (Halisahar) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: ‘ছাত্র সমাজের’ নবান্ন অভিযানকে সমর্থন বিজেপির, জানিয়ে দিলেন সুকান্ত

    Nabanna Abhijan: ‘ছাত্র সমাজের’ নবান্ন অভিযানকে সমর্থন বিজেপির, জানিয়ে দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি বিভিন্ন অরাজনৈতিক সংগঠন। আন্দোলনে সামিল হয়েছে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা। এই আবহের মধ্যে এবার নির্যাতিতার সুবিচারের দাবিতে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দিয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’। নিজেদের অরাজনৈতিক বলেই দাবি করেছে তারা। তবে, কোনও রাজনৈতিক দল চাইলেই সমর্থন করতে পারে তাদের কর্মসূচিকে। ছাত্র সমাজের ডাকে সাড়া দিয়ে বিজেপি এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে। এরমধ্যে আবার ২৭ অগাস্ট যে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে, তাতে রাজনীতির রং লাগছে বলে এদিনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পুলিশের কর্তারা। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন সুকান্ত? (Nabanna Abhijan)

    এমনিতেই সিপিএম প্রথম থেকেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই কর্মসূচিতে নেই। তবে, অধীর চৌধুরী জানিয়েছেন, ছাত্রদের অধিকার আছে যে পথেই হোক প্রতিবাদ করার। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আন্দোলনকে (Nabanna Abhijan) দেখে ভয় পেয়েছেন। তাই মেঘের আড়ালে লুকিয়ে তির চালাচ্ছেন। সামনে এসে লড়ার সৎ সাহস নেই, পুলিশকে সামনে রেখে এসব অভিযোগ করছে। নবান্ন অভিযান কর্মসূচির আমরা উদ্যোক্তা না হলেও আন্দোলনে আমাদের সমর্থন আছে।” এদিন সুকান্ত দাবি করেন, “ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হলে সীমান্তে যত না ব্যারিকেড করা হবে, তার থেকে বেশি ব্যারিকেড রাজ্য পুলিশ দিচ্ছে। ভয়ের বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ, তৃণমূল একইসুরে কথা বলছে। উভয়ই বলছে, অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হবে। তাতে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। আইজি আইনশৃঙ্খলা তো আইজি বেআইন ও উচ্ছৃঙ্খলায় পরিণত হয়েছে। পুলিশ রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে।”

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    ‘নবান্ন অভিযানকে ঘিরে কাঁপছে সরকার’

    এদিন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “এই নবান্ন অভিযানকে (Nabanna Abhijan) ঘিরে সরকার কাঁপছে। বলেন, আসলে পুলিশ ভয় পাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কোনও বাধা দেওয়া চলবে না। যেভাবে রাত দখলে রাত দখলে লাখ লাখ মানুষ নেমে পড়েছিল, ঠিক সেই ভাবেই এখানেও মানুষ নামবে। আর তাই সিপিএমের একটা অংশ, পুলিশ এবং তৃণমূল মিলে বোঝাতে চাইছে, এটা এবিভিপি, এটা বিজেপি। আরে বিজেপি হোক, এবিভিপি হোক সমস্ত সাধারণ মানুষ, যাই রাজনৈতিক পরিচয় হোক না কেন, তাঁরা একসঙ্গে নামবে। মাথায় রাখবেন বাঙাল-ঘটি মিশে গেছে।” তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের অভিযোগ, সোশাল মিডিয়ায় লোক খেপিয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Janmashtami 2024: মায়াপুর ইসকনে জন্মাষ্টমী উৎসব, সামিল হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত

    Janmashtami 2024: মায়াপুর ইসকনে জন্মাষ্টমী উৎসব, সামিল হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১ তম শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে নদিয়ার মায়াপুর ইসকনে (ISKCON) জাঁকজমকভাবে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী উৎসব। আর এই উৎসবে (Janmashtami 2024) সামিল হতে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত ইসকনের প্রধান কেন্দ্র মায়াপুরে এসে উপস্থিত হয়েছেন। সোমবার সকাল থেকেই ভক্তরা উৎসবে মেতে উঠেছেন।

    জন্মাষ্টমীতে দেশি-বিদেশি ভক্ত সমাগম (Janmashtami 2024)

    জানা গিয়েছে, সোমবার ইসকন মায়াপুরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন করা হচ্ছে। মঙ্গলবার পালন করা হবে নন্দ উৎসব। ইসকন মন্দিরে তৈরি করা হয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম মন্দির। মন্দিরের চূড়াই রয়েছে সোনায় মোড়ানো চক্র। বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল এই তিনচক্র। তারপর বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মন্দিরের মূল চূড়ায় সেই চক্র স্থাপন করা হয়। শুধু জন্মাষ্টমী নয়, সারা বছরই বিভিন্ন তিথিতে সুসজ্জিত হয়ে ওঠে ইসকন মন্দির। শ্রীকৃষ্ণের ভোগ নিবেদনে থাকে বিপুল আয়োজন। আর প্রত্যেকটি তিথিতেই লক্ষ লক্ষ দেশি-বিদেশি ভক্তদের সমাগম লেগেই থাকে। বিশেষ করে ঝুলন যাত্রা এক অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে। তারপরে জন্মাষ্টমী (Janmashtami 2024) তিথি শুরু হয়।

    সোমবার সকাল থেকেই সাজো সাজো রব মায়াপুর ইসকন মন্দির চত্বর। প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে এখনও পর্যন্ত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ এসে পৌঁছেছেন। নদী ঘাটগুলিতে রয়েছে প্রশাসনিক বিশেষ তৎপরতা। কারণ, মায়াপুর ইসকন মন্দিরে পৌঁছাতে গেলে নদীপথ পার করতে হয় ভক্তদের। তবে, সারা বছর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মায়াপুর ইসকনের নিজস্ব নিরাপত্তায় মুড়ে রাখা হয় মন্দির চত্বর। আজ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে ইসকন কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক কী বললেন?

    মঙ্গলবার নন্দ উৎসবে সকাল থেকেই চলবে হরিনাম সংকীর্তন। কীর্তনের ছন্দে নাচে-গানে মেতে উঠবেন দেশি-বিদেশি ভক্তরা। জানা গিয়েছে, যত দিন যাচ্ছে ততই বিদেশি ভক্তদের আনাগোনা বাড়ছে। মায়াপুর ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন,  ‘‘জন্মাষ্টমীকে (Janmashtami 2024) কেন্দ্র করে তিনদিন ধরে অনুষ্ঠান চলছে। প্রথমদিন অধিবাস ছিল। সোমবার ভোর সাড়ে চারটে থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত জন্মাষ্টমী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার নন্দ উৎসবেও দেশ-বিদেশের ভক্তরা সামিল হবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barasat: নির্যাতিতার বিচার না হওয়া পর্যন্ত দুর্গাপুজোর অনুদানে ‘না’, ঘোষণা বারাসতের ক্লাবের

    Barasat: নির্যাতিতার বিচার না হওয়া পর্যন্ত দুর্গাপুজোর অনুদানে ‘না’, ঘোষণা বারাসতের ক্লাবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে উত্তাল দেশ। নিজেদের মতো করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সবাই। কয়েকদিন আগেই হাইল্যান্ড পার্ক, উত্তরপাড়া, তারকেশ্বরের কয়েকটি দুর্গাপুজো কমিটি তৃণমূল সরকারের অনুদান প্রত্যাখ্যান করেছে। এবার সেই তালিকায় যোগ দিল বারাসতের (Barasat) একটি  পুজো কমিটি। আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান নিচ্ছেন না বারাসতের সরোজিনী পল্লি উন্নয়ন সমিতি নামে একটি ক্লাবের সদস্যরা।

    নির্যাতিতার স্মরণে অনুষ্ঠান (Barasat)

    রবিবার বারাসতের (Barasat) সরোজিনী পল্লিবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। সেখানেই পুজোয় সরকারি অনুদান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু পুজোর অনুদান না নেওয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি ক্লাবটি। সেই সঙ্গে এবছরের দুর্গাপুজোও অনাড়ম্বরভাবে করতে চলেছেন তাঁরা। শুধু আরজি করের নির্যাতিতার প্রতি সহমর্মিতা রয়েছে পুজো কমিটি। নির্যাতিতার স্মরণে দুর্গাপুজোতে রক্তদান এবং বস্ত্র বিতরণের মতো সমাজসেবামূলক কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। বারাসতের এই ক্লাব কমিটি বেশ ধুমধাম করেই প্রতিবছর দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। পুজোর তিনদিন পাড়ার সমস্ত লোকজনকে নিয়ে চলে খাওয়া-দাওয়া। কিন্তু, এবছর তার কোনওটাই হচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    ক্লাবের কর্মকর্তারা কী বললেন?

    ক্লাবের (Barasat) সম্পাদক কার্তিক কর্মকার বলেন, ‘‘আরজি করে (RG Kar Incident) যা হয়েছে তা  নিন্দনীয়। এই ঘটনায় প্রশাসন এখনও বিচার দিতে পারেনি। সরকার সঠিক বিচার দিতে পারছে না বলেই আমরা এবছর পুজোর অনুদান বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা শীঘ্রই জেলাশাসককে এই বিষয়ে জানিয়ে দেব। আর এবছর যদি নির্যাতিতা বিচার না পান, তাহলে আগামী বছরও সরকারি অনুদান নেব না আমরা। সুবিচারের দাবিতে আমাদের সংগ্রাম চলবে।’’ ওই ক্লাবেরই আরেক সদস্য কমল মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমাদের পুজো কমিটির মিটিংয়ে একজনও অনুদান নেওয়ার পক্ষে ছিলেন না। সরকার যদি পরের বছর দুর্গাপুজোর অনুদান না দিতে চায়, তাতেও আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা অনুদানের ওপর ভরসা করে পুজো করি না। আমাদের পুজো ঠিক হয়ে যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি, পাকিস্তানে নিহত ২৩

    Pakistan: বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি, পাকিস্তানে নিহত ২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় জাতীয় সড়কের ওপর সন্ত্রাসবাদীদের অতর্কিত হামলা। ট্রাক ও বাস (Bus Attack) থেকে যাত্রী নামিয়ে পরিচয় যাচাই করে পরপর গুলি করে ২৩ জনকে খুন করা হল পাকিস্তানে (Pakistan)। সোমবার সকালে বালুচিস্তান প্রদেশের মুসাখাইল জেলায় এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই হামলার নিন্দা করে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই অঞ্চলে হিংসা মোকাবিলার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Pakistan)

    পাকিস্তানের (Pakistan) সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুচিস্তানের মুসাখেলে রারাশামের কাছে আগে থেকেই হাইওয়ে আটকে দাঁড়িয়েছিল জঙ্গিরা। এই পথে আসা সমস্ত বাস ও ট্রাক থেকে যাত্রীদের নামতে বাধ্য করে তারা। এরপর এক এক করে সকলের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখে বেছে বেছে ২৩ জন যাত্রীকে গুলি করে মারা হয়। নিহতেরা সকলেই পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। এর পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাস ও ট্রাকগুলিতে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে কমপক্ষে ১০টি গাড়ি। বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এর দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, নিহতরা সাধারণ পোশাকে সামরিক কর্মী ছিল। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই পাঞ্জাবি শ্রমিক এবং দুই আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। সহকারি কমিশনার মুসাখাইল নজিব কাকারের বলেন, সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা মুসাখেলের রারাশাম জেলার হাইওয়ে অবরোধ করে। বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে দুষ্কৃতীরা ১০টি গাড়িতে আগুনও দেয়।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    আগেও হামলা!

    বালুচিস্তানের (Pakistan) বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়ই পাকিস্তানের পূর্ব পাঞ্জাব অঞ্চলের শ্রমিক ও অন্যদের দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করার প্ররোচণা দেয় দেয় বলে অভিযোগ। এদিনের এই হত্যালীলা তারই অংশ বলেই ধরা হচ্ছে। পাক পাঞ্জাবের মানুষদের লক্ষ্য করে একই ধরনের হামলা আগেও হয়েছে। প্রায় চার মাস আগে মুসাখেলে একই ধরনের হামলা হয়েছিল। এপ্রিলে নোশাকির কাছে ১১ জন পাঞ্জাবি শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। তার আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে তুরবাতে ছয়জন পাঞ্জাবি শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভি এই হামলাকে “বর্বর” বলে অভিহিত করেছেন। যে বা যারা এর পিছনে রয়েছে, তাদের বিচার হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। পাক তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সন্ত্রাসবাদীদের বর্বরতার তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অপরাধীদের সাজা হবেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করের ‘দুর্নীতি’তে সিবিআই রেডারে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ জন, কীভাবে চলত চক্র?

    CBI: আরজি করের ‘দুর্নীতি’তে সিবিআই রেডারে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ জন, কীভাবে চলত চক্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আর্থিক অনিয়মে মা তারা ট্রেডার্স নামে একটি সংস্থার নাম বার বার উঠে আসছে। মূলত, আরজি করে আর্থিক টেন্ডার দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের (CBI) এফআইআরে উঠে এসেছে ৪ জন অভিযুক্তের নাম। তাঁরা হলেন— সন্দীপ ঘোষ, মা তারা ট্রেডার্সের মালিক, ঈশান ক্যাফের মালিক, ও খামা লৌহার মালিক। আরজি করের দুর্নীতিতে নাম থাকা মা তারা ট্রেডার্সের তরফে যে লেনদেন হয়েছে, বা এই সংস্থা থেকে একাধিক সামগ্রী যে আরজি করে গিয়েছে, সেই সমস্ত নথি ইতিমধ্যেই এসেছে প্রকাশ্য। প্রত্যেকটি কাগজেই উল্লেখ রয়েছে মা তারা ট্রেডার্সের নাম এবং তারা কত টাকার জিনিস কিনেছে, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য। অভিযোগ, স্বাস্থ্যভবন থেকে যে সব জিনিস বিনামূল্যে সরকারি হাসপাতাল পায়, সেই জিনিসগুলি আরজি কর হাসপাতাল মা তারা ট্রেডার্স-এর থেকে কিনত এতদিন।

    খাবারের প্যাকেট, মাইকও সরবরাহ করত মা তারা ট্রেডার্স! (CBI)

    আরজি করের (RG Kar Incident) প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির বিস্ফোরক অভিযোগের ভিত্তিতেই ‘মা তারা ট্রেডার্সের’ কর্ণধার বিপ্লব সিংয়ের বাড়িতে রবিবার হানা দেয় সিবিআই (CBI)। ইউজি স্কিল ল্যাব নির্মাণে সরকারি তহবিলের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এই সংস্থার বিরুদ্ধে। ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিপ্লব সিংকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ করে ভিস্কা সলিউশন (VISKA SOLUTION) নামে একটি সংস্থা। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানোও হয়। ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইউজি স্কিল ল্যাব তৈরি করতে খরচ ৬১ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা। আর সেই ল্যাবেই আরজি করে তৈরি করতে ২ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকার বরাত পেয়েছিল ‘মা তারা ট্রেডার্স’। কিন্তু, মা তারা ট্রেডার্স কীভাবে এত টাকার বরাত পেল? খাবারের প্যাকেট থেকে শুরু করে ইউজিসি ল্যাব-সব কিছুরই বরাত পেত মা তারা ট্রেডার্স। কী কারণে সব কিছুর বরাত পেত একটি সংস্থা? একটা সংস্থা, যে ভেন্ডার নিজেকে স্কিল ল্যাব বিশেষজ্ঞ হিসেবে দাবি করছে, সে কীভাবে খাবারের প্যাকেট সরবরাহ করছে, ওয়াটার পুলিং সিস্টেম, ওয়াটার পিউরিফায়ার সিস্টেম সরবরাহ করছে। এমনকী, সাউন্ড সিস্টেম, মাইক পর্যন্তও এই মা তারা ট্রেডার্স সরবরাহ করত। কিন্তু, এও কীভাবে সম্ভব? উত্তর খুঁজতে রবিবার সেই মা তারা ট্রেডার্সের কর্ণধারের বাড়িতে তল্লাশি চালান সিবিআই তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    কীভাবে বেনিয়ম?

    নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনও টেন্ডারের প্রক্রিয়ায় সংস্থা বাছাইয়ে ক্ষেত্রে  আগে টেকনিক্যাল বিড খোলা হয়, তারপর ফিনান্সিয়াল বিড খোলা হয়। এক্ষেত্রে পুরোটাই উল্টে হয়েছে। আগে ফিনান্সিয়্যাল বিড খুলেই ‘মা তারা ট্রেডার্স’কে বরাত দিয়ে দেওয়া হয়। ফিনান্সিয়াল বিডের পর খোলা হয় ‘টেকনিক্যাল বিড’। এই নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু, সেই অভিযোগের কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। 

    কে এই সুমন হাজরা?

    বিপ্লব সিং-এর মতো এই দুর্নীতি-চক্রের আরও এক মোহরা হলেন সুমন হাজরা। এমনটাই সন্দেহ তদন্তকারীদের। তিনি একদিকে ডেভলপার, হোটেল মালিক। অন্যদিকে ওষুধের ব্যবসাও চালান। সিবিআই সূত্রে খবর, বিপ্লবের পাশাপাশি এই সুমনও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন সন্দীপের। হাওড়া পুকুরতলায় রয়েছে তাঁর ওষুধের দোকান। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক জিনিসপত্র রিসাইকেল করে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্দীপ ঘোষ কোথাও কোনও অনুষ্ঠান করলে তাঁর হোটেল বুকিং থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু দেখভালও করতেন এই সুমন হাজরা। সূত্রের খবর, আরজি কর হাসপাতালে দুজন ভেন্ডর ছিল। সুমন হাজরা এবং বিপ্লব সিং। ইনজেকশনের সিরিঞ্জ থেকে বিভিন্ন ওষুধ সরবরাহ করতেন এই দু’জন। এই দুজনের মারফৎ আরজি কর দুর্নীতিচক্রের শিকড়ে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সন্দীপের বাড়ি থেকে বড় ব্যাগ নিজামে নিয়ে গিয়েছে সিবিআই, কী আছে তাতে?

    CBI: সন্দীপের বাড়ি থেকে বড় ব্যাগ নিজামে নিয়ে গিয়েছে সিবিআই, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে প্রায় ১৩ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষকে কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই (CBI)। তারপর শুরু হয় তল্লাশি। ঠিক কী খুঁজতে তাঁরা সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। তবে, তল্লাশি শেষে একটা বড় ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে যায় সিবিআই দল। সূত্রের খবর, তাতে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ফাইল রয়েছে।

    সিবিআই তল্লাশিতে কী মিলল? (CBI)

    আরজি করের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার তো বটেই, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। সেই তদন্তেই রবিবার সাত সকালে কলকাতা শহর এবং হাওড়ার একাধিক জায়গায় ১৫টি দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল সিবিআই। রবিবার সকাল ৭টার কিছু আগে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিল সিবিআইয়ের একটি দল। দরজা না খোলায় ৭৫ মিনিট বাইরে অপেক্ষা করেন সিবিআই কর্তারা। পরে, তাঁরা সন্দীপের বাড়িতে ঢুকতে পারেন। তবে, প্রথমে যে কজন সিবিআই আধিকারিক তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন, পরে আরও বেশ কয়েকজন তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। সূত্রের খবর, এদিন সন্দীপের তিনতলা বাড়ির প্রতিটি ঘরের আনাচে কানাচে তল্লাশি চলেছে। এদিন তল্লাশির পাশাপাশি আরও এক দফায় সন্দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। গোটা প্রক্রিয়ারই ভিডিও রেকর্ড হয়েছে। রাত ৯টা নাগাদ সন্দীপ ঘোষের বাড়ি থেকে তল্লাশি শেষ করে নিজাম প্যালেসে এসে পৌঁছয় সিবিআইয়ের টিম। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষের বাড়ি থেকে বেশকিছু নথি ও ফাইল বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া একটি বড় ব্যাগও নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, ৫ থেকে ৬টি হলুদ রঙের ফাইল নিজামে আনা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    চোর ডাক্তার স্লোগান

    সন্দীপ ঘোষের বাড়ির সামনে ‘চোর ডাক্তার’ স্লোগান দেন প্রতিবেশীরা। এলাকারই এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা তো ওনাকে কখনও দেখিইনি। গত সাতদিনে একটা জিনিস দেখলাম, আমাদের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। কিন্তু পুলিশ রীতিমতো ওনাকে প্রোটেকশন দিচ্ছেন। বাড়ির সামনে চেয়ার পেতে বসে পুলিশ। কড়া শাস্তি দরকার ওনার।”

    সিবিআই আধিকারিক কী বললেন?

    সন্দীপ ঘোষের বাড়ির পাশাপাশি, আরজি করে এমএসভিপির দফতরে হানা দেয় সিবিআই। সাড়ে ৯ ঘণ্টা এমএসভিপি-র ঘরে ছিলেন তদন্তকারী অফিসাররা। বেরিয়ে তাঁরা হিন্দিতে জানালেন, “বহুত কুছ এভিডেন্স হ্যায়।” জানা গিয়েছে, এমএসভিপির ঘর থেকে উপাধক্ষ্যের কম্পিউটার বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সন্দীপ ঘোষ যে কম্পিউটার ব্যবহার করতেন সেটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্ট থেকেও মিলেছে অনেক নথি বলে সিবিআই সূত্রে খবর। এখানেই শেষ নয়, ফরেন্সিক মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধান প্রদীপ চক্রবর্তীকেও তলব করা হয়েছিল। ফলে এই সকল নথিই যে তদন্তে অগ্রগতি আনতে সাহায্য করবে তা হয়ত হাবেভাবে বুঝিয়ে দিলেন আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযান ব্যর্থ করতে ‘ফেক নিউজ’, মমতার পুলিশকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযান ব্যর্থ করতে ‘ফেক নিউজ’, মমতার পুলিশকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযান বানচাল করতে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজ্য পুলিশ। শনিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেছেন, পুলিশের তরফে ‘টুলকিট’ তৈরি করা হয়েছে। সেই ‘টুলকিট’-এর মাধ্যমে ফেক নিউজ ছড়াচ্ছে পুলিশ। টুলকিট সাধারণত যে কোনও আন্দোলনকে জোরদার করতে ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে তার অপব্যবহার করা হচ্ছে। তাই পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দুর বার্তা, “আমি ছাত্রছাত্রীদের ও নাগরিক সমাজকে অনুরোধ করছি, ডাক্তার বোনটির জন্যে বিচারের দাবিতে আপনারা কোনও ভুয়ো খবরে বিভ্রান্ত না হয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে চলুন।”

    পুলিশের ফেক নিউজ ছড়ানোর উদ্যোগ! (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার ২৭ অগাস্ট ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই পোস্টের শুরুতে তিনি (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, “শেষমেষ মমতা পুলিশ ‘টুলকিট’ তৈরি করে ‘ফেক নিউজ’ ছড়াতে উদ্যত হয়েছে। সমাজমাধ্যমে ২৭ তারিখের নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) বার্তা ভাইরাল হতেই হাঁটু কেঁপে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। প্রথমে মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত রাত দখলের কর্মসূচি অভূতপূর্ব সাড়া ফেলার পর এবং তা একপ্রকার জনরোষে পরিণত হওয়ার ফলে সরকার ও প্রশাসন এমনিতেই প্রচণ্ড চাপে রয়েছে। এবার ছাত্র সমাজের অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। ওনার স্নায়ুর চাপ হ্রাস করতে পুলিশ মাঠে নেমে পড়েছে। শুধুমাত্র পুলিশি ব্যবস্থা দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ও নাগরিক সমাজকে রোখা যাবে না বুঝতে পেরে, মমতা পুলিশ একপ্রকার অনৈতিক পথ অবলম্বন করা আরম্ভ করেছে।”

     

    শেষমেষ মমতা পুলিশ ‘টুলকিট’ তৈরি করে ‘ফেক নিউজ’ ছড়াতে উদ্যত হয়েছে !!!

    সমাজমাধ্যমে ২৭ তারিখের নবান্ন অভিযানের বার্তা ভাইরাল হতেই হাঁটু কেঁপে গেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। প্রথমে মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত রাত দখলের কর্মসূচি অভূতপূর্ব সাড়া ফেলার পর এবং একপ্রকার জনরোষের মাধ্যমে পরিনত… pic.twitter.com/PtTzi3tr8T

    — Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) August 24, 2024


     

    সিভিকদের দিয়ে ফেক ফেসবুক প্রোফাইল!

    এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও লিখেছেন, “সিভিকদের ডকুমেন্ট দিয়ে সিম কার্ড তোলা হয়েছে। ওসি-রা টাকা দিয়েছেন রিচার্জ করার জন্য। তার পরে সব ফেক নাম দিয়ে ফেসবুক প্রোফাইল খোলানো হচ্ছে। প্রতিটা জেলার সব জায়গাতেই ডিজি-র নির্দেশে পুরোদমে এই কাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। এই ফেক ফেসবুক প্রোফাইল গুলি সংগ্রহ করা হচ্ছে যাতে এই গুলোর মাধ্যমে ২৭ অগাস্ট এর নবান্ন ঘেরাও নিয়ে ভুলভ্রান্তিকর খবর ছড়ানো যায়। এর সঙ্গে এই ফেক ফেসবুক প্রোফাইল ব্যবহারকারীদের ইউআরএল (URL) লিংক পাঠানো হচ্ছে কিছু আগে থেকেই সৃষ্টি করা ভুল পোস্ট ছড়ানোর জন্য, যাতে নবান্ন অভিযান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো যায় ও ছাত্রছাত্রীদের মনোবল ভেঙে দেওয়া যায়।”

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ওই পোস্টের সঙ্গে নন্দীগ্রামে বিজেপির থানা ঘেরাও, পুলিশের সঙ্গে কর্মীদের ধস্তাধস্তি ইত্যাদি একাধিক ছবি দিয়েছেন। সেগুলি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে খোলা ফেক প্রোফাইল বলে তিনি দাবি করেছেন। পাশাপাশি জানিয়েছেন যে এই নিয়ে সব জেলার তথ্য তাঁর কাছে আছে। পোস্টের একেবারে শেষে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে শুভেন্দু লিখেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি জেনে রাখুন নিচের তলার পুলিশ প্রশাসনের একটা বড় অংশ আর আপনার পাশে নেই, আপনার জনবিরোধী কার্যকলাপে তাঁরাও অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। তাদের বাড়িতেও কন্যা সন্তান রয়েছে, তাঁরাও বিচার চান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল, পা মেলালেন গৃহবধূ, মা-বোনেরা

    RG Kar Protest: আরজি করকাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল, পা মেলালেন গৃহবধূ, মা-বোনেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে ডাক্তারি পড়ুয়াকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নামলেন মহিলারা। মিছিল (RG Kar Protest) থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবি জানানো হয়। কোনও দলীয় পতাকা নয়। বাড়ির সাধারণ গৃহবধূ, মা-বোনেরা মিছিলে সামিল হলেন। এছাড়া এদিন কলেজ ছাত্রীরাও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিল করেন।

    দোষীদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল (RG Kar Protest)

    এর আগে, ১৪ অগাস্ট রাতে রাস্তা দখল নিয়েছিলেন মেয়েরা। রাস্তায় নেমে তাঁরা আন্দোলন করেছিলেন। এবার একেবারে অরাজনৈতিকভাবে শুধু মেয়েদের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল হল। শনিবার নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়া এলাকা থেকে এই মিছিল বের হয়। মিছিলে আশাপাশের গ্রামের বাড়ির বধূরা পা মেলান। গোটা এলাকাজুড়ে মিছিল হয়। পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে ফুলিয়ার রঙ্গমঞ্চের সামনে মিছিল শেষ হয়। মিছিল (RG Kar Protest) থেকে স্লোগান উঠল, ‘দোষীদের ফাঁসি চাই’। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ‘‘আরজি করে যে ধরনের নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, তা আমরা কিছুতেই মেনে নেব না। এরই তীব্র প্রতিবাদে আমরা রাস্তায় নেমেছি। যতদিন না পর্যন্ত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে।’’

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে কলেজ ছাত্রীরা

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Protest) দোষীদের শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে নামলেন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীরাও। এদিন হাতে প্ল্যাকার্ড ফেস্টুন নিয়ে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান নিয়ে কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড় থেকে পদ যাত্রা শুরু করেন কলেজের ছাত্রীরা। এদিন কৃষ্ণনগরের সমস্ত কলেজের মেয়েরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সরব হন। তাঁরা বলেন, ‘‘আমরা এখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। আর ধর্ষণ নামক ব্যাধি যেন চিরতরে নির্মূল হয় এবং সুস্থ সমাজ তৈরি হয় তার জন্যই এই প্রতিবাদ কর্মসূচি।’’

    মৌন মিছিলে তিনটি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা

    এবার নদিয়ার (Nadia) ফুলিয়ার তিনটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষিকারা একত্রিত হয়ে মৌন মিছিল করে প্রতিবাদে নামলেন। তাঁরা প্ল্যাকার্ডে লিখেছেন, ‘আমরা বিচার চাই, যারা দোষী তারা যেন কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি পায়’। তাঁরা জানান, একজন নারী সংসারের সবকিছু কাজ করেও নিজের ভবিষ্যৎকে তৈরি করার জন্য লড়াই চালিয়ে যান। আরজি করের ডাক্তারি (RG Kar Protest) পড়ুয়া সেই লড়াইটাই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, শেষ রক্ষার হল না। নারকীয় নৃশংস ঘটনা যা আগে কখনও এ রাজ্যে ঘটেনি। তাই, নারীদের সুরক্ষা এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুরক্ষার দাবিতে এই প্রতিবাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সিবিআইয়ে আস্থা, পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিতে চান নির্যাতিতার বাবা-মা

    RG Kar Incident: সিবিআইয়ে আস্থা, পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিতে চান নির্যাতিতার বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা কাজে যোগ না দিয়ে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এই আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন নিহত চিকিৎসকের বাবা-মা। সঙ্গে আরজি করে (RG Kar Incident) দালাল চক্র নিয়ে সরব হলেন। সিবিআইয়ের ওপর তাঁদের যে চরম আস্থা রয়েছে, সে কথাও তাঁরা প্রকাশ্যে জানান।

    আন্দোলনে যোগদান (RG Kar Incident)

    মেয়ের নৃশংস হত্যার পর কেটে গিয়েছে ১৪ দিন। সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার পরও গ্রেফতার সেই একেতেই রয়ে গিয়েছে। সিবিআইয়ের কাছে নির্যাতিতার (RG Kar Incident) বাবা মায়ের আবেদন তারা আরও একটু তৎপর হোক তদন্তের ক্ষেত্রে। সেই সঙ্গে এদিন বাবা মা বলেন, ‘‘আন্দোলনরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশে আমরা আছি। প্রয়োজনে আন্দোলনে (Agitation) যোগও দেব। আমরা মেয়ের খুনের বিচার চাই। নিরপেক্ষভাবে যে আমাদের ডাকবে তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেব।’’

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    পুলিশ নয়, সিবিআইয়ে আস্থা, জানালেন নির্যাতিতার বাবা-মা

    এদিন ফের একবার রাজ্যের সরকার এবং পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। তাঁরা বলেন, ‘‘প্রশাসনের প্রথম থেকে যে গা ছাড়া মনোভাব ছিল সেটা সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে ধরেছে। সারা দেশ এবং পৃথিবীও সেটা জেনে গিয়েছে। যে অকুস্থল থেকে মেয়ের দেহ পাওয়া গিয়েছিল সেই ঘটনাস্থল থেকে তথ্য প্রমাণ কিছুটা নষ্ট করা হয়েছিল। তা না হলে সিবিআইয়ের এতদিন সময় লাগত না। আর সে কারণেই হয়ত পলিগ্রাফ টেস্টের মতো সিবিআই এখন অন্যভাবে তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করছে। আসলে প্রথম থেকেই বিষয়টিকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কাউকে আড়াল করা হচ্ছে প্রথম থেকেই বুঝতে পারছিলাম। খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আড়াল করা হচ্ছে। এমন কেউ জড়িত যে, তাকে আড়াল করার প্রয়োজন পড়ছে সরকারের। ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও হাসপাতাল (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষ মিলে যে চক্রান্ত করেছিল তা এখন প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। আমাদের বলা হয়েছিল যে, কলকাতা পুলিশ পৃথিবী বিখ্যাত। কীরকম বিখ্যাত সেটা আজও আমরা বুঝতে পারিনি। রাজ্য সরকার দ্বিচারিতা করছে। আর পুলিশের ওপর আস্থা উঠে গিয়েছিল বলেই আমরা ভালো এজেন্সি দিয়ে তদন্ত চেয়েছিলাম। আমরা চাই সিবিআই ভালো এজেন্সি হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক। আমরাও ধৈর্য্য হারাচ্ছি। ১৪ দিন হয়ে গেল এক সঞ্জয় রায় ছাড়া কোনও রেজাল্ট আমরা এখনও পাইনি। আমরা বলতে চাই সবাই আর একটু তৎপর হয়ে কাজ করুক।’’

    আরজি করে দালাল চক্র!

    নির্যাতিতার বাবা-মায়ের দাবি, ‘‘মেয়ের কাছেও শুনেছিলাম, বিভিন্ন জায়গা থেকে রোগী এসে ভর্তি হতে পারত না। দালালচক্র চলত। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রেও দালালচক্র আছে। আমরা অনেক আগেই জেনেছি। অনেক বিষয় আছে, যা আলোচনা করা যাবে না। প্রশাসন এগুলো ভাল করে দেখুক। কোটি কোটি টাকার খেলা চলে। হাসপাতাল (RG Kar Incident) যারা পরিচালনা করে তারা জড়িত, প্রশাসন জড়িত। জুনিয়র ডাক্তারদের এ নিয়ে হতাশা আছে। কারণ প্রচুর পরিশ্রম করে তাঁদের সেই জায়গায় পৌঁছতে হয়। মেয়েকে নিয়ে কিছু অপপ্রচারও হচ্ছে। আমরা বলার পরে অনেকেই সমাজমাধ্যম থেকে পোস্ট সরিয়ে নিচ্ছে। প্রশাসনকে বলেছি, আমাদের মেয়েকে নিয়ে যেন ব্যবসা না হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share