Tag: West Medinipur

West Medinipur

  • Panchayat Election: হাতে দলের ঝান্ডা, পুলিশি কায়দায় রাস্তায় নাকা চেকিং তৃণমূলের!

    Panchayat Election: হাতে দলের ঝান্ডা, পুলিশি কায়দায় রাস্তায় নাকা চেকিং তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্য রাতে শক্ত লাঠিতে বাঁধা ঝান্ডা হাতে পুলিশের ভূমিকায় তৃণমূল কর্মীরা। ‘পাহারাদার’ হয়ে রীতিমতো পুলিশের কায়দায় নাকা চেকিং করছে তৃণমূল প্রার্থী সহ তৃণমূলী বাহিনী। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে বিজেপির ‘আমদানি’ আটকাতেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ‘পাড়ায় পাড়ায় পাহারাদার’ বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি জেলা নেতৃত্বের। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এমন ছবি প্রকাশ্যে আসার পর রীতিমতো প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে, শাসক দল তৃণমূল কি তাহলে ভরসা হারাচ্ছে পুলিশের উপর থেকেও? আর এভাবে রাস্তায় গাড়ি আটকে পুলিশের মতো করে তৃণমূল কর্মীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    কী জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তৃণমূল কর্মীরা?

    ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২ টা ৪৫। মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন কঙ্কাবতী গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপগড় এলাকায় মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়কের ওপর রীতিমতো পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন জনা কুড়ি তৃণমূল কর্মী। একেবারে পুলিশের কায়দায় রাজ্য সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী গাড়িদের আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তাঁরা। কোথায় যাবেন? কার কাছে যাবেন? গাড়িতে কী আছে? পুলিশি কায়দায় তৃণমূল কর্মীরা জেরা করছেন গাড়ির চালকদের। শাসক দলের এই কর্মীরাই হচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্বের ঘোষিত ‘পাহারাদার’। আর এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থী সুখেন্দুবিকাশ জানা। তিনি বলেন, খবর মিলেছে এলাকায় পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে ভোট কিনতে টাকা ঢোকাচ্ছে বিজেপি। তাই পুলিশের উপর ভরসা না করে বিজেপির টাকা আটকাতে আমরা নেমেছি রাস্তায়। কারণ, রাজ্য পুলিশ এগুলো নিয়ে সব সময় নজর দিতে পারে না। তাই পুলিশের কাজ নিজেদের ঘাড়ে তুলে নিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। রাত দশটা থেকে ভোর তিনটে পর্যন্ত নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই পাহারাদারির কাজ করে যাব আমরা।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি বলেন, পাড়ায় পাড়ায় পাহারাদার বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটা জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে বিজেপি টাকা ঢোকাতে পারে এলাকায়, সূত্র মারফত এমন খবর পাওয়ার পরেই তড়িঘড়ি জেলার বিভিন্ন গ্রামে রাত পাহারায় ‘পাহারাদার’ বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এলাকায় সন্ত্রাস তৈরির জন্য এমন পদক্ষেপ, দাবি বিজেপির। স্বাভাবিকভাবেই শাসক দলকে কড়া নিশানা বিজেপির। জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অরূপ দাস বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে পাহারাদারির নামে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য গ্রামে গ্রামে যুবকদের রাস্তায় নামিয়েছে শাসক দল তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনের কাছে গোটা বিষয় লিখিত আকারে জানানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: দাঁতনে বিজেপির মহিলা প্রার্থী ও তাঁর ছেলেকে বাঁশ-পেটা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: দাঁতনে বিজেপির মহিলা প্রার্থী ও তাঁর ছেলেকে বাঁশ-পেটা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রক্তাক্ত হল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন। বিজেপির (BJP) মহিলা প্রার্থী কাকলি পাত্র ও তাঁর ছেলেকে বাঁশপেটা করার অভিযোগ উঠল শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল দাঁতন থানার কেশরম্ভা এলাকায়। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    জানা গিয়েছে, দাঁতনের কেশরম্ভা ৪ নম্বর বুথের বিজেপি (BJP) প্রার্থী হন কাকলি পাত্র। এদিন দুপুরে বাঁশ নিয়ে কয়েকজন তৃণমূল কর্মী বিজেপি প্রার্থী ও তাঁর স্বামীকে হুমকি দেন। মূলত প্রার্থী পদ প্রত্যাহার না করার জন্যই তাঁরা হুমকি দেন। প্রার্থীর ছেলে প্রতিবাদ করলে দুপক্ষই বচসায় জড়িয়ে পড়ে। আচমকাই বাঁশ দিয়ে বিজেপি প্রার্থী কাকলি পাত্র ও তাঁর ছেলেকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বাঁশ দিয়ে পেটানোর ছবি রীতিমতো নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ইতিমধ্যেই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ওই বিজেপি কর্মী ও তাঁর মাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দাঁতন গ্রামীণ হাসপাতালে। আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীর ছেলে বলেন, মা বিজেপির প্রার্থী হয়েছে, এটাই অপরাধ। আর সেই কারণে বাঁশ নিয়ে কয়েক তৃণমূল কর্মী এসে মা আর বাবাকে হুমকি দিতে থাকে। আমি প্রতিবাদ করলে ওরা আমাদের উপর চড়াও হয়। রাস্তায় ফেলে আমাদের পেটায়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি শংকর গুছাইত বলেন, তৃণমূল সন্ত্রাস করে বহু আসনে আমাদের মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি। এখন যারা প্রার্থী হয়েছে, তাদেরকে হুমকি দিচ্ছে। প্রতিবাদ করলে বাঁশ দিয়ে লাঠি পেটা করছে। মানুষ এসব মেনে নেবে না। এবার ভোটে তৃণমূলকে মানুষ যোগ্য জবাব দেবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি বলেন, পাড়াগত বিবাদ। সেটাকে বিজেপি (BJP) রাজনীতির রং লাগাচ্ছে। আসলে পুরানো গণ্ডগোল নিয়ে বাজারে একটি ঝামেলা হয়েছিল। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। ওরা এখন সব কিছুতেই তৃণমূলকে জড়িয়ে দিয়ে রাজনৈতিক ফয়দা পাওয়ার চেষ্টা করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রীর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা উচিত”, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: “অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রীর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা উচিত”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সন্ধ্যায় খড়্গপুর-২ নম্বর ব্লকের পলশ্যা গ্রামের গোকুলপুর বাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে জনসম্পর্ক সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী, আপনার লজ্জা লাগে না? আপনি একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। আপনারই রাজত্বে স্বামী বিজেপি করে বলে একজন মহিলাকে শুনতে হয়, তোমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করব! এরকম মুখ্যমন্ত্রী হলে তাঁর লজ্জা লাগা উচিত, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা উচিত। অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী।” উল্লেখ্য, দলীয় কর্মীর স্ত্রীকে এই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানার পরই বিস্ফোরক হয়ে ওঠেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে একের পর এক তোপ দাগেন।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতিকে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সবেরাতি আলি এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে বলে স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সভাপতি তৃণমূলের ব্লক সভাপতিকেও আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “সবেরাতি আলি ব্লক প্রেসিডেন্ট তৃণমূলের। তাকে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, ভাই সময় আছে, শুধরে যাও। না হলে পরে যোগীর ট্রিটমেন্ট করব। এমন অবস্থা করব, পশ্চিমবঙ্গে লুকনোর জায়গা খুঁজে পাবে না। অন্য রাজ্যে গিয়ে কবরে স্থান পাবে।”

    পুলিশকে তোপ দাগেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “আরে, চামচাগিরি করার ইচ্ছে হয়েছে তো পুলিশের ড্রেস খুলে রাখুন। তৃণমূল কংগ্রেসের ঝান্ডা নিয়ে পঞ্চায়েতে দাঁড়ান। আমরা বুঝিয়ে দেব, কত ধানে কত চাল। পুলিশের ড্রেস পরে চামচাগিরি করতে আসবেন না। আপনার টুপিতে অশোকস্তম্ভ থাকে। যদি চামচাগিরি করতে হয়, অশোকস্তম্ভটা খুলে ফেলে দিন। হাওয়াই চটি লাগিয়ে চামচাগিরি করুন। লোকে তাও কিছুটা হলেও মানবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: “মুখ্যমন্ত্রী লাশের ওপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করেন”, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: “মুখ্যমন্ত্রী লাশের ওপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করেন”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত এবং জখমদের বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। এরাজ্যে কাজ না পেয়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস ধরে ভিন রাজ্যে শয়ে শয়ে রাজমিস্ত্রি কাজে যাচ্ছিলেন। পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে ভেলোরে চিকিৎসা করতে যাওয়া বহু পরিবার। রবিবার সন্ধ্যায় পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ির কুকাই এলাকায় দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন,” বাংলায় কাজ নেই। তাই বাধ্য হয়ে এই রাজ্য থেকে শয়ে শয়ে ছেলেমেয়েকে কেরলে রাজমিস্ত্রির কাজে যেতে হচ্ছে। আর মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, এগিয়ে বাংলা! লজ্জা করে না একথা বলতে? আমি করমণ্ডল এক্সপ্রেসের অনেক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা বলেছেন, চিকিৎসার জন্য তাঁরা ভেলোরে যাচ্ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য কার্ডে এরাজ্যে ভালো চিকিৎসা মেলে না। এই রাজ্যে বেকারদের হাতে কাজ নেই। অসুস্থ মানুষদের ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। তাই, মানুষ বাধ্য হয়ে ভিন রাজ্যে যাচ্ছেন।”

    অভিষেককে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূলের চোরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাতেও দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাগ। কারণ, ভাইপোকে (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) কেন বার বার সিবিআই ডাকছে। চোরকে পুলিশ ডাকবে না তো কাকে ডাকবে? এবার আর শুধু ডাকবে না, তাঁকে আদর আপ্যায়ণ করে রাখার ব্যবস্থা করা হবে।”

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন। কবজ ব্যবস্থা, সিগন্যালিং ব্যবস্থা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “রেলমন্ত্রী থাকার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু শিলান্যাস করে গিয়েছেন। তাঁর প্রিয় জায়গা ফুরফুরা পর্যন্ত রেললাইন পৌঁছে দেবেন বলেছিলেন। সেটা তিনি করতে পেরেছেন? রেলের গাফিলতি ছিল কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে, তিনি যে সব অভিযোগ করছেন তা একেবারেই ভিত্তিহীন। আসলে লাশের ওপর দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করতে ভালোবাসেন। এখন এই ট্রেন দুর্ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাই, এখন লাশের ওপর দাঁড়িয়ে তিনি রাজনীতি করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ghatal: ডাইনি অপবাদ! বৃদ্ধ দম্পতিকে বেধড়ক মার, আতঙ্কে ভিটেছাড়া পরিবার

    Ghatal: ডাইনি অপবাদ! বৃদ্ধ দম্পতিকে বেধড়ক মার, আতঙ্কে ভিটেছাড়া পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাইনি অপবাদ দিয়ে এক বৃদ্ধ দম্পতিকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। প্রতিবেশীদের হামলা থেকে রক্ষা পেতে সপরিবারে বাড়ি ছাড়লেন বৃদ্ধ। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও মেলেনি সুরাহা, এমনই অভিযোগ পরিবারের। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের (Ghatal) চন্দ্রকোণা-১ নম্বর ব্লকের একটি গ্রামে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরখানেক ধরে ঘাটালের (Ghatal) ওই গ্রামে একের পর এক বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আর এসবের জন্য গ্রামের এক বৃদ্ধকে ডাইনি অপবাদ দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে প্রত্যেক বছরের মতো এবারও গ্রামে শালিক পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেই পুজো থেকেই এলাকার মাতব্বররা ওই বৃদ্ধকে ডাইনির নিদান দেন। তার পরই ওই বৃদ্ধ ও তাঁর স্ত্রী সহ পরিবারের লোকজনের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি দিয়ে তাঁদের বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় সপরিবারে ওই বৃদ্ধ গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান। হামলার জেরে তাঁর পাঁজর ভেঙে যায়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে, সুস্থ হলেও তিনি আর বাড়ি ফিরতে পারেননি। শেষমেশ  প্রাণভয়ে ওই বৃদ্ধ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন আত্মীয়ের বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

    কী বললেন পরিবারের সদস্য?

    এ বিষয়ে বৃদ্ধের ছেলের অভিযোগ, “একাধিকবার প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনও সুরাহা হয়নি। আমরা চাই, প্রশাসন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। কুসংস্কার দূর করে আমাদের বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।” গ্রামের মানুষের বক্তব্য , “ওই বৃদ্ধ ডাইনি। তাঁর জন্যই গ্রামের মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।”

    কী বললেন বিডিও?

    চন্দ্রকোণা- ১ নম্বর ব্লকের বিডিও রথীন্দ্রনাথ অধিকারী বলেন, “বিষয়টি আমরা শুনেছি। পুলিশ-প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।” কুসংস্কারের কারণে বসতভিটে ছেড়ে অন্যত্র থাকতে হচ্ছে অসহায় পরিবারকে। প্রশাসন উদ্যোগী হয়ে তাদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করে কি না, তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে ওই বৃদ্ধর পরিবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: কুড়মিদের নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের পাশে দাঁড়াল না দল, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: কুড়মিদের নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের পাশে দাঁড়াল না দল, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মি আন্দোলন নিয়ে বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের (TMC) কো-অর্ডিনেটের  অজিত মাইতির বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তোলপাড় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার রাজনীতি। ব্যাপক প্রভাব পড়েছে কুড়মি জনজাতির মধ্যেও। দিকে দিকে কুড়মি অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। অবশেষে কার্যত চাপে পড়ে সাংবাদিক বৈঠক করে জেলা তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। মেদিনীপুর সংগঠনিক জেলা তৃণমূলের (TMC) সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত অজিত মাইতির। এমন বক্তব্যকে দল সমর্থন করে না। অজিত মাইতির পাশে যে দল নেই তা জেলা সভাপতির বক্তব্যেই স্পষ্ট। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    জেলা সভাপতির নির্দেশের পরও ফের বেফাঁস অজিত মাইতি, কী বললেন?

    একদিকে যখন জেলা সভাপতি সাংবাদিক বৈঠক করছে তখন ফের বেলাগাম অজিত মাইতি। কুড়মি সমাজের মানুষেরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলকে দেওয়াল লিখতে দেওয়া হবে না বলে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরোধিতা করে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে অজিতবাবুর  হুঁশিয়ারি, আমরা হাতে চুড়ি পড়ে বসে নেই। দেওয়াল আমরা লিখবই। দাসপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর সফরের প্রস্তুতি সভা থেকেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। উল্লেখ্য, অজিতবাবু কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থী নেতাদের সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর মন্তব্যের পর থেকেই কুড়মি আন্দোলন সম্পর্কে অজিত মাইতির মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অপমানিত হয়ে পথে নেমেছে কুড়মি সমাজ।  অবিলম্বে অজিত মাইতিকে ক্ষমা চাইতে হবে এমন দাবিতে সরব হয়েছে কুড়মি জনজাতির মানুষেরা। এই আবহেও ক্ষমা চাওয়া তো দূর অস্ত, শাসকদলের দাপুটে নেতার ঔদ্ধত্যে স্তম্ভিত শাসক দলের একাংশ। সব মিলিয়ে দল পাশে না থাকলেও তৃণমূল (TMC) বিধায়ক অজিত মাইতির মুখে যে লাগাম টানা যাচ্ছে না তা কার্যত স্পষ্ট। দেওয়াল লিখন নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন জেলা সভাপতি। তিনি বলেন,  দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। গায়ের জোরে দেওয়াল লিখনের কোনও প্রশ্নই আসে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ককে বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল যুবনেতা

    TMC: পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ককে বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল যুবনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে (নির্বাহী সহায়ক) মারধরের অভিযোগ উঠল প্রধানের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোণা-২ নম্বর ব্লকের বান্দিপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েতে। সুবিচারের আশায় মঙ্গলবার নির্বাহী সহায়করা একত্রিত হয়ে নিরাপত্তার দাবিতে বিডিও র দ্বারস্থ হয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে বেশ কয়েকজনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    গ্রাম পঞ্চায়েতে বেশ কয়েকদিন ধরেই কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটা ঝামেলা চলছিল। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ১৩ মে টাকা জমা নেওয়ার শেষদিন ছিল। আর সেই দিন প্রধান গ্রাম পঞ্চায়েতে উপস্থিত ছিলেন না। তাই বিডিওর নির্দেশেই টাকা জমা নিতে গিয়েছিলেন এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট জিয়ারুল রহমান। এতেই প্রধানের রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এই নিয়ে ১৫ মে গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে প্রধান অনুগামীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন জিয়ারুলসাহেব। এমনকী সেই ঘটনার কথা জানতে পেরে বিডিওর উদ্যোগে পঞ্চায়েত কার্যালয়ে পুলিশ পর্যন্ত পাঠাতে হয়। সেই রাগেই জিয়ারুলসাহেব বাড়ি ফেরার সময় বান্দিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের কদমতলা গ্রামে তাঁকে একা পেয়ে প্রধান অনুগামী তথা ব্লক তৃণমূলের (TMC) যুবনেতা তাপস দোলই তাঁর ওপর চড়াও হয়। প্রকাশ্যেই তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও অভিযুক্ত ব্লক তৃণমূলের (TMC) যুবনেতা তাপস দোলই হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেন। অন্যদিকে, বিডিওর নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তৃণমূলীদের এই হামলার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তার দাবিতে জিয়ারুলের পাশে দাঁড়ান ব্লকের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়কেরা। মঙ্গলবার বিকেলে বিডিওর কাছে গিয়ে সকলেই স্মারকলিপি জমা দেন।

    কী বললেন আক্রান্ত পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ক?

    নির্বাহী সহায়ক জিয়ারুল রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই আমি কাজ করেছি। সেটা হামলাকারীদের পছন্দ হয়নি। তাই কাজ শেষে অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে আমাকে মারধর করেছে ওরা। তৃণমূল (TMC) নেতা তাপস দোলুইয়ের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। আমরা বিডিও-র কাছে সমস্ত বিষয়টি লিখিতভাবে জমা দিয়েছি।

    কী বললেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং পঞ্চায়েত প্রধান?

    চন্দ্রকোণা-২ পঞ্চাশ সমিতির সভাপতি হীরালাল ঘোষ বলেন, হামলা চালানোর ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। প্রধানই চরম দুর্নীতিগ্রস্ত। হামলার বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এই বিষয়ে বান্দিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নমিতা কোটাল বলেন, নির্বাহী সহায়ক বিডিও-র নির্দেশে টেন্ডার প্রক্রিয়া জমা নিয়ে ভুল করেছে। তবে, মারধরের ঘটনা নিয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

    কী বললেন বিডিও?

    চন্দ্রকোণা- ২ নম্বর ব্লকের বিডিও অমিত ঘোষ বলেন, টেন্ডারের টাকা জমা দেওয়া নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। আমি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এদিন নির্বাহী সহায়করা ডেপুটেশন দিয়েছেন। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adeno Virus: এবার অ্যাডিনো ভাইরাসে প্রাণ কাড়ল রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত খড়্গপুরের কিশোরীর

    Adeno Virus: এবার অ্যাডিনো ভাইরাসে প্রাণ কাড়ল রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত খড়্গপুরের কিশোরীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের অ্যাডিনো ভাইরাসে (AdenoVirus) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু এক কিশোরীর। বুধবার মৃত্যু হল রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত কিশোরী উর্জাসাথী রায় চৌধুরীর। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি ছিল বছর তেরোর উর্জাসাথী। তাঁর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে। এই ভাইরাসে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। 

    স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফিতে আক্রান্ত 

    স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি নামে এক রোগে আক্রান্ত ছিল ওই কিশোরী। উর্জাসাথীর বাবা উজ্জ্বল রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি হল এমন একটি রোগ যাতে মাংসপেশীর একটি একটি কোষ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে, দুর্বলতা বাড়ে। সে কারণেই সহজ অসুস্থ হয়ে পড়ত কিশোরী। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। সর্দি-কাশি বেড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। উজ্জ্বল বাবু জানিয়েছেন চলতি মাসের শুরুর দিকে একবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল তার মেয়ে। পরে ৫ তারিখে বাড়ি ফিরে এসেছিল। এরপর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। শেষ পর্যন্ত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লড়াই থামে উর্জাসাথীর।

    রাষ্ট্রপতি পুরস্কার

    সংগীতে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য গত ২০১৯ সালের ৪ ডিসেম্বর বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসের দিন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছিল উর্জাসাথী রায়চৌধুরী। তাঁর হাতে তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নায়ডু এই পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে জাতীয় ও রাজ্য স্তরে একাধিক পুরস্কার পেয়েছে এই কিশোরী। প্রতিভাবান এই কিশোরীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে পরিবার। এলাকায় শোকের ছায়া। 

    আরও পড়ুন: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুপারফুড হতে পারে ঘি! কেন জানেন?

    বাড়ছে ভাইরাসের দাপট

    রাজ্যে ক্রমেই বেড়ে চলেছে অ্যাডিনোভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। শিশুরোগ চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, অ্যাডিনোভাইরাসে শিশুদের ফুসফুস ও শ্বাসনালি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সাধারণ সর্দি-কাশি শ্বাসকষ্টে বদলে যেতে দু’দিনও সময় লাগছে না। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হতে থাকায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে স্বাস্থ্যকর্তাদের কপালেও। জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুর শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখতে ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। শহরে অ্যাডিনোভাইরাসের হামলা রুখতে পুরকর্মীদের জন্যও নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুরসভাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share