Tag: WHO

WHO

  • Covid-19: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    Covid-19: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করতে চলেছে, এমনটাই জানানো হল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) তরফে। বৃহস্পতিবার কোভিড-১৯ নিয়ে একটি সতর্কবার্তা দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু (WHO)’। দেশের দৈনিক আক্রান্ত বাড়তে বাড়তে ফের পৌঁছে গিয়েছে ১৫ হাজারের উপরে। যা নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে। গতকালই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২ হাজারের বেশি, আর আজ সেটি ১৫ হাজারের গন্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। 

    হু-এর তরফ জানানো হয়েছে, শীত আসছে। আর আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আবহাওয়ায় বিশাল পরিবর্তন ঘটবে। আর সেই সঙ্গে ফের বাড়বে করোনা ভাইরাসের দাপট। কারণ, আবহাওয়া যত ঠান্ডা হবে, তত মানুষ বেশি করে বাড়ির ভিতরে সময় কাটাবে। আর তাতেই সংক্রমণ বেড়ে যাবে। এর ফলে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে, এমনটাই আশঙ্কা করেছে হু।

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস রিসোর্সেস গেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে ১৫,০০০ মানুষ কোভিড-১৯-এ প্রাণ হারিয়েছেন। মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যেই কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে ৩৫ শতাংশ। তিনি বলেছেন, “আমরা সপ্তাহে ১৫,০০০ মৃত্যু নিয়ে বাঁচতে পারি না। ভ্যাকসিন এবং অন্যান্য সরঞ্জামগুলির অসম বন্টন নিয়ে আমরা বেঁচে থাকতে পারব না। যখন আমাদের কাছে সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং জীবন বাঁচানোর সমস্ত সরঞ্জাম আছে, তখন এটা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি আরও জানিয়েছেন, আজ সবাই সম্পূর্ণরূপে কোভিডের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। ফলে কেউই অসহায় নয়। টিকা না নেওয়া থাকলে টিকা, বুস্টার ডোজ নেওয়ার কথা বলেছেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সমস্ত রকমের কোভিড বিধি মেনে চলতে বলেছেন।

    [tw]


    [/tw]

    তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে গোটা বিশ্বজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্ট (Omicron Variant)। গত মাসে সারা বিশ্ব থেকে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে বিএ.৫ (BA.5) সাব-ভেরিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে। টেস্টিং এবং সিকোয়েন্সিং প্রক্রিয়া সারা বিশ্বেই বেশি পরিমাণে কমে যাওয়ার ফলেই ভাইরাসটি কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই বছরের শুরুতে যে পরিমাণে সিকোয়েন্স প্রক্রিয়া করা হত, বর্তমানে তা ৯০ শতাংশ কমে গিয়েছে। তিনি বলেছেন, “আমরা সবাই এই ভাইরাস এবং মহামারি নিয়ে ক্লান্ত। তবে ভাইরাসটি আমাদের নিয়ে ক্লান্ত নয়।” তাই করোনার এই বাড়বাড়ন্ত নিয়ে ফের বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছে হু।

     

  • Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। করোনা (Covid-19) থেকে এখনও সেরে ওঠেনি বিশ্ব। অনেক রাজ্যেই করোনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এরই মধ্যে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের সংখ্যাও বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলছে। করোনার মতো মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণের গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী। নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে এই ভাইরাস।

    ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (World Health Organisation) তরফে গত বুধবার জানানো হয়েছে যে, পুরো বিশ্বের ৯২ টি দেশ থেকে ৩৫০০০ আক্রান্তের সংখ্যা রিপোর্ট করা হয়েছে। আর মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস রিসোর্সেস গেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের থেকে এই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। কারণ আগের সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৫০০, আর এই সপ্তাহে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫০০০-এর বেশি।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, মাঙ্কি পক্সের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে এবং এর জন্য অনেক দেশেই মাঙ্কি পক্সের জন্য টিকার উচ্চ চাহিদা রয়েছে। সূত্রে খবর অনুযায়ী, কিছু দেশ মাঙ্কি পক্সের প্রতিষেধক হিসেবে গুটি বসন্তের টিকা মজুত করে রেখেছে।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের নতুন উপসর্গ শনাক্ত করলেন বিজ্ঞানীরা, কী সেই উপসর্গ?

    দ্য ল্যানসেট (The Lancet) নামক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, গুটি বসন্তের (Small Pox) টিকা মাঙ্কি পক্সের গুরুতর সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম। তবে এটি  পরবর্তীতে মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে কাজ করতে নাও পারে।

    হু (WHO) থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাড়ির পোষ্যর থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ সম্প্রতি ফ্রান্সে একটি কুকুরের মাঙ্কি পক্স হওয়ার খবর সামনে এসেছে এবং কুকুরটি মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকেই সংক্রমিত হয়েছে। কুকুর মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত, এমন ঘটনা এর আগে সামনে আসেনি। তাই হু-এর মতে এটি একটি নতুন তথ্য। ফলে সকলকেই সতর্ক থাকা উচিত। মাঙ্কি পক্সকে ইতিমধ্যেই অতিমারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কিপক্সকে ‘গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি’ (Global Health Emergency) বলেও ঘোষণা করেছে। ফলে সবাইকে এখন থেকেই সাবধান হতে বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মাঙ্কিপক্স হল একটি ভাইরাল জুনোটিক রোগ-এই ভাইরাস পশু থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় এবং এর উপসর্গগুলো গুটি বসন্তের মতোই। মাঙ্কি পক্সের সাধারণ লক্ষণ হল জ্বর,  দেহে বড় বড় ফুসকুড়ি এবং লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া। এই উপসর্গগুলো মানুষের দেহে সাধারণত দুই থেকে চার সপ্তাহ দেখা যায়।

  • Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সংক্রমণ ছড়ালেও বাংলায় এখনও প্রবেশ করেনি মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) ভাইরাস। কিন্তু তার আগেই মাঙ্কি পক্স নিয়ে সতর্কতা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর (West Bengal Health Department)। 

    মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সমস্ত জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ও মেডিক্যল কলেজগুলিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। সব হাসপাতালের মাইক্রো বায়োলজি বিভাগকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেলেঘাটা আইডি-কে ইতিমধ্যেই প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তদের চিকিত্‍সার জন্যে আলাদা বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে।  স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনেও  মাঙ্কি পক্স আক্রান্তদের চিকিত্‍সার আলাদা বেড প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রতিটি জেলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্তত একটি সরকারি হাসপাতালে মাঙ্কি পক্সের জন্য বেড বরাদ্দ রাখার। রাজ্যের প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজকেও বেড রাখতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের খোঁজ মিললে অবিলম্বে তা জানাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনকে। মেডিক্যাল কলেজগুলিকে আইসোলেশন কেন্দ্রও প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।  

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের, কী করবেন, কী করবেন না?

    পশ্চিমবঙ্গে এখনও কোনও মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ মেলেনি। তবে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ইতিমধ্যেই মাঙ্কি পক্সকে ‘গ্লোবাল ইমারজেন্সি’ ঘোষণা করেছে। তাই মাঙ্কি পক্স নিয়ে রাজ্যগুলিকে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    মাঙ্কি পক্স নিয়ে কলকাতা পুরসভাকেও সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং করে এবং হোর্ডিং এর সাহায্যে মাঙ্কি পক্স নিয়ে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। যদিও এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে রাজ্য সরকার। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে আরও এক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ যাওয়ার ইতিহাস নেই রোগীর

    এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে মাঙ্কি পক্সে ৯ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে, এদের মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মোট ৯ জন আক্রান্তের মধ্যে পাঁচ জন কেরলের এবং চার জন দিল্লির। এই অবস্থায় মাঙ্কি পক্স সংক্রান্ত আগের নির্দেশিকাগুলি পুনর্বিবেচনা করার জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। এই বৈঠকে ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।   

  • Monkey Pox: বিশ্বব্যাপী জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে মাঙ্কিপক্স, ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    Monkey Pox: বিশ্বব্যাপী জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে মাঙ্কিপক্স, ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Corona) আবহের মধ্যেই মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। দেশে এখনও করোনা শেষ হয়নি, তারই মধ্যে এই রোগ নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ বিশ্বের স্বাস্থ্য মহলের। শনিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কিপক্সকে ‘গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি’ (Global Health Emergency) বলে ঘোষণা করল। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) প্রধান টেড্রস অ্যাডহানম ঘেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) জানান, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যক্ষেত্রে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে মাঙ্কিপক্স। অর্থাৎ এই রোগ কোনও বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে ভবিষ্যতে, তাই সবাইতে এখন থেকেই সাবধান হতে বলা হচ্ছে।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, তৃতীয় আক্রান্তের হদিশ মিলল সেই কেরলেই

    শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) একটি জরুরি বৈঠকের আয়োজন করেছিল। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের মাঙ্কিপক্স বিশেষজ্ঞরা। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, তাঁদেক সবার মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিভিন্ন মতামত ছিল। এরপরে  তাঁদের অনুমতিতেই এদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা করে।

    ইতিমধ্যে চলতি বছরেই ৭৫টি দেশে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছে এই রোগে। এই রোগে আফ্রিকার পাঁচজন ব্যক্তি প্রাণও হারিয়েছেন। WHO-র তথ্য অনুযায়ী জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত সংক্রমণের সংখ্যা ৭৭ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। যদিও আফ্রিকা মহাদেশের বাইরে এখনও পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে, ভারতেও মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত হতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কেরলে তিনজনের শরীরের মিলেছে এই রোগ। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রসঙ্গত ১৪ জুলাই ভারতে প্রথম মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে ভারতে ফেরা বছর ৩৫-এর এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ পাওয়া গিয়েছিল। ফের কেরল থেকেই তৃতীয় আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যায়। মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক বার্তা জারি করেছিল আগেই, এবারে এই ঘোষণার মাধ্যমে পুরো বিশ্ববাসীকে আরও সচেতন হতে বলা হল।

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন… 

     

     

  • Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, তৃতীয় আক্রান্তের হদিশ মিলল সেই কেরলেই 

    Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, তৃতীয় আক্রান্তের হদিশ মিলল সেই কেরলেই 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভারতেও জাকিয়ে বসছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। ফের কেরলেই (Kerala) মিলল তৃতীয় আক্রান্তের সন্ধান। প্রথম এবং দ্বিতীয় আক্রান্তও ছিলেন কেরলেরই বাসিন্দা। আর এই তিনজনই সদ্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) থেকে ফিরেছেন। 

    আরও পড়ুন: ফের মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ কেন্দ্রের

    কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ (Veena George) জানিয়েছেন, আক্রান্ত ব্যক্তি ৬ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে মালাপ্পুরমে ফেরেন। মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হন। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। মন্ত্রী এও জানান, ব্যক্তির সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁদেরও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন… 

    প্রথম মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের সন্ধান মেলে কোল্লাম জেলায় এবং দ্বিতীয় আক্রান্ত কান্নুর জেলার বাসিন্দা। প্রথম আক্রান্তের হদিশ মেলার পরেই বিশেষজ্ঞদের একটি দলকে কেরলে পাঠান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 

    ১৪ জুলাই ভারতে প্রথম মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের খোঁজ মেলে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে ভারতে ফেরা বছর ৩৫-এর এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ দেখা যায়। তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য জাতীয় ভাইরোলজি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছিল, রিপোর্ট পজিটিভ আসে। জানা যায়, বিদেশে তিনি মাঙ্কি পক্স সংক্রমিত রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন। 

    গত সোমবারই কেরলে দ্বিতীয় মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের হদিশ মেলে। আর তারপরেই জরুরি বৈঠকে বসেন বন্দরের স্বাস্থ্য আধিকারিক, স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ বিভাগের আঞ্চলিক দফতরের প্রধানরা। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি এক নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়, মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ রুখতে বিদেশ ফেরত যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। আর সেই পরীক্ষা করতেই তৃতীয় আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেল।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, মাঙ্কি পক্স সংক্রামক রোগ। এটি মূলত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। এর উপসর্গগুলি অনেকটা গুটিবসন্তের মতোই। সারা বিশ্বে এখন প্রায় ৬০০০ মানুষ মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত। আফ্রিকায় এই রোগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মাঙ্কিপক্সে সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ইউরোপ এবং আফ্রিকার বাসিন্দারা। মাঙ্কি পক্সের ৮০ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনা ইউরোপের। তবে হু জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি।

     

  • Covid 19: ভাবাচ্ছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা, সতর্ক করলেন হু প্রধান

    Covid 19: ভাবাচ্ছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা, সতর্ক করলেন হু প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনা নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করলেন হু (WHO) প্রধান ডাঃ টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus)। মার্চ মাসের দিকে গোটা বিশ্বজুড়ে কমতে শুরু করেছিল করোনা (Covid 19) সংক্রমণ। অতিমারীর হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়ে আশার আলো দেখেছিলেন অনেকেই। কিন্তু এখনই নিষ্কৃতি দিচ্ছে না করোনা। এমনটাই জানিয়েছেন হু প্রধান। উল্টে বিশ্বের একাধিক জায়গায় সংক্রমণ বাড়বে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়া নয়, জানাল হু

    ডাঃ ঘেব্রেইসাস মঙ্গলবার বিশ্ববাসীকে আরও একবার সাবধান করে বলেছেন যে, দুবছর অতিক্রান্ত হলেও করোনা ভাইরাসের একের পর এক নয়া স্ট্রেনের দাপটে সারা বিশ্বেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে যা নতুন করে এই ভাইরাসকে নিয়ে ভাবাতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে তৈরি প্রথম এমআরএনএ ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র ডিসিজিআইয়ের  

    হু প্রধান বলেন, “ভারত সহ একাধিক দেশে করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন! কোভিডের সংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের যে ভাবেই হোক আটকাতে হবে তা না হলে স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর ফের চাপ আসতে শুরু করবে। গত কয়েক সপ্তাহে সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃত্যুও যা নিয়ে নতুন করে সারা বিশ্বের মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে”।

    তিনি আরও বলেন, “যে সকল দেশে সংক্রমণ নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে সেই সকল দেশের সরকারের উচিত পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি কোভিড আক্রান্তদের খুঁজে বের করা। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি টিকাহীনদের টিকার আওতায় নিয়ে আসা। আমরা আগের থেকে বর্তমানে অনেক ভাল আছি আমাদের প্রত্যেকের টিকা নেওয়া এবং কোভিড বিধি মেনে চলা উচিৎ।” 

    BA.4 এবং BA.5 ভ্যারিয়েন্টের প্রসঙ্গে হু প্রধান এদিন বলেন, “এই দুই ভ্যারিয়েন্টের প্রভাবে সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তেমনই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও। টিকা লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। টিকাহীনদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে তাদের টিকার আওতায় আনা উচিত।”    

    গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। বাংলা সহ বিভিন্ন রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। প্রত্যেকদিনই কার্যত দেশজুড়ে সংক্রমণের সংখ্যা ১৫ হাজারের উপরে। যা দেখে উদ্বিগ্ন দেশের চিকিৎসকরা। যদিও এখনও পর্যন্ত ভারতের তরফে চতুর্থ ঢেউয়ের কথা বলা হয়নি। 

     

     

  • Monkey Pox In India: ভারতে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিস মিলল, ভয় কতটা?

    Monkey Pox In India: ভারতে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিস মিলল, ভয় কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে প্রবেশ করল মাঙ্কি পক্স। অনেক সাবধানতা নিয়েও শেষ রক্ষা হল না। প্রথম আক্রান্তের হদিশ মিলল কেরলে। করোনা অতিমারীর সংকট এখনও কাটেনি। আর তার মাঝেই চিন্তা ধরাচ্ছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। ইউরোপের দেশগুলির পরে সংক্রমণ থেকে নিস্তার পেল না ভারতও।  

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা সম্ভব, জানাল গবেষণা

    বিদেশ থেকে সদ্য দেশে ফেরা এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। চার দিন আগেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে দেশে ফেরেন কেরলের (Kerala) ওই বাসিন্দা। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে৷ সেখানেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ। মাঙ্কি পক্স-এ আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। 

    [tw]


    [/tw] 
     
    কলকাতাতেও এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কি পক্সের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে রক্তের নমুনা পাঠানো হয়। কিন্তু সেই ব্যক্তির রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।   

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO)-র মতে, মাঙ্কি পক্স সংক্রামক রোগ। এটি মূলত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। এর লক্ষণগুলি গুটিবসন্তের রোগীদের মতোই। সারা বিশ্বে এখন প্রায় ৬০০০ মানুষ মাঙ্কি পক্স-এ আক্রান্ত। আফ্রিকার কিছু অংশে এই ভাইরাসে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    মাঙ্কি পক্সে সবথেকে বেশি আক্রান্তের হদিশ মিলেছে ইউরোপ এবং আফ্রিকায়। মাঙ্কি পক্সে ৮০ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনাই ইউরোপের। বিষয়টি কপালে ভাঁজ ফেলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আধিকারিকদের। হু জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। এ বিষয়ে ১৮ জুলাই জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ আটকাতে কী কী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে, সেই বিষয়েই আলোচনা হবে এদিনের বৈঠকে।  

    এই ভাইরাসে আক্রান্তদের শরীরে প্রাথমিক যে উপসর্গগুলি দেখা যায়, সেগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর ও গোটা শরীরে ব্যাথার লক্ষণ। কাঁপুনি ও ক্লান্তিও দেখা দিতে পারে। শরীরে র‍্যাশ দেখা যায় এই রোগে। ত্বকের সংস্পর্শে এলে এবং যৌন মিলনে এই রোগ ছড়াতে পারে। 

    গবেষণা অনুযায়ী, এমন কিছু অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আছে যা প্রয়োগ করলে মাঙ্কি পক্সের উপসর্গগুলিকে প্রশমিত করা সম্ভব। এমনকি এই ওষুধগুলির প্রয়োগে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন রোগীরা বলেও দাবি করছেন গবেষকরা। এই রোগের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে রোগীদের ওপর ওই গবেষণায়। ওষুধ দুটি হল, ব্রিনসিডোফোভির এবং টেকোভিরিমাট। আমেরিকার বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মল পক্সের টিকার মাধ্যমেও এই রোগের চিকিৎসা সম্ভব।   

     

     

  • Marburg virus: ইবোলার পর এবার মারবার্গ ভাইরাসে কাঁপছে আফ্রিকা, মৃত ২

    Marburg virus: ইবোলার পর এবার মারবার্গ ভাইরাসে কাঁপছে আফ্রিকা, মৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইবোলার (Ebola) পর এবার মারবার্গের (Marburg) আতঙ্ক আফ্রিকায় (Africa)। বুধবার ঘানাতে (Ghana) মারবার্গ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল দুজনের। ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন (WHO) জানিয়েছে, মারবার্গও ইবোলা ভাইরাসের মতোই মারাত্মক। 

    আরও পড়ুন: করোনার সেকেন্ড এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময় কমালো কেন্দ্র 

    ঘানার দুই ইবোলা আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির উপসর্গ প্রায় একই রকম ছিল। ডাইরিয়া, জ্বর, গা গোলানো ও বমি এই সমস্ত উপসর্গ কমবেশি দুজনেরই ছিল। এগুলোকেই আপাতত মারবার্গের লক্ষণ হিসেবে ধরে নেওয়া হচ্ছে। 

    ঘানায় মৃত ওই দুই ব্যক্তির স্যাম্পেল পাঠানো হয়েছে সেনেগালের একটি ল্যাবে। মারবার্গ ভাইরাসের কারণেই ওই মৃত্যু হয়েছে কিনা, তা দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে চাইছেন চিকিৎসকরা। সেক্ষেত্রে পশ্চিম আফ্রিকাতে মারবার্গের এটা দ্বিতীয় হানা বলেই ধরে নিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। গত বছরে, মারবার্গের একটা কেস ধরা পড়েছিল গিনিয়াতে। 

    আরও পড়ুন: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, স্কুল খোলা রাখার পক্ষেই সওয়াল চিকিৎসকদের  
     
    মারবার্গ  ১৯৬৭ সালে পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকাতে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছিল। ১৯৭৬ সালে প্রথম চিহ্নিত হয় ইবোলা। মারবার্গ ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। মারবার্গের সংক্রমণে মৃত্যুর হার ২৪ থেকে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত ওঠানামা করতে পারে বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার ভয় এখনও কাটেনি। এরই মধ্যে আরও এক ভাইরাসের আতঙ্কে ত্র্যস্ত আফ্রিকা। 

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত মারবার্গ ভাইরাসে (Marburg Virus) আক্রান্ত ব্যক্তিদের শরীরে করোনার মতোই কিছু উপসর্গ মিলেছে। জ্বর, বমি এবং প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, এর অন্যতম উপসর্গ। এই প্রথম নয়, আগেও গুয়ানাতে মারবার্গ ভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছিল।

    মারবার্গ ভাইরাস রক্তক্ষরণজনিত জ্বর বয়ে আনে। এটি মারাত্মক সংক্রামক। ভাইরাসটি মানুষ ও প্রাণির দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর উৎপত্তি ফল খাওয়া বাদুড় থেকে। এটি মানুষের শরীরেও ছড়াতে পারে। বিশেষ করে যৌন সংসর্গ ও চর্মরোগ থেকে মানুষের মাঝে এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হলে প্রদাহের স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হয় এবং জ্বর আসে। ইবোলা ভাইরাসের সবকটি লক্ষণ মারবার্গ ভাইরাসেও আছে। এ ভাইরাসে ভালোভাবে আক্রান্ত হলে সাধারণত কেউ বাঁচে না। তবে প্রাথমিক কিছু চিকিৎসায় ফল দিতে পারে। ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো ইবোলা ও মারবার্গ ভাইরাসের টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হয় উগান্ডার কাম্পালায়। ১৯৬৭ সালে জার্মানির মারবার্গ শহরে এই ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। পরে এটি ফ্রাঙ্কফুট ও যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডেও দেখা পাওয়া গিয়েছিল। এই ভাইরাসের কোনও টিকা বা চিকিৎসা নেই।

     

  • Monkey Pox: মাঙ্কি পক্সের নতুন উপসর্গ শনাক্ত করলেন বিজ্ঞানীরা, কী সেই উপসর্গ?

    Monkey Pox: মাঙ্কি পক্সের নতুন উপসর্গ শনাক্ত করলেন বিজ্ঞানীরা, কী সেই উপসর্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার থেকে এখনও সেরে ওঠেনি বিশ্ব। আর তার ওপর নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসকে অতিমারীর তকমা দিয়েছে। বিশ্বে প্রায় ১৮,৮৩৬ জন মানুষ ইতিমধ্যেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। করোনার মতো মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণের গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী। অবস্থার অবনতি দেখে করোনার মতো মাঙ্কি পক্স নিয়েও জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছে হু।

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের পৃথকীকরণে সফল ভারত, জানাল এইআইভি  

    মাঙ্কি পক্সের সমস্ত উপসর্গগুলি প্রায় গুটি বসন্তের মতো। তবে সম্প্রতি চিকিৎসকদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নতুন উপসর্গ (Symptoms) শনাক্ত করেছে। মাঙ্কি পক্সে বড় বড় ফুসকুড়ি দেখা যায়। এই উপসর্গের কথা আগেই শুনেছেন সবাই। কিন্তু এর সঙ্গে চিকিৎসকরা শনাক্ত করেছেন আরও তিনটি উপসর্গ। যা আগে ছিল না। সেগুলো হল, যৌনাঙ্গে ঘা, মুখে ঘা এবং মলদ্বারে ঘা।   

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত প্রতি দশজনে একজনের যৌনাঙ্গে ঘা এবং ১৫ শতাংশের পায়ু বা মলদ্বারে ব্যথা হচ্ছে। মাঙ্কি পক্সের এই উপসর্গগুলি অনেকটাই সিফিলিস বা হারপিসের মতো। ফলে অনেক সময় রোগ নির্ণয় করতে বিপদে পড়ছেন চিকিৎসকরা। গবেষকরা দেখেছেন, ভুল রোগ নির্ণয়ের ফলে মাঙ্কি পক্স শনাক্ত করতে দেরি হয়ে যাওয়ায় ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত। ফলে চিকিৎসা করতেও সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু মানুষ মলদ্বারের ব্যথায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত তিনজন বর্তমানে সুস্থ, জানালেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী   

    এই ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, সময়ে রোগ নির্ণয় এবং উপযুক্ত চিকিৎসা হলে মাঙ্কি পক্স নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাঁরা আরও বলছেন, এই মুখে ঘা, যৌনাঙ্গে ব্যথা কিংবা ঘা পরবর্তীতে গুরুতর আকার নিতে পারে। তাই সময়ে চিকিৎসা করানো গুরুত্বপূর্ণ। 

    লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল সিনিয়র লেকচারার, যৌন স্বাস্থ্য এবং এইচআইভি পরামর্শদাতা এবং চিকিৎসক জন থর্নহিল এ বিষয়ে বলেন, “এটা বুঝতে হবে যে মাঙ্কি পক্স যৌন সংক্রমণ নয়। ঘনিষ্ঠ শারীরিক যোগাযোগ হলেও এটা অন্যের শরীরে ছড়াতে পারে। এখনও পর্যন্ত যৌন সম্পর্ক থেকে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হয়েছেন অধিকাংশ রোগী। কিন্তু তারপরেও মনে রাখতে হবে, এটা শুধুই যৌন সম্পর্কের ব্যাপার নয়। নতুন উপসর্গ থেকে কীভাবে মাঙ্কি পক্স ছড়াচ্ছে, গোষ্ঠী সংক্রমণের ঝুঁকি কতটা, এগুলো বুঝতে পারলেই শনাক্তকরণ সহজ হয়ে যাবে এবং ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণেও রাখা যাবে।”

  • Covid 4th Wave: আসতে চলেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ? আশঙ্কার কথা শোনালেন হু-এর বিজ্ঞানী 

    Covid 4th Wave: আসতে চলেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ? আশঙ্কার কথা শোনালেন হু-এর বিজ্ঞানী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনই নিস্তার নেই করোনার (Covid 19) হাত থেকে। আরো বেশ কিছু ছোট-ছোট ঢেউ প্রত্যক্ষ করবে বিশ্ব। এমন আশঙ্কার কথাই শোনাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু (WHO)।  

    হু-এর প্রধান বিজ্ঞানী ডাঃ সৌম্যা স্বামীনাথন (Dr Soumya Swaminathan) বলেন, “করোনার আরও একটা ছোট ঢেউয়ের সম্ভাবনা যে একেবারেই নেই তা এই পরিস্থিতিতে বলা যাচ্ছে না। রোজই বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও। এমন পরিস্থিতিতে বয়স্কদের বুস্টার ডোজ যে বাধ্যতামূলক। ৬০ বছরের ওপরের সকলের বুস্টার ডোজ গ্রহণ এবং কোভিড বিধি মেনে চলা দেশে পরবর্তী ঢেউকে আটকাতে পারে। সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষকেও সচেতন হতে হবে। অনেকে বাড়িতেই করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন সেক্ষেত্রে সংখ্যার হের-ফের হওয়া স্বাভাবিক। পাশাপাশি আমাদের হাসপাতালে ভর্তি এবং সার্বিক মৃত্যুহারের ওপর বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন।”    

    আরও পড়ুন: আশা কর্মীদের কুর্নিশ জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর  

    এর আগে আইআইটি কানপুরের ম্যাথমেটিক্স এবং স্ট্যাটিসটিক্স বিভাগের গবেষণায় করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের সম্ভবনার কথা বলা হয়েছিল। গবেষণায় উঠে আসে, চলতি বছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতে করোনার চতুর্থ ঢেউ দেখা যাবে। সংক্রমণ শিখর ছুঁতে পারে ১৫ থেকে ৩১ অগাস্টের মধ্যে। এই তরঙ্গের প্রকোপ কমবে অক্টোবরে। এই তরঙ্গের ভয়াবহতা নির্ভর করবে করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়্যান্টের চরিত্রের উপর। এছাড়া দেশের কত মানুষ টিকা পেয়েছেন ও কতজন বুস্টার ডোজ পেলেন, তার উপরেও ভাইরাসের ভয়াবহতা নির্ভর করবে। এবার কী তাহলে সেই সম্ভবনাই সত্যি হতে চলেছে? 

    গত এক সপ্তাহে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা।  

    আরও পড়ুন: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    গত ডিসেম্বরেই দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল। নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের দাপটে ফের চার দেওয়ালে আটকে পড়েছিল গোটা দেশ। তাকে করোনার তৃতীয় ঢেউ বলেছিলেন বিজ্ঞানীরা। পরিস্থিতি সবেমাত্র নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছিল। তার মধ্যেই ফের চতুর্থ ঢেউ-য়ের আশঙ্কা। 

    প্রায় রোজই দেশজুরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা সাতহাজারেরও গণ্ডি পেরিয়েছে। সক্রিয়  রোগীর সংখ্যাও ৩০ হাজার পার করেছে। 

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, “প্রতি চার থেকে ছমাস পরপর একের পর এক নতুন স্ট্রেন আসবে। সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বাড়বে। তবে যদি কেউ টিকা এবং বুস্টার ডোজ নিয়ে থাকেন এবং কোভিড বিধি যতটা সম্ভব মেনে চলেন তাহলে তার অযথা আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তৃতীয় ঢেউয়ের মত নয়া এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা প্রথমে কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও ধীরে ধীরে তা কমতে থাকবে। তবে আমাদেরকে সাবধান হতে হবে।”      

     

LinkedIn
Share