Tag: WHO

WHO

  • MonkeyPox: মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের নাম বদলের ভাবনা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার, কেন জানেন?

    MonkeyPox: মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের নাম বদলের ভাবনা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইরাস জগতে অন্যান্য ভাইরাসের মত নামকরণ হয়নি তার। নামের কারণে নাকি অনেকেই টিকা নিতে চাইছেন না। তাই নাম বদলের দাবিতে আগে থেকেই সরব হয়েছিল বিভিন্ন মহল। এবার একই দাবিতে মাঠে নেমেছে বাইডেন প্রশাসনও। মাঙ্কিপক্সের (MonkeyPox) নামকরণ নিয়ে অবশেষে ভাবনা শুরু করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  ‌

     আমেরিকার চাপ

    মাঙ্কিপক্স (MonkeyPox) ভাইরাসের নাম বদলের পথে হাঁটতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু’, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে এমনটাই জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনের দাবি, এই নাম নিয়ে সামাজিক বিতর্ক এড়ানোর জন্য বাইডেন প্রশাসন সক্রিয়। সূত্রের খবর, আমেরিকার তরফে হু-এর উপর চাপও তৈরি করা হচ্ছে ভাইরাসের নাম বদল নিয়ে।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মে মাস নাগাদ এই ভাইরাস বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। কিছুদিনের মধ্যেই ‘হু’-এর তরফে বিশ্বজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়। ভারতেও এই রোগের (MonkeyPox) হদিশ মিলেছিল কিছুদিনের মধ্যে। অগাস্ট মাস নাগাদ এই ভাইরাসের নাম নিয়ে বিতর্ক ওঠে বিভিন্ন মহলে। এমন নামকরণের কারণে সামাজিক বিভাজন উস্কানি পেতে পারে, এই আশঙ্কাও তৈরি হতে থাকে। রোগে আক্রান্ত হলে কৃষ্ণবর্ণের মানুষ ও এলবিজিটিকিউরা চিকিৎসা এড়াতে পারেন, এমন কথাও ছড়িয়ে পড়ে।

    আরও পড়ুন: কোভিড না ডেঙ্গি, বুঝবেন কী করে?

    ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নামকরণ

    বৈজ্ঞানিক নামকরণ করে তখনকার মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই বিতর্কের নিষ্পত্তি করেছিল। মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের (MonkeyPox) বদলে‌ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে ক্লেডস ওয়ান, টুএ ও টুবি নাম রাখা হয়েছিল। দেশ ও ভাইরাসের প্রকৃতি অনুযায়ী এই নামকরণ করা হয়। তবে এতেও মেটেনি‌ সমস্যা। সাধারণের মধ্যে প্রচলিত নাম মাঙ্কিপক্স (MonkeyPox) থাকায় সমস্যা বাড়তে থাকে। মার্কিন প্রশাসনের তরফে তাই নাম বদলে ‘এমপক্স’ (mpox) রাখার আবেদন করা হয়।

    আসলে নামের কারণে অনেকেই টিকা নিতে চাইছেন না। প্রশাসনের তরফে টিকার প্রকল্প বারবার বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। এমনকি রোগের লক্ষণ দেখা দিলেও চিকিৎসা করাতে অনেকে রাজি হচ্ছেন না। সব মিলিয়ে প্রশাসনিক স্তরে একাধিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে বাইডেন প্রশাসনের এই পদক্ষেপ। বিজ্ঞানীদের মতে, মাঙ্কিপক্স ভাইরাস একটি জু়নোটিক (Zoonotic) গোত্রের ভাইরাস।‌ অর্থাৎ বন্যপ্রাণীর দেহ থেকে মানুষের শরীরে এসেছে। তাই প্রাথমিকভাবে এর এমন নামকরণ করা হয়। তবে নামকরণেই পরেই বিভিন্ন মহলে নাম বদলের দাবি ওঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • MPOX: মাঙ্কিপক্সের নাম বদল করল ‘হু’, জানেন নতুন নাম কী?

    MPOX: মাঙ্কিপক্সের নাম বদল করল ‘হু’, জানেন নতুন নাম কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিলই নাম বদলের। বাইডেন প্রশাসনের চাপও ছিল। অবশেষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নাম বদল করল ‘মাঙ্কিপক্সের’ (MonkeyPox)। নতুন নাম হল ‘এমপক্স’ (MPOX)। বিশ্বের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ডেটায় (ICD-10) এবার থেকে ‘এমপক্স'(MPOX) নাম দেখা যাবে। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের ডেটাতেও (ICD-11) থাকবে একই নাম। 

    বিভিন্ন মহল থেকে এই ভাইরাসের নাম বদলের (MPOX) দাবি উঠতে থাকে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও ভাইরাসটির নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল যে ভাইরাসটির নাম মাঙ্কিপক্স বলা ঠিক নয়। এমন নামের সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষমূলক ভাবনা জড়িত রয়েছে। এই নামের জন্য আক্রান্ত রোগীরা অনেক ক্ষেত্রে টিকা পর্যন্ত নিতে চাইছিলেন না। ব্যাহত হচ্ছিল টীকাদানের কর্মসূচি। নড়ে চড়ে বসে সব মহল। দাবি উঠতে থাকে ‘মাঙ্কিপক্সের’ এমন একটা নাম হওয়া উচিত যেটি হবে বৈষম্যহীন এবং কারও উপর অপবাদ আরোপ করবে না। মাঙ্কিপক্সের (MPOX) নতুন নাম কী হতে পারে, সেই আবেদন জানিয়ে চলতি বছরের জুন মাসে ৩০ জন বিজ্ঞানী কে লিখিত পত্র দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাঙ্কিপক্সের (MPOX) রোগী শনাক্ত হতে থাকে

    চলতি বছরের মে মাস থেকে উত্তর আমেরিকা ইউরোপ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাঙ্কিপক্সের (MPOX) রোগী শনাক্ত হতে থাকে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই এই রোগে সংক্রমিত হয়েছেন প্রায় ৩০ হাজারের বেশি মানুষ। এই ভাইরাসের কোন টিকা বা ওষুধ এখনও পর্যন্ত সেভাবে আবিষ্কার হয়নি। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছিল, স্মল পক্স বা গুটি বসন্তের জন্য যে টিকা ব্যবহার করা হয় মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধে তা যথেষ্ট কার্যকর।

    এই ভাইরাস আক্রান্তদের জ্বর আসে, মাথাব্যথা হয়, ঘন ঘন ঘামতে থাকে রোগী, মাংসপেশীতে টান ধরে এবং রোগীর মধ্যে অবসাদ দেখা দেয়। প্রথম পর্যায়ে রোগীর জ্বর আসে, পাশাপাশি শরীরে দেখা যায় ফুসকুড়ি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভাইরাস (MPOX) সংক্রমণের সাথে অনেক মিল আছে গুটিবসন্তের। তবে এই ভাইরাস (MPOX) আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ১ শতাংশ বলেই জানা গেছে। বেশিরভাগ রোগী দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে বলে মার্কিন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: শীতকালে উজ্জ্বল ও ঝলমলে ত্বক পেতে মেনে চলুন এই পাঁচটি টিপস

    ভাইরাসের (MPOX) ইতিহাস

    প্রসঙ্গত, ১৯৫৮ সালে ‘মাঙ্কিপক্স’ (MPOX) ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছিল ল্যাবরেটরিতে রাখা বানরের শরীরে। তাই এটি মাঙ্কিপক্স নামে তখন পরিচিতি পায়। ১৯৭০ সালে আফ্রিকার একটি দেশে মানবদেহে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid Wave: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’

    Covid Wave: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শুরুতে ফের করোনার প্রকোপ (Covid Wave) বাড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্কতা জারি করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation) করোনার এই প্রকোপ থেকে বাঁচতে বুস্টার ডোজ নেবার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। ভারতে এখন এক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৫ হাজার ৫১০ থেকে কমে ২৫ হাজার ৩৭ জন হলেও ২৪ ঘন্টার মধ্যে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    বর্তমানে চীনে নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে করোনাভাইরাস। চিনের মঙ্গোলিয়ায় করোনা ভাইরাসের নতুন একটি প্রজাতির খোঁজ মিলেছে। চিকিৎসকদের মতে, ওমিক্রনের বিএ.৫.১.৭ (Omicron BA 5.1.7) এবং বিএফ.৭ প্রজাতির ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় অনেক গুণ বেশি। তাই করোনা টিকা নেওয়ার পর বা এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর শরীরে যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে, তা নতুন এই প্রজাতিটিকে ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    ইতিমধ্যেই চিনের বেশ কিছু জেলায় ছড়িয়ে (Covid Wave) পড়েছে এই ভাইরাস। আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি এবং ফ্রান্সের ক্ষেত্রেও সংক্রমণের হার বেশ দ্রুত। ভারতে এই ভ্যারিয়েন্টের নাম এক্সবিবি ( XBB variant)। এই ভ্যারিয়েন্টটিও শরীরের অ্যান্টিবডিকে কাটিয়ে উঠতে পারে। করোনার  ঢেউ যাতে পুনরায় না উঠতে পারে তা নিশ্চিত করতে বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের ট্র্যাকিং করতে হবে পাশাপাশি, ভারতে এর আগে করোনায় (Covid Wave) সবচেয়ে বেশী বয়স্ক ব্যক্তিরা সংক্রমিত হয়েছিল। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বয়স্কদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই বুস্টার ডোজটি নিতে বলেছে।

    উৎসবের মরসুমে করোনার বিধি-নিষেধে ছাড় এবং মানুষের লাগামছাড়া মনোভাব, নতুন করে সংক্রমণের ভয় উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। চিকিৎসকরা আরও এক বার মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, সংখ্যাটি এক হলেও নতুন প্রজাতিটি কিন্তু দেশে ঢুকে পড়েছে। তার উপর শীতকাল আসছে। এটি এমনিই ফ্লুয়ের সময়। তাই অতিরিক্ত সাবধানতা থাকতেই হবে। করোনা থিতু হতেই ভাইরাস প্রতিরোধে সুরক্ষাবিধি কেউই প্রায় মানছেন না। আমজনতার একটা বড় অংশ করোনার সুরক্ষাবিধি ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অধিকাংশ মানুষের মুখেই মাস্ক থাকছে না। তা ছাড়া শারীরিক দুরত্ববিধিরও বালাই নেই। আবার, কোথাও কোথাও মাস্ক পরা নিয়ে কড়াকড়ি শিথিলও করা হয়েছে।তাই সব কিছু বন্ধ করে ঘরে বসে থাকা কোনও সমাধান হতে পারে না।এ ক্ষেত্রে সচেতনতা গড়ে তোলাই একমাত্র হাতিয়ার বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gambia: গাম্বিয়ায় শিশুমৃত্যু, হু-এর সতর্কবার্তা জারির পরেই তদন্ত করতে বিশেষ প্যানেল গঠন কেন্দ্রের

    Gambia: গাম্বিয়ায় শিশুমৃত্যু, হু-এর সতর্কবার্তা জারির পরেই তদন্ত করতে বিশেষ প্যানেল গঠন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাম্বিয়ায় (Gambia) ৬৬ জন শিশুমৃত্যুর কারণ হতে পারে ভারতীয় কাফ সিরাপ, এমনটা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তরফে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়। এরপরেই কেন্দ্র সরকার থেকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পুরো তদন্তের নির্দেশ দেয় কেন্দ্র। এবারে বুধবার অর্থাৎ গতকালই কেন্দ্রীয় সরকার চার বিশেষজ্ঞের একটি প্যানেল গঠন করেছে। ভারতে তৈরি চারটি কাফসিরাপের বিরুদ্ধে যে রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতার ভিত্তিতে পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করবে এই বিশেষ প্যানেলটি। তারপরে সেই রিপোর্ট ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেলের কাছে পাঠানো হবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।

    এই কমিটিতে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা হলেন, প্রজ্ঞা যাদব, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি, পুনের বায়োসেফটি লেভেল ল্যাবের প্রধান, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের এপিডেমিওলজি বিভাগের আরতি বাহল এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও) এর জয়েন্ট ড্রাগ কন্ট্রোলার এ কে প্রধান। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন স্ট্যান্ডিং ন্যাশনাল কমিটির মেডিসিনস-এর ভাইস-চেয়ারপার্সন ওয়াইকে গুপ্ত।

    আরও পড়ুন: গাম্বিয়ায় শিশুমৃত্যু, ৪টে কাশির সিরাপের উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ হরিয়ানা সরকারের

    ইতিমধ্যেই হরিয়ানা সরকার মেডেন ফার্মাসিউটিক্যালসের সোনিপাত ইউনিটে ওষুধ উৎপাদন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। হুয়ের তরফে মনে করা হচ্ছে গাম্বিয়ার ৬৬ জন শিশুর মৃত্যুর কারণ ভারতে তৈরি চারটি কাশির ওষুধ। তাই অবিলম্বে কেন্দ্র থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ও গতকাল আবার কেন্দ্র সরকার প্যানেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

    প্রসঙ্গত, উল্লেখ্য, এর আগেই হু-এর তরফে পাঠানো সতর্কতায় জানানো হয়েছিল, চারটি সিরাপ পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, সেখানে অস্বাভাবিক বেশি মাত্রায় ইথিলিন গ্রাইকল এবং এথিলিন গ্লাইকল রয়েছে। হুয়ের তরফে বার্তা পাওয়ার পরেই সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন হরিয়ানার রেগুলেটরি অথরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে। ও তারপরেই তদন্ত শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত ১১ অক্টোবর হু সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনকে পণ্যের নুমনার পরীক্ষার ফলাফল বিস্তারিতভাবে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি হুয়ের তরফে জানানো হয়েছে, শিশু মৃত্যুর সঙ্গে চারটি সিরাপের সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে। অন্যদিকে হরিয়ানা সরকার ইতিমধ্যেই সংস্থাকে উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।

  • WHO Alert: ‘হু’-র সতর্কবার্তার জের! দেশে তৈরি ৪ কাশির সিরাপ নিয়ে তদন্তে কেন্দ্র

    WHO Alert: ‘হু’-র সতর্কবার্তার জের! দেশে তৈরি ৪ কাশির সিরাপ নিয়ে তদন্তে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তৈরি কাফ সিরাপ নিয়ে সতর্কতা জারি করার পরেই কেন্দ্র থেকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই ওষুধগুলো নিয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এই সিরাপগুলি তৈরি করেছে মেডেন ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড নামের হরিয়ানার সোনেপতের একটি ওষুধ নির্মাতা সংস্থা। আর এই ওষুধগুলোর জন্যই গাম্বিয়ায় ৬৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করায় বুধবার একটি নির্দেশিকা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, “দয়া করে এই ওষুধগুলি ব্যবহার করবেন না।” আর এরপরেই অবিলম্বে কেন্দ্র থেকে তদন্তের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    সূত্রের খবর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কবার্তা পাওয়ার পরই দেশে তৈরি কাফ সিরাপগুলি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের তরফে সঙ্গে সঙ্গেই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, হরিয়ানার সোনেপতের মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড নামক সংস্থার তৈরি কাফ সিরাপে কী কী উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও অবধি পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংস্থা থেকে একমাত্র গাম্বিয়াতেই ওষুধ রপ্তানি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ওষুধ অন্য কোনও দেশে পাঠানো হয়েছে কিনা, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: আজানের সুর! ভাষণ থামালেন অমিত শাহ, মুগ্ধ উপত্যকাবাসী

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের থেকে জানা গিয়েছে যে, হু ২৯ সেপ্টেম্বর কাশির সিরাপ সম্পর্কে ভারতের ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল (ডিসিজিআই) কে সতর্ক করেছিল। আর তারপরেই কেন্দ্রীয় ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন অবিলম্বে হরিয়ানার ওই সংস্থার ওপর নজর রাখতে এবং তদন্ত শুরু করেছে। হরিয়ানার ওই সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে, এই ওষুধগুলো শুধুমাত্র গাম্বিয়াতেই পাঠানো হয়েছে, অন্য কোনও দেশে পাঠানো হয়েছে কিনা, তা নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি ওষুধ তৈরির সংস্থাটি। 

    এরই মধ্যে চারটি সিরাপ পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, সেগুলির মধ্যে অস্বাভাবিক মাত্রায় ডাইথাইলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলিন গ্লাইকল রয়েছে। যা মানবদেহে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। যে চারটি ওষুধ নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে সেগুলো হল- ওরাল সলিউশন, কোফেক্সমালিন বেবি কাফ সিরাপ, মেকঅফ বেবি কাফ সিরাপ ও ম্যাগরিপ এন কোল্ড সিরাপ। এই ওষুধগুলোতে যে উপাদানগুলো অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো মানব শরীরে প্রবেশ করলে পেটব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, মূত্রত্যাগের সমস্যা ও কিডনির গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে এই ওষুধগুলির গুণমান ও সুরক্ষা সংক্রান্ত কোনও তথ্য নেই বলেই জানা গিয়েছে।

  • Covid-19: পুজোর আগেই স্বস্তির খবর! ‘করোনা মহামারীর শেষ দেখা যাচ্ছে’, ঘোষণা ‘হু’ প্রধানের

    Covid-19: পুজোর আগেই স্বস্তির খবর! ‘করোনা মহামারীর শেষ দেখা যাচ্ছে’, ঘোষণা ‘হু’ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই এক স্বস্তির খবর পাওয়া গেল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে। বুধবার হু (WHO) থেকে জানানো হয়েছে যে, কোভিড (Covid-19) এখনও পর্যন্ত পুরোপুরিভাবে চলে না গেলেও করোনাভাইরাসের শেষ হওয়ার কিছু আশা দেখা যাচ্ছে। কারণ হু থেকে দাবি করা হয়েছে যে, গত সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী করোনভাইরাসে মৃতের সংখ্যা, ২০২০ সালের মার্চের পর থেকে সবচেয়ে কম রিপোর্ট করা হয়েছে, ফলে এটি গোটা বিশ্বের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। কারণ প্রায় তিনবছর ধরে বিশ্বব্যাপী মানুষ লড়াই করে চলছে করোনা মহামারীর সঙ্গে।

    জেনেভায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস গেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) বলেছেন, ‘মহামরারী ইতি টানার ক্ষেত্রে এর থেকে আর কখনও ভালো জায়গায় ছিলাম না। আমরা এখনও শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। কিন্তু শেষটা দেখা যাচ্ছে।’ হু-এর থেকে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে মৃত্যুর হার ২২ শতাংশ কমেছে। আগের সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ।

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    হু থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, বিশ্বের অনেক দেশেই করোনা পরীক্ষা করার হার কমে গিয়েছে, করোনার টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সব জায়গায় সমান নয়। ফলে এখন থেকেই করোনার বিরুদ্ধে লড়তে বিভিন্ন বিধিনিষেধ মেনে চলাতে হবে। কারণ শীতকাল চলে আসলেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করার কথা জানিয়েছে হুর প্রধান। টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস বলেন, ‘আমরা যদি এখন সেই সুযোগ না নিই, আমাদের সামনে আরও ভ্যারিয়েন্ট, আরও মৃত্যু, আরও বিপদ এবং আরও বেশি অনিশ্চয়তার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’

    ফলে শীত আসার আগেই এক আগাম সতর্কতা হু-এর তরফে গোটা বিশ্ববাসীকে দেওয়া হল। আপাতত বিশ্বে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১০,০৯২,৪৮২। মৃত্যু হয়েছে ৬,৫১৯,০৩২ জনের। যদিও অনেক মহলের দাবি যে, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এবং মোট মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি, এবং আসল তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে।

  • Covid-19: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    Covid-19: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করতে চলেছে, এমনটাই জানানো হল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) তরফে। বৃহস্পতিবার কোভিড-১৯ নিয়ে একটি সতর্কবার্তা দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু (WHO)’। দেশের দৈনিক আক্রান্ত বাড়তে বাড়তে ফের পৌঁছে গিয়েছে ১৫ হাজারের উপরে। যা নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে। গতকালই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২ হাজারের বেশি, আর আজ সেটি ১৫ হাজারের গন্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। 

    হু-এর তরফ জানানো হয়েছে, শীত আসছে। আর আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আবহাওয়ায় বিশাল পরিবর্তন ঘটবে। আর সেই সঙ্গে ফের বাড়বে করোনা ভাইরাসের দাপট। কারণ, আবহাওয়া যত ঠান্ডা হবে, তত মানুষ বেশি করে বাড়ির ভিতরে সময় কাটাবে। আর তাতেই সংক্রমণ বেড়ে যাবে। এর ফলে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে, এমনটাই আশঙ্কা করেছে হু।

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস রিসোর্সেস গেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে ১৫,০০০ মানুষ কোভিড-১৯-এ প্রাণ হারিয়েছেন। মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যেই কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে ৩৫ শতাংশ। তিনি বলেছেন, “আমরা সপ্তাহে ১৫,০০০ মৃত্যু নিয়ে বাঁচতে পারি না। ভ্যাকসিন এবং অন্যান্য সরঞ্জামগুলির অসম বন্টন নিয়ে আমরা বেঁচে থাকতে পারব না। যখন আমাদের কাছে সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং জীবন বাঁচানোর সমস্ত সরঞ্জাম আছে, তখন এটা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি আরও জানিয়েছেন, আজ সবাই সম্পূর্ণরূপে কোভিডের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। ফলে কেউই অসহায় নয়। টিকা না নেওয়া থাকলে টিকা, বুস্টার ডোজ নেওয়ার কথা বলেছেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সমস্ত রকমের কোভিড বিধি মেনে চলতে বলেছেন।

    [tw]


    [/tw]

    তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে গোটা বিশ্বজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্ট (Omicron Variant)। গত মাসে সারা বিশ্ব থেকে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে বিএ.৫ (BA.5) সাব-ভেরিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে। টেস্টিং এবং সিকোয়েন্সিং প্রক্রিয়া সারা বিশ্বেই বেশি পরিমাণে কমে যাওয়ার ফলেই ভাইরাসটি কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই বছরের শুরুতে যে পরিমাণে সিকোয়েন্স প্রক্রিয়া করা হত, বর্তমানে তা ৯০ শতাংশ কমে গিয়েছে। তিনি বলেছেন, “আমরা সবাই এই ভাইরাস এবং মহামারি নিয়ে ক্লান্ত। তবে ভাইরাসটি আমাদের নিয়ে ক্লান্ত নয়।” তাই করোনার এই বাড়বাড়ন্ত নিয়ে ফের বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছে হু।

     

  • Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। করোনা (Covid-19) থেকে এখনও সেরে ওঠেনি বিশ্ব। অনেক রাজ্যেই করোনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এরই মধ্যে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের সংখ্যাও বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলছে। করোনার মতো মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণের গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী। নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে এই ভাইরাস।

    ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (World Health Organisation) তরফে গত বুধবার জানানো হয়েছে যে, পুরো বিশ্বের ৯২ টি দেশ থেকে ৩৫০০০ আক্রান্তের সংখ্যা রিপোর্ট করা হয়েছে। আর মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস রিসোর্সেস গেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের থেকে এই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। কারণ আগের সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৫০০, আর এই সপ্তাহে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫০০০-এর বেশি।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, মাঙ্কি পক্সের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে এবং এর জন্য অনেক দেশেই মাঙ্কি পক্সের জন্য টিকার উচ্চ চাহিদা রয়েছে। সূত্রে খবর অনুযায়ী, কিছু দেশ মাঙ্কি পক্সের প্রতিষেধক হিসেবে গুটি বসন্তের টিকা মজুত করে রেখেছে।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের নতুন উপসর্গ শনাক্ত করলেন বিজ্ঞানীরা, কী সেই উপসর্গ?

    দ্য ল্যানসেট (The Lancet) নামক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, গুটি বসন্তের (Small Pox) টিকা মাঙ্কি পক্সের গুরুতর সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম। তবে এটি  পরবর্তীতে মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে কাজ করতে নাও পারে।

    হু (WHO) থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাড়ির পোষ্যর থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ সম্প্রতি ফ্রান্সে একটি কুকুরের মাঙ্কি পক্স হওয়ার খবর সামনে এসেছে এবং কুকুরটি মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকেই সংক্রমিত হয়েছে। কুকুর মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত, এমন ঘটনা এর আগে সামনে আসেনি। তাই হু-এর মতে এটি একটি নতুন তথ্য। ফলে সকলকেই সতর্ক থাকা উচিত। মাঙ্কি পক্সকে ইতিমধ্যেই অতিমারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কিপক্সকে ‘গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি’ (Global Health Emergency) বলেও ঘোষণা করেছে। ফলে সবাইকে এখন থেকেই সাবধান হতে বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মাঙ্কিপক্স হল একটি ভাইরাল জুনোটিক রোগ-এই ভাইরাস পশু থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় এবং এর উপসর্গগুলো গুটি বসন্তের মতোই। মাঙ্কি পক্সের সাধারণ লক্ষণ হল জ্বর,  দেহে বড় বড় ফুসকুড়ি এবং লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া। এই উপসর্গগুলো মানুষের দেহে সাধারণত দুই থেকে চার সপ্তাহ দেখা যায়।

  • Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সংক্রমণ ছড়ালেও বাংলায় এখনও প্রবেশ করেনি মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) ভাইরাস। কিন্তু তার আগেই মাঙ্কি পক্স নিয়ে সতর্কতা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর (West Bengal Health Department)। 

    মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সমস্ত জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ও মেডিক্যল কলেজগুলিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। সব হাসপাতালের মাইক্রো বায়োলজি বিভাগকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেলেঘাটা আইডি-কে ইতিমধ্যেই প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তদের চিকিত্‍সার জন্যে আলাদা বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে।  স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনেও  মাঙ্কি পক্স আক্রান্তদের চিকিত্‍সার আলাদা বেড প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রতিটি জেলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্তত একটি সরকারি হাসপাতালে মাঙ্কি পক্সের জন্য বেড বরাদ্দ রাখার। রাজ্যের প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজকেও বেড রাখতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের খোঁজ মিললে অবিলম্বে তা জানাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনকে। মেডিক্যাল কলেজগুলিকে আইসোলেশন কেন্দ্রও প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।  

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের, কী করবেন, কী করবেন না?

    পশ্চিমবঙ্গে এখনও কোনও মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ মেলেনি। তবে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ইতিমধ্যেই মাঙ্কি পক্সকে ‘গ্লোবাল ইমারজেন্সি’ ঘোষণা করেছে। তাই মাঙ্কি পক্স নিয়ে রাজ্যগুলিকে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    মাঙ্কি পক্স নিয়ে কলকাতা পুরসভাকেও সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং করে এবং হোর্ডিং এর সাহায্যে মাঙ্কি পক্স নিয়ে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। যদিও এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে রাজ্য সরকার। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে আরও এক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ যাওয়ার ইতিহাস নেই রোগীর

    এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে মাঙ্কি পক্সে ৯ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে, এদের মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মোট ৯ জন আক্রান্তের মধ্যে পাঁচ জন কেরলের এবং চার জন দিল্লির। এই অবস্থায় মাঙ্কি পক্স সংক্রান্ত আগের নির্দেশিকাগুলি পুনর্বিবেচনা করার জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। এই বৈঠকে ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।   

  • Monkey Pox: বিশ্বব্যাপী জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে মাঙ্কিপক্স, ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    Monkey Pox: বিশ্বব্যাপী জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে মাঙ্কিপক্স, ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Corona) আবহের মধ্যেই মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। দেশে এখনও করোনা শেষ হয়নি, তারই মধ্যে এই রোগ নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ বিশ্বের স্বাস্থ্য মহলের। শনিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কিপক্সকে ‘গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি’ (Global Health Emergency) বলে ঘোষণা করল। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) প্রধান টেড্রস অ্যাডহানম ঘেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) জানান, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যক্ষেত্রে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে মাঙ্কিপক্স। অর্থাৎ এই রোগ কোনও বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে ভবিষ্যতে, তাই সবাইতে এখন থেকেই সাবধান হতে বলা হচ্ছে।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, তৃতীয় আক্রান্তের হদিশ মিলল সেই কেরলেই

    শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) একটি জরুরি বৈঠকের আয়োজন করেছিল। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের মাঙ্কিপক্স বিশেষজ্ঞরা। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, তাঁদেক সবার মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিভিন্ন মতামত ছিল। এরপরে  তাঁদের অনুমতিতেই এদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা করে।

    ইতিমধ্যে চলতি বছরেই ৭৫টি দেশে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছে এই রোগে। এই রোগে আফ্রিকার পাঁচজন ব্যক্তি প্রাণও হারিয়েছেন। WHO-র তথ্য অনুযায়ী জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত সংক্রমণের সংখ্যা ৭৭ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। যদিও আফ্রিকা মহাদেশের বাইরে এখনও পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে, ভারতেও মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত হতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কেরলে তিনজনের শরীরের মিলেছে এই রোগ। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রসঙ্গত ১৪ জুলাই ভারতে প্রথম মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে ভারতে ফেরা বছর ৩৫-এর এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ পাওয়া গিয়েছিল। ফের কেরল থেকেই তৃতীয় আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যায়। মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক বার্তা জারি করেছিল আগেই, এবারে এই ঘোষণার মাধ্যমে পুরো বিশ্ববাসীকে আরও সচেতন হতে বলা হল।

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন… 

     

     

LinkedIn
Share