Tag: wife

wife

  • Supreme Court: আক্রোশ মেটাতে ৪৯৮-এ ধারা ব্যবহার করা যাবে না, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    Supreme Court: আক্রোশ মেটাতে ৪৯৮-এ ধারা ব্যবহার করা যাবে না, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪৯৮-এ ধারার (Section 498A) অপব্যবহার হচ্ছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠেছে। এবার সুপ্রিম কোর্টও জানিয়ে দিল, কোনও সমস্যা হলেই ব্যক্তিগত শত্রুতা বা আক্রোশ মেটাতে বধূ নির্যাতন বিরোধী আইনের ৪৯৮-এ ধারাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না (Supreme Court)। মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর বধূ নির্যাতনের একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই পর্যবেক্ষণ দেশের শীর্ষ আদালতের।

    ৪৯৮-এ ধারার অপব্যবহার (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্ট সতর্ক করে জানিয়েছে, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ৪৯৮-এ ধারার অপব্যবহারও করা হচ্ছে। স্বামী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে স্ত্রীর দায়ের হওয়া ওই মামলাও খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি বিভি নাগারত্ন ও বিচারপতি এন কোটিশ্বর সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে দেশের সব হাইকোর্ট ও পুলিশকে সুপ্রিম কোর্ট একাধিকবার এই মর্মে সতর্ক করেছে যে বধূ নির্যাতনের অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮-এ ধারার অপব্যবহার করা হচ্ছে (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছিল, অকারণে কাউকে হেনস্থা করার জন্য যেন ৪৯৮-এ ধারা ব্যবহৃত হয়। বধূ নির্যাতনের ওই মামলায় মিথ্যে অভিযোগ করা হয়েছে – এই যুক্তিতে মামলা খারিজের পাশাপাশি অভিযোগকারীকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ভারতের স্নাতকদের মধ্যে বেড়েছে কর্মসংস্থানের উপযোগিতা, বলছে রিপোর্ট

    গার্হস্থ্য হিংসা থেকে বাঁচানোর জন্য আনা হয়েছিল আইন

    এদিন শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, ৪৯৮-এ ধারা আনা হয়েছিল বিবাহিত মহিলাদের গার্হস্থ্য হিংসা থেকে বাঁচানোর জন্য। এই প্রসঙ্গেই আদালতের পর্যবেক্ষণ, সম্প্রতি দেশের সর্বত্র বৈবাহিক সম্পর্কে সমস্যার ঘটনা বেড়ে গিয়েছে। এর সঙ্গেই দেখা যাচ্ছে, ৪৯৮-এর মতো ধারার অপব্যবহার হচ্ছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা চরিতার্থ করতেই স্বামী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে এই আইন ব্যবহার করছেন স্ত্রী। সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে, নির্যাতনের সারবত্তাহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এই ধরনের মামলা হলে আদতে তা আইনের অপব্যবহার। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে কোনও স্পষ্ট প্রমাণ না থাকলে এই ধরনের মামলা দায়েরের আগে সতর্ক হতে হবে।

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এই পর্যবেক্ষণ এমন একটা সময়ে প্রকাশ্যে এল, যখন গার্হস্থ্য সমস্যা নিয়ে বেঙ্গালুরুর এক আইটি কর্মী অতুল সুভাষের মৃত্যুকে ঘিরে (Section 498A) তোলপাড় দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hooghly: অকাল প্রয়াণ পত্নীর, মন্দিরে মূর্তি গড়ে পুজো করছেন কোন্নগরের ডাক্তার বাবু

    Hooghly: অকাল প্রয়াণ পত্নীর, মন্দিরে মূর্তি গড়ে পুজো করছেন কোন্নগরের ডাক্তার বাবু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অকাল প্রয়াণ ঘটেছিল পত্নীর। আর তাই এবার মন্দিরে মূর্তি গড়ে তাঁর স্মৃতি স্মরণ করলেন কোন্নগরের (Hooghly) চিকিৎসক। ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবন ছিল তাঁদের। কিন্তু হঠাৎ করেই মৃত্যু হয় পত্নী মিলি বিশ্বাসের। আর তাই নিজের পত্নীর মূর্তি তৈরি করে, মন্দিরে বসিয়ে পুজো করেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভবতোষ বিশ্বাস। এই ঘটনায়, পত্নীর প্রতি, স্বামীর প্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসাবে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

    কেন মূর্তি নির্মাণ করে পুজো (Hooghly)?

    হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের বাসিন্দা হলেন চিকিৎসক ভবতোষ দত্ত। তিনি এলাকার বেশ জনপ্রিয় হৃদরোগের ডাক্তার। পূর্বে তিনি পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তিনি নিজের বাসভবন এসি দেব স্ট্রিটের বাড়িতে প্রথম তলায় মন্দির নির্মাণ করেন। সেখানে মন্দিরের মধ্যে বসানো হয়েছে স্ত্রী মিলির মূর্তি। মন্দিরে রয়েছেন দেবী দুর্গা, রাধাকৃষ্ণ, জগন্নাথদেব, মা সারদা। বাড়িতে নিত্যপুজোর অনুষ্ঠান হয়। পুরোহিত দিয়ে যেমন ঠাকুর-দেবতারা পুজো পান, ঠিক তেমনি সেই সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও পুজো পেয়ে থাকেন।

    ডাক্তার বাবুর বক্তব্য

    মন্দিরে (Hooghly) নিজের স্ত্রীর মূর্তি নির্মাণ করে পুজো দেওয়ার ঘটনায় ডাক্তার বাবু সাংবাদিকদের বলেন, “দেবী জ্ঞানে মা সারদাকে পুজো করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ, মমতাজের স্মৃতিতে তাজমহল নির্মাণ করে করেছিলেন শাহজাহান। আমি রামকৃষ্ণদেবের ভক্ত। ঈশ্বরের সঙ্গে আমার তুলনা করতে চাইনা। আবার শাহজাহানের মতো আমার লোকবলও নেই। কিন্তু আমি যা করেছি, তা আমার স্ত্রীর প্রতি স্নেহ-ভালবাসার জায়গা থেকেই। দাম্পত্য জীবনের ২৯ বছর আমাকে মিলি আগলে রেখেছিলেন। এখনও আমি বিশ্বাস করি, মিলি আমার পাশেই রয়েছেন।”

    তিনি আরও জানান, অত্যন্ত পরোপকারী ছিলেন মিলি। সমাজে মহিলাদের অগ্রগতির জন্য সমাজসেবার কাজ করতেন। স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, মন্দির স্থাপন করায় এলাকার মানুষ বেশ আনন্দিত হয়েছেন। এলাকার মহিলাদের মধ্যেও ডাক্তার বাবুর এই পত্নী প্রেম, বেশ নজর কেড়েছে। কেউ কেউ বলছেন অনন্ত প্রেমের উদাহরণ হল এই মূর্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: একই আসনে তৃণমূলের হয়ে মনোনয়ন স্বামী-স্ত্রীর! গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কি এবার বাড়িতেও?

    Malda: একই আসনে তৃণমূলের হয়ে মনোনয়ন স্বামী-স্ত্রীর! গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কি এবার বাড়িতেও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) একই আসনে স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা করলেন। দুজনই আবার নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে দাবি করলেন। মালদার কালিয়াচক ৩ নং ব্লকের জেলা পরিষদের ৪৩ নং আসনে এই দম্পতি মনোনয়নপত্র জমা  করেছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    কেন একই আসনে মনোনয়ন?

    দলীয়ভাবে মালদা (Malda) জেলা পরিষদের ৪৩ নং আসনটির জন্য বৈষ্ণবনগর বিধানসভার বিধায়ক চন্দনা সরকারের স্বামী পরিতোষ সরকারের নাম স্থির করা হয়েছে। কিন্তু চন্দনা সরকার বৈষ্ণবনগর বিধানসভার বিধায়ক এবং মালদা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতিও। তাই দল কালিয়াচক আসনটির জন্য বিধায়িকার স্বামী পরিতোষ সরকারের নাম স্থির করে। এরপরই দম্পতির মধ্যে মনোনয়ন নিয়ে বিবাদ শুরু হয়। ৪৩ নং আসনটিতে প্রার্থী হতে দাবি জানাতে থাকেন বিধায়ক চন্দনা সরকার। ইতিমধ্যেই জেলা নেতৃত্ব বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। দলের তরফ থেকে রাজ্য নেতৃত্ব চন্দনা সরকারের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, চন্দনা সরকারের স্বামী তাঁদের গৃহযুদ্ধকে বন্ধ করতে নিজের প্রার্থীপদ থেকে নাম প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেন দলের কাছে। আর তাই রাজ্য থেকে জেলা নেতৃত্ব সকলকেই পারিবারিক সমস্যার কথা জানিয়েছেন তিনি, এমনটাই জানা গেছে। কিন্তু দলীয়ভাবে সেই আবেদনও নাকচ করে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত দল প্রার্থী হিসাবে পরিতোষ সরকারকেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর পরিতোষ সরকার এবং তাঁর পত্নী একসাথে এসে একই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এই মনোনয়নকে ঘিরেই শুরু হয়েছে জেলায় উত্তেজনা।

    মনোনয়নের পর স্বামী-স্ত্রীর বক্তব্য

    স্বামী বলেলেন, আমার স্ত্রী গত তিনবার ধরে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আছেন এবং তিনি জেলার সহকারী সভাধিপতি। তাই দল তাঁকে টিকিট দিলেই ভালো হতো। অপর দিকে বিধায়িকা স্ত্রী বলেন, দলের সিদ্ধান্তই আমাদের কাছে শেষ সিদ্ধান্ত। আমার স্বামী অনেক দিন ধরেই হার্টের অসুখে অসুস্থ। আমাদের মধ্যে পারিবারিক কোনও বিবাদ নেই। তাই দুজনে এক সঙ্গেই মনোনয়নপত্র জমা করলাম বলে জানান বৈষ্ণবনগরের (Malda) বিধায়িকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মনোনয়ন কেন্দ্রে তৃণমূলের বিধায়ক-পত্নীকে দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান

    Murshidabad: মনোনয়ন কেন্দ্রে তৃণমূলের বিধায়ক-পত্নীকে দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের প্রার্থী তালিকায় নাম নেই। অথচ বৃহস্পতিবার দেখা গেল, দলেরই সিম্বলে মনোনয়নপত্র জমা করলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার স্ত্রী টগরী সাহা। আর এর পরই বিরোধীরা ‘চোর চোর’ স্লোগানে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিধায়ক-পত্নীকে।

    মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) মনোনয়নপত্র জমা করতে গিয়ে কী ঘটল?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা করার আজ বৃহস্পতিবার ছিল শেষ দিন। ইতিমধ্যেই সর্বত্র মনোনয়ন জমা দেওয়াকে ঘিরে শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে। মনোনয়নকে ঘিরে কোথাও চলেছে বোমা, আবার কোথাও চলেছে গুলি। মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির টিকিটে বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের স্ত্রীকে দেখা গেল মনোনয়নপত্র জমা করতে। উল্লেখ্য, এই জীবনকৃষ্ণ সাহাকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামালায় সিবিআই-ইডি গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন। তাঁর স্ত্রী পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা করে বেরিয়ে আসছিলেন। ঠিক সেই সময় ব্লক অফিসের ভিতরেই মনোনয়ন দাখিলের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা বিরোধী দলের বিজপি প্রার্থীরা বিধায়কের স্ত্রী টগরী সাহাকে দেখেই চোর চোর স্লোগান তোলেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিরোধী প্রার্থীরা লাইনে দাঁড়িয়ে মনোনয়নপত্র জমা করতে পারছিলেন না। অথচ বিধায়ক-পত্নী কোনও লাইন না দিয়েই নিজের মনোনয়ন জমা করেন বলে অভিযোগ বিরোধীদের। বিধায়ক-পত্নী মনোনয়ন জমা করতে এসে থেমে থাকেননি। তিনি সুযোগ পেয়ে মনোনয়ন কেন্দ্রের ভিতরেই বিরোধীদের কুকুর-ছাগলের মতো আচরণ করেন বলে অভিযোগও শোনা গেছে। আর এই নিয়ে প্রশাসনের কাছে বিরোধীদের পক্ষ থেকে অভিযোগও করা হয়।

    বিজেপির অভিযোগ

    ভারতীয় জনতা পার্টির স্থানীয় বুথ সহ সভাপতি ইলিয়াস শেখ বলেন, এতকাল এই তৃণমূল বিধায়ক (Murshidabad) কেবল চুরিই করে গেলেন, প্রাপ্য সুযোগসুবিধা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করলেন! আজ সেই বিধায়কের পত্নী পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন করলেন। আমরা সকাল থেকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি, আমাদের সময়ের কোনও দাম নেই। অথচ একজন বিধায়কের পত্নীর জন্য সব সুবিধা প্রশাসন দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বললেন, একজন দুর্নীতিগ্রস্ত বিধায়কের পত্নীকে মনোনয়ন জমা করতে এসে লাইনে দাঁড়াতে হল না। ব্লক অফিসের আধিকারিকরা বিরোধী দলের প্রতি অসহযোগিতা করছেন। তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে প্রশাসন, এমনটাই অভিযোগ করেন ইলিয়াস শেখ।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Magician: জাদুকরের ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে ভ্যানিশ হয়ে গেল বধূ, কোথায় দেখে নিন?

    Magician: জাদুকরের ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে ভ্যানিশ হয়ে গেল বধূ, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জাদু সম্রাট জুনিয়র পিসি সরকারের (PC Sarkar) জাদুর ভেলকিতে কিছুক্ষনের জন্যই কলকাতার ভিক্টোরিয়া বিল্ডিং ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছিল। নব্বইয়ের দশকে রাজ্যবাসীর অনেকেই সেই ঘটনার সাক্ষী ছিলেন। এবার রাকেশ পাহাড়ি নামে অন্য এক কুখ্যাত জাদুকরের (Magician) হদিশ মিলেছে। তাঁর হাতযশের ক্যারিশমা এখন হারে হারে টের পাচ্ছেন মালদহের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দারা। কারণ, জাদুকরের (Magician)হাতযশে গ্রামের বহু বধূর সোনার গয়না উধাও হয়ে গিয়েছে। আর তাঁর জাদুর ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে গৃহবধূ ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে। হন্যে হয়ে সেই জাদুকরকে খুঁজছে গোটা শান্তিপুর গ্রাম।

    শান্তিপুরে গিয়ে জাদুকর আর কী কী ভেলকি দেখিয়েছেন?

    কিছুদিন আগে নিছক সাইকেল খেলা দেখাবেন বলেই গ্রামে ঘাঁটি বেঁধেছিলেন জাদুকর(Magician) রাকেশ পাহাড়ি। সুঠাম চেহারা, তেমনি মুখে মিষ্টি কথা। তাঁর হাতে ভেলকি ছিল চোখ জুড়ানো। কচিকাঁচা থেকে গ্রামের সকলেই তাঁর জাদুতেই মোহিত হয়ে গিয়েছিলেন। সোনা ডবল করার টোপও দিয়েছিলেন তিনি। সেই ফাঁদে পড়ে গ্রামের অনেক বধূ নিজের কানের সোনার দুল, হাতের বালা, আংটি জাদুকরের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। আর জাদুকরের (Magician) মিষ্টি কথার জাদুতেই মজে গিয়েছিলেন প্রসেনজিত্ রায়ের অষ্টাদশী স্ত্রী খুশি রায়। তাঁর জাদুর (Magician) ভেলকি এতটাই নিখুঁত ছিল যে স্ত্রীর মন চুরি হওয়ার খবর স্বামীও টের পাননি। স্ত্রীকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন প্রসেনজিত্ রায়। তিনি বলেন, গ্রামে এসে জাদুকর খুব সুন্দর খেলা দেখাতেন। কথাবার্তাও তাঁর খুব ভালো ছিল। গ্রামের সকলের সঙ্গে ওর সখ্যতা হয়ে গিয়েছিল। সোনা, টাকা ডবল করার প্রলোভন দেখিয়ে বহু বাসিন্দাদের সর্বস্ব লুঠ করেছেন ওই জাদুকর। তবে, কখন যে আমার স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তা টের পাইনি। জাদুকরের (Magician) হাত ধরে চলে যাওয়ার পরই আমাদের টনক নড়ে। ততক্ষণে ওই জাদুকর আমাদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। তবে, শুধু খুশি রায়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন নন,অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গোটা গ্রাম।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত জাদুকরের (Magician)  বাড়ি নদিয়া জেলায়। তবে, সেটা তাঁর আসল বাড়ি কি না তা এখনও পরিষ্কার নয়। এই বিষয়ে জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, ওই জাদুকরের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। অভিযুক্তের সঙ্গে আর কেউ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Karnataka High Court: অলস বসে থাকা ডিভোর্সি স্ত্রী-র খোরপোষের দাবি ঠিক নয়, জানাল কর্নাটক হাইকোর্ট

    Karnataka High Court: অলস বসে থাকা ডিভোর্সি স্ত্রী-র খোরপোষের দাবি ঠিক নয়, জানাল কর্নাটক হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরণপোষণ এবং ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka High Court)। ডিভোর্সের পর স্ত্রী শুধু অলসভাবে দিন কাটিয়ে তার প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে খোরপোষ দাবি করতে পারে না অভিমত আদালতের।

    আদালতের অভিমত

    সম্প্রতি কর্নাটকের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়া এক মহিলার খোরপোষ মাসে ১০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৫ হাজার ও ক্ষতিপূরণের অর্থ ৩ লক্ষ টাকা কমিয়ে ২ লক্ষ টাকা করে দেয়। এরপর ওই মহিলা তাঁর সন্তানের কথা বলে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায়কে চ্য়ালেঞ্জ জানিয়ে কর্নাটক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এই প্রসঙ্গে আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, একজন স্ত্রী, যিনি আগে চাকরি করতেন তিনি অলসভাবে বসে থাকতে পারেন না এবং বিচ্ছেদের পর স্বামীর কাছ থেকে সম্পূর্ণ ভরণপোষণ দাবি করতে পারেন না। পাশাপাশি, তাঁর জীবিকার জন্য অবশ্যই চেষ্টা করা উচিত বলেও জানিয়েছে কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka High Court)।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূলের দেওয়া উপ মুখ্যমন্ত্রী পদের অফারও ছুড়ে ফেলেছি’’, বললেন শুভেন্দু

    বিচারপতি রাজেন্দ্র বাদামিকরের সিঙ্গেল বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলছিল। এই শুনানির পর আদালত জানিয়ে দেয় যে, বিয়ের পর ওই মহিলা কেন চাকরি করতে পারছিলেন না তার কোনো সঠিক ব্যাখ্যা মেলেনি। যদিও, বিয়ের আগে ওই মহিলা চাকরি করতেন এবং নিজের জন্য উপার্জন করতেন। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, “তিনি (ওই মহিলা) অলসভাবে বসে থেকে স্বামীর কাছ থেকে পুরো ভরণপোষণ এইভাবে চাইতে পারেন না। বরং, তিনি তাঁর জীবিকা নির্বাহের জন্য কিছু প্রচেষ্টা করার ক্ষেত্রে আইনত বাধ্য রয়েছেন।”  তাঁর প্রাক্তন স্বামীর আর্থিক শারীরিক অবস্থাও তেমন ভাল নয়। সব দিক বিবেচনা করে খরপোষের অর্থ বাড়ানোর আর্জি খারিজ হয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Wife: স্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল স্বামী, কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    Wife: স্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল স্বামী, কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্বশুরবাড়িতে এসে স্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর বিধানসভার ভূপতিনগরের পাঁউশী গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, জখম স্ত্রীর নাম যমুনা দলপতি। আর অভিযুক্ত স্বামীর নাম দীপঙ্কর দলপতি। গুরুতর জখম ওই বধূকে প্রথমে ভূপতিনগর-মুগবেড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে, তমলুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    কেন স্ত্রীকে গুলি করল স্বামী?

    অভিযুক্ত দীপঙ্কর কর্মসূত্রে বাইরেই থাকে। কখনও সে ট্রলারে মাছ ধরতে চলে যায় গভীর সমুদ্রে, কখনো বা কাজের জন্য ভিন রাজ্যে পাড়ি দেয়। তবে, বাড়ি ফিরে এসেই স্ত্রীর ওপর অকথ্য অত্যাচার চালাত বলে অভিযোগ। এই নিয়ে একাধিকবার সালিশি সভা বসে। তাতে কোনও লাভ হয়নি। দীপঙ্করের অত্যাচার তাতে কমেনি বলেই অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেন যমুনাদেবী। স্ত্রীকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শ্বশুরবাড়িতে বহুবার গিয়েছে দীপঙ্কর। কখনও বাড়িতে আসার জন্য অনুরোধ করেছে। কখনও আবার ভয় দেখিয়েছে। কিন্তু, কোনও কিছুতেই কাজ হচ্ছিল না। তাই শেষ পর্যন্ত ১১ মে সে শ্বশুরবাড়িতে আসে। স্ত্রীকে বাড়ি যাওয়ার কথা সে বলে। স্ত্রী তার প্রস্তাবে রাজি হয়নি। এরপরই স্ত্রীকে লক্ষ্য করে সে দু রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। একটি গুলি লাগে ডান হাতে। গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় মানুষজন জড়ো হতেই সে এলাকা ছেড়ে পালায়। হাসপাতালে ওই বধূকে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে এক্স রে করে দেখা যায়, ওই বধূর ডান হাতের কনুই এর কাছে ঢুকে রয়েছে একটি গুলি।

    কী বললেন আক্রান্ত বধূ ও তাঁর পরিবারের লোকজন?

    হাসপাতালের বেডে শুয়ে যমুনাদেবী বলেন, “অন্যবারের মতো শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার জন্য ও বলে। কিন্তু, ওর অত্যাচারের কথা ভেবে আমি শ্বশুরবাড়ি যেতে রাজি হইনি। ও এভাবে গুলি করে দেবে তা ভাবতে পারিনি।” যমুনার বাবা সুধাংশু মিদ্যার অভিযোগ, “এর আগে মেয়েকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে, নাক ফাটিয়ে দিয়েছে জামাই। আমরা অবিলম্বে তার শাস্তির দাবি করছি।” রাজনৈতিক সংঘর্ষে বারবার উঠে এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুরের পাঁউশী এলাকার নাম। সেই এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর গণ্ডগোলে গুলি চালানোর ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। এইসব আগ্নেয়াস্ত্র আসছে কোথা থেকে? সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আমজনতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মন্দিরে পুজো দিয়েই মিলল ফল! ২১ বছর পর নিখোঁজ স্ত্রীকে ফিরে পেলেন স্বামী

    Murshidabad: মন্দিরে পুজো দিয়েই মিলল ফল! ২১ বছর পর নিখোঁজ স্ত্রীকে ফিরে পেলেন স্বামী

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আট বা দশ বছর নয়। ২১ বছর ধরে প্রতীক্ষা। স্ত্রী ফিরে আসার আশায় ছেলেকে সঙ্গে করে মন্দিরে পুজো দিতেন স্বামী। এক সময় স্ত্রীর বেঁচে থাকার আশাও ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে, মন্দিরে পুজো দেওয়া বন্ধ রাখেননি তিনি। ঠাকুরের কাছে মনপ্রাণ দিয়ে কোনও কিছু চাইলে খালি হাতে ফিরতে হয় না তা এখন বুঝতে পারছেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ধারাপাড়া বিধান কলোনির বাসিন্দা গোবিন্দ রায়। কয়েকদিন আগে অচেনা নম্বর থেকে তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। আর ফোনের অন্যপ্রান্ত থেকে একজন তাঁর স্ত্রীর খোঁজ দেন। ২১ বছর ধরে যারজন্য অপেক্ষা করে দিন কাটাচ্ছিলেন, অনায়াসে তাঁর খোঁজ মিলতেই হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো অবস্থা তাঁর। ফোনের সূত্র ধরে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থেকে উত্তরপ্রদেশ পাড়ি দেন তিনি। সোমবারই ২১ বছর পর তিনি ফিরে পান স্ত্রীকে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্ত্রী যখন বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান তখন গোবিন্দবাবুর ছেলের বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর। স্বামী, সন্তানকে ফেলে রেখে তিনি বাড়ি থেকে কোনও কাজে বেরিয়ে গিয়ে আর ফেরেননি। প্রায় ২১ বছর আগে অশন্তি রায় নামে ওই বধূ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। বাড়ির লোকজন থানায় মিসিং ডায়েরি করেছিলেন। কিন্তু, কোথাও তাঁর হদিশ মেলেনি। অবশেষে হ্যাম রেডিও-র হাত ধরে ২১ বছর পর নিজের বাড়ির ঠিকানা খুঁজে পেলেন ওই বধূ। পরিবার ও হ্যাম রেডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে ওই বধূ দক্ষিণেশ্বর, কালীঘাট, তারকেশ্বর মন্দিরে ছিলেন। পরে, কোনওভাবে তিনি বেনারসে চলে যান। সেখানকার পুলিশ তাঁকে একটি ট্রাকের ভিতর থেকে উদ্ধার করেন। গ্রেফতার করা হয় খালাসিকে। আর গাড়ির চালক পালিয়ে যায়। ওই বধূ তখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। তাঁকে বেনারসের সরকারি মেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি এতদিন ছিলেন।

    কী করে হদিশ মিলল ওই বধূর?

    হ্যাম রেডিও পশ্চিমবঙ্গ শাখার সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, কলকাতার এক মহিলা কিছুদিন আগে বেনারস গিয়েছিলেন। ওই মেন্টাল হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের মধ্যে তিনি ফল বিতরণ করেন। সেই সময় ওই বধূর বাংলা কথা শুনে তাঁরসঙ্গে আলাপ জমান তিনি। কিন্তু, তিনি বাড়ির ঠিকানা বলতে পারেননি। কলকাতার ওই মহিলা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমরা তাঁরসঙ্গে কথা বলি। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো কথায় টান রয়েছে তাঁর। সেই মতো মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন ব্লকে যোগাযোগ করেই ওই বধূর আমরা হদিশ পাই। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে আমরা কথা বলি। ওই বধূর স্বামী গোবিন্দ রায় বেনারস যান। সোমবারই ওই বধূকে তাঁর স্বামীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। ২১ বছর পর স্ত্রীকে ফিরে পেয়ে একসঙ্গে ছবি তোলেন তাঁরা। গোবিন্দ রায় বলেন, আমি প্রতিবছরই স্ত্রীর জন্য মন্দিরে পুজো দিতাম। আমরা বহু জায়গায় তাঁর খোঁজ করেছি। কিন্তু, তাঁর হদিশ পাইনি। আমরা তো আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। এতদিন পর স্ত্রীকে ফিরে পাব তা ভাবতে পারিনি। আমার ছেলের বয়স এখন প্রায় ২৫ বছর। এতদিন পর মাকে দেখতে পেয়ে ও খুবই খুশি। ভগবানের কাছে মনপ্রাণ দিয়ে কিছু চাইলে তিনি যে নিরাশ করেন না, ২১ বছর পর আমি তা সত্যিই অনুভব করলাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন করে গোপনাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী, অবশেষে গ্রেফতার প্রেমিক যুগল

    Purulia: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন করে গোপনাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী, অবশেষে গ্রেফতার প্রেমিক যুগল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতের মনুয়াকাণ্ডের ছায়া ধরা পড়ল পুরুলিয়ার (Purulia) জয়পুরে। ২০১৭ সালে বারাসতের মনুয়া (Monua) মজুমদার তার প্রেমিক অজিত রায়কে দিয়ে স্বামী অনুপম সিংকে খুন করিয়েছিল। আর সমস্ত ঘটনাটি বাপের বাড়িতে বসে সে ফোনে লাইভ শুনেছিল। পুরুলিয়ার (Purulia) জয়পুরের রাঙ্গুনিটাড় গ্রামের ঘটনাটি অনেকটাই সেরকম। গ্রামের বাড়িতে বসে প্রেমিককে ফোন করে স্বামীকে খুন করে দেহ লোপাট করার লাইভ আপডেট দেয় স্ত্রী। পরে, প্রেমিকের পরামর্শে নিজের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে দেহ পুঁতে দেয়। মৃতদেহে পচন ধরাতে সেখানে লবনও ঢেলে দেয় সে। গোয়ায় বসেই প্রেমিক ফোনে তার প্রেমিকাকে সমস্ত কিছু নির্দেশ দিয়েছিল। ২০ মার্চ রহস্যজনকভাবে জুড়ন মাহাত নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের সামনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে আসে। ইতিমধ্যে পুলিশ জুড়নের স্ত্রী উত্তরা মাহাতকে গ্রেফতার করেছে। আর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর প্রেমিক ক্ষেত্রপাল মাহাতকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

    প্রেমিকের সঙ্গে কীভাবে আলাপ হয়েছিল বধূর?

    উত্তরার দুই সন্তান রয়েছে। আর প্রেমিক ক্ষেত্রপালও চার সন্তানের বাবা। সে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ করে। বছর পাঁচেক আগে উত্তরাদের বাড়িতে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ করার সময় তার সঙ্গে ক্ষেত্রপালের আলাপ হয়। পরে, ফোন দেওয়া-নেওয়া হয় দুজনের মধ্যে। সময় সুযোগ পেলেই ফোনেই তাদের দুজনের মধ্যে কথাবার্তা চলত। পরে, দুজনের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে। পাঁচ বছর ধরে তাদের মধ্যে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক রয়েছে। বছর দুয়েক আগে উত্তরার স্বামী সমস্ত বিষয়টি জেনে যান। আর এই নিয়ে বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকত। তাই, প্রেমের মধুর এই সম্পর্কের মাঝে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় স্বামী। প্রেমিকের সঙ্গে ছক কষেই স্বামীকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় উত্তরা।

    কী করে খুন করা হল?

    ২০ মার্চ রাতে জুড়নকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে তার স্ত্রী উত্তরা। সেদিন রাতে স্বামীকে ডিমের তরকারি দিয়ে ভাত খেতে দেয়। আর তরকারির মধ্যে সে ২৫টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই জুড়ন বেহুঁশ হয়ে পড়েন। এরপরই উত্তরা আসল খেলা শুরু করে। প্রথমে নিজেদের দোকানের বাটখারা করে স্বামীর মাথায় আঘাত করে। পরে, ঘরে তরকারি কাটার ছুরি দিয়ে তাঁর গোপনাঙ্গ কেটে নেয়। আর এই কাজ করার সময় মোবাইলের অন্যপ্রান্তে গোয়ায় বসেই শুনছিল ক্ষেত্রপাল। পরে, স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত জানার পর উত্তরা একাই তাকে টানতে টানতে সেপটিক ট্যাঙ্কে নিয়ে গিয়ে পুঁতে দেয়।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পুরুলিয়া (Purulia) জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় বলেন, “২০ ই মার্চ বছর ৪৫ এর জুড়ন মাহাত নিখোঁজ হন। ২২ ই মার্চ তার স্ত্রী উত্তরা মাহাত ও বড় ছেলে অপূর্ব মাহাত থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর ২৫ তারিখ জুড়নের ছেলে জানায়, তাদের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে পচা গন্ধ বের হচ্ছে। এরপরই তদন্তে নেমে জুড়ন মাহাতোর বাড়ির বাইরে থাকা সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরের দিন উত্তরা মাহাতকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তার প্রেমিক ক্ষেত্রপাল মাহাতকে গ্রেফতার করা হয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share