Tag: Winter season

Winter season

  • Constipation Problem: শীত এলেই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্য! কীভাবে সমস্যা এড়াবেন?

    Constipation Problem: শীত এলেই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্য! কীভাবে সমস্যা এড়াবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ কমছে! সকালের কুয়াশা আর সন্ধ্যার ঠান্ডা হাওয়ায় কাবু বঙ্গবাসী। তবে শীতের মরশুমে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীত পড়তেই অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন। বয়স্কদের পাশপাশি শিশুরাও এই সমস্যায় জেরবার। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে। তার উপরে সঠিক খাদ্যাভ্যাস না থাকলে সমস্যা আরও জটিল হয়ে যায়। তাই এই সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

    কেন শীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে?

    জল পর্যাপ্ত পরিমাণে না খাওয়া!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে জল তেষ্টা কম পায়। তাই অনেকেই ফি-দিনের জল খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেন। শরীর সুস্থ রাখতে, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা এড়াতে শরীরে পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন। নিয়মিত কমপক্ষে চার লিটার জল খাওয়া দরকার। শিশুদের নিয়মিত দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়া জরুরি। কিন্তু শীতে অনেকেই এই পর্যাপ্ত জল খায় না। তার জেরেই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা বাড়ে।

    অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতে শরীরে ফাইবারের জোগান ঠিকমতো থাকা জরুরি। কিন্তু শীতের মরশুমে অনেকেই নানান উৎসব উদযাপন করেন। পারিবারিক অনুষ্ঠান হোক কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক, বিভিন্ন উদযাপনেই থাকে দেদার খানাপিনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ধরনের অনুষ্ঠানের খাবারের মেনুতে পর্যাপ্ত ফাইবার থাকে না। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় শাক-সব্জি থাকে না। শরীর সবুজ শাক-সব্জি থেকেই প্রয়োজনীয় ফাইবার সংগ্রহ করে। এই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

    শারীরিক কসরতের অভাব!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে ক্লান্তিভাব বাড়ে। অনেকেই বছরভর শারীরিক কসরত করলেও, শীতে নিয়মিত যোগাভ্যাস কিংবা নিয়ম মাফিক হাঁটাচলা করেন না। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা বাড়ে। শারীরিক কসরত করলে এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সহজ হয়।

    হজমের সমস্যা!

    হজম ঠিকমতো না হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়বে। শীতের মরশুমে হজমের সমস্যা বাড়ে‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় খাবার কিংবা তেলেভাজা বেশি খান। আর এর ফলেই হজমের সমস্যা হয়। যার জেরেই এই মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে‌।

    কীভাবে সমস্যা কমবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কয়েকটি বিষয়ে নজরদারি করলেই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ভোগান্তিও কমবে।

    ফাইবার জাতীয় খাবার জরুরি!

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, শীতের মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতে শিশু থেকে বয়স্ক, সকলের নিয়মিত ফাইবার জাতীয় ফল ও সব্জি খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন পালং শাক, গাজর, ব্রোকলির মতো সব্জি, কলা, কমলালেবুর মতো ফল নিয়মিত খাওয়ার পাশাপাশি ওটস কিংবা বাজরার মতো দানাশস্য নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।

    নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা জরুরি!

    শরীর সুস্থ থাকলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। শীতের মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করবে এই অভ্যাস। বিশেষত বয়স্কদের জন্য এই অভ্যাস খুব উপকারি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। এর ফলে হজম ভালো হবে। অন্ত্র, পাকস্থলী, লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়বে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে শিশুদের নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    জল পর্যাপ্ত খাওয়া হচ্ছে কিনা সে দিকে নজর জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতেও শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত জল খেতে হবে। নিয়ম মাফিক প্রতিদিন প্রয়োজনীয় জল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Kolkata Air Pollution: বায়ুদূষণে দিল্লিকে টেক্কা কলকাতার! ‘প্রশাসনের গাফিলতি’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    Kolkata Air Pollution: বায়ুদূষণে দিল্লিকে টেক্কা কলকাতার! ‘প্রশাসনের গাফিলতি’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কলকাতার বাতাস নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কলকাতার বাতাসের ‘বিষ’ নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক থেকে পরিবেশ কর্মী, সব মহল! শীতের মরসুমে সেই উদ্বেগ আরও বাড়ল। কারণ, সম্প্রতি, কলকাতার বায়ুদূষণের মাত্রা ছাপিয়ে গেল দিল্লিকেও! বায়ুদূষণ নিয়ে কথা হলেই দিল্লির কথা প্রথমেই আলোচনায় আসে। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট মহল। মানুষের স্বাস্থ্যে এর গভীর প্রভাব পড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    গত কয়েক দিন ধরেই রাত আটটা থেকে নটার মধ্যে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আশপাশের এলাকায় AQI (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স) ছিল ৩৪২-র আশপাশে। যা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি। ওই সময় দিল্লির একিউআই ছিল ২৯৯। কলকাতার ফুসফুস হিসেবে পরিচিত ময়দান এলাকায় বায়ুর এই গুণমান সূচক নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

    বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, দিন কয়েকের সমস্যা নয়। দেশের অন্যতম দূষিত শহর হল কলকাতা। কলকাতায় বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়ছে। যার ক্ষতিকারক প্রভাব পরিবেশ স্পষ্ট জানান দিচ্ছে। তবে কলকাতার পাশপাশি এ রাজ্যে হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমানের একাধিক শহরেও বায়ুদূষণের মাত্রা ভয়ঙ্কর। এ নিয়ে প্রশাসন সতর্ক না হলে আগামি দিনে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কেন কলকাতা ও আশপাশে বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জনসচেতনতা অভাব এবং প্রশাসনের সক্রিয়তার ঘাটতি কলকাতার দূষণের মাত্রা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় নানান নির্মাণ কাজ চলছে। মেট্রো রেল সম্প্রসারণ সহ একাধিক নির্মাণ কাজ চলাকালীন সেই জায়গা ঢেকে রাখাই নিয়ম। যাতে সেখানে ধুলোবালি সহজে বাতাসে মিশে না যায়। কিন্তু সেই ঢেকে রাখার ব্যবস্থা রাজ্য প্রশাসনের তরফে করা হয়নি। তাই যে কোনও নির্মীয়মান জায়গার ধুলিকণা সহজেই বাতাসে মিশে যাচ্ছে। এছাড়া শীতে শুষ্কতা বাড়ে। তাই এই সময়ে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই অতিরিক্ত গাড়ি যেসব এলাকায় চলে সেখানে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই সেই সব এলাকায় দিনে একাধিকবার জল ছেটানোর বন্দোবস্ত করা প্রয়োজন। কিন্তু কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় সে ব্যবস্থা নেই। তাই বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বাড়ছে। এছাড়াও জনসচেতনতাকেও এজন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবেশবান্ধব যানবাহন অধিকাংশ মানুষ ব্যবহার করেন না। তাই বায়ুদূষণ লাগামহীন।

    স্বাস্থ্য সঙ্কট কি দেখা দিতে পারে?

    বায়ুদূষণ স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করতে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রতি ঘনমিটারে বাতাসে ১৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি দূষণের মাত্রা থাকলেই স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হতে পারে। কিন্তু কলকাতায় সেই মাত্রা কয়েকগুণ বেশি। তাই পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলকাতা ও তার আশপাশ লাগামহীন বায়ুদূষণের জেরে শিশুদের ভোগান্তি বাড়ছে। শ্বাসকষ্ট, কাশির মতো নানান সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। এমনকি হাঁপানি আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। শিশুদের পাশপাশি বয়স্কদের জন্যেও এই পরিবেশ বিপজ্জনক। শিশু ও বয়স্কদের নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিসের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বায়ুদূষণকেই সেই জন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    জনসচেতনতা এবং প্রশাসনের সক্রিয়তা হলে তবেই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

  • Nolen Gur Health Benefits: নতুন গুড় শুধু শুধুই স্বাদে-গন্ধে এগিয়ে? নাকি এতে রয়েছে স্বাস্থ্যের গুণাগুণও?

    Nolen Gur Health Benefits: নতুন গুড় শুধু শুধুই স্বাদে-গন্ধে এগিয়ে? নাকি এতে রয়েছে স্বাস্থ্যের গুণাগুণও?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পায়েস হোক কিংবা পুলি-পিঠে, শীতের আমেজ জমিয়ে দেয় বাঙালির রান্নাঘরের এই মরশুমের বিশেষ রান্না! হিমেল হাওয়া আর কুয়াশা যেমন শীতের জানান দেয়, তেমনি বাঙালির রান্না ঘরে নতুন গুড়ের গন্ধ ম-ম করলেই শীতের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। পিঠে-পুলি-পায়েসের মতো নানান রকমের পদে গুড়ের ব্যবহার হয়। কিন্তু বাঙালির এই চিরকালীন প্রিয় নলেন গুড় (Date Palm Jaggery) কি শুধুই গন্ধে আর স্বাদে এগিয়ে থাকে! একেবারেই নয়! স্বাদের পাশপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও নলেন গুড় (Nolen Gur Health Benefits) এগিয়ে থাকবে। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতের গুড় শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি।

    গুড় খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, গুড়ে রয়েছে একাধিক খনিজ পদার্থ। গুড় আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো উপাদানে ভরপুর। তাই গুড় খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাই যেকোনও সংক্রামক রোগ রুখতে শরীর বাড়তি শক্তি পায়। ভোগান্তি কম হয়।

    আয়রনের ঘাটতি কমায়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পূর্ব‌ ভারতের মহিলাদের মধ্যে আয়রনের অভাব যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা মেয়েদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। এর ফলে রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি নানান অসুখের ঝুঁকিও বাড়ছে। গুড় খেলে শরীরে আয়রনের জোগান হয়। তাই রক্তাল্পতা রুখতেও সাহায্য করে।

    হাড়ের ক্ষয় রুখতে সাহায্য করে!

    তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হাড়ের ক্ষয় রোগ বাড়ছে। বয়স তিরিশের চৌকাঠ পেরনোর আগেই আর্থ্রাইটিস সহ একাধিক রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। হাড় দূর্বল হওয়ার জেরেই এই ধরনের নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। তাই গুড় খেলে হাড় মজবুত হয়।

    হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে হজমের সমস্যা বাড়ে। নানান কারণে এর ফলে লিভারেও চাপ পড়ে। গুড় হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গুড়ে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। যা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভার সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে।

    মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গুড়ে ভিটামিন বি ৬ উপাদান থাকে। এই উপাদান মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার এই উপাদান মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও বাড়ায়। তাই গুড় খেলে মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।

    সর্দি-কাশি রুখতে বিশেষ সাহায্য করে!

    গুড় রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, গুড় খেলে সর্দি-কাশি কম হয়। গুড়ে‌ থাকা নানান খনিজ পদার্থ ফুসফুসের সংক্রমণ রুখতেও বিশেষ সাহায্য করে।

    গুড় কি চিনির বিকল্প হতে পারে?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে গুড় খাওয়ার ক্ষেত্রেও পরিমাণের দিকে নজরদারি প্রয়োজন। গুড়ে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। ফলে অতিরিক্ত পরিমাণে গুড় খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাবে। এর ফলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। আবার ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য নানান জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে রান্নায় চিনির পরিবর্তে গুড় ব্যবহার করা যেতে পারে। আবার সকালে আদার সঙ্গে অল্প পরিমাণ গুড় মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশি মোকাবিলা আরো সহজ হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Malaria in Winter: একমাসে আক্রান্ত ১৫০! শীতেও রাজ্যে দাপট ম্যালেরিয়ার, প্রশাসনের গাফিলতিই দায়ী, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Malaria in Winter: একমাসে আক্রান্ত ১৫০! শীতেও রাজ্যে দাপট ম্যালেরিয়ার, প্রশাসনের গাফিলতিই দায়ী, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দরজায় শীত কড়া নাড়লেও মশার দাপট চলছেই। তাই ডিসেম্বরেও রাজ্যবাসীর মশাবাহিত রোগ থেকে রেহাই নেই। এমনটাই খবর রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসনের অন্দরে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের একাধিক জেলায় বছরভর ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ছিলো উদ্বেগজনক। শীতের মরশুমে মশা বাহিত রোগের ঝুঁকি কিছুটা কমবে বলেই আশা করেছিলেন চিকিৎসক মহল। কিন্তু ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে স্বাস্থ্য ভবনের তথ্য?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে। নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে নতুন করে প্রায় দেড়শো জন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে‌। উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ার মতো একাধিক জেলায় ম্যালেরিয়ার দাপট রয়েছে। তবে কলকাতার শোভাবাজার, গিরিশ পার্ক, যাদবপুর, টালিগঞ্জের মতো এলাকায় নভেম্বর মাস জুড়ে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক ছিল। এই এলাকা থেকেই গত এক মাসে প্রায় ৬০ জন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়েছেন।

    কেন ডিসেম্বরেও মশাবাহিত রোগের দাপট অব্যহত?

    সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মশাবাহিত রোগ মূলত বর্ষাকালেই হয়। সেই হিসাব মতো সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর এই দুই মাস মশাবাহিত রোগের দাপট রাজ্যে বেশি থাকে। বর্ষায় জমা জল মশার আতুর ঘর। তাই এই সময়ে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গির মতো রোগের সংক্রমণ বেশি হয়। কিন্তু চলতি বছরে শীতের মরসুমেও মশাবাহিত রোগের দাপট চলছে। বিশেষজ্ঞ মহল অপরিচ্ছন্ন পরিবেশকেই এর জন্য দায়ী করছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাজ্যের অধিকাংশ জায়গায় অপরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয় না। পার্ক, পুকুর সংলগ্ন এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার হয় না। আগাছা পরিষ্কার হয় না। এর ফলে মশার বংশবিস্তার সহজ হচ্ছে। তাই শীত পড়লেও মশাবাহিত রোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়া যাচ্ছে না।

    কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া রুখতে প্রশাসনের সক্রিয়তার পাশপাশি জনসচেতনতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, এলাকার পরিচ্ছন্নতার পাশপাশি বাড়ি ও আশপাশের জায়গা পরিষ্কার রয়েছে কিনা সে সম্পর্কেও সতর্ক থাকতে হবে। ছাদে বা বাগানে জল জমতে দেওয়া যাবে না। অনেকেই ছাদে টবে গাছ রাখেন।‌ বাগান করেন। বিশেষত কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় ছাদে বাগান‌ তৈরির রেওয়াজ বাড়ছে। কিন্তু সেই বাগানে জল জমছে কিনা সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। পাশপাশি প্রশাসনের সক্রিয়তা প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের পরামর্শ, এলাকায় পুকুর কিংবা পার্ক থাকলে প্রতি সপ্তাহে নিয়ম মাফিক, তার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজরদারি জরুরি। আগাছা পরিষ্কার করা, পুকুরের জল যাতে পরিষ্কার থাকে, সেদিকে নজর রাখার দায়িত্ব প্রশাসনের। ম্যালেরিয়া রোগ সম্পর্কেও সচেতনতা প্রসার জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের প্রধান উপায় আক্রান্তকে দ্রুত চিহ্নিত করা। বারবার জ্বর আসা, মাথা ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো শারীরিক পরীক্ষা করানো দরকার। যাতে রোগ চিহ্নিত সহজ হয়। পরিবারের কেউ ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হলে বাকিদের বাড়তি সতর্কতা নেওয়া দরকার। রোগীকে মশারি টাঙিয়ে রাখতে হবে। অন্যদের ও কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে রোগ সংক্রমণ বেশি না ছড়ায়।

  • Liver Problems: শীতের মরসুমে বাড়ছে যকৃতের সমস্যা! কীভাবে এই সময়ে লিভার সুস্থ রাখবেন?

    Liver Problems: শীতের মরসুমে বাড়ছে যকৃতের সমস্যা! কীভাবে এই সময়ে লিভার সুস্থ রাখবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের কুয়াশা আর সন্ধ্যা হতেই ঠান্ডা হাওয়া জানান দিচ্ছে শীত এসেছে! তাপমাত্রার পারদ কমছে। কিন্তু শীত মানে শুধুই আবহাওয়ার পরিবর্তন নয়। শীত নিয়ে আসে নানান উৎসব আর উদযাপন। বাঙালির শীতকালে থাকে একাধিক পারিবারিক উৎসব, বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক আর বছর শেষের নানান উদযাপন। তাই ডিসেম্বর মাসজুড়ে চলে দেদার খানাপিনা। শীতের মরসুমে এই উৎসব উদযাপনের জেরেই লিভারের নানান ভোগান্তি বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রতি বছর বছরের শেষের সময়ে অনেকেই লিভারের সমস্যায় ভোগেন। এর ফলে নানান জটিলতা তৈরি হয়।

    কেন বছর শেষে লিভারের সমস্যা বাড়ে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে লিভারের নানান সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এমনকি স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও এই ধরনের রোগ দেখা দিচ্ছে। এই রোগের প্রকোপ বাড়ার জন্য বিশেষজ্ঞ মহল মূলত জীবন যাপনের ধরনকেই দায়ী করছেন। শীতে এই ধরনের লিভারের অসুখ আরও বেড়ে যায় বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

    শীতে ঘাম কম হয়। ফলে ক্যালোরি ক্ষয় আরও কমে যায়। অনেকেই আবার শীতে নিয়মিত শারীরিক কসরত করেন না। তার উপরে শীত পড়লেই অনেকেই ‘ওভার ইটিং’ বা অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া শুরু করেন। লিভার রোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই শীত পড়তেই নানান রকমের মাংস, মাছ জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণে খেতে শুরু করেন। তার সঙ্গে ভারসাম্য রেখে সবুজ সব্জি কিংবা দানাশস্য খান না। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার লিভারের জন্য ক্ষতিকারক। একদিকে শারীরিক পরিশ্রম কম করা, আরেকদিকে অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়া, এই দুই কারণেই লিভারের সমস্যা বাড়ে। তাছাড়া, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশের কাছে উৎসব উদযাপন মানেই মদ্যপান। এই অভ্যাস লিভারের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। মদ্যপানের জেরেও লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জেরেই হজমের সমস্যা দেখা যায়। বমি, পেট ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। যা দীর্ঘমেয়াদি জটিল রোগের লক্ষণ হতে পারে।

    শীতের কোন খাবার লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের একাধিক খাবার লিভার সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। শিশু থেকে বয়স্ক, সকলের এই মরশুমি সব্জি এবং ফল নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন। তাহলেই লিভারের নানান অসুখের ঝুঁকি কমবে।

    শীতকালে বাজারে দেদার পালং শাক পাওয়া যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাকে থাকে ক্লোরোফিল। এই উপাদান লিভার সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। কারণ ক্লোরোফিল সহজেই লিভারের টক্সিন দূর করে।

    এই মরশুমে আরেকটি শাক, লিভারের জন্য বিশেষ উপকারি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মেথি শাক লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। নানান রকমের মশলাদার খাবার লিভারের উপরে চাপ তৈরি করে। সপ্তাহে অন্তত দুদিন মেথি শাক খেলে লিভারের ডিটক্সিফিকেশনে বিশেষ সাহায্য হয়।

    ব্রকোলি এবং ফুলকপির মতো সব্জি লিভারের জন্য বিশেষ উপকারি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের সব্জি এনজাইম সক্রিয় করে লিভারকে সুস্থ রাখে। বিটরুট লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    সব্জির পাশপাশি নানান ধরনের বেরি জাতীয় ফল এই সময়ে বাজারে সহজেই পাওয়া যায়। এই ধরনের ফলগুলো লিভার সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, লিভার সুস্থ রাখতে নানান রকমের সব্জি, ফল খাওয়ার পাশপাশি অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। প্রাণীজ প্রোটিন বিশেষত চর্বি জাতীয় মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। পাশপাশি শরীরের ওজন সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে। ফ্যাটি লিভারের অন্যতম কারণ শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি। তাই ওজন যাতে অতিরিক্ত না হয়, তাই নিয়মিত শারীরিক কসরত করা জরুরি। তাহলে লিভার সুস্থ থাকবে। কার্যক্ষমতা বাড়বে। ভোগান্তি কমবে।‌

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Blood Pressure: শীত এলেই বৃদ্ধি পাচ্ছে রক্তচাপ! কোন কোন বিপদ বাড়ছে?

    Blood Pressure: শীত এলেই বৃদ্ধি পাচ্ছে রক্তচাপ! কোন কোন বিপদ বাড়ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডিসেম্বরের আগমনে শীতের জানান আরও বেশি টের পাওয়া যাচ্ছে। কলকাতা থেকে জেলা, রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ! কমছে তাপমাত্রার পারদ। বিশেষত ভোর ও রাতের দিকে শীতের উপস্থিতি ভালোই অনুভব করা যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শীত আরও স্পষ্ট জানান দেবে বলেই জানাচ্ছেন আবহবিদদের একাংশ। তবে শীতের আমেজ নানান উৎসব আর উদযাপনের ইঙ্গিত দিলেও, শীতে কিছু বাড়তি বিপদ ও জানান দেয়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীত পড়লেই বাড়তে থাকে রক্তচাপ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে এই সমস্যা বেড়েছে। তারমধ্যে শীতের আবহে সেই সমস্যা আরও বাড়ছে। এমনকি যাদের রক্তচাপ বছরভর স্বাভাবিক থাকে, তাঁদেরও, বছরের এই সময়ে রক্তচাপ উর্ধ্বমুখী হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

    কেন শীত পড়লেই রক্তচাপ বাড়ে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীত পড়লেই রক্তচাপ উর্ধ্বমুখী হওয়ার অন্যতম কারণ আবহাওয়া। শরীরের সঙ্গে প্রকৃতির যোগ ওতোপ্রোতভাবে রয়েছে। তাপমাত্রার পারদ নামলেই রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে ধমনীতে তার প্রভাব পড়ে। আর তার জেরেই রক্তচাপ বাড়ে। শীতের আবহে শরীরে হরমোনের পরিবর্তন দেখা যায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পারদ নামলে নোরপাইনফ্রাইন, ক্যাটেকোলামাইনের মতো হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এগুলো শরীরে রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে। তাই শীত পড়লে রক্তচাপ উর্ধ্বমুখী হয়।

    আবহাওয়ার পাশপাশি শীতে জীবন যাপনের ধরনেও পরিবর্তন ঘটে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে ঘাম কম হয়। শারীরিক পরিশ্রমও কম হয়। বয়স্কদের একাংশ শীত পড়তেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। এর ফলে রক্তচাপ বাড়ে। শীতকাল মানেই পিকনিক কিংবা নানান আনন্দ উৎসব। আর সব উৎসবের উদযাপনেই থাকে ভুরিভোজ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই অতিরিক্ত পরিমাণ প্রাণীজ প্রোটিন, চর্বিজাতীয় খাবার খান। আর তার ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়।

    উচ্চ রক্তচাপ কোন বিপদ বাড়িয়ে দেয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তচাপ বাড়লে হার্টের উপরে চাপ বেশি পড়ে। তাই উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। হার্ট অ্যাটাক কিংবা অন্যান্য হৃদরোগের অন্যতম কারণ উচ্চ রক্তচাপ। শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে কিডনির উপরেও প্রভাব পড়ে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত থাকলে কিডনির উপরে চাপ পড়ে। যার জেরে কিডনির কার্যকারিতা কমতে থাকে। স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ উচ্চ রক্তচাপ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তচাপ বাড়লে মস্তিষ্কের রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    শীতেও কীভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন?

    শীতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবারেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন পালং শাক খেলে রক্তচাপ সহজেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ম‌্যাগনেশিয়াম। এই দুই উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। শীত আর কমলালেবু বাঙালির কাছে প্রায় সমার্থক শব্দ। সকালের ঘরোয়া জলখাবারের সঙ্গে হোক কিংবা পিকনিকের শেষ বেলায় বাঙালির পাতে থাকে কমলালেবু। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই কমলালেবু রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফল হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়।

    শীতের বাজারে সহজেই পাওয়া যায় বিট। এই সব্জি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিট থেকে শরীর স্বাভাবিক নাইট্রেট পায়। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশপাশি নিয়মিত শারীরিক কসরত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত যোগাভ্যাস জরুরি। এতে শরীরে ঠিকমতো রক্ত সঞ্চালন হয়। আবার হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। মানসিক স্বাস্থ্যও ঠিক থাকে। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Winter Skin Problems: শীত পড়তেই বাড়ছে ত্বকের সমস্যা! কী এড়িয়ে চললে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়?

    Winter Skin Problems: শীত পড়তেই বাড়ছে ত্বকের সমস্যা! কী এড়িয়ে চললে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ নামছে। শীতের আমেজ দরজায় কড়া নাড়ছে। আর তার জেরেই অনেকে ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন। বড়দের পাশপাশি শিশুরাও শীতকালে ত্বকের নানান সমস্যায় ভোগে। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যাওয়া, লাল দাগ হয়ে যাওয়া কিংবা চুলকানির মতো নানান উপসর্গ দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সাধারণ ঘরোয়া উপাদানে ভরসা রাখলেই শীতে ত্বকের সমস্যা কমবে।

    কীভাবে ত্বক ভালো রাখা সম্ভব?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের সময়ে ত্বক ভালো রাখার জন্য কিছু ঘরোয়া উপাদান যথেষ্ট। তাছাড়া খাবারের দিকেও বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। ত্বক ভালো রাখার প্রথম শর্তই হলো শরীর সুস্থ রাখা। তাই ত্বকের উপরের যত্নের পাশপাশি ভিতরের যত্ন নেওয়া সমান ভাবে জরুরি।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত ত্বকে বারবার সাবান, জল দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে ত্বকে স্বাভাবিক ময়েশ্চার তৈরি হয়। বারবার সাবান ব্যবহার করলে সেই প্রাকৃতিক ময়েশ্চার নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। দিনে নিয়মিত দুবার সাবান জলে মুখ পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হয়।

    শীতে অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খান না। আর তার জেরে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়। ত্বকের সমস্যা তার মধ্যে অন্যতম। এমনটাই জানাচ্ছেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরমে বারবার জল তেষ্টা পায়। তাই অনেক সময়েই প্রয়োজনীয় জলের চাহিদা পূরণ হয়। শীতে তাপমাত্রা কম থাকায় জল খাওয়া অনেকেই কমিয়ে দেন। তাই কম জল খাওয়ার জেরে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়‌। নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খাওয়া প্রয়োজন। শিশুদের নিয়মিত ৩-৪ লিটার এবং প্রাপ্তবয়স্কের নিয়মিত ৪-৫ লিটার জল নিয়মিত খাওয়া জরুরি। এতে শরীরের একাধিক রোগ মোকাবিলা সহজ হবে‌। ত্বক ভালো থাকবে।

    শীতে বাদাম জাতীয় জিনিস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাদাম ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারি। নিয়মিত বাদাম খেলে শরীর প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ সহজেই পায়‌। এর ফলে ত্বকের সমস্যা কমে। ত্বকে স্বাভাবিক ময়েশ্চার বজায় থাকে।

    শীতে বাজারে সহজেই পাওয়া যায় গাজর, মিষ্টি আলুর মতো সবজি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বক ভালো রাখতে এই দুই সবজি বিশেষ উপকারি। তাঁরা জানাচ্ছেন, গাজর, মিষ্টি আলুর মতো সবজিতে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ সহ একাধিক উপাদান থাকে। এই উপাদান সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। আবার ত্বক মসৃণ রাখতেও সাহায্য করে।

    অ্যাভোকাডোর মতো ওমেগা-থ্রি সমৃদ্ধ ফল সপ্তাহে অন্তত দুদিন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ত্বককে ভালো রাখতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে অ্যাভোকাডো। এই ফল সপ্তাহে অন্তত দুবার খেলে শীতে ত্বকের একাধিক সমস্যা মোকাবিলা সহজ হয়।

    শীতের ব্রকলি, কমলালেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি নিয়মিত খেলে ত্বক ভালো থাকে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাক, ব্রকলি, কমলালেবুর মতো শীতের সব্জি আর ফল একাধিক ভিটামিন সমৃদ্ধ। তাই এগুলো একদিকে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। আবার ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চার বজায় রাখতেও সাহায্য করে। তাই এই ধরনের ফল ও সবজি এই সময়ে বাড়তি উপকারি।

    সপ্তাহে অন্তত একবার মুখে মধু ও দইয়ে প্রলেপ লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যারা নিয়মিত দিনের অনেকটা সময় বাইরে থাকেন, তাদের ত্বকের সমস্যা আরও বেশি হয়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যাও বাড়ে। সপ্তাহে অন্তত একদিন মধু ও দইয়ের মিশ্রণ লাগালে ত্বকের কোষ ভালো থাকে। ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের অভাব হয় না।

    কী এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বক ভালো রাখতে অতিরিক্ত রাত জাগার অভ্যাস ছাড়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হলে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় না থাকলে ত্বক ভালো থাকে না। ত্বক ভালো রাখলে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। তাই অতিরিক্ত রাত জেগে থাকা নয়। অন্তত আট ঘণ্টার ঘুম নিশ্চিত করতে পারলে ত্বক ভালো রাখা সহজ হয়।

    অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় এবং তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। এমনটাই পরামর্শ চিকিৎসকদের একাংশের। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত চর্বি ও তেলজাতীয় খাবার হজম করা কঠিন হয়। অন্ত্রে অসুবিধা হলে তা ত্বকে জানান দেয়। একাধিক ত্বকের সমস্যা তৈরি হয়। তাই এগুলো এড়িয়ে চললে শীতে ত্বকের সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Winter Season: শীতে আরাম পেতে ঘন ঘন কফি খাচ্ছেন? বাড়াতে পারে বিপদ, দাবি পুষ্টিবিদদের

    Winter Season: শীতে আরাম পেতে ঘন ঘন কফি খাচ্ছেন? বাড়াতে পারে বিপদ, দাবি পুষ্টিবিদদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দরজায় কড়া নাড়ছে শীত! ভোরে কমছে তাপমাত্রার পারদ। আর এই আবহাওয়ায় অনেকেই বাড়তি আরাম পেতে সকাল-সন্ধ্যে ঘনঘন কফিতে চুমুক দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এতেই বাড়তে পারে বিপদ। তাঁদের পরামর্শ, ঘন ঘন কফি শরীরে একাধিক জটিলতা তৈরি করতে পারে। বরং কফিতে বদলে চুমুক দেওয়া হোক বিকল্প ঘরোয়া পানীয়তে। বিশেষত ডায়াবেটিস কিংবা হৃদরোগের সমস্যা থাকলে কফি বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে।

    কেন ঘনঘন কফি বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে?

    হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে উঠতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে সাময়িক আরামের জন্য দিনে চার-পাঁচ বার কফি খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, কফিতে থাকা ক্যাফিন হৃদস্পন্দন অনিয়মিত করতে পারে। তাই যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাদের বিপদ আরও বাড়ে। তাই বারবার কফি হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

    হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে!

    খালি পেটে কফি খাওয়ার অভ্যাস খুব বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খালি পেটে কফি খেলে পেট ও বুক জ্বালা করতে পারে। শরীরে ক্ষতিকারক অ্যাসিড তৈরি করে। এর ফলে অন্ত্র, পাকস্থলী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    অনিদ্রা একাধিক সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বারবার কফি খেলে অনিদ্রার সমস্যা দেখা দিতে পারে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন স্নায়ুকে উত্তেজিত করে রাখে। তাই কফি খেলে ঘুম পায় না।‌ এতে অনিদ্রার ঝুঁকি তৈরি হয়। যার জেরে মানসিক চাপ বাড়ে। শরীর বেশি ক্লান্ত বোধ করে।

    কফির বিকল্প কোন পানীয়তে ভরসা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কফির বিকল্প কিছু ঘরোয়া পানীয় শীতের আবহাওয়ায় আরামদায়ক। আবার তাতে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব কম হয়। তাঁদের পরামর্শ বারবার কফির পরিবর্তে খাওয়া যেতে পারে তুলসী ও পুদিনার সরবৎ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরম জলে সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে তুলসী পাতা এবং পুদিনা মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। পানীয় হিসাবে এটা স্বাস্থ্যকর। আবার পুদিনা সুন্দর গন্ধ দেওয়ার পাশপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। শীতে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। তাঁদের জন্য পুদিনা খুব উপকারি। তাছাড়া সর্দি-কাশি মোকাবিলায় তুলসী পাতার বিশেষ গুণ রয়েছে। তাই তুলসী পাতা নিয়মিত খেলে শীতের অন্যান্য ভোগান্তিও কমবে।

    টমেটোর স্যুপ শীতে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন সমৃদ্ধ টমেটো‌ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তাই টমেটো স্যুপ খেলে শরীর ভালো থাকবে। আবার গরম স্যুপ শরীরে আরাম দেবে। পাশপাশি গরম জলে আদা, দারচিনি আর এলাচ ফুটিয়ে তারপরে লেবু মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আদা, দারচিনি এবং এলাচ শরীরে নানান ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের ঝুঁকি কমায়। আবার লেবুতে থাকে ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম। যা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তাই এই মিশ্রণ খেলে শরীর সুস্থ থাকবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Heart Disease: শীতের শুরুতেই বাড়ছে হৃদরোগের প্রকোপ! কাদের ঝুঁকি বেশি?

    Heart Disease: শীতের শুরুতেই বাড়ছে হৃদরোগের প্রকোপ! কাদের ঝুঁকি বেশি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দরজায় কড়া নাড়ছে শীত (Winter Season)! ভোরের ঠান্ডা হাওয়া জানান দিচ্ছে আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। দুপুরে রোদের তীব্রতায় ঠান্ডার আমেজ আর থাকছে না। তাই বাড়ছে অস্বস্তিও। এমন পরিস্থিতিতে বিপদ বাড়ছে। হৃদরোগের ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে। প্রৌঢ়দের পাশাপাশি কম বয়সিদের মধ্যেও হৃদরোগের (Heart Disease) প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। বিশেষত শীতের আগে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তাই যথেষ্ট উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, আগাম সতর্কতা না নিলে বড় বিপদ এড়ানো যাবে না।

    কেন শীতের (Winter Season) শুরুতে হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের শুরুতে হৃদরোগের (Heart Disease) প্রকোপ বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে হৃদরোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও এই রোগের দাপট বাড়ছে। তাই বছরভর সাবধানতা জরুরি। তবে শীতের সময়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের এই সময়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। বিশেষত তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য বদল ঘটে। তাপমাত্রা বারবার ওঠানামার জেরে রক্তচাপের উপরেও প্রভাব পড়ে। দিনের একটা সময়ে হঠাৎ গরম, আবার কিছুটা সময়ে বেশ ঠান্ডা, এমন তাপমাত্রার বদলের জেরে রক্তচাপ হঠাৎ করেই ওঠানামা করে, এর জন্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

    কাদের বিপদ বেশি?

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে হৃদরোগের (Heart Disease) ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই শীতের (Winter Season) শুরুতে তাঁদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কোলেস্টেরল এবং ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্যও বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হয়। কারণ, এই সমস্যা থাকলে অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের সমস্যা তৈরি হয়। তাই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

    কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে এই আবহাওয়ায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষত হৃদরোগের (Heart Disease) ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। সহজপাচ্য খাবার নিয়মিত খাওয়া দরকার। কম তেল মশলা দিয়ে নিয়মিত সবুজ সব্জি, মাছ, মাংস কিংবা ডিম খাওয়া প্রয়োজন। যাতে শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং প্রোটিন পায়। আবার যাতে কোলেস্টেরলের মাত্রা না বাড়ে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না। যাতে শরীরে অতিরিক্ত ওজন না বাড়ে। তাতে কোলেস্টেরলের মাত্রাও‌ বাড়ে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। প্রাণীজ প্রোটিনের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে সবুজ সব্জি, ফাইবার সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে। শরীরে প্রোটিনের পাশপাশি ভিটমিন, খনিজ পদার্থের জোগান হলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। শরীর সুস্থ থাকবে।

    খাবারের পাশপাশি নিয়মিত শারীরিক কসরত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটা জরুরি।‌ তাতে শরীরে ক্যালোরি ক্ষয় হয়। নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। আবার প্রত্যেক দিন সকালে যোগাভ্যাস করলে স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শরীরের অন্যান্য হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে। শীতে ঘাম কম হয়। তাই অনেক সময়েই ক্যালোরি ক্ষয় কম হয়। তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে‌। এই সময়ে নিয়মিত ব্যায়াম করলে একাধিক রোগের ঝুঁকি কমবে। হৃদরোগের আশঙ্কাও কমবে।

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্তদের নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা দরকার। যাতে তাদের রক্তচাপ অনিয়মিত হচ্ছে কিনা, সেটা নজরে রাখা যায়। তাছাড়া, ডায়াবেটিস কিংবা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে হাতে-পায়ের পেশিতে খিঁচুনি, মাথার পিছনে যন্ত্রণা কিংবা বুকে চিনচিনে ব্যথা, বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। প্রথমেই চিকিৎসা শুরু হলে হৃদরোগের (Heart Disease) বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Children’s Disease:  সন্তান পেটের অসুখে কাবু? শীতের মরশুমে কেন বাড়ছে এই ভোগান্তি?

    Children’s Disease: সন্তান পেটের অসুখে কাবু? শীতের মরশুমে কেন বাড়ছে এই ভোগান্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের মরশুমে (Winter Season) দাপট বাড়াচ্ছে পেটের অসুখ! বিশেষত শিশুরা পেটের অসুখে (Children’s Disease) বেশি কাবু হচ্ছে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চলতি মরশুমে শিশুদের পেটের অসুখ বাড়ছে। সঙ্গে হচ্ছে জ্বর। আর এই ভোগান্তি বেশ দীর্ঘমেয়াদি। ফলে, একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আর তাই প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা এবং ডাক্তারদের পরামর্শ।

    কেন শিশুদের পেটের অসুখ বাড়ছে?

    শিশুরোগ (Children’s Disease) বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের এই মরশুমে (Winter Season) পেটের অসুখ বাড়ছে! তার কারণ আবহাওয়া এবং খাবার। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় শরীরের ভিতর গরম হওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রা কমে যায়। তাই শরীর নিজস্ব ভাবে তাপমাত্রা তৈরি করে, যাতে এই আবহাওয়ায় মানিয়ে নিতে পারে। তার সঙ্গে শীতের মরশুমে নানান উৎসব থাকে। চলে নানান রকমের খাবার খাওয়া। আর এই দুইয়ের জেরেই বাড়ছে পেটের অসুখ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর গরম থাকার কারণে অনেক সময়েই হজমের গোলমাল হয়। তার জেরেই পেটের অসুখ হতে পারে। আবার শীতে অনেকেই অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খায়। বাড়ির ছোটদেরও দেওয়া হয় ওই খাবার। আর প্রাণীজ প্রোটিন‌ সহজপাচ্য হয় না। তাই পেটের সমস্যাও হতে পারে।

    কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের দিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া যাবে না।‌ বিশেষত শিশুদের রাতের দিকে অতিরিক্ত মশলা জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন দেওয়া যাবে না। তাতে হজমের গোলমাল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। মাছ, মাংস কিংবা ডিম জাতীয় খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত সবজি থাকা জরুরি। এতে হজম ভালো‌ হয়, অন্ত্র সুস্থ থাকে। ফলে পেটের অসুখের ঝুঁকি কমে। নিয়মিত স্নান জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের আবহাওয়ায় (Winter Season) শরীর প্রাকৃতিক ভাবেই গরম থাকে। তাই পেটের গোলমাল এড়াতে নিয়মিত স্নান জরুরি। নিয়মিত স্নান করলে শরীর সুস্থ থাকবে। অসুখের ঝুঁকিও কমবে।

    নিয়মিত ৩-৪ লিটার জল খাওয়া দরকার

    খাবারের জলের দিকে বাড়তি নজরদারি দরকার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের পেটের অসুখের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত পরিশ্রুত জল নিশ্চিত করতে হবে। পাশপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ জল শিশু খাচ্ছে কিনা সেটাও নজরদারি জরুরি‌। কারণ, শরীরে জলের ঘাটতি হলে অন্ত্র এবং পাকস্থলীর নানান অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। শীতকালে (Winter Season) আরও বেশি পেটের সমস্যা দেখা যায়। নিয়মিত ৩-৪ লিটার জল খাওয়া দরকার। তাছাড়া, হাত পরিষ্কার করার দিকেও‌ নজর দিতে হবে। খাওয়ার আগে এবং পরে, বাইরে থেকে এসে হাত পরিষ্কার করা হচ্ছে কিনা সেদিকে নজরদারি জরুরি। কারণ, হাত থেকেই নানান ব্যাক্টেরিয়া শরীরে পৌঁছয়, যার থেকে একাধিক অসুখের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share