Tag: Winter

Winter

  • Weather Update: আরও নামল পারদ, কলকাতায় তাপমাত্রা কত? দক্ষিণবঙ্গের দুই জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: আরও নামল পারদ, কলকাতায় তাপমাত্রা কত? দক্ষিণবঙ্গের দুই জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিকেল থেকে ভোর পর্যন্ত শীতের আমেজ। রাজ্যজুড়ে মনোরম আবহাওয়া (Weather Update)। সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। কয়েক জেলায় মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় তাপমাত্রা আরও কমল। যদিও কলকাতার তাপমাত্রা নতুন করে আর কমেনি। সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গের দু’টি জেলায় সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    তাপমাত্রা কত নামল? (Weather Update)

    হাওয়া (Weather Update) অফিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবার কলকাতায় (Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি কম। আগামী চার-পাঁচ দিন ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর আশেপাশেই থাকবে কলকাতার তাপমাত্রা। এছাড়া শ্রীনিকেতনে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া, দমদমে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, উলুবেড়িয়ায় ১৬.৪ ডিগ্রি, কৃষ্ণনগরে ১৫.৪ ডিগ্রি, বাঁকুড়ায় ১৬.৩ ডিগ্রি, ক্যানিংয়ে ১৬ ডিগ্রি, বর্ধমানে ১৫ ডিগ্রি, আসানসোল এবং পানাগড়ে ১৫.৩ ডিগ্রি, সিউড়িতে ১৪ ডিগ্রি, কল্যাণীতে ১৫ ডিগ্রি এবং ঝড়গ্রামে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল দার্জিলিঙে, ৬.৬ ডিগ্রি। এ ছাড়া, কালিম্পঙে ১৩.৫ ডিগ্রি, কোচবিহারে ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    বৃষ্টি কোথায়?

    দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আপাতত তা সুস্পষ্ট নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সোমবারের (Weather Update) মধ্যে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা। এখনও পর্যন্ত যার অভিমুখ শ্রীলঙ্কা এবং তামিলনাড়ুর উপকূল। দূরের সমুদ্রে তৈরি হওয়ায় এই নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব পড়ছে না পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে। আগামী শনিবার এবং রবিবার উপকূল ঘেঁষা দুই জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে, জানিয়েছে আলিপুর। দক্ষিণের অন্য কোনও জেলায় আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সর্বত্র আবহাওয়া মূলত শুকনো থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে কোথায় কেমন ঠান্ডা?

    উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে সোমবার হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায়। উত্তরের অন্য জেলাগুলিতে শুকনো আবহাওয়া থাকবে। সব জেলাতেই কমবেশি কুয়াশার প্রভাব পড়তে চলেছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দু’দিন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, মালদা এবং দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমানে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। দুই বঙ্গেই আগামী চার দিনে তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা

    মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকাতে (Weather Update) মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা। শ্রীলঙ্কা ও তামিলনাডু উপকূলে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সোমবার সকালের দিকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা দার্জিলিং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে। সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকবে। বেলা বাড়লে পরিস্কার আকাশের সঙ্গে মনোরম আবহাওয়ার পূর্বাভাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পাহাড়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা, সাগরে নিম্নচাপের পরিস্থিতি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: পাহাড়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা, সাগরে নিম্নচাপের পরিস্থিতি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। বেলা বাড়লে পরিষ্কার হচ্ছে আকাশ। উত্তুরে হাওয়া (Weather Update) ঢোকায় এখন কোনও বাধা নেই। তাপমাত্রা আরও নেমে যাওয়াটা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এই আবহে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে শনিবারই। তা ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপেও পরিণত হতে পারে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে না পশ্চিমবঙ্গে। তেমনটাই জানিয়েছে আলিপুর (Winter in Kolkata) আবহাওয়া দফতর।

    বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ

    বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত থেকে আজ নিম্নচাপ (Weather Update) তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। গভীর নিম্নচাপ পরিণত হতে পারে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। ঘূর্ণিঝড় হলে তার নাম হবে ‘ফেনজল’ বা ‘ফেঙ্গল’। এই ঝড়ের নামকরণ সৌদি আরবের। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পর তার অভিমুখ থাকবে শ্রীলঙ্কা এবং তামিলনাড়ুর উপকূলের দিকে। এর ফলে তামিলনাড়ুতে বৃষ্টি হতে পারে। আগামী কয়েক দিন আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পর্যটকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগরে মৎস্যজীবীদের জন্যেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

    জেলায় জেলায় হাওয়ার খবর

    পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত তাপমাত্রার (Weather Update) হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রা একই থাকবে। তবে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, বাংলার জেলাগুলিতে আপাতত শুকনো আবহাওয়া থাকবে। কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমানে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে শনিবার। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনাতেও কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। 

    শহরে ঠান্ডার আমেজ

    কলকাতার (Winter in Kolkata) তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির ঘরেই রয়েছে। আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী দিন তিনেক শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও বিশেষ কিছু হেরফের হবে না। মহানগরীতে ঠান্ডার আমেজ থাকবে উইকেন্ডে।  শুক্রবার শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৪ ডিগ্রি কম।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার খবর

    ইতিমধ্যেই গত ২১ নভেম্বর মরশুমের প্রথম তুষারপাত দেখেছে দার্জিলিং। সান্দাকফুতে (Sandakphu) বরফ পড়েছে গত পরশুদিন। আবারও দার্জিলিঙের সান্দাকফুতে বরফ পড়তে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলা দার্জিলিঙের পাশাপাশি দুই দিনাজপুরে আগামী কয়েক দিন সকালের দিকে কুয়াশার দাপট লক্ষ্য করা যাবে। সেই সঙ্গে কুয়াশার দাপট থাকবে জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলার কিছু অংশে। সকালের দিকে কুয়াশার কারণে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন আবহবিদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: ফের নিম্নচাপের আশঙ্কা! রাজ্যে জাঁকিয়ে শীতের আগেই কি ফের দুর্যোগ?

    Weather Update: ফের নিম্নচাপের আশঙ্কা! রাজ্যে জাঁকিয়ে শীতের আগেই কি ফের দুর্যোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ। দিন দিন পারদ কমেই চলেছে। এরমধ্যে নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে তার অভিমুখ বঙ্গের দিকে হবে কি না, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। আপাতত ২১ নভেম্বর নাগাদ আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত ২৩ নভেম্বরের মধ্যে শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। সত্যিই যদি ঘূর্ণাবর্ত (Weather Update) থেকে সৃষ্ট নিম্নচাপটি বঙ্গ অভিমুখী হয়, তাহলে শীত (Winter) আসার আগে দুর্যোগ অপেক্ষা করে থাকবে।

    জাঁকিয়ে বসেছে ঠান্ডা (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) অফিস বলছে, ‘জেট স্ট্রিম’-এর হাত ধরে বঙ্গে ঠান্ডা জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। বুধবার কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর ছাড়া সারাটা দিন রৌদ্রজ্জ্বল। কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৮ ডিগ্রি এবং ১৮ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। সারাটা দিন যেমন তেমন চললেও সন্ধ্যা নামার পরে হিমেল হাওয়ায় বেশ ভালো রকম শীত অনুভূত হচ্ছে। আপাতত এই পরিস্থিতি চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কিন্তু প্রশ্ন হল, জেট স্ট্রিম কী? আবহাওয়াবিদরা বলছেন, “ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার ওপরে ঠান্ডা বাতাস ঘণ্টায় প্রায় ১৭০ কিলোমিটার গতিবেগে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঢুকে উত্তরের সমভূমির ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এটাই হচ্ছে জেট স্ট্রিম। এই বছর এখনও পর্যন্ত কোনও পশ্চিমি ঝঞ্ঝার বাধার মুখে পড়েনি। ফলে ঠান্ডা বাতাস অবাধে ঢুকছে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোতে। তার প্রভাব পড়ছে বঙ্গেও।

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    কোথায় কত তাপমাত্রা?

    ইতিমধ্যে হেমন্তে (Weather Update) পুরুলিয়া টেক্কা দিচ্ছে কালিম্পংকে। পুরুলিয়ার পারদ ১২ ডিগ্রির ঘরে। বীরভূমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে। ক্যানিং, ঝাড়গ্রাম, বর্ধমান, নদিয়াতে ঠান্ডার অনুভূতি বেশ। এই সব হচ্ছে উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে ছুটে আসা ঠান্ডা বাতাসের সৌজন্যে। আগামী পাঁচদিন একইরকম চলবে পরিস্থিতি। ফলে শীত না-হলেও শীতের আগমনী হিসেবে এই জোরালো ঠান্ডার অনুভূতি হবে সন্ধ্যা নামার পর।

    জেলায় জেলায় কুয়াশার দাপট

    পশ্চিম বর্ধমান বীরভূম মুর্শিদাবাদ পুরুলিয়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে কুয়াশার (Weather Update) সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে বাকি জেলাতেও। এই সপ্তাহে এরকমই আবহাওয়া থাকবে। বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। ঘূর্ণাবর্তের তেমন কোনও প্রভাবের খবর আপাতত নেই। উত্তরবঙ্গে সকালের দিকে কুয়াশার চাদর থাকবে দার্জিলিং এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে। আপাতত ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা নেই। বিক্ষিপ্তভাবে হালকা কুয়াশা সকালের দিকে থাকলেও বেলা বাড়লে পরিষ্কার আকাশের সম্ভাবনা। হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কলকাতায় তাপমাত্রা আরও কমে ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ১২! রাজ্যজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে শীত!

    Weather Update: কলকাতায় তাপমাত্রা আরও কমে ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ১২! রাজ্যজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে শীত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে রোজ একটু একটু করে পারদ নামছিল। পারদ পতন অব্যাহত মঙ্গলবারও। রাজ্যজুড়ে (Weather Update) শীতের আমেজ চলে এসেছে পুরোদস্তুর। দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি ঢাকছে কুয়াশার চাদরে। শীতের কামড় বেশ অনুভব হতে শুরু করেছে। সকালের দিকে একাধিক জেলায় কুয়াশার দাপট রয়েছে। তবে, বেলা বাড়তেই ঝলমলে রোদ হওয়ায় হালকা শীতের আমেজ রয়েছে।

    কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি! (Weather Update)

    আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানাচ্ছে, দক্ষিণ বাংলাদেশের ওপর অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। মলদ্বীপের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্ত ও একটি অক্ষরেখা রয়েছে। উত্তর ভারতে বইতে শুরু করেছে জেট স্ট্রিম উইন্ডস। কলকাতায় গোটা সপ্তাহ ধরেই শীত বাড়বে একটু একটু করে। রাতে ও ভোরে শীতের আমেজ থাকবে। আপাতত আগামী ৬ দিন তাপমাত্রায় বিরাট হেরফের হবে না শহরে। নতুন করে তাপমাত্রা খুব বেশি নামবে না। সকালের দিকে কোনও কোনও এলাকায় হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হবে। মোটের ওপর মনোরম আবহাওয়াই থাকবে কলকাতায়। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৮ ডিগ্রি থেকে নেমে ১৮ ডিগ্রি হয়েছে মঙ্গলবার। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম।

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    দক্ষিণবঙ্গর কোন জেলায় কত তাপমাত্রা?

    দক্ষিণবঙ্গের (Weather Update) জেলাগুলির মধ্যে পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ পতনের সূচক অপেক্ষাকৃত বেশি। শীতের শুরুতেই দ্রুত পারদ নেমেছে পুরুলিয়ায়। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শ্রীনিকেতনে ১৩ ডিগ্রি। ঝাড়গ্রামে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ধমানে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যজুড়েই শীতের আমেজ বজায় থাকবে। এই মুহূর্তে রাজ্যে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। ঘন কুয়াশার দাপট হিমাচল প্রদেশ, পঞ্জাব, রাজস্থান ও বিহারে। রাতে ও ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে অসম ও মেঘালয় সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু রাজ্যে।

    উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশা

    উত্তরবঙ্গের (Weather Update) একাধিক জেলা কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে। উত্তরের তিন জেলায় ঘন কুয়াশার দাপট। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে ঠান্ডার দাপট প্রবল। হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপুনি দেওয়ার মতো পরিস্থিতি। ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে মালদা এবং দক্ষিণ দিনাজপুরও। এই সব জেলায় কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কমতে পারে ৫০ থেকে ২০০ মিটার, সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মরশুমে প্রথমবার কুড়ির নীচে কলকাতার পারদ, বাংলার কোথায় কত তাপমাত্রা?

    Weather Update: মরশুমে প্রথমবার কুড়ির নীচে কলকাতার পারদ, বাংলার কোথায় কত তাপমাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ। মরশুমে প্রথমবার কুড়ির নীচে কলকাতার পারদ। ১৯.৩ ডিগ্রিতে নামল আলিপুরের তাপমাত্রা। জানাচ্ছে আবহাওয়া (Weather Update) দফতর। আপাতত এই তাপমাত্রা কমার প্রবণতা বহাল থাকবে। পশ্চিমাঞ্চলের কোনও কোনও জেলায় এখনই চোদ্দোর ঘরে পারদ। জাঁকিয়ে শীত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। তার আগে টানা শীতের (Winter) আমেজ বহাল থাকার ইঙ্গিত। ডিসেম্বরের মাঝামাঝির আগে কলকাতায় জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়া আপাতত টানা ৮ দিন।

    আরও নামবে তাপমাত্রা (Weather Update)

    হাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গে আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নামবে। পুরুলিয়ার পারদ নেমে গেল ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাওয়া অফিস বলছে, আগামী দু থেকে তিন দিনে আরও কিছুটা নামবে পারদ। আর সবটাই হচ্ছে উত্তরে হাওয়ার কারণে। উত্তরবঙ্গের দুই জেলায় সকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে ঘন কুয়াশার দাপট। মালদা ও উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকছে। শনিবারের পাশাপাশি রবিবারও বিহার সংলগ্ন এই দুই জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা থাকছে। দৃশ্যমানতা কমে ৫০ থেকে ২০০ মিটার হতে পারে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় মাঝারি কুয়াশা। সকালের দিকে সব জেলাতেই হালকা কুয়াশা ও ধোঁয়াশার দেখা মিলছে। মাঝারি কুয়াশা পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়াতে। আগামী ৭ দিন একইরকম থাকতে পারে আবহাওয়া। তবে, আপাতত বৃষ্টির কোনও পূর্বভাস নেই।

    আরও পড়ুন: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে হতে হবে ভারত-কেন্দ্রিক, মনে করেন মোহন ভাগবত

    কলকাতার তাপমাত্রা কত নামল

    এদিন ভোর-সকালের দিকে উনিশের ঘরে নেমে যায় কলকাতার পারদ। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে, শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতের তাপমাত্রার (Weather Update) ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পারাপতন দেখা যাচ্ছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেকি আর্দ্রতার পরিমাণ ঘোরাফেরা করছে ৩৯ থেকে ৯ শতাংশের আশপাশে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে আঠারোর ঘরে নামতে পারে কলকাতার তাপমাত্রা। বিহার লাগোয়া এলাকায় কুয়াশার দাপট থাকবে। উত্তরে বিহার এবং দক্ষিণে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জেলায় ভোরে কুয়াশার প্রভাব থাকবে আগামী কয়েকদিন। দার্জিলিঙে কাল রাতের তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি। সেক্ষেত্রে শৈলরানির তাপমাত্রা সোমবার ৩ বা ৪ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: অবশেষে কলকাতাসহ জেলায় জেলায় ঠান্ডার আমেজ, জাঁকিয়ে শীত কবে?

    Weather Update: অবশেষে কলকাতাসহ জেলায় জেলায় ঠান্ডার আমেজ, জাঁকিয়ে শীত কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরপর নিম্নচাপ আর বৃষ্টির জন্য আটকে ছিল শীত। নভেম্বরের শুরুতেও রীতিমত ঘাম দিয়েছে। অবশেষে বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়া (Weather Update) । শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় শীত শীত (Winter) ভাব অনুভব করা যাচ্ছে। উত্তর-পশ্চিম হাওয়ার দাপটের ফলে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে নেমেছে বলেই জানাচ্ছেন আবহবিদরা। আগামী এক সপ্তাহ ধীরে ধীরে কমবে তাপমাত্রা।

    কোথায় কোথায় কুয়াশা? (Weather Update)

    হাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালের দিকে সামান্য কুয়াশা ঝাড়খণ্ড এবং বিহার লাগোয়া উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে। ঘন কুয়াশায় ঢাকবে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের কিছু এলাকা। দৃশ্যমানতা কোথাও ৫০ মিটার ছুঁতে পারে। বাকি সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা কুয়াশা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ। রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। রবিবার দার্জিলিং-এর পার্বত্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। পুরুলিয়াতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর ঘরে নেমে আসে। ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ঝাড়গ্রাম, শ্রীনিকেতন, পানাগড়। কলকাতা রাতের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। সোমবার ১৯-এর ঘরে নামতে পারে কলকাতার রাতের পারদ। শহরের আকাশ মেঘমুক্ত ঝলমলে পরিষ্কার। দিনের তাপমাত্রা ২৯.৪ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের তুলনায় দেড় ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান ৪০ থেকে ৯৩ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: প্ররোচনা দিয়ে করা হয়েছিল খ্রিস্টান, ফের সনাতন ধর্মে ফিরলেন প্রায় ১৫০ হিন্দু

    তাপমাত্রা আরও নামবে!

    আবহাওয়ার (Weather Update) রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, এবার ধীরে ধীরে নামবে পারদ। উত্তরের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আগামী পাঁচ দিনে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে রাতের তাপমাত্রা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চলে যাবে স্বাভাবিকের নীচে। সপ্তাহান্তে অর্থাৎ শনি-রবিবারেই আবহাওয়া বদলে যাবে অনেকটাই। তবে, শীতের আমেজ আসলেও জাঁকিয়ে শীত নয় নভেম্বরে। জাঁকিয়ে শীতের জন্য অপেক্ষা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। ধীরে ধীরে নামবে পারদ। আগামী পাঁচ দিনে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে রাতের তাপমাত্রা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার নিচে চলে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: শতাব্দীর উষ্ণতম অক্টোবর ছিল এবছর, নভেম্বরেও পড়বে না শীত! বলছে মৌসম ভবন

    Weather Update: শতাব্দীর উষ্ণতম অক্টোবর ছিল এবছর, নভেম্বরেও পড়বে না শীত! বলছে মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণত দীপাবলির সময় থেকেই দেশের সর্বত্র হিমেল অনুভূতি শুরু হয়। তবে এবার তেমন সম্ভাবনা অনেক কম। মৌসম ভবন (Mausam Bhavan) জানিয়েছে, নভেম্বর মাসে উত্তর-পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে গরমের অনুভূতি তুলনামূলক বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে (Weather Update)। এই অক্টোবর মাসেও গত এক শতাব্দীর বেশি সময়ে এত গরম পড়েনি। ১৯০১ সালের পর এটাই ছিল ভারতের সব থেকে উষ্ণতম অক্টোবর (Hottest October)। দেশের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

    অক্টোবরে দেশের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে (Weather Update)

    মৌসম ভবনের (Mausam Bhavan) মহানির্দেশক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেছেন, “এই সময়ে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা অনুপস্থিত। আবার বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় নিম্নচাপগুলির কারণে জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাস প্রবেশ করেছে। এই জন্য গোটা অক্টোবরে দেশের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ২৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উল্লেখ্য ১৯০১ সালের অক্টোবরে (Hottest October) দেশের গড় তাপমাত্রা ছিল ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অক্টোবরে দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ছিল ২১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (Weather Update)। সেখানে স্বাভাবিক সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকার কথা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নভেম্বরকে শীতের মাস হিসেবে দেখা হবে না। মূলত জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারিকে শীতের মাস হিসেবে দেখা হবে। তবে ডিসেম্বরে হালকা শীতের অনুভব মিলবে।”

    এখনও বর্ষা সম্পূর্ণ বিদায় নেয়নি

    মৌসম ভবন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে তাপমাত্রা (Weather Update) কমার জন্য উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাতাস প্রবেশ করা প্রয়োজন। যা এখনই হচ্ছে না। একই ভাবে ওই এলাকাগুলি থেকে এখনও বর্ষা সম্পূর্ণ বিদায় নেয়নি। ফলে তাপমাত্রা নিম্নমুখী হতে পারছে না। আগামী আরও দুই সপ্তাহে উত্তর-পশ্চিম ভারতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। তবে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। এরপর ঠান্ডা পড়তে পারে।

    আরও পড়ুনঃ ভোর ও রাতে ঠান্ডার আমেজ! আগামী সপ্তাহেই কমতে পারে তাপমাত্রা

    জেলাগুলিতে তাপমাত্রার ২-৪ ডিগ্রি কমবে

    আবার আলিপুর আবহাওয়া দফতর পূর্বাভাস দিয়ে জানিয়েছে, বাংলার বেশ কিছু জায়গায় নভেম্বরে শীতের আমেজ বোঝা যাবে। আগামী চার দিনে দক্ষিণবঙ্গের বিশেষ করে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা (Weather Update) ২-৪ ডিগ্রি কমবে। একইভাবে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ২-৪ ডিগ্রি জেলায় কমতে পারে। আগামী সপ্তাহ থেকে শীতের আমেজ মিলতে পারে। তবে বাংলায় ঋতু অনুযায়ী এখনই শীত পড়বে না, আরও বেশ কিছু সময় লাগবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: দূষণের মাত্রা ৭০৭! বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর এখন লাহোর, ধোঁয়াশায় ঢেকেছে আকাশ

    Pakistan: দূষণের মাত্রা ৭০৭! বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর এখন লাহোর, ধোঁয়াশায় ঢেকেছে আকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) লাহোরের বায়ুদূষণের মাত্রা রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ রবিবার সকালে বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। দূষণের মাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৭০৭। তাই বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর (Most Polluted City) হিসাবে পরিণত হয়েছে এই লাহোর। বাতাসে ঘন কালো ধূলিকণার মেঘ আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে। দূষণের সঙ্গে কুয়াশা মিশে বিপজ্জনক ধোঁয়াশা (ইংরেজিতে স্মগ) তৈরি হয়েছে। যা ঢেকে দিয়েছে লাহোরের আকাশ। ফলে এই অঞ্চলে শীতের বাতাস ঢুকতে বাধা পড়ছে। মানুষের জনজীবন এবং জনস্বাস্থ্য অত্যন্ত বিপদ জনক অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছে। জঙ্গি উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ নিয়ে বিশ্ববাসীর এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান। 

    ইউএস কনস্যুলেট একিউআই পরিমাপ করেছে ৭০০ (Pakistan)

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, লাহোর এবং তার বিভিন্ন আশেপাশের এলাকাগুলিতে উদ্বেগজনকভাবে উচ্চ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। থকর নিয়াজ বেগ এলাকা একিউআই-এর মাত্রা ৮৭৮। জোহর টাউন এলাকায় মাত্রা ৮৯৩, সৈয়দ মারাতিব আলি রোডে ৭৫৪ এবং শাহরাহ-ই-কায়েদ-ই এলাকায় রেকর্ড হয়েছে ৬৩৩। ইউএস কনস্যুলেট ৭০০ একিউআই রেকর্ড করেছে। আবার পাকিস্তান ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস রিপোর্ট করেছে একিউআই-এর পরিমাণ ৬৮৮। দূষণের এই উচ্চ স্তরগুলি লাহোরকে শুধুমাত্র পাকিস্তানের সবচেয়ে দূষিত শহর (Most Polluted City) নয়, বরং বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে খারাপ শহর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।  ফলে পাকিস্তানের নাগরিক জীবন কতটা আশঙ্কাজনক তা অনুমান যোগ্য।

    দৃশ্যমানতা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে

    বর্তমানে লাহোরের (Pakistan) তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আগামী দিনে সর্বোচ্চ ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে৷ আবহাওয়া দফতর আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের কোনওরকম সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছে। শহরের জনগণকে এই দূষিত বায়ুর মধ্যেই কাটাতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পাঞ্জাব এনভায়রনমেন্ট প্রোটেকশন ডিপার্টমেন্ট প্রদেশের জন্য একটি সতর্কতা জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, লাহোরের গত ২৪-ঘণ্টায় গড় আইকিউআই-এর ফলে দৃশ্যমানতা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শীত ঘনিয়ে আসার মুখে, লাহোরের নিচু এলাকায় এই সমস্যা আরও জটিল করে তুলছে। ঠান্ডা বাতাসকে আটকে দেয় এই ধূলিকণার ধোয়া, যা বায়ুর গুণমানকে আরও খারাপ করে দেয়। 

    ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুলএম গিয়ে কর্মকাণ্ড স্থগিত

    ভয়াবহ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে পাক পাঞ্জাব সরকার (Pakistan) জনস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। লাহোরের সমস্ত স্কুলের কর্মসূচি ৩১ জানুয়ারী, ২০২৫ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্কুলের সময়েও পরিবর্তন করা হয়েছে। ২৮ অক্টোবর থেকে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাড়ি থেকে বৃদ্ধ এবং শিশুদের বের হতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আতশবাজির উপর নিষেধাজ্ঞা জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার প্রতিক্রিয়া হিসাবে লাহোর ট্রাফিক পুলিশ মোটরসাইকেল চালকদের সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে, কারণ কিছু এলাকায় দৃশ্যমানতা কমতে কমতে এক কিলোমিটারে এসে ঠেকেছে। পরিবেশবিদ এবং চিকিৎসকরা শহরে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে গাছপালার প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে বলেছেন। শহরের বাসিন্দাদের মাস্ক পরতে, অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের হওয়া এড়াতে এবং বিশেষ করে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলেছেন।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভ প্যাকেজে কী কী সুবিধা মিলবে জানেন?

    ৭০ শতাংশ দূষণে নিম্নমানের যানবাহন

    পাকিস্তানের (Pakistan) স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন দেশবাসীকে। কারণ দীর্ঘস্থায়ী বিষাক্ত বাতাস ব্যাপক ভাবে শ্বাসকষ্টের সমস্যার প্রাদুর্ভাবকে বৃদ্ধি করবে। অনেক মানুষ ইতিমধ্যেই কাশি, চোখের জ্বালা, জ্বর এবং গলা ব্যথার নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। ফলে যাঁদের আগে থেকে শ্বাসকষ্ট বা হৃদযন্ত্রের সমস্যা রয়েছে তাঁদের বাইরের কার্যকলাপ সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের মন্ত্রী মরিয়ম আওরঙ্গজেব স্বীকার করে বলেন, “ধোঁয়াশা রোধে সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলছে। লাহোরের বাতাসের মান উন্নত হতে আরও ৮ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে। তাঁর মতে, লাহোরের দূষণের পেছনে ৭০ শতাংশ দায়ী নিম্ন-মানের স্থানীয় যানবাহন, শিল্প নির্গমন, মৌসুমী ফসল পোড়ানো এবং বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলার কারণে। শহরের ৪৫ হাজার মোটরসাইকেলের মধ্যে ১৮ হাজার বিষাক্ত ধোঁয়া নির্গত করে। সেই সঙ্গে ১ লক্ষ যানবাহন, ১২০০টি ভাটা এবং ৬০,৮০০টি শিল্প ইউনিটও ব্যাপক ভাবে দূষণ ছড়ায়।

    বৈশ্বিক দূষণের তালিকায় একটি হটস্পট হিসেবে লাহোরের (Most Polluted City) নাম উঠে এসেছে। পরিবেশ এবং বিশ্ববাসীর কাছে পাকিস্তান অত্যন্ত চিন্তার বিষয় বলে মনে করছেন ভারতীয় পরিবেশবিদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pneumonia: বসন্তেও চোখরাঙানি নিউমোনিয়ার! শিশুদের জন্য কি বাড়তি বিপদ? কীভাবে করবেন মোকাবিলা? 

    Pneumonia: বসন্তেও চোখরাঙানি নিউমোনিয়ার! শিশুদের জন্য কি বাড়তি বিপদ? কীভাবে করবেন মোকাবিলা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীতের শুরুতেই ফুসফুসের নানা সমস্যা দেখা দেয়। বয়স্ক থেকে শিশু, অনেকেই ফুসফুসের নানা রোগে (Pneumonia) আক্রান্ত হয়। কিন্তু চলতি বছরে শীতের শেষেও বিপদ কাটছে না। ফুসফুসের রোগে নাজেহাল অনেকেই‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগাম সতর্কতা জরুরি। না হলে পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। তাই প্রয়োজন‌ বাড়তি সুরক্ষা।

    কোন বিপদের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রার পারদ চড়তে শুরু করেছে। হঠাৎ করেই উধাও শীত। হালকা গরমের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বসন্তের এই সময়ে বাড়ছে নিউমোনিয়ার দাপট। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণ শীতের শুরুতে কিংবা শীত বাড়লে ফুসফুসের এই সমস্যা (Pneumonia) দেখা দেয়। কিন্তু চলতি বছরে বসন্তেও দাপট দেখাচ্ছে নিউমোনিয়া। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই বিপদ আরও বেশি বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কলকাতার একাধিক সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট সহ একাধিক উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে বিভিন্ন বয়সের শিশুরা। যাদের অধিকাংশের বয়স পাঁচের কম। ফুসফুসের জটিল সংক্রমণ থেকেই ফুসফুসের ভিতরে এক ধরনের জল জমছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যার নাম নিউমোনিয়া।

    কেন শিশুদের জন্য বিপদ?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিশুদের অধিকাংশের নিউমোনিক্কাল ভ্যাকসিন নেওয়া নেই। নিউমোনিয়া রুখতে সদ্যোজাতের নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন জরুরি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সচেতনতার অভাবে অভিভাবকেরা এই টিকাকরণে গুরুত্ব দেননি। যার জেরে ফুসফুসের সংক্রমণ বড় আকার নেয়। পাশপাশি বাতাসে দূষণের মাত্রা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফুসফুসের যে কোনও রোগের অন্যতম কারণ বায়ুদূষণ। কলকাতা ও আশপাশের এলাকা একেবারেই পরিচ্ছন্ন নয়। বাতাস দূষিত। তাই ফুসফুসের সমস্যা বাড়ছে। যার খেসারত দিচ্ছে শিশুরা। তাছাড়া, হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে শরীরে একাধিক ভাইরাস ঘটিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যার প্রভাব ফুসফুসের উপরে পড়ছে (Pneumonia)। তাই বিপদ বাড়ছে। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো দ্রুত নিউমোক্কাল ভ্যাকসিন দেওয়া জরুরি। এই টিকা দেওয়া থাকলে নিউমোনিয়ার মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে লড়াই কিছুটা সহজ হয়। বড় বিপদ এড়ানো যায়। পাশপাশি আবহাওয়ার এই বদলে শিশুদের বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। কোনও ভাবেই ফ্যান কিংবা এসি চালানো যাবে না। হঠাৎ গরম মনে হলেও এসির হাওয়া বিপদ বাড়াবে। কারণ, এর জেরে ভাইরাসঘটিত একাধিক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। খাবারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। তরল খাবার অতিরিক্ত খাওয়ানো জরুরি। বেশি পরিমাণে জল খাওয়াতে হবে। কারণ, আবহাওয়ায় শুকনো ভাব দেখা দিচ্ছে। এর জেরে শরীরে জলের পরিমাণ যাতে না কমে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশপাশি তরমুজ, ড্রাগন ফ্রুটের মতো রসালো ফল এবং নানা প্রকার লেবু আরও বেশি পরিমাণে খাওয়ানো দরকার। যাতে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে ওঠে। তাতে ফুসফুসের সংক্রমণের (Pneumonia) ঝুঁকি কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Disease: শীতে পারদ নামতেই বাড়ছে স্ট্রোকের ঝুঁকি? কীভাবে এর মোকাবিলা সম্ভব? 

    Heart Disease: শীতে পারদ নামতেই বাড়ছে স্ট্রোকের ঝুঁকি? কীভাবে এর মোকাবিলা সম্ভব? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে নেমেছে তাপমাত্রার পারদ। শীত জাঁকিয়ে বসেছে কলকাতা থেকে জেলা সর্বত্র। শীতের দাপট বাড়তেই বাড়ছে স্ট্রোকের (Heart Disease) ঝুঁকি। সরকারি হাসপাতাল থেকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল, সর্বত্র স্ট্রোকের রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সতর্ক না থাকলে বিপদ বাড়াবে।

    কেন শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শীতে ঘাম হয় না। রক্ত সঞ্চালনও তাই ধীরে হয়। পাশপাশি, ঘাম না‌ হওয়ার জেরে দেহে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে রক্ত সঞ্চালন ধীরে হওয়ার জেরে হৃদপিণ্ড থেকে দেহে রক্ত সঞ্চালনের গতিও কমে (Heart Disease)। রক্তচাপ ওঠানামা করে। আর এর জেরেই বাড়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি।

    শীতে কাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি? (Heart Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে প্রবীণদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে। কারণ, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, কিংবা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা প্রবীণদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে, তরুণ প্রজন্মের সতর্ক থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যাঁরা রক্তচাপ, স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন, শীতে তাঁদের বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ, রক্তচাপের ওঠানামার জেরেই স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্তের অধিকাংশের কোলেস্টেরল আর রক্তচাপের সমস্যা থাকে (Heart Disease)। তাই বয়স যাই হোক, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলেই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    এই বিপদের কীভাবে মোকাবিলা সম্ভব? (Heart Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত রক্তচাপ মাপা জরুরি। কারণ, রক্তচাপ অতিরিক্ত ওঠানামা করলে বিপদ বাড়ে।‌ তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ পাশপাশি, শীতে খাবারে বাড়তি নজরদারি জরুরি। অতিরিক্ত নুন খাওয়ার অভ্যাস একেবারেই ছাড়তে হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত নুন রক্তচাপের সমস্যা তৈরি করে। তাই স্ট্রোকের মতো সমস্যার বাড়তি ঝুঁকি (Heart Disease) তৈরি করে। তাই শীতে নুন খাওয়ায় রাশ‌ টানা জরুরি। পাশপাশি সহজপাচ্য খাবার তালিকায় রাখতে হবে। এমনই পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় এবং চর্বি জাতীয় খাবার খেলে হজমের সমস্যা তৈরি হয়। যা শরীরে রক্তচাপ আর কোলেস্টেরল বাড়ায়। তাই এই সময়ে সহজপাচ্য খাবার খাওয়া দরকার। যদিও শীতে অনেকেই নানান পদের মাংস খান। আবার অনেকেই শীতে নিয়মিত মদ্যপানে অভ্যস্ত হন।‌ কিন্তু এই অভ্যাস বিপজ্জনক। শীতে নিয়মিত শারীরিক কসরত এবং হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, শারীরিক কসরত বা‌ যোগাভ্যাস শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। এতে স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে‌। নিয়মিত হাঁটলেও শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। তাই এগুলো নিয়মিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share