Tag: Work From Home

Work From Home

  • New Pollution Rules: শীতের দূষণ রুখতে দিল্লি-এনসিআরে গুচ্ছের কড়া বিধিনিষেধ, জানুন বিশদে

    New Pollution Rules: শীতের দূষণ রুখতে দিল্লি-এনসিআরে গুচ্ছের কড়া বিধিনিষেধ, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের মরশুমে বায়ুদূষণের ভয়াবহতা মোকাবিলায় একাধিক কঠোর পদক্ষেপ করল দিল্লি সরকার। দিল্লি-সহ সংলগ্ন জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে ধোঁয়াশা নিয়ন্ত্রণ এবং বাতাসের গুণমান উন্নত করতে আগামী কয়েক (New Pollution Rules) মাসের জন্য জারি করা হয়েছে বিশেষ বিধিনিষেধ। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ নভেম্বর থেকে দিল্লিতে বিএস-৬ নির্গমন মান পূরণ করে না, এমন যানবাহনের প্রবেশ ও চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত (Vehicles Ban)।

    মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বিধিনিষেধ কার্যকর করতে বিশেষ নজরদারি দল মোতায়েন করা হবে। স্বয়ংক্রিয় নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ ক্যামেরা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর যৌথ নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি কেন্দ্রের সাহায্য নেওয়া হবে। নিয়ম অমান্য করে চলাচলকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈদ্যুতিন জরিমানার নোটিশও পাঠানো হবে।

    পুরনো গাড়ির প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা (New Pollution Rules)

    দিল্লির বাইরে নথিভুক্ত এবং বিএস-৬ নির্গমন মান পূরণ করে না, এমন কোনও যানবাহন আর দিল্লিতে প্রবেশ করতে পারবে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে নয়ডা, গুরুগ্রাম, ফরিদাবাদ ও গাজিয়াবাদ-সহ সংলগ্ন অঞ্চল থেকে আসা আনুমানিক ১০ লাখ পুরনো পেট্রল ও ডিজেলচালিত গাড়ি প্রভাবিত হতে পারে।

    তবে বৈদ্যুতিক গাড়ি, সিএনজি চালিত যানবাহন এবং অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকলের মতো জরুরি পরিষেবার যানবাহনকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ধুলো সৃষ্টি হয়, এমন ভাঙার কাজ এবং খোলা জায়গায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্ত অসামরিক কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে জরুরি জনপরিকাঠামো প্রকল্পের কিছু কাজের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ধুলো নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়ম মেনে ঘরের ভিতরে নির্মাণের শেষ পর্যায়ের কাজ, জলের পাইপ বসানো এবং বৈদ্যুতিক সংযোগের কাজ চালানো যাবে।

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, দিল্লির সরকারি ও বেসরকারি দফতরগুলিতে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ কর্মীকে সশরীরে উপস্থিত থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে হবে। তবে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এই নিয়মের আওতাভুক্ত নন।

    অফিসের সময়সূচি বদল, পার্কিং ফি দ্বিগুণ

    যানজট কমাতে এবং ব্যস্ত সময়ে রাস্তায় গাড়ির চাপ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। দিল্লি পুরনিগমের দফতরগুলি সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। অন্যদিকে, দিল্লি সরকারের দফতরগুলির কাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত। পাশাপাশি, ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে একাধিক সরকারি পার্কিং এলাকায় গাড়ি রাখার খরচ দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দিল্লি মেট্রো রেল নিগমের মালিকানাধীন ও পরিচালিত পার্কিং কেন্দ্রগুলিকে এই বর্ধিত মাশুলের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে (New Pollution Rules)।

    মিলবে না জ্বালানি!

    ১ নভেম্বর থেকে দিল্লির পেট্রল পাম্পগুলিতে কার্যকর হচ্ছে ‘দূষণ নিয়ন্ত্রণের শংসাপত্র নেই, জ্বালানিও নেই’ নীতি। এই নিয়ম কার্যকর করতে দিল্লির ৫০০টি পেট্রল পাম্পে স্বয়ংক্রিয় নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এই ক্যামেরার মাধ্যমে গাড়ির নম্বরপ্লেট এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা হবে।

    কোনও গাড়ির দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত শংসাপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে বা সেটি বৈধ না থাকলে সংশ্লিষ্ট পেট্রল পাম্প থেকে পেট্রল, ডিজেল কিংবা সিএনজি দেওয়া হবে না।

    ফলে দিল্লি ও সংলগ্ন শহরগুলির মধ্যে নিয়মিত যাতায়াত করেন যাঁরা, তাঁদের আগেভাগেই নিজেদের গাড়ির নির্গমন সংক্রান্ত মান যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় গাড়ি পরীক্ষা চলাকালীন জরিমানা কিংবা প্রবেশে বাধার মুখে পড়া এড়াতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে (Vehicles Ban)।

    মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত বাসিন্দাদের এই সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে চলার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি, যাতায়াত সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা এবং নিয়মিত পরিস্থিতির খবর জানতে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশের সরকারি (New Pollution Rules) সোশ্যাল মিডিয়া পেজে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

  • War In West Asia: জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চাপের মুখে পাকিস্তানের অর্থনীতি

    War In West Asia: জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চাপের মুখে পাকিস্তানের অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে জ্বালানি (Fuel Shortage) সরবরাহ ও বাণিজ্যিক রুট ব্যাহত হওয়ায় ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে পাকিস্তানের দুর্বল অর্থনীতি। দীর্ঘদিন ধরে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশটি এখন পেট্রোল-ডিজেলের চরম সঙ্কটে পড়েছে। কারণ সংঘাতের প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এই প্রণালী বন্ধ হওয়ায় পাকিস্তানে জ্বালানি সরবরাহ প্রায় থমকে গিয়েছে। এর ফলে সারা দেশে পরিবহণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে, পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে (War In West Asia)।

    বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা পাকিস্তানের ঘাড়ে (War In West Asia)

    এই সঙ্কট এমন একটা সময়ে দেখা দিয়েছে, যখন পাকিস্তান বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা বহন করছে, এবং দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভর করছে। হঠাৎ জ্বালানি সরবরাহে এই ব্যাঘাত সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে রোজার মাসে। অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে জ্বালানির দামও বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। পাকিস্তান অপরিশোধিত তেল আমদানির জন্য মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির প্রায় ৮৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও সৌদি আরব থেকে এবং সাধারণত এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়েই পাকিস্তানে পৌঁছয়।

    তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত

    যুদ্ধের কারণে প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানে তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে পাকিস্তান সৌদি আরবের কাছে অপরিশোধিত তেল পাঠানোর বিকল্প পথ, বিশেষ করে লোহিত সাগর (Red Sea) রুট ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে। তবে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রভাব ইতিমধ্যেই দেশের সর্বত্র দেখা গিয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলের সঙ্কটের কারণে সারা দেশের পরিবহণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সীমিত জ্বালানি সংগ্রহের জন্য মানুষ পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াচ্ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে রোজার মাসে যখন পারিবারিক ব্যয় এমনিতেই বেশি।

    তেল বাঁচাতে গুচ্ছের পদক্ষেপ

    সামুদ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে। হরমুজ রুট বন্ধ হওয়ায় জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যবাহী অনেক কার্গো জাহাজ করাচি বন্দরে আটকে পড়েছে। এর ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা আরও জটিল হয়ে পড়েছে এবং প্রয়োজনীয় আমদানির জিনিসপত্র আসতে দেরি হচ্ছে (War In West Asia)। জ্বালানি সঙ্কট বাড়তে থাকায় পাকিস্তান সরকার জ্বালানি (Fuel Shortage) সাশ্রয় ও ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কর্মদিবস কমানো হয়েছে, বিশেষ করে সরকারি দফতরগুলিতে। কর্মীদের অনেককে বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের ফুয়েল অ্যালাউন্স স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের বহু স্কুলে দীর্ঘ সময়ের জন্য ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতায়াত ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ক্রমশ অনলাইন ক্লাসের দিকে ঝুঁকছে।

    কমানো হল জ্বালানি বরাদ্দ

    সরকারি গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দও কমানো হয়েছে। আগামী তিন মাস প্রায় ৬০ শতাংশ সরকারি গাড়ি রাস্তায় চলবে না। বাকি গাড়িগুলির জ্বালানি কোটাও অর্ধেক করে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যয় কমাতে নতুন সরকারি গাড়ি কেনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং অন্যান্য সরকারি জিনিসপত্র কেনাকাটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে (War In West Asia)। আর একটি বড় সিদ্ধান্ত হল রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কমানো। তাঁদের বেতন ৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হবে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সঙ্কটের মোকাবিলা ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Fuel Shortage)।

    বেতনে কোপ

    সরকার আরও জানিয়েছে, মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরা দু’মাস কোনও বেতন নেবেন না। এই অর্থ জনকল্যাণ তহবিলে জমা হবে। এই সময় তাঁদের বিদেশ ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থাকা সরকারি প্রতিনিধিদের ভাতাও (War In West Asia)। ইরান থেকে পাকিস্তানে অবৈধভাবে জ্বালানি পাচার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সঙ্কট আরও তীব্র হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে ৯০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এবং বহু বছর ধরে এই সীমান্ত দিয়েই জ্বালানি আসত পাকিস্তানে। ২৮ ফেব্রুয়ারির মার্কিন-ইজরায়েলি হামলার পর সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়। তার জেরে এই সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় (War In West Asia)।

    পাকিস্তানে পাচার হত পেট্রোল

    অনুমান, এই পথে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ লিটার পেট্রোল পাকিস্তানে পাচার হত। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই পরিমাণ ৬০ লাখ লিটার পর্যন্তও হতে পারে। এই জ্বালানির বড় অংশ পাকিস্তানের বালুচিস্তান অঞ্চলে বিক্রি হত, যেখানে পাচার হওয়া পেট্রোল স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় এই অঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবিকায় টান পড়েছে। দুই দেশের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকিস্তান প্রতিবছর প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য ইরানে রফতানি করে, আর ইরান থেকে আমদানি করে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এসব বাণিজ্য কার্যত স্থবির হয়ে গিয়েছে।

    জ্বালানি সঙ্কট চরমে

    জ্বালানি সঙ্কট দ্রুত পাকিস্তানের অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিবহণ খরচ তীব্রভাবে বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই যাতায়াত করা কমিয়ে দিয়েছেন। কিছু পরিবার পরিবহণ ব্যয় এড়াতে তাদের সন্তানদের কাছাকাছি কোনও স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিচ্ছে (War In West Asia)। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন রিকশা ও ট্যাক্সি চালকরা। কারণ তাঁদের অনেকেই জ্বালানি কিনতে পারছেন না। দিন মজুরদের কাজের সময়ও কমে গিয়েছে এবং বিভিন্ন খাতে চাকরি হারানোর ঘটনাও ঘটছে (Fuel Shortage)। পাকিস্তানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড কৃষি খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই খাত দেশের মোট জিডিপিতে প্রায় ২৩ শতাংশ অবদান রাখে এবং প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে। জ্বালানির দাম বাড়ায় কৃষি উপকরণ ও পরিবহণ খরচ বেড়ে কৃষকদের ওপর চাপ বাড়ছে।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের নির্দেশ

    এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) নির্দেশে পাকিস্তান সরকার প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৫৫ রুপি বাড়িয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশজুড়ে পণ্য ও পরিবহণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অসন্তোষ বাড়ছে পাকিস্তানিদের মধ্যে (War In West Asia)।পাকিস্তান আইএমএফের আর্থিক সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তাই সরকারকে সংস্থাটির নীতিগত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে। পাকিস্তানের মাসিক তেল আমদানি বিল ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে অনুমান, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫.৫ লাখ কোটি রুপি। আগেই উচ্চ ঋণের চাপে থাকা পাকিস্তানের জন্য এই বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ সামাল দেওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।

    হরমুজ রুট বন্ধ থাকলে বিকল্প হিসেবে রাশিয়ার তেল কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনও সরকার সে পথে এগোয়নি বলেই জানা গিয়েছে (Fuel Shortage)। জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়া, দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শ্লথ হয়ে যাওয়ায় পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের সবচেয়ে গুরুতর অর্থনৈতিক প্রভাবের মুখে পড়া দেশগুলির মধ্যে পাকিস্তান অন্যতম (War In West Asia)।

     

     

LinkedIn
Share