Tag: world

world

  • Hardeep Puri:  ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Hardeep Puri: ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু’বছরের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো ব্যবস্থা থাকবে ভারতে, জানালেন হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Puri)। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি মানুষ মেট্রোতে চড়েন। এই ১ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৭৩ লক্ষ যাত্রী দিল্লির অধিবাসী। আর প্রতিনিয়ত যেভাবে শহরগুলিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন,”আজ আমাদের দেশে (India) ৯৪৫ কিলোমিটার মেট্রো সিস্টেম কাজ করছে, এবং আমাদের আরও ১,০০০টি সিস্টেম নির্মীয়মান। ফলে আশা করা যায় আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর পরিবহণ মেট্রো থাকবে আমাদের দেশে।” কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষ শহুরে জীবনযাত্রা ও শহুরে পরিবহণের ওপর বেশি করে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

    হরদীপ পুরীর বক্তব্য (Hardeep Puri)

    দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট আরআরটিএস করিডোর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “এটি শহরগুলির মধ্যে একটি উচ্চ-গতির সংযোগ। বর্তমান ট্র্যাফিক পরিস্থিতিতে দিল্লি এবং মিরাটের মধ্যে দূরত্ব সাধারণত ৩ ঘণ্টার মধ্যে কভার করা যায়। তবে এই মেট্রো সিস্টেম প্রস্তুত হলে, এই দুরত্ব ৫০-৫৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছনো যাবে। যা পরবর্তীকালে একটি খুব বড় উন্নয়নের দিক প্রশস্ত করবে।” একই সঙ্গে তিনি আরও জানান যে, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সাথে সাথে শহরের স্থান এবং খাতে প্রাপ্ত বিনিয়োগও বাড়বে।

    আরও পড়ুন: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Puri) জানিয়েছেন, গত ১০ বছরে তৈরি হওয়া উন্নয়ন এবং দেশে (India) মেট্রো সিস্টেমের সম্প্রসারণের বিষয়টি সারা দেশে ছাড়িয়ে গেছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় মেয়াদে ভবিষ্যতে কী কী নতুন উদ্যোগ নেওয়া উচিত সে সম্পর্কে তথ্যপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Women’s Day: আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, এই দিনটির বিশেষত্ব জানেন?

    International Women’s Day: আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, এই দিনটির বিশেষত্ব জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। প্রতিবছর এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women’s Day) হিসেবে পালিত হয়। এই দিনের মূল উদ্দেশ্য হল, সমাজে পুরুষ এবং নারীর বিভেদকে দূর করা। পুরুষের তুলায় নারীকে করুণার দৃষ্টিতে বা অবহেলিত না দেখে সামাজিক সাম্যের কথাকে প্রাধান্য দেওয়া হয় এই দিনে। প্রত্যেক নারীর অধিকারকে সুরক্ষিত করাই এই নারী দিবসের প্রধান ভাবনা।

    কীভাবে শুরু নারী দিবসের ভাবনা (International Women’s Day)?

    সালটা ১৯০৯। সেই সময় থেকেই সারা বিশ্বে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা বিশেষ জায়গা তৈরি করতে শুরু করে। আমেরিকার সোশ্যালিস্ট পার্টির ঘোষণার পর রাষ্ট্রসংঘে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women’s Day) সম্পর্কে ঘোষণা হয়। এরপর থেকেই সমাজে নারীদের সমান অধিকার, ভোটের অধিকার এবং বৈষম্যকে দূরীকরণের বিষয়ে নানা স্তরে দাবি-দাওয়া উঠতে শুরু করে। পরে ১৯১১ সালের ৮ মার্চ অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি এবং সুইৎজারল্যান্ডে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত হয়। এরপর একই দিন থেকে পালিত হয় সারা বিশ্বে। 

    নারী দিবসের গুরুত্ব

    এই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের (International Women’s Day) বিরাট গুরুত্ব রয়েছে। সমাজে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্বকে তুলে ধরা হয়ে থাকে। সমাজে নারীরা নিজেদের প্রতিবন্ধকতাকে কীভাবে অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছে সেই বিষয়ে আলোকপাত করার একটা প্রয়াস থাকে এই দিনে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং আর্থিক ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমতায়ন এবং লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণের কথাও এই দিনে বলা হয়। সর্বত্র ৮ মার্চকে মাথায় রেখে নারীদের নিয়ে নানা রকম সম্মেলন এবং কর্মশালার আয়োজন করা হয়ে থাকে। একইসঙ্গে, নারী নির্যাতনের বিষয়কে সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সচেতন করার প্রচেষ্টা করা হয়ে থাকে।

    এই বছরের থিম

    আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women’s Day) প্রতি বছর একটি বিশেষ থিম নিয়ে পালিত হয়। এ বছর এই থিম হল ‘বিনিয়োগে নারী এবং দ্রুত অগ্রগতি।’ অর্থাৎ বিনিয়োগ ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিকে তুলে ধরা হয়েছে। থিমে মূলত অর্থনৈতিক দিকে নারী সমাজের স্বনির্ভরতার বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের নারী দিবসের প্রচারাভিযানে লিঙ্গ সমতা অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য তখনই স্বার্থক, যখন এটি নারীদের সামনে থাকা সকল বাধাকে ভেঙে দিতে সক্ষম হবে। সমস্ত চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে যেখানে সমস্ত নারীকে মর্যাদা ও সম্মান করার ভাবধারাকে সুরক্ষিত রাখবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share