Tag: world brain tumor day

  • Brain Tumor: নীরব ঘাতক ব্রেন টিউমার! সময়মতো শনাক্ত না হলে কেন কঠিন হয়ে পড়ে চিকিৎসা?

    Brain Tumor: নীরব ঘাতক ব্রেন টিউমার! সময়মতো শনাক্ত না হলে কেন কঠিন হয়ে পড়ে চিকিৎসা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আগাম উপসর্গ দেখা দিলেও, অসচেতনতার জেরে অনেক সময়েই তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বিপদ বাড়লেও অসতর্কতা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মস্তিষ্কের টিউমার ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সঙ্কট। দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং দেরিতে চিকিৎসা শুরু হওয়ার জেরে অনেক সময়েই প্রাণ সংশয় বাড়ছে। চিকিৎসার সাফল্য নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে ভারতের পাশপাশি বিশ্বের একাধিক দেশেই এই সমস্যা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। মস্তিষ্কের টিউমারের চিকিৎসায় প্রধান অন্তরায় হয়ে উঠেছে দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার দেরি। তাই চলতি বছরে ওয়ার্ল্ড ব্রেন টিউমার ডে-র মূল বার্তা, নিবিড় পর্যবেক্ষণেই কমবে বিপদ!

    কেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে বাড়তি গুরুত্ব?

    ওয়ার্ল্ড ব্রেন টিউমার ডে-তে বিশ্ব জুড়ে মস্তিষ্কের টিউমার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে নিবিড় পর্যবেক্ষণের উপরেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। জার্মান ব্রেন টিউমার অ্যাসোসিয়েশন-র এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি স্নায়ু ঘটিত সমস্যাকে অবহেলা করলে, পরবর্তী সময়ে ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই এ বছরে সেই দিকে গুরুত্ব দিয়েই বলা হচ্ছে, ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি রুখতে নিবিড় পর্যবেক্ষণ জরুরি। অর্থাৎ, শিশু হোক বা মধ্য বয়সি, যেকোনো মানুষ যদি বারবার কোনো ধরনের স্নায়বিক সমস্যায় ভোগেন, তাহলে সেই উপসর্গকে অবহেলা করা চলবে না। বরং, তাঁর ঠিকমতো শারীরিক পরীক্ষা জরুরি। মস্তিষ্কের টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে আরও বেশি সচেতনতা জরুরি। সকলেই এই বিষয়ে অবগত হলে, রোগ নির্ণয় সহজ হবে।
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সাধারণ সমস্যা, অনেক সময়েই অবহেলা করা হয়। যা পরবর্তীতে নানান জটিল অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, অনেকেই প্রবল মাথা যন্ত্রণার কাবু হন, আবার অনেকে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, খিঁচুনির মতো উপসর্গ ও দেখা দেয়‌। এই ধরনের সমস্যা বারবার হলে, তা কখনোই এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ নয়। এগুলো মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ হতে পারে। আবার, চোখে ঠিকমতো দেখতে না পাওয়া, লক্ষ্য অস্পষ্ট হওয়া, স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিলে অর্থাৎ খুব সাধারণ তথ্য ও মনে রাখতে না পারার মতো সমস্যা দেখা দিলে, একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের ভিতরে টিউমার হলে, তা খালি চোখে বোঝা যাবে না। কিন্তু শরীর নানান ভাবে তা জানান দেবে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ সেই উপসর্গকে অবহেলা করেন। অসচেতনতার জেরে খিঁচুনি, জ্ঞান হারানো কিংবা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যাকেও অন্যান্য সমস্যা ভেবে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করান না। যার ফলে রোগ নির্ণয় হয় না। তাই নিবিড় পর্যবেক্ষণ জরুরি।

    কাদের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের টিউমার একটি স্নায়বিক সমস্যার জেরে হয়। যেকোনো বয়সে, মহিলা কিংবা পুরুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কিন্তু জিনগত একটা ইতিহাস মস্তিষ্কের টিউমারের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ মস্তিষ্কের টিউমারে আক্রান্ত হলে বংশানুক্রমিক ভাবে তা পরবর্তী প্রজন্মে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, টিউমারের সঙ্গে স্নায়বিক সমস্যার যোগাযোগ রয়েছে। স্নায়বিক সমস্যা কিন্তু অনেক সময়েই জিনগত হয়। তাছাড়া, বেশ কিছু বিরল স্নায়বিক রোগ রয়েছে, যেগুলো জিনগত সমস্যা। সেগুলোও মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে, জিনগত এই জটিলতার পাশপাশি অতিরিক্ত মাথায় উচ্চ মাত্রায় রেডিয়েশন থেরাপি টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আধুনিক জীবনে বিভিন্ন রকম রেডিয়েশনের ঝুঁকি বাড়ছে। এগুলো কিন্তু মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ধূমপান মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যারা প্রত্যক্ষ ধূমপান করেন, তাদের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি যেমন বাড়ে, তেমনি, পরোক্ষভাবে এই ধূমপানের ধোঁয়ার মধ্যে থাকেন তাঁদের ও ঝুঁকি বেশি। অর্থাৎ, পরিবারের কেউ ধূমপান করলে, তার অন্যান্য সদস্যদেরও অনেক সময় সেই ধোঁয়া সহ্য করতে হয়। পরোক্ষভাবে হলেও এই ধোঁয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। তামাকের এই ধোঁয়া, স্নায়বিক সমস্যা তৈরি করে। তাই ধূমপান মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কমাতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রোগ সম্পর্কে সচেতনতাই রোগের ঝুঁকি কমাবে। রোগ নির্ণয় প্রাথমিক পর্বে হলে, তবেই চিকিৎসা ঠিকমতো করা যাবে। মস্তিষ্কের টিউমার চিকিৎসার মূল অন্তরায় হলো চিকিৎসার বিশেষ সুযোগ থাকে না। তাই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। তবে মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কমাতে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম নেওয়া, মানসিক চাপ এড়িয়ে চলা এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক এড়িয়ে চলা ও ক্ষতিকারক রশ্মি এড়িয়ে চললেছবি নানান শারীরিক বিপদ কমবে। ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি। এগুলো স্নায়ু সুস্থ রাখতে সাহায্য করে‌। ফলে মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকিও কমে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Brain Tumor: মানসিক চাপেই বাড়ছে বিপদ! ব্রেন টিউমারের নেপথ্যে কি স্ট্রেস?

    Brain Tumor: মানসিক চাপেই বাড়ছে বিপদ! ব্রেন টিউমারের নেপথ্যে কি স্ট্রেস?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্ট্রেস বা মানসিক চাপ মনের পাশাপাশি শরীরের উপরেও গভীর ছাপ ফেলে! মানসিক চাপ থেকে শুরু করে ডিপ্রেসন বা অবসাদ মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে বিপজ্জনক! শরীরের একাধিক রোগের কারণ! এমনকি মস্তিষ্কের টিউমারের (Brain Tumor) কারণ ও হতে পারে মানসিক চাপ। সম্প্রতি চিকিৎসকদের এক আন্তর্জাতিক আলোচনা চক্রে এমন তথ্যই প্রকাশিত হল। তবে, প্রথম থেকেই সতর্ক হলে বড় বিপদ মোকাবিলা সহজ হয়ে যায়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুযোগ হারিয়ে যায়। তারপরে শুরু হয় রোগ নির্ণয়। এটাই মস্তিষ্কের টিউমারের চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আজ, ৮ মে ওয়ার্ল্ড ব্রেন টিউমার ডে (World Brain Tumor Day)। সেই উপলক্ষে একটি সর্বভারতীয় কর্মশালায় এমনটাই জানালেন দেশের বিভিন্ন শহরের শল্য চিকিৎসকদের একাংশ। বিশ্ব জুড়ে লাগাতার মস্তিষ্কের টিউমার ও তার চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা চলছে। গবেষণায় নতুন দিক উঠে আসছে। তবে আধুনিক এই চিকিৎসার প্রথম শর্ত হল দ্রুত রোগ নির্ণয়। ভারতে মস্তিষ্কের টিউমার (Brain Tumor) চিকিৎসার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সচেতনতার অভাব। তাই রোগ নির্ণয় করতেই অনেকটা সময় চলে যায়‌।

    ভারতে ব্রেন টিউমারে ভুক্তভোগীদের সংখ্যা কি বাড়ছে?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর ভারতে নতুন করে ব্রেন টিউমারে আক্রান্তের তালিকা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ এ দেশে নতুন করে ব্রেন টিউমারের সমস্যার শিকার হন। যা যথেষ্ট উদ্বেগের। এই রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি জটিল এবং দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় রোগীর বাড়তি ভোগান্তি হয় বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কেন ব্রেন টিউমার (Brain Tumor) হয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কোনও একটি নির্দিষ্ট কারণকে ব্রেন টিউমারের জন্য দায়ী করা যায় না। তবে কিছু কারণে ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সেগুলো এড়িয়ে চললে রোগের ঝুঁকিও কমতে পারে। মানসিক চাপ ব্রেন টিউমারের অন্যতম কারণ বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দেশে ব্রেন টিউমারে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ, মানসিক অসুস্থতা! আধুনিক জীবন যাপনে অধিকাংশ মানুষ নানান কারণে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন‌। বদলে যাচ্ছে ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক সম্পর্ক। এমনকি কর্মজীবনে ও নানান পরিবর্তন আসছে। আর এই সবকিছুই মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলছে। বহু মানুষ নানান কারণে মানসিক চাপের শিকার হচ্ছেন। এর ফলে মস্তিষ্কে অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে। মানসিক চাপ থাকলে শরীরে অতিরিক্ত স্ট্রেস হরমোন ক্ষরণ হয়। মস্তিষ্কে এর গভীর প্রভাব পড়ে। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব হিসাবে টিউমার (Brain Tumor) হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    স্ট্রেস ফ্যাক্টরের পাশপাশি আরও কিছু কারণ মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। নিয়মিত রেডিয়েশন, এক্স রে শরীরে প্রবেশ করলে ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই দেখা যায়, অন্য কোনও রোগের জেরে দীর্ঘদিন রেডিয়েশন থেরাপি নেওয়ার জেরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে ব্রেন টিউমার (Brain Tumor) হয়েছে। আবার বংশানুক্রমিক সমস্যার জেরেও এই রোগ হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারে ক্যান্সারে আক্রান্ত কেউ থাকলে বা আগে কেউ অন্য কোনও টিউমারে আক্রান্ত থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। স্থুলতা মস্তিষ্কের টিউমারের অন্যতম কারণ হতে পারে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, দেহের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে মস্তিষ্কে চাপ‌ পড়ে। সেটা টিউমারের অন্যতম কারণ হতে পারে।

    কীভাবে উপসর্গ চিনবেন?

    চিকিৎসকদের মতে, প্রথম পর্বেই রোগ নির্ণয় হয়ে গেলে রোগের‌ মোকাবিলা সম্ভব। কিছু উপসর্গ সম্পর্কে সজাগ হলেই রোগ নির্ণয় দ্রুত সম্ভব বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত মাথার তীব্র যন্ত্রণা, মাঝেমধ্যেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলা, কাজ করার ইচ্ছে না থাকা, বমি হওয়া, মল-মূত্রত্যাগে নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নির্দিষ্ট পরীক্ষার (Brain Tumor) মাধ্যমে রোগ নির্ণয় সম্ভব।‌

    চিকিৎসার পরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ব্রেন টিউমারের (World Brain Tumor Day) আক্রান্ত মানেই জীবন শেষ, এমন ভাবনা একেবারেই ঠিক নয়। টিউমারের চিকিৎসা সম্ভব। আর টিউমার হলেই ক্যান্সার বা অন্য কোনও জটিল রোগ হবে এমন ভাবাও অপ্রয়োজনীয়। নানান নেতিবাচক ভাবনা বাদ দিয়ে ঠিকমতো চিকিৎসা সম্পূর্ণ করলে আবার সুস্থ জীবনে ফিরে আসা যায়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share