Tag: World Cancer Day

World Cancer Day

  • Fight Against Cancer: ক্যান্সার রুখতে সামাজিক ঐক্য! কেন এই বার্তা দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?

    Fight Against Cancer: ক্যান্সার রুখতে সামাজিক ঐক্য! কেন এই বার্তা দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্যান্সার (Cancer) রোগ নির্ণয় আর তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া জুড়ে শুধুই রোগী থাকেন না। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়া জুড়ে থাকেন তাঁর পরিবার। ক্যান্সার শুধুই একজন ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে না। বরং ক্যান্সারের প্রকোপ সমাজ জুড়ে। তাই ক্যান্সার রুখতেও সামাজিক ঐক্য (Social Unity in Cancer Prevention) জরুরি। একা নয়। ক্যান্সার রুখতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা প্রয়োজন। বিশ্ব ক্যান্সার দিবসে (World Cancer Day) এই কথাই জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization)। ভারত সহ বিশ্বের একধিক দেশে ক্যান্সারের দাপট বাড়ছে। বয়সের সীমারেখায় এই রোগ আটকে নেই। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। ফুসফুস, লিভার কিংবা অগ্নাশয়ের ক্যান্সার গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সমস্ত ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে তরুণ প্রজন্মের হার যথেষ্ট উদ্বেগজনক। পুরুষদের মধ্যে যেমন ফুসফুস, গলার ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ছে, মহিলাদের মধ্যে স্তন এবং জরায়ুর ক্যান্সারের প্রকোপ মারাত্মক। বিশেষত খুব কম বয়সি মহিলারা অর্থাৎ তিরিশের চৌকাঠ পেরনোর পরেই বহু মহিলা স্তন ক্যান্সার কিংবা জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। যা খুবই উদ্বেগজনক। তাই ক্যান্সার রুখতে (Fight Against Cancer) সার্বিক সক্রিয়তা জরুরি। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

    ক্যান্সার রুখতে সামাজিক ঐক্যের প্রয়োজনে বাড়তি গুরুত্ব কেন?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হচ্ছে, ক্যান্সার রুখতে হলে শুধুই আক্রান্তের চিকিৎসা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সামাজিক পরিবর্তন (Social Action)। বিশ্ব জুড়ে বাড়তে থাকা ক্যান্সারের দাপট রুখতে তাই দুই দিকে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, একদিকে যেমন আক্রান্তের চিকিৎসা জরুরি। তাঁর পরিবারের পাশে থাকা প্রয়োজন। তেমনি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে একসঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে নজরদারি প্রয়োজন। গত কয়েক দশকে বিশ্ব জুড়ে স্থূলতার সমস্যা বেড়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ওজন ক্যান্সারের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। লিভার, কিডনি, অগ্নাশয় কিংবা জরায়ুর ক্যান্সারের কারণ হয়ে উঠছে এই স্থূলতা। দেহের ওজন অতিরিক্ত হয়ে গেলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। আবার লিভার, পাকস্থলী, অগ্নাশয়ের ওপরেও খারাপ প্রভাব পড়ে‌। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্ষমতা কমে। তাই ওজন নিয়ে সামগ্রিকভাবে সচেতনতা জরুরি (Fight Against Cancer)। স্কুল স্তর থেকেই ওজন নিয়ে সচেতনতা প্রয়োজন।

    ওজন নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত শারীরিক কসরত করা দরকার। খাদ্যাভ্যাসেও নজরদারি প্রয়োজন। এগুলো সামাজিক শিক্ষা। অর্থাৎ, অতিরিক্ত খাবার খাওয়া খারাপ অভ্যাস, অনিয়মিতভাবে খাওয়া উচিত নয়, নিয়মিত শারীরিক কসরত করার অভ্যাস থাকা জরুরি, এই সবগুলোই সব সময় আলোচনায় থাকা প্রয়োজন। যাতে মানুষ‌ এই সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন হতে পারে। স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে সক্ষম হয়। তাহলেই ক্যান্সারের ঝুঁকি (Fight Against Cancer) অনেকটা কমবে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনকে ‘উদযাপন’ কিংবা ‘প্রমোশন’-র পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনকেই উদযাপনের মাপকাঠি করার কথাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কু-অভ্যাস ত্যাগ

    ওজনের পাশপাশি ধুমপানের মতো খারাপ অভ্যাস নিয়েও সামাজিক সচেতনতা (Fight Against Cancer) জরুরি। মদ্যপান, ধুমপানের অভ্যাস কখনোই কোনো আনন্দ উদযাপনের অংশ নয়। বরং তা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। ফুসফুস, গলা রং, মুখ , লিভার সহ একাধিক ক্যান্সারের কারণ। এই সম্পর্কে সমাজের সর্বস্তরে সচেতনতা (Cancer Awareness) জরুরি। তাই আক্রান্তের পাশে থাকার সঙ্গে সঙ্গে ক্যান্সার রুখতে সামাজিক জোটবদ্ধ সচেতনতাকেও সমানভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    ভারতে কোন কোন ক্যান্সার বিপজ্জনক? কোন ক্যান্সার আটকানো সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে গত কয়েক বছরে অগ্নাশয়, লিভার রং, ফুসফুসের ক্যান্সার মারাত্মকভাবে বেড়েছে। তবে সতর্কতাকে হাতিয়ার করে এই ক্যান্সার আক্রান্তের পরিসংখ্যান পরিবর্তন সম্ভব। এমনটাই জানাচ্ছেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের একাংশ। ক্যান্সার চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভার, ফুসফুস এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত মদ্যপান ও ধূমপান। এই দুই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছাড়তে পারলেই ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকখানি কমবে। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের একাংশ ধূমপান ও মদ্যপানে আসক্ত। এই আসক্তি অত্যন্ত বিপজ্জনক। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, গলা ও মুখের ক্যান্সার এবং ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্তের প্রায় ৫৫ শতাংশ ধূমপানে অভ্যস্ত। লিভারের ক্যান্সারে আক্রান্তের প্রায় ৬০ শতাংশ রোগীরা মদ্যপানে আসক্ত। তাই এই দুই অভ্যাস ছাড়তে পারলেই ক্যান্সারের বোঝা (Fight Against Cancer) কমবে।

    সচেতনতা গড়ে তোলা দরকার

    এছাড়া পরিবেশ দূষণ নিয়েও সচেতনতা জরুরি বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে কলকাতা, দিল্লি সহ দেশের একাধিক বড়‌ শহরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বায়ুদূষণ বেড়েছে। এই নিয়ে প্রশাসনের তরফেও আরও বেশি সক্রিয়তা জরুরি। সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশপাশি প্রশাসনের সক্রিয়তা থাকলে তবেই দূষণ রোধ সম্ভব। বায়ুদূষণ ফুসফুস এবং শ্বাসনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই এই দিকেও নজরদারি জরুরি। তাছাড়া ঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় হলে ক্যান্সারের জটিলতা এড়ানো সহজ হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে স্তন ক্যান্সার এবং জরায়ুর ক্যান্সার অনেক সময়েই দেরিতে নির্ণয় হয়। তাই জটিলতা বাড়ে। তাঁদের পরামর্শ, বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা (Cancer Awareness) থাকা প্রয়োজন। তাহলে এই দেশে এই রোগ আটকানো (Fight Against Cancer) আরও সহজ হবে।

     

  • World Cancer Day: জানুন, কোন পাঁচ ধরনের ক্যানসার ভারতে বাড়ছে

    World Cancer Day: জানুন, কোন পাঁচ ধরনের ক্যানসার ভারতে বাড়ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর বিশ্ব ক্যানসার দিবস (World cancer Day) পালন করা হয় ৪ ফেব্রুয়ারি। এই দিনটির উদ্যোক্তা হল Union for International Cancer Control. এই দিনে বিভিন্ন প্রকারের ক্যানসারের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা ছড়ানো হয় নানা রকমের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। উপায় বাতলে দেওয়া হয় কী কী ভাবে জীবন যাপন করলে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে এই মারণ রোগকে। করোনা ছাড়াও বর্তমানে আমাদের দেশে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে ক্যানসার। World Health Organization (WHO) এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতি দশজনের মধ্যে একজন ভারতীয় ক্যানসার আক্রান্ত এবং ক্যানসার আক্রান্ত প্রতি ১৫ জন ভারতীয়-এর মধ্যে একজন মারা যাচ্ছে। Indian Council Of Medical Research এর অপর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৫ সালের মধ্যে আমাদের দেশে কয়েকগুন বাড়তে চলেছে ক্যানসার। এর জন্য দূষণ, তামাক জাতীয় নেশার প্রতি আসক্তি ইত্যাদি কারণগুলিকেই সামনে রাখছেন বিশেষজ্ঞরা।

    এবার আমরা আলোচনা করব পাঁচ ধরনের ক্যানসার নিয়ে

    ফুসফুসের ক্যানসার
     
    বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ভারতে ফুসফুসে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ২০২২ সালের একটি রিপোর্টে দেখা গেছে আমাদের দেশে বর্তামানে ফুসফুস ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭০,২৭৫ জন। অন্যদিকে Indian Council of Medical Research (ICMR) এর সমীক্ষা বলছে এই সংখ্যা ২০২৫ সালে দ্বিগুন হবে।

    মুখের ক্যানসার

    ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে এই ক্যানসার বেশি লক্ষ্য করা যায়। ক্যানসার আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে ১১.২ শতাংশই এই ক্যানসারে ভোগেন। অন্যদিকে মহিলা ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এই ক্যানসারের প্রবণতা দেখা যায় ৪.৩ শতাংশ। তামাক দ্রব্যের নেশাই এই ক্যানসারের অন্যতম কারণ।

    ব্রেস্ট ক্যানসার

    এই ক্যানসার সাধারণত মহিলাদের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। মহিলাদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ক্যানসার। ২০২০ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে মোট মহিলা ক্যানসার রোগীর ৩৯.৪ শতাংশই ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত।

    জরায়ু ক্যানসার

    সারা পৃথিবীর মতো ভারতবর্ষেও জরায়ুর ক্যানসার বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি, একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, সারা পৃথিবীব্যাপী জরায়ুর ক্যানসারে ভারত এবং চিনে বেশি রোগী মারা যায়।

    খাদ্যনালীর ক্যানসার

    সারা দেশে খাদ্যনালীর ক্যানসারে দেখা গেছে পুরুষরাই সবথকে আক্রান্ত হচ্ছেন। ভারতে মৃত্যুর কারণগুলির মধ্যে খাদ্যনালীর ক্যানসার ষষ্ঠস্থানে রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • World Cancer Day: আজ বিশ্ব ক্যানসার দিবস, জানুন কিছু সুপারফুডের কথা যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

    World Cancer Day: আজ বিশ্ব ক্যানসার দিবস, জানুন কিছু সুপারফুডের কথা যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বিশ্ব ক্যানসার দিবস ( World Cancer Day)। প্রতিবছর ৪ ফেব্রুয়ারি এই দিনটি পালন করা হয়ে থাকে। ২০০০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্যারিসে বসেছিল ক্যানসার বিষয়ক এক সম্মেলন, তখন থেকেই এই দিনটি বিশ্ব ক্যানসার দিবস ( World Cancer Day) হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্ব ক্যানসার দিবসে প্রতি বছর সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নানা রকমের অনুষ্ঠান করা হয়ে থাকে। গবেষকদের মতে জীবনযাত্রা এবং ডায়েট ঠিক রাখলে ক্যানসারের ঝুঁকি এড়ানো যায় অনেকটাই। ক্যানসারের প্রতিরোধের জন্য নিত্য নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার হচ্ছে, গবেষকরা নানারকমের পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন।
    কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ক্যানসারের চিকিৎসা খুবই খরচ সাপেক্ষ। যার ফলে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে প্রতি দশজনের মধ্যে গড়ে সাত জন রোগীই মারা যায়, একটি রিপোর্ট অন্তত তাই বলছে।  

    একনজরে দেখে নেব কিছু খাবার, যেগুলি ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক

    কিছু গুরুত্বপূর্ণ সবজি

    বাঁধাকপি, ফুলকপি এবং ব্রকলি  এই জাতীয় পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারগুলি ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে সাহায্য করতে পারে বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। গবেষণায় বলা হয়েছে, এই সবজিগুলিতে কিছু রাসায়নিক থাকে ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক। 

    বেরি

    বেরি- স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি এবং ব্লুবেরিতে উল্লেখযোগ্য মাত্রার অ্যান্থোসায়ানিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

    টমেটো

     কাঁচা এবং সিদ্ধ উভয় টমেটোই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ব্যাপক উৎস। ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক বলেই বলছেন গবেষকরা।

    বাদাম এবং বীজ

    বাদাম আপনার ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ক্যানসার এবং অন্যান্য গুরুতর অসুস্থতা এড়ানোর জন্য এগুলিকে স্বাস্থ্যকর খাবার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। চিনাবাদাম, বাদাম এবং আখরোটের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাবলী ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

    চর্বিযুক্ত মাছ

    প্রতি সপ্তাহে আপনার খাদ্যতালিকায় মাছ যোগ করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমতে পারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবারে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে বলছেন পুষ্টিবিদরা। 

    আরও কিছু শস্য

     গমের রুটি, চাল এবং ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, এগুলি ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক। গবেষকদের মতে এই সুপারফুডগুলিতে থাকা কিছু রাসায়নিক কোলোরেক্টাল, অগ্ন্যাশয়, স্তন এবং প্রোস্টেট ক্যানসারকে প্রতিহত করে।

     

    DISCLAIMER: এই লেখাটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • World Cancer Day: বিশ্ব ক্যানসার দিবসে চলতি বছরের থিম কী জানেন?

    World Cancer Day: বিশ্ব ক্যানসার দিবসে চলতি বছরের থিম কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা পৃথিবী ব্যাপী ক্যানসার রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, মৃত্যুর সবথেকে বড় কারণগুলির মধ্যে ক্যানসার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জনই মারা যান ক্যানসারে। ডাক্তারদের মতে, সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি, লাইফ স্টাইল এগুলো ঠিকঠাক থাকলে পরাস্ত করা যায় এই মারণ রোগকে। এবং অবশ্যই সময় মতো এই রোগকে চিহ্নিত করতে হবে।

    ক্যানসারের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যানসার দিবস পালন করা হয়। ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী, ক্যানসার রোগীরা এই দিনে একসঙ্গে এই মারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার বার্তা দেন।

    কবে থেকে পালিত হয় বিশ্ব ক্যানসার দিবস

    বিশ্ব ক্যানসার দিবস পালন শুরু হয়েছে, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০০ সাল থেকেই। ক্যানসারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে এবং এর প্রতিরোধ কী ভাবে সম্ভব তা আলোচনা করতে ২০০০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্যারিসে একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বিশ্বব্যাপী এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী সমেত ক্যানসার রোগীরাও। ক্যানসার সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় ওই সম্মেলনে। এর প্রতিরোধ যে মানুষের হাতের মুঠোয় সেটাও বলা হয় ওই সম্মেলনে। এরপর থেকে প্রতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি সারা বিশ্বব্যাপী ক্যানসার দিবস পালন করা হয়।

    বিশ্ব ক্যানসার দিবসে এবছরের থিম কী

    পরপর তিন বছর ক্যানসার দিবসের থিম থাকছে “Close The Care Gap”, ২০২২ থেকে শুরু হয়েছে চলবে ২০২৪ অবধি। ক্যানসার রোগীদের যত্ন, পরিচর্যা খুব প্রয়োজনীয়। ক্যানসার রোগীদের পরিচর্যায় খামতি থাকলে কী কী ক্ষতি হয়? সে বিষয়েও বার্তা দেওয়া হবে এই থিমের মাধ্যমে।  

    কী কী অনুষ্ঠান হবে বিশ্ব ক্যানসার দিবসের

    The Union for International Cancer Control (UICC) বিভিন্ন সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে চলতি বছরে। জানা গেছে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানও হবে, অংশগ্রহণ করবে বিভিন্ন ছাত্র ছাত্রীরা, আবার প্রচার অভিযানও চলবে এইদিন। মানুষকে বোঝানো হবে ক্যানসারের খুঁটিনাটি দিকগুলি এবং কীভাবে এই মারণ রোগের প্রতিকার সম্ভব তাও প্রচার করা হবে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share