Tag: World Environment Day

World Environment Day

  • World Environment Day: আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস, কেন ৫ জুন পালিত হয় এই দিন? জানুন তাৎপর্য

    World Environment Day: আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস, কেন ৫ জুন পালিত হয় এই দিন? জানুন তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day)। ১৯৭২ সাল থেকে এই দিনটিকে উদযাপন করা হয়। সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত ভারতে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। চলতি বছর যেভাবে সারা বিশ্বে তাপপ্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাতে পরিবেশ দিবসের গুরুত্ব অনেকটাই। ভারতের প্রতিটি রাজ্যে পালিত হচ্ছে পরিবেশ দিবস। বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা নিজে গাছ লাগিয়ে অপরকে গাছ লাগাতে উৎসাহিত করেছেন। উষ্ণায়ণ কমাতে মুখে পদক্ষেপের কথা বলা হলেও বাস্তবে কতটা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়।

    পরিবেশ দিবসের ইতিহাস

    ১৯৬৮ সালের ২০ মে রাষ্ট্রসঙ্ঘের অর্থনীতি এবং সামাজিক পরিষদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল সুইডেন সরকার। চিঠির বিষয়বস্তু ছিল প্রকৃতি এবং পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে তাদের গভীর উদ্বেগের কথা। সে বছরই রাষ্ট্রসঙ্ঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি সাধারণ অধিবেশনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। পরের বছর রাষ্ট্রসঙ্ঘের (United Nations) পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষায় বিস্তারিত আলোচনা এবং সমাধানের উপায় খুঁজতে বলা হয়। তখনই সদস্য দেশগুলির সম্মতিতে সুইডেনের (Sweden) রাজধানী স্টকহোমে ১৯৭২ সালের ৫ জুন শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন। এই সম্মেলন চলেছিল ১৬ জুন পর্যন্ত। এই সম্মেলন রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্বীকৃতি পায়। পরে ১৯৭৩ সালে সম্মেলনের প্রথম দিন ৫ জুনকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে।

    বিশ্ব পরিবেশ দিবসের অঙ্গীকার (World Environment Day)

    বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে একদিকে। হিমবাহ গলছে, অন্যদিকে বাড়ছে সমুদ্রের জলস্তর। বহু জায়গায় ভূগর্ভস্থ জল শুকিয়ে আসছে। পানীয় জলের সমস্যা দেখা দিয়েছে ভারতের বিভিন্ন শহরে। আগামী কয়েক দশকে পৃথিবীর বহু অঞ্চল জলশূন্য হয়ে পড়বে এই আশঙ্কা রয়েছে। এমনিতেই সারা বিশ্বে সমুদ্রে জলের প্রচুর ভান্ডার রয়েছে, কিন্তু সেটা পানীয় নয়। পানীয় জলের ভান্ডার সীমিত। 

    আরও পড়ুন: উত্তরে ভারী বৃষ্টি আর দক্ষিণে চরম অস্বস্তি! আবারও ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ

    অন্যদিকে বন জঙ্গলে আগুন লেগেই চলেছে। এই যে বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি হচ্ছে। বায়ুদূষণ, জলদূষণের পাশাপাশি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে প্লাস্টিকের দূষণ। সমুদ্রের তলদেশে তৈরি হচ্ছে প্লাস্টিকের পাহাড়। বাসযোগ্য ভূমির মধ্যেও ঢুকে পড়ছে ক্ষতিকারক প্লাস্টিক। শুধু মানবদেহে নয়, অন্যান্য প্রাণীদের দেহেও মিলছে প্লাস্টিকের টুকরো। পৃথিবীর বুক থেকে বহু প্রজাতি অস্তিত্ব সঙ্কটের সম্মুখীন হলেও  তা নিয়ে আমরা উদাসীন। এমতাবস্থায় পৃথিবীর জৈব বৈচিত্র্য নষ্ট হয়ে গেলে তার প্রভাব মানুষের উপরেও পড়বে। যেভাবে পৃথিবী ধীরে ধীরে বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে, তাতে একদিন মানব সভ্যতাও হুমকির মুখে পড়বেই। তা রুখতে এখন থেকেই ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকারের দিন বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Environment Day: গরমে পুড়ছে বঙ্গবাসী, কলকাতায় সবুজ কমেছে ৩০ শতাংশ!

    World Environment Day: গরমে পুড়ছে বঙ্গবাসী, কলকাতায় সবুজ কমেছে ৩০ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রা পেরিয়ে যাচ্ছে ৪০ ডিগ্রির চৌকাঠ। গরমে অস্বস্তি প্রত্যেক দিন বাড়ছে! শুধুই অস্বস্তি নয়, আট থেকে আশি প্রবল গরমে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন! প্রত্যেক বছর তাপমাত্রার পারদ যেমন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, তেমনই কমছে কলকাতার সবুজায়ন! বিশ্ব পরিবেশ দিবসে (World Environment Day) এমনই রিপোর্ট প্রকাশ করল একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা!

    কী বলছে সমীক্ষা? 

    ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day)! আর সেই উপলক্ষে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, দিল্লি, মুম্বই, হায়দরাবাদের তুলনায় অনেকটাই সবুজ কম কলকাতায়। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতায় ২০১১ সালে সবুজে ঢাকা অংশ ছিল ২.৫ বর্গ কিলোমিটার। ২০২২ সালে তা কমে হয়েছে ১.৮ বর্গ কিলোমিটার। দিল্লি কিংবা মুম্বইয়ের মতো শহরের থেকে যা কয়েক গুণ কম। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লিতে ২০১১ সালে ১৭৪.৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় গাছ ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয়েছে বর্গ কিলোমিটার। একই ভাবে সবুজায়ন বেড়েছে মুম্বইয়েও। ২০১১ সালে মুম্বাইয়ে ১০১.৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা সবুজে ঢাকা ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয় ১১০.৮ বর্গ কিলোমিটার। হায়দরাবাদে ২০১১ সালে ৩৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বড় গাছ ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৮১.৮ বর্গ কিলোমিটার। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, যেখানে দিল্লিতে ১১ শতাংশ, মুম্বইয়ে ৯ শতাংশ এবং হায়দরাবাদে ১৪৭ শতাংশ সবুজায়ন বেড়েছে, সেখানে কলকাতায় গত এক দশকে ৩০ শতাংশ গাছ কমেছে।

    কী বলছেন পরিবেশবিদরা (World Environment Day)? 

    কলকাতার এই পরিসংখ্যান দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছেন পরিবেশ কর্মীরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে হারে কলকাতায় গাছ কমেছে, তাতে কলকাতার আবহাওয়া আরও অস্বস্তিকর হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা। পাশপাশি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টির মতো সমস্যাও বাড়বে। পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছর ধরেই কলকাতার তাপমাত্রা যেমন বাড়ছে, তেমনি কলকাতার বৃষ্টির ধরন বদলে যাচ্ছে। অসময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু কালবৈশাখীর দেখা মিলছে না। তাছাড়া ঝড়-বৃষ্টি হলেই বাজ পড়ছে। বজ্রপাত বেড়েছে। আর এই সব কিছুর জন্য গাছ কাটাই (World Environment Day) সবচেয়ে বড় কারণ বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা। 
    মুম্বই, দিল্লি বা হায়দরাবাদের মতো বড় শহরে গত এক দশক ধরেই পরিকল্পনা করে গাছ লাগানো হয়েছে। বছর দশেক আগেও মুম্বই কিংবা দিল্লিতে মে-জুন মাসের আবহাওয়া অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল। তখন থেকেই সতর্ক হয়েছিল সরকার। একাধিক রাস্তার ধারে গাছ লাগানো শুরু হয়। এর ফল দশ বছর পরে পাওয়া যাচ্ছে। গাছ লাগানো ও তার নিয়মিত যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে গত এক দশকে দিল্লি ও মুম্বইয়ের মতো শহরে প্রশাসন যথেষ্ট নজর দিয়েছে। 
    এবছর কলকাতার তাপমাত্রার পারদ দিল্লি কিংবা মুম্বইকে এপ্রিলেই ছাপিয়ে গিয়েছে। কলকাতার গল্ফ গ্রিন থেকে যাদবপুর, গিরিশ পার্ক থেকে লেকটাউন, যেসব এলাকায় তুলনায় বেশি বড় গাছ ছিল, গত এক দশকে সেগুলো দেদার কাটা হয়েছে। রাস্তার পাশে গাছ লাগানোর কোনও পরিকল্পনা গত এক দশকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার করেনি। কলকাতা পুরসভার তরফেও বড় গাছ লাগানো ও তার যত্ন নিয়ে বিশেষ কোনও সক্রিয়তা দেখা যায়নি। বরং গাছ কাটার ছবি যত্রতত্র দেখা গিয়েছে। ফলে, এক দশকে বদলে গিয়েছে কলকাতার আবহাওয়া!

    কী বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা (World Environment Day)? 

    কলকাতার এই গরম কলকাতাবাসীর জন্য আরও বিপজ্জনক হতে চলেছে বলেই আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, গরম তো শুধুই অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে না, গরমের জেরে নানান শারীরিক অসুবিধার আশঙ্কাও দেখা যায়। যেমন ডিহাইড্রেশন, ত্বকের সমস্যা, ঘুম কম হওয়া। এছাড়াও গরমের জেরে নানান ভাইরাস ঘটিত অসুখ হতে পারে। বিশেষত উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের সমস্যা থাকলে, এই গরমে তাদের শারীরিক অসুস্থতার বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই সব মহলেরই সচেতনতা (World Environment Day) জরুরি বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Environment Day 2022: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জেনে নিন এই দিনের তাৎপর্য

    World Environment Day 2022: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জেনে নিন এই দিনের তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day) যা ইকো ডে (Eco Day) নামেও পরিচিত। প্রতি বছর এই দিনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়। প্রকৃতি ও তার সংরক্ষণের গুরুত্বের জন্যই এই দিনটি পালন করা হয়। প্রকৃতির সুরক্ষা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়।

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রথমবার ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার (UN General Assembly) দ্বারা স্টকহোম সম্মেলনের প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তার দু’বছর পরে, ১৯৭৪ সালে প্রথম ইকো দিবস (Eco Day) “কেবল এক পৃথিবী” ( Only One Earth) থিম নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরিবেশ দিবসে বিভিন্ন দেশের মানুষ এই দিবস পালনে অংশগ্রহণ করে। ফি বছর, একটি থিমের আয়োজন করা হয় ও বিভিন্ন ব্যবসা,  বেসরকারি সংস্থা,  সম্প্রদায়, সরকার এবং সেলিব্রিটিরা এই থিম মেনেই অংশগ্রহণ করে।

    কী এই বিশ্ব পরিবেশ দিবস:

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস হল পরিবেশের জন্য নিবেদিত একটি দিন যা পরিবেশের সমস্যা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য উদযাপিত হয়ে থাকে। এটি বিভিন্ন সমাজ ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের পাশাপাশি, পরিবেশের সুরক্ষা করতেও উৎসাহিত করে।

    বিশ্ব পরিবেশ দিবসের ইতিহাস:

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস ১৯৭২ সালে  রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার দ্বারা মানব পরিবেশের স্টকহোম সম্মেলনের প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দুই বছর পর, ১৯৭৪ সালে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস অনুষ্ঠিত হয় “Only One Earth” থিম নিয়ে। যদিও ১৯৭৪ সাল থেকে  WED (World Environment Day)  উদযাপন বার্ষিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২২ থিম:

    এবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসের থিম ‘শুধু এক পৃথিবী’ (‘Only One Earth’), যা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ। এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সম্মেলন সুইডেনে অনুষ্ঠিত হয়। ২০২১-এর থিম ছিল “ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধার” (Ecosystem Restoration) এবং সম্মেলনের আয়োজক ছিল পাকিস্তান।

LinkedIn
Share