Tag: World Health Organization

World Health Organization

  • World Breastfeeding Week: জন্মের পরের ছ’মাস শুধুই স্তন্যপান! শিশু ও মায়ের শরীরে কী প্রভাব ফেলে?

    World Breastfeeding Week: জন্মের পরের ছ’মাস শুধুই স্তন্যপান! শিশু ও মায়ের শরীরে কী প্রভাব ফেলে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সন্তানের জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস, তার শারীরিক বিকাশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে শিশুর খাদ্যাভ্যাস থেকে পরিচর্যা, সব বিষয়ে অতিরিক্ত নজরদারি না রাখলে পরবর্তী সময়ে নানান জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে তাই জানানো হয়েছে, শিশুর জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস শুধু মাতৃ স্তন্যপান (World Breastfeeding Week) যথেষ্ট। এতেই শিশুর ঠিকমতো বিকাশ হবে। সুস্থ শরীর ও মানসিক গঠন ঠিক মতো হবে‌। কিন্তু বিশ্ব জুড়েই মাতৃদুগ্ধ (Mother’s Milk) পান নিয়ে নানান ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহল কিন্তু স্পষ্ট জানাচ্ছে, শিশুর জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ যথেষ্ট। আর কিছুই দরকার নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো‌ ভারতেও স্তন্যপান করানো নিয়ে নানান ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তাই দেশ জুড়ে অগাস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ স্তন্যপান সচেতনতা সপ্তাহ হিসেবে পালন করা হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, স্তন্যপান করানো শুধু সদ্যোজাতের জন্য উপকারী নয়, মায়ের শরীরের পক্ষেও অত্যন্ত উপকারী। তাই মা ও শিশুকে সুস্থ রাখতে স্তন্যপান জরুরি।

    শিশুর শরীরে স্তন্যপান কতখানি গুরুত্বপূর্ণ? (World Breastfeeding Week)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ পান করলে, শিশুর যে কোনও সংক্রমণের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের খাবার থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে সব চেয়ে বেশি। কিন্তু মায়ের বুকের দুধ খেলে সেই ঝুঁকি কার্যত থাকে না। বিশেষত পেটের অসুখের ঝুঁকি একেবারেই কমে যায়। জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খেলে, তার প্রভাব হয় সুদূর প্রসারী। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মায়ের বুকের দুধে কোলেস্ট্রাম থাকে। এই উপাদান দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। বিশেষত অন্ত্র, লিভার এবং পাকস্থলীর রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে এই উপাদানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তাই মাতৃদুগ্ধ সন্তানের জন্য সব চেয়ে উপকারী। জন্মের পরে প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র ব্রেস্টফিডিং করলে শিশুর কিডনি ভালো থাকে বলেও জানাচ্ছে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের কিডনির রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই এদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশেও মায়ের দুধের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।‌ তারা জানাচ্ছে, শিশুর জন্মের পরে মায়ের বুকের দুধে এক ধরণের হলদে উপাদান থাকে। এই উপাদান শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে বিশেষ সাহায্য করে।

    স্তন্যপান করালে মায়ের শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    শিশুকে নিয়মিত স্তন্যপান (World Breastfeeding Week) করালে তার পাশপাশি মায়ের শরীরেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, শিশুকে স্তন্যপান করালে মায়ের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ২০ শতাংশ কমে যায়। বিশ্বের একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, স্তন্যপান করালে মহিলাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমতে পারে। সন্তানকে নিয়মিত স্তন্যপান করালে স্তন ক্যান্সারের পাশাপাশি ওভারি এবং জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমতে বিশেষ সাহায্য করে। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার পাশপাশি মায়ের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম হয়। শিশুকে নিয়মিত স্তন্যপান করালে নতুন মায়ের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। সন্তান জন্মের পরে দিনে অন্তত তিন থেকে চারবার স্তন্যপান (Mother’s Milk) করালে, মায়ের রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক হয়। ফলে মায়ের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। সন্তানকে স্তন্যপান করালে মহিলাদের পোস্ট পার্টোম ডিপ্রেশনের ঝুঁকি কমে বলেও‌ জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, অধিকাংশ মায়েরাই সন্তান জন্ম দেওয়ার পরে নানান মানসিক অবসাদে ভোগেন। দেহের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তন ঘটার জেরেই এই ধরনের অবসাদ তৈরি হয়। নিয়মিত স্তন্যপান করালে মায়ের শরীরে হরমোনের পরিবর্তনেও প্রভাব ফেলে। ফলে মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো থাকে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে স্তন্যপান (World Breastfeeding Week)। মা নিয়মিত সদ্যোজাতকে স্তন্যপান করালে মায়ের শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। যা শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • World Blood Donor Day: রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন! কেন বাড়ছে সংকট?

    World Blood Donor Day: রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন! কেন বাড়ছে সংকট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্য জুড়ে বাড়ছে রক্তের সংকট। ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন রোগীর আত্মীয়-পরিজন। সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি, রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন। দীর্ঘ অপেক্ষার পরেও কার্যত বিফল হয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। আর এর জেরেই বিপদ বাড়ছে রোগীদের। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জটিল অস্ত্রোপচার থেকে মুমূর্ষু রোগী, ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের আকালের (World Blood Donor Day) জেরে ভোগান্তি বাড়ছে।

    কাদের বিপদ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তের সংকটের জেরে সব চেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হাজার হাজার মানুষ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রাজ্যের কয়েক লাখ মানুষ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। আক্রান্তের তালিকায় শিশু থেকে বয়স্ক, সব বয়সের মানুষ রয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে তাদের রক্তের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ব্লাড ব্যাঙ্কে পর্যাপ্ত রক্ত না থাকায়, তাদের বিপদ বাড়ছে (Blood Crisis)। ঠিক সময়ে রক্তের জোগান না হলে তাদের প্রাণ-সংশয় হতে পারে। 
    রক্তের অসুখে আক্রান্ত রোগীদের পাশপাশি যে কোনও জটিল অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে বাধার কারণ হচ্ছে রক্তের সংকট (World Blood Donor Day)। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও জটিল অস্ত্রোপচারে রক্তের জোগান থাকা জরুরি। কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের একাধিক ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের জোগান নেই। তাই পরিস্থিতি বিপজ্জনক। 
    এছাড়াও জরুরি বিভাগে রোগীর চিকিৎসা করা কঠিন হয়ে উঠছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, দুর্ঘটনা বা কোনও আপৎকালীন রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে সব গ্রুপের পর্যাপ্ত রক্তের জোগান থাকা জরুরি। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে চিকিৎসা শুরু করতেই অনেকটা সময় চলে যাচ্ছে।

    রক্তের সংকট কতখানি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের হিসেব? (World Blood Donor Day)

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছর ধরেই রাজ্যে রক্তের সংকট দেখা দিচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, গোটা রাজ্যে দৈনিক গড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ বছরে ১৪ লাখ ইউনিটের বেশি রক্তের প্রয়োজন হয়। গত বছরেও রাজ্যের সরকারি ও বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক মোট ১০ লাখ ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করেছিল। চলতি বছরে এই সংগ্রহের পরিমাণ আরও কম হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।

    কেন রাজ্যে রক্তের সংকট? (Blood Crisis)

    রক্তদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের মোট রক্তদান শিবিরের ৬০ শতাংশ রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে হয়। বাকি ৪০ শতাংশ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে হয়। কিন্তু চলতি বছরে গরমের পারদ বেশি‌। তাই প্রথম থেকেই রক্তদান শিবিরের আয়োজন (World Blood Donor Day) কম হয়েছে। তার উপরে ছিল নির্বাচন। রাজনৈতিক দল নির্বাচনের কাজেই ব্যস্ত ছিল। ফলে, রক্তদান শিবিরের আয়োজন বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘ দিন ধরে হয়নি। এছাড়াও, স্বেচ্ছায় রক্তদানের পরিবর্তে, উপহারের বিনিময়ে রক্তদানের আয়োজনে মদত দিচ্ছেন অনেক রাজনৈতিক দল। এমন অভিযোগও উঠছে। এই সব কিছুর জেরেই রক্তদানের উৎসাহ কমছে। যার জেরে ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ কী? (who) 

    ১৪ জুন ওয়ার্ল্ড ব্লাড ডোনার ডে। এই উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে রক্তদানের উৎসাহ বাড়ানো দরকার। তাহলেই রক্তের সংকট কমবে। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রক্তদান কর্মসূচি পালনে জোর দিতে হবে। রক্তদান সামাজিক দায়িত্ব-এই বিষয়ে সব মহলের আরও জোরালো প্রচার জরুরি বলেও জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পাশপাশি, রক্তদান করলে রক্তদাতাও সুস্থ থাকে, এবিষয়েও প্রচার জরুরি (World Blood Donor Day)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World No Tobacco Day: আজ ‘বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস’, ধূমপান কোন কোন রোগ টেনে আনে জানেন?

    World No Tobacco Day: আজ ‘বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস’, ধূমপান কোন কোন রোগ টেনে আনে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ মে সারা পৃথিবী জুড়ে ‘বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস’ পালিত হয়। এই দিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO-এর পক্ষ থেকে সারা বিশ্বে তামাক ব্যবহারের নানা বিপদ সম্পর্কে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এর পাশাপাশি তামাক সেবন ছাড়াতে প্রচারও চালানো হয়। চলতি বছরের ‘বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবসে’র (World No Tobacco Day) থিম হল ‘তামাকের প্রভাব থেকে শিশুদের রক্ষা’।

    তামাকের হাত থেকে শিশুদের রক্ষা

    সাধারণভাবে দেখা যায়, বাড়িতে বা বাড়ির বাইরে যাঁরা তামাক সেবন করেন, তাঁদের সংস্পর্শে আসা শিশুদের মধ্যে পরবর্তীকালে ধূমপায়ী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল ভাবে দেখা যায়। ‘বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবসে’ (World No Tobacco Day) তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শিশুদেরকে তামাকমুক্ত পরিবেশ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তামাকের কুপ্রভাবগুলি থেকে শিশুদের রক্ষা করার ওপরেও জোর দিয়েছে তারা। এর পাশাপাশি ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বাস্থ্যের দিকটিও তুলে ধরা হয়েছে চলতি বছরের প্রচারে।

    শরীরকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে ধূমপান

    বিশ্বব্যাপী ধূমপায়ীদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সাধারণভাবে কিশোর বয়স থেকেই ধূমপানের (World No Tobacco Day) প্রতি আসক্ত হয়ে ওঠে টিন-এজাররা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধূমপানের ফলে স্বাস্থ্যের প্রভূত ক্ষতি হয়। নিয়মিতভাবে মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের ফলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। শরীরকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে ধূমপান।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: চিকিৎসকদের মতে, ধূমপানের ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, রক্তনালী সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।

    পাচনতন্ত্রকে ক্ষতি করে:  বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপানের ফলে পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয়ে ক্যানসার হতে পারে। এর পাশাপাশি আলসারের মতো রোগও দেখা যায়।

    ত্বকের স্বাস্থ্য: ধূমপানের (World No Tobacco Day) ফলে মানুষের মধ্যে দ্রুত বার্ধক্য আসে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং স্কিন ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    যৌন রোগ: ধূমপানের ফলে নানা রকমের যৌন রোগও দেখা যায়। যথা ইরেক্টাইল ডিসফাংশন, গর্ভাবস্থায় জটিলতা প্রভৃতি।

    মুখের স্বাস্থ্য: ধূমপানের ফলে মুখের ক্যানসার, মাড়ির রোগ, দাঁতের ক্ষতি সমেত নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ প্রভৃতি রোগ দেখা যায়। এর পাশাপাশি দাঁত অপরিষ্কার হয়ে যায় এবং সেখানে কালো ছোপ দেখা যায়।

    দৃষ্টি শক্তিহ্রাস: ধূমপানের (World No Tobacco Day) ফলে মানুষের দৃষ্টিশক্তি অনেকটাই হ্রাস পায় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। ছানি পড়ারও কারণ হিসেবে ধূমপানকে দায়ী করেন অনেক চিকিৎসক।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়:  ধূমপানের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। শরীরে তখন স্বাভাবিকভাবেই আক্রমণ চালায় সংক্রমণ।

    মানসিক স্বাস্থ্য: গবেষকরা বলছেন, ধূমপানের ফলে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা সমেত মানসিক রোগগুলির ঝুঁকি বাড়তেই থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Corona Update: করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হতেই বিতর্কে রাজ্য! পরীক্ষা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ!

    Corona Update: করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হতেই বিতর্কে রাজ্য! পরীক্ষা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে ফের চোখ রাঙানি! করোনা সংক্রমণ (Corona Update) নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা দেশ। কয়েক দিন‌ আগেই কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছিল। সতর্ক হয়েছিল গোটা দেশ। কিন্তু করোনার গ্রাফ বাড়তেই ফের বিতর্কে পশ্চিমবঙ্গ। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, ডেঙ্গি হোক বা করোনা‌, যে কোনও ধরনের সংক্রামক রোগ সামলাতেই বারবার রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। কবে ঠিক হবে পরিস্থিতি?

    কী অভিযোগ উঠছে? (Corona Update)

    রাজ্যের একাধিক জায়গায় খোদ চিকিৎসকদের একাংশ অভিযোগ করছেন, করোনা‌ পরীক্ষা নিয়ে অনাবশ্যক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।‌ জ্বর, সর্দি,‌ কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বহু রোগী, যাদের ডায়বেটিস, হৃদরোগ কিংবা কিডনির মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য করোনা পরীক্ষা দ্রুত হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষা করানো নিয়ে গড়িমসি হচ্ছে। পাশপাশি কোথায় করোনা পরীক্ষা করা হবে, সে নিয়েও রোগী ও পরিজনকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।‌ অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে জানা যাচ্ছে, করোনা (Corona Update) পরীক্ষা করার নমুনা সংগ্রহের উপকরণ নেই। তাই পরীক্ষা করা যাবে না।‌ রোগী এক হাসপাতাল থেকে আর এক হাসপাতালে ঘুরতে বাধ্য হচ্ছেন।

    সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় কেন প্রশ্নের মুখে রাজ্য?

    সংক্রামক রোগে বারবার প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। বছরভর ডেঙ্গি পরীক্ষা নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার পাশপাশি ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে নানান বিতর্ক তৈরি হয়। কেন্দ্রের কাছে তথ্য না পাঠানো, এমনকী সঠিক তথ্য প্রকাশ না করার মতো অভিযোগ ওঠে বারবার।‌ এবার করোনা পরীক্ষা নিয়েও গড়িমসির অভিযোগ।‌ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা পরীক্ষা সময়মতো করতে না পারলে বিপদ বাড়বে। রাজ্যবাসীকেই ভুগতে হবে। কারণ, রোগ সময়মতো নির্ণয় করতে না পারলে, নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। যে কোনও সংক্রামক রোগ প্রথম থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, বিপদ বাড়বে। তাই করোনা (Corona Update) পরীক্ষা করার সুযোগ সব জায়গায় রাখতে হবে। তবেই করোনার এই‌ নতুন প্রজাতির বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে।

    কী বলছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা অবশ্য কোনও রকম গড়িমসির অভিযোগ মানতে নারাজ। এক স্বাস্থ্যকর্তা জানান, দিন কয়েক আগেই করোনা (Corona Update) পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চস্তরের বৈঠক‌‌ হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ মহল করোনা পরিস্থিতিতে নজর রাখছে। গড়িমসির প্রশ্নই নেই। তবে, কোথাও কোনও সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত পদক্ষেপ করছে। করোনা পরিস্থিতি এ রাজ্যে উদ্বেগজনক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • WHO: বাড়ছে মিজেলস, রুবেলা! শিশুদের জন্য সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    WHO: বাড়ছে মিজেলস, রুবেলা! শিশুদের জন্য সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা মহামারীর দাপটের স্মৃতি এখনও তরতাজা! এর মধ্যেই আরেক আশঙ্কার কথা জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। বিশেষত শিশুদের জন্যই এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা। দ্রুত সরকারি পদক্ষেপ ছাড়া এই বিপদ আটকানো যাবে না বলেও তারা জানিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সচেতনতাই পারবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ রাখতে।

    কোন বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)?

    সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, হাম, মিজেলস ও রুবেলা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে। ইউরোপ ও আফ্রিকার একাধিক দেশে কয়েক লাখ শিশু এই রোগে আক্রান্ত। ভারতের জন্যও আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিশ্ব জুড়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, শিশুদের সুস্থ রাখতে এই তিন রোগ সম্পর্কে সজাগ হতে হবে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভ্যাকসিন হচ্ছে সব চেয়ে বড় হাতিয়ার। শিশুর ন’মাস বয়সের পরে এমএমআর ভ্যাকসিন নেওয়া আবশ্যক। তাহলেই এই বিপদ কমানো যাবে। চিকিৎসকরাও জানাচ্ছেন, ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি ৮০ শতাংশ কমে। আর আক্রান্ত হলেও বড় বিপদ হয় না। তাই ভ্যাকসিনকেই রোগ মোকাবিলার সব চেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।

    কেন বাড়লো এই রোগের প্রকোপ? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, করোনা কালে একাধিক বিপর্যয় চলেছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে শুধু মৃত্যু বিপর্যয় হয়নি। যারা সদ্যোজাত, তাদের জন্যও নানা জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছিল করোনা। সংক্রমণের ভয়ে অধিকাংশ বাবা-মা শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাননি। ফলে, তাদের অনেককে ভ্যাকসিন দেওয়া যায়নি। স্কুল বন্ধ থাকার কারণে স্কুলে স্কুলে ভ্যাকসিন নিয়ে যে প্রচার হয়, সেটাও বন্ধ ছিল। অনেক সময়ই শিশুর ন’মাস বয়সে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না। ১৪ বছর পর্যন্ত শিশুকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। করোনার জেরে এক দিকে সদ্যোজাতদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি, তেমনি স্কুলেও ভ্যাকসিন প্রোগ্রাম বন্ধ ছিল। তাই সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা পৃথিবীর ৮০ কোটি শিশু ২০২০-২২ সালের মধ্যে এমএমআর ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

    কীভাবে সতর্ক হবেন? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই রোগ থেকে বাঁচতে ভ্যাকসিন হবে প্রথম হাতিয়ার। কিন্তু তার পরেও আক্রান্ত হলে, অযথা ভয় নয়। বরং সচেতনতার মাধ্যমে শিশু দ্রুত সুস্থ হবে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কয়েকটি উপসর্গ স্পষ্ট হয়। যেমন, জ্বর, সর্দি-কাশি। মুখের ভিতরে সাদা গুটি দেখা যায়। দেহের একাধিক জায়গায় লাল গুটি স্পষ্ট হয়। বিশেষত, কানের পিছনে লাল গুটি দেখা যায়। এই লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবেই বড় বিপদ এড়ানো যাবে বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল (WHO)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 2022: ফের করোনার দাপট ভারতে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

    Covid 2022: ফের করোনার দাপট ভারতে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) হুশিয়ারির পরেই ফের করোনার গ্রাফ বাড়ল।শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ভারতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১ হাজার তিনশো চৌত্রিশ জন এবং ১৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী এই ১৬ জনের মধ্যে ১২ জনই কেরালা রাজ্যের বাসিন্দা। যদিও এর মাঝে মন্ত্রক স্বস্তির খবর জানিয়েছে, ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে সক্রিয় কেস কমেছে ১.৫২ শতাংশ হারে। মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে প্রায় ২১৯.৫৬ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। 
    এদিকে শীতের মতো মরশুমে এমনিতেই ফ্লুয়ের সম্ভাবনা বেশী থাকে। এমন সময় করোনার প্রকোপ বাড়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে আগেভাগেই সতর্ক করেছে হু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation) করোনার এই প্রকোপ থেকে বাঁচতে ভারতীয়দের বুস্টার ডোজ নেবার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। ভারতে এর আগে বয়স্ক ব্যক্তিরা এই রোগে বেশী সংক্রমিত হওয়ায় তাদের দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    [tw]


    [/tw] 

    বর্তমানে চিনেও নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাব ঘটেছে।চিনের মঙ্গোলিয়ায় করোনা ভাইরাসের নতুন একটি প্রজাতির খোঁজ মিলেছে। চিকিৎসকদের মতে, ওমিক্রনের বিএ.৫.১.৭ (Omicron BA 5.1.7) এবং বিএফ.৭ প্রজাতির ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় অনেক গুণ বেশি। তাই করোনা টিকা নেওয়ার পর বা এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর শরীরে যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে, তা নতুন এই প্রজাতিটিকে ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    [tw]


    [/tw] 

    এদিকে উৎসবের মরশুমে লাগামছাড়া মনোভাবের কারণে ভারতে পুনরায় করোনার ঢেউ আসতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক মহল। বিএফ.৭ প্রজাতির ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গুজরাটে মারা গিয়েছেন এক ব্যক্তি।
    এমত অবস্থায় সরকারের কাছে পুনরায় জনসচেতনতা মূলক কর্মসূচি আয়োজন করার অনুরোধ জানিয়েছেন চিকিৎসক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • China Covid: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    China Covid: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid 19) সম্পর্কে তথ্য গোপনের অভিযোগে সরব হয়েছেন চিনের (China) বাসিন্দাদের একাংশ। প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক মানুষ মারণ ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রাণ হারালেও, প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেই তাঁদের অভিযোগ। এবার প্রায় একই অভিযোগ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO)। তাদের অভিযোগ, গোটা অতিমারি পরিস্থিতিতে তথ্য গোপন করেছে চিন (China Covid)। সম্প্রতি করোনায় যেসব সংক্রমিতের মৃত্যু হচ্ছে, তারও সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না বেজিং।

    যথা পূর্বং…

    বিশ্বের মধ্যে প্রথম চিনের উহান শহরেই ছোবল মারে করোনা। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে তামাম বিশ্বে। মারণ এই ভাইরাসের ছোবলে গত তিন বছরে বিশ্বে প্রাণ হারিয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এর পর গোটা বিশ্বে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলেও, চিন রয়ে গিয়েছে যথা পূর্বং, তথা পরং। সম্প্রতি বিশ্বের নানা দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। তবে সব চেয়ে বেশি করোনা সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে চিনে। করোনা সংক্রমণে সে দেশে ফি দিন মৃত্যুও হচ্ছে বহু মানুষের। চিনের হাসপাতালগুলিতে করোনা সংক্রমিতের লম্বা লাইন। অন্তেষ্টিক্রিয়াস্থলে লাশের স্তূপ। হাসপাতালের চিকিৎসকরাও জানাচ্ছেন, প্রতিদিনই সংক্রমিত ও মৃতের হার বাড়ছে। তার পরেও চিন সরকার জানাচ্ছে, করোনায় (China Covid) মৃত্যুর হার খুবই কম। এর জেরেই চিনের বাসিন্দাদের একাংশ সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও

    এবার একই অভিযোগ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তাদের অভিযোগ, চিন করোনায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানাচ্ছে না। করোনার মৃত্যুর যে সংজ্ঞা তারা নিরূপণ করেছে, তাও ঠিক নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস আধানম ছেব্রেসাস বলেন, আমরা চিনকে নিরন্তর বলেই চলেছি করোনা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে। প্রতিদিন হাসপাতালে কত করোনা (China Covid) সংক্রমিত রোগী ভর্তি হচ্ছেন, মারাই বা যাচ্ছেন কতজন, সে সংক্রান্ত তথ্য দিতে। সংক্রমণ কত দ্রুত ছড়াচ্ছে, সে তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, চিনের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য নিয়ে হু চিন্তিত। বেজিংকে বারংবার বোঝানো হচ্ছে টিকাকরণের গুরুত্ব কতখানি। এর মধ্যে রয়েছে বুস্টার ডোজও। হু-র কর্তাদের মতে, চিন প্রকৃত তথ্য দিলে বিশ্বের অন্যান্য দেশ আগাম প্রস্তুত হওয়ার সময় পাবে। কিন্তু চিন প্রকৃত দিচ্ছে না বলেই অভিযোগ।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • World Health Organization: করোনা সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য দিন, চিনকে বলল হু-র প্রতিনিধি দল

    World Health Organization: করোনা সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য দিন, চিনকে বলল হু-র প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনায় (Covid 19) মৃত্যু নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে চিন (China) সরকারের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন কত সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, তাও জানানো হচ্ছে না বেজিংয়ের তরফে। এমতাবস্থায় চিনের কাছে কোভিডের প্রকৃত তথ্য চাইল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization), সংক্ষেপে হু (WHO)। শুক্রবার শি জিনপিংয়ের সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন হু-র প্রতিনিধিরা। জানতে চান চিনের বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি সম্পর্কে। হু-র প্রতিনিধিরা চিনকে তথ্য প্রকাশের অনুরোধ করেছে। যাতে সেই তথ্য জেনে কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে পারে বিশ্বের অন্যান্য দেশ।

    হু-র প্রতিনিধি দল…

    এদিন চিনা আধিকারিকদের সঙ্গে হু-র প্রতিনিধি দলের বৈঠকে উঠে আসে নানা বিষয়। ওই প্রতিনিধি দল চিনা আধিকারিকদের কাছে জানতে চান জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ডেটা সম্পর্কে, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কত, আইসিইউতেই বা রয়েছেন কতজন, দৈনিক মৃত্যুর হার কত, কত মানুষের টিকাকরণ হয়েছে, বিশেষত ষাটোর্ধ্বদের। এদিন হু-র প্রতিনিধি দলের তরফে টিকাকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়। যাঁদের ঝুঁকি বেশি, তাঁদের দ্রুত বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চায়, কিন্তু…’, চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    চিনে ফের হানা দিয়েছে কোভিড। মারণ ভাইরাসের থাবায় প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। অন্ত্যেষ্টিস্থলগুলিতে লাশের পাহাড়। হাসপাতালে হাসপাতালে করোনা সংক্রমিতের দীর্ঘ লাইন। অভিযোগ, মৃত কিংবা সংক্রমিতের কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসতে দিচ্ছে না চিন সরকার। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে, তাতে মৃত কিংবা সংক্রমিতের সংখ্যা দেখানো হচ্ছে অনেক কম করে।

    চিনের তরফে হু-র (World Health Organization) আধিকারিকদের জানানো হয়েছে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা কীভাবে পদক্ষেপ করছে, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে চিনের পরিকল্পনা কী। কোভিড রুখতে চিকাকরণ, স্বাস্থ্যবিধি এবং ভাইরাসের প্রজাতি নিয়ে গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছে বেজিং।

    চিনে কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে ইতিমধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়া সহ অনেক দেশই চিন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নানা বিধিনিষেধ জারি করেছে। চিন থেকে আসা যাত্রীদের অবাধ যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো একাধিক দেশও। এদিকে, চিনে করোনায় সংক্রমিত হয়ে দৈনিক ৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাচ্ছেন বলে দাবি করেছে ব্রিটেনের হেল্থ অ্যানালিটিকস সংস্থা এয়ারফিনিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India Covid Deaths: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    India Covid Deaths: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) করোনা অতিমারীতে (Corona pandemic) প্রায় ৪৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু (covid deaths) হয়েছে। এমনটাই অনুমান করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ধারণা, অনেক দেশই করোনায় (Covid-19) মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করেনি। বিশ্বে মাত্র ৫৪ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর রিপোর্ট এসেছে। কিন্তু আদতে সেই সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি বলে আশঙ্কা করছে ‘হু’।    

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সরকারি হিসেবের চেয়ে মৃত্যুর সঠিক সংখ্যা ১০ গুণ বেশি। করোনায় মৃত্যুর তালিকায় বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। সম্প্রতি রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (Registrar General of India) তাদের রিপোর্টে করোনায় ৫ লক্ষ দেশবাসীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আর সেই রিপোর্টেরই বিরোধীতা করছে হু- এর দেওয়া সংখ্যাতত্ত্ব।    

    সরাসরি কোভিডের কারণে মৃত্যু না হলেও, এর প্রভাবে হাসপাতালে যেতে না পেরে যেসব মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেসব মৃত্যুও এই গণনায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অতিরিক্ত ৯৫ লক্ষ মৃত্যুর মধ্যে ৫৪ লক্ষের বেশি মৃত্যু হয়েছে সরাসরি ভাইরাসের প্রভাবেই। 
     
    দেশে করোনভাইরাস-সম্পর্কিত মৃত্যুর বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তীব্র বিরোধিতা করেছে ভারত। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে ভারতে ১ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ এর মধ্যে ৪৭ লক্ষ অতিরিক্ত মৃত্যু কোভিডের কারণে হয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার সেই পরিসংখ্যানকে স্বীকৃতি দেয়নি!  
      
    কেন্দ্রের (Central Government) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এই কোভিড মৃত্যুর সংখ্যা নির্ধারণে যে মডেলিং অনুশীলন প্রক্রিয়া (World Health Organisation on excess mortality estimates) ব্যবহার করা হয়েছে তার পদ্ধতি এবং ফলাফলের প্রতি ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও এই তথ্য প্রকাশ করেছে হু৷ এমনকি পুরো প্রক্রিয়াতে ভারতের তরফে তোলা প্রশ্নের সমাধান না করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অতিরিক্ত মৃত্যুর অনুমান প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare)। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রার জেনারেলের (Registrar General of India) সহযোগিতায় সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম-এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আগেই জানানো হয়েছিল।

    কেন্দ্র সরকার, হু-কে স্পষ্ট জানিয়েছে ভারতে (India) জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য অত্যন্ত পরিকল্পিত এবং বিধিবদ্ধভাবে সংগ্রহ করা হয়। তাই সেই ব্যবস্থায় ভুলের সুযোগ কম। ভারত সরকারের মতে, ৩ মে পর্যন্ত ভারতে কোভিড-১৯- এ মৃত্যুর সংখ্যা ৫২২৭৬৭। 

  • Monkeypox: মাঙ্কিপক্সই কী ডেকে আনবে পরবর্তী মহামারী? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    Monkeypox: মাঙ্কিপক্সই কী ডেকে আনবে পরবর্তী মহামারী? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঙ্কিপক্সের (Monkeypox) বিষয়ে ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করেছেন সারা বিশ্বের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। মধ্য এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা এই রোগ বেশ দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে ইউরোপের দেশগুলিতে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯২ জনের এই রোগ ধরা পড়েছে। আরও ২৮ জন আক্রান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ব্রিটেন, ইতালি, পর্তুগাল, স্পেন এবং সুইডেনে মাঙ্কিপক্স সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। ফ্রান্স, ইতালি, সুইডেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় নতুন কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাঙ্কিপক্স সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে এইসব অঞ্চলে ভ্রমণে আসার কারণেই বাইরের দেশে ছড়িয়েছে এই রোগ। সব দেশগুলিতে নজর চালচ্ছে সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘ। যে দেশগুলি এখনও আক্রান্ত নয়, সে দেশগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঙ্কিপক্স একটি বিরল ভাইরাল সংক্রমণ। রোগটি সাধারণত খুব সংক্রামক নয় এবং মানুষ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেরে ওঠেন। এই রোগে মৃত্যুর হার এক শতাংশের চেয়েও কম। রোগটি করোনার মতো সংক্রামক নয়। আমেরিকায় এই রোগের প্রথম কেস ৭ মে ধরা পড়ে। রোগী সম্প্রতি নাইজেরিয়া ভ্রমণে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে তিনি ভাইরাসে আক্রান্ত হন।   

    ছড়াচ্ছে নয়া ভাইরাস! সতর্কতা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, জরুরি বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    ত্বকের সংস্পর্শে এলেই মূলত ছড়ায় এই রোগ। রোগের উপস্বর্গগুলি হল, র‍্যাশ, জ্বর এবং ব্যথা। এটা অনেকটাই ছোট পক্সের মতো, কিন্তু ছোট পক্সের থেকে অনেকটাই কম ভয়ঙ্কর। রোগটি করোনার মতো শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে না বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।  

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক আধিকারিক জানান, “যৌন সংসর্গে এই রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কোনও ব্যক্তি যদি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হন এবং তিনি যদি যৌন কার্যকলাপে লিপ্ত হন, সেক্ষেত্রে অপর সুস্থ ব্যক্তির দেহে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে৷ তিনিও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন।”   
     
    স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দুশ্চিন্তার বিষয়টি হ’ল ভাইরাসটি কমিউনিটির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং সম্ভবত সংক্রমণের একটি নতুন মাধ্যমও তৈরি হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আশঙ্কা, কোনও উৎসবে বা অনুষ্ঠানে বেশি লোক একত্রিত হলে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস। 

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই রোগের মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।  টিকা এবং ওষুধের ব্যবহারে এই ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চিকেন পক্সের টিকা এবং ওষুধ দুই-ই এই ভাইরাসের ওপর কার্যকরী বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। যাদের শরীরে কোনও রকম দানা বা র‍্যাশ রয়েছে তাদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চললেই এই রোগ থেকে বাঁচা সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা।  

     

LinkedIn
Share