Tag: World Health Organization

World Health Organization

  • China Covid: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    China Covid: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid 19) সম্পর্কে তথ্য গোপনের অভিযোগে সরব হয়েছেন চিনের (China) বাসিন্দাদের একাংশ। প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক মানুষ মারণ ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রাণ হারালেও, প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেই তাঁদের অভিযোগ। এবার প্রায় একই অভিযোগ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO)। তাদের অভিযোগ, গোটা অতিমারি পরিস্থিতিতে তথ্য গোপন করেছে চিন (China Covid)। সম্প্রতি করোনায় যেসব সংক্রমিতের মৃত্যু হচ্ছে, তারও সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না বেজিং।

    যথা পূর্বং…

    বিশ্বের মধ্যে প্রথম চিনের উহান শহরেই ছোবল মারে করোনা। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে তামাম বিশ্বে। মারণ এই ভাইরাসের ছোবলে গত তিন বছরে বিশ্বে প্রাণ হারিয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এর পর গোটা বিশ্বে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলেও, চিন রয়ে গিয়েছে যথা পূর্বং, তথা পরং। সম্প্রতি বিশ্বের নানা দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। তবে সব চেয়ে বেশি করোনা সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে চিনে। করোনা সংক্রমণে সে দেশে ফি দিন মৃত্যুও হচ্ছে বহু মানুষের। চিনের হাসপাতালগুলিতে করোনা সংক্রমিতের লম্বা লাইন। অন্তেষ্টিক্রিয়াস্থলে লাশের স্তূপ। হাসপাতালের চিকিৎসকরাও জানাচ্ছেন, প্রতিদিনই সংক্রমিত ও মৃতের হার বাড়ছে। তার পরেও চিন সরকার জানাচ্ছে, করোনায় (China Covid) মৃত্যুর হার খুবই কম। এর জেরেই চিনের বাসিন্দাদের একাংশ সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও

    এবার একই অভিযোগ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তাদের অভিযোগ, চিন করোনায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানাচ্ছে না। করোনার মৃত্যুর যে সংজ্ঞা তারা নিরূপণ করেছে, তাও ঠিক নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস আধানম ছেব্রেসাস বলেন, আমরা চিনকে নিরন্তর বলেই চলেছি করোনা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে। প্রতিদিন হাসপাতালে কত করোনা (China Covid) সংক্রমিত রোগী ভর্তি হচ্ছেন, মারাই বা যাচ্ছেন কতজন, সে সংক্রান্ত তথ্য দিতে। সংক্রমণ কত দ্রুত ছড়াচ্ছে, সে তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, চিনের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য নিয়ে হু চিন্তিত। বেজিংকে বারংবার বোঝানো হচ্ছে টিকাকরণের গুরুত্ব কতখানি। এর মধ্যে রয়েছে বুস্টার ডোজও। হু-র কর্তাদের মতে, চিন প্রকৃত তথ্য দিলে বিশ্বের অন্যান্য দেশ আগাম প্রস্তুত হওয়ার সময় পাবে। কিন্তু চিন প্রকৃত দিচ্ছে না বলেই অভিযোগ।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • World Health Organization: করোনা সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য দিন, চিনকে বলল হু-র প্রতিনিধি দল

    World Health Organization: করোনা সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য দিন, চিনকে বলল হু-র প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনায় (Covid 19) মৃত্যু নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে চিন (China) সরকারের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন কত সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, তাও জানানো হচ্ছে না বেজিংয়ের তরফে। এমতাবস্থায় চিনের কাছে কোভিডের প্রকৃত তথ্য চাইল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization), সংক্ষেপে হু (WHO)। শুক্রবার শি জিনপিংয়ের সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন হু-র প্রতিনিধিরা। জানতে চান চিনের বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি সম্পর্কে। হু-র প্রতিনিধিরা চিনকে তথ্য প্রকাশের অনুরোধ করেছে। যাতে সেই তথ্য জেনে কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে পারে বিশ্বের অন্যান্য দেশ।

    হু-র প্রতিনিধি দল…

    এদিন চিনা আধিকারিকদের সঙ্গে হু-র প্রতিনিধি দলের বৈঠকে উঠে আসে নানা বিষয়। ওই প্রতিনিধি দল চিনা আধিকারিকদের কাছে জানতে চান জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ডেটা সম্পর্কে, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কত, আইসিইউতেই বা রয়েছেন কতজন, দৈনিক মৃত্যুর হার কত, কত মানুষের টিকাকরণ হয়েছে, বিশেষত ষাটোর্ধ্বদের। এদিন হু-র প্রতিনিধি দলের তরফে টিকাকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়। যাঁদের ঝুঁকি বেশি, তাঁদের দ্রুত বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চায়, কিন্তু…’, চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    চিনে ফের হানা দিয়েছে কোভিড। মারণ ভাইরাসের থাবায় প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। অন্ত্যেষ্টিস্থলগুলিতে লাশের পাহাড়। হাসপাতালে হাসপাতালে করোনা সংক্রমিতের দীর্ঘ লাইন। অভিযোগ, মৃত কিংবা সংক্রমিতের কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসতে দিচ্ছে না চিন সরকার। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে, তাতে মৃত কিংবা সংক্রমিতের সংখ্যা দেখানো হচ্ছে অনেক কম করে।

    চিনের তরফে হু-র (World Health Organization) আধিকারিকদের জানানো হয়েছে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা কীভাবে পদক্ষেপ করছে, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে চিনের পরিকল্পনা কী। কোভিড রুখতে চিকাকরণ, স্বাস্থ্যবিধি এবং ভাইরাসের প্রজাতি নিয়ে গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছে বেজিং।

    চিনে কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে ইতিমধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়া সহ অনেক দেশই চিন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নানা বিধিনিষেধ জারি করেছে। চিন থেকে আসা যাত্রীদের অবাধ যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো একাধিক দেশও। এদিকে, চিনে করোনায় সংক্রমিত হয়ে দৈনিক ৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাচ্ছেন বলে দাবি করেছে ব্রিটেনের হেল্থ অ্যানালিটিকস সংস্থা এয়ারফিনিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India Covid Deaths: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    India Covid Deaths: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) করোনা অতিমারীতে (Corona pandemic) প্রায় ৪৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু (covid deaths) হয়েছে। এমনটাই অনুমান করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ধারণা, অনেক দেশই করোনায় (Covid-19) মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করেনি। বিশ্বে মাত্র ৫৪ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর রিপোর্ট এসেছে। কিন্তু আদতে সেই সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি বলে আশঙ্কা করছে ‘হু’।    

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সরকারি হিসেবের চেয়ে মৃত্যুর সঠিক সংখ্যা ১০ গুণ বেশি। করোনায় মৃত্যুর তালিকায় বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। সম্প্রতি রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (Registrar General of India) তাদের রিপোর্টে করোনায় ৫ লক্ষ দেশবাসীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আর সেই রিপোর্টেরই বিরোধীতা করছে হু- এর দেওয়া সংখ্যাতত্ত্ব।    

    সরাসরি কোভিডের কারণে মৃত্যু না হলেও, এর প্রভাবে হাসপাতালে যেতে না পেরে যেসব মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেসব মৃত্যুও এই গণনায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অতিরিক্ত ৯৫ লক্ষ মৃত্যুর মধ্যে ৫৪ লক্ষের বেশি মৃত্যু হয়েছে সরাসরি ভাইরাসের প্রভাবেই। 
     
    দেশে করোনভাইরাস-সম্পর্কিত মৃত্যুর বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তীব্র বিরোধিতা করেছে ভারত। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে ভারতে ১ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ এর মধ্যে ৪৭ লক্ষ অতিরিক্ত মৃত্যু কোভিডের কারণে হয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার সেই পরিসংখ্যানকে স্বীকৃতি দেয়নি!  
      
    কেন্দ্রের (Central Government) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এই কোভিড মৃত্যুর সংখ্যা নির্ধারণে যে মডেলিং অনুশীলন প্রক্রিয়া (World Health Organisation on excess mortality estimates) ব্যবহার করা হয়েছে তার পদ্ধতি এবং ফলাফলের প্রতি ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও এই তথ্য প্রকাশ করেছে হু৷ এমনকি পুরো প্রক্রিয়াতে ভারতের তরফে তোলা প্রশ্নের সমাধান না করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অতিরিক্ত মৃত্যুর অনুমান প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare)। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রার জেনারেলের (Registrar General of India) সহযোগিতায় সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম-এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আগেই জানানো হয়েছিল।

    কেন্দ্র সরকার, হু-কে স্পষ্ট জানিয়েছে ভারতে (India) জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য অত্যন্ত পরিকল্পিত এবং বিধিবদ্ধভাবে সংগ্রহ করা হয়। তাই সেই ব্যবস্থায় ভুলের সুযোগ কম। ভারত সরকারের মতে, ৩ মে পর্যন্ত ভারতে কোভিড-১৯- এ মৃত্যুর সংখ্যা ৫২২৭৬৭। 

  • Monkeypox: মাঙ্কিপক্সই কী ডেকে আনবে পরবর্তী মহামারী? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    Monkeypox: মাঙ্কিপক্সই কী ডেকে আনবে পরবর্তী মহামারী? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঙ্কিপক্সের (Monkeypox) বিষয়ে ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করেছেন সারা বিশ্বের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। মধ্য এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা এই রোগ বেশ দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে ইউরোপের দেশগুলিতে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯২ জনের এই রোগ ধরা পড়েছে। আরও ২৮ জন আক্রান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ব্রিটেন, ইতালি, পর্তুগাল, স্পেন এবং সুইডেনে মাঙ্কিপক্স সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। ফ্রান্স, ইতালি, সুইডেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় নতুন কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাঙ্কিপক্স সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে এইসব অঞ্চলে ভ্রমণে আসার কারণেই বাইরের দেশে ছড়িয়েছে এই রোগ। সব দেশগুলিতে নজর চালচ্ছে সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘ। যে দেশগুলি এখনও আক্রান্ত নয়, সে দেশগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঙ্কিপক্স একটি বিরল ভাইরাল সংক্রমণ। রোগটি সাধারণত খুব সংক্রামক নয় এবং মানুষ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেরে ওঠেন। এই রোগে মৃত্যুর হার এক শতাংশের চেয়েও কম। রোগটি করোনার মতো সংক্রামক নয়। আমেরিকায় এই রোগের প্রথম কেস ৭ মে ধরা পড়ে। রোগী সম্প্রতি নাইজেরিয়া ভ্রমণে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে তিনি ভাইরাসে আক্রান্ত হন।   

    ছড়াচ্ছে নয়া ভাইরাস! সতর্কতা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, জরুরি বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    ত্বকের সংস্পর্শে এলেই মূলত ছড়ায় এই রোগ। রোগের উপস্বর্গগুলি হল, র‍্যাশ, জ্বর এবং ব্যথা। এটা অনেকটাই ছোট পক্সের মতো, কিন্তু ছোট পক্সের থেকে অনেকটাই কম ভয়ঙ্কর। রোগটি করোনার মতো শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে না বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।  

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক আধিকারিক জানান, “যৌন সংসর্গে এই রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কোনও ব্যক্তি যদি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হন এবং তিনি যদি যৌন কার্যকলাপে লিপ্ত হন, সেক্ষেত্রে অপর সুস্থ ব্যক্তির দেহে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে৷ তিনিও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন।”   
     
    স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দুশ্চিন্তার বিষয়টি হ’ল ভাইরাসটি কমিউনিটির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং সম্ভবত সংক্রমণের একটি নতুন মাধ্যমও তৈরি হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আশঙ্কা, কোনও উৎসবে বা অনুষ্ঠানে বেশি লোক একত্রিত হলে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস। 

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই রোগের মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।  টিকা এবং ওষুধের ব্যবহারে এই ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চিকেন পক্সের টিকা এবং ওষুধ দুই-ই এই ভাইরাসের ওপর কার্যকরী বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। যাদের শরীরে কোনও রকম দানা বা র‍্যাশ রয়েছে তাদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চললেই এই রোগ থেকে বাঁচা সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা।  

     

LinkedIn
Share