Tag: Wushu

Wushu

  • Asian Games: এশিয়ান গেমসে দ্বিতীয় দিনেও ভারতের দাপট, শুটিংয়ে জোড়া পদক-সহ ঝুলিতে একাধিক সাফল্য

    Asian Games: এশিয়ান গেমসে দ্বিতীয় দিনেও ভারতের দাপট, শুটিংয়ে জোড়া পদক-সহ ঝুলিতে একাধিক সাফল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানে চলতি ২০২৬ এশিয়ান গেমসে (Asian Games) দ্বিতীয় দিনেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখাল ভারত। শুটিংয়ে এল তিনটি পদক। মিক্সড মার্শাল আর্টস থেকেও মিলল আরও একটি ব্রোঞ্জ। মহিলা হকি, কবাডি, টেবিল টেনিস-সহ একাধিক খেলায়ও জয় পেল ভারতীয় দল (India)।

    দিনের সবচেয়ে বড় সাফল্য এল পুরুষদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে। ব্যক্তিগত ফাইনালে জোড়া পদক জিতল ভারত। হিমাংশু ধিলোঁ রুপোর পদক দখল করেন, আর রুদ্রাংশ পাটিল জেতেন ব্রোঞ্জ। এর আগে ধিলোঁ ও পাটিল পার্থ মানের সঙ্গে মিলে পুরুষদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল দলগত বিভাগেও রুপোর পদক জিতেছিলেন।

    মার্শাল আর্টস বিভাগেও মেডেল (Asian Games)

    মহিলাদের ঐতিহ্যবাহী ৬০ কেজি মিক্সড মার্শাল আর্টস বিভাগেও ব্রোঞ্জ এল ভারতের ঘরে। সেমিফাইনালে সিঙ্গাপুরের হুই হুন তেও-র কাছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে হারেন সুচিকা তারিয়াল। ম্যাচের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দল আবেদন জানালেও সেই সিদ্ধান্ত বদলায়নি। ফলে ব্রোঞ্জ পদক নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় সুচিকাকে।

    হকিতে অবশ্য ভারতের জয়ের ধারা অব্যাহত। পুল বি-তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইন্দোনেশিয়াকে ১৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতের মহিলা দল। প্রতিযোগিতায় এটি ভারতের টানা দ্বিতীয় জয়। শুরু থেকেই দুরন্ত পারফরম্যান্স করে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত।

    কবাডিতেও জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল ভারতের পুরুষ দল। গ্রুপ এ-র ম্যাচে জাপানকে ৪৯-২৪ পয়েন্টে হারায় ভারত। ম্যাচের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে নেয় ভারতীয় দল।

    মহিলাদের টেবিল টেনিসেও সাফল্য এসেছে। পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ এফ-এর শীর্ষে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ভারত। ব্যাডমিন্টনে পুরুষদের শেষ ষোলো পর্বে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শুরুতেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত।

    জয় সাঁতারেও

    সাঁতারে পুরুষদের ৫০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন শ্রীহরি নটরাজ। ঋষভ দাস রিজার্ভ হিসেবে শেষ করেন। অন্যদিকে, পুরুষদের ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলের ফাইনালে উঠতে পারেননি আকাশ মণি ও গীতেশ শাহ। ১০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকের ফাইনালেও জায়গা হয়নি ধনুষ সুরেশের (Asian Games)।

    সফট টেনিসের মিক্সড ডাবলসে গ্রুপ বি-র ম্যাচে কম্বোডিয়ার ভিভা চাও ও চানরোসেকা খুনকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়ে শুরু করেছিলেন আধ্যা তিওয়ারি ও জয় মীনা। তবে পরের ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কিম ইয়ন-হোয়া ও জ্যাকিউ পার্কের কাছে ১-৫ ব্যবধানে হারেন তাঁরা। সেপাকটাকরোতেও জয় পেল জাপান। গ্রুপ বি-র ম্যাচে ভারতকে ২-১ ব্যবধানে হারায় আয়োজক দেশ।

    উশুতে মহিলাদের চাংছুয়ান ফাইনালে ১৫তম স্থানে শেষ করেন নিয়েমান ওয়াংসু। সব মিলিয়ে এশিয়ান গেমসের দ্বিতীয় দিনটি (India) একাধিক খেলায় সাফল্যে ভরা ছিল ভারতের। শুটিংয়ে পদক জয়ের পাশাপাশি দলগত খেলাগুলিতেও একের পর এক জয় আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে (Asian Games) ভারতীয় শিবিরে।

     

  • Asian Games: চিনের অসহযোগিতা, অনুশীলনের সঙ্গী পাননি! রুপো জিতে চোখের জলে ভাসলেন রোশিবিনা

    Asian Games: চিনের অসহযোগিতা, অনুশীলনের সঙ্গী পাননি! রুপো জিতে চোখের জলে ভাসলেন রোশিবিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচলের বাসিন্দা, তাই ভারতের তিন অ্যাথলিটকে ভিসা দেয়নি চিন। তাঁদের সঙ্গেই উশুর অনুশীলন করতেন এশিয়ান গেমসে রুপো জয়ী রোশিবিনা। খেলা শেষে সেই তিন বন্ধু ও পরিবারকে পদক উৎসর্গ করলেন মণিপুরের মেয়ে। ৬০ কেজির ফাইনালে উঠে আগেই ইতিহাস তৈরি করেছিলেন রোশিবিনা। আজ পর্যন্ত উশুতে এর আগে একজনই ফাইনালে উঠেছেন। ২০১০ গুয়াংঝু গেমসে পদক পেয়েছিলেন ওয়াংখেম সন্ধ্যারানি দেবী। রোশিবিনার লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

    উশু নিয়ে বিতর্ক

    এশিয়ান গেমস শুরুর আগে থেকেই ভারতের উশু নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। অরুণাচল প্রদেশের তিন ক্রীড়াবিদকে ভিসা না দেওয়া নিয়ে ভারত-চিনের কূটনৈতিক লড়াই অনেক দূর গড়িয়েছে। সেই উশুতেই রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন নাওরেম রোশিবিনা দেবী। এশিয়ান গেমসে তিনি এসেছিলেন অনুশীলনের সঙ্গীকে ছাড়াই। অনুশীলনে রোশিবিনার সঙ্গী হলেন ওনিলু তেগা। তাঁরও এশিয়াডে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অরুণাচলের বাসিন্দা হওয়ায় তাঁকে ভিসা দেয়নি চিন। সেই প্রসঙ্গে রোশিবিনা বলেছেন, “যে তিন বন্ধুকে এখানে পেলাম না, তাদের জন্যে এই পদক উৎসর্গ করছি। আমি সব সময় ওনিলুর সঙ্গে থাকি। একসঙ্গে অনুশীলন করি। আমরা খুব ভাল বন্ধু। এ ধরনের বড় প্রতিযোগিতায় পাশে পরিচিত কাউকে পেলে ভাল লাগে।”

     সপ্তাহে একদিন বাড়িতে কথা হয়

    ছোট থেকে জ্যাকি চ্যানের সিনেমা দেখে বড় হয়েছেন রোশিবিনা। চিনের মার্শাল আর্টে প্রথাগত ‘পাম হোল্ড ফিস্ট স্যালুট’ তাঁর খুব প্রিয়। তিনি বলেছেন, “আমার প্রথম থেকেই ওই স্যালুট খুব ভাল লাগে। তাই উশু ছাড়া আর কোনও খেলাকে বেছে নিতাম বলে মনে হয় না।” 

    মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার কাওয়াফাই মায়াই লেইকেই গ্রামে বাড়ি রোশিবিনার। রাজধানী ইম্ফল থেকে গাড়িতে ঘণ্টা খানেকের দূরত্ব। মণিপুরে হিংসার জেরে মে মাস থেকে বাড়ি ফেরেননি রোশিবিনা। এমনকি অনুশীলনে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তার জন্য পরিবারের লোকেদের সঙ্গে তাঁর কথা বলাও নিষেধ ছিল। শুধুমাত্র রবিবার হলে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান রোশিবিনা।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্যভেদ! শ্যুটারদের হাত ধরে এশিয়ান গেমসে ষষ্ঠ সোনা ভারতের

    কষ্টের জীবনে উশুতে সাফল্যই তাঁর পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারে সেটা জানেন তিনি। তাই পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়েই চিনে পা রেখেছিলেন। দেশের জন্য পদক জিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন মণিপুরের ক্রীড়াবিদ। পরিবারের সঙ্গেও কথা হয় রোশিবিনার। খেলা শেষে তিনি বলেন, ‘‘সোনা জিততে পারলাম না বলে খারাপ লাগছে। আরও পরিশ্রম করব। সোনা জিতে তার পর ছাড়ব।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share