Tag: X

  • PM Modi: ‘আরশোলা’ পার্টির বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে পোস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চাইল দিল্লি পুলিশ

    PM Modi: ‘আরশোলা’ পার্টির বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে পোস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চাইল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া (Derogatory Posts) আপত্তিকর ও অবমাননাকর পোস্টের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। সরকারি অভিযোগে বলা হয়েছে, দেশের একটি সাংবিধানিক পদাধিকারীকে উদ্দেশ্য করে “অপমানজনক, বিদ্বেষমূলক এবং মানহানিকর” বিষয়বস্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পরিচয় জানাও (PM Modi)

    এই ঘটনার তদন্তে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সকে সংশ্লিষ্ট পোস্টগুলি আপলোড করা অ্যাকাউন্টগুলির পরিচয় জানাতে এবং দ্রুত ছবি ও ভিডিওগুলি সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি, যেসব এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছে, সেগুলির পুরো নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং ই-মেল আইডি-সহ বিস্তারিত তথ্যও চেয়েছে পুলিশ। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলির লগ-ইন ও লগ-আউট সংক্রান্ত তথ্য, তারিখ ও সময়ের বিবরণ এবং তদন্তে সহায়ক হতে পারে এমন অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়মের ৬৩(৪) ধারার অধীনে একটি শংসাপত্র জমা দিতে এবং ভবিষ্যৎ তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট পোস্ট এবং ভিডিওগুলির সমস্ত তথ্য সংরক্ষণ করতেও এক্স-কে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত সিজেপির বিক্ষোভ এবং চলো সংসদ কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘটিত অশান্তির সময় প্রকাশিত একাধিক ভিডিও ও পোস্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, ওই পোস্টগুলিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উদ্দেশ্য করে অবমাননাকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল।

    সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি

    দিল্লি পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ ও অশান্তির সময় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় একাধিক বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি দল নিয়মিতভাবে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নজরদারি চালাচ্ছে। কোথাও আপত্তিকর বা উসকানিমূলক বিষয়বস্তু নজরে এলেই সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাকে তা সরিয়ে নিতে বলে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে করা একাধিক অশালীন মন্তব্য ও ভিডিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সাইবার শাখা এবং সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি দল বিক্ষোভ সংক্রান্ত সমস্ত অনলাইন কার্যকলাপের ওপর নজর রাখছে (PM Modi), যাতে কোনও উসকানিমূলক বা আইনভঙ্গকারী বিষয়বস্তু দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এর আগে দিল্লি পুলিশের দাবি ছিল, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত ৪০০-রও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলি (Derogatory Posts) সিজেপির বিক্ষোভকে সমর্থন করে ভুয়ো তথ্য, ডিপফেক ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছিল (PM Modi)।

     

  • Journalists Attack: ছাত্র সমাবেশে দুষ্কৃতীদের ভিড়! সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    Journalists Attack: ছাত্র সমাবেশে দুষ্কৃতীদের ভিড়! সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ছাত্র সমাবেশ চলাকালীন হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার (Journalists Attack) ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। গত ২৪ জুলাই হামলা হয় সাংবাদিকদের ওপর (Rally Violence)। শনিবার গ্রেফতারির খবর জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কুণাল আগরওয়াল জানান, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা কেউই ছাত্র নন।

    সাংবাদিক পিটিয়ে গ্রেফতার ১১ (Journalists Attack)

    তিনি বলেন, “হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা কেউই ছাত্র নয়। তারা সকলেই গোলমাল সৃষ্টি করেছিল। ছাত্র সংগঠনের সমাবেশে উপস্থিত থেকে তারা ভাঙচুর ও হিংসাত্মক ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিল।” গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— ইরফান খুরশেদ (৩০), আরশাদ আলি ওরফে সাজিদ (৫০), মহম্মদ মইনুদ্দিন (২৬), মহম্মদ আলমগীর ওরফে রাজু (৪৮), ইমরান আহমেদ ওরফে গোপী (১৯), খালিদ রেজা ওরফে রিঙ্কু (৪৭), জামির আহমেদ ওরফে মিনকু (৪২), মহসিন খান (৩০) এবং দীপক ভৌমিক ওরফে ভিকি (৩৮)। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে জনৈক মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজকে। পুলিশের দাবি, “মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে অন্ডালের কাছে তাদের আটক করা হয়।”

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এর আগে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় নিট আন্দোলনের সময় পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর “নৃশংস হামলা”র তীব্র নিন্দা করেন। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে জখম হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় তিনি জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাঁদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন (Journalists Attack)। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতায় দুষ্কৃতীদের হাতে পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একাধিক আহত সাংবাদিক বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমি হাসপাতালে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেছি এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছি। তাঁদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছি। ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।”

    উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা আন্দোলনের সমর্থনে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। অল ইন্ডিয়া ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের ব্যানারে আয়োজিত এক (Rally Violence) বিক্ষোভে কয়েকজন আন্দোলনকারীকে বোতল ছুড়তেও দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ (Journalists Attack)।

     

  • Amit Shah: শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিত শাহ

    Amit Shah: শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। সেই কারণে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি জানান, বিজেপির কাছে কোনও পদ নয়, দেশ, যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বাগ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে শাহ লেখেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের কাছে দেশ, আমাদের যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীরা যে কোনও পদের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই আদর্শেরই প্রতিফলন।”

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভূয়সী প্রশংসা (Amit Shah)

    তিনি আরও বলেন, “মোদি সরকার দেশের যুবসমাজের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। আমি সম্পূর্ণ নিশ্চিত, এই পদক্ষেপ নিট পরীক্ষায় সফল সমস্ত পড়ুয়ার জন্য পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।” শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাজেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন শাহ। তাঁর কথায়, “জাতীয় শিক্ষানীতির কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী বিদ্যালয়গুলির সম্প্রসারণ, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে ধর্মেন্দ্র প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করেছেন। উন্নত ভারত গড়ার সংকল্প বাস্তবায়নে তাঁর মেয়াদ স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Amit Shah)।”

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তাঁর “মন ভারাক্রান্ত”। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ায় আমার মন ভারাক্রান্ত। জনজীবনে অনেক সময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু দেশ গঠনে তাঁর অবদান বহু প্রজন্ম মনে রাখবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর মাধ্যমে তিনি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছেন, যা প্রাথমিক শিক্ষার ভিত শক্তিশালী করে, বহুমাত্রিক শিক্ষাকে উৎসাহ দেয় এবং বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার উপযোগী দক্ষতায় দেশের যুবসমাজকে গড়ে তোলে। তাঁর লক্ষ্য শুধু শিক্ষা দেওয়া নয়, ভারতীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি করা।”

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে (Dharmendra Pradhan) এবং পরীক্ষায় অনিয়ম নিয়ে চলা আন্দোলনকে যাতে “দেশবিরোধী শক্তি” কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন (Amit Shah)।

     

  • Rath Yatra: রথযাত্রা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Rath Yatra: রথযাত্রা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথযাত্রা উপলক্ষে দেশ-বিদেশের সকল ভক্ত এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    রাষ্ট্রপতি কী বললেন?

    শুভেচ্ছাবার্তায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, “জনবিশ্বাস অনুযায়ী মহাপ্রভু শ্রীজগন্নাথ, চক্ররাজ সুদর্শন, ভগবান বলভদ্র এবং দেবী সুভদ্রা রথে চড়ে ভক্তদের দর্শন দিতে বেরিয়ে আসেন।” তিনি প্রার্থনা করেন, মহাপ্রভু জগন্নাথের আশীর্বাদে দেশ ও দেশের মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি নেমে আসুক।উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন বলেন, “রথযাত্রা বিশ্বাস, ভক্তি, সমতা এবং সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসব ভারতের সমৃদ্ধ সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।”

    প্রধানমন্ত্রী যা বললেন (Rath Yatra)

    রথযাত্রাকে ভারতের চিরন্তন আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “রথযাত্রা ভারতের চিরন্তন আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল প্রকাশ।” তাঁর কথায়, “এই উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ঐতিহ্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভারত এবং বিশ্বের অসংখ্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। এই উৎসব বিনয়, সম্মিলিত অংশগ্রহণ এবং নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শ ধারণ করে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “মহাপ্রভু জগন্নাথ সকলকে সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং সমৃদ্ধির আশীর্বাদ দিন। আমাদের সমস্ত প্রয়াসে তিনি শক্তি দিন এবং সমাজে ঐক্য ও সম্প্রীতির চেতনা আরও দৃঢ় করুন। জয় জগন্নাথ।”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা

    অন্য একটি শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মহাপ্রভু জগন্নাথের পবিত্র রথযাত্রার শুভক্ষণে আমি প্রার্থনা করি, তাঁর আশীর্বাদ যেন সকলের ওপর চিরকাল অটুট থাকে। তাঁর ঐশ্বরিক কৃপা দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনে নতুন শক্তি ও উদ্দীপনা সঞ্চার করুক।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “বিশ্বখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রা বিশ্বাস, আস্থা ও ভক্তির এক অনন্য প্রতীক। একই সঙ্গে এই উৎসব ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।” তিনি সকলের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন। প্রতি বছর রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ ভক্তের সমাগম হয়। শুধু ওড়িশার পুরীতেই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও একই উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে পালিত হয় রথযাত্রা।

     

  • X Twitter Location Feature: কংগ্রেসের বহু অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হচ্ছে পাকিস্তান সহ বিদেশ থেকে! দেখাচ্ছে এক্স-এর লোকেশন ফিচার

    X Twitter Location Feature: কংগ্রেসের বহু অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হচ্ছে পাকিস্তান সহ বিদেশ থেকে! দেখাচ্ছে এক্স-এর লোকেশন ফিচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলন মাস্কের এক্স প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্টের (X Twitter Location Feature) অবস্থান প্রকাশ করার নতুন ফিচার চালু হওয়ায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে ভারতজুড়ে। এর ফলে দেখা গিয়েছে যে অনেক রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় অ্যাকাউন্ট, বিশেষত মোদি-বিরোধী ও কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধী অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হচ্ছে দেশের বাইরে থেকে (Political Controversy)। বিষয়টিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বিজেপি দাবি করেছে যে, বিপুল সংখ্যক কংগ্রেসপন্থী এবং হিন্দু-বিরোধী এক্স অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হচ্ছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে। উদাহরণস্বরূপ, কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরার অ্যাকাউন্টে উল্লেখ রয়েছে সেটি আমেরিকা-ভিত্তিক। মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে এটি আয়ারল্যান্ড-ভিত্তিক। সরকারবিরোধী বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্টকেও ভারতের বাইরের বলে দেখানো হচ্ছে, যার বেশিরভাগেরই লোকেশন হিসেবে দেখানো হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অংশ।

    কংগ্রেসকে বিঁধছে বিজেপি (X Twitter Location Feature)

    এই বিষয়টিই কংগ্রেসকে বেঁধার জন্য হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে বিজেপির। আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর দাবি (X Twitter Location Feature), এই ধরনের কাজ-কারবার একটি বিশ্বব্যাপী যৌথ অপারেশন, যার উদ্দেশ্যই হল ভারতের সামাজিক আলোচনাকে প্রভাবিত করা এবং ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া। এক্সে তিনি লিখেছেন, “অনেক প্রো-কংগ্রেস, অ্যান্টি-হিন্দু এবং বিভাজনমূলক জাতিভিত্তিক হ্যান্ডেল আসলে ভারত থেকে পরিচালিতই হচ্ছে না। অনেকগুলি পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশ থেকে চালানো হচ্ছে। পরিচয় গোপন রাখার জন্য প্রায় সবাই বহুবার তাদের ইউজারনেম বদলেছে।” তিনি বলেন, “এটি কী দেখায়? ভারতের সামাজিক পরিসরকে প্রভাবিত করা, ভ্রান্ত তথ্য ছড়ানো এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে আরও গভীর করার জন্য একটি সর্বাত্মক বৈশ্বিক পরিকল্পনা। ভারতের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র এখন উন্মোচিত হয়েছে (Political Controversy)।”

    “অ্যাবাউট দিস অ্যাকাউন্ট”

    নয়া এই ফিচারটি স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য এক্সের প্রচেষ্টার অংশ। কারণ দীর্ঘদিন ধরে এই প্ল্যাটফর্মটিকে ভুয়ো তথ্য ও বিভ্রান্তির উৎস হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এখন, “অ্যাবাউট দিস অ্যাকাউন্ট” বিভাগে একটি সাধারণ ক্লিকের মাধ্যমেই যে কেউ দেখতে পারবেন, কোন দেশে অ্যাকাউন্টটি অবস্থিত, কতবার ব্যবহারকারীর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে, এবং কোন জায়গা থেকে এক্স অ্যাপটি ডাউনলোড করা হয়েছে। বিজেপি নেতারা জানান, বেশ কিছু উদাহরণ সরকারের এই দাবিকে সমর্থন করে যে বহু এক্স হ্যান্ডেল, যেগুলি আগে সিএএর বিরুদ্ধে আন্দোলন বা এখন প্রত্যাহার করা কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে উসকে দিয়েছিল, সেগুলি বিদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছিল (X Twitter Location Feature)।

    বিজেপি নেত্রীর বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষক তথা বিজেপি নেত্রী প্রীতি গান্ধী বলেন, “একই ধরনের ঘটনা দেখা গিয়েছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) বিরোধী আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন এবং ২০২০ সালে দিল্লি দাঙ্গার সময়, যেখানে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ানো, আন্দোলনে উস্কানি দেওয়া এবং বিকৃত ভিডিও ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছিল।” ট্যুইট-বার্তায় তিনি বলেন, “এখন পরিস্থিতির পচন এত গভীরে গিয়েছে যে কংগ্রেসের অফিসিয়াল হ্যান্ডেলগুলিও বিদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে। যখন দল-অনুমোদিত অ্যাকাউন্টগুলিতেই বিদেশি লগইনের চিহ্ন দেখা যায়, তখন এটি আরও বড় প্রশ্ন তোলে। কংগ্রেসের ডিজিটাল বার্তাগুলি ঠিক কে তৈরি করছে (Political Controversy)?”

    ‘দিয়া শর্মা’-‘যশিতা নাগপাল’ – এরা কারা

    সম্প্রতি আরও একটি বিস্ময়কর ঘটনা সামনে এসেছে। এগুলি হল জনৈক ‘দিয়া শর্মা’ এবং ‘যশিতা নাগপাল’ নামের দুটি অ্যাকাউন্ট। এগুলি পাকিস্তান-ভিত্তিক বলে খবর। এই দুটি অ্যাকাউন্টেই বিজেপি এবং সরকারের সমালোচনামূলক পোস্ট ছিল। মঙ্গলবার দেখা যায় ‘দিয়া শর্মা’র অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড করা হয়েছে। ‘যশিতা নাগপাল’, যে নিজেকে রাজনৈতিক সাংবাদিক বলে দাবি করে, একটি পোস্টে জানায়, তাকে শুধু কংগ্রেসই নয়, অন্যান্য দলও নিয়োগ করেছিল (X Twitter Location Feature)। পোস্টে বলা হয়, “আমাকে শুধু কংগ্রেস নয়, ভারতের অন্য রাজনৈতিক দলও কয়েক মাস আগে তাদের প্রচারের কাজে লাগিয়েছিল। ভাগ্যিস, আমি যেসব অ্যাকাউন্ট বর্তমানে ব্যবহার করছি তাদের লোকেশন ঠিক সময়ে পাল্টে দিয়েছিলাম।”

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্য একটি পোস্টে মালব্য বলেন, “এটি নতুন যুগের কংগ্রেস সমর্থকদের কাজ, যারা এখন জানা যাচ্ছে যে তারা মূলত পাকিস্তান বা বাংলাদেশি উৎসের।” তিনি বলেন, “এই হ্যান্ডেলগুলি হয় আইএসআই-যুক্ত সংগঠন, যারা ভারত-বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে, অথবা সীমান্তের ওপার থেকে আসা ব্যক্তিরা, যারা কংগ্রেস সমর্থনের ছদ্মবেশে নিয়মিতভাবে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ছড়ায়।” তিনি বলেন, “এই সমর্থন আসলে ভারতীয় নয়—এটি বট নেটওয়ার্ক, এজেন্সি এবং সীমান্ত-পারের কার্যক্রমের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এটি প্রকৃত ভোটারদের প্রতিফলিত করে না (Political Controversy)।” কেবল ভারত নয়, আমেরিকায়ও ঝড় তুলেছে এই ইস্যু। এই জাতীয় আরও বহু অ্যাকাউন্ট আফ্রিকা, নাইজেরিয়া, ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে বলেও খবর (X Twitter Location Feature)।

LinkedIn
Share