Tag: Xi Jinping

Xi Jinping

  • India China Relationship: “পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, সংবেদনশীলতাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি”, জিনপিংকে মোদি

    India China Relationship: “পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, সংবেদনশীলতাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি”, জিনপিংকে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পারিস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও সংবেদনশীলতাই দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নয়া দিশা দেখাবে।” চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India China Relationship) শেষে একথাই জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি সপ্তাহেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় প্রহরা দেওয়া নিয়ে চুক্তি হয়েছে ভারত চিনের মধ্যে। তার পরেই রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS Summit) মুখোমুখি হয়েছেন মোদি ও জিনপিং।

    পার্শ্ববৈঠক (India China Relationship)

    বুধবার পড়শি এই দুই রাষ্ট্রনেতার পার্শ্ববৈঠকও হয়েছে। সেই বৈঠকের পরেই এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “কাজানে ব্রিকস সম্মেলনে ফাঁকে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ আমাদের দেশের মানুষের জন্য। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বিশ্বে শান্তি এবং স্থিরতা আনতে দু’দেশের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    জিনপিংয়ের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ভারত-চিন সম্পর্ক কেবল আমাদের জনগণের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও সংবেদনশীলতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পথনির্দেশিকা স্থির করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গত (India China Relationship) চার বছরে আন্তর্জাতিক সীমান্তে যে ইস্যুগুলি নিয়ে মতানৈক্য তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে একমত হতে পেরেছে দু’টি দেশ। এই বিষয়টিকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। সীমান্ত এলাকায় শান্তি, স্থিরতা বজায় রাখাই আমাদের কাছে অগ্রাধিকার।” 

    চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, “চিন ও ভারত উভয়ই প্রাচীন সভ্যতা, প্রধান উন্নয়নশীল দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। দু’দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই আমাদের মধ্যে মতবিরোধের ক্ষেত্রগুলি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুন: “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দ্বৈত মাপকাঠি থাকতে পারে না”, চিনকে খোঁচা মোদির

    প্রসঙ্গত, প্রায় পাঁচ বছর পরে ফের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসলেন মোদি ও জিনপিং। এর আগে একাধিকবার সাক্ষাৎ হয়েছে এই দুই রাষ্ট্রনেতার। উনিশে তামিলনাড়ুর মহাবলিপূরমে দেখা হয়েছিল মোদি-জিনপিংয়ের। ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি২০ সম্মেলনেও মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁরা। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গেও দেখা হয়েছিল এই দুই রাষ্ট্রনেতার। তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হল (BRICS Summit) এই প্রথম।

    এখন দেখার, ভারত-চিন সম্পর্কের (India China Relationship) বরফ গলে কিনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Relations: মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের মধ্যেই বাইডেন-শি জিনপিং বৈঠক, লক্ষ্য সম্পর্কের স্থিতিশীলতা?

    International Relations: মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের মধ্যেই বাইডেন-শি জিনপিং বৈঠক, লক্ষ্য সম্পর্কের স্থিতিশীলতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন এবং চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং মধ্যপ্রাচ্যে সংকট এবং তাইওয়ানের উত্তেজনার মধ্যেই সান ফ্রান্সিসকোতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে (International Relation) স্থিতিশীল করার বিষয় প্রাধান্য পাবে। সেই সঙ্গে ইজারায়েল-হামাস যুদ্ধকে প্রশমিত করার বিষয়ও আলোচানা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    মার্কিন-চিনের সম্পর্কের স্থিতিশীলতা (International Relation)

    ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এটাও অনুমান করা হচ্ছে যে হামাসে বনাম ইজরায়েল যুদ্ধের বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইজরায়েলকে সমর্থন করেছে। আবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে তাইওয়ানের সীমান্ত রেখায় চিনের গতিবিধি প্রবল হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্নায়ু যুদ্ধ ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি করেছে। তাই মার্কিন-চিনের বৈঠক কী বার্তা দেয় সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) শীর্ষ সম্মেলনের আগে এই বছর দুই নেতার সাক্ষাৎ হয়েছিল। এরপর ইন্দনেশিয়ার বালিতে জি-২০ সস্মলনে এই দুই রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। বিগত মাসগুলিতে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন এবং মার্কিন অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বেজিংয়ে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল চিনের সঙ্গে সংবাদের মাধ্যমে দুই দেশের উত্তেজনাকে (International Relation) প্রশমিত করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাইবে চিনের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর যৌথ সম্পর্কের অস্থিরতার দ্বন্দ্ব যেন ক্রমশ কেটে যায়। 

    আর্থিক সম্পর্কের গতি বাড়বে

    বেজিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের স্থিতিশীলতা (International Relation) চায়, কারণ মার্কিন বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসাকে চিনে আকৃষ্ট করতে আগ্রহী। দুই দেশের উত্তেজনা সত্ত্বেও, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭৮৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ২০২২ সাল পর্যন্ত, চিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এফডিআই ছিল ১২৬.১ বিলিয়ন ডলার, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিনা বিনিয়োগ ছিল ২৬.৮৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র চিনকে আশ্বস্ত করেছে যে আমেরিকা তার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করতে চায়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ছিন্ন করতে চায় না।

    মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট কী কাটবে?

    মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কটকে কাটাতে বাইডেন কি চিনের মধ্যস্থতা চাইবেন ইরানকে বোঝাতে? কারণ ইজরায়েল-হামাসের যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পুরোপুরি উল্টো অবস্থানে মত পোষণ করে ইরান। সম্প্রতি চিনের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যিক সম্পর্ক (International Relation) অনেকটাই ভালো বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এই মধ্য প্রাচ্যের সঙ্কটকে মোচন করতে বাইডেন-শি জিনপিং-এর বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহলের একাংশ।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: পুতিনের পর জিনপিং, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট

    G-20: পুতিনের পর জিনপিং, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভ্লাদিমির পুতিনের পর শি-জিনপিং, চলতি মাসের জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের রাষ্ট্রপতি। ইতিমধ্যেই এই খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে ভারত এবং চিন দুই দেশের তরফ থেকেই। প্রসঙ্গত, ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনে (G-20) যোগ দেওয়ার কথা ছিল চিনা প্রেসিডেন্টের। কূটনৈতিক মহলের একটি অংশ মনে করছে, চলতি বছরে চিন যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে সেখানে অরুণাচল প্রদেশ এবং আকসাই চিনকে তাদের দেশের অংশ বলে দেখানো হয়েছিল। এরপরে এই ভারত-চিন সম্পর্কের অবনতি হয়। তখন থেকে শি-জিনপিং এর ভারতে আসা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। আবার অন্য একটি কূটনৈতিক মহলের ধারনা, চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গালওয়ান পরবর্তী সময় থেকেই খারাপ হতে থাকে।

    ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসছে জি-২০ সম্মেলন (G-20)

    প্রসঙ্গত, এবছরের শীর্ষ সম্মেলনে (G-20) সভাপতিত্ব করছে ভারত। ৯-১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে হাজির থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রঁ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, এখানে আসার কথা ছিল ভ্লাদিমির পুতিনেরও এবং কিন্তু জানা যাচ্ছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বদলে সেদেশের বিদেশ মন্ত্রী সার্গেই লাভরভ প্রতিনিধিত্ব (G-20) করবেন। অন্যদিকে চীনের তরফে সম্মেলনে (G-20) যোগ দিতে পারেন চিনা প্রিমিয়ার লি কিউয়াং।

    ব্রিকস সম্মেলনে মোদি জিনপিং বৈঠক

    প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বের তাবড় দেশের নজর থাকে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের। গত বছর বালিতে জি-২০ (G-20) সম্মেলন হয়েছিল। সে সময়ে চিনের প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট মুখোমুখি হয়েছিলেন। তারপর থেকে মনে করা হয়েছিল ভারতেও (G-20) বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্র নেতারা মিলিত হবেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট এলেও আসছেন না রাশিয়া এবং চিনের প্রেসিডেন্ট। অগাস্ট মাসে ব্রিকস সম্মেলনের বৈঠক বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকাতে। সেখানে সদস্য দেশ হিসেবে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও চিন। সূত্রের খবর, সেখানে চিনা প্রেসিডেন্টকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন লাদাখে শান্তি ফেরাতে দুই দেশকেই তৎপর(G-20) হতে হবে। শান্তি ফেরাতে চিনের ভূমিকা ঠিক কী হতে পারে সেটাও বুঝিয়ে দেন নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Xi Jinping: তৃতীয়বারের জন্য চিনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন শি জিনপিং

    Xi Jinping: তৃতীয়বারের জন্য চিনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন শি জিনপিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ৫ বছরের জন্য চিনের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হলেন শি জিনপিং (Xi Jinping)। এই নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য তিনি চিনের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হলেন।

    গত বছরের অক্টোবর মাসেই আভাস পাওয়া যায়  

    জানা গেছে, চিনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে জিনপিংয়ের (Xi Jinping) পক্ষে ভোট পড়েছে ২৯৫২। এই ভোটপর্বের মাধ্যমেই ৬৯ বছর বয়সী শি জিনপিং (Xi Jinping), চিনের প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষিত হলেন তৃতীয়বারের জন্য। এর আগে, গত অক্টোবর মাসে পার্টির নিয়ম ভেঙে নিজেকে তৃতীয়বারের জন্য জেনারেল সেক্রেটারি ঘোষণা করেন শি জিনপিং (Xi Jinping)। কার্যত তখনই আভাস দেন যে তিনি সম্ভবত আগামীতে চিনের একছত্র নেতা হিসাবে উঠে আসতে চলেছেন।

    চিনের সংবিধান সংস্কার করা হয়

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগেই চিনের সংবিধান সংস্কার করে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনের সাপেক্ষে একটি নিয়ম আসে। এর আগে, চিনে একজন ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট পদে ২ বার সর্বোচ্চ বসতে পারতেন। তবে সেই নিয়ম ছেঁটে ফেলা হয়। আর নয়া নিয়মের হাত ধরে ফের একবার চিনের ক্ষমতায় তৃতীয়বারের জন্য ৫ বছরের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ পান শি জিনপিং (Xi Jinping)।

    আরও পড়ুন: ‘সীমান্তে প্ররোচনা সৃষ্টির চেষ্টা করলে যোগ্য জবাব দেবে মোদির ভারত’, দাবি মার্কিন রিপোর্টে

    অপ্রতিদ্বন্দ্বীভাবে এগিয়ে যান শি জিনপিং

    জানা গিয়েছে, শি জিনপিংয়ের (Xi Jinping) বিরুদ্ধে সেভাবে কোনও প্রার্থীর নামের তালিকা নেই। আর এর ফলেই অপ্রতিদ্বন্দ্বীভাবে এগিয়ে যান শি জিনপিং। এর আগে অপ্রতিদ্বন্দ্বীভাবে শি’কে (Xi Jinping) চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির প্রধান হিসাবে বিবেচিত করা হয়। ২ মিলিয়ন সদস্যের চিনের ওই সেনা বাহিনী মূলত দেশের প্রশাসনের থেকেও বেশি পার্টির কথায় চলে, বলে শোনা যায়।

     

    আরও পড়ুন: জার্মানির গির্জায় বন্দুকবাজের হামলা, নিহত ৭, জখম বহু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Omicron China: চিনে নতুন করে মাথাচাড়া দিল ওমিক্রন

    Omicron China: চিনে নতুন করে মাথাচাড়া দিল ওমিক্রন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের শেষ দিক থেকে চিনের উহান ভাইরাস বা করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। তারপরের ইতিহাসটুকু সকলেরই জানা। এই মুহূর্তে ভারত সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে করোনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও চিনে আবার নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে করোনাভাইরাস। এই মুহূর্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিনে ওমিক্রনের (Omicron China) নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট BF-7 এবং BA.5.1.7। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, করোনার এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় সংবাদপত্র জানিয়েছে, এই ভাইরাস প্রথম সনাক্ত হয়েছে চিনের উত্তর পশ্চিমে। রবিবার ওমিক্রনের এই নতুন ভ্যারিয়েন্টে প্রায় ১৮৭৮ জন সংক্রমিত হয়েছে।

    ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার ১৬ অক্টোবর থেকে চিনের ২০তম পার্টি কংগ্রেসের বৈঠক অনুষ্ঠিত করাতে চলছে। চিনে ফের ওমিক্রনের (Omicron China) দাপট বাড়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে  চিন সরকারের কপালে । যদিও সরকারি তরফে কোন বিবৃতি ঘোষণা করেনি। প্রসঙ্গত, এই পার্টি কংগ্রেসেই চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর (Xi jinping) ক্ষমতা আরও খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি আগামী পাঁচ বছরের জন্য চিনের কমিউনিস্ট পার্টির রূপরেখা দেবেন বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।

    বিজ্ঞানীরা করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁদের আশঙ্কা অচিরেই সারা চিনে ছড়িয়ে পড়বে ওমিক্রনের (Omicron China) এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ দিন ধরেই বলে আসছেন, করোনার নতুন একটি রূপ আসা মানেই, সেটির বিরুদ্ধে টিকা কতটা কার্যকর হবে, সেটি মানুষের শরীরে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, সেটির বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা কার্যকর হবে – সব নিয়েই সন্দেহ থাকে।

    শুধু তাই নয়, এই নতুন রূপ ফুসফুস বা শ্বাসনালী সংক্রমণ বাদ দিয়ে আর কোনও ক্ষতি করবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়। সেই কারণেই, যে কোনও একটি নতুন ভ্যারিয়েন্টই বিজ্ঞানীদের কাছে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর তাই বিজ্ঞানীরা আপাতত চিনের এই ওমিক্রন (Omicron China) ভাইরাসের উপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন।

    চিন করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের জন্য সারা দেশে আগেই জিরো টলারেন্স নীতি (Zero Tolerance Policy) গ্রহণ করেছিল। কিছুদিন আগেও করোনার গ্রাফ নেমে আসায় লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল। কিন্তু চিনের ছুটির মরশুম শেষ হবার পরই ওমিক্রনের (Omicron China) হানা সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পুনরায় দেশে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করেছে চিনা কমিউনিস্ট সরকার। চিনের শানহি প্রদেশে কঠোর লকডাউন (Lockdown) ঘোষণা করা হয়েছে। একেবারে জরুরি কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া নিষেধ। স্কুল, কলেজ, অফিস, ব্যবসা সব বন্ধ। মঙ্গোলিয়া প্রদেশের রাজধানী হোহটে বাইরের গাড়ি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। করোনার প্রকোপ কমাতে মঙ্গলবার থেকে শহরে ঢোকাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

    যদিও অর্থনীতিবিদদের মতে, বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চিন। তাদের এই জিরো কোভিড টলারেন্স নীতির ফলে ভবিষ্যতে আর্থিক ভাবে পঙ্গু হয়ে পড়বে চিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • China: আত্মহত্যা না খুন! চিনের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং-এর মৃত্যু নিয়ে প্রশ্নের মুখে প্রেসিডেন্ট জিনপিং

    China: আত্মহত্যা না খুন! চিনের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং-এর মৃত্যু নিয়ে প্রশ্নের মুখে প্রেসিডেন্ট জিনপিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেকেরও বেশি সময় ধরে জনসমক্ষে দেখা যায়নি চিনের (China) প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাংকে (Qin Gang)। ২৫ জুন বেজিংয়ে শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম এবং রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কিন গ্যাং। তারপর থেকেই তাঁকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, চিনের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাংয়ের মৃত্যুসংবাদ। অথচ, তাঁর মৃত্যু হয়েছে মাস পাঁচেক আগে। গত জুলাইয়ের শেষ দিকে বেজিংয়ের হাসপাতালে কিন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। কী ভাবে এই মৃত্যু, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। অনেকেই দাবি করছেন, প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী আত্মঘাতী হয়েছেন। অনেকে আবার মনে করছেন, অত্যাচার করে তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে। আসলে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping ) কী করছেন তা গোপনই থেকে যাচ্ছেয তাঁর স্বৈরাচারী মনোভাব বারবার সামনে এলেও, প্রমাণ আড়াল করা হচ্ছে, মত বিশেষজ্ঞদের।

    কে ছিলেন কিন গ্যাং

    গ্যাং ছিলেন চিনের রাজনীতিতে উদীয়মান নক্ষত্র। সারা জাগিয়ে শুরু করেও কেন এভাবে পতন, তা নিয়ে ইতিমধ্যে বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে ময়নাতদন্ত। চিনের রাজনীতিতে বিতর্কিত এবং বর্ণময় চরিত্র এই কিন গ্যাং। তিনি কমিউনিস্ট পার্টির দাপুটে রাজনীতিবিদ ছিলেন। মাস ছয়েক সামলেছেন বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব। গত জুলাই মাসে কিনকে বিদেশমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারিত করেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। অপসারণের পরেই কিনের মৃত্যু হয়। গত ২৫ জুলাই প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইকে (Wang Yi) ফের মন্ত্রকের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়। সেই সময়ে চিনা প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছিল, অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কিন গ্যাং। যদিও পরে সরকারি নথিপত্র-সহ সমস্ত জায়গা থেকেই সরিয়ে নেওয়া হয় এই কথা। তারপর থেকেই চিনা প্রশাসন থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে কিন গ্যাংয়ের অস্তিত্ব।

    কী করেন কিন

    দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি রিপোর্টে কিনের পরকীয়ার কথা উল্লেখ করেছিল। আমেরিকায় চিনের রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা পালন করেছিলেন কিন। সেই সুবাদে দীর্ঘ দিন আমেরিকায় ছিলেন তিনি। অভিযোগ, তখনই তাঁর সঙ্গে এক মার্কিন তরুণীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। কিনের এই পরকীয়া সম্পর্কের কথা সামনে আসতেই বিপদে পড়েন জিনপিং ঘনিষ্ঠ কিন। মনে করা হয় তিনি তাঁর প্রেমিকার কাছে চিন সরকারের গোপনীয় তথ্য ফাঁস করে দিচ্ছেন। কিনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছিল। জুলাই মাসে কিনকে বিদেশ মন্ত্রক থেকে সরিয়ে দেন জিনপিং। তার পর আর তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপরই তাঁর মৃত্যু হয়। 

     লি খেচিয়াং-এর মৃত্যু

    গত অক্টোবর মাসে মারা যান চিনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লি খেচিয়াং। দশ বছর ধরে চিনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। বর্তমান প্রেসিডেন্ট তথা কমিউনিস্ট পার্টির আজীবন সদস্য শি জিনপিংয়ের সঙ্গে লি খেচিয়াংয়ের সম্পর্কে ফাটল দেখা দিতেই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অবসর নেন খেচিয়াং। এরপর সাংহাইতে আচমকাই সুইমিং পুলে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তাঁর মৃত্যুও রহস্যাবৃত।

    আরও পড়ুন: করাচিতে গুলিতে নিকেশ কাশ্মীর হামলার মাথা, ২৬/১১-এর ষড়যন্ত্রীর শরীরে বিষক্রিয়া

    লি স্যাংফু নিখোঁজ

    লি স্যাংফু হলেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিরোধী লবির সদস্য। চিনের সঙ্গে আফ্রিকার শান্তি ও সুরক্ষা ফোরামের একটি বৈঠক হয়েছিল বেজিংয়ে, সেটা ছিল ২৯ অগাস্ট। তখনই শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে (Chinese Defence Minister)। লি পার্টির স্টেট কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। সম্প্রতি সেখান থেকে তাঁকে অপসারিত করা হয়েছে। তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।

    প্রশ্নের মুখে প্রেসিডেন্ট

    এক এক করে কীভাবে গায়েব হয়ে যাচ্ছেন চিনা মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা? সত্যিই কি তাঁরা নিখোঁজ? নাকি চিনা কমিউনিস্ট শাসনে তাঁদের গোপনে হত্যা করা হচ্ছে? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিনে নিরঙ্কুশ আনুগত্য নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁর আমলেই ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামতে শুরু করেছে অর্থনীতির গ্রাফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও তাইওয়ান ইস্য়ুতে সংঘাতে জড়িয়েছেন তিনি। ওয়াকিবহাল মহল সূত্রে খবর, এহেন পরিস্থিতিতে প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করার নামে দলের মধ্যে থাকা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের এক এক করে নির্মূল করছেন চিনা প্রেসিডেন্ট। লি ও কিন বারবার তাঁর একাধিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন। অনেকেরই অনুমান সেই কারণে দু’জনকে গুম খুন করে থাকতে পারেন জিনপিং।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jinping Biden meet: বৈঠক শেষে ফের জিনপিংকে ‘একনায়ক’ কটাক্ষ বাইডেনের, কেন চুপ চিনা প্রেসিডেন্ট?

    Jinping Biden meet: বৈঠক শেষে ফের জিনপিংকে ‘একনায়ক’ কটাক্ষ বাইডেনের, কেন চুপ চিনা প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক চিনা প্রেসিডেন্টের (Jinping Biden meet)। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হলেও, পরে নিজের অবস্থানে অনড় রইলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৈঠকের আগেও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ‘একনায়ক’ আখ্যা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বুধবার বিশ্বের দুই বৃহৎ শক্তিধর দেশের দুই প্রধানের বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পরেই জিনপিংকে ফের ‘একনায়ক’ আখ্যা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কেন তিনি চিনা প্রেসিডেন্টকে একনায়ক আখ্যা দিলেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বাইডেন। তিনি বলেন, “উনি এমন একটা দেশ চালান, যেটা একটা কমিউনিস্ট দেশ। ওই দেশে প্রশাসনিক পরিকাঠামো আমাদের দেশের তুলনায় একদমই আলাদা।”

    ‘গঠনমূলক আলোচনা’

    আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোয় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলির বৈঠকের মাঝেই বুধবার পার্শ্ব বৈঠকে বসেন বাইডেন ও জিনপিং। বৈঠক শেষে বাইডেন বলেন, “আমি মনে করি যে, আমরা কিছু গঠনমূলক ও কার্যকরী আলোচনা করতে পেরেছি।” চিনা বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বৈঠকের নির্যাস প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “বিবিধ বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে গভীর আলোচনা ও মতের আদানপ্রদান হয়েছে। একটি দেশের সাফল্য অন্য দেশটির সাফল্যের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দেয়।”

    ঐক্যের ছবি!

    দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে এই সিদ্ধান্তও হয়েছে, “যদি কারও উদ্বেগ দেখা দেয়, তাহলে আমাদের উচিত ফোন হাতে তুলে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কথা বলা। এবং আমরা তা করব। এটা একটা বড়সড় অগ্রগতি।” ঘণ্টা চারেকের এই বৈঠকের মধ্যে এক সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া সেরেছেন জিনপিং-বাইডেন। বাগানে ঘোরাঘুরিও করেছেন। আমেরিকার বুকে দুই বৃহৎ শক্তিধর দেশের দুই প্রধানের এহেন কাছাকাছি আসার ছবি দীর্ঘদিন (Jinping Biden meet) দেখেনি বিশ্ব।

    আরও পড়ুুন: গাজায় প্রবীণ হামাস নেতার বাড়িতে হানা ইজরায়েলের, কোথায় গেলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

    এর আগে যখন বাইডেন জিনপিংকে ‘একনায়ক’ বলে অভিহিত করেছিলেন, তখন চিনা আধিকারিকরা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। সেবার তাঁরা বাইডেনের মন্তব্যটিকে অযৌক্তিক ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করেছিলেন। এবার অবশ্য বাইডেনের মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি চিনের তরফে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিড অতিমারির পরবর্তী পরিস্থিতিতে ধাক্কা খেয়েছে চিনা অর্থনীতি। বিশ্ববাজারেও মার খাচ্ছে চিনা পণ্য। এমতাবস্থায় মার্কিন-সঙ্গ লাভে বিশেষ উপকৃত হতে পারে বেজিং। সর্বোপরি, তাইওয়ান নীতিতে বাইডেনকে পাশে পেতে চায় চিন। তাইওয়ানকে চিনের অংশ বলে দাবি করে বেজিং। আর তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে আমেরিকা। সেই কারণেও বাইডেন-সঙ্গ লাভ করতে চাইছে জিনপিং (Jinping Biden meet)।

    চিনা প্রেসিডেন্টের দৌত্য কতটা সফল হয়, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

       

  • BRICS Summit: ব্রিকসের মঞ্চে করমর্দন মোদি-জিনপিংয়ের, ভারতের সাফল্যে খুশি নন চিনা প্রেসিডেন্ট?

    BRICS Summit: ব্রিকসের মঞ্চে করমর্দন মোদি-জিনপিংয়ের, ভারতের সাফল্যে খুশি নন চিনা প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS Summit) মঞ্চ শেয়ার করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। তবে বুধবার ফটোশেসনের সময় দেখা গেল দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসের দু পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দুজন। বুধ-সন্ধ্যায় চাঁদের মাটি ছোঁয় ভারতের চন্দ্রযান-৩।

    মোদি-জিনপিংয়ের করমর্দন

    ভারতই প্রথম দেশ যে পা রেখেছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। সম্ভবত, তার পরেই বদলে গেল ছবিটা। বৃহস্পতিবার করমর্দন করতে দেখা গেল মোদি এবং জিনপিংকে। এএনআইয়ের প্রকাশ করা একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, মোদি ও জিনপিং একে অপরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, হাত মেলাচ্ছেন এবং কথা বলছেন। তবে এই দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ঠিক কী কথা হল, তা জানা যায়নি। গত বছর জি-২০ সম্মেলন হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি ও জিনপিং। সেই সময় করমর্দন (BRICS Summit) করতে দেখা গিয়েছিল তাঁদের।

    ব্রিকসের কলেবর বৃদ্ধির প্রস্তাব

    এদিকে, ব্রিকসের কলেবর বৃদ্ধির পক্ষেও এদিন সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ব্রিকস বর্ধনকে সব সময় সমর্থন করে এসেছে ভারত। আমরা বিশ্বাস করি ব্রিকসের সদস্য সংখ্যা বাড়লে তা আরও শক্ত হবে।” উন্নয়নশীল দেশগুলি যেভাবে ব্রিকসে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তাতে তিনি খুশি বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিন ইজিপ্ট, আর্জেন্টিনা, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব এবং ইউনাইটেড আরব আমিরশাহিকে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    এদিকে, বুধ-সন্ধ্যায় ভারতের চন্দ্রাভিযান সফল হওয়ায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। এই তালিকায় যেমন রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের মতো বৃহত্তর অর্থনীতির দেশ, তেমনি রয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোতায় শেরিং, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো উন্নয়নশীল দেশের নেতারাও। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টও।

    আরও পড়ুুন: “আমরা তো চাঁদেই বাস করছি”! ভারতের ‘চাঁদমারি’তে শ্লেষ পাক নাগরিকের

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পা রেখে ইতিহাস গড়েছে ভারত। এহেন আবহে বিশ্ব নেতারা ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেও, অদ্ভুতভাবে নীরব জিনপিং। এ ব্যাপারে (BRICS Summit) একটি বাক্যও ব্যয় করেননি কমিউনিস্ট শাসিত দেশটির প্রেসিডেন্ট।

    ভারতের চাঁদ জয়ে কি তবে গোঁসা হল কমরেডের!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BRICS Summit: ব্রিকসের মঞ্চেও ঘুচলো না দূরত্ব, মোদি জিনপিং রইলেন দূরে দূরেই

    BRICS Summit: ব্রিকসের মঞ্চেও ঘুচলো না দূরত্ব, মোদি জিনপিং রইলেন দূরে দূরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখোমুখি হলেন বটে, তবে মোদি-জিনপিংয়ের দূরত্ব ঘুঁচল না। বুধবার ব্রিকসের (BRICS Summit) যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতেই ধরা পড়েছে ভারত ও চিনের রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যের এই দূরত্ব। মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার ছিল সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন। এদিন স্যান্ডটন কনভেনশন সেন্টারে যাওয়ার আগে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির নেতারা যোগ দেন ফটোশেসনে। সেখানেই ধরা পড়েছে মোদি ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দূরত্বের ছবি।

    দূরত্বের ছবি

    ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার একদিকে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মোদি, অন্যদিকে রয়েছেন জিনপিং। এই সম্মেলনে (BRICS Summit) রাশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। গ্রুপ ফটোয় ছিলেন তিনিও। ছিলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা ডা সিলভাও। মঙ্গলবার ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার শপথ নিয়েছে ভারত।” ভারত যে অচিরেই বিশ্বে উন্নয়নের চালিকা শক্তি হয়ে উঠবে, এদিন প্রত্যয়ের সঙ্গে সেকথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। প্রসঙ্গত, ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি হল, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

    প্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেম

    এদিকে, বুধবার ফের একবার প্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেমের নমুনা দেখল তামাম বিশ্ব। এদিন ছিল ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন। সম্মেলন শুরুর আগে অন্যান্য রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রীও। প্রত্যেক রাষ্ট্রনেতা মঞ্চের কোথায় দাঁড়াবেন, তা ঠিক করেছিলেন আয়োজকরা।

    সেই মতো মঞ্চের প্লাটফর্মে সাঁটিয়ে রাখা হয়েছিল সংশ্লিষ্ট দেশের পতাকা আঁকা স্টিকার। মঞ্চে নিজের জন্য দাঁড়ানোর জায়গায় ভারতের পতাকা দেখে প্রথমে থমকে দাঁড়ান প্রধানমন্ত্রী। তারপর ঝুঁকে পড়ে স্টিকারটি তুলে নিয়ে রেখে দেন পকেটে।

    আরও পড়ুুন: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর সিইও ছিলেন অভিষেক! বিবৃতি জারি করে জানাল ইডি

    প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট। মোদিকে দেখে তিনিও হাতে তুলে নেন সে দেশের পতাকা আঁকা স্টিকার। ব্রিকস সম্মেলনের মঞ্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এহেন দেশপ্রেমের নিদর্শন হয়েছে ভাইরাল। প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্ববাসী। এদিকে, ব্রিকস সম্মেলনের (BRICS Summit) ফাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দুই রাষ্ট্রনেতাই জোর দিয়েছেন ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার সম্পর্কের উন্নতিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • India-China Conflict: মোদি-জিনপিং বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখে মেজর জেনারেল স্তরের আলোচনা শুরু

    India-China Conflict: মোদি-জিনপিং বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখে মেজর জেনারেল স্তরের আলোচনা শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকায় চিনের (India-China Conflict) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখের সীমান্ত সমস্যা মেটাতে চুসুল-মলডো সীমান্তবর্তী এলাকায় বৈঠকে বসলেন দু’দেশের সেনাকর্তারা। আগামী সপ্তাহে ব্রিকস সম্মেলনের আসরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে দেখা হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে দু-দেশের সীমান্ত বিরোধের একটা মুখরক্ষার সমাধান সূত্র বের হোক চাইছে দুপক্ষই। দুই দেশের পরিকল্পনা, সেনা কর্তাদের বৈঠকে অগ্রগতি হলে তা সামনে রেখে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। 

    দক্ষিণ আফ্রিকা ও গ্রিস সফর মোদির

    পূর্ব লাদাখে অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে মেজর জেনারেল পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দৌলত বেগ ওল্ডি এবং চুসুলে বর্তমান অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে ইন্দো-চিন (India-China Conflict) সেনারা মেজর-জেনারেল পর্যায়ে আলোচনা করছে। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকের আগে এটিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পঞ্চম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি মালামেলা সিরিল রামাফোসার আমন্ত্রণে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ২২ থেকে ২৪ অগাস্ট জোহানেসবার্গে থাকবেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে গ্রিসের বিদেশমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিসের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে গ্রিস যাবেন মোদি।

    আরও পড়ুন: আর্থিকভাবে এগিয়ে চলেছে দেশ, বেড়েছে গড় আয় ও করদাতার সংখ্যা, রিপোর্ট প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    ভারত-চিন আলোচনা

    প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে যে পূর্ব লাদাখে অচলাবস্থা কাটানোর জন্য মেজর জেনারেল পর্যায়ের আলোচনা চলছে। মোদি জিনপিংয়ের (India-China Conflict) মধ্যে আলোচনার আগে এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলোচনায় ভারতীয় পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন ত্রিশূল ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল পিকে মিশ্র এবং ইউনিফর্ম ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল হরিহরণ। ১৩-১৪ অগাস্ট চুসুল-মলডো বর্ডার মিটিং পয়েন্টে দুই পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত কোর কমান্ডার পর্যায়ের ১৯তম দফার আলোচনার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে এই আলোচনা হয়। বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে তিন বছরের আগেকার স্থিতাবস্থা অবিলম্বে বহাল রাখা ও ডেপসাং ও ডেমচক থেকে চিনা সেনাদের পিছিয়ে যাওয়ার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। তিন বছর আগে গলওয়ান উপত্যাকায় ভারতীয় অংশে আচমকাই ঢুকে আসে চিন সেনা। দু’পক্ষের সংঘর্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয় উভয় শিবিরের। তারপর থেকেই সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা চলছে দু’দেশের মধ্যে। যার ফল হিসাবে ২০২১ সালে গোগরা হটস্প্রিং এলাকা ও প্যাংগং লেকের বিস্তীর্ণ অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় দু’দেশই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share