Tag: Yashwant Sinha

Yashwant Sinha

  • Yashwant Sinha: তৃণমূলে ফিরছেন না, নির্দল হয়েই থাকতে চান ‘হেরো’ যশবন্ত!

    Yashwant Sinha: তৃণমূলে ফিরছেন না, নির্দল হয়েই থাকতে চান ‘হেরো’ যশবন্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমি আর কোনও রাজনৈতিক দলে যোগদান করব না। সাফ জানিয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Presidential polls) পরাজিত প্রার্থী তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা (Yashwant Sinha)। তিনি যে নির্দল (Independent) হিসেবে থাকতে চান, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যশবন্ত।   

    পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএর বাজি ছিলেন বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি বিরোধী সতেরটি দলের সম্মিলিত প্রার্থী হন তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা। রাষ্ট্রপতি পদের জন্য বিরোধীরা প্রথমে যে কটি নাম নিয়ে ভেবেছিলেন, সেখানে যশবন্তের ঠাঁই হয়নি। তাঁরা এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার, ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লা এবং বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল কংগ্রেসের গোপাল কৃষ্ণ গান্ধীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এই ত্রয়ী রাজি না হওয়ায়ই শিকে ছেঁড়ে যশবন্তের ভাগ্যে। তবে দ্রৌপদীর কাছে বিপুল ভোটে পরাস্ত হন এই প্রবীণ রাজনীতিক।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    এর পরেই জল্পনা ছড়ায়, তৃণমূলে ফিরছেন যশবন্ত। যদিও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন যশবন্ত, তবে তিনি জোড়াফুল শিবিরে ফিরছেন না বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। যশবন্ত স্বয়ং বলেন, আমার সঙ্গে কেউ কথা বলেনি, আমিও কারও সঙ্গে বলিনি। তিনি বলেন, আর কোনও রাজনৈতিক দলে যোগদান করব না। আজীবন নির্দল হিসেবেই থাকব।

    বিজেপি ছেড়ে যশবন্ত তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে। পরে তাঁকে দলের সহ সভাপতি করা হয়। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছিলেন যশবন্ত। বলেছিলেন, বাংলাই আগামিদিনের পথ প্রদর্শক হবে। ২০২৪ সালের সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যেও বড় ভূমিকা পালন করবে। তাই দূর থেকে নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকতেই তৃণমূলে যোগদান। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধেও বিষোদ্গার করেন প্রবীণ রাজনীতিক যশবন্ত। বলেন, মোদি শাহের রাজনীতি মানুষ প্রত্যাখ্যান করবে। বাজপেয়ী জমানার বিজেপির সঙ্গে যে এখনকার বিজেপির আকাশ পাতাল পার্থক্য রয়েছে, তাও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যশবন্ত।

    দ্রৌপদীর কাছে পরাজয়ই কি যশবন্তকে ঠেলে দিল  রাজনৈতিক সন্ন্যাসের পথে?

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

  • Draupadi Murmu: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে দ্রৌপদী, যোজন পিছিয়ে যশবন্ত

    Draupadi Murmu: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে দ্রৌপদী, যোজন পিছিয়ে যশবন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি ভবনের দৌড়ে এগিয়ে এনডিএ (NDA) প্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী(Draupadi Murmu)। সোমবার হয়েছে ভোট। মূল লড়াই হয়েছে এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদীর সঙ্গে বিজেপি বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহার (Yashwant Sinha)। ভোটের পরেই স্পষ্ট রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে দ্রৌপদীই, যশবন্ত নয়।

    ইতিমধ্যেই ব্যালট বাক্স চলে গিয়েছে দিল্লিতে। ভোট গণনা হবে ২১ জুলাই। যিনি জয়ী হবেন, তিনি শপথ নেবেন ২৫ তারিখে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ অবসর নেবেন ২৪ তারিখে। এদিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সংসদের ৭৭১ জন সদস্য ভোট দিতে পারেন। আর বিধানসভার ৪০২৫ জন ভোট দিতে পারেন। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ভোট দিয়েছেন ৯৯ শতাংশ ভোটার।

    আরও পড়ুন : দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব, তোপ যশবন্তের

    রাষ্ট্রপতি পদে কাকে সমর্থন করা হবে, তা নিয়ে বিরোধী শিবিরে ফাটল ধরেছিল আগেই। সেই ফাটল চওড়া হল নির্বাচনের দিন। ক্রশ ভোটিং ঠেকাতে পারলেন না বিরোধী শিবির। এনসিপি ও কংগ্রেসের দুজন করে বিধায়ক বিজেপি বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে ভোট না দিয়ে দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ড ও গুজরাটের দুই এনসিপি বিধায়ক ও হরিয়ানা এবং ওড়িশার দুই কংগ্রেস বিধায়ক ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। গুজরাটের একমাত্র এনসিপি বিধায়ক কান্ধাল জাদেজাও ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। বিধানসভা থেকে বেরিয়ে সেকথা ঘোষণাও করলেন তিনি। যদিও তাঁর এই স্বীকারোক্তির পরে পরেই দলের তরফে শোকজ করা হয় জাদেজাকে। দ্রৌপদীকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে সাফাই দিতে গিয়ে জাজেদা বলেন, আমাকে গুজরাটে থাকতে হয়। আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের কথা মাথায় রাখতে হয়। তাই ভোটিংয়ের সময় স্বার্থপর হতে পারিনি।

    আরও পড়ুন : পাঁচ বছরের মেয়াদে রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ আটকে দিয়েছেন রাজ্যের ৩ বিল, স্বাক্ষর করেছেন ১৫৯টিতে

    রাঁচিতে ঝাড়খণ্ডের একমাত্র এনসিপি বিধায়ক কমলেশ সিং বিধানসভা থেকে বেরিয়ে তিনিও ঘোষণা করেন যশবন্ত নন, তিনি ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। বলেন, দ্রৌপদী মুর্মু ঝাড়খণ্ডের মানুষের জন্য কাজ করেছেন। আমার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভাল। তাছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকায় ন’ হাজারের মতো আদিবাসী ভোটার রয়েছেন। ওড়িশার কংগ্রেস বিধায়ক মহম্মদ মোকিমও ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। তাঁর দাবি, দ্রৌপদী ওড়িশার ভূমিপুত্র। আমি একজন ওড়িয়া। তাই বিবেকের কথা শুনে দ্রৌপদীকে ভোট দিয়েছি। অন্তরাত্মার কথা শুনতে বিধায়কদের বাধা দেওয়া যাবে না। বিবেকের কথা শুনে ক্রশ ভোটিং করেছেন হরিয়ানার কংগ্রেস বিধায়ক কুলদীপ বিষ্ণোই। বিরোধী প্রার্থী যশোবন্তকে ভোট না দিয়ে, তিনি ভোট দিয়েছেন এনডিএর দ্রৌপদীকে। তিনি বলেন, অন্তরাত্মার কথা শুনে ভোট দিয়েছি আমিও।

    একাধিক বিধায়কের এই ‘অন্তরাত্মা’র ডাকেই রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে গিয়েছেন দ্রৌপদী।

     

     

  • Yashwant Sinha: দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব, তোপ যশবন্তের

    Yashwant Sinha: দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব, তোপ যশবন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনডিএ (NDA) রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu) সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Polls) প্রাক্কালে এমনই দাবি করলেন বিজেপি (BJP) বিরোধী দলগুলির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত সিনহা। বিজেপি শাসিত আসামের গুয়াহাটিতে এদিন প্রচারে গিয়েছিলেন যশবন্ত। সেখানেই তিনি বলেন, আমি কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে লড়ছি না, লড়ছি কেন্দ্রীয় সরকারের শক্তির বিরুদ্ধে।

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এনডিএ-র তরফে রাষ্ট্রপতি পদে নাম ঘোষণা করা হয় বিজেপির দ্রৌপদীর। তিনি যাতে সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে পারেন, সেজন্য বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের কাছে আবেদন করেছিলেন গেরুয়া শিবিরের ভোট ম্যানেজারেররা। তার পরেও তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী ঘোষণা করেন বিরোধীরা। এর পরেই ভোট চাইতে বিভিন্ন রাজ্যে যান দ্রৌপদী এবং যশবন্ত। এদিন যশবন্ত ছিলেন গুয়াহাটিতে।

    আরও পড়ুন : দলীয় সাংসদদের চাপে বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মুকেই সমর্থন করছে শিবসেনা?

    সম্প্রতি শিবসেনা সাংসদের নিয়ে মাতোশ্রীতে বৈঠকে বসেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। সূত্রের খবর, সেখানেই সাংসদদের সিংহভাগ রাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ প্রার্থী বিজেপির দ্রৌপদীকে সমর্থনের ব্যাপারে সওয়াল করেন। সাংসদদের চাপের মুখে পড়ে দ্রৌপদীকে সমর্থনে কথা জানান উদ্ধব। যদিও তাঁর দাবি, দ্রৌপদীকে সমর্থনের বিষয়ে কোনও চাপ ছিল না। সংবাদ মাধ্যমকে উদ্ধব বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে আমার তাঁকে সমর্থন করা উচিত ছিল না, তবে আমরা সংকীর্ণ মনের নই। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে ফের যাতে শিবসেনায় বিভাজন সৃষ্টি না হয়, সেজন্যই উদ্ধবের এই কৌশলী চাল!

    আরও পড়ুন : শিবসেনার তির-ধনুক প্রতীক কেউ কেড়ে নিতে পারবেন না, সাফ জানালেন উদ্ধব

    এদিন কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত। বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে কেন্দ্র বিরোধীদের দুর্বল করতে চাইছে। একাজে অপব্যবহার করা হচ্ছে ইডিকে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে  কেন্দ্র বিরোধীদের মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্ট করছে। যশবন্ত বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে সমর্থন করছেন। আম আদমি পার্টির সমর্থনও পাব। তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতিও আমাকে সমর্থন করবে। বিরোধী শিবিরের মধ্যে কেবল শিবসেনাই সমর্থন করছে দ্রৌপদীকে।

     

  • Presidential Elections: “ওনাকে সম্মান করি, তবে…”, দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কী বললেন প্রতিদ্বন্দ্বী যশবন্ত?

    Presidential Elections: “ওনাকে সম্মান করি, তবে…”, দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কী বললেন প্রতিদ্বন্দ্বী যশবন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনডিএ (NDA) প্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) প্রতি তাঁর অগাধ শ্রদ্ধা। তবে তাঁর সঙ্গে দ্রৌপদীর লড়াই হবে আদর্শের। এমনই জানিয়ে দিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তথা বিজেপি-বিরোধী জোটের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত সিনহা (Yashwant Sinha)। বিরোধীদের ভোটের পাশাপাশি বিজেপির কিছু ভোটও পাবেন বলে আশাবাদী এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু! ‘ঘরের মেয়ে’ কে সমর্থন নবীনের

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এই নির্বাচনে এনডিএর প্রার্থী প্রাক্তন রাজ্যপাল বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যাতে সর্বসম্মত হয়, সেজন্য চেষ্টার কম কসুর করেননি পদ্ম নেতৃত্ব। বিজেপির তরফে বিরোধীদের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল রাজনাথ সিংকে। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যর্থ হন তিনি। বিজেপি বিরোধী ১৭টি দল সর্বসম্মতভাবে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যে তিনটি নাম নিয়ে বিরোধীরা প্রথমে এগিয়েছিলেন, সেই এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার, ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লা ও কংগ্রেসের গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী সাফ জানিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে তাঁরা নেই। এর পরেই বেছে নেওয়া হয় বিজেপি ছেড়ে বেরিয়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া যশবন্ত সিনহাকে। তৃণমূলের এই ভাইস প্রেসিডেন্টকেই প্রার্থী করেন বিরোধীরা।

    রাজনৈতিক মহলের হিসেব বলছে, রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদীই। এনডিএর পাশাপাশি বিজেডি এবং নীতীশ কুমারের দলের সমর্থন রয়েছে তাঁর সঙ্গে। এতদসত্ত্বেও আশা ছাড়তে রাজি নন যশবন্ত স্বয়ং। সংবাদ মাধ্যমে তিনি বলেন, যাঁরা বিজেপি রয়েছেন, তাঁদের ভোটও পাব। আমি জানি, বিজেপির লোকও বিজেপির ওপর ক্ষুব্ধ। গোপন ব্যালটে ভোট হবে। তাই বিষয়টি গোপনই থাকবে।

    আরও পড়ুন : কাউন্সিলর থেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী, কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?

    বস্তুত, এই হিসেব কষেছে তৃণমূলও। যশবন্ত যেহেতু বিজেপির প্রাক্তনী, তাই তিনি কিছু ভোট ভাঙাতে পারবেন। অন্তত এমনই ভেবেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই পাওয়ার, আবদুল্লা এবং গান্ধী না করে দিতেই যশবন্তের নামে পড়ে শিলমোহর।

    কোন ইস্যুতে ভোট চাইবেন? সংবাদ মাধ্যমের এহেন প্রশ্নের জবাবে যশবন্ত বলেন, ভারতের সংবিধান রক্ষা করাই আমার সব চেয়ে বড় কাজ। যদি রাষ্ট্রপতি ভবনে যাই, তাহলে এই কাজই করব।এই সরকার সংবিধান ও সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে মানছে না। রাষ্ট্রপতি ভবনে যদি রাবার স্ট্যাম্প থাকে, তাহলে এই সরকার তার সুযোগ নেবে এবং রাষ্ট্রপতিকে তাঁর কর্তব্য পালন করতে দেবে না।

    যশবন্তের রাইসিনা হিলসে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয় কিনা, সেটাই দেখার।

          

  • Yashwant Sinha: রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত কীভাবে হলেন বিরোধী প্রার্থী,  জানেন কি আসল কাহিনি?

    Yashwant Sinha: রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত কীভাবে হলেন বিরোধী প্রার্থী, জানেন কি আসল কাহিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি (President) পদে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা (Yashwant Sinha)। তিনি হারছেন তা আগাম ঘোষণা করে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এমন বলতে তিনিই পারেন। নিজেদের জোটের প্রার্থীকে ভোটের আগেই হারিয়ে দিয়ে এনডিএ-র (NDA) প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) জয় নিশ্চিত বলেছেন তিনি। ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ঠিক আগে পাল্টি খেয়ে তিনি দ্রৌপদীদেবীকে সমর্থন করে দিলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। মমতা সবই পারেন!

    যশবন্ত সিনহা ছিলেন তৃণমূলের সহ-সভাপতি। তাঁকে সমর্থন করছে সিপিএম-সহ বাম দলগুলি। এতদিন যে সিপিএম ‘দিদি-মোদি’ সেটিংয়ের তত্ত্ব প্রচার করত, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তারাই প্রমাণ করে দিয়েছে সেটিং আসলে ‘সীতা-মমতা’র। কিন্তু মহারাষ্ট্রের সরকার পতনের পর মত বদলেছে মমতার। তৃণমূলের সদ্য প্রাক্তন সহ-সভাপতি যে ভোটে হারছেন তা তিনি আগেই ঘোষণা করেছেন। রাজনৈতিক বৃত্তে অনেকের প্রশ্ন, কাকে, ঠিক কী বার্তা দিতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো?এত কিছুর মাঝেও যশবন্ত সিনহা কীভাবে রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধী জোটের প্রার্থী হলেন তার আসল কাহিনি অনেকের অজানা। মাধ্যম সে কথাই আজ জানাবে।

    আরও পড়ুন : “ওনাকে সম্মান করি, তবে…”, দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কী বললেন প্রতিদ্বন্দ্বী যশবন্ত?

    দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে বৈঠক ডেকেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৫ জুন হয় সেই বৈঠক। মমতা চাইছিলেন শারদ পাওয়ার রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্খী হোন। তা ঠিক করতে দিল্লি পৌঁছান মমতা। উদ্দেশ্য ছিল, জাতীয় রাজনীতিতে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা। কিন্তু নয়াদিল্লিতে নেমেই মমতা জানতে পারেন, তাঁর ১৫ জুনের বৈঠকের পর আরও একটি বৈঠক ২১ জুন ডাকা হচ্ছে। সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, শারদ পাওয়ার, মল্লিকার্জুন খাড়গেরা আলোচনা করে তা ঠিক করে ফেলেছেন। তৃণমূল নেত্রীর ঘনিষ্ঠরা জানাচ্ছেন, মমতা বুঝতে পারেন আরও বৈঠক হলে এবং তা তৃণমূলের নেতৃত্বে না হলে ১৫ জুনের বৈঠকের কোনও মূল্যই থাকবে না। ফলে শারদ পাওয়ারকে ম্যানেজ করতে দিল্লিতে পা দিয়েই তাঁর বাড়িতে ছোটেন মমতা। পাওয়ারকেই রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে অনুরোধ করেন। এনসিপি নেতা সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েও দেন।

    আরও পড়ুন : বাজল উপরাষ্ট্রপতি পদের দামামাও, কীভাবে ভোট হয় জানেন?

    এমন পরিস্থিতিতে ১৫ জুন দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠক বসে। মমতা-শারদ পাওয়ার সেই বৈঠকের পর একটি তিনপাতার যৌথ বিবৃতি প্রকাশের জন্য সুধীন্দ্র কুলকার্নিকে দায়িত্ব দেন। গোপালকৃষ্ণ গান্ধী এবং ফারুক আবদুল্লার নাম প্রস্তাবও করা হয় সেখানে। বৈঠকে আলোচনার পর তৃণমূল নেত্রী যখন যৌথ বিবৃতির কথা বলেন সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতিবাদ করেন ডিএমকে নেতা টি আর বালু। তিনি জানিয়ে দেন, এমন বিবৃতি এবং প্রস্তাবিত নাম নিয়ে এম কে স্ট্যালিনের সঙ্গে আলোচনা না করে তিনি সই করতে পারবেন না। কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরিও যৌথ বিবৃতি নিয়ে আপত্তি জানান। তার পর মুখ বাঁচাতে মেহবুবা মুফতিকে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে গিয়ে শুধু দুটি নাম নিয়ে আলোচনার কথা জানাতে বাধ্য হন তৃণমূল সুপ্রিমো। দু এক দিনের মধ্যে গোপালকৃষ্ণ গান্ধী এবং ফারুক আবদুল্লা জানিয়ে দেন তাঁরাও রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে চান না।

    জাতীয়স্তরে  মমতার বিশ্বাসযোগ্যতাকে তলানিতে ঠেকিয়ে আসরে নামেন সীতারাম ইয়েচুরি, শারদ পাওয়ার এবং মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁরা যৌথভাবে প্রস্তাব দেন যশবন্ত সিনহাকে। ২১ জুনের বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনাও হয়। কিন্তু যশবন্তকে বলা হয় আগে তৃণমূল ছাড়ুন তারপরই প্রার্থীপদে আপনার নাম ঘোষণা হবে। সেই মতো তৃণমূল সুপ্রিমোকে মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে এবং টুইট করে তৃণমূল ছেড়ে দেন যশবন্ত সিনহা। তাই তাঁর নিজের দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি হওয়ার পরেও রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত সিনহাকে নিয়ে বিশেষ নাচানাচি করতে চাইছেন না তৃণমূল সুপ্রিমো। তৃণমূলের নেতা হয়েও রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য যশবন্ত আবার প্রচার শুরু করেছেন কংগ্রেস শাসিত রাজ্য থেকে। আর কলকাতায় দাঁড়িয়ে মমতা বলেছেন, আগে জানলে তিনি দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করতেন। মহারাষ্ট্রের দেওয়াল লিখন দেখে দ্রৌপদী মুর্মুর মাধ্যমেই এনডিএ-র কৃষ্ণ ভগবানকে স্মরণ করতে চাইছেন কি তিনি? রাজনৈতিক চর্চাজীবীদের একাংশের তেমনই মত। 

     

  • Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা

    Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব জল্পনার অবসান। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Presidential Polls) বিরোধী জোটের (opposition) সর্বসম্মত প্রার্থী হচ্ছেন যশবন্ত সিনহা। মঙ্গলবার দুপুরে দিল্লিতে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের বাড়িতে ১৮টি জোটের বৈঠকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকের পর পাওয়ার, কংগ্রেস  (Congress) নেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে-সহ বিরোধী নেতারা সাংবাদিক সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। পাওয়ার বলেন, ‘‘বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ শিবিরের সর্বসম্মত প্রার্থী হবেন যশবন্ত।” 

    এদিন ১৮টি বিরোধী দলের বৈঠকে যোগ দেয় ওয়েইসির ‘মিম’, কংগ্রেস, তৃণমূল, এনসিপি, সিপিএম, সিপিআই, আরজেডি, এসপি, ডিএমকে, আরএসপি। শরদ পাওয়ার জানান, যশবন্ত সিন্হাকে সমর্থন করেছে আম আদমি পার্টি (AAP) ও TRS। এর আগেই তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেছেন যশবন্ত।  তারপরই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রার্থীপদে সিলমোহর দেয় বিরোধীরা। ২৭ জুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়ন পেশ করবেন যশবন্ত। ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। যদিও এই নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কে, তা এখনও দলের তরফে ঘোষণা করা হয়নি।

    [tw]


    [/tw]

    প্রাক্তন আমলা যশবন্ত ১৯৮৪ সালে জনতা দলের হাত ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। এর পর তাঁর সঙ্গে গেরুয়া শিবিরের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তিনি বিজেপি-র মুখপাত্রও ছিলেন এক সময়। অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলে অর্থ এবং বিদেশমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কিন্তু ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের হাতে দলের রাশ ওঠার পর থেকেই বিজেপি-র সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে।  ২০১৮ সালে বিজেপি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। 

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় বৈঠকে বিজেপি, মঙ্গলেই চূড়ান্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম?

    এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ ট্যুইট করেন,“আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমরা একজন সাধারণ প্রার্থী নির্বাচন করার এবং মোদি সরকারকে আরও ক্ষতি করা থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ অনুষ্ঠিত বৈঠকে আমরা যশবন্ত সিনহাকে সাধারণ প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছি। আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলকে যশবন্ত সিনহাকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করছি।”  

  • Draupadi Murmu: বিরোধী ঐক্যে ফাটল প্রকট, দ্রৌপদীর পক্ষে ক্রস ভোটিং রাজ্যে রাজ্যে

    Draupadi Murmu: বিরোধী ঐক্যে ফাটল প্রকট, দ্রৌপদীর পক্ষে ক্রস ভোটিং রাজ্যে রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Elections 2022) ফলে প্রকাশ্যে চলে এল বিরোধী ঐক্যে ফাটল! এই নির্বাচনে হয়েছে ব্যাপক ক্রস ভোটিং (Cross Voting)। তার জেরেই এনডিএর  রাষ্ট্রপতি (NDA Presidential candidate) পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে। ধরাশায়ী হয়েছেন বিজেপি (BJP) বিরোধী জোটের প্রার্থী তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা (Yashwant Sinha)। দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে জনজাতি সম্প্রদায়ের দ্রৌপদীকে চেয়ে দলীয় অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে বিরোধী শিবিরের বহু সাংসদ, বিধায়কই ভোট দিয়েছেন বিজেপির প্রার্থীকে।

    ভারতীয় গণতন্ত্র প্রতিনিধিত্বমূলক। এখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরাসরি অংশ নেন না ভোটাররা। তাঁদের হয়ে ভোট দেন সাংসদ এবং বিধায়করা। দেশের সব সাংসদ এবং বিধায়করা এই ভোটে অংশ নেন। গেরুয়া শিবির সূত্রের দাবি, বিভিন্ন বিধানসভার প্রায় ১২৫ জন বিধায়ক ভোট দিয়েছেন বিজেপির দ্রৌপদীকে। বিরোধী শিবিরের ১২ জন সাংসদের ক্রস ভোটিংয়েও লাভবান হয়েছেন দ্রৌপদী। অথচ এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদীকে হারাতে চেষ্টার কসুর করেনি বিরোধীরা। তার পরেও বিবেকের ডাকে সাড়া দিয়েছেন বিরোধী শিবিরের অনেক বিধায়ক, সাংসদ। যা থেকে স্পষ্ট সেভাবে দানা বাঁধতে পারেনি বিরোধী ঐক্য। 

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, অসম, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের একাধিক বিধায়ক স্বদলের অবস্থানের বাইরে গিয়ে সমর্থন করেছেন দ্রৌপদীকে। গেরুয়া শিবিরের অনুমান, মধ্যপ্রেদেশের ২০ জন বিধায়ক, অসমের প্রায় ২২ জন বিধায়ক, বিহার ও ছত্তিশগড়ের ছ’জন বিধায়ক, গোয়ার চারজন বিধায়ক এবং গুজরাটের ১০ জন বিধায়ক ক্রস ভোট দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও বিরোধীদের এক বিধায়কও ক্রস ভোটিং করেছেন বলে দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। ভোট শেষ হওয়ার পরেই শুভেন্দু (Suvendu) দাবি করেছিলেন, ৭০টি ভোট তো পাবই, তার বেশিও পাব। তাঁর কথা মিলে গেল হুবহু। কারণ এ রাজ্যে দ্রৌপদী পেয়েছেন ৭১টি ভোট। এই বাড়তি ভোট যে তৃণমূল শিবিরের, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন : জয়ী দ্রৌপদী, মমতা ব্যর্থ, তৃণমূলনেত্রীকে কটাক্ষ বিজেপির

    ওড়িশা এবং হরিয়ানায়ও হয়েছে ক্রস ভোটিং। একই চিত্র ধরা পড়েছে বাম শাসিত কেরলেও। দ্রৌপদীর কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন বিজেপি বিরোধী ১৭টি দলের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা। অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম এবং নাগাল্যান্ডে একটিও ভোট পাননি তিনি। নিজের রাজ্য ঝাড়খণ্ডেও খুব বেশি ভোট পাননি যশবন্ত। তাঁর পক্ষে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৯ জন বিধায়ক।

    বিজেপির দ্রৌপদী যাঁদের ভোট পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কংগ্রেসেরও অনেক ভোটার ছিলেন। যাঁরা ক্রস ভোটিং করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেরই দাবি, অন্তরাত্মার ডাকে সাড়া দিয়েই দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে তাঁরা ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। এই সব কারণেই আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাইসিনা হিলসের (Raisina Hills) স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে গেলেন ওড়িশার দ্রৌপদী মুর্মু।  

     

  • Presidential Election 2022:  জয় নিশ্চিত দ্রৌপদী মুর্মুর! প্রথম রাউন্ডের শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

    Presidential Election 2022: জয় নিশ্চিত দ্রৌপদী মুর্মুর! প্রথম রাউন্ডের শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী  বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহার থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেলেন এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)।  বলা যেতে পারে, এই লড়াইয়ে দ্রৌপদীর জয় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। কিছুক্ষণ আগেই, প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষ হয়েছে। আর তাতেই যশবন্তের চেয়ে বিপুল ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন দ্রৌপদী।

    প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দ্রৌপদী মুর্মুকে ৫৪০ জন সাংসদ ভোট দিয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর প্রাপ্ত ভোটের ভ্যালু ৩,৭৮,০০০। যশবন্ত সিনহাকে ২০৮ জন সাংসদ ভোট দিয়েছেন। যশবন্ত সিনহা প্রাপ্ত ভোটের ভ্যালু ১,৪৫,৬০০। ১৫টি ভোট অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। দ্রৌপদী মুর্মু ৭২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।  ফলে বলা যেতেই পারে, সম্ভবত বিপুল সমর্থন নিয়েই দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে দ্রৌপদী মুর্মুর জয় কার্যত নিশ্চিত। সেক্ষেত্রে দেশের দ্বিতীয় মহিলা এবং প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি হিসেবে এই পদে বসবেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল উদাহরণ দ্রৌপদী, বলছে ওড়িশার রায়রংপুর

    ওড়িশার অতি সাধারণ ঘর থেকে আসা একটি আদিবাসী পরিবারের মেয়ে তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা ও কষ্টের শিকার হয়েছেন দ্রৌপদী। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী, দুই ছেলে, মা ও ভাই। ২০০৯ সালে, রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে দ্রৌপদী মুর্মুর এক ছেলের। দ্রৌপদীর স্বামী শ্যাম চরাম মুর্মু ২০১৪ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২০১২ সালে এক পথ দুর্ঘটনায় নিজের দ্বিতীয় পুত্রকেও হারান তিনি। দ্রৌপদী মুর্মুর কন্যা ইতিশ্রী মুর্মু একটি ব্যাঙ্কে কাজ করেন।

    ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার সাঁওতাল সম্প্রদায়ের একটি দরিদ্র আদিবাসী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করার আগে দ্রৌপদী মুর্মু ওড়িশার রায়রংপুরে শ্রী অরবিন্দ ইন্টিগ্রাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে শিক্ষকতা করতেন। এখনও পর্যন্ত দেশে কোনও আদিবাসী মহিলা প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হননি। যদিও কেআর নারায়ণন ও রামনাথ কোবিন্দের রূপে দেশ পেয়েছিল ২ জন দলিত রাষ্ট্রপতি।

    আরও পড়ুন: ঘরের মেয়ে হতে চলেছেন রাষ্ট্রপতি, উৎসবের মেজাজ দ্রৌপদীর গাঁয়ে

  • Yashwant Sinha: মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়েই কি বাংলায় প্রচারে নারাজ যশবন্ত সিনহা? 

    Yashwant Sinha: মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়েই কি বাংলায় প্রচারে নারাজ যশবন্ত সিনহা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন তৃণমূলের (TMC) সহ সভাপতি। রাষ্ট্রপতি (President) পদে তাঁর নাম প্রস্তাব করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী সেই যশবন্ত সিনহাই (Yashwant Sinha) ভোট চাইতে পশ্চিমবাংলায় নাও আসতে পারেন। যে ঝাড়খণ্ড তাঁর নিজের রাজ্য, সেখানেও তিনি যাবেন না বলেই এখনও পর্যন্ত খবর। বৃহস্পতিবার যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে প্রচার করছেন বিজেপি বিরোধী ১৮টি দলের প্রার্থী যশবন্ত। 

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত কীভাবে হলেন বিরোধী প্রার্থী, জানেন কি আসল কাহিনি?

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর নামে সিলমোহর দেয় এনডিএ। রাষ্ট্রপতি যাতে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন, তাই রাজনাথ সিংকে দায়িত্ব দেওয়া হয় বিরোধীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য। বিজেপি নেতৃত্ব পদ্ম-বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথাও বলেন। তার পরেও চিঁড়ে ভেজেনি। বিরোধীরা পাল্টা সর্বসম্মতভাবে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন যশবন্ত সিনহার নাম। তবে তার আগে একপ্রস্ত নাটক হয়। বিরোধীরা প্রথমে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার, পরে ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লা এবং তারও পরে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নাম প্রস্তাব করেন। এই তিনজনের কেউই প্রার্থী হতে চাননি। অতএব, শিকে ছেঁড়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া যশবন্তের কপালে। প্রার্থী হওয়ার আগে অবশ্য তৃণমূল ছাড়তে হয় তাঁকে। এদিকে, বিজেপি দ্রৌপদীকে প্রার্থী করতেই খেলা ঘুরে যায়। দ্রৌপদী আদিবাসী সম্প্রদায়ের। তাই তাঁর বিরোধিতার ফল ভোটবাক্সে পড়তে পারে ভেবে দোটানায় পড়ে যান তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দ্রৌপদীই জিতবেন।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর হয়ে সওয়াল মমতার

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজনীতির অঙ্কে বাংলায় জনসমর্থন মিলবে না ভেবেই বাংলায় ভোট প্রচারে নাও আসতে পারেন যশবন্ত। তাঁর খাসতালুক ঝাড়খণ্ডেও যাবেন না বলেই খবর। কারণ ইতিমধ্যেই দ্রৌপদীকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও। জানা গিয়েছে, এদিন উত্তর প্রদেশ সফরে গিয়েছেন যশবন্ত। তার পরের দিনই যাবেন গুজরাটে। সেখান থেকে জম্মু-কাশ্মীরে যাওয়ার কথা তাঁর। ভূস্বর্গবাসীর সমর্থন আদায় করতেই তাঁর উপত্যকায় যাওয়ার কথা।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, যশোবন্ত যা-ই করুন না কেন, রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীর জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। কারণ এনডিএ ছাড়াও তাঁকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিরোধীদের অনেকেই। তাই রাইসিনা হিলসের দৌড়ে যে যশবন্তের চেয়ে দ্রৌপদী কয়েক যোজন এগিয়ে, তা বলাই বাহুল্য।

     

LinkedIn
Share